জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
प्रतिष्ठा बन रही है
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরি করে সরকারি কাগজপত্রে নামজারি করিয়ে জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থাপনা সিলগালার দাবি জানিয়ে জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কুমারশীল মোড়ের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম আজাদ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে শুনানির পর কুমারশীল মোড়ের আলী ফার্মেসীর দেয়ালসংলগ্ন জায়গার জাল দলিলের ভিত্তিতে করা নামজারি…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরি করে সরকারি কাগজপত্রে নামজারি করিয়ে জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থাপনা সিলগালার দাবি জানিয়ে জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কুমারশীল মোড়ের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম আজাদ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে শুনানির পর কুমারশীল মোড়ের আলী ফার্মেসীর দেয়ালসংলগ্ন জায়গার জাল দলিলের ভিত্তিতে করা নামজারি বাতিলের আদেশ দেন এসিল্যান্ড। সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সহযোগিতায় জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
তবে নামজারি বাতিল হওয়ার পরও অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. তৌহিদুজ্জামান ওই জায়গায় “মাস্টার ক্যাফে” নামে একটি রেস্টুরেন্ট খুলে ব্যবসা শুরু করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আবুল কালাম আজাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির হোটেল-রেস্তোরাঁ নিবন্ধন, পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট কিংবা পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্রসহ কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র নেই। তাই ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সামনের এই অবৈধ রেস্টুরেন্টটি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবিলম্বে সিলগালা করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “এই জায়গাটি আমার বাবা হেবা দলিল করে আমাদের দিয়ে গেছেন। যে দলিলটি বাতিল করা হয়েছে, সেটি নকল দলিল বানিয়ে আমাকে ফাঁসানোর জন্য করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি ইতিমধ্যেই আইনি আবেদন করেছি এবং এ জায়গা নিয়ে আদালতে দুটি মামলা চলমান আছে।

ভাবুন তো, এমন একটি ব্যাটারি যেটি কোনোদিন চার্জ দিতে হবে না! এখানে পাওয়ার ব্যাংক বা কয়েকদিন চার্জ না দিয়েও চলা ব্যাটারির কথা কিন্তু বলা হচ্ছে না। এটি এমন কিছু যা টানা ৫,৭০০ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বিজ্ঞানীরা সত্যিই তৈরি করছেন এমন এক ডায়মন্ড ব্যাটারি, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে কার্বন-১৪। সায়েন্স ও প্রযুক্তি ভিত্তিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম উনিয়োঁ রায়ো জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ার স্টার্টআপ এনডিবি ইনকর্পোরেটেডের সাথে যৌথভাবে ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির…
ভাবুন তো, এমন একটি ব্যাটারি যেটি কোনোদিন চার্জ দিতে হবে না! এখানে পাওয়ার ব্যাংক বা কয়েকদিন চার্জ না দিয়েও চলা ব্যাটারির কথা কিন্তু বলা হচ্ছে না। এটি এমন কিছু যা টানা ৫,৭০০ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম।
শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বিজ্ঞানীরা সত্যিই তৈরি করছেন এমন এক ডায়মন্ড ব্যাটারি, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে কার্বন-১৪।
