-
কুরবানির ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি বিশেষ দিন, যা শুধু আনন্দ, উৎসব ও খুশির দিন নয়; বরং এই দিন আমাদের শেখায় কীভাবে স্রষ্টার প্রতি নির্ভরতা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ, ও মানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করা যায়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ)-এর সেই ঐতিহাসিক কুরবানির ঘটনা আজো আমাদের অন্তরে জাগিয়ে তোলে আত্মত্যাগ, আনুগত্য ও ঈমানের পরিপূর্ণ সৌন্দর্য।
কুরবানির পেছনের ইতিহাস
হযরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহর একান্ত প্রিয় বান্দা ছিলেন। তিনি স্বপ্নে আদেশ পান, যেন তিনি তাঁর সবচেয়ে প্রিয় জিনিস—তাঁর সন্তান ইসমাইল (আঃ)—কে আল্লাহর পথে কুরবানি করেন। চিন্তা করুন, একজন বাবা কেমন মানসিক পরীক্ষার ভেতর দিয়ে গেছেন! কিন্তু তিনি দ্বিধা করেননি। বলেছিলেন:
“হে বৎস! আমি স্বপ্নে দেখেছি, আমি তোমাকে কুরবানি করছি। তোমার মতামত কী?”
ইসমাইল (আঃ) বলেছিলেন:
“হে পিতা! আপনি যা আদেশ পেয়েছেন তাই করুন। ইনশাআল্লাহ আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন।”
– (সূরা আস-সাফফাত: ১০২)এই কাহিনী কেবল ইতিহাস নয়; এটি মানব জাতির জন্য একটি অনন্ত শিক্ষা—যে সবকিছু ত্যাগ করা যায়, যদি তাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি নিহিত থাকে।
