শহর আমাদের বেঁচে থাকতে শেখায়, কিন্তু কখনো কখনো বেঁচে থাকার অনুভূতিটাই কেড়ে নেয়। প্রতিদিন একই ঘড়ির কাঁটা, একই রাস্তা, একই কংক্রিটের দেয়াল, একই ব্যস্ত মুখের ভিড়। চারদিকে এত মানুষ, অথচ মানুষের জন্য মানুষের সময় ক্রমশ কমে আসে। জীবনটা আজকাল ফরমালিনে ডুবিয়ে রাখা কোনো ফলের মতো হয়ে গেছে, দেখতে সতেজ, ভেতরে স্বাদহীন। এমন এক যান্ত্রিক জীবন […]

শহর আমাদের বেঁচে থাকতে শেখায়, কিন্তু কখনো কখনো বেঁচে থাকার অনুভূতিটাই কেড়ে নেয়। প্রতিদিন একই ঘড়ির কাঁটা, একই রাস্তা, একই কংক্রিটের দেয়াল, একই ব্যস্ত মুখের ভিড়। চারদিকে এত মানুষ, অথচ মানুষের জন্য মানুষের সময় ক্রমশ কমে আসে। জীবনটা আজকাল ফরমালিনে ডুবিয়ে রাখা কোনো ফলের মতো হয়ে গেছে, দেখতে সতেজ, ভেতরে স্বাদহীন।
এমন এক যান্ত্রিক জীবন থেকে হঠাৎ একদিন মুক্তির ডাক এল তিতাসের কাছ থেকে। কবি শাহ মোহাম্মদ সানাউল হকের আন্তরিক আমন্ত্রণে সেই ডাকেই সাড়া দিলাম। মনে হলো, বহুদিন পর কেউ শহরের বদ্ধ জানালাটা খুলে দিয়ে বললেন, চলো, আজ কিছুক্ষণ নদীর কাছে বসি; দেখি জল এখনো মানুষের ক্লান্তি বুঝতে পারে কি না।
