ওয়াই-ফাই ৫ ও ওয়াই-ফাই ৬-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী? জানুন বিশদ বিবরণ
ওয়াই-ফাই Alliance-এর তৈরি ওয়াই-ফাই ৫ ও ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তির মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। নতুন প্রযুক্তির ব্যান্ডউইথ ও গতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

Technology ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতির সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও কার্যকর হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন প্রজন্মের ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি চালু থাকলেও ওয়াই-ফাই ৫ এবং ওয়াই-ফাই ৬-এর মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়াই-ফাই ৫ স্ট্যান্ডার্ডটি ২০১৩ সালে ওয়াই-ফাই Alliance দ্বারা প্রথমবারের মতো পরিচিতি পেয়েছিল। এটি প্রযুক্তিগতভাবে ৮০২.১১এসি (802.11ac) নামে পরিচিত। কারিগরি দিক থেকে দেখতে গেলে এই স্ট্যান্ডার্ডটি বেশ পুরোনো হলেও এখনো অনেক নতুন ডিভাইসে ওয়াই-ফাই ৫-এর সাপোর্ট বা সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, ওয়াই-ফাই ৬ হলো অপেক্ষাকৃত একটি নতুন এবং উন্নত প্রযুক্তি। ওয়াই-ফাই Alliance ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওয়াই-ফাই ৬ স্ট্যান্ডার্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে। এই প্রযুক্তিটির প্রাতিষ্ঠানিক নাম ৮০২.১১এএক্স (802.11ax)। বর্তমানে বাজারে থাকা বেশিরভাগ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে ওয়াই-ফাই ৬-এর সুবিধা সংযুক্ত করা হচ্ছে।
প্রযুক্তির এই আধুনিক সংস্করণে হাই-ব্যান্ডউইথের কাজগুলো খুব সহজে পরিচালনা করা সম্ভব। ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তিতে তাত্ত্বিকভাবে সর্বোচ্চ ৯.৬ জিবিপিএস (9.6Gbps) পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব। যদিও ব্যবহারিক বা বাস্তব ক্ষেত্রে ডিভাইসের কার্যক্ষমতার ওপর নির্ভর করে ইন্টারনেটের এই গতি কিছুটা কম হতে পারে।
তা সত্ত্বেও, ওয়াই-ফাই ৫-এর তুলনায় ওয়াই-ফাই ৬ অনেক বেশি কার্যকরী ও শক্তিশালী। অনলাইনে কমপিটিটিভ গেম খেলা, উচ্চমানের হাই-ডেফিনিশন (HD) কনটেন্ট বা ভিডিও দেখা এবং একই সাথে একাধিক বড় ফাইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই ৬ অত্যন্ত চমৎকার পারফরম্যান্স প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, ওয়াই-ফাই ৬-এর পর আরও একটি নতুন ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি বাজারে এসেছে। ২০২৪ সালে ওয়াই-ফাই ৭ স্ট্যান্ডার্ড চালু করা হয়েছে, যা বর্তমানে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির সবচেয়ে উন্নত সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখনো ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তির ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।