সায়েন্স ও প্রযুক্তি ভিত্তিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম উনিয়োঁ রায়ো জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ার স্টার্টআপ এনডিবি ইনকর্পোরেটেডের সাথে যৌথভাবে ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা প্রকল্পটি শুরু করেছেন।
ধারণাটি সহজ মনে হলেও আসলে এটি বড় এক উদ্ভাবন। এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে পারমাণবিক বর্জ্য, যেটিকে ল্যাবে তৈরি কৃত্রিম হীরার ভেতরে রাখা হয়। এর ফলে তৈরি হয় এমন এক শক্তির উৎস, যা নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং প্রায় চিরদিন চলতে সক্ষম।
এই উদ্ভাবনের মূল রহস্য হলো কার্বন-১৪। এটি একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ, যা নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের গ্রাফাইট ব্লকে থাকে। এটি প্রতি সময় ক্রমাগত শক্তি উৎপাদন করে এবং এর অর্ধেক- জীবন প্রায় ৫,৭৩০ বছর। যখন এটিকে কৃত্রিম হীরার মধ্যে রাখা হয়, তখন হীরা কাজ করে শিল্ড হিসেবে এবং একই সঙ্গে রেডিয়েশনকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার যন্ত্র হিসেবে।
এ ধরনের ব্যাটারির ব্যবহার সবচেয়ে কাজে আসবে মহাকাশ অনুসন্ধানে। সূর্যের কাছাকাছি না হলে সোলার প্যানেল ভালো কাজ করে না, আর এখনকার জেনারেটরগুলো প্লুটোনিয়াম-২৩৮-এর ওপর নির্ভরশীল, যা খুবই কম পাওয়া যায়।
ডায়মন্ড ব্যাটারি ব্যবহার করলে একটি যন্ত্র শত বছর ধরে চলতে পারবে, কখনো বন্ধ হওয়ার ভয় ছাড়াই। এটি দূরের মহাকাশযান পাঠানো বা দীর্ঘ দূরত্ব থাকা গ্রহে অভিযানের সুযোগ তৈরিতে সাহায্য করতে পারে। এই কারণেই নাসা এই আবিষ্কারে দিক মনোযোগ দিচ্ছে। কারণ এটি তাদের ভবিষ্যতের মিশনের জন্য নতুন শক্তির উৎস খুঁজে পাওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এই ব্যাটারি শুধুই মহাকাশে নয়, পৃথিবীতেও এর অনেক ব্যবহার হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ চিকিৎসার ক্ষেত্রে, পেসমেকারে এমন ব্যাটারি থাকলে তা রোগীর পুরো জীবন চলতে পারে। কয়েক বছর পরপর সার্জারির মাধ্যমে বদলানোর দরকার হবে না। দূরবর্তী বা বিপজ্জনক স্থানে সেন্সর কিংবা হাসপাতালে জেনারেটরের জন্য বা যেখানে সম্পদ কম বা প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়, সেখানে এই ব্যাটারি অবিরাম কাজ করতে পারবে।
এছাড়া, এনডিবি জানায় ভবিষ্যতে এই ব্যাটারি ফোন বা ল্যাপটপেও চালাতে পারে।
তবে বড় পরিসরে কৃত্রিম হীরা তৈরি এখনো ব্যয়বহুল, আর তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহার কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীনে। সঙ্গে মানুষকে বোঝানোও একটি সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। কারণ কেউ চাইবে না নিউক্লিয়ার ব্যাটারি নিজের পকেটে বহন করতে। তবে বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেন, এটি যে রেডিয়েশন ছাড়ে তা মানবদেহের চেয়ে কম, তাই এটি নিরাপদ।
সম্ভাবনা বিশাল হলেও এই প্রযুক্তি অতি শীঘ্রই জনপ্রিয় হচ্ছে না। অন্তত এক দশক সময় লাগবে এই ব্যাটারি সাধারণ ব্যবহারে আসতে।
যদি প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে ওঠা যায় এবং ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করা যায়, তবে এই ডায়মন্ড ব্যাটারি হতে পারে এমন একটি উদ্ভাবন, যা আমাদের শতাব্দীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হয়ে উঠবে যা বর্জ্যকে রূপান্তর করবে চিরস্থায়ী শক্তিতে।
লিটন হোসাইন জিহাদ: ইন্টারনেটে এক সময় মানুষ পড়ার জন্য তথ্য খুজতো। পরে সবাই লেখা ও মত প্রকাশের সুযোগ পায়, ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়। এখন যে নতুন ধাপের কথা বলা হচ্ছে, তাকে ওয়েব ৩.০ বলা হয়। এটি এমন এক ইন্টারনেট যেখানে ব্যবহারকারী শুধু পাঠক বা লেখক নয়, নিজের তথ্যের প্রকৃত মালিকও হয়ে ওঠবে। ওয়েব ৩.০ তে তথ্য আর কোনো একক কোম্পানির সার্ভারে থাকবে না। বরং ব্লকচেইন নামের প্রযুক্তিতে…
