About me
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
暂无专业资料。
暂无专业资料。
声誉建设中
暂无已发表作品。
@alamgirmonder · Member
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
বাংলাদেশের নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পরকীয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে বিল্লাল শেখ (৩৩) নামে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী রুমা বেগমের (২৮) বিরুদ্ধে। পুলিস রুমাকে আটক করেছে। শনিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বয়রা পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত বিল্লাল শেখ গ্রামের সোনা মিয়া শেখের ছেলে। রুমা বেগম একই উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের সারোল গ্রামের ফরিদ শেখের মেয়ে। বিল্লাল শেখ বাংলাদেশের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী ও পুলিস…
বাংলাদেশের নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পরকীয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে বিল্লাল শেখ (৩৩) নামে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী রুমা বেগমের (২৮) বিরুদ্ধে। পুলিস রুমাকে আটক করেছে।
শনিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বয়রা পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত বিল্লাল শেখ গ্রামের সোনা মিয়া শেখের ছেলে। রুমা বেগম একই উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের সারোল গ্রামের ফরিদ শেখের মেয়ে। বিল্লাল শেখ বাংলাদেশের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দশ বছর আগে বিল্লাল শেখের সাথে রুমা বেগমের বিবাহ হয়। ওই দম্পত্তির ১ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, শনিবার রাত ২টার দিকে রুমা বেগম বঁটি দিয়ে বিল্লাল শেখের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বিল্লাল শেখ পরকীয়ায় আসক্ত। তিনি প্রায়ই স্ত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করেন। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী রুমা বেগম এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন। বিল্লাল শেখ জি ২৪ ঘন্টাকে টেলিফোনে বলেন, ‘রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখি আমার স্ত্রী রুমা বেগম বঁটি দিয়ে আমার পুরুষাঙ্গ কাটার চেষ্টা করছে। ঠেকাতে গিয়ে আমার হাতও কেটে যায়। পরে বাড়ির লোকজন আমাকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করে’। তবে পরকীয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ‘কোন কারণ ছাড়াই সে (স্ত্রী) এমন কাজ করেছে। আমি মামলা করব’। রুমারে ধরে পুলিসে দেয় প্রতিবেশীরা।
সূত্র-জিনিউজ
শাহবাজপুরের আলোচিত মায়মুনা আক্তার ময়না হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত হাবলী পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হামিদুর রহমান ও মুয়াজ্জিন সাইদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ জুলাই দুপুরে শাহবাজপুর এলাকার একটি শিশুকন্যা মায়মুনা নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে স্থানীয় মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মসজিদের…
শাহবাজপুরের আলোচিত মায়মুনা আক্তার ময়না হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত হাবলী পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হামিদুর রহমান ও মুয়াজ্জিন সাইদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
গত ৫ জুলাই দুপুরে শাহবাজপুর এলাকার একটি শিশুকন্যা মায়মুনা নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে স্থানীয় মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। কিন্তু দীর্ঘ ২৪ দিনেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
২৭ জুলাই সকালে শানে সাহাবার প্রতিনিধি দল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ ও পুলিশ সুপার এহতেশামুল হকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন—সংগঠনের সভাপতি মাও. আতিকুল্লাহ বিন রফিক, সেক্রেটারি মাও. সৈয়দ আসাদুল করীম, সহ সভাপতি মাও. আব্দুর রউফ ও মাও. আমানুল্লাহ আমানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি কামাল হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি সালাহ উদ্দিন ইয়াকুবী, সহ সেক্রেটারি মাও. শামসুজ্জামান সোহাগসহ আরও অনেকে।
স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়— ১) ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত; ২) গ্রহণযোগ্য প্রমাণ না থাকলে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি; ৩) আটককালীন সময়ে তাদের পরিবার যেন মানবিক সহায়তা ও আইনগত সহায়তা পায় তা নিশ্চিত করা।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করে বলেন, “বিচার প্রক্রিয়াধীন আছে এবং ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।”
এদিকে, পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক জানান, “তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং পুলিশ তাদের কারাগারে হস্তান্তর করেছে। বিষয়টি এখন আদালতের অধীনে।”
সংগঠনের জেলা সভাপতি মাও. আতিকুল্লাহ বলেন, “আমরা প্রথম দিন থেকেই ঘটনাটির বিচার চাইছি। যদি ইমাম ও মুয়াজ্জিন দোষী হয়, তাদের বিচার হোক, কিন্তু তারা যদি নির্দোষ হয়, তবে কেন এতদিন ধরে তাদের আটকে রাখা হয়েছে?”
