জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
Established
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত আসনের সাবেক এক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি। মন্ত্রণালয়ের সরকারি কমিশন সদস্য ছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান, ছাত্র প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় নেতা বাগছাস (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ)। ইতিমধ্যে বহিষ্কারও করেছে। এভাবে সব মন্ত্রণালয়ের ছাত্র…
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত আসনের সাবেক এক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি। মন্ত্রণালয়ের সরকারি কমিশন সদস্য ছিলেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান, ছাত্র প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কেন্দ্রীয় নেতা বাগছাস (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ)। ইতিমধ্যে বহিষ্কারও করেছে। এভাবে সব মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি রয়েছে। এরা সরকারের দাপটেই এসব চাঁদাবাজি করছে।
পদ ব্যবহার করে নিয়োগ, তদবির, বদলি বাণিজ্য, মামলাবাজিসহ এমন কোনো কাজ নাই যে, তারা করছে না। সারা দেশে এসব ছাত্র প্রতিনিধি নামধারীরা কেন নির্বাচন চায় না, বুঝছেন? কারণ নির্বাচন হলে তো ওদের কোটি কোটি টাকার স্মার্ট চাঁদাবাজি থাকবে না। এজন্যই এরা বিচার ও সংস্কারের নামে ৫ বছরের আওয়াজটা জোরেসোরে দেয়। তার ফেসবুকে পোস্টে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গরম গরম পোস্ট, বুঝছেন এবার ব্যাপারটা?!
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর লিখেছেন, গুলশানে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করতে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদসহ ৫ জন হাতেনাতে আটক হয়েছে
এই রিয়াদের রাজনৈতিক গুরু নাহিদ ইসলাম। এই চাঁদাবাজকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়েছে কারা। নাহিদ ইসলামরা এভাবেই সারা দেশে চাঁদাবাজি করে যাইতে চায়। নতুন ভন্দোবস্তের নামে এরা সারা দেশে লুটপাট নীরব চাঁদাবাজি করতেছে।
তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এই নামে (আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোনো ছাত্র প্রতিনিধি নেই।
রাঁশেদ খান তার ফেসবুকে যে দাবি করেছেন তার এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই।'
আটককৃত অন্যরা হলেন- সাকাদাউন সিয়াম (২২), সাদমান সারদার সাদাব (২১) ও ইব্রাহিম হোসেন মুন্না (২৪)। আটক আরেকজন আমিনুল ইসলাম (১৩)।
চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেপ্তারে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- ঘটনার মূল হোতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে।
সূত্র:কালেরকন্ঠ
ডেস্ক রির্পোট: শেখ তোফা আকবর সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় আইপি চ্যানেল পথিক টিভি-তে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, তিনি সমানভাবে সক্রিয় সঙ্গীতের ভুবনেও—তিনি একজন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সমাজবোধ নিয়ে তার পথচলা সবসময়ই বহুমাত্রিক। শেখ তোফা আকবর কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজুর ইউনিয়নের কঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলী আকবর শেখ এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার পশ্চিম রাপ্পুরা, রায়েরবাজারে বসবাস করছেন।…
ডেস্ক রির্পোট: শেখ তোফা আকবর সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় আইপি চ্যানেল পথিক টিভি-তে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, তিনি সমানভাবে সক্রিয় সঙ্গীতের ভুবনেও—তিনি একজন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সমাজবোধ নিয়ে তার পথচলা সবসময়ই বহুমাত্রিক।
শেখ তোফা আকবর কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজুর ইউনিয়নের কঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলী আকবর শেখ এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার পশ্চিম রাপ্পুরা, রায়েরবাজারে বসবাস করছেন।
তিনি ২০০৫ সালে মাধ্যমিক, ২০০৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার শিক্ষাজীবনেই দেখা যায় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজ ভাবনায় গভীর আগ্রহ, যা পরে তার লেখনি, সুর ও কণ্ঠে প্রতিফলিত হয়।
