PothikTV: One Account for Identity, Publishing, Learning, Work and New Opportunities ↗
PothikTV
October 4, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
प्रतिष्ठा बन रही है
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
प्रतिष्ठा बन रही है
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
September 27, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ন বল পজেশন বা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখা ইংলিশ ফুটবলের ডিএনএ বা সংস্কৃতির অংশ নয়— থমাস টুখেলের এমন মন্তব্যের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন। স্পেনের বিরুদ্ধে নেশনস লিগের ম্যাচের আগে ২৫ বছর বয়সী এই বার্সেলোনা উইঙ্গার স্পষ্ট জানান, স্প্যানিশদের মতো বল পজেশন রেখে খেলার শক্তি ইংলিশ ফুটবলারদের নেই। গত জুলাইয়ে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ১-০ গোলে…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ন
বল পজেশন বা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখা ইংলিশ ফুটবলের ডিএনএ বা সংস্কৃতির অংশ নয়— থমাস টুখেলের এমন মন্তব্যের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন। স্পেনের বিরুদ্ধে নেশনস লিগের ম্যাচের আগে ২৫ বছর বয়সী এই বার্সেলোনা উইঙ্গার স্পষ্ট জানান, স্প্যানিশদের মতো বল পজেশন রেখে খেলার শক্তি ইংলিশ ফুটবলারদের নেই।
গত জুলাইয়ে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও ম্যাচের শেষভাগে দুটি গোল হজম করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। ওই ম্যাচে দলের কৌশল ও পরবর্তীতে টুখেলের "পজেশন ফুটবল ইংলিশদের ডিএনএ-তে নেই" সংক্রান্ত বক্তব্য নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে গর্ডন মনে করেন, এই ব্যর্থতা কেবল কোনো একক ম্যাচের নয়, এটি তাদের পুরো ফুটবল সংস্কৃতিরই একটি অংশ।
বার্সেলোনায় খেলার সুবাদে স্প্যানিশ ফুটবলের পাসিং ও পজেশন ধরে রাখার কৌশল খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন গর্ডন। তিনি মনে করেন, ইংলিশ খেলোয়াড়দের শেখানোর মাধ্যমে স্পেনের মতো বল পজেশন ধরে রাখার দক্ষতা তৈরি করা সম্ভব নয়। অন্য দেশের স্টাইল নকল করার চেষ্টা না করে ইংল্যান্ডের উচিত তাদের নিজস্ব শক্তিমত্তা অনুযায়ী খেলা।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে গর্ডন বলেন, সংস্কৃতিগতভাবেই ইংলিশরা স্প্যানিশদের মতো খেলায় আধিপত্য বিস্তার করতে পারে না। ইংল্যান্ডের ফুটবলে বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেয়ে শারীরিক শক্তি, সরাসরি আক্রমণ এবং কাউন্টার-অ্যাটাকের ওপর জোর দেওয়াটাই বেশি কার্যকর হতে পারে বলে মত দেন তিনি।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনালে গোল করার পর হঠাৎ তাকে তুলে নেওয়া হলে গর্ডন কিছুটা অবাক হয়েছিলেন। দ্বিতীয় অর্ধে ড্রিংকস ব্রেকের পর টুখেল রক্ষণভাগ শক্তিশালী করতে গর্ডনকে তুলে নিয়ে এজরি কনসাকে মাঠে নামান এবং পাঁচ ডিফেন্ডারের ফরমেশনে ফিরে যান। গর্ডন স্বীকার করেন যে, ওই সময়ে তিনি আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় ছিলেন এবং মাঠেই থাকতে চেয়েছিলেন।
তবে কোচ টুখেলের ওই সিদ্ধান্তের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন গর্ডন নিজেই। তিনি জানান, একজন উইঙ্গার হিসেবে নিয়মিত পরিবর্তিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাছাড়া অনুশীলনে ইংল্যান্ড দল যেভাবে খেলেছিল, মাঠের পারফরম্যান্স তার সঙ্গে মেলেনি। ফলে শেষ ২০ মিনিটে রক্ষণাত্মক কৌশল বেছে নেওয়ার পেছনে কোচের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক ছিল।
সেমিফাইনালে দলের এই শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির পেছনে রাউন্ড অব ১৬-এর মেক্সিকো ম্যাচের ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন গর্ডন। মেক্সিকোর বিপক্ষে জয়ের পর আবেগ ও দীর্ঘ ভ্রমণের ধকল কাটাতে দলের চার দিন সময় লেগেছিল। উদযাপনের সময় জর্ডান হেন্ডারসনের কবজি ভেঙে যাওয়ার ঘটনাটিও দলের মানসিকতায় বড় প্রভাব ফেলেছিল।
