জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
Established
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উদ্যোগ—ঋতুভিত্তিক রঙিন ফুলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। জেলার সীমনা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারজুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ জুন) শহরের সীমনা সড়ক সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উদ্যোগ—ঋতুভিত্তিক রঙিন ফুলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। জেলার সীমনা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারজুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) শহরের সীমনা সড়ক সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন— সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া,ডিডিএলজি ও পৌর প্রশাসক শংকর কুমার বিশ্বাস, এলজিইডি এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক, বিজয়নগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাধনা ত্রিপুরা, সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন আখন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমিন শাহীন, এনসিপির জেলা আহবায়ক মো: আজিজুর রহমান লিটন,ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর সাধারণ সম্পাদক এ বি এম মোমিনুল হক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক বাহারুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারী নিয়াজুল করিম,গণ অধিকার পরিষদ জেলা সভাপতি আশরাফুল হাসান তপু, উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মঈনুল হক সরকার, জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মো: শাহজাহান এবং বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রকল্প প্রস্তাবক মো: ইব্রাহিম খান সাদাত এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,
“এই রঙিন ফুলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধুই একটি প্রকল্প নয়, এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন—পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিক নগর গঠনের পথচিত্র। ঋতুভিত্তিক গাছ লাগানোর ফলে বছরজুড়ে বিভিন্ন রঙের ফুলে সজ্জিত থাকবে সড়কটি, যা মানুষের মানসিক প্রশান্তি ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ একটি অত্যন্ত কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চাই এই প্রকল্পের সঙ্গে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যুক্ত হোক এবং একসঙ্গে গড়ে তুলি একটি সবুজ, সুন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়া।”
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সড়কের দুই পাশে প্রায় পাঁচ হাজার ঋতু ভিত্তিক ফুলগাছ রোপণ করা হবে। এসব গাছ এমনভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি ঋতুতে সড়কজুড়ে ফুটে থাকে নানা রঙের বাহারি ফুল। এতে করে এই সড়কটি হয়ে উঠবে শুধু একটি চলাচলের পথ নয়, বরং একটি প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য—ছায়া, ফুল ও পাখির কলতানে প্রাণবন্ত একটি পরিবেশ।
এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলমকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন গুলো।
তারা জানান, “সীমনা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারজুড়ে ঋতুভিত্তিক ফুলগাছ রোপণের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি অনন্য প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হয়ে থাকবে। পাশাপাশি এটি পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করবে, যা স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
প্রকল্পটিকে টেকসই করে তোলার লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলো সঠিকভাবে বড় হবে এবং এই উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী রূপ পাবে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই প্রকল্প সীমনা সড়ককে শুধুই একটি যান চলাচলের পথ না রেখে রূপান্তর করবে এক জীবন্ত, ফুলেল অভিজ্ঞতায়। আমরা আশাবাদী, সবাই মিলে এই প্রকল্পের সাফল্য নিশ্চিত করতে পারব।”
লিটন হোসাইন জিহাদ: আমার শহরে কোনো ঘূর্ণিঝড় ছিল না। ছিল না কোনো রক্তপাত, ছিল না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম বার্তা। শুধু তুমি এসেছিলে— নিঃশব্দে, নিরবধি, একটি দীর্ঘশ্বাসের মতো। তোমার আগমনের দিন আকাশ স্বচ্ছ ছিল, বাতাস নরম। কিন্তু তার মধ্যেই আমার চারপাশের সবকিছু অস্থির হয়ে উঠলো। ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ থেমে গেল, দেয়ালের ক্যালেন্ডার থেকে পাতাগুলো উড়ে গেল, আর আমি, আমি বুঝতে পারলাম— সময় যেন তোমার জন্য থেমে গেছে। তুমি আমাকে ভালোবাসা…
লিটন হোসাইন জিহাদ: আমার শহরে কোনো ঘূর্ণিঝড় ছিল না। ছিল না কোনো রক্তপাত, ছিল না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম বার্তা। শুধু তুমি এসেছিলে— নিঃশব্দে, নিরবধি, একটি দীর্ঘশ্বাসের মতো।
তোমার আগমনের দিন আকাশ স্বচ্ছ ছিল, বাতাস নরম। কিন্তু তার মধ্যেই আমার চারপাশের সবকিছু অস্থির হয়ে উঠলো। ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ থেমে গেল, দেয়ালের ক্যালেন্ডার থেকে পাতাগুলো উড়ে গেল, আর আমি, আমি বুঝতে পারলাম— সময় যেন তোমার জন্য থেমে গেছে।
তুমি আমাকে ভালোবাসা শিখিয়েছিলে, তবে সেই ভালোবাসা ছিল এক কালো যাদুর মতো— যে যেই ছুঁয়েছে, সে ফিরে যেতে পারেনি নিজের ভিতরে।
আমি তখন বুঝিনি তুমি ঘূর্ণিঝড়, তুমি ধ্বংসের নামতা পড়তে পড়তে এসেছিলে, আমার বুকের ভিতর থেকে পৃথিবীর শেষ কবিতাটিও ছিঁড়ে নিয়ে যেতে।
তুমি চলে গেলে।
তুমি রেখে গেলে এক মৃত শহর, যেখানে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে কিছু ভাঙা প্রতিমা, কিছু নষ্ট গন্ধ, কিছু ফেলে যাওয়া চিঠি। তোমার চলে যাওয়ার পর আমি একে একে বুঝতে পারলাম— আমার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো তোমার নামে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার আঙুল তোমার চুল খোঁজে, আমার চোখ তোমার মুখ খোঁজে, আর আমার ছায়া? সে তো তোমার ছায়ার সাথে আত্মহত্যা করেছে অনেক আগেই।