পথিক টিভিতে যুক্ত হয়ে শেখ তোফা আকবর জানান- সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের কথা, সামাজিক অন্যায়-অনিয়ম এবং ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে চাই। সাংবাদিকতা শুধু তথ্য পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ নয়; এতে থাকে মানবিকতা, ইতিহাসচেতনা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতিফলন।
অন্যদিকে, সংগীত তার আরেকটি আত্মপ্রকাশের মাধ্যম। তিনি নিজেই গান লেখেন, সুর করেন এবং কণ্ঠ দেন। তার সৃষ্টি মূলত সমাজ, মানবতা ও জীবনঘনিষ্ঠ বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে। তার গানে পাওয়া যায় একধরনের চিন্তাশীলতা, যা সাধারণের অনুভবকে স্পর্শ করে।
শেখ তোফা আকবর বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকতা ও সৃজনশীলতা মিলেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি চান তার কলম, কণ্ঠ ও ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষের কথা বিশ্ব দরবারে পৌঁছাক—হোক সেটা একটুকরো গান, নাকি একটি প্রতিবেদন। সমাজ, সংস্কৃতি ও ইতিহাস তার অনুপ্রেরণা, আর সাধারণ মানুষের জীবন তার লেখার মূল উপজীব্য।
শেখ তোফা আকবরের এই বহুমুখী যাত্রা বাংলা সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমকে সমৃদ্ধ করবে—এমন প্রত্যাশা রাখে তার সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম, পরে বিয়ে—সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু দেড় মাস পর সামনে আসে অবিশ্বাস্য সত্য: নববধূ ‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান শান্তর সঙ্গে ‘সামিয়া’ নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয় ফেসবুকে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ‘সামিয়া’ গত ৭ জুন শান্তর বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় রীতিতে বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরেও কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়নি,…
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম, পরে বিয়ে—সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু দেড় মাস পর সামনে আসে অবিশ্বাস্য সত্য: নববধূ ‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান শান্তর সঙ্গে ‘সামিয়া’ নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয় ফেসবুকে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ‘সামিয়া’ গত ৭ জুন শান্তর বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় রীতিতে বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরেও কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়নি, কারণ ‘সামিয়া’ জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে পারেননি।
পরিবার ও স্থানীয়দের কেউ বুঝতেও পারেননি যে ‘সামিয়া’র আসল পরিচয় মো. শাহিনুর রহমান, চট্টগ্রামের আমতলা ঈদগাহ বৌবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং পিতা আবুল কাশেমের ছেলে।
দেড় মাস স্বাভাবিকভাবে সংসার করার পর ‘সামিয়া’র আচরণে পরিবার ও শান্তর মনে সন্দেহ দেখা দেয়। ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে যাওয়া, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দেওয়া এবং রহস্যজনক আচরণ ক্রমে প্রশ্নের জন্ম দেয়। অবশেষে ২৫ জুলাই (শুক্রবার) সন্ধ্যায় স্পষ্ট হয়ে যায়—‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে শান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে শাহিনুর ওরফে সামিয়াকে তার নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনা প্রসঙ্গে শাহিনুর বলেন, “শান্তর সঙ্গে যা করেছি, সেটা আমার ভুল ছিল। আমার হরমোনজনিত সমস্যা আছে। আমি নিজেকে মেয়ে ভাবতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করি।”
শান্ত জানান, “ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম, তারপর সে বাড়িতে চলে আসে। আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। অভিনয় করে আমাদের বিশ্বাস অর্জন করে। বিয়ের পরও তার ব্যবহার রহস্যময় ছিল। কাছে যেতে চাইলে বলত, অসুস্থ, ডাক্তার নিষেধ করেছে।”
