About me
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
পেশাগত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
পেশাগত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
প্রকাশিত কাজ পাওয়া যায়নি।
@alamgirmonder · Member
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
Liton Hossain Jihad: Raising a child is not just about helping them grow physically—it’s about shaping their character, values, and behavior to become a good human being. Parents play the most critical role in this process. The foundation of a strong family, a moral society, and a successful nation lies in raising children with the right values. Therefore, developing honesty, empathy, self-control, and a sense of responsibility in children should…
Liton Hossain Jihad: Raising a child is not just about helping them grow physically—it’s about shaping their character, values, and behavior to become a good human being. Parents play the most critical role in this process. The foundation of a strong family, a moral society, and a successful nation lies in raising children with the right values. Therefore, developing honesty, empathy, self-control, and a sense of responsibility in children should be a top priority for every parent.
Children must be taught essential human values such as truthfulness, compassion, politeness, responsibility, and kindness from a young age. Since children learn more by observing than by listening, parents must lead by example. If you show respect to others, speak the truth, and follow rules, your child is more likely to adopt those same habits.
Providing food and clothing is not enough. Children need your time, attention, and emotional presence. Listen to them attentively, understand their thoughts, and engage in meaningful conversations. This helps develop their confidence and ability to differentiate right from wrong.
Raising a child well requires a healthy balance of discipline and love. Don't just scold or punish—explain why something is wrong. On the other hand, appreciate and encourage good behavior. This helps the child understand what is acceptable and what is not.
Education is not limited to textbooks. Help your child explore the world, nature, and real-life situations. Encourage reading habits, curiosity, and fact-based discussions. This stimulates critical thinking and a lifelong love for learning.
In today’s world, children grow up surrounded by technology. While it can be a powerful tool, overuse can be harmful. Set time limits for screen use, and offer creative, real-world alternatives like games, crafts, or outdoor activities.
Introduce your child to social realities and responsibilities. Teach them to respect elders, help the needy, and care for the environment. Participating in religious and community activities can help build compassion and a sense of duty.
Children are human, and they will make mistakes. Instead of harsh punishment, support them and help them learn from those errors. This builds resilience and teaches them to take responsibility for their actions.
In conclusion, raising a child into a good human being is a continuous journey filled with patience, understanding, and commitment. With love, guidance, and consistent values, any parent can nurture their child into a kind, responsible, and honest individual. Your child is your reflection—be the person you want them to become.
হে কারবালার মাটি! তোমাকে প্রশ্ন করি, নির্ভয়ে, ব্যথায়, রক্তঝরা হৃদয়ে— তুমি নীরব ছিলে কেন, যখন হোসাইন আঃ-কে নিঃসঙ্গ মরুভূমিতে তৃষ্ণায় কাঁপতে দেখলে? তুমি চিৎকার করোনি কেন, যখন ৭২ জন নিষ্পাপ প্রাণ আল্লাহর পথে শহীদ হল তোমার বুকে? তুমি কীভাবে সহ্য করলে আলী আসগরের ক্ষুধার কান্না, যে কণ্ঠে মধুরতা ছিল নবীজির আযানের মতো? তুমি কাঁপোনি, যখন শিশুর গলায় বর্শা বিদ্ধ হল আর বাবার হাতে রক্তমাখা কলিজা কাঁপছিল হযরতের ধৈর্যের ওজনে? হে…
হে কারবালার মাটি!
তোমাকে প্রশ্ন করি, নির্ভয়ে, ব্যথায়, রক্তঝরা হৃদয়ে—
তুমি নীরব ছিলে কেন,
যখন হোসাইন আঃ-কে নিঃসঙ্গ মরুভূমিতে তৃষ্ণায় কাঁপতে দেখলে?
তুমি চিৎকার করোনি কেন,
যখন ৭২ জন নিষ্পাপ প্রাণ
আল্লাহর পথে শহীদ হল তোমার বুকে?
তুমি কীভাবে সহ্য করলে
আলী আসগরের ক্ষুধার কান্না,
যে কণ্ঠে মধুরতা ছিল নবীজির আযানের মতো?
তুমি কাঁপোনি, যখন শিশুর গলায় বর্শা বিদ্ধ হল
আর বাবার হাতে রক্তমাখা কলিজা কাঁপছিল হযরতের ধৈর্যের ওজনে?
হে কারবালার ধূলি!