লিটন হোসাইন জিহাদ: ইন্টারনেটে এক সময় মানুষ পড়ার জন্য তথ্য খুজতো। পরে সবাই লেখা ও মত প্রকাশের সুযোগ পায়, ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়। এখন যে নতুন ধাপের কথা বলা হচ্ছে, তাকে ওয়েব ৩.০ বলা হয়। এটি এমন এক ইন্টারনেট যেখানে ব্যবহারকারী শুধু পাঠক বা লেখক নয়, নিজের তথ্যের প্রকৃত মালিকও হয়ে ওঠবে। ওয়েব ৩.০ তে তথ্য আর কোনো একক কোম্পানির সার্ভারে থাকবে না। বরং ব্লকচেইন নামের প্রযুক্তিতে হাজার হাজার কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকবে। ব্লকচেইনকে কল্পনা করুন বড় একটি খাতার মতো যেখানে সবার লেনদেন বা তথ্য একবার লিখলে মুছে ফেলা বা বদলানো যাবে না, আর সেই খাতার কপি অনেকের হাতে থাকবে। ফলে কারও পক্ষে এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশের মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনীতির জন্য এই নতুন ধাপের গুরুত্ব বিশেষভাবে বেশি।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করছে, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করছে এবং ফ্রিল্যান্স কাজ করছে। কিন্তু এই সব কার্যক্রমের কেন্দ্রে থাকে কিছু বড় কোম্পানি। তারা আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে, বিজ্ঞাপন বিক্রি করে এবং মূল নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে। ওয়েব ৩.০ এই পরিস্থিতি বদলে দেয়। এখানে তথ্য এক জায়গায় জমা থাকে না, বরং ব্লকচেইন নামের প্রযুক্তিতে অনেকগুলো কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকে। এতে করে কোনো একক প্রতিষ্ঠান তথ্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
ব্লকচেইনকে অনেকটা পাবলিক খাতার মতো ভাবা যায়। ধরুন, গ্রামে ধান বিক্রির জন্য একটি খাতা আছে যেখানে সবার লেনদেন সবার সামনে লেখা হচ্ছে। কেউ চাইলে সেই খাতার কোনো পাতা বদলে দিতে পারবে না, কারণ সব পৃষ্ঠার নকল অনেকের হাতে রয়েছে। ওয়েব ৩.০ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। ফলে লেনদেনের তথ্য স্বচ্ছ ও নিরাপদ থাকে।
ধান বা সবজি বিদেশে রপ্তানির সময় অনেক সময় গুণগত মান বা উৎস নিয়ে সন্দেহ থাকে। ব্লকচেইনভিত্তিক নথিতে প্রতিটি ধাপের তথ্য লেখা থাকবে—কোন মাঠ থেকে ধান এসেছে, কখন সংরক্ষণ করা হয়েছে, কোন পথে রপ্তানি হয়েছে। এতে বিদেশি ক্রেতা সহজে যাচাই করতে পারবে এবং কৃষকও ন্যায্য দাম পাবে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারে টাকা পাঠাতে ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের উপর নির্ভর করেন। এতে খরচ বেশি হয় এবং সময় লাগে। ব্লকচেইনের মাধ্যমে তৈরি করা নতুন আর্থিক সেবাগুলো অনেক কম খরচে ও দ্রুত এই টাকা পৌঁছে দিতে পারে।
অনেক সময় চাকরির জন্য জমা দেওয়া সার্টিফিকেটের সত্যতা যাচাই করতে সময় লাগে। যদি সব সার্টিফিকেট ব্লকচেইনে সংরক্ষণ করা হয় তবে নিয়োগকর্তা সহজে সঠিকতা যাচাই করতে পারবে এবং জাল সনদ ব্যবহার করা কঠিন হবে।
ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে কাজের বাজারে যারা আছেন, তারা বিকেন্দ্রীকৃত অ্যাপ তৈরি করে বা ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। যেমন একজন শিল্পী নিজের আঁকা ছবির ডিজিটাল সংস্করণ ওয়েব ৩.০ মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করতে পারে এবং বিক্রির পরও মালিকানা সংরক্ষণ করতে পারে।
বাংলাদেশে এখনো ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধ নয়। ব্লকচেইনভিত্তিক অনেক সেবার জন্য এই মুদ্রার প্রয়োজন হতে পারে। তাই সঠিক আইন ও নীতিমালা তৈরি করা দরকার।
প্রযুক্তিগত দিক থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই ধরনের নতুন অ্যাপ তৈরি ও পরিচালনার জন্য বিশেষজ্ঞ লোকের প্রয়োজন, যা এখনো কম।
অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও আছে। গ্রামে বা প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেটের গতি সব সময় স্থির নয়, অথচ ওয়েব ৩.০ তে দ্রুত ও স্থিতিশীল সংযোগ দরকার।
প্রথমে সরকারি পর্যায়ে এই প্রযুক্তিকে বোঝার জন্য গবেষণা ও পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু করা উচিত। যেমন কৃষিপণ্যের রপ্তানি বা সরকারি নথি সংরক্ষণে ব্লকচেইন ব্যবহার করে দেখা যেতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ব্লকচেইন ও ওয়েব ৩.০ নিয়ে কোর্স চালু করতে হবে, যাতে তরুণরা এই নতুন দক্ষতা শিখতে পারে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সচেতনতা। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে যে ওয়েব ৩.০ কেবল জটিল প্রযুক্তি নয়, বরং তাদের নিজের তথ্য ও লেনদেনের নিরাপত্তা বাড়ানোর একটি উপায়।
ওয়েব ৩.০ বাংলাদেশে অর্থনীতি ও প্রযুক্তির নতুন দরজা খুলে দিতে পারে। কৃষক থেকে শুরু করে প্রবাসী শ্রমিক, তরুণ উদ্যোক্তা থেকে শিল্পী—প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষের জীবনকে সহজ ও স্বচ্ছ করতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন শক্ত নীতিমালা, দক্ষ জনবল এবং সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি। সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিলে বাংলাদেশ এই নতুন ইন্টারনেট যুগের সুবিধা গ্রহণে অগ্রণী ভূমিকা নিতে পারবে।
জাহিদুল ইসলাম জিহাদ: বিশ্বের সেরা র্যাঙ্কিং ইউনিভার্সিটির মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ (BUFS)–এর ডিন প্রফেসর সুন-হি কওন এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ডিএমআরসি কলেজ পরিদর্শন করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস দেখে অভিভূত হয়ে উচ্চশিক্ষা প্রসারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ সফরেই প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তি (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে ডিএমআরসি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সামসুল হক খান…
জাহিদুল ইসলাম জিহাদ: বিশ্বের সেরা র্যাঙ্কিং ইউনিভার্সিটির মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ (BUFS)–এর ডিন প্রফেসর সুন-হি কওন এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ডিএমআরসি কলেজ পরিদর্শন করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস দেখে অভিভূত হয়ে উচ্চশিক্ষা প্রসারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এ সফরেই প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তি (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে ডিএমআরসি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা এবং BUFS-এর ডিন প্রফেসর সুন-হি কওন এর নেতৃত্বে বিশেষ প্রতিনিধি দলের সদস্য বুসান ইউনিভার্সিটি ফরেন স্টাডিজ এর ডিরেক্টর ড. ডং,ডক্টর প্রফেসর মোসেন চো এর মধ্যে। চুক্তির আওতায় এই উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রার্থীরাও CSE, AI ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশে কোরিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর–এ উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও ডিএমআরসি কলেজের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব বাহালুল হক চৌধুরী, ডিএম আরসি কলেজের অন্যতম উপদেষ্টা জনাব কফিল উদ্দিন। উক্ত প্রতিনিধি দলের পরিদর্শনে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি ও গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান,সাবেক অতিরিক্ত সচিব জনাব আব্দুল মান্নান,আরো অনলাইনে যুক্ত ছিলেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো.সেলিম ভূঁইয়া। সকলেই দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রসারে দ্রুত চূড়ান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তবে অতি স্বল্প সময়ের মধ্যেই বুসান ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ এর প্রেসিডেন্টে এর সাথে সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও ডিএমআরসি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড.মাহবুবুর রহমান মোল্লা স্যারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল, দক্ষিণ কোরিয়া সফর করে চূড়ান্ত সমঝোতা স্বাক্ষর করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ও উপস্থিত ছিলেন।
উৎসবমুখর পরিবেশ বিদেশি অতিথিদের আগমনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে। হাজারো শিক্ষার্থী ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রদান করে। কোরিয়ান প্রতিনিধি দল প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ, শিক্ষার মান ও কার্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সংযোগের নতুন মাইলফলক হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের পথ উন্মুক্ত করবে।
ঢাকার ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের দোদিঘাটা এলাকায় অদ্ভুত এক দৃশ্য নজরে এসেছে। কৃষি জমিতে একটি গাভীর দুধ পান করেছে দুধরাজ সাপ। সোমবার দুপুরে ঘটা এ ঘটনাটি দেখতে জমায়েত হয় স্থানীয় মানুষজন। স্থানীয়রা জানান, গৌরাঙ্গ দাসের গাভীটি তখন মাঠে ঘাস খাচ্ছিল এবং ঘুমিয়ে পড়েছিল। এ সময় জঙ্গলের ভেতর থেকে একটি দুধরাজ সাপ বের হয়ে গাভীটির দুধ খেতে শুরু করে। উৎসুক জনতা দূর থেকে ঘটনাটি লক্ষ্য করে এবং মোবাইলে ভিডিও করেও ধরে রাখে।…
ঢাকার ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের দোদিঘাটা এলাকায় অদ্ভুত এক দৃশ্য নজরে এসেছে। কৃষি জমিতে একটি গাভীর দুধ পান করেছে দুধরাজ সাপ। সোমবার দুপুরে ঘটা এ ঘটনাটি দেখতে জমায়েত হয় স্থানীয় মানুষজন।
স্থানীয়রা জানান, গৌরাঙ্গ দাসের গাভীটি তখন মাঠে ঘাস খাচ্ছিল এবং ঘুমিয়ে পড়েছিল। এ সময় জঙ্গলের ভেতর থেকে একটি দুধরাজ সাপ বের হয়ে গাভীটির দুধ খেতে শুরু করে। উৎসুক জনতা দূর থেকে ঘটনাটি লক্ষ্য করে এবং মোবাইলে ভিডিও করেও ধরে রাখে।
ঘটনার খবর পেয়ে গাভীর মালিক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকার কবিরাজ জয়ন্ত শীলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কবিরাজ গাভীটির গলায় চামড়া ও লাল-নীল সুতা পরিয়ে এবং গোশালার ভেতরে মন্ত্র পড়া পানি ছিটিয়ে দেন।
কবিরাজ জিতু শীল বলেন, ‘এরূপ বহু গাভীর সাপে দুধপান করা আমি বন্ধ করে দিয়েছি। আশা করি এই গাভির দুধ আর পান করবে না কোনো সাপ। সাপের দুধ পান বন্ধ করার জন্য যা যা করা দরকার তা আমি সবকিছুই করে দিয়েছি।
গাভীর মালিক গৌরাঙ্গ শীল জানিয়েছেন, ‘আমি সরল বিশ্বাসে গাভীটিকে মাঠে ছেড়ে দিয়েছিলাম। দুধরাজ সাপের দুধপানের ঘটনা খুবই দুশ্চিন্তার। তাই দ্রুত কবিরাজের কাছে যাই।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মনিয়ন্দ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মনিয়ন্দ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, অরক্ষিত রেলক্রসিং পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।…
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মনিয়ন্দ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মনিয়ন্দ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, অরক্ষিত রেলক্রসিং পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