তিনি প্রশাসনের কাছে জানতে চান, “কোন আইনে তাদের এখনো আটক রাখা হলো?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, এবং নির্দোষ হলে ধর্মীয় এই দায়িত্বশীলদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক।”
এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে লাগাতার হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা। রোববার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত অর্থ দাবি, বিনা কারণে গাড়ি জব্দ এবং লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘুষ না দিলে…
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে লাগাতার হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা। রোববার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত অর্থ দাবি, বিনা কারণে গাড়ি জব্দ এবং লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘুষ না দিলে মামলা ও জরিমানার ভয় দেখিয়ে চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৫২টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলেও নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বর্তমানে সিএনজির লাইসেন্স কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এতে করে মালিক-চালকরা আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।”
শ্রমিকদের ভাষ্য, “আটক করা সব গাড়ি নিঃশর্তভাবে ছেড়ে দিতে হবে। পারমিট অনুযায়ী জেলার সর্বত্র চলাচলের সুযোগ দিতে হবে এবং জেলা ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।” দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
এর আগে শনিবার (২৬ জুলাই) শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সিএনজি চালিত অটোরিকশার মালিক-শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, “ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরসনে নিয়মিত কাজ করছে। যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই কিংবা রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই গাড়ি চালাচ্ছেন, তাদের যানবাহন আটক করা হচ্ছে। কাগজপত্র উপস্থাপন করলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা চালকরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন।”
তিনি আরও বলেন, “তারা চাইছেন, কোনো গাড়ি যেন আটক না করা হয় এবং ট্রাফিক পুলিশ যেন কোনো ব্যবস্থাই না নিতে পারে—এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া, এ বিষয়ে মালিক বা চালক সমিতির পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।”
এদিকে কর্মবিরতির কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সিএনজি মালিক-শ্রমিকদের এই আন্দোলন কবে শেষ হবে তা অনিশ্চিত। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত আসনের সাবেক এক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি। মন্ত্রণালয়ের সরকারি কমিশন সদস্য ছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান, ছাত্র প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় নেতা বাগছাস (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ)। ইতিমধ্যে বহিষ্কারও করেছে। এভাবে সব মন্ত্রণালয়ের ছাত্র…
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত আসনের সাবেক এক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি। মন্ত্রণালয়ের সরকারি কমিশন সদস্য ছিলেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান, ছাত্র প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কেন্দ্রীয় নেতা বাগছাস (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ)। ইতিমধ্যে বহিষ্কারও করেছে। এভাবে সব মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি রয়েছে। এরা সরকারের দাপটেই এসব চাঁদাবাজি করছে।
পদ ব্যবহার করে নিয়োগ, তদবির, বদলি বাণিজ্য, মামলাবাজিসহ এমন কোনো কাজ নাই যে, তারা করছে না। সারা দেশে এসব ছাত্র প্রতিনিধি নামধারীরা কেন নির্বাচন চায় না, বুঝছেন? কারণ নির্বাচন হলে তো ওদের কোটি কোটি টাকার স্মার্ট চাঁদাবাজি থাকবে না। এজন্যই এরা বিচার ও সংস্কারের নামে ৫ বছরের আওয়াজটা জোরেসোরে দেয়। তার ফেসবুকে পোস্টে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গরম গরম পোস্ট, বুঝছেন এবার ব্যাপারটা?!