তুমি কেন কালো হলেনা, কেন আগুন জ্বলেনা তোমার বুকে
যখন হোসাইন সিজদায় পড়ে বলছিলেন—
তৃষ্ণার্ত জিভে বলেছিলেন, “রব্বানা তাকাব্বাল!”
তুমি কি নীরব ছিলে,
যখন জান্নাতের যুবকদের সরদার
রক্তে লুটিয়ে পড়লেন নিঃশব্দ মরুতে?
তুমি কি দেখতে পাওনি
যে সেজদায় কাঁপছিল ত্রিভুবন—
তবুও তুমি নীরব!
তোমার রক্ত ঝরলো না কেন?
হে কারবালার আকাশ!
তুমি তো দেখে ছিলে সেই মুহূর্ত—
যখন আকাশের ফেরেশতারা থেমে গিয়েছিল
তারা কাঁদছিল, আহাজারি করছিল
হোসাইনের জন্য!
তবে তুমি?
তুমি কেন বজ্রপাত করোনি?
তুমি কীভাবে দেখতে পারলে—
ফাতিমার কলিজার টুকরাকে ছিন্নভিন্ন করা হচ্ছে?
হে কারবালার বাতাস!
তুমি তো বহেছিলে সেই নিশ্বাস,
যেখানে ছিল নবীজির ঘ্রাণ—
তবুও তুমি কীভাবে বয়ে গেলে নীরবভাবে,
যখন ইমাম হোসাইনের পবিত্র শীর মোবারক
দাঁড়ালো এক অভিশপ্ত বর্শার ডগায়?
তুমি কাঁপোনি?
তুমি জোরে চিৎকার করোনি—
“না! না! এই বর্শা নয়!
এই শির তো মোহাম্মদের হ্রদয়ের ধন!”
তবুও তুমি চুপ!
তোমার নীরবতা ছিল এক অভিশাপ!
হে কারবালার বালুকণা,
তুমি কি শুনতে পাওনি মা ফাতিমার ক্রন্দন?
তুমি কি অনুভব করোনি
জোহরের রোদে জ্বলতে থাকা শিশুদের বুকের হাহাকার?
তুমি কি বুঝোনি আজো প্রেমিক হৃদয়ের কান্না,
যারা কারবালার প্রতিটি মুহূর্তে জেগে থাকে?
তারা প্রতিদিন হোসাইনের সেজদায় সিজদা দেয়,
তারা প্রতিদিন তোমার দিকে তাকিয়ে কাঁদে,
আর বলে—
হে মাটি, আমরা আজো তোমাকে ভালোবাসি…
হে কারবালার মাটি!
তোমার বুকের ওপর ঘুমিয়ে আছেন তারা—
যারা জান্নাতের ফুল, বেহেশতের অমর কন্ঠস্বর।
তুমি কি জানো,
তোমার একটি কণাও যদি কেউ হাতে রাখে,
তবে তার কবর হয়ে ওঠে শান্তির ধ্যানমন্দির?
হে মাটি, হে ধূলি, হে প্রেমের প্রতীক!
তুমি তো গর্ভে ধারণ করেছো
সেই কলিজার টুকরা,
যাকে আলী বলতেন— “আমার চোখের আলো”
আর নবীজী বলতেন— “আমার হৃদয়ের রত্ন।”
তুমি কি জানো, হে মাটি!
তুমি কেবল কারবালার মাটি নও,
তুমি প্রেমিক হৃদয়ের কা'বা,
তুমি ধ্বনি— “ইয়া হোসাইন!”
