About me
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
暂无专业资料。
暂无专业资料。
声誉建设中
暂无已发表作品。
@alamgirmonder · Member
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: একজন ইসরাইলি নিরাপত্তা ও সামরিক বিশেষজ্ঞ ইসরাইলি নেতাদের সতর্ক করে বলেছেন যে তারা যেন ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চাওয়ার আগে এই উন্মাদনা বন্ধ করে। শুক্রবার তেহরান এবং ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে ইসরাইলি হামলায় বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী এবং বেসামরিক নাগরিক শহীদ হন। এই আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায়, ইরান শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আক্রমণ শুরু করেছে। মেহর নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইসরাইলি নিরাপত্তা ও সামরিক বিশেষজ্ঞ…
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: একজন ইসরাইলি নিরাপত্তা ও সামরিক বিশেষজ্ঞ ইসরাইলি নেতাদের সতর্ক করে বলেছেন যে তারা যেন ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চাওয়ার আগে এই উন্মাদনা বন্ধ করে।
শুক্রবার তেহরান এবং ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে ইসরাইলি হামলায় বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী এবং বেসামরিক নাগরিক শহীদ হন। এই আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায়, ইরান শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আক্রমণ শুরু করেছে।
মেহর নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইসরাইলি নিরাপত্তা ও সামরিক বিশেষজ্ঞ ইয়োসি মেলম্যান ইসরাইলি নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা যেন তেহরানের কাছে যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চাওয়ার আগে এই উন্মাদনা বন্ধ করে। মেলম্যান বলেন, "যদি পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকে, অবশেষে ইসরাইল ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চাইতে বাধ্য হবে।"
তিনি আরো লিখেছেন যে এই আনন্দ উচ্ছ্বাস ক্ষণস্থায়ী ছিল। শুক্রবার সকালে আমি নিজেকেই জিজ্ঞাসা করলাম, 'যুদ্ধে যাওয়া কি সত্যিই প্রয়োজনীয় ছিল, বিশেষ করে ইরানিদের বিরুদ্ধে?'
ইসরাইলি এই বিশেষজ্ঞ জোর দিয়ে বলেন: "শিয়ারা ঐতিহাসিকভাবে কষ্ট সহ্য করতে প্রস্তুত। আমি তাদের ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতার বিষয়টি স্মরণ করি, যেমনটি তারা ইরাকের সাথে আট বছরের যুদ্ধে নজিরবিহীন ত্যাগের প্রমাণ দেখিয়েছিল। তাই আমি অনুরোধ করছি যে হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে আনুন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্যে চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধ উন্মাদনা বন্ধ করুন; অন্যথায়, শেষ পর্যন্ত আমাদেরকে যুদ্ধবিরতির জন্য ভিক্ষা চাইতে হবে এবং ইরান তা প্রত্যাখ্যান করবে।
এদিকে, কায়রো স্কুল অফ পলিটিক্যাল সায়েন্সের প্রাক্তন ডিন "আলিয়া আল-মাহদি"ও ইরানের উপর ইসরাইলের আক্রমণের কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "ইরান একটি বৃহৎ দেশ এবং এ দেশটির নাগরিকরা বৈজ্ঞানিক সকল ক্ষেত্রে পারদর্শী।"
তিনি আরও বলেন: "ইসরাইল সরকারকে এই অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা, ফেতনা, দাঙ্গা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ব্রিটেন ও পশ্চিমারা এই অঞ্চলে ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্র তৈরি করেছিল যার উদ্দশ্যে ছিল তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ এ অঞ্চলের ওপর আধিপত্য বিস্তারের জন্য।"
আরেকজন মিশরীয় বিশ্লেষক কামাল হাবিব বলেছেন: ইরানের জন্য বড় সুযোগ এসেছে ইসরাইলের উপর মারাত্মক আঘাত হানার, যারা মনে করে যে তাদের শর্ত আরোপ করার এবং এই অঞ্চলে দখলদার হিসেবে উপস্থিত থাকার ক্ষমতা একমাত্র তাদেরই রয়েছে। যদি ইসরাইল এবারের মতো বেঁচে যায়, তাহলে আমরা আমাদের দেশে থাকতে পারব না। আমাদের শান্তি ও মর্যাদার একমাত্র শর্ত হলো ইসরাইলের পরাজয় ও ধ্বংস।
এই বিশ্লেষক, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাথে বর্তমান যুদ্ধে ইরানের প্রতি আরব বিশ্বের পূর্ণ সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে বলেন: আমাদের প্রধান শত্রু হলো ইসরাইল।
আরেকজন মিশরীয় বিশ্লেষক, আবদেল নবী ফারাজও বলেন: আমরা বর্তমানে ইসরাইলি ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছি।#
সূত্র: পার্সটুডে
অনলাইন ডেস্ক: জীবনের পথে চলতে গিয়ে আমরা সকলেই কমবেশি ব্যর্থতার সম্মুখীন হই। কেউ চাকরি হারায়, কেউ ভালোবাসায় ব্যর্থ হয়, কেউ আবার স্বপ্ন পূরণের মাঝপথে হাল ছেড়ে দেয়। ব্যর্থতা যেন জীবনের অনিবার্য সত্য। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা ব্যর্থ হলেই কি থেমে যাব? না। বরং প্রতিটি ব্যর্থতা আমাদের সামনে এক একটি নতুন সুযোগ এনে দেয়—নিজেকে বুঝে ওঠার, শিখে নেবার, এবং আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার। এই প্রবন্ধে আমরা অনুসন্ধান করব ব্যর্থতা…
অনলাইন ডেস্ক: জীবনের পথে চলতে গিয়ে আমরা সকলেই কমবেশি ব্যর্থতার সম্মুখীন হই। কেউ চাকরি হারায়, কেউ ভালোবাসায় ব্যর্থ হয়, কেউ আবার স্বপ্ন পূরণের মাঝপথে হাল ছেড়ে দেয়। ব্যর্থতা যেন জীবনের অনিবার্য সত্য। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা ব্যর্থ হলেই কি থেমে যাব? না। বরং প্রতিটি ব্যর্থতা আমাদের সামনে এক একটি নতুন সুযোগ এনে দেয়—নিজেকে বুঝে ওঠার, শিখে নেবার, এবং আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার। এই প্রবন্ধে আমরা অনুসন্ধান করব ব্যর্থতা কীভাবে সফলতার সিঁড়ি হয়ে উঠতে পারে, কীভাবে নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলা যায়, এবং কোন মানসিকতা ও অভ্যাসগুলো আমাদের বিজয়ের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ব্যর্থতা আসলে কী?