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর লিখেছেন, গুলশানে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করতে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদসহ ৫ জন হাতেনাতে আটক হয়েছে
এই রিয়াদের রাজনৈতিক গুরু নাহিদ ইসলাম। এই চাঁদাবাজকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়েছে কারা। নাহিদ ইসলামরা এভাবেই সারা দেশে চাঁদাবাজি করে যাইতে চায়। নতুন ভন্দোবস্তের নামে এরা সারা দেশে লুটপাট নীরব চাঁদাবাজি করতেছে।
তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এই নামে (আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোনো ছাত্র প্রতিনিধি নেই।
রাঁশেদ খান তার ফেসবুকে যে দাবি করেছেন তার এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই।'
আটককৃত অন্যরা হলেন- সাকাদাউন সিয়াম (২২), সাদমান সারদার সাদাব (২১) ও ইব্রাহিম হোসেন মুন্না (২৪)। আটক আরেকজন আমিনুল ইসলাম (১৩)।
চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেপ্তারে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- ঘটনার মূল হোতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে।
সূত্র:কালেরকন্ঠ
ডেস্ক রির্পোট: শেখ তোফা আকবর সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় আইপি চ্যানেল পথিক টিভি-তে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, তিনি সমানভাবে সক্রিয় সঙ্গীতের ভুবনেও—তিনি একজন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সমাজবোধ নিয়ে তার পথচলা সবসময়ই বহুমাত্রিক। শেখ তোফা আকবর কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজুর ইউনিয়নের কঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলী আকবর শেখ এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার পশ্চিম রাপ্পুরা, রায়েরবাজারে বসবাস করছেন।…
ডেস্ক রির্পোট: শেখ তোফা আকবর সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় আইপি চ্যানেল পথিক টিভি-তে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, তিনি সমানভাবে সক্রিয় সঙ্গীতের ভুবনেও—তিনি একজন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সমাজবোধ নিয়ে তার পথচলা সবসময়ই বহুমাত্রিক।
শেখ তোফা আকবর কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজুর ইউনিয়নের কঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলী আকবর শেখ এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার পশ্চিম রাপ্পুরা, রায়েরবাজারে বসবাস করছেন।
তিনি ২০০৫ সালে মাধ্যমিক, ২০০৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার শিক্ষাজীবনেই দেখা যায় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজ ভাবনায় গভীর আগ্রহ, যা পরে তার লেখনি, সুর ও কণ্ঠে প্রতিফলিত হয়।
পথিক টিভিতে যুক্ত হয়ে শেখ তোফা আকবর জানান- সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের কথা, সামাজিক অন্যায়-অনিয়ম এবং ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে চাই। সাংবাদিকতা শুধু তথ্য পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ নয়; এতে থাকে মানবিকতা, ইতিহাসচেতনা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতিফলন।
অন্যদিকে, সংগীত তার আরেকটি আত্মপ্রকাশের মাধ্যম। তিনি নিজেই গান লেখেন, সুর করেন এবং কণ্ঠ দেন। তার সৃষ্টি মূলত সমাজ, মানবতা ও জীবনঘনিষ্ঠ বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে। তার গানে পাওয়া যায় একধরনের চিন্তাশীলতা, যা সাধারণের অনুভবকে স্পর্শ করে।
শেখ তোফা আকবর বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকতা ও সৃজনশীলতা মিলেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি চান তার কলম, কণ্ঠ ও ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষের কথা বিশ্ব দরবারে পৌঁছাক—হোক সেটা একটুকরো গান, নাকি একটি প্রতিবেদন। সমাজ, সংস্কৃতি ও ইতিহাস তার অনুপ্রেরণা, আর সাধারণ মানুষের জীবন তার লেখার মূল উপজীব্য।
