ফিচার ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
সুদানে বেসামরিক জনগণ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও বেশি সংকটময় হয়ে উঠেছে। বেসামরিক মানুষ এখন এমন একটি প্রাণঘাতী ক্ষমতার লড়াইয়ের মাঝখানে আটকা পড়েছেন, যা তৈরি হয়েছে দুই প্রাক্তন সামরিক মিত্রের মধ্যকার তীব্র বৈরী সম্পর্কের ফলে।
ন্যাসরিন মালিকের পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, কীভাবে দেশের আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান বা একসময়ের ‘আউটসাইডার’ সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করে পুরো দেশকে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। পূর্বের মিত্রতা কীভাবে রাতারাতি শত্রুতা ও সংঘাতের দিকে মোড় নেয়, তা সুদানের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সুদানের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে একটি স্থায়ী বেসামরিক সরকারের জন্য আন্দোলন করে আসছিলেন। কিন্তু সশস্ত্র দুই গ্রুপের প্রধানদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশের স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি বিনষ্ট করেছে। ফলে দুই সশস্ত্র বাহিনীর মুখোমুখি অবস্থান পুরো দেশকে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আধাসামরিক বাহিনীর এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সংঘাত সুদানের রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। দুই ক্ষমতাধর নেতার মধ্যে গড়ে ওঠা এই চরম বৈরিতা ও সামরিক সংঘাত দেশের বেসামরিক নাগরিকদের জীবনকে পুরোপুরি বিপন্ন ও বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
সূত্র: The Guardian – The Long Read

