খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে কালকিনী থেকে ঢাকায় ১১০ বছরের মৌলভী আব্দুর রশিদ

1 min read 1 words 73 views

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে মাদারীপুরের কালকিনী থেকে এসেছেন ১১০ বছরের বৃদ্ধ। তার নাম মৌলভী আব্দুর রশিদ।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার সড়কে তার দেখা মিলেছে।

মৌলভী আব্দুর রশিদ বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের ভক্ত ছিলাম। তার দেশপ্রেমে আমি মুগ্ধ হতাম। জিয়ার মৃত্যুর পর তার জানাজায়ও অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখনও লাখ লাখ মানুষ হয়েছিল। জিয়ার মৃত্যুর পর তার দেশপ্রেম দেখেছি খালেদা জিয়ার মধ্যে। তিনি কখনও নৈতিকতাকে বিসর্জন দেননি।

নিজের বয়স ১১০ বছর উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া হাজারও জেল-জুলুম অত্যাচারের শিকার হয়েও কখনও আপস করেননি। তার মতো নেত্রী বাংলাদেশের মাটিতে আর জন্ম নেবে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশ খাঁটি একজন দেশপ্রেমিক হারালো। খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারলে আফসোস থেকে যেত। তাই এই শরীর নিয়েও চলে এসেছি।

উল্লেখ্য, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বেলা ৩টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বুধবার বেলা ৩টা বেজে ৩ মিনিটে খালেদা জিয়ার জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক খালেদা জিয়ার জানাজা পড়ান।

জানাজাকে কেন্দ্র করে বেলা ৩টা পর্যন্ত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের আশপাশ, বিজয় সরণি, খামার বাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে।

Related Articles

হাইনান এক্সপো ২০২৬ থেকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: বৈশ্বিক বাণিজ্য ও উদ্ভাবনের প্রবেশদ্বার

1 min read 34 words 622 views ষষ্ঠ চীন আন্তর্জাতিক ভোগ্যপণ্য মেলা (হাইনান এক্সপো ২০২৬) আমি মোঃ জাহিদ হাসান নিরব চীন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সানিয়া ইনস্টিটিউটের)…

পুর্নজন্ম কি বৈজ্ঞানিক ভাবে সম্ভব? — একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রবন্ধ

1 min read 153 words 4.7K views মানব ইতিহাস জুড়ে মানুষের মৃত্যু ও মৃত্যুর পর কী হয়—এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য বহু ধর্ম, দর্শন ও…

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শোক ও সমবেদনা প্রকাশ

1 min read 0 words 829 views সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন…

Responses