কলমে: লিটন হোসাইন জিহাদ
সোমবার সকাল থেকেই ইরান ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। দিনভর দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি বিমান হামলা চালিয়েছে, যা এই সংঘাতকে আরও জটিল ও আশঙ্কাজনক করে তুলেছে। ইসরায়েলের পরিস্থিতি ইরান ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের প্রায় আট হাজার মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে। ইসরায়েলের একটি প্রধান জ্বালানি কোম্পানি জানিয়েছে, তাদের একটি স্থাপনার কাছে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যদিও বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের…
সোমবার সকাল থেকেই ইরান ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। দিনভর দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি বিমান হামলা চালিয়েছে, যা এই সংঘাতকে আরও জটিল ও আশঙ্কাজনক করে তুলেছে।
ইরান ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের প্রায় আট হাজার মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে। ইসরায়েলের একটি প্রধান জ্বালানি কোম্পানি জানিয়েছে, তাদের একটি স্থাপনার কাছে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যদিও বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য দেয়নি।
ইসরায়েল তাদের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ওপর হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ একে "নজিরবিহীন শক্তি প্রয়োগ" বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলি হামলায় তেহরানে যেসব লক্ষ্যবস্তু বেছে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো “ইরানি শাসনব্যবস্থার প্রতীক”।
এই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় যখন সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালায় এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প "ইরানি শাসনামলের পরিবর্তনের" আহ্বান জানান। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানি সামরিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তারা “চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া” দিতে প্রস্তুত।
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, এই উত্তেজনা হরমুজ প্রণালীতে ছড়িয়ে পড়তে পারে—যা বিশ্ব জ্বালানি রপ্তানির জন্য এক অতি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। ইরান ইতোমধ্যেই প্রণালীটি বন্ধ করার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্ব নেতারা এখন এই সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও, মাটিতে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
The Switzerland-based international organization United People Global (UPG) has ushered in a new era of sustainable development by empowering youth worldwide. In 2025, its contributions to education, health, environment, and social equity have become unparalleled. Through the UPG Sustainability Leadership Program 2025, young people’s leadership skills are being honed, and community-based initiatives are gaining momentum, turning into beacons of sustainable change in every corner of the globe. Yemi Babington-Ashaye, founder…
The Switzerland-based international organization United People Global (UPG) has ushered in a new era of sustainable development by empowering youth worldwide. In 2025, its contributions to education, health, environment, and social equity have become unparalleled. Through the UPG Sustainability Leadership Program 2025, young people’s leadership skills are being honed, and community-based initiatives are gaining momentum, turning into beacons of sustainable change in every corner of the globe.
Yemi Babington-Ashaye, founder and president of UPG, is shaping the organization as a pioneer of the youth-led social revolution. Operating in more than 140 countries, UPG implements community-centered projects through international collaboration. In the competitive session of 2025, over 13,000 youth applicants participated, who are emerging on the global stage through video projects, university certification, and community activities.
One of the remarkable features of UPG is its team of dedicated mentors who provide continuous support and guidance. These mentors are highly collaborative and nurturing, helping young leaders to unlock their full potential. Their encouragement and expertise create an inspiring environment for personal and community growth.
Participants of the program also have unique opportunities such as visiting Hurricane Island, a renowned leadership and environmental education center. This experience allows youth to engage closely with nature and practice leadership skills in real-world challenging settings.
Additionally, UPG fosters collaboration among youth from diverse countries, creating a vibrant network of changemakers. This international cooperation enriches participants’ perspectives and equips them with the skills to work across cultures for sustainable development.
Ruhil Madini Mim, a student of the Political Studies Department at Shahjalal University of Science and Technology (SUST) in Bangladesh, was selected for this program and is advancing on the path of local and global change. Under the guidance of senior Habibur Rahman Masrur, she has made her mark through UPG’s leadership initiatives. She says, “Studying politics and sociology attracted me to UPG’s mission. I want to work for my community and bring sustainable change in their lives.” So far, she has conducted mini training sessions on education, health, and environment in various schools of the Sylhet division, inspiring hundreds of students and villagers. She adds, “Through these activities, I am raising awareness about sustainable leadership among ordinary people and working to improve their quality of life. To date, I have successfully completed four mini-training sessions with over 100 participants.”
She believes that UPG has opened up opportunities for global change. She states, “Anyone interested in joining UPG can apply online by visiting [www.upglobe.org](http://www.upglobe.org). By participating in this program, it is possible to implement sustainable initiatives anywhere in the world. In my sessions, I share practical ideas on education, health, and environment so that future generations can be shaped as responsible citizens.” She further adds, “Small initiatives lay the foundation for big changes. UPG has provided me with the skills, platform, and confidence to realize this dream.”
For the youth of Bangladesh, UPG has become an exceptional opportunity. Leaders like her demonstrate that with the right platform, training, and strong determination, changing the world is possible. UPG’s initiatives and the active participation of young people are creating an illuminated pathway toward a sustainable future—a hopeful story not just for Bangladesh, but for the entire world.
