জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
声誉建设中
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের সরকারি চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়শ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এখানে। কিন্তু চিকিৎসক ও জনবল সংকট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, প্রয়োজনীয় সেবার সীমাবদ্ধতা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগের কারণে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করছেন রোগী ও স্বজনরা। সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি…
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের সরকারি চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়শ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এখানে। কিন্তু চিকিৎসক ও জনবল সংকট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, প্রয়োজনীয় সেবার সীমাবদ্ধতা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগের কারণে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করছেন রোগী ও স্বজনরা।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য আদায়, সরকারি কাজে বহিরাগত ব্যক্তির সম্পৃক্ততা, হাসপাতালে ওষুধ থাকার পরও রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বলার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আধুনিক অপারেশন থিয়েটার থাকলেও সেটির ব্যবহার সীমিত বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অচল থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগী ও স্বজনদের পড়তে হয় বাড়তি দুর্ভোগে।
৫০ শয্যার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম শ্রেণির ৩০টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১৬ জন। তবে এই ১৬ জনের মধ্যে পাঁচজন চিকিৎসক ডেপুটেশনে অন্যত্র কর্মরত রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আরও দুইজন চিকিৎসককে সরাইলে পদায়ন করা হলেও তারা এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি।
ফলে কাগজে চিকিৎসকের সংখ্যা ১৬ জন দেখালেও বাস্তবে নিয়মিত চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কম।
অন্যদিকে হাসপাতালে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে সার্জারি, মেডিসিন, শিশু, চক্ষু ও ইএনটি বিভাগের পদ থাকলেও বর্তমানে এসব বিভাগে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্মরত নেই বলে জানা গেছে।
এর ফলে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের বাধ্য হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
সরাইল সদর এলাকার নাথপাড়ার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়া (৫০) বলেন,
“চিকিৎসক কম থাকায় আমরা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছি না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখাতে এসে জানতে পারলাম এখানে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ নেই। তাই বাধ্য হয়ে জেলা শহরে যেতে হচ্ছে।”
দেওড়া গ্রামের রোকেয়া বেগমও একই ধরনের অভিযোগ করেন।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে আসা এক রোগী বলেন,
“আমার মেয়ে অসুস্থ। সরকারি হাসপাতালে এসেও জানতে পারলাম মেডিসিন বিশেষজ্ঞ নেই। সাধারণ মানুষ তাহলে কোথায় যাবে?”
হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর তুলনায় চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সহায়ক জনবল কম হওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
তৃতীয় শ্রেণির ৮০ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ১৯ জন কর্মরত থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল পর্যাপ্ত নয় বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন,
“প্রতিদিন হাসপাতালে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। সীমিত জনবল দিয়েই আমরা আন্তরিকভাবে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় চাপ সামলাতে কষ্ট হয়।”
তিনি জানান, শূন্য পদগুলোতে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও স্থানীয়রা।
সরেজমিনে হাসপাতালের ওষুধ বিতরণকেন্দ্রে সরকারি কর্মকর্তার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে একজন বহিরাগত ব্যক্তিকে বসে কাজ করতে দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি কার্যক্রমে ওই ব্যক্তি কীভাবে এবং কোন অনুমোদনের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি জানেন বলে জানান। তার দাবি, ওই ব্যক্তি শিক্ষিত এবং কাজটি করায় আপাতত কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
তবে সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পরিবর্তে একজন বহিরাগত ব্যক্তিকে দিয়ে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে কোনো লিখিত অনুমোদন রয়েছে কি না, সে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে বহিরাগত ব্যক্তির সম্পৃক্ততার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
হাসপাতালের বহির্বিভাগের টিকিট নিয়েও রোগীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।
কয়েকজন রোগীর অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ৩ টাকার টিকিটের জন্য তাদের কাছ থেকে ৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হলেও অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে ওষুধ বিতরণ নিয়ে।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক ওষুধ লেখা থাকলেও হাসপাতালের কাউন্টার থেকে সব ওষুধ দেওয়া হয় না। অনেক সময় এক বা দুই ধরনের কমদামি ওষুধ দিয়ে বাকি ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে বলা হয়।
এক রোগী আক্ষেপ করে বলেন,
“আমরা দরিদ্র মানুষ। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য নেই বলেই সরকারি হাসপাতালে আসি। এখানে এসে যদি প্রেসক্রিপশনের ওষুধও বাইরে থেকে কিনতে হয়, তাহলে সরকারি হাসপাতালের সুবিধা কী?”