জমকালো আয়োজনে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর ফকির বংশের যুবকবৃন্দের উদ্যোগে ১০তম প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৫ জুলাই বিকেলে ফকির বাড়িতে বিশাল আকৃতির মহিষ দিয়ে খেলাটির আয়োজন করা হয়। উক্ত খেলাই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এইচ এম মাজহারুল আলম খোকন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফকির বাড়ির বিশিষ্ট সর্দার মো: আবুল বাশার ফকির। সহ সভাপতিত্ব করেন মো: নুরুল ইসলাম সরদার ,, মো: শাহান উদ্দিন ফকির,,, মো:…
জমকালো আয়োজনে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর ফকির বংশের যুবকবৃন্দের উদ্যোগে ১০তম প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৫ জুলাই বিকেলে ফকির বাড়িতে বিশাল আকৃতির মহিষ দিয়ে খেলাটির আয়োজন করা হয়। উক্ত খেলাই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এইচ এম মাজহারুল আলম খোকন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফকির বাড়ির বিশিষ্ট সর্দার মো: আবুল বাশার ফকির। সহ সভাপতিত্ব করেন মো: নুরুল ইসলাম সরদার ,, মো: শাহান উদ্দিন ফকির,,, মো: সানাউল্লাহ, হাজী আকবর আলী, মো: মাহাবুব আলম ফকির,,, মো: মাসুম ফকির,, মো: মামুন ফকির,,, লিয়াকত ফকির,,, মোঃ সাদির ফকির। খেলায় উদ্ভোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান মিস্টার।

এছাড়াও এলাকার বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। উক্ত খেলা পরিচালনা করেন কামাল ফকির,, মো: মাহমুদ আলী,,, মিটু ফকির,, লিটন ফকির। খেলা আয়োজন করেন বিটঘর ফকির বংশ। খেলা দেখতে অসংখ্য দর্শক উপস্থিত ছিলেন। খেলাই রেফারির দায়িত্ব পালন করেন সোহেল আহমেদ জন্টু। খেলাই ধারাভাষ্যকার ছিলেন মো: কামরুল ইসলাম রাসেল। খেলায় দুইটি দল অংশ গ্রহন করেন লায়ন এলিভেন বনাম টাইগার এলিভেন। খেলাই নির্ধারিত সময়ে দুই দল ২-২ গোলে সমতা থাকায় খেলা ড্র ঘোষণা করা হয়। আয়োজকরা বলেন, বিটঘর ফকির বংশের যুবকবৃন্দের উদ্যোগে প্রতি বছরই এই ধরনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে থাকি। এ বছর নিয়ে আমাদের ১০ বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে এই আয়োজন। প্রতিবছরই আমার বিশাল আকৃতির গরু দিয়ে আয়োজন করে থাকি। এ বছর আরো বড় পরিশরে বিশাল আকৃতির মহিষ দিয়ে আয়োজন করা হয়। আগামীতেও আমাদের এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এইচ এম মাজহারুল আলম খোকন বলেন, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে খেলাধুলা কোন বিকল্প নেই। সবাইকে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলা ধুলায় আগ্রহী হতে হবে।
লিটন হোসাইন জিহাদ: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মেরুদণ্ড, কিন্তু তারা আজ হারিয়ে যাচ্ছে অবমূল্যায়নের ল্যাবরিতে। জীবনের লড়াইয়ে তারা ভাট্টার মুখ দেখেন—পাঁচ বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি করেন, আর সেই অর্থে বাজার থেকে কিনতে হয় সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা কেজিতে। মূল্যের এ বিশাল ফাঁক শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি একটি আর্থ-সমাজব্যবস্থার সমালোচনা। এ দেশের কৃষকদের ৮৫ % ছোট খামারি (smallholder) হিসেবে ভূমিতে কাজ করে, অথচ উৎপাদনের…
লিটন হোসাইন জিহাদ: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মেরুদণ্ড, কিন্তু তারা আজ হারিয়ে যাচ্ছে অবমূল্যায়নের ল্যাবরিতে। জীবনের লড়াইয়ে তারা ভাট্টার মুখ দেখেন—পাঁচ বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি করেন, আর সেই অর্থে বাজার থেকে কিনতে হয় সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা কেজিতে। মূল্যের এ বিশাল ফাঁক শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি একটি আর্থ-সমাজব্যবস্থার সমালোচনা। এ দেশের কৃষকদের ৮৫ % ছোট খামারি (smallholder) হিসেবে ভূমিতে কাজ করে, অথচ উৎপাদনের স্বারগীয়তায় তারা নাজেহাল। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কৃষকদের আয় উৎসের ভিন্নতার চিত্র শিক্ষনীয়—কৃষি, মজুরি ও প্রবাসী রেমিট্যান্সের সবকিছু মিলিয়ে, কৃষিকাজ শুধুমাত্র সুবিধা নয়, বরং সকল অর্থনীতি-সংক্রান্ত বৈষম্যের মূল চালক ।
প্রক্রিয়ায় কৃষকের ফসল সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হলেও মধ্যস্বত্বভোগীরা (পাইকার, আড়তদার) আরোপ করে মূল্যের ন্যায্য ভারসাম্য। ফলে উৎপাদক কৃষকের আয় অপুষ্টিকর এবং অনিশ্চিত। শুধু তাই নয়, বছরের পর বছর বিদ্যুত, সার, বীজ, কীটনাশক—সবকিছুতেই টাকা বেশি লাগে, কিন্তু পণ্যের মূল্য ততটা উঠেনা। ভিটে-মাটি, শ্রম, ফসল—সব্বাই অকৃত্রিম হয়ে যায়।