তখন আমি অভিশাপ দিলাম— তবে ভাষার মাধ্যমে নয়, আমি অভিশাপ লিখলাম বাতাসে, ঘুমহীন রাতের বিছানায়, শুকিয়ে যাওয়া কুয়োর পাড়ে, আর সেই আয়নায়— যেখানে তুমি একদিন তোমাকে সুন্দর বলেছিলে।
আমি বললাম— "তোমার প্রতিটি সকাল হোক লাল, যেমন আমার যন্ত্রণার রঙ, তোমার প্রতিটি রাত হোক দর্পণের মতো নিঃসঙ্গ, তুমি যাকে ভালোবাসবে, সে যেন তোমাকে দেখে নিজেকে খোয়ায়, তুমি যেন তার হৃদয়ে হয়ে ওঠো এক বিষণ্ন সংক্রমণ।"
আমি বললাম— "তুমি যেন প্রতিটি আয়নায় নিজের মুখে অন্য কারো ছায়া দেখো, যে ছায়া তোমাকে চেনে না, ভালোবাসে না, বিশ্বাস করে না। তোমার ঘুমে আসুক সেইসব মৃত কবিরা, যারা প্রেমের নামে কেবল যন্ত্রণায় জীবন্ত পুড়েছে।"
তারপর আমি হাঁটতে শুরু করলাম— চেনা শহর ছেড়ে, পরিচিত শব্দ ছেড়ে, নতুন এক পরাবাস্তব জগতে, যেখানে আমি কবি নই, আমি অভিশপ্ত প্রেমিকদের আত্মা।
এখন, এই পৃথিবীর কোনো বাতাস আমার গায়ে লাগে না, আমি আয়নায় নিজেকে দেখি না, আমি কেবল হেঁটে যাই— একটি অভিশাপ হয়ে, একটি দুর্যোগ হয়ে, একটি ঘূর্ণিঝড় হয়ে—
যার নাম রেখেছি 'তুমি'।
লিটন হোসাইন জিহাদ: সৃষ্টি যখন প্রথম আলো জ্বালিয়েছিল অন্ধকারের বুক চিরে, তখন কেউ ছিলনা ডাকার জন্য, কেউ ছিলনা সাড়া দেওয়ার। তখন শব্দ ছিল না, ছিল না ভাষা। সময় তখনো নিজেকে চিনতে শেখেনি। স্থান ছিলো না, গতি ছিলো না, কিছুই ছিলো না Ñশুধু ছিল এক নিঃশব্দ প্রেম, যা আত্মার গভীরতম স্তর থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছিল। সেই প্রেম কার প্রতি ছিল? কিসের প্রতি ছিল? সে কি স্রষ্টার নিজেরই ভেতরের এক তীব্র আকুলতা? হয়তো…
লিটন হোসাইন জিহাদ: সৃষ্টি যখন প্রথম আলো জ্বালিয়েছিল অন্ধকারের বুক চিরে, তখন কেউ ছিলনা ডাকার জন্য, কেউ ছিলনা সাড়া দেওয়ার। তখন শব্দ ছিল না, ছিল না ভাষা। সময় তখনো নিজেকে চিনতে শেখেনি। স্থান ছিলো না, গতি ছিলো না, কিছুই ছিলো না Ñশুধু ছিল এক নিঃশব্দ প্রেম, যা আত্মার গভীরতম স্তর থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছিল।
সেই প্রেম কার প্রতি ছিল? কিসের প্রতি ছিল? সে কি স্রষ্টার নিজেরই ভেতরের এক তীব্র আকুলতা? হয়তো তিনি একা ছিলেন না, কারণ যিনি প্রেম ধারণ করেন, তিনি কখনো একা হন না। তিনি নিজের প্রেমেই পূর্ণ ছিলেন। সেই প্রেমই ছিল আদিম স্রষ্টার নিঃশব্দ উচ্চারণ—"হও", আর সেই হওয়া থেকেই জন্ম নিয়েছিল আকাশ, ধরণী, নক্ষত্র, নদী, এবং মানুষ।
মানুষÑ এই রহস্যময় প্রাণ, যার হৃদয়ে এক অতল প্রেমের বীজ রোপিত করে দিয়েছিল স্রষ্টা। সে প্রেম শুধু কারো প্রতি আকর্ষণ নয়, বরং নিজের আত্মার এক বিস্ময়কর অন্বেষণ। সেই প্রেমে রয়েছে স্রষ্টার সন্ধান, রয়েছে ভাঙনের ভিতরে গড়ার আহ্বান, রয়েছে হারানোর মাঝেও এক চিরন্তন প্রাপ্তি।
প্রেম কোনো রূপ বা শরীরের কাছে বাঁধা নয়। এটি এক ধ্রুব জ্যোতি, যা অন্তরের দৃষ্টিতে দেখা যায়, হৃদয়ের কান দিয়ে শোনা যায়। যেখানে প্রেম এবং প্রার্থনা এক হয়ে যায়Ñ সেখানে সৃষ্টি আর স্রষ্টার ব্যবধান বিলীন হয়ে যায়।