লিটন হোসাইন জিহাদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চানপুর গ্রামে সরকারি পুকুর নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন রোববার (২২ জুন) সকালে এ ঘটনায় ছেলের কোপে বাবার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়পুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের ইছামদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সরকারি লিজে নেওয়া একটি পুকুরে চুন ছিটাচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ হুমায়ুন কবীর, ইদ্রিস মোল্লা এবং ইদ্রিসের ছেলে মেহেদী পুকুরপাড়ে গিয়ে ইছামদ্দিনকে…
লিটন হোসাইন জিহাদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চানপুর গ্রামে সরকারি পুকুর নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন রোববার (২২ জুন) সকালে এ ঘটনায় ছেলের কোপে বাবার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়পুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের ইছামদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সরকারি লিজে নেওয়া একটি পুকুরে চুন ছিটাচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ হুমায়ুন কবীর, ইদ্রিস মোল্লা এবং ইদ্রিসের ছেলে মেহেদী পুকুরপাড়ে গিয়ে ইছামদ্দিনকে ডেকে এনে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন।
পরে বাবাকে রক্ষা করতে ইছামদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম দৌড়ে গেলে তাকেও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা আমিনুলের হাত কাটার চেষ্টা করলে সে দ্রুত হাত সরিয়ে নেয়। সেই কোপ গিয়ে লাগে ইদ্রিস মোল্লার হাতে, যার ফলে তার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ইদ্রিসকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরদিকে, ইছামদ্দিন ও আমিনুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে হুমায়ুন কবীরের লোকজন বাধা দিলে বিজয়নগর থানা পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দু’জনকেই ঢাকা পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের দাবি, গত ১৩ বছর ধরে ইছামদ্দিন সরকারি লিজে পুকুরটি ব্যবহার করে মাছ ও কৃষি চাষ করে আসছেন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীররা বিএস দলিল দেখিয়ে দাবি করছেন, এটি তাদের পারিবারিক সম্পত্তি। এই সংক্রান্ত বিরোধে বাংলাদেশ রেলওয়ে হুমায়ুন কবীরসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এবং বিএস বাতিল করেছে বলেও জানান স্থানীয়রা।
বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: সখারাম এবং তাঁর ২৬ বছরের স্ত্রী অভিতা দুই সন্তান নিয়ে থানে জেলার বাদলাপুরে একটি ইটভাটায় কাজ করতেন। তৃতীয় সন্তানের অভিভাবক হতে চলেছিলেন তাঁরা। সন্তানের জন্মের সময় ঘনিয়ে এলে, নিরাপদ প্রসবের আশায় তারা তিন সপ্তাহ আগে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু ১১ জুন আচমকাই অভিতার প্রসব বেদনা শুরু হয়। সেখান থেকে শুরু হয় তাঁদের দুর্ভোগ। সখারাম বলেন, 'সেদিন সকাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ডেকেছি, কিন্তু কেউ আসেনি।' তিনি জানান, গ্রামের আশা…
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: সখারাম এবং তাঁর ২৬ বছরের স্ত্রী অভিতা দুই সন্তান নিয়ে থানে জেলার বাদলাপুরে একটি ইটভাটায় কাজ করতেন। তৃতীয় সন্তানের অভিভাবক হতে চলেছিলেন তাঁরা। সন্তানের জন্মের সময় ঘনিয়ে এলে, নিরাপদ প্রসবের আশায় তারা তিন সপ্তাহ আগে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু ১১ জুন আচমকাই অভিতার প্রসব বেদনা শুরু হয়। সেখান থেকে শুরু হয় তাঁদের দুর্ভোগ। সখারাম বলেন, 'সেদিন সকাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ডেকেছি, কিন্তু কেউ আসেনি।' তিনি জানান, গ্রামের আশা (ASHA) কর্মীও প্রথমে পাওয়া যায়নি। পরে তিনি জরুরি নম্বর ১০৮-এ ফোন করেছিলেন, কিন্তু প্রথমে কোনও উত্তর পাননি বলে জানা যায়। এরপর তিনি এক প্রাইভেট গাড়ির ব্যবস্থা করে স্ত্রীকে খোদালা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের এক ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করানো হয়।
