বিদেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে পাকিস্তানে যেভাবে পাবেন স্থায়ী লাইসেন্স
বিদেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়ে পাকিস্তানে এক দিনেই মিলবে স্থানীয় লাইসেন্স। এছাড়া লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা অনলাইনে ট্র্যাকিংয়ের সুবিধাও চালু করা হয়েছে।

World ডেস্ক: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
বিদেশি ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভিত্তিতে পাকিস্তানে দ্রুত সময়ের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এই লাইসেন্স কেবল ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড মোটরওয়ে পুলিশ (NHMP) ইস্যু করে থাকে। সাধারণ প্রক্রিয়ার মতো এই ক্ষেত্রেও আবেদনকারীকে সব ধরণের নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
বিদেশি লাইসেন্সধারী ব্যক্তিদের প্রধান সুবিধা হলো তাদের দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হয় না। সব ধরনের শারীরিক ও ড্রাইভিং পরীক্ষা সম্পন্ন হলে একই দিনে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। সাধারণ নাগরিকদের মতো দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হয় না।
অন্যদিকে পাঞ্জাব সরকার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশীদের সুবিধার জন্য ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (DLIMS) নামের একটি অনলাইন ট্র্যাকিং সেবা চালু করেছে। এর মাধ্যমে আবেদনকারীরা ঘরে বসেই নিজেদের লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা পরীক্ষা করতে পারছেন।
এই নতুন উদ্যোগের ফলে পাঞ্জাব প্রদেশের নাগরিকদের লাইসেন্সের অগ্রগতি বা তথ্য জানতে বারবার ট্রাফিক লাইসেন্সিং অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। শুধুমাত্র নিজেদের ১৩ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র (CNIC) নম্বর ব্যবহার করেই আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানা সম্ভব।
অনলাইনে লাইসেন্স ট্র্যাকিংয়ের জন্য আবেদনকারীকে প্রথমে ‘DLIMS Tracking’ পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ঘরে কোনো হাইফেন বা ড্যাশ ছাড়া ১৩ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিতে হবে। নিরাপত্তার জন্য স্ক্রিনে দেওয়া ক্যাপচার (CAPTCHA) সঠিক উত্তর দিতে হবে।
সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণের পর ‘Track License’ বোতামে ক্লিক করলেই স্ক্রিনে লাইসেন্সের হালনাগাদ তথ্য প্রদর্শিত হবে। প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ এবং সাধারণ মানুষের জন্য সময় সাশ্রয়ী করে তৈরি করা হয়েছে।
যদি স্ক্রিনে ‘Your regular license is in printing queue’ লেখা দেখা যায়, তবে বুঝতে হবে লাইসেন্সটি প্রিন্টিং বা মুদ্রণের অপেক্ষায় রয়েছে। লাইসেন্স প্রিন্ট হওয়ার পর তা ডাকযোগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
প্রিন্টিং শেষে পাকিস্তান পোস্টের ট্র্যাকিং নম্বর সিস্টেমে দেওয়া হয়। আবেদনকারীরা পরবর্তীতে পোস্টাল সার্ভিসের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের পার্সেলটি কোথায় রয়েছে এবং কখন পৌঁছাবে তা সহজেই ট্র্যাক করতে পারবেন।