মানুষ যখন প্রেম করে, সত্যিকারভাবে, তখন সে আসলে সৃষ্টি রহস্যের গভীরে প্রবেশ করেÑ যেখানে প্রতিটি স্পর্শ, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি নীরবতা একেকটি মহাজাগতিক ভাষ্য। সেই প্রেম আত্মাকে পবিত্র করে, যেমন নদী ধুয়ে দেয় পাথরের ধুলো।
জগৎ সৃষ্টি হয়নি আকস্মিকতায়। জগৎ সৃষ্টি হয়েছে ভালোবাসার প্রবল আকর্ষণে। প্রেমই স্রষ্টাকে বলেছিল, “তুমি নিজেকে প্রকাশ করো। তোমার নিখুঁত সৌন্দর্য আর কাঁপনজাগানো করুণা যেনো রূপ লাভ করে।” তখন তিনি বলেননি কোনো শব্দ, উচ্চারণ করেননি কোনো নির্দেশÑ তিনি শুধু প্রেমের সাগরে নিজেকে ঢেলে দিলেন। আর সেই ঢেলে দেওয়া থেকেই জন্ম নিলো প্রথম আলো।
আলো আসার আগে, প্রেমই ছিল প্রথম সৃষ্টি। আলো প্রেমের ভাষা হতে চেয়েছিল, নক্ষত্রেরা প্রেমের চোখ, আর সময় হয়েছিল তার দিগন্ত। এক গভীর, অথচ নীরব বিস্ফোরণÑ যেখানে শব্দ ছিল না, ছিল কেবল এক মরমি সাড়া। সেই সাড়ায় জন্ম নিলো “কুন”Ñ স্রষ্টার সেই অনন্ত ইচ্ছা, যা এক মহাসৃষ্টির সূত্রপাত করেছিল।
আর সেই সৃষ্টিÑ মানব আত্মাÑ যার হৃদয়েই তিনি প্রেমের পূর্ণ রূপ রাখলেন। মানুষ হলো প্রেমের অভিপ্রায়, প্রেমের বাহক, প্রেমের অন্বেষণকারী।
এই অধ্যায়ে যখন আমরা ফিরে তাকাইÑ আলোকের পূর্বের সেই নিস্তব্ধতায়—তখন আমরা দেখতে পাই, প্রেম কোনো মানুষিক অনুভূতি নয়, এটি এক অস্তিত্বগত সত্য। প্রেম কোনো ঘটনা নয়, প্রেম হলো সত্তা। একমাত্র প্রেমই এমন কিছু, যা সৃষ্টি হওয়ার আগেও ছিল, থাকবে সৃষ্টির অন্তেও।
তাই যিনি সত্য প্রেম খোঁজেন, তিনি আলোর বাইরে যেতে শেখেন। তিনি শব্দের বাইরে ভাবেন। তিনি সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে যান। তিনি অনুভব করেন সেই প্রেমÑ যা একসময় নিজেরই প্রেমে পড়ে সৃষ্টি করেছিল আমাদের।
ফ্রিজে আটকে যাওয়া মা রাত আড়াইটায় ফ্রিজ খুললে মা বসে থাকে তাতে, চোখে টিফিন বক্সের মতো শীতল সংযম, হাত দিয়ে পাঁউরুটির পাশে ঠেলে দেয় বাবার ডায়াবেটিসের ওষুধ। "মা, তুমি এখানে?" —আমি বলি। মা উত্তর দেয় না। তাঁর ঠোঁট বরফের মতো জমে গেছে বহু বছর আগে— যেদিন রান্না করতে করতে হঠাৎ বলেছিল, "আজ আমি চুপ থাকব, একটু বেশি সময়ের জন্য।" তারপর কেটে গেছে ঈদ, জন্মদিন, ছেলের চাকরি, মেয়ের বিয়ে— সব কিছু,…
ফ্রিজে আটকে যাওয়া মা
রাত আড়াইটায় ফ্রিজ খুললে
মা বসে থাকে তাতে,
চোখে টিফিন বক্সের মতো শীতল সংযম,
হাত দিয়ে পাঁউরুটির পাশে ঠেলে দেয় বাবার ডায়াবেটিসের ওষুধ।
"মা, তুমি এখানে?"
—আমি বলি।
মা উত্তর দেয় না।
তাঁর ঠোঁট বরফের মতো
জমে গেছে বহু বছর আগে—
যেদিন রান্না করতে করতে হঠাৎ বলেছিল,
"আজ আমি চুপ থাকব, একটু বেশি সময়ের জন্য।"
তারপর কেটে গেছে ঈদ, জন্মদিন,
ছেলের চাকরি, মেয়ের বিয়ে—
সব কিছু,
আর ফ্রিজে জমেছে ব্যর্থ উৎসবের টুকরো স্মৃতি।
মায়ের শরীরটা এখন
ঘৃত কুমারীর বোতলের পাশে থাকে,
মাঝে মাঝে লাইট জ্বলে উঠলে বোঝা যায়,
সে এখনো হিমঘরে নিঃশব্দে খোঁজে—
আদর কী জিনিস ছিল!