বার্সেলোনায় গর্ডনের সতীর্থরা তাকে জানান, আর্জেন্টিনা ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হলেও ইংল্যান্ড থাকলে তারা স্পেনকে আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারত। নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে জয় পেয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিল স্পেন।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন ভারতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক প্যানেলের চেয়ারম্যান অজিত আগরকার ও তার নির্বাচন কমিটিকে ঘিরে সম্প্রতি নানা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে অধিনায়ক রোহিত শর্মার ভবিষ্যত এবং দলের নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করে ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচকের পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিজ্ঞ ভারতীয় অফ-স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিন। নির্বাচন কমিটির মেয়াদ এবং সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন থাকলেও অশ্বিন মনে করেন আগরকার তার দায়িত্ব পালনে…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
ভারতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক প্যানেলের চেয়ারম্যান অজিত আগরকার ও তার নির্বাচন কমিটিকে ঘিরে সম্প্রতি নানা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে অধিনায়ক রোহিত শর্মার ভবিষ্যত এবং দলের নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করে ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচকের পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিজ্ঞ ভারতীয় অফ-স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিন।
নির্বাচন কমিটির মেয়াদ এবং সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন থাকলেও অশ্বিন মনে করেন আগরকার তার দায়িত্ব পালনে কোনো বড় ভুল করেননি। অজিত আগরকারের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন যে, দল গঠনে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় নির্বাচকদের অবস্থান যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত ছিল।
বেশ কিছু তরুণ খেলোয়াড়কে সুযোগ দেওয়া এবং অভিজ্ঞদের দায়িত্ব পুনর্নির্ধারণের মতো কঠিন সিদ্ধান্তগুলো আগরকারের মেয়াদে নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত কোনো কোনো মহলে বিতর্ক তৈরি করলেও, অশ্বিনের মতে নির্বাচকদের উদ্দেশ্য ছিল দলের ভবিষ্যৎ ভিত্তি মজবুত করা।
রোহিত শর্মার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার এবং অধিনায়কত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তা নির্বাচক কমিটির ওপর চাপ বাড়িয়েছিল। কিন্তু অশ্বিন স্পষ্ট করেছেন যে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেছেন আগরকার।
খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিটির কাজের এমন প্রকাশ্যে সমর্থন জানানোর ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। অশ্বিনের এই বক্তব্য নির্বাচক কমিটির পক্ষে একটি বড় মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা চলমান বিতর্কের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।
নাইস
Technology ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ন অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এজেন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও প্রশ্ন উঠেছে। দেশটির স্বতন্ত্র সেনেটর ডেভিড পোকক এই ঘটনাটিকে এআই নিরাপত্তার বিষয়ে একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে চিহ্নিত করে জরুরিভিত্তিতে 'এআই সেফটি অ্যাক্ট' বা এআই নিরাপত্তা আইন চালুর তাগিদ দিয়েছেন। এবিসির 'আফটারনুন ব্রিফিং' অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় সেনেটর ডেভিড বলেন,…
Technology ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এজেন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও প্রশ্ন উঠেছে। দেশটির স্বতন্ত্র সেনেটর ডেভিড পোকক এই ঘটনাটিকে এআই নিরাপত্তার বিষয়ে একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে চিহ্নিত করে জরুরিভিত্তিতে 'এআই সেফটি অ্যাক্ট' বা এআই নিরাপত্তা আইন চালুর তাগিদ দিয়েছেন।