এবার ভাবুন, আপনি যদি স্বাধীন হন—অর্থাৎ “নিজের প্রয়োজন নিজেই মেটান”—এটি শুধু ব্যক্তিগত প্রোভিশন নয়, বরং একটি আত্মনির্ভর কৃষি দর্শন। আপনার পাঁচ শতক জমিতে সরিষা চাষ করলে বাজার থেকে তেল কেনার প্রয়োজন কমে; দুই শতক জমিতে দেশি মুরগি ও ছাগল রাখলেও পুষ্টি ও আয় উভয়ই বাড়ে। পাশাপাশি পাশেই তৈরি করা পুকুরে দেশি মাছ ও হাস ছাড়া অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আসতে পারে। এতে উন্নত বা বাজারনির্ভর মডেল না মিনিয়ে, প্রাকৃতিক সম্পদ ও নিজস্ব চেষ্টায় নিজেকে ছাড়া যায়।
কিন্তু এই দর্শন বাস্তবে পৌঁছাতে হলে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগত সহায়তা জরুরি। বাংলাদেশের কৃষকদের প্রাধান্য এমনভাবে তৈরি করা উচিত যেন তারা সহজেই বাজার, তথ্য, ঋণ ও প্রযুক্তি পাচ্ছে। FAO ও GAFSP এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন—বিশেষভাবে ডিজাইন করা কৃষক-সংগঠন (Producers’ Organizations) গড়ে তোলার মাধ্যমে ঋণ, বাজার ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি এনে প্রায় ৩৫ % পর্যন্ত আয়ের বৃদ্ধি সম্ভব । একtez পদ্ধতিতে шилেকের মতো প্রকল্পে ১১ হাজার ক্ষুদ্র কৃষকের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে, কৃষকদের লাখ লাখ সদস্যকে আধুনিক প্রযুক্তি ও শিক্ষা দেয়া হলে ঝুঁকি কম এবং আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে।
তবে এই ব্যবস্থাপনা পুরোটাই উপলব্ধ নয়। বাংলাদেশের কৃষি এখনও বাকি রয়ে গেছে ঐতিহ্যবাদী, প্রযুক্তিহীন ও অসংগঠিত। বোরো বা আমন চালসহ প্রধান ফসলের উৎপাদনে মেকানাইজেশন ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া হয়নি। ফলে বছরে বারোটা বছরই কৃষক নির্ভর করে দুর্যোগ, এমনকি এমন দুর্যোগ যা নদীর বন্যা, টানা তাপপ্রবাহ বা খরা—এগুলো ক্ষতি করে ফসল এবং কৃষকের আয়কে ভেঙে ফেলে
ফসল হারিয়ে যায়, তাহলে কী? একদিকে সরকারি নির্বাচন ছাড়া বেশি মাত্রায় ক্ষতিপূরণ নেই, অন্যদিকে মুদ্রকালে সিরিজ ভর্তুকি নেই। এভাবেই বাংলাদেশের কৃষি ঝুঁকির খেলায় পড়েছে। ২০২৪ সালে চলতি বর্ষায় বন্যায় ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১.১ মিলিয়ন টন চাল, যার ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৪৫ বিলিয়ন টাকা (৩৮০ মিলিয়ন USD) করে । এতে কৃষকের আয় কমে যায়, মার্জিন নষ্ট হয়, আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়।
প্রকৃতপক্ষে, কৃষকদের মুক্তির পথ কোনো রূপক নয়—it is integration between policy, technology and grassroots initiative। কৃষক যখন নিজেই সরিষা তেল উৎপাদন, মুরগি ও ছাগল পালন, পুকুরে মাছ-কৃষির মাধ্যমেই নিজেকে অটোনমাস করে তুলে—তার মানেই একটি সামগ্রিক নিরাপত্তা ও সামাজিক শক্তি প্রতিপন্ন হয়।
তবে এ দর্শন কেবল ব্যক্তিগতভাবে স্থাপন করলে চলবে না। সরকারের উচিতള്ള micro-credit কার্যক্রম (যেমন: ‘একটেবাড়ি একটেখামার প্রকল্প’) চালিয়ে ජනসাধারণকে ঋণ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, যেমন ২০০৯ সালের থেকে ২১.৮ মিলিয়ন মানুষকে একটির মাধ্যমে আয়েসকৃত উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত করেছে । এ প্রোজেক্টের দরুণ গ্রামীণ পরিবারগুলো নিজের ফার্ম ভিত্তিক উৎপাদন ও আয়-উন্নয়ন করতে পেরেছে।
এ ছাড়া FAO ও GAFSP সহায়তায় গড়ে উঠা कृषক সংগঠনগুলো স্থানীয় স্তরে বাজার, প্রযুক্তি ও ঋণের তিনটি রূপায়নযোগ্য কাঠামো তৈরি করতে পারে—যাতে কৃষকদের 'missing middle' অর্থায়ন ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে সুন্দরভাবে value chain এ যুক্ত হওয়া যায়
কৃষিকাজে বৈচিত্র্য (crop diversification) একটি শক্তিশালী কৌশল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। MS Islam এক গবেষণায় দেখিয়েছেন—পদ্মার আশেপাশে বৈচিত্র-based cropping households average income বাড়িয়েছে এবং পরাভূতির ঝুঁকি কমিয়েছে
অতএব আপনার প্রবন্ধের মূল ভাবনা—"নিজের প্রয়োজন নিজে মেটাও" এক দার্শনিক বক্তব্য নয়, সেই চিন্তার ভিত্তি যেখানে কৃষক তার আয়, নিজস্ব নিরাপত্তা ও গৌরব নিজের হাতে গড়ে তোলে। কিন্তু এর সফল বাস্তবায়নে রাষ্ট্র, সম্প্রদায় ও প্রযুক্তি—এই তিনটি স্তম্ভ একসাথে কাজ করতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে “দেশজ উৎপাদন ও ধরে রাখার ভাবনা," যেমন—পুকুর খনন, ফসল বৈচিত্র্য, দেশি পোলট্রি, দেশি মৎসচাষ—সবই আজকের কৃষকের জন্য একান্ত প্রয়োজন।