সখারাম আরও জানান, পরে তাঁদের মোখাদা গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্ত্রী অতিভা বলেন, 'ওরা আমাকে একা একটা ঘরে আলাদা করে রাখে। আমার স্বামী এর প্রতিবাদ করলে, তারা পুলিস ডাকে—পুলিস এসে ওকে মারধর করে।' মোখাদার চিকিত্সকেরা বাচ্চার হৃদস্পন্দন ধরতে না পারায় নাসিক সিভিল হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু তখন অ্যাম্বুলেন্স না থাকায়, ২৫ কিমি দূরের আসে গ্রাম থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনা হয়।
অভিতা নাসিকের হাসপাতালে পৌঁছান সন্ধ্যের সময়। ১২ জুন রাত ১.৩০-এ তিনি মৃত কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। দুঃখের পাহাড় এখানেই শেষ নয়। পরেরদিন সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুর মৃতদেহ সখারামের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু মৃতদেহ নিয়ে নিয়ে বাড়ি ফেরার জন্য কোনও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়নি।
সখারাম বলেন, 'আমি এস.টি. স্ট্যান্ডে গিয়ে ২০ টাকায় একটা ক্যারি ব্যাগ কিনি, কাপড়ে আমার মেয়েকে জড়িয়ে রাখি, তারপর এমএসআরটিসি বাসে প্রায় ৯০ কিমি পেরিয়ে বাড়ি নিয়ে আসি।' সেদিনই মৃত মেয়েকে পুঁতে শেষকৃত্য পূরণ করা হয়।
১৩ জুন সখারাম আবার নাসিকে গিয়ে স্ত্রীকে বাড়ি নিয়ে আসেন। স্ত্রীর শারিরীকভাবে দুর্বল থাকায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে আসার কথা ভাবেন। কিন্তু সেখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্স দিতে অস্বীকার করে। বাধ্য হয়ে অভিতাকে নিয়ে বাসেই বাড়ি ফিরতে হয় সখারামকে।
অন্যদিকে, মোখাদা গ্রামীণ হাসপাতালের ডাক্তার ভাউসাহেব চাতার দাবি করেন, বাচ্চাটি গর্ভেই মারা যান। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স খারাপ থাকায় দেওয়া যায়নি। গ্রাম থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়। চিকিত্সক আরও দাবি করেন যে, হাসপাতাল ফেরার সময় অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সখারাম নাকি তা নিতে অস্বীকার করে একটি মুচলেকা দেন—যা সখারাম অস্বীকার করেছেন। হাসপাতালের পক্ষ থেকে আদিবাসী দম্পতিকে সবরকম সহযোগিতা করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
পশ্চিমা সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন মোতাবেক, চীন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রপেল্যান্টের উপকরণ আমদানি সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ইরানি জাহাজ বিশাল পণ্য নিয়ে সে দেশের অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে, ভিওএ-র বিশ্লেষণে এমনটা জানা গেছে। জাহাজ ট্র্যাক করে এমন একাধিক ওয়েবসাইট দেখাচ্ছে, ইরানের পতাকা সম্বলিত পণ্যবাহী জাহাজ ‘জয়রন’ সোমবার চীন থেকে রওনা হয়েছে; একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনের একটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের এক মাস পরে এই জাহাজ ছাড়লো। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দ্য ফিনান্সিয়াল…
পশ্চিমা সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন মোতাবেক, চীন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রপেল্যান্টের উপকরণ আমদানি সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ইরানি জাহাজ বিশাল পণ্য নিয়ে সে দেশের অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে, ভিওএ-র বিশ্লেষণে এমনটা জানা গেছে। জাহাজ ট্র্যাক করে এমন একাধিক ওয়েবসাইট দেখাচ্ছে, ইরানের পতাকা সম্বলিত পণ্যবাহী জাহাজ ‘জয়রন’ সোমবার চীন থেকে রওনা হয়েছে; একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনের একটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের এক মাস পরে এই জাহাজ ছাড়লো।
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দ্য ফিনান্সিয়াল টাইমস, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও সিএনএনের নিবন্ধে বলা হয়েছিল, ইরানের দুটি পণ্যবাহী জাহাজের একটি হল জয়রন; চীন থেকে ১ হাজার মেট্রিক টন সোডিয়াম পারক্লোরেট আমদানি করতে এই জাহাজগুলি ব্যবহার করছে তেহরান। তিনটি সংবাদ সংস্থা অজ্ঞাতনামা একাধিক পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃতি করে বলেছে, ২৬০টি মাঝারি পাল্লার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে এই কথিত চালান হওয়া পণ্যকে পর্যাপ্ত অ্যামোনিয়াম পারক্লোরেটে রূপান্তরিত করা হতে পারে যা প্রপেল্যান্টের ঘন বা জমাটবদ্ধ জ্বালানির একটি প্রধান উপাদান।
সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইরানের আরেকটি পণ্যবাহী জাহাজের নাম ‘গলবন’; এটি মাত্র ১৯ দিনে চীনের পূর্বাঞ্চল থেকে ইরানের বন্দর আব্বাসে ১৩ ফেব্রুয়ারিতে চলে এসেছে। সফরকালে এটি দুইদিন দক্ষিণ চীনের ঝুনহাই গাওলান বন্দরে থামে এবং ইরানকে এক অজ্ঞাতনামা কার্গো সরবরাহ করে বলে জানিয়েছে জাহাজ ট্র্যাককারী ওয়েবসাইট মেরিনট্রাফিক।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি দফতর গলবন ও জয়রন উভয় জাহাজের উপরই নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে কেননা এই জাহাজগুলি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক ইরানের শিপিং লাইন (রাষ্ট্রায়ত্ত) দ্বারা পরিচালিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের বক্তব্য অনুযায়ী, এই শিপিং লাইন “ইরানের অস্ত্র বৃদ্ধির পছন্দসই পথ ও সরঞ্জাম সংগ্রহের মাধ্যম,” তাই ইরানের এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার উপরই নিষেধাজ্ঞা চাপানো রয়েছে।
ভিওএ যোগাযোগ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর চীন থেকে জয়রনের রওনা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নিউইয়র্কে ইরানের জাতিসংঘ মিশনকে মঙ্গলবার এই বিষয়ে মন্তব্য করার জন্য ভিওএ-র পক্ষ থেকে ই-মেইল করা হয়, তবে তারাও কোনও জবাব দেয়নি।
গত মাসে পররাষ্ট্র দফতর ভিওএ-কে বলেছে, চীন থেকে সোডিয়াম পারক্লোরেট আমদানি করতে গলবন ও জয়রনের কথিত ব্যবহার বিষয়ে দ্য ফিনান্সিয়াল টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের জানুয়ারির একাধিক সংবাদ প্রতিবেদন সম্পর্কে তারা ওয়াকিবহাল।
একজন মুখপাত্র বলেছেন, গোয়েন্দা বিষয় নিয়ে পররাষ্ট্র দফতর মন্তব্য করে না, তবে “ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্যান্য অস্ত্র কর্মসূচির জন্য লাভজনক উপাদান, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির বৃদ্ধি ঠেকাতে তারা সজাগ রয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা চাপানোর মাধ্যমে ইরানকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে চলেছে।”
সূত্র: ভয়েজ অব আমেরিকা
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ইরানের সাথে দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কায় ইহুদিবাদী ইসরাইল খুবই উদ্বেগে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়ালা নিউজের ইহুদিবাদী বিশ্লেষক ডেনিস স্ট্রানোভিচ। তিনি এক নিবন্ধে লিখেছেন- যুদ্ধ চলছে, কিন্তু ইসরাইলের আশঙ্কা হলো এটি দীর্ঘ মেয়াদী যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। এমনটি হলে তা ইসরাইলের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনবে। স্ট্রানোভিচ আরও বলেন, যদি যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলে তাহলে তা ইসরাইলি অর্থনীতি এবং সমাজকে ভেঙে ফেলবে। দখলদার ইসরাইলের জায়নিস্ট সেন্টার ফর সিকিউরিটি…
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ইরানের সাথে দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কায় ইহুদিবাদী ইসরাইল খুবই উদ্বেগে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়ালা নিউজের ইহুদিবাদী বিশ্লেষক ডেনিস স্ট্রানোভিচ।
তিনি এক নিবন্ধে লিখেছেন- যুদ্ধ চলছে, কিন্তু ইসরাইলের আশঙ্কা হলো এটি দীর্ঘ মেয়াদী যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। এমনটি হলে তা ইসরাইলের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনবে।
স্ট্রানোভিচ আরও বলেন, যদি যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলে তাহলে তা ইসরাইলি অর্থনীতি এবং সমাজকে ভেঙে ফেলবে।
দখলদার ইসরাইলের জায়নিস্ট সেন্টার ফর সিকিউরিটি রিসার্চের গবেষক এবং সামরিক গোয়েন্দা পরিষেবার ইরান বিষয়ক ডেস্কের সাবেক এই প্রধান বলেন- ইসরাইলের এটা বুঝতে হবে যে, ইরানের পরমাণু বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই এবং দ্রুত ইরানের সাথে তাদের যুদ্ধ শেষ করতে হবে।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতেও ইসরাইলি কর্মকর্তারা যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারছেন না, তারা বিভ্রান্তিতে রয়েছে। #
সূত্র: পার্সটুডে
Published newsroom dispatches by alamgir.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: alamgir
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.