ব্যর্থতা শব্দটি শুনলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে হার, লজ্জা, অপমান, অথবা অযোগ্যতার ছবি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ব্যর্থতা আসলে একটি শিখন প্রক্রিয়ার অংশ।
ব্যর্থতা মানে অযোগ্যতা নয়: আপনি হয়তো কোনো পরীক্ষায় ফেল করেছেন, কোনো ব্যবসা চালাতে পারেননি, বা কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারেননি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি ব্যর্থ মানুষ—এটা শুধু নির্দেশ করে আপনি এখনো সফল হতে পারেননি।
উদাহরণ: টমাস এডিসন ১০,০০০ বার ব্যর্থ হয়েছিলেন বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করতে গিয়ে। তাঁর বিখ্যাত উক্তি:
"I have not failed. I’ve just found 10,000 ways that won’t work."
এই মনোভাবই ব্যর্থতাকে সফলতার সিঁড়ি বানায়।
ব্যর্থতার সাধারণ কারণ ও আত্মসমীক্ষা
১. লক্ষ্য নির্ধারণের অস্পষ্টতা: অনেক সময় আমরা জানিই না আমরা কী চাই। এই অস্পষ্টতা আমাদের পথভ্রষ্ট করে তোলে। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য না থাকলে পথ হারানো স্বাভাবিক।
২. আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি: নিজের ওপর বিশ্বাস না থাকলে আপনি এক ধাপও এগোতে পারবেন না। বারবার নিজেকে বলুন: "আমি পারি। আমি সফল হবো।"
৩. সঠিক প্রস্তুতির অভাব: সাধারণত আমরা চেষ্টা করি, কিন্তু পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই না। যেমন: পরীক্ষার আগের রাতেই সব পড়া শেষ করার চেষ্টা, বা ব্যবসা শুরুর আগে বাজার বিশ্লেষণ না করা।
৪. নেতিবাচক পরিবেশ: পরিবার, বন্ধু বা সমাজের কাছ থেকে বারবার নেতিবাচক বার্তা পাওয়া মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়।
এই অধ্যায়ের উপসংহার: নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনার ব্যর্থতার আসল কারণ কী? কেবল বাহ্যিক দোষ খুঁজে না পেয়ে আত্মসমীক্ষা করুন।
ব্যর্থতা থেকে শেখার উপায়
১. ভুলের দায় স্বীকার করুন: "ভুল করেছি" বলা দুর্বলতা নয়, বরং তা আত্মোন্নয়নের সূচনা।
২. প্রতিটি ব্যর্থতা লিখে রাখুন: একটি "ফেলিওর জার্নাল" রাখুন যেখানে আপনি লিখবেন কী চেষ্টা করেছিলেন, কেন ব্যর্থ হলেন, এবং কী শেখার সুযোগ পেলেন।
৩. পরামর্শ নিন: বিশ্বের সব সফল মানুষরাই কোনো না কোনো মেন্টরের সাহায্য নিয়েছেন। কাউকে খুঁজে বের করুন যার জীবনের অভিজ্ঞতা আপনাকে শেখাতে পারে।
৪. ধৈর্য ও সহনশীলতা গড়ে তুলুন: সফলতা তাৎক্ষণিকভাবে আসে না। কখনো কখনো বহু বছর ধরে নিরলস পরিশ্রম করতে হয়।
সফল হওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি
১. আত্মবিশ্বাস গড়ুন
২. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা (Positive Thinking)
নিয়ম:
৩. কৃতজ্ঞতার চর্চা: প্রতিদিন ৩টি বিষয় লিখুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। এটি মস্তিষ্ককে ইতিবাচকভাবে প্রোগ্রাম করে।
৪. ভয়কে বন্ধু বানান: ভয় আসলে ইঙ্গিত দেয় আপনি কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ করতে চলেছেন। তাই ভয় পেলেই বুঝবেন, আপনি সামনে এগোচ্ছেন।
সফলতার দিকনির্দেশনা – আপনি কীভাবে এগোবেন?
১. সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ
SMART লক্ষ্য ঠিক করুন:
উদাহরণ: “আমি আগামী ৬ মাসের মধ্যে ১০ কেজি ওজন কমাবো।”
২. পরিকল্পনা ও রুটিন তৈরি করুন
৩. একাগ্রতা বজায় রাখুন
৪. সুস্বাস্থ্য বজায় রাখুন
একটি সুস্থ দেহ আপনাকে মানসিকভাবে স্থিতিশীল রাখবে।
: সাফল্যের বাস্তব উদাহরণ
১. এপজলক মেহেদী – শূন্য থেকে বিলিয়ন ডলার: এই বাংলাদেশি তরুণ উদ্যোক্তা ই-কমার্স ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ব্যর্থতার পর ব্যর্থতা দেখে শেষে নিজের স্বপ্নের প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করেন। তার মূলমন্ত্র ছিল: "বারবার পড়ো, কিন্তু প্রতিবার উঠে দাঁড়াও আরও শক্ত হয়ে।"
২. অপর্ণা ঘোষ – ব্যর্থ প্রেম থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ব্যক্তিগত জীবনের চরম হতাশার পর নিজেকে ফিরে পেয়ে অপর্ণা লেখালেখির মাধ্যমে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন। আজ তিনি আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক।
এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে, ব্যর্থতা শেষ নয়—এটা নতুন শুরুর দরজা।
ব্যর্থ মানুষদের জন্য ১০টি শক্তিশালী উপদেশ
১. নিজেকে কখনোই ছোট ভাববেন না।
২. একটি ভুল মানে সব কিছু শেষ নয়।
৩. চেষ্টা কখনো বৃথা যায় না।
৪. সঠিক মানুষদের সঙ্গ গ্রহণ করুন।
৫. নিয়মিত লিখুন আপনার লক্ষ্য ও অগ্রগতি।
৬. ভুল হলে নিজেকে মারবেন না—শেখার চেষ্টা করুন।
৭. নিজের উন্নতি দেখে খুশি হোন, অন্যের সাফল্যে ঈর্ষা নয়।
৮. জীবন একটি ম্যারাথন—স্প্রিন্ট নয়।
৯. আপনার অতীত আপনার পরিচয় নয়।
১০. ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষমতা শুধুই আপনার হাতে।
জীবনে আপনি যত বড় ব্যর্থতাই দেখুন না কেন, আপনি এখনো শেষ হয়ে যাননি। আপনি যতক্ষণ জীবিত আছেন, ততক্ষণ আপনার হাতে ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ রয়েছে। হয়ত আপনি একবার, দুইবার, দশবার ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু এগুলোই আপনাকে তৈরি করেছে সেই মানুষ হয়ে উঠতে, যে একদিন বলবে—"এই ব্যর্থতাগুলোই আমাকে আজকের আমি বানিয়েছে।"
সফলতা কোনো ম্যাজিক নয়। এটি ছোট ছোট ভালো সিদ্ধান্ত, দৃঢ় মনোভাব, ধৈর্য এবং আত্মবিশ্বাসের ফল।
আজই শুরু করুন। কারণ আপনি ব্যর্থ নন—আপনি এখনো সফল হতে সময় নিচ্ছেন।
The AI revolution is reshaping our world. Learn essential skills like critical thinking, lifelong learning, and emotional intelligence to thrive. Your guide to navigating today's rapid technological changes. The world is changing at an unprecedented pace, largely driven by the rapid advancements in Artificial Intelligence (AI). From how we work and learn to how we interact and create, AI's influence is undeniable and growing. This isn't a distant future scenario;…
The AI revolution is reshaping our world. Learn essential skills like critical thinking, lifelong learning, and emotional intelligence to thrive. Your guide to navigating today's rapid technological changes.
The world is changing at an unprecedented pace, largely driven by the rapid advancements in Artificial Intelligence (AI). From how we work and learn to how we interact and create, AI's influence is undeniable and growing. This isn't a distant future scenario; it's happening right now. For individuals and organizations alike, understanding how to navigate this AI revolution isn't just advantageous—it's essential for relevance, success, and well-being. This article explores the critical skills and mindsets you need to cultivate to thrive in today's AI-driven landscape.
The AI Tsunami: Understanding the Impact on Daily Life and Work
Artificial Intelligence is no longer science fiction. It's powering the search engines we use (like the one that may have brought you here!), the recommendation algorithms on streaming services, the chatbots providing customer service, and increasingly, complex tasks in industries from healthcare to finance.
Understanding this widespread impact is the first step to proactively adapting rather than reactively struggling.
) Essential Skills to Thrive in the Age of AI: Your Adaptation Toolkit
The rise of AI doesn't make humans obsolete; it redefines our value. The key is to focus on uniquely human capabilities and skills that complement AI.
(H3) 1. Critical Thinking & Complex Problem-Solving
AI can process data, but humans excel at contextual understanding, nuanced judgment, and creative problem-solving.
* Why it's crucial: To analyze AI outputs, identify biases, and make informed decisions.
* Keywords: critical thinking skills, AI bias, data analysis, problem-solving in AI era.
(H3) 2. Lifelong Learning & Adaptability (Upskilling and Reskilling)
The pace of technological change means skills quickly become outdated. A mindset geared towards continuous learning is paramount.
* Why it's crucial: To stay relevant as job roles evolve and new AI tools emerge.
* Keywords: lifelong learning AI, upskilling for AI, reskilling future jobs, adaptability skills.
(H3) 3. Emotional Intelligence (EQ) & Interpersonal Skills
Empathy, communication, collaboration, and leadership are skills AI struggles to replicate authentically.
