POTHIKTV

সিন্ডিকেট বিতর্ক! বাংলাদেশ ও নেপালের রিক্রুটিং এজেন্সি

বাংলাদেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার হলেও, প্রাথমিকভাবে মাত্র ২৫টি নির্দিষ্ট এজেন্সিকে FWCMS সিস্টেমে সরাসরি নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরো ৩১২ টি লাইসেন্স সংযুক্ত করা হলেও তাদের আইডি,পাসওয়ার্ড দিচ্ছেনা। অভিযোগ ওঠে যে, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ […]

সিন্ডিকেট বিতর্ক! বাংলাদেশ ও নেপালের রিক্রুটিং এজেন্সি

বাংলাদেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার হলেও, প্রাথমিকভাবে মাত্র ২৫টি নির্দিষ্ট এজেন্সিকে FWCMS সিস্টেমে সরাসরি নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরো ৩১২ টি লাইসেন্স সংযুক্ত করা হলেও তাদের আইডি,পাসওয়ার্ড দিচ্ছেনা।

অভিযোগ ওঠে যে, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালীদের যোগসাজশে একটি “সিন্ডিকেট” তৈরি করে অন্য সব লাইসেন্সকে বাজার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এই সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া যেতে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা দিতে হতো এবং এখনো দিতে হবে। মানবাধিকার কর্মীরা এই পদ্ধতিকে এক ধরণের মানব পাচার ও অর্থ উপার্জনের ফাঁদ হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা করছেন।

পাহাং রাজ্যের সুলতানের ভাই তেংকু আব্দুল রহমান ২০২৩ সালে বেস্টিনেটের চেয়ারম্যান হিসেবে বোর্ডে আসেন, যা কোম্পানিটিকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থান দেয়।
অস্বচ্ছ মালিকানা: করপোরেট তথ্য অনুযায়ী, বেস্টিনেটের সিংহভাগ (প্রায় ৯৩.৪৬%) শেয়ার “বেস্টিনেট হোল্ডিংস লিমিটেড” নামক একটি অফশোর কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই মূল কোম্পানির আসল মালিক বা সুবিধাভোগী কে, তা জনসমক্ষে প্রকাশ না করায় স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দেয়।
প্রকৃতপক্ষে দাতু আমিন এবং রুহুল আমিন স্বপনের মাষ্টারমাইন্ডে পরিচালিত হচ্ছৈ FWCMS.
তাদের ব্যাবসায়িক সুবিধার জন্য দাতু আমিন রাজ পরিবারের সদস্য তেংকু আব্ধুল রহমান সুলতান আহমেদ শাহ এবং দাতুক ইসমাইল মোহাম্মদ নূরকে তাদের ব্যাবসায়িক অংশীদার হিসাবে নিয়োগ করেছেন।

উল্লেখ্য যে,এই সিন্ডিকেট বর্তমানে জনপ্রতি অতিরিক্ত ৫৫০০ রিংগিত (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১,৭০,০০০ টাকা) আত্মসাত করার পরিকল্পনায় ব্যাস্ত।

0
0 comments·1 share

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের উল্লেখযোগ্য সংবাদ

Community →