সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া নজরুলের বাড়িতে সিরাজুল ইসলাম, মরদেহ দেশে ফেরাতে সহযোগিতার আশ্বাস
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নজরুল ইসলাম আবদুল বশিরের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে নজরুল […]

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নজরুল ইসলাম আবদুল বশিরের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে নজরুল ইসলামের বাড়িতে যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা জানান।
সাক্ষাৎকালে সিরাজুল ইসলাম বলেন, জীবিকার তাগিদে প্রবাসে যাওয়া একজন বাংলাদেশির এমন পরিণতি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ কঠিন সময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে একা ফেলে রাখা যাবে না। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা মানবিক দায়িত্ব।
তিনি আরও জানান, নজরুল ইসলামের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।
জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও পরিবারটিকে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করা হবে। বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতার পরিচয়। দল-মত নির্বিশেষে অসহায় মানুষের পাশে থাকা সবার দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর দেশে পৌঁছানোর পর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। বর্তমানে তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করাই স্বজনদের প্রধান প্রত্যাশা।