* Why it's crucial: For effective teamwork, client relations, and leading in hybrid human-AI environments.
* Keywords: emotional intelligence future of work, soft skills AI, human-AI collaboration, communication skills.
(H3) 4. Digital Literacy & AI Fluency
This goes beyond basic computer skills. It means understanding how AI systems work, their limitations, and how to interact with them effectively and ethically.
* Why it's crucial: To leverage AI tools responsibly and protect yourself from digital threats.
* Keywords: digital literacy today, AI fluency, understanding AI, AI ethics.
(H3) 5. Creativity & Innovation
While AI can generate creative content, true innovation often stems from human ingenuity, curiosity, and the ability to connect disparate ideas.
* Why it's crucial: To develop new products, services, and solutions in an AI-augmented world.
* Keywords: creativity in AI age, innovation skills, human ingenuity.
Cultivating the Right Mindset: Resilience and Ethical Awareness
Beyond skills, your mindset will determine how you navigate the AI revolution.
The Future is Collaborative: Humans + AI
The most powerful outcomes will likely arise from human-AI collaboration. AI can handle repetitive tasks, analyze vast datasets, and provide insights, freeing up humans to focus on strategy, creativity, and complex interpersonal interactions. Embracing AI as a tool, rather than a threat, is key.
Actionable Steps You Can Take Today
Conclusion: Embrace the Change, Shape Your Future
The AI revolution is a defining moment of our time. While it presents challenges, it also offers immense opportunities for growth, innovation, and societal advancement. By consciously cultivating essential skills like critical thinking, emotional intelligence, and a commitment to lifelong learning, and by adopting a resilient and ethically aware mindset, we can not only adapt but also actively shape a future where humans and AI work together for a better world. The time to prepare is now.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উদ্যোগ—ঋতুভিত্তিক রঙিন ফুলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। জেলার সীমনা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারজুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ জুন) শহরের সীমনা সড়ক সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উদ্যোগ—ঋতুভিত্তিক রঙিন ফুলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। জেলার সীমনা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারজুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) শহরের সীমনা সড়ক সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন— সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া,ডিডিএলজি ও পৌর প্রশাসক শংকর কুমার বিশ্বাস, এলজিইডি এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক, বিজয়নগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাধনা ত্রিপুরা, সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন আখন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমিন শাহীন, এনসিপির জেলা আহবায়ক মো: আজিজুর রহমান লিটন,ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর সাধারণ সম্পাদক এ বি এম মোমিনুল হক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক বাহারুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারী নিয়াজুল করিম,গণ অধিকার পরিষদ জেলা সভাপতি আশরাফুল হাসান তপু, উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মঈনুল হক সরকার, জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মো: শাহজাহান এবং বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রকল্প প্রস্তাবক মো: ইব্রাহিম খান সাদাত এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,
“এই রঙিন ফুলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধুই একটি প্রকল্প নয়, এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন—পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিক নগর গঠনের পথচিত্র। ঋতুভিত্তিক গাছ লাগানোর ফলে বছরজুড়ে বিভিন্ন রঙের ফুলে সজ্জিত থাকবে সড়কটি, যা মানুষের মানসিক প্রশান্তি ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ একটি অত্যন্ত কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চাই এই প্রকল্পের সঙ্গে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যুক্ত হোক এবং একসঙ্গে গড়ে তুলি একটি সবুজ, সুন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়া।”
