Srabanti Akter
🛡️ MemberReporter Bio & Statement
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
About Srabanti Akter
Professional biodata and personal details shared by this member.
Bio & Professional Identity
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
- Role
- लेखक
Personal Details
- Privacy
- No personal details are public.
Links & Contact
- Links
- No links added yet.
মেঘলা আকাশের এ রূপটা আমার খুব পছন্দের।
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
Every Day Feels Like July for Us – Sanjida’s Cry After Losing Shaheed Imran
Delowar Hossain Mahdi: "Ever since I lost my brother, it feels like every single day is July for us" — said Sanjida, the younger sister of Shaheed Imran, her voice choked with tears. Her words pierce the heart like thorns. Shaheed Imran, aged 21, had recently returned from Saudi Arabia. He was a resident of Charlohania Dakshinpara in the Fardabad Union of Bancharampur Upazila in Brahmanbaria. His father, Md. Alam,…
Delowar Hossain Mahdi: "Ever since I lost my brother, it feels like every single day is July for us" — said Sanjida, the younger sister of Shaheed Imran, her voice choked with tears. Her words pierce the heart like thorns.
Shaheed Imran, aged 21, had recently returned from Saudi Arabia. He was a resident of Charlohania Dakshinpara in the Fardabad Union of Bancharampur Upazila in Brahmanbaria. His father, Md. Alam, worked as a cook in Dhonia, Jatrabari. Despite the hardships, he lived in a rented house with his wife, one son, and two daughters. Life was tough, but Imran had become the family's hope and strength. After returning from abroad just seven months earlier, it felt like a new light had been lit in their home.
But the evening of 17 July changed everything.
That day, Imran’s mother cooked his favorite meat and tea with her own hands. She kept calling him lovingly, “Come, my son, your food is ready.” But suddenly, gunshots and chaos broke out outside. Fearfully, his mother pleaded with him not to go out. But perhaps fate had already written its verdict. Imran, who had been lying down, got up — said nothing — and walked out.
His mother and younger sister Sanjida rushed out searching for him and eventually found him. He was still alive. His mother pleaded again and again, “Come back, my son, nothing will happen.” His eyes were filled with uncertainty. But he didn’t return.
After Maghrib prayers, a neighbor came running, “Go and see what your son is doing.” The mother couldn’t hold herself anymore. Like someone possessed, she ran. Then she heard: her only son had been shot.
Imran was first taken to Desh Bangla Hospital in Dhonia, and later to Dhaka Medical College Hospital. The doctors said a bullet had entered the right side of his head and exited from the left — his skull had shattered, and his brain was severely damaged. After arranging seven bags of blood, an operation was done, and he was put in ICU. But nothing could save him.
On the night of 18 July, at 8 PM, Imran bid farewell to the world forever. Though the hospital preserved his body in a freezer, it couldn’t be handed over to the family without police permission. When they went to Jatrabari police station, officers refused to sign, citing “busyness.” Finally, Shahbagh police station gave the necessary approval.
Imran returned home for the last time — in silence, lifeless. The hospital had instructed the burial be completed within an hour due to the condition of the body. But people from the neighborhood and surrounding areas gathered to say goodbye. After much difficulty, a funeral prayer was held, and Imran was laid to rest in Jurain Cemetery, forever.
Imran's mother said, “After Shaheed Abu Sayeed, my son was the second martyr. No other injured person had reached the hospital at that time, so the doctors tried their best. But we couldn't save him.”
She added, “We received support from many places, including the July Foundation. But the love, the companionship a son gives — can that ever be replaced?”
When his younger sister Sanjida said, “My brother is no more,” it felt as if a thousand cries, sorrows, and heartbreaks were hidden in that one sentence. She continued, “Our father passed away just two months ago due to cancer. My brother was the only earning member. Now, for us, every single day feels like July.”
Just like every martyr’s story is one of pain, Imran’s family's story reflects a household consumed by loss. His death doesn’t just wound one family — it questions society itself.
Who will bear this burden?