এই একটি ব্যক্তির চেষ্টাই পর্যাপ্ত নয়; এটি উচিত সামাজিক আন্দোলন, নীতি বাস্তবায়ন ও প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের ফলে একটি টেকসই কৃষি দর্শনে রূপান্তরিত। কৃষকের ঘরে নিজের ভ্রূণের যত্ন, নিজের কাঠের তেল, নিজের মুরগি ও মাছ—এর মাধ্যমে সে আজ গর্ব করে বলতে পারুক: “আমি নিজের পিছু হাঁটাই, আমি কারো করুণা প্রার্থনা করি না।” এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সমাজ যদি বাকি দিকগুলো সমর্থন করে, তাহলো বাংলাদেশে কৃষি বিপ্লব সম্ভব হয়ে উঠবে—তখনই সত্যিকারের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
জুলাই বিপ্লব নিয়ে ইয়েনি সাফাককে (তুরস্কের গণমাধ্যম) একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জুলাই বিপ্লবের নেতা সাদিক কায়েম। তিনি ব্যাখ্যা করছেন, কীভাবে বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লব বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে কৌশলগতভাবে সংগঠিত করে এক নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথ প্রশস্ত করে। শেখ হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো এই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ্য সংগঠক সাদিম কায়েম একান্ত সাক্ষাৎকারে ইয়েনি সাফাককে জানিয়েছেন, কীভাবে একটি ছাত্র আন্দোলন ধীরে ধীরে রূপ নেয় জাতীয় বিপ্লবে। এই বিস্তৃত আলাপচারিতায় তিনি তুলে ধরেন…
জুলাই বিপ্লব নিয়ে ইয়েনি সাফাককে (তুরস্কের গণমাধ্যম) একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জুলাই বিপ্লবের নেতা সাদিক কায়েম। তিনি ব্যাখ্যা করছেন, কীভাবে বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লব বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে কৌশলগতভাবে সংগঠিত করে এক নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথ প্রশস্ত করে।
শেখ হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো এই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ্য সংগঠক সাদিম কায়েম একান্ত সাক্ষাৎকারে ইয়েনি সাফাককে জানিয়েছেন, কীভাবে একটি ছাত্র আন্দোলন ধীরে ধীরে রূপ নেয় জাতীয় বিপ্লবে। এই বিস্তৃত আলাপচারিতায় তিনি তুলে ধরেন আন্দোলনের সূচনা, পর্দার আড়ালে চলা সমন্বয় প্রচেষ্টা, গুরুত্বপূর্ণ বাঁক ও তার চোখে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের রূপরেখা।
ইয়েনি সাফাক: জুলাই আন্দোলনের পেছনের মূল প্রেরণা কী ছিল? কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট আপনি ব্যাখ্যা করবেন?
সাদিম কায়েম: জুলাই আন্দোলনের মূল প্রেরণা নিহিত ছিল বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী নিপীড়নের অভিজ্ঞতায়। এই সময়ে রাষ্ট্র মদতপুষ্ট বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, নির্বাচনী জালিয়াতি, সংগঠিত ইসলামবিদ্বেষ ও মানবাধিকারের প্রতি নির্লজ্জ অবহেলা চালিয়ে গেছে।
২০১৩ সালে এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়, যখন আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী প্রায় ২০০ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে রাষ্ট্রীয় বাহিনী। একই বছরের ৫ মে, শাপলা চত্বরে আমরা প্রত্যক্ষ করি কীভাবে নিরীহ মাদ্রাসা ছাত্র ও আলেমদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়।
২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনেও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের উপর চালানো হয় হিংস্র দমন অভিযান, যার ফলেও বহু তরুণ প্রাণ হারায়।
২০২৪ সালের ৫ জুন শেখ হাসিনা আকস্মিকভাবে কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেন—যা সরকার সমর্থকদের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ সৃষ্টি করে এবং হাসিনার অবৈধ শাসনকে বৈধতা দেওয়ার এক কৌশল হিসেবে দেখেছিল সবাই। এটি ছিল সহ্যের সীমার শেষ বিন্দু। এই ব্যবস্থাটি মেধার প্রতি অবিচার এবং সেই ক্ষোভই বিস্ফোরণে রূপ নেয়, যা ক্রমে একটি সর্বব্যাপী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়। জীবনের সকল স্তরের মানুষ তখন ঐক্যবদ্ধভাবে প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
ইয়েনি সাফাক: বাংলাদেশে যখন গণমাধ্যম কঠোর নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ইন্টারনেট বন্ধের মতো পরিস্থিতিতে প্রতিবাদকারীরা সংগঠিত থেকে কীভাবে যোগাযোগ চালিয়ে গেছেন?