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সড়কের দুই পাশে প্রায় পাঁচ হাজার ঋতু ভিত্তিক ফুলগাছ রোপণ করা হবে। এসব গাছ এমনভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি ঋতুতে সড়কজুড়ে ফুটে থাকে নানা রঙের বাহারি ফুল। এতে করে এই সড়কটি হয়ে উঠবে শুধু একটি চলাচলের পথ নয়, বরং একটি প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য—ছায়া, ফুল ও পাখির কলতানে প্রাণবন্ত একটি পরিবেশ।
এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলমকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন গুলো।
তারা জানান, “সীমনা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারজুড়ে ঋতুভিত্তিক ফুলগাছ রোপণের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি অনন্য প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হয়ে থাকবে। পাশাপাশি এটি পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করবে, যা স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
প্রকল্পটিকে টেকসই করে তোলার লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলো সঠিকভাবে বড় হবে এবং এই উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী রূপ পাবে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই প্রকল্প সীমনা সড়ককে শুধুই একটি যান চলাচলের পথ না রেখে রূপান্তর করবে এক জীবন্ত, ফুলেল অভিজ্ঞতায়। আমরা আশাবাদী, সবাই মিলে এই প্রকল্পের সাফল্য নিশ্চিত করতে পারব।”
লিটন হোসাইন জিহাদ: আমার শহরে কোনো ঘূর্ণিঝড় ছিল না। ছিল না কোনো রক্তপাত, ছিল না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম বার্তা। শুধু তুমি এসেছিলে— নিঃশব্দে, নিরবধি, একটি দীর্ঘশ্বাসের মতো। তোমার আগমনের দিন আকাশ স্বচ্ছ ছিল, বাতাস নরম। কিন্তু তার মধ্যেই আমার চারপাশের সবকিছু অস্থির হয়ে উঠলো। ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ থেমে গেল, দেয়ালের ক্যালেন্ডার থেকে পাতাগুলো উড়ে গেল, আর আমি, আমি বুঝতে পারলাম— সময় যেন তোমার জন্য থেমে গেছে। তুমি আমাকে ভালোবাসা…
লিটন হোসাইন জিহাদ: আমার শহরে কোনো ঘূর্ণিঝড় ছিল না। ছিল না কোনো রক্তপাত, ছিল না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম বার্তা। শুধু তুমি এসেছিলে— নিঃশব্দে, নিরবধি, একটি দীর্ঘশ্বাসের মতো।
তোমার আগমনের দিন আকাশ স্বচ্ছ ছিল, বাতাস নরম। কিন্তু তার মধ্যেই আমার চারপাশের সবকিছু অস্থির হয়ে উঠলো। ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ থেমে গেল, দেয়ালের ক্যালেন্ডার থেকে পাতাগুলো উড়ে গেল, আর আমি, আমি বুঝতে পারলাম— সময় যেন তোমার জন্য থেমে গেছে।
তুমি আমাকে ভালোবাসা শিখিয়েছিলে, তবে সেই ভালোবাসা ছিল এক কালো যাদুর মতো— যে যেই ছুঁয়েছে, সে ফিরে যেতে পারেনি নিজের ভিতরে।
আমি তখন বুঝিনি তুমি ঘূর্ণিঝড়, তুমি ধ্বংসের নামতা পড়তে পড়তে এসেছিলে, আমার বুকের ভিতর থেকে পৃথিবীর শেষ কবিতাটিও ছিঁড়ে নিয়ে যেতে।
তুমি চলে গেলে।
তুমি রেখে গেলে এক মৃত শহর, যেখানে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে কিছু ভাঙা প্রতিমা, কিছু নষ্ট গন্ধ, কিছু ফেলে যাওয়া চিঠি। তোমার চলে যাওয়ার পর আমি একে একে বুঝতে পারলাম— আমার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো তোমার নামে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার আঙুল তোমার চুল খোঁজে, আমার চোখ তোমার মুখ খোঁজে, আর আমার ছায়া? সে তো তোমার ছায়ার সাথে আত্মহত্যা করেছে অনেক আগেই।
তখন আমি অভিশাপ দিলাম— তবে ভাষার মাধ্যমে নয়, আমি অভিশাপ লিখলাম বাতাসে, ঘুমহীন রাতের বিছানায়, শুকিয়ে যাওয়া কুয়োর পাড়ে, আর সেই আয়নায়— যেখানে তুমি একদিন তোমাকে সুন্দর বলেছিলে।
আমি বললাম— "তোমার প্রতিটি সকাল হোক লাল, যেমন আমার যন্ত্রণার রঙ, তোমার প্রতিটি রাত হোক দর্পণের মতো নিঃসঙ্গ, তুমি যাকে ভালোবাসবে, সে যেন তোমাকে দেখে নিজেকে খোয়ায়, তুমি যেন তার হৃদয়ে হয়ে ওঠো এক বিষণ্ন সংক্রমণ।"
আমি বললাম— "তুমি যেন প্রতিটি আয়নায় নিজের মুখে অন্য কারো ছায়া দেখো, যে ছায়া তোমাকে চেনে না, ভালোবাসে না, বিশ্বাস করে না। তোমার ঘুমে আসুক সেইসব মৃত কবিরা, যারা প্রেমের নামে কেবল যন্ত্রণায় জীবন্ত পুড়েছে।"