আমার নাম্বার থেকে ঈশ্বরকে ডায়াল করি,
“এটি একটি ব্যস্ত সংযোগ। পরে চেষ্টা করুন।”
আমি অপেক্ষা করি।
ছাদে উঠে খোলা আকাশে ফোন ধরি,
তবু নেট নেই।
এক পাদ্রি বলেন:
—“ঈশ্বর এখন সার্ভারে নেই,
খুব সম্ভবত কোনো আপগ্রেডে আছেন,
আপনার প্রার্থনা কুইয়ুতে আটকে গেছে।”
অন্য ধর্মের এক ফকির বলে,
—“তুই ঠিক করে SIM ব্যবহার করো,
এই অপারেটরে ঈশ্বরের সাড়া নেই রে ভাই!”
তাহলে?
এই এত সিজদা, জপ, আজান, শ্লোক—
সব কি ভেসে যাচ্ছে
WiFi-এর বাইরে কোনো ব্ল্যাকহোলে?
শেষে এক শিশু বলে:
—“ঈশ্বর তো ওয়ার্ল্ড রোমিং চালু রাখেননি,
তাই আমাদের কান্না পৌঁছায় না।”
আমি ফোনটা ভেঙে ফেলি
আর এক চিলতে নীরবতায় বলি,
“হে ঈশ্বর, যদি থাকো—
তাহলে একটিবার প্লিজ, মিসড কল দাও।”
ঘরে কেউ নেই।
তবু আয়নায় ঝুলে আছে এক দড়ি,
নিমেষেই নিজেকে চেনা যায় না।
আয়নার আমি দাঁড়িয়ে বলি:
"আর কতোদিন মুখোশ পরে বাঁচবি?"
—আরেকটা আমি উত্তর দেয়:
“আজ তো গলায় দড়ি দিচ্ছি, একটু আরাম পাবো।”
ঘরটা থেমে যায়।
ঘড়ি বন্ধ।
দেয়াল হেঁটে যায় অন্য দিকে।
চায়ের কাপে বিষ নেই,
তবু ঠোঁট ছোঁয়ালেই
জীবনের মানে উবে যায়—
আত্মহত্যা শুধু শরীরে হয় না,
তা আগে হয় চিন্তায়,
পরে ছায়ায়,
শেষে আয়নায়—
সেখানে লাশটাও বেঁচে থাকে,
নির্বাক আর অভিমানী।
সে ছিল পৃথিবীর শেষ শিশু,
দুধের গন্ধ মিশে ছিল তার নিঃশ্বাসে।
কিন্তু সে যখন চিপসের প্যাকেট খুলে মুখে ঢালে—
বাষ্প ওঠে!
বাষ্প নয়, বরং ছিল
মাইক্রোপ্লাস্টিক আর কর্পোরেট হিংস্রতা।
একটি শিশুর মুখ কেবল হাসির জায়গা নয়,
এখন তা বিজ্ঞাপন বিলবোর্ড।
তাকে শেখানো হয়নি কবিতা,
শেখানো হয়নি রোদে খেলতে যাওয়া,
শুধু শেখানো হয়েছিল—
কোড, রিচার্জ, সাবস্ক্রিপশন, আর বিল।
যখন তার নিঃশ্বাস আটকে আসে,
তখনো মা ভাবেন—
এটা হয়তো গেমের অংশ,
একটা "ডেথ রাউন্ড"।
কিন্তু শিশুটি সত্যিই মরে যায়।
পরে রিপোর্টে লেখা হয়—
"কার্বন ফুটপ্রিন্ট ও চিনির অতিমাত্রায়
শিশুটি নিজেই মৃত্যুকে ইনহেল করেছে।"
এই মেঘরা আর বৃষ্টি আনে না,
তারা গর্ভবতী হয়—
আর প্রসব করে বজ্র, আগুন, বিষাক্ত বারুদ।
আকাশের জরায়ু এখন যুদ্ধক্ষেত্র,
সেখানে বুলেট ভাসে বৃষ্টির মতো।
এক গর্ভবতী মেঘ কাঁদে—
সে বলে, “আমি ছেলেকে বৃষ্টি বানাতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু সে হয়ে গেল টিয়ারগ্যাস।”
পাখিরা এখন ডিম পাড়ে না,
তারা জন্ম দেয় ড্রোন।
ফুলগুলো সৌরপ্যানেলে রূপ নেয়,
আর শিশুরা গান শেখে না—
শিখে বেঁচে থাকার কোড।
এই বিশ্ব এখন এক মায়ের গর্ভ—
যেখানে সন্তানেরা জন্ম নেয়
মৃত্যুকে উপহার দিতে।
ঘরে রাখা লাশটা আমারই,
তবু আমি বেঁচে আছি।
অথচ আমার হাত কাঁপে না
যখন কবিতার লাইনে লিখি:
"আমি ভালো আছি, বেঁচে আছি, মুক্ত।"
কিন্তু প্রতিটি শব্দ পড়ে গিয়ে সে লাশ—
চোখের কোণে জল রাখে।
আমি ভয় পাই,
কারণ মৃতরা যদি কাঁদতে শেখে,
তাহলে জীবিতরা আর কী নিয়ে গর্ব করবে?