এবিসির 'আফটারনুন ব্রিফিং' অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় সেনেটর ডেভিড বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, এটি কোনো নতুন বিষয় নয়। অনেক বছর ধরে বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলে আসছেন এবং প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও সরকারকে চাপ দিচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে নীতিমালার গাইডলাইন ওয়েবসাইটে তুলে ধরার কথা বলা হলেও তা যথেষ্ট নয় বলে তিনি মনে করেন।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ ওপেনএআই-এর সাথে সম্পর্কিত এই ঘটনাটিকে এআই প্রযুক্তির বিপদের একটি অন্যতম উদাহরণ বা চোখ খুলে দেওয়ার মতো ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সম্মেলনে থাকাকালে তিনি এই বিষয়ে অবগত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার সময় নিয়ে বিরোধী পক্ষ থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হওয়ার অভিযোগ তোলা হলেও তা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন অ্যালবানিজ। তিনি জানান, তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরপরই বিষয়টিকে জরুরি হিসেবে নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে এবং এই ধরনের ঘটনা বেশ নজিরবিহীন।
একই সাথে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান। নতুন এই প্রযুক্তির সুরক্ষায় সঠিক পদক্ষেপ নিতে সরকার কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় গ্রুপ 'এ'-র একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে নেপাল। খেলাটিতে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের মাধ্যমে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলে দিয়েছে নেপালি ক্রিকেট দল।ম্যাচের শুরু থেকেই নেপালের বোলাররা নিখুঁত লাইন ও লেংথে বোলিং করে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের হাত খুলে খেলার সুযোগ দেননি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে আফগান ব্যাটিং লাইনআপ বিপদে পড়ে এবং ম্যাচের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় গ্রুপ 'এ'-র একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে নেপাল। খেলাটিতে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের মাধ্যমে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলে দিয়েছে নেপালি ক্রিকেট দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই নেপালের বোলাররা নিখুঁত লাইন ও লেংথে বোলিং করে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের হাত খুলে খেলার সুযোগ দেননি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে আফগান ব্যাটিং লাইনআপ বিপদে পড়ে এবং ম্যাচের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করতে থাকে।
গ্রুপ 'এ'-র এই লড়াইটি দুই দলের জন্যই পরবর্তী পর্বে যাওয়ার সমীকরণ বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নেপালের সুসংহত পারফরম্যান্সের কারণে আফগানিস্তানকে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
আফগান ব্যাটাররা এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে লড়াই করার মতো রান তুলতে পারেন কি না, কিংবা নেপাল তাদের এই চাপ ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করতে পারে কি না, সেদিকেই নজর রাখছেন ক্রিকেট সমর্থকরা। ম্যাচের বাকি অংশের গতিপ্রকৃতির ওপরই নির্ভর করছে উভয় দলের ভবিষ্যৎ।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন ক্রিকেটাঙ্গনে বিখ্যাত খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাদের সন্তানদের পারফরম্যান্সের তুলনা নতুন কোনো বিষয় নয়। সম্প্রতি ভারতের কিংবদন্তি ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ক্রিকেটে পিতা ও পুত্রের এই তুলনার বিষয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন। এনডিটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই ধরনের মানসিকতা এবং তার প্রভাব নিয়ে কথা বলেন। সম্প্রতি বীরেন্দ্র সেহওয়াগের পুত্র আর্যবীর সেহওয়াগ ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। ছেলের ক্যারিয়ারের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেহওয়াগ সাবেক…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
ক্রিকেটাঙ্গনে বিখ্যাত খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাদের সন্তানদের পারফরম্যান্সের তুলনা নতুন কোনো বিষয় নয়। সম্প্রতি ভারতের কিংবদন্তি ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ক্রিকেটে পিতা ও পুত্রের এই তুলনার বিষয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন। এনডিটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই ধরনের মানসিকতা এবং তার প্রভাব নিয়ে কথা বলেন।