শেখ তোফা আকবরের এই বহুমুখী যাত্রা বাংলা সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমকে সমৃদ্ধ করবে—এমন প্রত্যাশা রাখে তার সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম, পরে বিয়ে—সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু দেড় মাস পর সামনে আসে অবিশ্বাস্য সত্য: নববধূ ‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান শান্তর সঙ্গে ‘সামিয়া’ নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয় ফেসবুকে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ‘সামিয়া’ গত ৭ জুন শান্তর বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় রীতিতে বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরেও কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়নি,…
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম, পরে বিয়ে—সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু দেড় মাস পর সামনে আসে অবিশ্বাস্য সত্য: নববধূ ‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান শান্তর সঙ্গে ‘সামিয়া’ নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয় ফেসবুকে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ‘সামিয়া’ গত ৭ জুন শান্তর বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় রীতিতে বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরেও কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়নি, কারণ ‘সামিয়া’ জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে পারেননি।
পরিবার ও স্থানীয়দের কেউ বুঝতেও পারেননি যে ‘সামিয়া’র আসল পরিচয় মো. শাহিনুর রহমান, চট্টগ্রামের আমতলা ঈদগাহ বৌবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং পিতা আবুল কাশেমের ছেলে।
দেড় মাস স্বাভাবিকভাবে সংসার করার পর ‘সামিয়া’র আচরণে পরিবার ও শান্তর মনে সন্দেহ দেখা দেয়। ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে যাওয়া, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দেওয়া এবং রহস্যজনক আচরণ ক্রমে প্রশ্নের জন্ম দেয়। অবশেষে ২৫ জুলাই (শুক্রবার) সন্ধ্যায় স্পষ্ট হয়ে যায়—‘সামিয়া’ আসলে একজন পুরুষ।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে শান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে শাহিনুর ওরফে সামিয়াকে তার নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনা প্রসঙ্গে শাহিনুর বলেন, “শান্তর সঙ্গে যা করেছি, সেটা আমার ভুল ছিল। আমার হরমোনজনিত সমস্যা আছে। আমি নিজেকে মেয়ে ভাবতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করি।”
শান্ত জানান, “ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম, তারপর সে বাড়িতে চলে আসে। আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। অভিনয় করে আমাদের বিশ্বাস অর্জন করে। বিয়ের পরও তার ব্যবহার রহস্যময় ছিল। কাছে যেতে চাইলে বলত, অসুস্থ, ডাক্তার নিষেধ করেছে।”
জমকালো আয়োজনে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর ফকির বংশের যুবকবৃন্দের উদ্যোগে ১০তম প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৫ জুলাই বিকেলে ফকির বাড়িতে বিশাল আকৃতির মহিষ দিয়ে খেলাটির আয়োজন করা হয়। উক্ত খেলাই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এইচ এম মাজহারুল আলম খোকন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফকির বাড়ির বিশিষ্ট সর্দার মো: আবুল বাশার ফকির। সহ সভাপতিত্ব করেন মো: নুরুল ইসলাম সরদার ,, মো: শাহান উদ্দিন ফকির,,, মো:…
জমকালো আয়োজনে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর ফকির বংশের যুবকবৃন্দের উদ্যোগে ১০তম প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৫ জুলাই বিকেলে ফকির বাড়িতে বিশাল আকৃতির মহিষ দিয়ে খেলাটির আয়োজন করা হয়। উক্ত খেলাই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এইচ এম মাজহারুল আলম খোকন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফকির বাড়ির বিশিষ্ট সর্দার মো: আবুল বাশার ফকির। সহ সভাপতিত্ব করেন মো: নুরুল ইসলাম সরদার ,, মো: শাহান উদ্দিন ফকির,,, মো: সানাউল্লাহ, হাজী আকবর আলী, মো: মাহাবুব আলম ফকির,,, মো: মাসুম ফকির,, মো: মামুন ফকির,,, লিয়াকত ফকির,,, মোঃ সাদির ফকির। খেলায় উদ্ভোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান মিস্টার।