আশুগঞ্জের তালশহর সিএনজি চালকদের অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা।
মোঃ সাইফুল ইসলাম, আশুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মনবাড়িয়ার আশুগঞ্জের তালশহর নতুন বাজার রেল- গেইট এলাকা সংলগ্ন সিএনজি স্টান্ডে (২৭ জুলাই) রবিবার সকাল ৬ টা থেকে অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেন সিএনজি চালক ও মালিক'রা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি - অটোরিকশা মালিক সমিতির নিদের্শে জেলার নয়টি থানার সব এলাকার সিএনজি - অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করবেন বলে জানা যায়। তারই অংশ হিসেবে তালশহর - ব্রাহ্মনবাড়িয়া রোড় সমূহের সিএনজি চালক ও মালিক'রা অনিদিষ্টকালের…
মোঃ সাইফুল ইসলাম, আশুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মনবাড়িয়ার আশুগঞ্জের তালশহর নতুন বাজার রেল- গেইট এলাকা সংলগ্ন সিএনজি স্টান্ডে (২৭ জুলাই) রবিবার সকাল ৬ টা থেকে অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেন সিএনজি চালক ও মালিক'রা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি - অটোরিকশা মালিক সমিতির নিদের্শে জেলার নয়টি থানার সব এলাকার সিএনজি - অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করবেন বলে জানা যায়। তারই অংশ হিসেবে তালশহর - ব্রাহ্মনবাড়িয়া রোড় সমূহের সিএনজি চালক ও মালিক'রা অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেন তালশহর বাজার সিএনজি স্টান্ডের চালক ও মালিক'রা। জানা যায় তালশহর নতুন বাজার রেল- গেইট এলাকায় সিএনজি মালিক সমিতির সদস্য হাবিব মিয়ার নেতৃত্বে তালশহরে সিএনজি মালিক ও চালকদের অনিদিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালন করেন। সেসময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মনবাড়িয়া পুরাতন জেল খানা মোড় রোড সমূহের সিএনজি মালিক সমিতির শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহসীন আহমেদ বক্তব্যে বলেন, সিএনজি চালক ও মালিকদের উপর দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য মূলক আচরণ করা ও ট্রাফিক পুলিশের নীরব চাঁদাবাজির কারণে দিশেহারা সিএনজি চালক ও মালিক'রা। ট্রাফিক পুলিশ কারণে - অকারণে গাড়ির কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও সিএনজি চালকদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা চাঁদাবাজি করে চালকদের মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই, আমাদের দাবী মানতে হবে আমরা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দাবী না মানলে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবো। সেসময় আরো বক্তব্য রাখেন, লালপুর টু ভাইয়া তালশহর রুট সমূহের মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নোয়াব মোল্লা সেসময় তিনি বক্তব্যে বলেন ট্রাফিক পুলিশের নীরব চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বার বার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে আলোচনা করে ও এর কোনো সমাধান পাচ্ছিনা তাই বাধ্য হয়ে সিএনজি চালক ও মালিক'রা অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা করেন। এই পরিস্থিতিতে সিএনজি সেক্টরের অধিকার রক্ষায় কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সংগঠন গুলো। সিএনজি চালক ও মালিক'রা আশাবাদী দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতাকর্মী গণ। সেসময় সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ওলি মিয়া, শেখ কবির মিয়া, মাইনুদ্দীন, কাদির মিয়া, আক্তার মিয়া, জাকির মিয়া, রকিব মিয়া মিজান সরকার, কাজী হোসেন, অনিল কুমার রোদ্র পাল, সুমন মিয়া সহ, তালশহর সিএনজি স্টান্ডের সকল চালক ও মালিক'রা উপস্থিত ছিলেন
পরকীয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে
বাংলাদেশের নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পরকীয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে বিল্লাল শেখ (৩৩) নামে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী রুমা বেগমের (২৮) বিরুদ্ধে। পুলিস রুমাকে আটক করেছে। শনিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বয়রা পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত বিল্লাল শেখ গ্রামের সোনা মিয়া শেখের ছেলে। রুমা বেগম একই উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের সারোল গ্রামের ফরিদ শেখের মেয়ে। বিল্লাল শেখ বাংলাদেশের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী ও পুলিস…