সম্প্রতি বীরেন্দ্র সেহওয়াগের পুত্র আর্যবীর সেহওয়াগ ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। ছেলের ক্যারিয়ারের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেহওয়াগ সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের সন্তানদের ওপর থাকা প্রত্যাশার চাপ এবং ভক্তদের তুলনামূলক আলোচনার বিষয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
উদাহরণ হিসেবে অর্জুন তেন্ডুলকরের কথা উল্লেখ করে সেহওয়াগ জানান, মহান ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের সঙ্গে তার ছেলে অর্জুনের নিয়মিত তুলনা করা হয়। সাবেক এই ভারতীয় ওপেনারের মতে, কিংবদন্তি অভিভাবকদের অর্জনের সঙ্গে তাদের সন্তানদের পারফরম্যান্সের তুলনা করাটা প্রায়শই অনুচিত এবং এটি তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।
সেহওয়াগ মনে করেন, প্রতিটি খেলোয়াড়ের নিজস্ব পরিচয় এবং খেলার ধরণ রয়েছে। কোনো তরুণের খেলাকে তার বাবার ক্যারিয়ারের সঙ্গে তুলনা না করে, তাকে স্বাধীনভাবে নিজের ক্রিকেট প্রতিভা বিকশিত করার সুযোগ দেওয়া উচিত।
ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ছেলে আর্যবীরের অভিষেকের পর এই মন্তব্যগুলো সামাজিক ও ক্রীড়া মাধ্যমে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। সমর্থক এবং বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সেহওয়াগের এই বক্তব্য তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর থেকে অপ্রয়োজনীয় চাপ কমাতে সাহায্য করবে।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নগর্ভাবস্থাতেই পেশাদার গলফ অঙ্গনে নতুন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা গলফার লেক্সি থম্পসন। টাইগার উডসের প্রতিষ্ঠিত নতুন গলফ লিগ ডাব্লিউটিজিএল-এ (WTGL) তিনি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।গর্ভবতী থাকা অবস্থায় এই লিগে থম্পসনের অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গলফ বিশ্বে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই টুর্নামেন্টে নিজের অংশগ্রহণ নিয়ে বেশ আশাবাদী এই মার্কিন গলফ তারকা।থম্পসনের মতে, ডাব্লিউটিজিএল-এর মতো একটি নতুন এবং উদ্ভাবনী লিগ নারী গলফের পরিধি…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
গর্ভাবস্থাতেই পেশাদার গলফ অঙ্গনে নতুন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা গলফার লেক্সি থম্পসন। টাইগার উডসের প্রতিষ্ঠিত নতুন গলফ লিগ ডাব্লিউটিজিএল-এ (WTGL) তিনি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গর্ভবতী থাকা অবস্থায় এই লিগে থম্পসনের অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গলফ বিশ্বে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই টুর্নামেন্টে নিজের অংশগ্রহণ নিয়ে বেশ আশাবাদী এই মার্কিন গলফ তারকা।
থম্পসনের মতে, ডাব্লিউটিজিএল-এর মতো একটি নতুন এবং উদ্ভাবনী লিগ নারী গলফের পরিধি আরও বিস্তার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি বিশ্বজুড়ে নারী গলফারদের নতুনভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে বলে তিনি মনে করেন।
এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের জীবনের ভিন্ন একটি রূপ দেখার সুযোগ পাবেন ভক্ত ও ক্রীড়ামোদিরা। নিজের এই নতুন যাত্রা নিয়ে থম্পসন জানান, মাঠের বাইরের জীবনের এই বিশেষ অধ্যায়ে থেকেও খেলা চালিয়ে যাওয়া নারী অ্যাথলেটদের জন্য এক ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
টাইগার উডসের এই নতুন উদ্যোগে থম্পসনের অংশগ্রহণ ডাব্লিউটিজিএল-এর প্রচার ও জনপ্রিয়তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গর্ভাবস্থায় তার এই খেলায় নামার সাহসী পদক্ষেপ গলফ প্রেমীদের নজর কাড়ছে।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নসাম্প্রতিক ট্রিপলম্যানিয়া ৩৪ ম্যাচে অংশ নিয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়েছে জনপ্রিয় ডব্লিউডব্লিউই তারকা ন্যাটিকে। রিংয়ে লড়াই চলাকালে প্রতিপক্ষের মারাত্মক আঘাতে তাঁর সামনের দুটি দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত দাঁত পুনরুদ্ধারে তাঁকে জটিল দন্ত অস্ত্রোপচারের (ডেন্টাল সার্জারি) মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।ন্যাটি নিজেই তাঁর এই শারীরিক অবস্থা ও অস্ত্রোপচারের বিস্তারিত তথ্য ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ফ্যাবি অ্যাপাচির কাছ থেকে শক্ত আঘাত পাওয়ার…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