তিনি আরও বলেন, প্রায় ৬০ টাকা গাড়িভাড়া খরচ করে হাসপাতালে এসে তিনি মাত্র ১০ টাকা মূল্যের একটি অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট পেয়েছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ হাসপাতালে মজুত রয়েছে।
এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে গ্যাসের ওষুধ পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে প্রেসক্রিপশনে থাকা অন্যান্য ওষুধ রোগীদের কেন দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতালের ওষুধের মজুত, বিতরণ এবং রোগীদের কাছে সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে যাচাই করা উচিত।
হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময়ে অবকাঠামো ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উন্নয়ন করা হলেও অভিযোগ রয়েছে, অনেক সুবিধার পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে আধুনিক অপারেশন থিয়েটারের ব্যবস্থা থাকলেও সেটি বেশিরভাগ সময় কার্যকর থাকে না। বছরে সীমিতসংখ্যক সিজারিয়ান অপারেশন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও কেন নিয়মিতভাবে এসব সুবিধা ব্যবহার করা যাচ্ছে না?
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যাখ্যা এবং অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে।
হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জেনারেটর থাকলেও সেটি দীর্ঘদিন ধরে অচল বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রায় দুই বছর ধরে জেনারেটরটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের চলাচল এবং জরুরি সেবায় সমস্যা সৃষ্টি হয়।
প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসা একটি সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অচল থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৫ সালে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০১২ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।
কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও জনবল নিশ্চিত না হওয়ায় হাসপাতালের অবকাঠামো ও চিকিৎসা সুবিধার পূর্ণ সুফল পাচ্ছেন না উপজেলার মানুষ, এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, দুইজন চিকিৎসককে পদায়ন করা হলেও তারা এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ করা সম্ভব হলে রোগীদের আরও ভালো সেবা দেওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য আদায়, সরকারি কাজে বহিরাগত ব্যক্তির সম্পৃক্ততা, ওষুধ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, সীমিত অপারেশন থিয়েটার কার্যক্রম এবং দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অচল থাকার বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাদের প্রশ্ন, প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়শ রোগীর সেবা দেওয়া একটি সরকারি হাসপাতালে যদি প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকে, প্রয়োজনীয় জনবল না থাকে, বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালু না হয় এবং রোগীদের ওষুধের জন্য বাইরে ছুটতে হয়, তাহলে প্রান্তিক মানুষের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবার কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত হবে কীভাবে?
সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ।
চলবে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমিনপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্দিষ্ট স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমে থাকায় এলাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গত ৫ জুন আমিনপুরে প্রতিবাদী সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। আন্দোলনের পর বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় যোগাযোগ করা হলে বর্জ্য ফেলার স্থানটির চারপাশে দেয়াল নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমিনপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্দিষ্ট স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমে থাকায় এলাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গত ৫ জুন আমিনপুরে প্রতিবাদী সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। আন্দোলনের পর বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় যোগাযোগ করা হলে বর্জ্য ফেলার স্থানটির চারপাশে দেয়াল নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই দেয়াল নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সমস্যার সমাধানে পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দেন এলাকাবাসী। কিন্তু এরপরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি বলে দাবি তাদের।
সর্বশেষ জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় আমিনপুরের বর্জ্য সমস্যার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবারই মিলেছে আশ্বাস। কিন্তু বাস্তবে এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তাদের প্রশ্ন, “আর কতদিন আশ্বাসের অপেক্ষায় থাকতে হবে?”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক ও স্থায়ী ব্যবস্থা করবে এবং আমিনপুরবাসীকে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেবে।
আশ্বাস নয়, এবার বাস্তবায়ন চান আমিনপুরবাসী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৬ জুন ২০২৬:তরুণদের মধ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সচেতনতা এবং নিরাপদ ডিজিটাল নাগরিকত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে "ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি (স্বাধীনতা)" প্রকল্পের হাফ-ডে অরিয়েন্টেশন।ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এ আয়োজন বাস্তবায়িত হয়।অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৩০ জন যুব প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। অরিয়েন্টেশন…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৬ জুন ২০২৬:তরুণদের মধ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সচেতনতা এবং নিরাপদ ডিজিটাল নাগরিকত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে "ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি (স্বাধীনতা)" প্রকল্পের হাফ-ডে অরিয়েন্টেশন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এ আয়োজন বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৩০ জন যুব প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। অরিয়েন্টেশন সেশন পরিচালনা করেন প্রত্যাশীর সিএসও পুষ্প রানী বৈদ্য এবং এইচআর প্রতিনিধি শেখ সামিউল ইসলাম।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিং, ডিজিটাল নিরাপত্তা, সাইবার সেফটি এবং প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) প্রতিরোধ বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক ও ব্যবহারিক সেশন পরিচালনা করা হয়।
