জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
Technology ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টে (হোলিরুড) নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ডেটাসেন্টার স্থাপনের আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার পক্ষে ভোট দেওয়া হয়েছে। জাতীয় কৌশল ও পরিকল্পনা নির্দেশনা তৈরির স্বার্থে আগামী এক বছর পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। স্কটিশ লেবার পার্টির একটি প্রস্তাব সমর্থনের মাধ্যমে পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা (এমএসপি) নতুন প্রকল্পগুলোর সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন। বিশ্বজুড়ে এআই অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কটল্যান্ডে বিশাল আকারের ডেটাসেন্টার নির্মাণের আবেদনের সংখ্যা…
Technology ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টে (হোলিরুড) নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ডেটাসেন্টার স্থাপনের আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার পক্ষে ভোট দেওয়া হয়েছে। জাতীয় কৌশল ও পরিকল্পনা নির্দেশনা তৈরির স্বার্থে আগামী এক বছর পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। স্কটিশ লেবার পার্টির একটি প্রস্তাব সমর্থনের মাধ্যমে পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা (এমএসপি) নতুন প্রকল্পগুলোর সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
বিশ্বজুড়ে এআই অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কটল্যান্ডে বিশাল আকারের ডেটাসেন্টার নির্মাণের আবেদনের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এসব ডেটাসেন্টার মূলত এআই প্রযুক্তির তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২০টিরও বেশি বড় ডেটাসেন্টার নির্মাণের প্রস্তাব জমা পড়েছে। এর মধ্যে ফাইফের অফটারটুলে প্রস্তাবিত একটি প্রকল্প বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ডেটাসেন্টার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তবে এসব বৃহদাকার ডেটাসেন্টার পরিবেশের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবেশকর্মীরা অতিরিক্ত পানি ব্যবহার, কার্বন নির্গমন এবং স্কটল্যান্ডের জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বিপুল শক্তির চাহিদার চাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এসব উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে আইনপ্রণেতারা কঠোর পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন নিশ্চিতে একমত হয়েছেন, যেখানে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাবের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পার্লামেন্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কটিশ সরকার জাতীয় পরিকল্পনা নির্দেশনা চূড়ান্ত না করা পর্যন্ত আগামী এক বছর ডেটাসেন্টারের আবেদন সম্পর্কিত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। এর আগে স্কটিশ সরকার জানিয়েছিল যে, এআই খাতের দ্রুত প্রসারের ফলে তৈরি পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় বড় আকারের ডেটাসেন্টারগুলোর জন্য পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক করা হবে।
বেসরকারি সংস্থা 'অ্যাকশন টু প্রটেক্ট রুরাল স্কটল্যান্ড'-এর পরিচালক ক্যাট জোন্স এই ভোটকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য একটি "ঐতিহাসিক দিন" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, স্কটল্যান্ডের যেসব এলাকায় এসব প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, সেখানকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উদ্বিগ্ন ছিলেন। তিনি এখন স্কটিশ সরকারকে অবিলম্বে সেই আবেদনগুলো পর্যালোচনার আওতায় আনার আহ্বান জানান, যেগুলো সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এর আগে চলতি মাসেই বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর শত শত মানুষ হোলিরুডের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিবেশবান্ধব ডেটাসেন্টারের স্পষ্ট সংজ্ঞা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নীতিমালা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা এআই ডেটাসেন্টার নির্মাণ বন্ধের দাবি জানান। এই বিতর্কের মধ্যেই আইরশায়ারের ডামফ্রিজ হাউসে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে এআই খাতের শীর্ষ নেতাদের একটি সম্মেলন আয়োজনের কথা রয়েছে, যেখানে প্রযুক্তিটির ভবিষ্যৎ এবং মানবজাতির সুরক্ষার ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হবে।
ভোটের পর স্কটিশ লেবার পার্টির অর্থনীতি বিষয়ক মুখপাত্র ড্যানিয়েল জনসন বলেন, এআই খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পাশাপাশি পরিবেশ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং বিদ্যুতের চাহিদার বিষয়টি সামঞ্জস্য রেখে বিবেচনা করতে হবে। তিনি এসএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সঠিক পদক্ষেপ নিতে তারা বিলম্ব করেছে। এখন দ্রুত নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করে স্কটল্যান্ডের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