একজন কবি তখন একা বসে
তার আত্মজীবনী পড়ে—
এক শবদেহের সামনে,
যার বুক চিরে এখনো বেরোয়
এক অসমাপ্ত পঙ্ক্তির গন্ধ।
চানখারপুলের ওষুধের দোকানে প্রেমিকার চোখের জল বিক্রি হয়” লিটন হোসাইন জিহাদ ১ চানখারপুলের গলির মোড়ে, একটা ছোট ওষুধের দোকান, নাম— “স্বপ্নফার্মা” কিন্তু এখানে ঘুমের ওষুধের চেয়ে বেশি বিক্রি হয় অতীতের স্মৃতি, প্রেমিকার শেষ এসএমএস, আর না বলা কথার স্যালাইন। প্রেমিক দাঁড়িয়ে থাকে, হাতে একটা ভাঁজ করা প্রেসক্রিপশন— লেখা আছে ডাক্তারি ভাষায়: “Patient suffers from: Loss of Touch, Chronic Absence, Sudden Ghosting, & Emotional Hemorrhage.” ওষুধের দোকানি চশমা পরা একজন বৃদ্ধ,…
চানখারপুলের ওষুধের দোকানে প্রেমিকার চোখের জল বিক্রি হয়”
লিটন হোসাইন জিহাদ
১
চানখারপুলের গলির মোড়ে,
একটা ছোট ওষুধের দোকান,
নাম— “স্বপ্নফার্মা”
কিন্তু এখানে ঘুমের ওষুধের চেয়ে বেশি বিক্রি হয়
অতীতের স্মৃতি, প্রেমিকার শেষ এসএমএস,
আর না বলা কথার স্যালাইন।
প্রেমিক দাঁড়িয়ে থাকে,
হাতে একটা ভাঁজ করা প্রেসক্রিপশন—
লেখা আছে ডাক্তারি ভাষায়:
“Patient suffers from:
Loss of Touch,
Chronic Absence,
Sudden Ghosting,
& Emotional Hemorrhage.”
ওষুধের দোকানি চশমা পরা একজন বৃদ্ধ,
যিনি হাসেন না,
শুধু বলেন—
“ভালোবাসা এখন স্টকে নেই,
তবে একটা চিঠি আছে,
ভিজে গেছে বৃষ্টিতে…
পড়বেন?”
২
চিঠির কাগজ গন্ধ নেয়,
চোখের জল শুকিয়ে গিয়ে দাগ হয়ে গেছে,
লেখা আছে—
“তুমি তো ছিলে আমার রাতের ঘুমের মতো,
কিন্তু এখন আমি ঘুমাতে পারি না,
তুমি ছাড়া।”
ওষুধের দোকানে ভিড় নেই,
তবে কষ্ট এসে বসে থাকে কাঁধে,
একটা দুঃখী কবিতা হেলাফেলায় পড়ে থাকে ডেস্কে,
নাম— “তোমাকে ভুলে যাওয়ার রেট ৩০০ টাকা”।
প্রেমিক পকেট থেকে একটি ছেঁড়া নোট বার করে,
জিজ্ঞেস করে—
“ভুলে যাওয়ার অর্ধেক ডোজ হবে?”