এছাড়াও এলাকার বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। উক্ত খেলা পরিচালনা করেন কামাল ফকির,, মো: মাহমুদ আলী,,, মিটু ফকির,, লিটন ফকির। খেলা আয়োজন করেন বিটঘর ফকির বংশ। খেলা দেখতে অসংখ্য দর্শক উপস্থিত ছিলেন। খেলাই রেফারির দায়িত্ব পালন করেন সোহেল আহমেদ জন্টু। খেলাই ধারাভাষ্যকার ছিলেন মো: কামরুল ইসলাম রাসেল। খেলায় দুইটি দল অংশ গ্রহন করেন লায়ন এলিভেন বনাম টাইগার এলিভেন। খেলাই নির্ধারিত সময়ে দুই দল ২-২ গোলে সমতা থাকায় খেলা ড্র ঘোষণা করা হয়। আয়োজকরা বলেন, বিটঘর ফকির বংশের যুবকবৃন্দের উদ্যোগে প্রতি বছরই এই ধরনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে থাকি। এ বছর নিয়ে আমাদের ১০ বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে এই আয়োজন। প্রতিবছরই আমার বিশাল আকৃতির গরু দিয়ে আয়োজন করে থাকি। এ বছর আরো বড় পরিশরে বিশাল আকৃতির মহিষ দিয়ে আয়োজন করা হয়। আগামীতেও আমাদের এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এইচ এম মাজহারুল আলম খোকন বলেন, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে খেলাধুলা কোন বিকল্প নেই। সবাইকে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলা ধুলায় আগ্রহী হতে হবে।
লিটন হোসাইন জিহাদ: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মেরুদণ্ড, কিন্তু তারা আজ হারিয়ে যাচ্ছে অবমূল্যায়নের ল্যাবরিতে। জীবনের লড়াইয়ে তারা ভাট্টার মুখ দেখেন—পাঁচ বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি করেন, আর সেই অর্থে বাজার থেকে কিনতে হয় সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা কেজিতে। মূল্যের এ বিশাল ফাঁক শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি একটি আর্থ-সমাজব্যবস্থার সমালোচনা। এ দেশের কৃষকদের ৮৫ % ছোট খামারি (smallholder) হিসেবে ভূমিতে কাজ করে, অথচ উৎপাদনের…
লিটন হোসাইন জিহাদ: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মেরুদণ্ড, কিন্তু তারা আজ হারিয়ে যাচ্ছে অবমূল্যায়নের ল্যাবরিতে। জীবনের লড়াইয়ে তারা ভাট্টার মুখ দেখেন—পাঁচ বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি করেন, আর সেই অর্থে বাজার থেকে কিনতে হয় সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা কেজিতে। মূল্যের এ বিশাল ফাঁক শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি একটি আর্থ-সমাজব্যবস্থার সমালোচনা। এ দেশের কৃষকদের ৮৫ % ছোট খামারি (smallholder) হিসেবে ভূমিতে কাজ করে, অথচ উৎপাদনের স্বারগীয়তায় তারা নাজেহাল। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কৃষকদের আয় উৎসের ভিন্নতার চিত্র শিক্ষনীয়—কৃষি, মজুরি ও প্রবাসী রেমিট্যান্সের সবকিছু মিলিয়ে, কৃষিকাজ শুধুমাত্র সুবিধা নয়, বরং সকল অর্থনীতি-সংক্রান্ত বৈষম্যের মূল চালক ।
প্রক্রিয়ায় কৃষকের ফসল সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হলেও মধ্যস্বত্বভোগীরা (পাইকার, আড়তদার) আরোপ করে মূল্যের ন্যায্য ভারসাম্য। ফলে উৎপাদক কৃষকের আয় অপুষ্টিকর এবং অনিশ্চিত। শুধু তাই নয়, বছরের পর বছর বিদ্যুত, সার, বীজ, কীটনাশক—সবকিছুতেই টাকা বেশি লাগে, কিন্তু পণ্যের মূল্য ততটা উঠেনা। ভিটে-মাটি, শ্রম, ফসল—সব্বাই অকৃত্রিম হয়ে যায়।
এবার ভাবুন, আপনি যদি স্বাধীন হন—অর্থাৎ “নিজের প্রয়োজন নিজেই মেটান”—এটি শুধু ব্যক্তিগত প্রোভিশন নয়, বরং একটি আত্মনির্ভর কৃষি দর্শন। আপনার পাঁচ শতক জমিতে সরিষা চাষ করলে বাজার থেকে তেল কেনার প্রয়োজন কমে; দুই শতক জমিতে দেশি মুরগি ও ছাগল রাখলেও পুষ্টি ও আয় উভয়ই বাড়ে। পাশাপাশি পাশেই তৈরি করা পুকুরে দেশি মাছ ও হাস ছাড়া অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আসতে পারে। এতে উন্নত বা বাজারনির্ভর মডেল না মিনিয়ে, প্রাকৃতিক সম্পদ ও নিজস্ব চেষ্টায় নিজেকে ছাড়া যায়।
কিন্তু এই দর্শন বাস্তবে পৌঁছাতে হলে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগত সহায়তা জরুরি। বাংলাদেশের কৃষকদের প্রাধান্য এমনভাবে তৈরি করা উচিত যেন তারা সহজেই বাজার, তথ্য, ঋণ ও প্রযুক্তি পাচ্ছে। FAO ও GAFSP এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন—বিশেষভাবে ডিজাইন করা কৃষক-সংগঠন (Producers’ Organizations) গড়ে তোলার মাধ্যমে ঋণ, বাজার ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি এনে প্রায় ৩৫ % পর্যন্ত আয়ের বৃদ্ধি সম্ভব । একtez পদ্ধতিতে шилেকের মতো প্রকল্পে ১১ হাজার ক্ষুদ্র কৃষকের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে, কৃষকদের লাখ লাখ সদস্যকে আধুনিক প্রযুক্তি ও শিক্ষা দেয়া হলে ঝুঁকি কম এবং আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে।