লিটন হোসাইন জিহাদ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের যে ঢেউ আজ স্পষ্ট, তা আর কেবল সাময়িক উত্তালতা নয়; এটি গভীর সামাজিক রূপান্তরের বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিন ধরে এই দেশের রাজনীতি দুই-তিনটি বড় দলের ক্ষমতাকেন্দ্রিক দ্বন্দ্বে আটকে থেকেছে। ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা, পরিবারতন্ত্র, ক্ষমতার উত্তরাধিকার, দুর্নীতি ও জবাবদিহির ঘাটতি সাধারণ নাগরিকের আস্থাকে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার ও নীতিনির্ধারণের প্রক্রিয়া যখন কেবল রাজনৈতিক নাটকীয়তার অংশ হয়ে ওঠে, তখন ক্ষোভ ও হতাশা ধীরে ধীরে মূর্ত রূপ নেয়। এই…
লিটন হোসাইন জিহাদ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের যে ঢেউ আজ স্পষ্ট, তা আর কেবল সাময়িক উত্তালতা নয়; এটি গভীর সামাজিক রূপান্তরের বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিন ধরে এই দেশের রাজনীতি দুই-তিনটি বড় দলের ক্ষমতাকেন্দ্রিক দ্বন্দ্বে আটকে থেকেছে। ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা, পরিবারতন্ত্র, ক্ষমতার উত্তরাধিকার, দুর্নীতি ও জবাবদিহির ঘাটতি সাধারণ নাগরিকের আস্থাকে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার ও নীতিনির্ধারণের প্রক্রিয়া যখন কেবল রাজনৈতিক নাটকীয়তার অংশ হয়ে ওঠে, তখন ক্ষোভ ও হতাশা ধীরে ধীরে মূর্ত রূপ নেয়। এই ক্ষোভই এখন পরিবর্তনের অনিবার্য ঢেউয়ে রূপান্তরিত হয়েছে, যা প্রথাগত রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ করছে।
এই রূপান্তরের পেছনে যে শক্তি সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান, তা হলো নতুন প্রজন্ম—প্রযুক্তিনির্ভর জেন জেড। তারা বেড়ে উঠেছে এক ভিন্ন বাস্তবতায়: ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে। তাদের কাছে রাজনীতি আর অন্ধ আনুগত্যের বিষয় নয়; এটি একধরনের দায়িত্ববোধ, যেখানে যুক্তি, স্বচ্ছতা, মানবিকতা ও বৈশ্বিক মূল্যবোধের সমন্বয় অপরিহার্য। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সংকট, লিঙ্গসমতা, মানবাধিকার, সুশাসন—এসব প্রসঙ্গ তাদের রাজনৈতিক চেতনায় প্রতিনিয়ত স্থান করে নিচ্ছে। তাই তারা কেবল নিজেদের দেশ নয়, পৃথিবীর বৃহত্তর পরিসরের নাগরিক হিসেবে নিজেদের দেখতে অভ্যস্ত।
তাদের রাজনৈতিক আচরণও পূর্ববর্তী প্রজন্মের থেকে ভিন্ন। পুরনো ধাঁচের দলীয় ক্ষমতার লড়াই, ব্যক্তিপূজা কিংবা আবেগনির্ভর স্লোগান তাদের আর টানে না। তারা খুঁজে ফেরে নীতি ও ফলাফলের স্পষ্টতা। এই প্রজন্মে যে সামাজিক মাধ্যমের সক্রিয়তা রয়েছে, তা একদিকে দ্রুত জনমত গঠনের হাতিয়ার, অন্যদিকে রাজনীতিকদের জন্য দায়মুক্তির পরিসর ক্রমশ সঙ্কুচিত হওয়ার সতর্কবার্তা। কোনো অন্যায়, কোনো বৈষম্য বা দুর্নীতির খবর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশজুড়ে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং তৈরি করতে পারে তীব্র চাপ। এই নতুন বাস্তবতায় নেতাদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আর কেবল নৈতিক দায় নয়, রাজনৈতিক বেঁচে থাকার পূর্বশর্ত হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও এই পরিবর্তনের আভাস বহন করছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে শুরু করে নাগরিক আন্দোলন, শ্রম অধিকার থেকে জলবায়ু ন্যায্যতা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তরুণদের উপস্থিতি আর কেবল সমর্থকের ভূমিকায় সীমাবদ্ধ নয়, তারা নিজেই আন্দোলনের রূপকার। তারা রাজনীতিকে ক্ষমতার খেলা নয়, সেবামূলক ও নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্বের ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে চায়। ফলে দলগুলো ধীরে ধীরে নিজেদের কৌশল বদলাতে বাধ্য হচ্ছে, যদিও এই পরিবর্তন সবক্ষেত্রে সমান গতিতে ঘটছে না।