বাংলাদেশের নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পরকীয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে বিল্লাল শেখ (৩৩) নামে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী রুমা বেগমের (২৮) বিরুদ্ধে। পুলিস রুমাকে আটক করেছে।
শনিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বয়রা পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত বিল্লাল শেখ গ্রামের সোনা মিয়া শেখের ছেলে। রুমা বেগম একই উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের সারোল গ্রামের ফরিদ শেখের মেয়ে। বিল্লাল শেখ বাংলাদেশের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দশ বছর আগে বিল্লাল শেখের সাথে রুমা বেগমের বিবাহ হয়। ওই দম্পত্তির ১ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, শনিবার রাত ২টার দিকে রুমা বেগম বঁটি দিয়ে বিল্লাল শেখের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বিল্লাল শেখ পরকীয়ায় আসক্ত। তিনি প্রায়ই স্ত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করেন। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী রুমা বেগম এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন। বিল্লাল শেখ জি ২৪ ঘন্টাকে টেলিফোনে বলেন, ‘রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখি আমার স্ত্রী রুমা বেগম বঁটি দিয়ে আমার পুরুষাঙ্গ কাটার চেষ্টা করছে। ঠেকাতে গিয়ে আমার হাতও কেটে যায়। পরে বাড়ির লোকজন আমাকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করে’। তবে পরকীয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ‘কোন কারণ ছাড়াই সে (স্ত্রী) এমন কাজ করেছে। আমি মামলা করব’। রুমারে ধরে পুলিসে দেয় প্রতিবেশীরা।
সূত্র-জিনিউজ
শাহবাজপুরে ময়না হত্যা: ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মুক্তির দাবিতে শানে সাহাবার স্মারকলিপি প্রদান
শাহবাজপুরের আলোচিত মায়মুনা আক্তার ময়না হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত হাবলী পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হামিদুর রহমান ও মুয়াজ্জিন সাইদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ জুলাই দুপুরে শাহবাজপুর এলাকার একটি শিশুকন্যা মায়মুনা নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে স্থানীয় মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মসজিদের…
শাহবাজপুরের আলোচিত মায়মুনা আক্তার ময়না হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত হাবলী পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হামিদুর রহমান ও মুয়াজ্জিন সাইদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
গত ৫ জুলাই দুপুরে শাহবাজপুর এলাকার একটি শিশুকন্যা মায়মুনা নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে স্থানীয় মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। কিন্তু দীর্ঘ ২৪ দিনেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
২৭ জুলাই সকালে শানে সাহাবার প্রতিনিধি দল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ ও পুলিশ সুপার এহতেশামুল হকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন—সংগঠনের সভাপতি মাও. আতিকুল্লাহ বিন রফিক, সেক্রেটারি মাও. সৈয়দ আসাদুল করীম, সহ সভাপতি মাও. আব্দুর রউফ ও মাও. আমানুল্লাহ আমানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি কামাল হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি সালাহ উদ্দিন ইয়াকুবী, সহ সেক্রেটারি মাও. শামসুজ্জামান সোহাগসহ আরও অনেকে।
স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়— ১) ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত; ২) গ্রহণযোগ্য প্রমাণ না থাকলে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি; ৩) আটককালীন সময়ে তাদের পরিবার যেন মানবিক সহায়তা ও আইনগত সহায়তা পায় তা নিশ্চিত করা।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করে বলেন, “বিচার প্রক্রিয়াধীন আছে এবং ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।”
এদিকে, পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক জানান, “তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং পুলিশ তাদের কারাগারে হস্তান্তর করেছে। বিষয়টি এখন আদালতের অধীনে।”
সংগঠনের জেলা সভাপতি মাও. আতিকুল্লাহ বলেন, “আমরা প্রথম দিন থেকেই ঘটনাটির বিচার চাইছি। যদি ইমাম ও মুয়াজ্জিন দোষী হয়, তাদের বিচার হোক, কিন্তু তারা যদি নির্দোষ হয়, তবে কেন এতদিন ধরে তাদের আটকে রাখা হয়েছে?”
