আটকে থাকা ভ্যাট আদায়ে এনবিআরের স্পষ্ট নীতিমালার তাগিদ

Editorial Transparency & Correction Notice
This report is published through the PothikTV editorial workflow. Sources, evidence, revisions and material corrections are documented where available.
No material correction has been recorded for this story.Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটিয়ে আটকে থাকা বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষ সুযোগ এনেছে সরকার। অর্থ আইন, ২০২৬–এর মাধ্যমে ভ্যাট আইনে নতুন ‘১৩৭ক’ ধারা যুক্ত করে এই ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে নির্ধারিত সময় পার হতে চললেও এই সুবিধার বাস্তব প্রতিফলন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
নতুন এই বিধানের মাধ্যমে ১৯৯১ সালের পুরোনো ভ্যাট আইন অথবা ২০১২ সালের বর্তমান ভ্যাট আইনের আওতায় আটকে থাকা বকেয়া কর, উৎসে কর্তিত কর, জরিমানা কিংবা অন্য যেকোনো পাওনা সহজে পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের মধ্যে মাসিক ২ শতাংশ হারে মোট ২৪ মাসের সরল সুদ পরিশোধ করলেই পুরোনো করদায়ের চ্যাপ্টার থেকে চূড়ান্ত মুক্তি পাওয়া যাবে।
বাস্তবতা হলো, নির্ধারিত ছয় মাস সময়সীমার মধ্যে ইতিমধ্যে তিন মাস পেরিয়ে গেছে এবং হাতে রয়েছে আর মাত্র তিন মাস। অথচ মাঠপর্যায়ে সাধারণ করদাতা বা ভ্যাট কর্মকর্তা—কাউকেই স্পষ্ট করা হয়নি ঠিক কীভাবে বা কোন নিয়মে এই সুবিধা কার্যকর করা হবে। ফলে একটি ভালো উদ্যোগ সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আইনে বকেয়া পরিশোধের বিধান থাকলেও কয়েকটি বিষয়ে বড় ধরনের ধোঁয়াশা থেকে গেছে। এর মধ্যে ভ্যাট আপিল কমিশনারেট, আপিলাত ট্রাইব্যুনাল বা উচ্চ আদালতে ঝুলে থাকা অসংখ্য মামলার প্রত্যাহার বা নিষ্পত্তি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট রূপরেখা নেই। এছাড়া হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা মামলা বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে (এডিআর) চলমান প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কর জমা দেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি লাগবে কি না, তা অনুচ্চারিত রয়ে গেছে।
অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠানে মূল কর পরিশোধ হলেও কেবল সুদ বা আনুষঙ্গিক পাওনা বকেয়া রয়েছে, তারা এই বিশেষ স্কিমের আওতায় কীভাবে সুরাহা পাবেন তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে কিন্তু চূড়ান্ত দাবিনামা জারি হয়নি, তাদের সুবিধা নেওয়ার নিয়মও আইনে উল্লেখ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আইনে একটি ধারা যোগ করলেই রাজস্ব আদায় সম্ভব নয়। ৩১ ডিসেম্বরের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে করদাতারা কখন, কোথায়, কীভাবে আবেদন করবেন এবং কোন কোডে অর্থ জমা দেবেন, তা পরিষ্কার করে আদেশ জারি করা ও গণমাধ্যমে তা ব্যাপকভাবে প্রচার করা জরুরি।
একইসঙ্গে প্রতিটি ভ্যাট কমিশনারেটে ঝুলে থাকা পুরোনো ফাইল ও মামলা দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভ্যাট অফিসগুলোতে বিশেষ সহায়তা সেল বা হেল্প ডেস্ক চালু করার পাশাপাশি স্পষ্ট নিয়ম ও আস্থার পরিবেশ তৈরির জোর দাবি উঠেছে। এতে করে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দূর হওয়ার পাশাপাশি সরকারের কোষাগারে হাজার কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব জমা হওয়া সম্ভব হবে।
Corroborating Sources & Evidence
Corrections & Audit Trail
Material changes and newsroom transparency notes associated with this report.
SEO & Schema.org
- Schema type
- NewsArticle
- Canonical URL
- https://pothiktv.com/%e0%a6%86%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a8/
- Slug
- %e0%a6%86%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a8