তবে এই ব্যবস্থাপনা পুরোটাই উপলব্ধ নয়। বাংলাদেশের কৃষি এখনও বাকি রয়ে গেছে ঐতিহ্যবাদী, প্রযুক্তিহীন ও অসংগঠিত। বোরো বা আমন চালসহ প্রধান ফসলের উৎপাদনে মেকানাইজেশন ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া হয়নি। ফলে বছরে বারোটা বছরই কৃষক নির্ভর করে দুর্যোগ, এমনকি এমন দুর্যোগ যা নদীর বন্যা, টানা তাপপ্রবাহ বা খরা—এগুলো ক্ষতি করে ফসল এবং কৃষকের আয়কে ভেঙে ফেলে
ফসল হারিয়ে যায়, তাহলে কী? একদিকে সরকারি নির্বাচন ছাড়া বেশি মাত্রায় ক্ষতিপূরণ নেই, অন্যদিকে মুদ্রকালে সিরিজ ভর্তুকি নেই। এভাবেই বাংলাদেশের কৃষি ঝুঁকির খেলায় পড়েছে। ২০২৪ সালে চলতি বর্ষায় বন্যায় ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১.১ মিলিয়ন টন চাল, যার ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৪৫ বিলিয়ন টাকা (৩৮০ মিলিয়ন USD) করে । এতে কৃষকের আয় কমে যায়, মার্জিন নষ্ট হয়, আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়।
প্রকৃতপক্ষে, কৃষকদের মুক্তির পথ কোনো রূপক নয়—it is integration between policy, technology and grassroots initiative। কৃষক যখন নিজেই সরিষা তেল উৎপাদন, মুরগি ও ছাগল পালন, পুকুরে মাছ-কৃষির মাধ্যমেই নিজেকে অটোনমাস করে তুলে—তার মানেই একটি সামগ্রিক নিরাপত্তা ও সামাজিক শক্তি প্রতিপন্ন হয়।
তবে এ দর্শন কেবল ব্যক্তিগতভাবে স্থাপন করলে চলবে না। সরকারের উচিতള്ള micro-credit কার্যক্রম (যেমন: ‘একটেবাড়ি একটেখামার প্রকল্প’) চালিয়ে ජනসাধারণকে ঋণ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, যেমন ২০০৯ সালের থেকে ২১.৮ মিলিয়ন মানুষকে একটির মাধ্যমে আয়েসকৃত উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত করেছে । এ প্রোজেক্টের দরুণ গ্রামীণ পরিবারগুলো নিজের ফার্ম ভিত্তিক উৎপাদন ও আয়-উন্নয়ন করতে পেরেছে।
এ ছাড়া FAO ও GAFSP সহায়তায় গড়ে উঠা कृषক সংগঠনগুলো স্থানীয় স্তরে বাজার, প্রযুক্তি ও ঋণের তিনটি রূপায়নযোগ্য কাঠামো তৈরি করতে পারে—যাতে কৃষকদের 'missing middle' অর্থায়ন ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে সুন্দরভাবে value chain এ যুক্ত হওয়া যায়
কৃষিকাজে বৈচিত্র্য (crop diversification) একটি শক্তিশালী কৌশল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। MS Islam এক গবেষণায় দেখিয়েছেন—পদ্মার আশেপাশে বৈচিত্র-based cropping households average income বাড়িয়েছে এবং পরাভূতির ঝুঁকি কমিয়েছে
অতএব আপনার প্রবন্ধের মূল ভাবনা—"নিজের প্রয়োজন নিজে মেটাও" এক দার্শনিক বক্তব্য নয়, সেই চিন্তার ভিত্তি যেখানে কৃষক তার আয়, নিজস্ব নিরাপত্তা ও গৌরব নিজের হাতে গড়ে তোলে। কিন্তু এর সফল বাস্তবায়নে রাষ্ট্র, সম্প্রদায় ও প্রযুক্তি—এই তিনটি স্তম্ভ একসাথে কাজ করতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে “দেশজ উৎপাদন ও ধরে রাখার ভাবনা," যেমন—পুকুর খনন, ফসল বৈচিত্র্য, দেশি পোলট্রি, দেশি মৎসচাষ—সবই আজকের কৃষকের জন্য একান্ত প্রয়োজন।
এই একটি ব্যক্তির চেষ্টাই পর্যাপ্ত নয়; এটি উচিত সামাজিক আন্দোলন, নীতি বাস্তবায়ন ও প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের ফলে একটি টেকসই কৃষি দর্শনে রূপান্তরিত। কৃষকের ঘরে নিজের ভ্রূণের যত্ন, নিজের কাঠের তেল, নিজের মুরগি ও মাছ—এর মাধ্যমে সে আজ গর্ব করে বলতে পারুক: “আমি নিজের পিছু হাঁটাই, আমি কারো করুণা প্রার্থনা করি না।” এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সমাজ যদি বাকি দিকগুলো সমর্থন করে, তাহলো বাংলাদেশে কৃষি বিপ্লব সম্ভব হয়ে উঠবে—তখনই সত্যিকারের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
Published newsroom dispatches by alamgir.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: alamgir
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.