তবে এই স্রোত কোনো বাধাহীন যাত্রা নয়। অর্থনৈতিক বৈষম্য, বেকারত্ব, ডিজিটাল বিভাজন, এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়ন নতুন প্রজন্মকে হতাশ করতে পারে। অনলাইনে মিথ্যা তথ্যের প্রসারও একটি বড় ঝুঁকি, যা প্রকৃত আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম। তবুও তারা শিখে ফেলেছে বিকল্প পথ খুঁজে নেওয়ার কৌশল; নতুন প্ল্যাটফর্ম, নতুন আঙ্গিক ও সৃজনশীল প্রতিবাদ তাদের শক্তি হয়ে উঠছে।
ফলে আজ যে সতর্কবাণী শোনা যাচ্ছে—“হয় নিজেকে বদলান, নয়তো জনগণই আপনাদের বদলিয়ে দিবে”—তা কেবল আবেগের চিৎকার নয়, সময়ের স্বতঃসিদ্ধ বাস্তবতা। বাংলাদেশের তরুণরা আর ‘ভবিষ্যৎ’ নয়; তারা বর্তমানের চালিকাশক্তি। রাজনীতির মূল চরিত্র, নেতৃত্বের ধরন ও নীতি এখন তাদের চোখের সামনে পুনর্লিখিত হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার পথ না নেয়, যদি জনগণের প্রকৃত প্রত্যাশাকে অবহেলা করে, তবে জনগণই বিকল্প তৈরি করবে।
বাংলাদেশ আজ যে সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, সেখানে এই পরিবর্তনের ঢেউ কেবল সরকার বা দলের পালাবদল নয়; এটি রাজনীতির দর্শন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি এবং ক্ষমতার চর্চার গভীরে এক মৌলিক রূপান্তরের সূচনা। নতুন প্রজন্মের মানসিকতা, তাদের নৈতিক ও প্রযুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি—সবকিছু মিলে এই পরিবর্তনকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে। যে নেতৃত্ব এই বার্তা বুঝবে না, তারা অবশ্যম্ভাবীভাবে ইতিহাসের অতলে হারিয়ে যাবে; আর যারা বুঝবে, তারা আগামী বাংলাদেশের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবে।
৭ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল ৩টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করলো জুলাই অভ্যুথানের অন্যতম সংগঠক প্ল্যাটফর্ম ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ -এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আহ্বায়ক কমিটি। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আপ বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক জনগণের প্ল্যাটফর্ম, যার মূল লক্ষ্য হলো দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও…
৭ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল ৩টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করলো জুলাই অভ্যুথানের অন্যতম সংগঠক প্ল্যাটফর্ম ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ -এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আহ্বায়ক কমিটি।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আপ বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক জনগণের প্ল্যাটফর্ম, যার মূল লক্ষ্য হলো দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা।
তারা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে। একইসাথে তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বের ধারায় সম্পৃক্ত করে একটি সক্রিয় ও সচেতন সমাজ গড়ে তুলতে কাজ করবে এই সংগঠন।
মতবিনিময় সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাগুলো তুলে ধরে তা সমাধানে ভূমিকা রাখা হবে আপ বাংলাদেশের অন্যতম অঙ্গীকার। স্থানীয় পর্যায়ে জেলা কমিটি এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আপ বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার আহবায়ক আবু সাঈদ মুহাম্মদ মেরাজ, সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম আবিদ,যুগ্ম আহবায়ক তারিকুল ইসলাম মোবাশ্বের,নাজিমুল ইসলাম,যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ তাসনিম ভুইয়া,হাদিউল ইসলাম সাফিউ, ও বকুল সাধন প্রমুখ্
তারা আশা প্রকাশ করেন, আপ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে
@lhjihad · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.