তারপর আমি হাঁটতে শুরু করলাম— চেনা শহর ছেড়ে, পরিচিত শব্দ ছেড়ে, নতুন এক পরাবাস্তব জগতে, যেখানে আমি কবি নই, আমি অভিশপ্ত প্রেমিকদের আত্মা।
এখন, এই পৃথিবীর কোনো বাতাস আমার গায়ে লাগে না, আমি আয়নায় নিজেকে দেখি না, আমি কেবল হেঁটে যাই— একটি অভিশাপ হয়ে, একটি দুর্যোগ হয়ে, একটি ঘূর্ণিঝড় হয়ে—
যার নাম রেখেছি 'তুমি'।
লিটন হোসাইন জিহাদ: সৃষ্টি যখন প্রথম আলো জ্বালিয়েছিল অন্ধকারের বুক চিরে, তখন কেউ ছিলনা ডাকার জন্য, কেউ ছিলনা সাড়া দেওয়ার। তখন শব্দ ছিল না, ছিল না ভাষা। সময় তখনো নিজেকে চিনতে শেখেনি। স্থান ছিলো না, গতি ছিলো না, কিছুই ছিলো না Ñশুধু ছিল এক নিঃশব্দ প্রেম, যা আত্মার গভীরতম স্তর থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছিল। সেই প্রেম কার প্রতি ছিল? কিসের প্রতি ছিল? সে কি স্রষ্টার নিজেরই ভেতরের এক তীব্র আকুলতা? হয়তো…
লিটন হোসাইন জিহাদ: সৃষ্টি যখন প্রথম আলো জ্বালিয়েছিল অন্ধকারের বুক চিরে, তখন কেউ ছিলনা ডাকার জন্য, কেউ ছিলনা সাড়া দেওয়ার। তখন শব্দ ছিল না, ছিল না ভাষা। সময় তখনো নিজেকে চিনতে শেখেনি। স্থান ছিলো না, গতি ছিলো না, কিছুই ছিলো না Ñশুধু ছিল এক নিঃশব্দ প্রেম, যা আত্মার গভীরতম স্তর থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছিল।
সেই প্রেম কার প্রতি ছিল? কিসের প্রতি ছিল? সে কি স্রষ্টার নিজেরই ভেতরের এক তীব্র আকুলতা? হয়তো তিনি একা ছিলেন না, কারণ যিনি প্রেম ধারণ করেন, তিনি কখনো একা হন না। তিনি নিজের প্রেমেই পূর্ণ ছিলেন। সেই প্রেমই ছিল আদিম স্রষ্টার নিঃশব্দ উচ্চারণ—"হও", আর সেই হওয়া থেকেই জন্ম নিয়েছিল আকাশ, ধরণী, নক্ষত্র, নদী, এবং মানুষ।
মানুষÑ এই রহস্যময় প্রাণ, যার হৃদয়ে এক অতল প্রেমের বীজ রোপিত করে দিয়েছিল স্রষ্টা। সে প্রেম শুধু কারো প্রতি আকর্ষণ নয়, বরং নিজের আত্মার এক বিস্ময়কর অন্বেষণ। সেই প্রেমে রয়েছে স্রষ্টার সন্ধান, রয়েছে ভাঙনের ভিতরে গড়ার আহ্বান, রয়েছে হারানোর মাঝেও এক চিরন্তন প্রাপ্তি।
প্রেম কোনো রূপ বা শরীরের কাছে বাঁধা নয়। এটি এক ধ্রুব জ্যোতি, যা অন্তরের দৃষ্টিতে দেখা যায়, হৃদয়ের কান দিয়ে শোনা যায়। যেখানে প্রেম এবং প্রার্থনা এক হয়ে যায়Ñ সেখানে সৃষ্টি আর স্রষ্টার ব্যবধান বিলীন হয়ে যায়।
মানুষ যখন প্রেম করে, সত্যিকারভাবে, তখন সে আসলে সৃষ্টি রহস্যের গভীরে প্রবেশ করেÑ যেখানে প্রতিটি স্পর্শ, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি নীরবতা একেকটি মহাজাগতিক ভাষ্য। সেই প্রেম আত্মাকে পবিত্র করে, যেমন নদী ধুয়ে দেয় পাথরের ধুলো।
জগৎ সৃষ্টি হয়নি আকস্মিকতায়। জগৎ সৃষ্টি হয়েছে ভালোবাসার প্রবল আকর্ষণে। প্রেমই স্রষ্টাকে বলেছিল, “তুমি নিজেকে প্রকাশ করো। তোমার নিখুঁত সৌন্দর্য আর কাঁপনজাগানো করুণা যেনো রূপ লাভ করে।” তখন তিনি বলেননি কোনো শব্দ, উচ্চারণ করেননি কোনো নির্দেশÑ তিনি শুধু প্রেমের সাগরে নিজেকে ঢেলে দিলেন। আর সেই ঢেলে দেওয়া থেকেই জন্ম নিলো প্রথম আলো।
আলো আসার আগে, প্রেমই ছিল প্রথম সৃষ্টি। আলো প্রেমের ভাষা হতে চেয়েছিল, নক্ষত্রেরা প্রেমের চোখ, আর সময় হয়েছিল তার দিগন্ত। এক গভীর, অথচ নীরব বিস্ফোরণÑ যেখানে শব্দ ছিল না, ছিল কেবল এক মরমি সাড়া। সেই সাড়ায় জন্ম নিলো “কুন”Ñ স্রষ্টার সেই অনন্ত ইচ্ছা, যা এক মহাসৃষ্টির সূত্রপাত করেছিল।
আর সেই সৃষ্টিÑ মানব আত্মাÑ যার হৃদয়েই তিনি প্রেমের পূর্ণ রূপ রাখলেন। মানুষ হলো প্রেমের অভিপ্রায়, প্রেমের বাহক, প্রেমের অন্বেষণকারী।
এই অধ্যায়ে যখন আমরা ফিরে তাকাইÑ আলোকের পূর্বের সেই নিস্তব্ধতায়—তখন আমরা দেখতে পাই, প্রেম কোনো মানুষিক অনুভূতি নয়, এটি এক অস্তিত্বগত সত্য। প্রেম কোনো ঘটনা নয়, প্রেম হলো সত্তা। একমাত্র প্রেমই এমন কিছু, যা সৃষ্টি হওয়ার আগেও ছিল, থাকবে সৃষ্টির অন্তেও।
তাই যিনি সত্য প্রেম খোঁজেন, তিনি আলোর বাইরে যেতে শেখেন। তিনি শব্দের বাইরে ভাবেন। তিনি সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে যান। তিনি অনুভব করেন সেই প্রেমÑ যা একসময় নিজেরই প্রেমে পড়ে সৃষ্টি করেছিল আমাদের।
ফ্রিজে আটকে যাওয়া মা রাত আড়াইটায় ফ্রিজ খুললে মা বসে থাকে তাতে, চোখে টিফিন বক্সের মতো শীতল সংযম, হাত দিয়ে পাঁউরুটির পাশে ঠেলে দেয় বাবার ডায়াবেটিসের ওষুধ। "মা, তুমি এখানে?" —আমি বলি। মা উত্তর দেয় না। তাঁর ঠোঁট বরফের মতো জমে গেছে বহু বছর আগে— যেদিন রান্না করতে করতে হঠাৎ বলেছিল, "আজ আমি চুপ থাকব, একটু বেশি সময়ের জন্য।" তারপর কেটে গেছে ঈদ, জন্মদিন, ছেলের চাকরি, মেয়ের বিয়ে— সব কিছু,…
ফ্রিজে আটকে যাওয়া মা
রাত আড়াইটায় ফ্রিজ খুললে
মা বসে থাকে তাতে,
চোখে টিফিন বক্সের মতো শীতল সংযম,
হাত দিয়ে পাঁউরুটির পাশে ঠেলে দেয় বাবার ডায়াবেটিসের ওষুধ।
"মা, তুমি এখানে?"
