POTHIKTV

ওয়েস্ট ব্যাংকের অবৈধ বসতি পণ্যে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা পদক্ষেপ ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের দখলকৃত ওয়েস্ট ব্যাংকের অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা। এর জবাবে জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধসহ একাধিক পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল।

ওয়েস্ট ব্যাংকের অবৈধ বসতি পণ্যে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা পদক্ষেপ ইসরায়েলের

শিক্ষা ডেস্ক: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

অধিকৃত ফিলিস্তিনের ওয়েস্ট ব্যাংকে গড়ে ওঠা অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে উৎপাদিত পণ্য আমদানির ওপর যৌথভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথ সুগম করতে ও আন্তর্জাতিক অপরাধ রুখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান মানবেতর পরিস্থিতিকে বিশ্বের বিবেকের জন্য একটি বড় ক্ষত হিসেবে বর্ণনা করেন।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড ওয়েস্ট ব্যাংকে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, নেতানিয়াহু সরকারের পরোক্ষ সমর্থনে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। যৌথ নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পাশাপাশি আরও নয়টি ইউরোপীয় দেশ অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদোন সার পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার নেতা জেরুমি করবিন সহ ১১ জন বর্তমান ও সাবেক এমপি এবং একজন আইন বিশেষজ্ঞ সহ মোট ১২ জন ব্রিটিশ নাগরিকের ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

ইসরায়েলের এই নিষেধাজ্ঞার জবাবে লেবার এমপি রিচার্ড বার্গন ও জেরুমি করবিন জানান, আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে কথা বলা এবং ফিলিস্তিনিদের সুবিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকা থেকে তাদের কোনোভাবেই নিবৃত্ত করা যাবে না। লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমর্থনে টুইট করেছেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান কেমি ব্যাডেনক সরকারের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদোন সার কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে সরকারের অবস্থানের বিরুদ্ধে তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এদিকে, ইসরায়েলে ব্যবহৃত এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধের যে দাবি উঠেছিল, তা নিয়ে পার্লামেন্টে ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। তিনি জানান, সরাসরি যন্ত্রাংশ সরবরাহ আগেই বন্ধ করা হয়েছে, তবে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে যুক্তরাজ্য সরে গেলে ন্যাটোর সামরিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সূত্র: The Guardian – Education

0
0 comments·0 shares