সাম্প্রতিক ট্রিপলম্যানিয়া ৩৪ ম্যাচে অংশ নিয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়েছে জনপ্রিয় ডব্লিউডব্লিউই তারকা ন্যাটিকে। রিংয়ে লড়াই চলাকালে প্রতিপক্ষের মারাত্মক আঘাতে তাঁর সামনের দুটি দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত দাঁত পুনরুদ্ধারে তাঁকে জটিল দন্ত অস্ত্রোপচারের (ডেন্টাল সার্জারি) মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।
ন্যাটি নিজেই তাঁর এই শারীরিক অবস্থা ও অস্ত্রোপচারের বিস্তারিত তথ্য ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ফ্যাবি অ্যাপাচির কাছ থেকে শক্ত আঘাত পাওয়ার পর তাঁর সামনের দুটি দাঁত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিস্থিতি এতটাই জটিল ছিল যে চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর মুখে ২০টি সেলাই দিতে হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত দাঁত জোড়া লাগানো এবং মুখের ভেতরের টিস্যু পুনর্গঠনের জন্য চিকিৎসকরা দুটি ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এই অস্ত্রোপচারটি ছিল বেশ বিস্তৃত এবং সময়সাপেক্ষ। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নডেনভার ব্রঙ্কোসের প্রধান কোচ শন পেটনকে নিয়ে দেওয়া গোপন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁর কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন সিঅ্যাটল সিহকসের প্রধান কোচ মাইক ম্যাকডোনাল্ড। একজন প্রতিদ্বন্দ্বী দলের হেড কোচকে নিয়ে করা মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ছড়িয়ে পড়ায় এই অনিচ্ছাকৃত বিতর্কের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক গ্রাহাম বেনসিঙ্গারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের সময় বা তার প্রেক্ষাপটে শন পেটনকে নিয়ে ওই মন্তব্যগুলো করেছিলেন ম্যাকডোনাল্ড। তবে…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
ডেনভার ব্রঙ্কোসের প্রধান কোচ শন পেটনকে নিয়ে দেওয়া গোপন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁর কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন সিঅ্যাটল সিহকসের প্রধান কোচ মাইক ম্যাকডোনাল্ড। একজন প্রতিদ্বন্দ্বী দলের হেড কোচকে নিয়ে করা মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ছড়িয়ে পড়ায় এই অনিচ্ছাকৃত বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
সাংবাদিক গ্রাহাম বেনসিঙ্গারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের সময় বা তার প্রেক্ষাপটে শন পেটনকে নিয়ে ওই মন্তব্যগুলো করেছিলেন ম্যাকডোনাল্ড। তবে সিহকস কোচের স্পষ্ট উদ্বেগ ও আপত্তি থাকা সত্ত্বেও মন্তব্যগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই দুই দলের হেড কোচের সম্পর্কের টানাপোড়েন এড়াতে মাইক ম্যাকডোনাল্ড উদ্যোগী হন এবং পেটনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
গ্রাহাম বেনসিঙ্গারের প্রকাশ করা বিবৃতির পর সিঅ্যাটল সিহকস ফ্র্যাঞ্চাইজির জনসংযোগ (পিআর) দলের ভূমিকা ও দক্ষতা নিয়ে এখন নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠছে। কীভাবে দলের কোচের উদ্বেগকে উপেক্ষা করে বা সমন্বয়ের অভাব ঘটিয়ে এমন সংবেদনশীল বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে এল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, দল বা কোচের ভাবমূর্তি রক্ষায় পিআর টিমের যে পেশাদারিত্ব দেখানো উচিত ছিল, এই ঘটনায় তার ঘাটতি স্পষ্ট। সিহকসের অভ্যন্তরীণ গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল এবং এতে কোনো ভুল বোঝাবুঝি ছিল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কোচের কাছে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে মাইক ম্যাকডোনাল্ড মাঠের বাইরের এই বিতর্ক দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করেছেন। তবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সিঅ্যাটল সিহকসের যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা ও পিআর কৌশলের ত্রুটিগুলো জনসমক্ষে উন্মোচিত করে দিয়েছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