—আমি বলি।
মা উত্তর দেয় না।
তাঁর ঠোঁট বরফের মতো
জমে গেছে বহু বছর আগে—
যেদিন রান্না করতে করতে হঠাৎ বলেছিল,
"আজ আমি চুপ থাকব, একটু বেশি সময়ের জন্য।"
তারপর কেটে গেছে ঈদ, জন্মদিন,
ছেলের চাকরি, মেয়ের বিয়ে—
সব কিছু,
আর ফ্রিজে জমেছে ব্যর্থ উৎসবের টুকরো স্মৃতি।
মায়ের শরীরটা এখন
ঘৃত কুমারীর বোতলের পাশে থাকে,
মাঝে মাঝে লাইট জ্বলে উঠলে বোঝা যায়,
সে এখনো হিমঘরে নিঃশব্দে খোঁজে—
আদর কী জিনিস ছিল!
আমার নাম্বার থেকে ঈশ্বরকে ডায়াল করি,
“এটি একটি ব্যস্ত সংযোগ। পরে চেষ্টা করুন।”
আমি অপেক্ষা করি।
ছাদে উঠে খোলা আকাশে ফোন ধরি,
তবু নেট নেই।
এক পাদ্রি বলেন:
—“ঈশ্বর এখন সার্ভারে নেই,
খুব সম্ভবত কোনো আপগ্রেডে আছেন,
আপনার প্রার্থনা কুইয়ুতে আটকে গেছে।”
অন্য ধর্মের এক ফকির বলে,
—“তুই ঠিক করে SIM ব্যবহার করো,
এই অপারেটরে ঈশ্বরের সাড়া নেই রে ভাই!”
তাহলে?
এই এত সিজদা, জপ, আজান, শ্লোক—
সব কি ভেসে যাচ্ছে
WiFi-এর বাইরে কোনো ব্ল্যাকহোলে?
শেষে এক শিশু বলে:
—“ঈশ্বর তো ওয়ার্ল্ড রোমিং চালু রাখেননি,
তাই আমাদের কান্না পৌঁছায় না।”
আমি ফোনটা ভেঙে ফেলি
আর এক চিলতে নীরবতায় বলি,
“হে ঈশ্বর, যদি থাকো—
তাহলে একটিবার প্লিজ, মিসড কল দাও।”
ঘরে কেউ নেই।
তবু আয়নায় ঝুলে আছে এক দড়ি,
নিমেষেই নিজেকে চেনা যায় না।
আয়নার আমি দাঁড়িয়ে বলি:
"আর কতোদিন মুখোশ পরে বাঁচবি?"
—আরেকটা আমি উত্তর দেয়:
“আজ তো গলায় দড়ি দিচ্ছি, একটু আরাম পাবো।”
ঘরটা থেমে যায়।
ঘড়ি বন্ধ।
দেয়াল হেঁটে যায় অন্য দিকে।
চায়ের কাপে বিষ নেই,
তবু ঠোঁট ছোঁয়ালেই
জীবনের মানে উবে যায়—
আত্মহত্যা শুধু শরীরে হয় না,
তা আগে হয় চিন্তায়,
পরে ছায়ায়,
শেষে আয়নায়—
সেখানে লাশটাও বেঁচে থাকে,
নির্বাক আর অভিমানী।
সে ছিল পৃথিবীর শেষ শিশু,
দুধের গন্ধ মিশে ছিল তার নিঃশ্বাসে।
কিন্তু সে যখন চিপসের প্যাকেট খুলে মুখে ঢালে—
বাষ্প ওঠে!
বাষ্প নয়, বরং ছিল
মাইক্রোপ্লাস্টিক আর কর্পোরেট হিংস্রতা।
একটি শিশুর মুখ কেবল হাসির জায়গা নয়,
এখন তা বিজ্ঞাপন বিলবোর্ড।
তাকে শেখানো হয়নি কবিতা,
শেখানো হয়নি রোদে খেলতে যাওয়া,
শুধু শেখানো হয়েছিল—
কোড, রিচার্জ, সাবস্ক্রিপশন, আর বিল।
যখন তার নিঃশ্বাস আটকে আসে,
তখনো মা ভাবেন—
এটা হয়তো গেমের অংশ,
একটা "ডেথ রাউন্ড"।
কিন্তু শিশুটি সত্যিই মরে যায়।
পরে রিপোর্টে লেখা হয়—
"কার্বন ফুটপ্রিন্ট ও চিনির অতিমাত্রায়
শিশুটি নিজেই মৃত্যুকে ইনহেল করেছে।"
এই মেঘরা আর বৃষ্টি আনে না,
তারা গর্ভবতী হয়—
আর প্রসব করে বজ্র, আগুন, বিষাক্ত বারুদ।
আকাশের জরায়ু এখন যুদ্ধক্ষেত্র,
সেখানে বুলেট ভাসে বৃষ্টির মতো।
এক গর্ভবতী মেঘ কাঁদে—
সে বলে, “আমি ছেলেকে বৃষ্টি বানাতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু সে হয়ে গেল টিয়ারগ্যাস।”
পাখিরা এখন ডিম পাড়ে না,
তারা জন্ম দেয় ড্রোন।
ফুলগুলো সৌরপ্যানেলে রূপ নেয়,
আর শিশুরা গান শেখে না—
শিখে বেঁচে থাকার কোড।
এই বিশ্ব এখন এক মায়ের গর্ভ—
যেখানে সন্তানেরা জন্ম নেয়
মৃত্যুকে উপহার দিতে।
ঘরে রাখা লাশটা আমারই,
তবু আমি বেঁচে আছি।
অথচ আমার হাত কাঁপে না
যখন কবিতার লাইনে লিখি:
"আমি ভালো আছি, বেঁচে আছি, মুক্ত।"
কিন্তু প্রতিটি শব্দ পড়ে গিয়ে সে লাশ—
চোখের কোণে জল রাখে।
আমি ভয় পাই,
কারণ মৃতরা যদি কাঁদতে শেখে,
তাহলে জীবিতরা আর কী নিয়ে গর্ব করবে?