দোকানি মাথা নাড়ে—
“না, অর্ধেক ভালোবাসা যেমন অসম্ভব,
তেমনি অর্ধেক ভুলে যাওয়াও বিষক্রিয়া।”
৩
হঠাৎ দোকানে ঢুকে পড়ে এক নারী,
চোখে ঘুম নেই, ঠোঁটে বিষ,
বলল—
“ভালোবাসি বলেছিলো সে,
এখন নাকি শরীরটা ভালো রাখাই প্রেম।
দাও না একটা প্রেম-রোধক ইনজেকশন?”
দোকানি বলল—
“এই শহরে প্রেম রোধ নেই,
শুধু আছে সময়-রোধক ব্যথানাশক।
চলো, একটা কবিতা খাইয়ে দেই তোমায়।”
৪
চানখারপুলে সন্ধ্যার আলো কাঁপে,
একটা ল্যাম্পপোস্ট নিচে দাঁড়িয়ে
প্রেমিক খুঁজে ফেরে তার হারানো রোগের নাম—
"তুমি"
যে কোনো মেডিকেল বইতে নেই,
তবে কবিতার পাতায় আছে তার উপশম।
শাড়ির ভেতর এক স্বপ্নের নারী” লিটন হোসাইন জিহাদ শাড়িতে তাকে অপারূপ লাগে— দুঃস্বপ্ন ভাঙার ঠিক আগ মুহূর্তে এক পরিত্যক্ত দেবদূতের ছায়া এসে আমার জানালায় কাঁপন তুলে বলে— "সে এসেছিলো... সেই নারী..." চুলে চাঁদের ঘ্রাণ, আর চোখে ঝরনার নীল, তার পায়ের চিহ্ন পড়ে না মাটিতে, সে হেঁটে চলে ঘুমের ভিতর, ফুলের গায়ে আলতো রেখা রেখে, ভালোবাসা লিখে দেয় পাতাহীন ডায়েরিতে। সে এক কোমল ভ্রম, তার হাসিতে গলে যায় লোহা, আয়নার পিঠ…
শাড়ির ভেতর এক স্বপ্নের নারী”
লিটন হোসাইন জিহাদ
শাড়িতে তাকে অপারূপ লাগে—
দুঃস্বপ্ন ভাঙার ঠিক আগ মুহূর্তে
এক পরিত্যক্ত দেবদূতের ছায়া এসে
আমার জানালায় কাঁপন তুলে বলে—
"সে এসেছিলো... সেই নারী..."চুলে চাঁদের ঘ্রাণ, আর চোখে ঝরনার নীল,
তার পায়ের চিহ্ন পড়ে না মাটিতে,
সে হেঁটে চলে ঘুমের ভিতর,
ফুলের গায়ে আলতো রেখা রেখে,
ভালোবাসা লিখে দেয় পাতাহীন ডায়েরিতে।সে এক কোমল ভ্রম,
তার হাসিতে গলে যায় লোহা,
আয়নার পিঠ ফেটে সে বেরিয়ে আসে—
আমার নিঃশ্বাসের অলিতে-গলিতে।তার শাড়িতে লেগে থাকে এক অলৌকিক গন্ধ—
হয়তো জোনাকিদের মৃত্যু কিংবা বৃষ্টির প্রার্থনা,
যখন সে চলে যায়,
ঘরের সব ঘড়ি থেমে যায় একসাথে,
আর দেয়ালে টানানো ছবিগুলো কান্না করে।তার মুখে কোনো কল্পনার রঙ নেই,
তবুও প্রতিটি তিল যেন একটি মহাবিশ্ব,
যেখানে নক্ষত্রেরা তবু নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায়,
আর আমি—
এক পাগল বিজ্ঞানীর মতো তাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে,
নিজেকেই হারিয়ে ফেলি চিরতরে।সে কি সত্যি? না স্বপ্ন? না অন্য কোনো তৃতীয় সত্তা?