আয়োজকরা জানান, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তরুণদের সচেতন, দায়িত্বশীল এবং নিরাপদ ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণ ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরতে চান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান তিনি। সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহকারী এবং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক আওয়ামী নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবরটি জানিয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশ।দলীয় প্রধানের দেশে ফেরা উপলক্ষে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যেও বলা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে…
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরতে চান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান তিনি। সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহকারী এবং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক আওয়ামী নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবরটি জানিয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশ।দলীয় প্রধানের দেশে ফেরা উপলক্ষে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যেও বলা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে যাই বলছেন না কেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিষয়টিকে স্ট্যান্টবাজি হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এটি দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার কৌশল মাত্র। আসলে তিনি বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরবেন না।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ও গণহত্যা মামলায় ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির রায় দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে দ্রুত সময়ে ফিরতে চান। সেজন্য যেসব প্রক্রিয়া গ্রহণ করা দরকার, তা আমরা করছি। তিনি যেভাবে ভারতে গিয়েছেন সেভাবেই বীরদর্পে দেশে ফিরবেন।’
এ ধরনের বক্তব্যের আসলে বাস্তবতা আছে, নাকি কর্মীদের চাঙা করার কৌশল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একটু অপেক্ষা করুন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা উপলক্ষ্যে বিপুল জনসমাগম করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে দলের অসহায় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতেই দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা।সম্প্রতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের এক নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে টাইমসকে তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান। তার এই মনোভাবের কথা ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে। এমনকি তিনি আগামী ১৫ আগস্টের আগেই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে ট্রাভেল পাসও চাইতে পারেন।’
সম্প্রতি দলের নেতাদের সঙ্গে টেলিগ্রামের একটি গ্রুপ কলে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তার এখন যে বয়স, তাতে আর সর্বোচ্চ কয়েক বছর বাঁচতে পারেন। দেশে এসে গণতন্ত্রের জন্য যদি তাকে ফাঁসির মঞ্চেও যেতে হয়, তাতেও তার কোনো কষ্ট থাকবে না’, বলেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের ওই নেতা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর থেকেই আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। বহু নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।
মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ২৭ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করে। পরে চলতি বছরের এপ্রিলে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করলে আরও চাপে পড়ে আওয়ামী লীগ।তৃণমূল নেতাকর্মীদের বড় অংশ এখন মামলা, গ্রেপ্তার আতঙ্ক ও আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমন প্রেক্ষাপটে আসলেই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্য কী শুধু বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ নাকি দলটির এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করেছে টাইমস।দলটির কয়েক ধাপের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করলেও সেখানে তিনি নিয়মিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভারত সরকার তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক করারও সুযোগ করে দিচ্ছে। সেখানে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন।
দলীয় প্রধানের এমন দৃঢ় মনোভাবের পর দলের মাঠের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত করতে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সারা দেশে এখন নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন।
হামের রোগী ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও নার্সদের ঈদে ছুটি হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শনিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। যেসব হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি আছে, সে হাসপাতালে ঈদের ছুটির মধ্যে চিকিৎসকরা থাকবেন কি না, নাকি ছুটিতে চলে যাবেন- এ প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, থাকবেন ইনশাল্লাহ। আমরা অলরেডি সার্কুলার দিয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে এটা বলাতে, এটাও…
হামের রোগী ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও নার্সদের ঈদে ছুটি হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