একজন কবি তখন একা বসে
তার আত্মজীবনী পড়ে—
এক শবদেহের সামনে,
যার বুক চিরে এখনো বেরোয়
এক অসমাপ্ত পঙ্ক্তির গন্ধ।
চানখারপুলের ওষুধের দোকানে প্রেমিকার চোখের জল বিক্রি হয়” লিটন হোসাইন জিহাদ ১ চানখারপুলের গলির মোড়ে, একটা ছোট ওষুধের দোকান, নাম— “স্বপ্নফার্মা” কিন্তু এখানে ঘুমের ওষুধের চেয়ে বেশি বিক্রি হয় অতীতের স্মৃতি, প্রেমিকার শেষ এসএমএস, আর না বলা কথার স্যালাইন। প্রেমিক দাঁড়িয়ে থাকে, হাতে একটা ভাঁজ করা প্রেসক্রিপশন— লেখা আছে ডাক্তারি ভাষায়: “Patient suffers from: Loss of Touch, Chronic Absence, Sudden Ghosting, & Emotional Hemorrhage.” ওষুধের দোকানি চশমা পরা একজন বৃদ্ধ,…
চানখারপুলের ওষুধের দোকানে প্রেমিকার চোখের জল বিক্রি হয়”
লিটন হোসাইন জিহাদ
১
চানখারপুলের গলির মোড়ে,
একটা ছোট ওষুধের দোকান,
নাম— “স্বপ্নফার্মা”
কিন্তু এখানে ঘুমের ওষুধের চেয়ে বেশি বিক্রি হয়
অতীতের স্মৃতি, প্রেমিকার শেষ এসএমএস,
আর না বলা কথার স্যালাইন।
প্রেমিক দাঁড়িয়ে থাকে,
হাতে একটা ভাঁজ করা প্রেসক্রিপশন—
লেখা আছে ডাক্তারি ভাষায়:
“Patient suffers from:
Loss of Touch,
Chronic Absence,
Sudden Ghosting,
& Emotional Hemorrhage.”
ওষুধের দোকানি চশমা পরা একজন বৃদ্ধ,
যিনি হাসেন না,
শুধু বলেন—
“ভালোবাসা এখন স্টকে নেই,
তবে একটা চিঠি আছে,
ভিজে গেছে বৃষ্টিতে…
পড়বেন?”
২
চিঠির কাগজ গন্ধ নেয়,
চোখের জল শুকিয়ে গিয়ে দাগ হয়ে গেছে,
লেখা আছে—
“তুমি তো ছিলে আমার রাতের ঘুমের মতো,
কিন্তু এখন আমি ঘুমাতে পারি না,
তুমি ছাড়া।”
ওষুধের দোকানে ভিড় নেই,
তবে কষ্ট এসে বসে থাকে কাঁধে,
একটা দুঃখী কবিতা হেলাফেলায় পড়ে থাকে ডেস্কে,
নাম— “তোমাকে ভুলে যাওয়ার রেট ৩০০ টাকা”।
প্রেমিক পকেট থেকে একটি ছেঁড়া নোট বার করে,
জিজ্ঞেস করে—
“ভুলে যাওয়ার অর্ধেক ডোজ হবে?”
দোকানি মাথা নাড়ে—
“না, অর্ধেক ভালোবাসা যেমন অসম্ভব,
তেমনি অর্ধেক ভুলে যাওয়াও বিষক্রিয়া।”
৩
হঠাৎ দোকানে ঢুকে পড়ে এক নারী,
চোখে ঘুম নেই, ঠোঁটে বিষ,
বলল—
“ভালোবাসি বলেছিলো সে,
এখন নাকি শরীরটা ভালো রাখাই প্রেম।
দাও না একটা প্রেম-রোধক ইনজেকশন?”
দোকানি বলল—
“এই শহরে প্রেম রোধ নেই,
শুধু আছে সময়-রোধক ব্যথানাশক।
চলো, একটা কবিতা খাইয়ে দেই তোমায়।”
৪
চানখারপুলে সন্ধ্যার আলো কাঁপে,
একটা ল্যাম্পপোস্ট নিচে দাঁড়িয়ে
প্রেমিক খুঁজে ফেরে তার হারানো রোগের নাম—
"তুমি"
যে কোনো মেডিকেল বইতে নেই,
তবে কবিতার পাতায় আছে তার উপশম।
Published newsroom dispatches by alamgir.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: alamgir
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.