সাদিম কায়েম: সরকার-নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম যখন প্রোপাগান্ডার যন্ত্রে পরিণত হয়, তখন সামাজিক মাধ্যমই হয়ে ওঠে আমাদের প্রধান হাতিয়ার। ৫ জুন, কোটা পুনর্বহালের দিনই আমরা ‘কোটা পুনর্বহাল চলবে না’ নামক ফেসবুক গ্রুপ চালু করি। এটি দ্রুতই আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে, যেখান থেকে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়।
আমরা প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন করে মডারেটর নিযুক্ত করি যিনি সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পাসের যাবতীয় তথ্য, কর্মসূচি ও সংবাদ সমন্বয় করতেন।
১৮ জুলাই রাতে যখন পুরোপুরি ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায় এবং ২০ জুলাই দেশজুড়ে কারফিউ জারি হয় আমরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত ছিলাম। আমরা আগে থেকেই অতিরিক্ত সিমকার্ড ও বাটন ফোন সংগ্রহ করতে বলেছিলাম, যাতে অফলাইন যোগাযোগ বজায় রাখা যায়। ফলে প্রতিদিন বিকাল ৩টার মধ্যে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়—প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদদাতাদের কাছে সরবরাহ করতাম।
আমাদের ৯ দফা দাবি ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার ভিডিও প্রমাণ আমরা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাঠাই, কারণ স্থানীয় মিডিয়াগুলো তখন গোয়েন্দা সংস্থার দমনচক্রে কার্যত নীরব হয়ে যায়।
১৫ জুলাই নারীদের উপর নির্মম হামলার পর আন্দোলন এক নতুন গতি পায়। নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ আমাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এরপর ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলে কিছুটা মনোবল ভেঙে পড়ে, কিন্তু ১৮ জুলাই থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও শহুরে মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব নেয়। পরে কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্ররাও সম্পূর্ণভাবে যুক্ত হয়। শুধু যাত্রাবাড়িতেই একশ’র বেশি মানুষ শহীদ হন।
১৫ জুলাইয়ের নারীদের রক্তাক্ত ছবি সাধারণ মানুষের বিবেক নাড়িয়ে দেয়—এটি ছিল এক মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত, যা বস্তিবাসী ও শহুরে মধ্যবিত্তদের মধ্যে সমানভাবে প্রভাব ফেলেছিল। ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বিভাজন পেরিয়ে একটি ঐক্য গড়ে ওঠে, যা বাংলাদেশে নজিরবিহীন।
ইয়েনি সাফাক: এই বিপ্লবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঁকগুলো কোনগুলো ছিল? কীভাবে চাপ মোকাবিলা করেছেন?
সাদিম কায়েম: ১৮ জুলাইয়ের পর দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারফিউ এবং একের পর এক হত্যার ঘটনায় ভয় ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে পুরো আন্দোলনের সমন্বয় দায়িত্ব এসে পড়ে আমার কাঁধে। আমি প্রতিদিনের কর্মসূচি, বিবৃতি ও নেতাদের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করি।
নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও মাহফুজ আলম এই সময়কার মূল কৌশলগত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এস এম ফারহাদ, মোহিউদ্দিন খান, মনজুরুল ইসলাম, সিবগাতুল্লাহ ও রিফাতসহ অনেকেই নিরন্তর কাজ করে যান মাঠে ও আড়ালে। ড. মির্জা গালিব ছিলেন পুরো বিপ্লব জুড়ে কৌশলগত নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ মেধাস্রোত।
আন্তর্জাতিক যোগাযোগে জুলকারনাইন সায়ের (আল-জাজিরা), সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন এবং পিনাকি ভট্টাচার্য অনবদ্য ভূমিকা রাখেন। দেশীয় মিডিয়া স্তব্ধ থাকলেও তারা তথ্য পৌঁছে দেন প্রবাসী ও বৈদেশিক মহলে।
বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সাংবাদিক, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা) ও মোবাইল সাংবাদিকেরা মাটির কাছাকাছি থেকে রিপোর্ট করে তথ্যপ্রবাহ জাগিয়ে রাখেন।
চরমতম পরীক্ষাটি ছিল মনোবল ধরে রাখা। প্রতিদিন শতাধিক শহীদ হচ্ছেন, বহু সমন্বয়ক গ্রেফতার ও নির্যাতিত হচ্ছেন। ২৮ জুলাই রাষ্ট্রীয় চাপের মুখে কিছু নেতাকে দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণাও করানো হয়। আমরা তৎক্ষণাৎ তা প্রত্যাখ্যান করি এবং বলি—শেখ হাসিনা অপসারিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক আসে ৪ আগস্ট, যখন ‘নতুন বাংলাদেশ’ নির্মাণের ৯ দফা দাবি ও অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা একত্রিত করে চূড়ান্ত দাবি নির্ধারিত হয়—শেখ হাসিনার পদত্যাগ। আমি বুঝতে পারি, ৫ আগস্ট শাহবাগে দুপুর ২টায় বিক্ষোভ ডাকলে আওয়ামী লীগ আগে জায়গাটি দখল নিতে পারে। তাই আমি সকাল ১০টায় শুরু করার প্রস্তাব দিই এবং শেষ পর্যন্ত সেটিই বাস্তবায়িত হয়।
ঢাকাকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে একযোগে বিক্ষোভের সিদ্ধান্তই আন্দোলনের গতি নির্ধারণ করে দেয়। পরদিন ৫ আগস্ট ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের যৌথ আক্রমণ চালানো হয় আন্দোলনকারীদের উপর। কিন্তু এই দমনই জনগণের প্রতিরোধ মনোভাব আরও দৃঢ় করে এবং হাসিনার পতনের ভিত্তি তৈরি হয়।