তিনি প্রশাসনের কাছে জানতে চান, “কোন আইনে তাদের এখনো আটক রাখা হলো?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, এবং নির্দোষ হলে ধর্মীয় এই দায়িত্বশীলদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক।”
এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়
ট্রাফিক পুলিশের হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্দোলনে সিএনজি শ্রমিকরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে লাগাতার হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা। রোববার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত অর্থ দাবি, বিনা কারণে গাড়ি জব্দ এবং লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘুষ না দিলে…
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে লাগাতার হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা। রোববার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত অর্থ দাবি, বিনা কারণে গাড়ি জব্দ এবং লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘুষ না দিলে মামলা ও জরিমানার ভয় দেখিয়ে চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৫২টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলেও নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বর্তমানে সিএনজির লাইসেন্স কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এতে করে মালিক-চালকরা আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।”
শ্রমিকদের ভাষ্য, “আটক করা সব গাড়ি নিঃশর্তভাবে ছেড়ে দিতে হবে। পারমিট অনুযায়ী জেলার সর্বত্র চলাচলের সুযোগ দিতে হবে এবং জেলা ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।” দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
এর আগে শনিবার (২৬ জুলাই) শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সিএনজি চালিত অটোরিকশার মালিক-শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, “ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরসনে নিয়মিত কাজ করছে। যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই কিংবা রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই গাড়ি চালাচ্ছেন, তাদের যানবাহন আটক করা হচ্ছে। কাগজপত্র উপস্থাপন করলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা চালকরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন।”
তিনি আরও বলেন, “তারা চাইছেন, কোনো গাড়ি যেন আটক না করা হয় এবং ট্রাফিক পুলিশ যেন কোনো ব্যবস্থাই না নিতে পারে—এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া, এ বিষয়ে মালিক বা চালক সমিতির পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।”
এদিকে কর্মবিরতির কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সিএনজি মালিক-শ্রমিকদের এই আন্দোলন কবে শেষ হবে তা অনিশ্চিত। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।
চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক রিয়াদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত আসনের সাবেক এক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি। মন্ত্রণালয়ের সরকারি কমিশন সদস্য ছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান, ছাত্র প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় নেতা বাগছাস (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ)। ইতিমধ্যে বহিষ্কারও করেছে। এভাবে সব মন্ত্রণালয়ের ছাত্র…
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত আসনের সাবেক এক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি। মন্ত্রণালয়ের সরকারি কমিশন সদস্য ছিলেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান, ছাত্র প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কেন্দ্রীয় নেতা বাগছাস (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ)। ইতিমধ্যে বহিষ্কারও করেছে। এভাবে সব মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি রয়েছে। এরা সরকারের দাপটেই এসব চাঁদাবাজি করছে।
পদ ব্যবহার করে নিয়োগ, তদবির, বদলি বাণিজ্য, মামলাবাজিসহ এমন কোনো কাজ নাই যে, তারা করছে না। সারা দেশে এসব ছাত্র প্রতিনিধি নামধারীরা কেন নির্বাচন চায় না, বুঝছেন? কারণ নির্বাচন হলে তো ওদের কোটি কোটি টাকার স্মার্ট চাঁদাবাজি থাকবে না। এজন্যই এরা বিচার ও সংস্কারের নামে ৫ বছরের আওয়াজটা জোরেসোরে দেয়। তার ফেসবুকে পোস্টে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গরম গরম পোস্ট, বুঝছেন এবার ব্যাপারটা?!
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর লিখেছেন, গুলশানে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করতে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদসহ ৫ জন হাতেনাতে আটক হয়েছে
এই রিয়াদের রাজনৈতিক গুরু নাহিদ ইসলাম। এই চাঁদাবাজকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়েছে কারা। নাহিদ ইসলামরা এভাবেই সারা দেশে চাঁদাবাজি করে যাইতে চায়। নতুন ভন্দোবস্তের নামে এরা সারা দেশে লুটপাট নীরব চাঁদাবাজি করতেছে।
তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এই নামে (আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোনো ছাত্র প্রতিনিধি নেই।
রাঁশেদ খান তার ফেসবুকে যে দাবি করেছেন তার এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই।'
আটককৃত অন্যরা হলেন- সাকাদাউন সিয়াম (২২), সাদমান সারদার সাদাব (২১) ও ইব্রাহিম হোসেন মুন্না (২৪)। আটক আরেকজন আমিনুল ইসলাম (১৩)।
চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেপ্তারে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- ঘটনার মূল হোতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে।
সূত্র:কালেরকন্ঠ
পথিক টিভির সাথে যুক্ত হলেন কন্ঠশিল্পী শেখ তোফা আকবর