আমি জানি না।
শুধু জানি, শাড়িতে সে যখন আসে—
জগৎ নিজের রঙ বদলায়,
ঘুড়ি উড়ে রাতের আকাশে,
আর আমি, অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি,
এক অপার্থিব নারীর দিকে—
যার কোমলতায় লুকিয়ে আছে সৃষ্টি ও বিসর্জনের রহস্য।
একটি গরিব লাশের জবানবন্দি লিটন হোসাইন জিহাদ আমার নাম কেউ রাখেনি, মাটি ডাকে “ওই গরিবটা” বলে— কোনো ভোটার তালিকায় ছিলাম না, তবু প্রতিটি নির্বাচনে মরে গেছি নির্ধারিতভাবে। আমি সে লাশ, যার মৃত্যুর আগে পোস্টমর্টেম হয়েছে। পেটের ভেতর রাষ্ট্রের পতাকা ছিল, আর খাদ্য তালিকায়—ধোঁয়া, ধোঁকা, দরকারি দুঃস্বপ্ন। আমার শেষ নিশ্বাসে ছিল পচা চালের গন্ধ, আর লোনের ফাঁদে বাঁধা বাবার আর্তনাদ। আমি মরে গেছি—তবু লাশটাকে নড়িয়েছে পুলিশ, কারণ আমার গায়ের রঙটা ভোটের…
একটি গরিব লাশের জবানবন্দি
লিটন হোসাইন জিহাদ
আমার নাম কেউ রাখেনি,
মাটি ডাকে “ওই গরিবটা” বলে—
কোনো ভোটার তালিকায় ছিলাম না,
তবু প্রতিটি নির্বাচনে মরে গেছি নির্ধারিতভাবে।
আমি সে লাশ,
যার মৃত্যুর আগে পোস্টমর্টেম হয়েছে।
পেটের ভেতর রাষ্ট্রের পতাকা ছিল,
আর খাদ্য তালিকায়—ধোঁয়া, ধোঁকা, দরকারি দুঃস্বপ্ন।
আমার শেষ নিশ্বাসে ছিল পচা চালের গন্ধ,
আর লোনের ফাঁদে বাঁধা বাবার আর্তনাদ।
আমি মরে গেছি—তবু লাশটাকে নড়িয়েছে পুলিশ,
কারণ আমার গায়ের রঙটা ভোটের পক্ষের ছিল না।
আমার চোখ থেকে স্বপ্ন খুঁড়ে নিয়েছে একদল এনজিও,
বলে দিয়েছে: “উন্নয়ন হচ্ছে—তোমার মৃতদেহই প্রমাণ।”
আমি তালি বাজাই না, আমার হাত দুটো বাঁধা,
যাতে নেতার গাড়ি আসলে শোক জানাতে পারি নিরবদেহে।
একটি রাষ্ট্রীয় সংবাদে আমার মৃত্যু ছাপা হয়নি,
কেননা আমি মরিনি ঢাকায়, মরেছি হাওরের প্রান্তে,
যেখানে লাশগুলোও জল খায়, আর আত্মারা ভাত চায়—
কিন্তু সরকারের বরাদ্দ ফ্রেমে শুধু মুখের হাসি আঁকা।
আমার কবরে আসে এক পাগল প্রতিবন্ধী,
সে বলে—“তুই আমার মতোই উন্নয়নসঙ্গী।”
তখন আকাশ হেঁকে ওঠে,
আর গুলির শব্দে মাটি আবার জেগে ওঠে বুকে।
আমি এখন রক্তের মধ্যে ইতিহাস,
বেঁচে থাকি কাফনের নিচে লেখা সংবাদে,
যেখানে শিরোনাম হয়—
“একটি গরিব লাশ, অচেনা মৃতুতে রাষ্ট্রকে বিব্রত করে।”
@lhjihad · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.