যেসব হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি আছে, সে হাসপাতালে ঈদের ছুটির মধ্যে চিকিৎসকরা থাকবেন কি না, নাকি ছুটিতে চলে যাবেন- এ প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, থাকবেন ইনশাল্লাহ। আমরা অলরেডি সার্কুলার দিয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে এটা বলাতে, এটাও আপনারা আশ্বস্ত হতে পারেন, আমরা সতর্ক করছি। হামের রোগী এবং জরুরি স্বাস্থ্য সেবাতে কোনো ডাক্তারের, নার্সের ছুটি হবে না। থাকতে হবে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা কথা আপনাদেরকে বলি। ভ্যাকসিন নিলেই যে ১০০ পার্সেন্ট একটা বাচ্চা হাম হবেই না, এটা কিন্তু বলা যায় না। স্মল পক্স ইজ ফুল্লি ইরাডিকেটেড, কলেরা ইজ ইরাডিকেটেড, এখন কিন্তু কলেরা হচ্ছে। আপনার যদি রেসিস্ট্যান্স মাত্রাটা কেউ ক্রস করে যান, পচা-তিতা খাবার খেয়ে যান, তাহলে তো কলেরা হবে। ঠিক একই জিনিস কিন্তু এটাও।
তিনি আরও বলেন, যদি বেশিভাবে ভাইরাসটা ছড়িয়ে যায়, ক্ষেত্র বিশেষে হতেও পারে। এটা কতটুকু গ্যারান্টি আমি জানি না, আই অ্যাম নট এ সায়েন্টিস্ট, যার কারণে আমি জানি না।
ঈদের সময় মায়েরা যেন আক্রান্ত শিশুদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে নিয়ে না যায় সে অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাচ্চাগুলো যেন অনেক ভিড় আছে এমন জায়গায়ও নিয়ে না যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ এবং সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস্ ডিফেন্ডার্স সোসাইটি (এইচআরডিএস) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানবাধিকার ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা নারী ও শিশু নির্যাতনের…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ এবং সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস্ ডিফেন্ডার্স সোসাইটি (এইচআরডিএস) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানবাধিকার ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগানসম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন এইচআরডিএস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সুজন সরকার।
এ সময় এইচআরডিএসের আয়োজিত মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমিন শাহীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পি, তরী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী, সোহেল রানা ভূঁইয়া ও সুশান্ত পাল, সামাজিক সংগঠন ‘কন্যা’-র সভাপতি করবী চক্রবর্তী, নারী ও শিশু বিষয়ক সংগঠন ‘সুরক্ষা’-র সভাপতি ফারজানা খানম জারমিন, ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাবের হোসেন ও আরিফ বিল্লাহ আজিজি, হেল্পলাইন কমিউনিটি বাংলাদেশের পরিচালক আবু বক্কর মোহাম্মদ আইমান, ছাত্রনেতা উমর ফারুক এবং এইচআরডিএসের গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, পারিবারিক সহিংসতা ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনাগুলো সমাজকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এসব অপরাধ দমনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ সামাজিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
তারা বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। শিশু রামিসাসহ সাম্প্রতিক সকল ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা আরও বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, পরিবার ও সমাজের সবাইকে একযোগে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী, মানবাধিকারকর্মী এবং সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
জুনাইদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: একসময় শিক্ষা, সামাজিক শৃঙ্খলা ও মাদকবিরোধী সচেতনতার জন্য পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের উলচাপড়া গ্রাম এখন মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন দিন এলাকায় মাদকের ব্যবহার ও কেনাবেচা বেড়েই চলেছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তরুণ সমাজের ওপর। এলাকাবাসীর দাবি, গ্রামে প্রকাশ্যেই মাদক কেনাবেচা চলছে এবং কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়েও স্থানীয়দের ধারণা রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে…
জুনাইদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: একসময় শিক্ষা, সামাজিক শৃঙ্খলা ও মাদকবিরোধী সচেতনতার জন্য পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের উলচাপড়া গ্রাম এখন মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন দিন এলাকায় মাদকের ব্যবহার ও কেনাবেচা বেড়েই চলেছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তরুণ সমাজের ওপর।
এলাকাবাসীর দাবি, গ্রামে প্রকাশ্যেই মাদক কেনাবেচা চলছে এবং কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়েও স্থানীয়দের ধারণা রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।
বিশেষ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, কিছু জনপ্রতিনিধির নীরবতা ও পরোক্ষ প্রশ্রয়ের কারণেই এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, সবকিছু জানার পরও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের পাশে থাকা নয়, বরং সমাজকে নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে রাখা। সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ রূপ নিত না বলেও মন্তব্য করেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিস্তারের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ সমাজ। এতে পরিবারে অশান্তি বাড়ছে, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে এবং চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সচেতন মহলের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা উলচাপড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সচেতন যুবক ও সাধারণ মানুষের অভিমত, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে উলচাপড়াকে আবারও নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মাদকমুক্ত গ্রামে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তাবাসসুম (১৩) নামে এক স্কুল ছাত্রী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। বুধবার রাতে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আনোয়ারপুর গ্রামে এ বিষপানের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত তাবাসসুম উত্তর ইউপির আনোয়ার পুর গ্রামের দেওয়ান খন্দকারের কন্যা। তাবাসসুম খরমপুর কল্লা শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল। তবে পরিবারের দাবী সে মানসিক অসুস্থ ছিল।
@lhjihad · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.