ডেস্ক রির্পোট: শেখ তোফা আকবর সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় আইপি চ্যানেল পথিক টিভি-তে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, তিনি সমানভাবে সক্রিয় সঙ্গীতের ভুবনেও—তিনি একজন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সমাজবোধ নিয়ে তার পথচলা সবসময়ই বহুমাত্রিক। শেখ তোফা আকবর কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজুর ইউনিয়নের কঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলী আকবর শেখ এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার পশ্চিম রাপ্পুরা, রায়েরবাজারে বসবাস করছেন।…
ডেস্ক রির্পোট: শেখ তোফা আকবর সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় আইপি চ্যানেল পথিক টিভি-তে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, তিনি সমানভাবে সক্রিয় সঙ্গীতের ভুবনেও—তিনি একজন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সমাজবোধ নিয়ে তার পথচলা সবসময়ই বহুমাত্রিক।
শেখ তোফা আকবর কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজুর ইউনিয়নের কঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলী আকবর শেখ এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার পশ্চিম রাপ্পুরা, রায়েরবাজারে বসবাস করছেন।
তিনি ২০০৫ সালে মাধ্যমিক, ২০০৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার শিক্ষাজীবনেই দেখা যায় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজ ভাবনায় গভীর আগ্রহ, যা পরে তার লেখনি, সুর ও কণ্ঠে প্রতিফলিত হয়।
পথিক টিভিতে যুক্ত হয়ে শেখ তোফা আকবর জানান- সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের কথা, সামাজিক অন্যায়-অনিয়ম এবং ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে চাই। সাংবাদিকতা শুধু তথ্য পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ নয়; এতে থাকে মানবিকতা, ইতিহাসচেতনা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতিফলন।
অন্যদিকে, সংগীত তার আরেকটি আত্মপ্রকাশের মাধ্যম। তিনি নিজেই গান লেখেন, সুর করেন এবং কণ্ঠ দেন। তার সৃষ্টি মূলত সমাজ, মানবতা ও জীবনঘনিষ্ঠ বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে। তার গানে পাওয়া যায় একধরনের চিন্তাশীলতা, যা সাধারণের অনুভবকে স্পর্শ করে।
শেখ তোফা আকবর বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকতা ও সৃজনশীলতা মিলেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি চান তার কলম, কণ্ঠ ও ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষের কথা বিশ্ব দরবারে পৌঁছাক—হোক সেটা একটুকরো গান, নাকি একটি প্রতিবেদন। সমাজ, সংস্কৃতি ও ইতিহাস তার অনুপ্রেরণা, আর সাধারণ মানুষের জীবন তার লেখার মূল উপজীব্য।
শেখ তোফা আকবরের এই বহুমুখী যাত্রা বাংলা সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমকে সমৃদ্ধ করবে—এমন প্রত্যাশা রাখে তার সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
ফেসবুকে প্রেমের পর বিয়ে, দেড় মাস সংসারের পর জানা গেল নববধূ পুরুষ!
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম, পরে বিয়ে—সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু দেড় মাস পর সামনে আসে অবিশ্বাস্য সত্য: নববধূ ‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান শান্তর সঙ্গে ‘সামিয়া’ নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয় ফেসবুকে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ‘সামিয়া’ গত ৭ জুন শান্তর বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় রীতিতে বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরেও কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়নি,…
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম, পরে বিয়ে—সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু দেড় মাস পর সামনে আসে অবিশ্বাস্য সত্য: নববধূ ‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান শান্তর সঙ্গে ‘সামিয়া’ নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয় ফেসবুকে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ‘সামিয়া’ গত ৭ জুন শান্তর বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় রীতিতে বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরেও কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়নি, কারণ ‘সামিয়া’ জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে পারেননি।
পরিবার ও স্থানীয়দের কেউ বুঝতেও পারেননি যে ‘সামিয়া’র আসল পরিচয় মো. শাহিনুর রহমান, চট্টগ্রামের আমতলা ঈদগাহ বৌবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং পিতা আবুল কাশেমের ছেলে।
দেড় মাস স্বাভাবিকভাবে সংসার করার পর ‘সামিয়া’র আচরণে পরিবার ও শান্তর মনে সন্দেহ দেখা দেয়। ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে যাওয়া, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দেওয়া এবং রহস্যজনক আচরণ ক্রমে প্রশ্নের জন্ম দেয়। অবশেষে ২৫ জুলাই (শুক্রবার) সন্ধ্যায় স্পষ্ট হয়ে যায়—‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে শান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে শাহিনুর ওরফে সামিয়াকে তার নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনা প্রসঙ্গে শাহিনুর বলেন, “শান্তর সঙ্গে যা করেছি, সেটা আমার ভুল ছিল। আমার হরমোনজনিত সমস্যা আছে। আমি নিজেকে মেয়ে ভাবতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করি।”
শান্ত জানান, “ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম, তারপর সে বাড়িতে চলে আসে। আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। অভিনয় করে আমাদের বিশ্বাস অর্জন করে। বিয়ের পরও তার ব্যবহার রহস্যময় ছিল। কাছে যেতে চাইলে বলত, অসুস্থ, ডাক্তার নিষেধ করেছে।”
समाचार
Published newsroom dispatches by Srabanti Akter.
Photos & Video
Visual work published by this member.
पोर्टफोलियो
Selected published work from this profile.
कौशल
Skills stored in this member's professional account.
उपलब्धियाँ
Achievements and accolades stored for this member.










