PATHIKTV VERIFY / FACT-CHECK REPORT
আশুগঞ্জের নাম ‘জিয়াগঞ্জ’ করার বক্তব্য কি নাদিয়া পাঠানের? তাঁর নামে প্রচারিত দাবি ভুয়া।
যাচাইয়ের ফলাফল
মিথ্যা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার নাম পরিবর্তন করে ‘জিয়াগঞ্জ’ রাখার প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করবেন, এমন একটি বক্তব্য নাদিয়া পাঠানের নামে একটি ফটোকার্ডে দেখা যাচ্ছে। তবে পাঠকের সরবরাহ করা স্ক্রিনশটে ‘Nadia Pathan Papon’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই বক্তব্য অস্বীকার করা হয়েছে। দাবিটির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণও পাওয়া যায়নি। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হয়েছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন ও অবদানের স্মৃতি সংরক্ষণে আগামী সংসদ অধিবেশনে আশুগঞ্জ উপজেলার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব উত্থাপন করবেন নাদিয়া পাঠান। তাঁর ছবি ও নাম ব্যবহার করে বক্তব্যটি উপস্থাপন করা হলেও কার্ডে কোনো সংবাদমাধ্যমের পরিচয়, বক্তব্য দেওয়ার তারিখ, অনুষ্ঠান কিংবা মূল সূত্র উল্লেখ নেই।
Reliable evidence contradicts the central claim.
যে দাবি করা হয়েছিল
যাচাইয়ে যা পাওয়া গেছে
অনলাইন অনুসন্ধানেও আশুগঞ্জের নাম ‘জিয়াগঞ্জ’ করার বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের মূল ভিডিও, লিখিত বিবৃতি বা সংসদে প্রস্তাব উত্থাপনের নির্ভরযোগ্য নথি পাওয়া যায়নি। তবে অনুসন্ধানে প্রমাণ না পাওয়াকে এককভাবে দাবিটি মিথ্যা হওয়ার চূড়ান্ত প্রমাণ বলা যায় না।
একইভাবে, ফটোকার্ডে কারও ছবি ও নাম থাকলেই সেখানে লেখা বক্তব্য তাঁর বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না। বক্তব্যের সত্যতা নির্ধারণে মূল রেকর্ড, নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যাচাইকৃত বক্তব্য প্রয়োজন।
প্রেক্ষাপট ও সীমাবদ্ধতা
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
তাই ফটোকার্ডটির বক্তব্যকে নাদিয়া পাঠানের নিশ্চিত বক্তব্য হিসেবে প্রচার করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। মূল পোস্টের সত্যতা ও বক্তব্যের প্রাথমিক সূত্র যাচাই করা গেলে এই মূল্যায়ন আরও নির্দিষ্ট করা সম্ভব হবে।
যেভাবে যাচাই করেছি
প্রমাণ ও তথ্যসূত্র
আমি কোথাও এমন ধরনের বক্তব্য প্রদান করিনি।
আমি কোথাও এমন ধরনের বক্তব্য প্রদান করিনি। বাংলাদেশের দিকে তাকালেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান মানুষ মনে রাখে। আমার দেশের স্বাধীনতা,জাতীয় পতাকা, সার্বভৌমত্বে যার অবদান তাঁকে আমি কোনো অঞ্চলে কেন সীমাবদ্ধ রাখবো? স্থূল বুদ্ধিসম্পন্ন মাথামোটা লোকের কাজ হলো ভূয়া ফটো কার্ড ব্যবহার করে কাউকে অপদস্ত করার চেষ্টা করা।
তথ্যসূত্র দেখুন ↗