এ সময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে আবদুল কাদের, হান্নান মাসুদ, মাহিন সরকার, রিফাত রাশিদ এগিয়ে আসেন।
আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে নেতৃত্বের কাঠামোকে সংহত ও নির্ভরযোগ্য রেখেছি—চিহ্নিত ছাত্রনেতাদের বাইরে রেখে অভ্যন্তরীণ কৌশলগত নেতৃত্ব গড়ে তুলেছি। তাতেই আমরা সংগঠনের ভারসাম্য রক্ষা করতে পেরেছি। ক্যাম্পাসের স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্রদের আমরা সাহস জুগিয়েছি, কিন্তু কৌশলগতভাবে নির্দেশনা দিয়েছি পেছন থেকে।
ইয়েনি সাফাক: সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং ভারত ও চীনের মতো বিদেশি শক্তির প্রভাব আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন? ভবিষ্যতের কূটনীতি নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
সাদিম কায়েম: আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর কিছু জুনিয়র কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সহানুভূতির ইঙ্গিত আমরা পেয়েছি। তারা বিপ্লবের আদর্শের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। যদিও সিনিয়রদের অনেকেই আগের শাসনের সুবিধাভোগী ছিলেন, কিন্তু নতুন প্রজন্ম রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সেতুবন্ধন রচনায় আগ্রহী।
আমরা স্পষ্ট করে দিতে চাই—যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গণহত্যায় জড়িত ছিলেন—তাদের রাজনীতিতে স্থান নেই যতক্ষণ না তারা বিচারের মুখোমুখি হন।
আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল—জার্মানির চরমপন্থি সংগঠনের মতোই তাদের স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত।
ভারত গত ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশকে একপ্রকার উপনিবেশ হিসেবে ব্যবহার করেছে। তারা শুধু হাসিনার শাসন সমর্থনই করেনি, বরং ৫ আগস্টের গণহত্যাকেও নীরব সম্মতি দিয়েছে। তারা ভারতের মুসলমানদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে—এই দিক থেকে তারা দক্ষিণ এশিয়ার ইসরাইলে পরিণত হয়েছে। আমরা তাদের আধিপত্য আর মানতে রাজি নই।
চীনের সঙ্গে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই—স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে।
এই বিপ্লব কারও দয়া বা বিদেশি হস্তক্ষেপে আসেনি—এটি এসেছে আমাদের শহীদদের আত্মত্যাগে। তাই আমাদের কারো কাছে ঋণ নেই, আমরা স্বাধীনভাবে কূটনীতি চালিয়ে যাব—যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা ভারত—সবার সঙ্গে সমানভাবে।
ইয়েনি সাফাক: আপনি ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন দেখতে চান? তরুণদের উদ্দেশ্যে আপনার বার্তা কী? আর আপনি নিজে কী করবেন?
সাদিম কায়েম: আমি এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে নাগরিকের মর্যাদা, অধিকার ও স্বপ্ন রক্ষিত হবে—জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, কিংবা মতাদর্শ নির্বিশেষে।
যেখানে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ, থাকবে মতপ্রকাশ ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, এবং আইনের শাসন—যেখানে আইন হবে সকলের জন্য সমান।
আমরা চাই এমন অর্থনীতি, যেখানে ধনিক শ্রেণির একচেটিয়া ক্ষমতা নয়—গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, নারী ও যুবকের জন্য হবে স্বনির্ভরতা ও সম্ভাবনার পথ।
আমরা চাই এমন শিক্ষা, যা কেবল পরীক্ষায় পাস করানো নয়—চিন্তা, মানবিকতা ও নৈতিকতাকে উৎসাহিত করবে।
তরুণদের বলব—এই বিপ্লব প্রমাণ করেছে, তরুণরাই জাতির চালিকাশক্তি। তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, পোস্ট, প্রতিবাদ—সবই ইতিহাস গড়েছে। কখনও নিজের কণ্ঠকে তুচ্ছ ভেবো না।
আমি নেতৃত্বকে দেখি দায়িত্ব হিসেবে, ক্ষমতা নয়। আমি এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর যে ভালোবাসা ও আস্থা পেয়েছি—তা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
তবে আমি রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখি না। আমি চাই নেতৃত্ব গড়ে উঠুক প্রতিষ্ঠান ও মূল্যবোধ-ভিত্তিক হয়ে—ব্যক্তিনির্ভর নয়।
আমি নিজেকে দেখতে চাই এক সংগঠক ও পথপ্রদর্শক হিসেবে—যিনি তরুণ নেতৃত্বের বিকাশে সহায়তা করবেন।
নতুন বাংলাদেশ শুধু সম্ভাবনা নয়—এটি সময়ের দাবি। হয় আমরা এগিয়ে যাব, নয়তো আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাব। কিন্তু আমি নিশ্চিত, এবার আমরা এগিয়ে যাব—কারণ তরুণরা জেগে উঠেছে, জনগণ আর পেছনে ফিরবে না।
সূত্র: যুগান্তর
ইয়াছিন চৌধুরী (নিবিড়): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুন্ডা ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রকিব মিয়া ও তার পরিবার। একইসঙ্গে মামলা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানান তারা। শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টায় নাসিরনগর সদরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রকিব মিয়া অভিযোগ করেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কুন্ডা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সামছু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর চাঁদার দাবিতে ভয়ভীতি ও নির্যাতন চালিয়ে…
