POTHIKTV

মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করল জার্মান সংসদীয় প্রতিনিধিদল

বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিল্প সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করেছে জার্মান পার্লামেন্টের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করল জার্মান সংসদীয় প্রতিনিধিদল

Technology ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিল্প সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্য নিয়ে জার্মান পার্লামেন্টের একটি উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন (এমআইইজেড) পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল।

জার্মান পার্লামেন্টের সদস্য নিকলাস কাপের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন অন্য সদস্য গেরল্ড অটেন, ইয়োহান সাটহফ এবং উরসুলা শাওস। এ সময় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোৎসসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় মেঘনা গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জার্মান প্রতিনিধিদলকে এমআইইজেডের বিভিন্ন সুবিধা ও শিল্প পরিবেশ ঘুরিয়ে দেখান। একই সঙ্গে ইকোনমিক জোনে অবস্থিত জার্মানির মালিকানাধীন দুটি কারখানা—সিএইচটি বাংলাদেশ লিমিটেড এবং সিগওয়ার্ক বাংলাদেশ লিমিটেড পরিদর্শন করানো হয়।

মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোনের অধিকাংশ কারখানাতেই জার্মানির তৈরি মেশিনারি ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। দুই দেশের মধ্যে যে গভীর শিল্প ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে, এই উপস্থিতি তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইকোনমিক জোনে জার্মান শিল্প ও প্রযুক্তির শক্তিশালী উপস্থিতি দেখে নিজের সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিনিধিদলের নেতা নিকলাস কাপে। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিদর্শনের মাধ্যমে জার্মানি ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হয়। আগামী দিনে দুই দেশের এই যৌথ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদের মধ্যে এমজিআই চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল জানান, জার্মানি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। পাশাপাশি বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও উভয় দেশের অংশীদারত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অথেন্টিক সোর্স: প্রথম আলো
0
0 comments·0 shares