ইয়াছিন চৌধুরী (নিবিড়): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুন্ডা ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রকিব মিয়া ও তার পরিবার। একইসঙ্গে মামলা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানান তারা।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টায় নাসিরনগর সদরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রকিব মিয়া অভিযোগ করেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কুন্ডা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সামছু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর চাঁদার দাবিতে ভয়ভীতি ও নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি জমি কেনাকে কেন্দ্র করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে সামছু মিয়া। টাকা না দেওয়ায় গত ১৭ জুলাই রাত ১০টার দিকে সামছুর নেতৃত্বে রইছ মিয়া, শামদানী, এখলাছ, জুনায়েদসহ কয়েকজন সশস্ত্রভাবে তার ও পরিবারের ওপর হামলা চালায়। হামলায় রকিব মিয়ার হাত ভেঙে যায় এবং তার মা ও ভাইরাও আহত হন।
তিনি আরও বলেন, হামলার পর উল্টো তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করা হয় এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে ও বিএনপিকে বিতর্কিত করতে একপক্ষীয় সংবাদ পরিবেশন করানো হয়েছে। তিনি এই মামলার দ্রুত প্রত্যাহার এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মামলার বাদী রইছ মিয়া জানান, রকিব মিয়া তার ছেলের কাছে টাকা দাবি করেছিলেন এবং না দেওয়ায় হুমকি দেন। একপর্যায়ে তার ছেলেকে মারধর করে আহত করা হয়, যার ফলে তিনি বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেন। বর্তমানে তার ছেলে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান বলেন, “আমি বিষয়টি শুনেছি ও খোঁজ নিয়ে জেনেছি এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ থেকে সৃষ্ট ঘটনা। এখানে চাঁদাবাজির কোনো প্রমাণ পাইনি। এটি দলীয় কোনো বিষয় নয়।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা
মোশারফ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলাধীন কিন্ডারগার্টেন ভিত্তিক সংগঠন "বিজয়নগর কিন্ডারগার্টেন ফোরাম" এর নব-নির্বাচিত ১৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। গত সপ্তাহে দাউদপুর পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে (স্থানে: আলাদাউদপুর, আমতলী বাজার, চান্দুরা, বিজয়নগর) আয়োজিত সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়। সাধারণ সভাটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন—নাজির মিয়া কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক জনাব মো: জহুর আহম্মেদ।সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন—দাউদপুর পাবলিক…
মোশারফ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলাধীন কিন্ডারগার্টেন ভিত্তিক সংগঠন "বিজয়নগর কিন্ডারগার্টেন ফোরাম" এর নব-নির্বাচিত ১৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। গত সপ্তাহে দাউদপুর পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে (স্থানে: আলাদাউদপুর, আমতলী বাজার, চান্দুরা, বিজয়নগর) আয়োজিত সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়।
সাধারণ সভাটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন—নাজির মিয়া কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক জনাব মো: জহুর আহম্মেদ।
সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন—দাউদপুর পাবলিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (শাহেদ)।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন—গাছতলা মধুমিয়া মেমোরিয়াল কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব আব্দুস সাত্তার।
সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে—শিক্ষা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক মানোন্নয়ন, এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ।
আসছে "বিজয়নগর উপজেলা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫"
সংগঠনের নব-নির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করেছে, আগামী ডিসেম্বর মাসেই আয়োজিত হবে "বিজয়নগর উপজেলা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫"।
এ পরীক্ষায় দেশের যেকোনো জেলা বা উপজেলা থেকে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিন্ডারগার্টেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।
এই উদ্যোগকে উপজেলায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে উৎসাহ প্রদানের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খুব শিগগিরই পরীক্ষার সময়সূচি, কেন্দ্রসমূহ ও আবেদনপত্র জমাদানের বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। অনুষ্ঠানটি সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে সংগঠনটি।
বিজয়নগরের শিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে নব-নির্বাচিত এই কমিটি যাত্রা শুরু করল।
@lhjihad · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.