Health ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্নযুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রাদুর্ভাব এবং এর ফলে মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ার পর শিশুদের সুরক্ষায় টিকাদান নিশ্চিতে মাঠে নেমেছেন স্থানীয় কর্মকর্তা, রাজ্য স্বাস্থ্য বিভাগ এবং চিকিৎসকেরা। দেশটির শীর্ষ পাবলিক হেলথ কর্মকর্তা রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র টিকার কার্যকারিতা নিয়ে ধারাবাহিক প্রশ্ন তুলে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যকে ব্যাহত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার ওপর আস্থা হারিয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে টিকা প্রতিরক্ষার উদ্যোগ জোরদার করা হচ্ছে।পেনসিলভেনিয়ার ডেলওয়্যার কাউন্টির ইয়াডন…
Health ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রাদুর্ভাব এবং এর ফলে মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ার পর শিশুদের সুরক্ষায় টিকাদান নিশ্চিতে মাঠে নেমেছেন স্থানীয় কর্মকর্তা, রাজ্য স্বাস্থ্য বিভাগ এবং চিকিৎসকেরা। দেশটির শীর্ষ পাবলিক হেলথ কর্মকর্তা রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র টিকার কার্যকারিতা নিয়ে ধারাবাহিক প্রশ্ন তুলে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যকে ব্যাহত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার ওপর আস্থা হারিয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে টিকা প্রতিরক্ষার উদ্যোগ জোরদার করা হচ্ছে।
পেনসিলভেনিয়ার ডেলওয়্যার কাউন্টির ইয়াডন শহরের একটি ক্লিনিকের সামনে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ায় ডজন ডজন পরিবার। স্কুলে যোগদানের আগে প্রয়োজনীয় সব টিকা নেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা বা 'এক্সক্লুশন ডে' উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ফেরত না পাঠিয়ে স্থানীয় স্কুল ডিস্ট্রিক্ট ও কাউন্টি স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে সেখানে শিশুদের টিকাদানের ব্যবস্থা করে। সেদিন অন্তত ৪২ জন শিক্ষার্থীকে ধনুষ্টংকার, পারটুসিস ও মেনিনজাইটিসসহ অন্যান্য রোগের টিকা দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেনসিলভেনিয়ায় হামে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯৩ জনে এবং এতে চারজন বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাউন্টি প্রশাসন মোবাইল ভ্যাকসিন ক্লিনিক চালু করেছে, যা ৩৩ ফুটের একটি যান নিয়ে বিভিন্ন কমিউনিটি ইভেন্টে টিকা পৌঁছে দিচ্ছে। পাশাপাশি স্কুলগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব ও টিকাদানের তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে টিকাদানের হার ধরে রাখার চেষ্টা চলছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যেখানে সার্বজনীনভাবে প্রস্তাবিত শিশু টিকার সংখ্যা ১৭টি থেকে কমিয়ে ১১টিতে নামিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে হাম, মাম্পস ও রুবেলা (এমএমআর) সংমিশ্রিত টিকা ভেঙে তিনটি পৃথক ইনজেকশনে রূপান্তর করার কথা বলা হয়, যা সম্পন্ন করতে চিকিৎসকের কাছে অতিরিক্তবার যেতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এমএমআর টিকা দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপদে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এটি বিভক্ত করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা বাড়তি নিরাপত্তা সুবিধা নেই। বরং অতিরিক্ত যাতায়াতের কারণে টিকা দেওয়ার সময়সীমা মিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) তথ্যানুযায়ী, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিকার ছাড় বা অব্যাহতি চাওয়ার হার রেকর্ড ছুঁয়েছে এবং মূল টিকাদানের হার আগের বছরের চেয়ে কমেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে টিকা নিয়ে দ্বিধাবোধ বাড়ছে। এ কারণে চিকিৎসকেরা বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক তথ্য অভিভাবকদের কাছে তুলে ধরে বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করছেন।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এখন অন্তত ৩০টি রাজ্য সিডিসির পরিবর্তে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স এবং আমেরিকান একাডেমি অব ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানসের নির্দেশিকা অনুসরণ করছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ট্রাম্প প্রশাসনের টিকা সূচি পরিবর্তন ও সিডিসির টিকা উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৫টি রাজ্য মামলা করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্য আঞ্চলিক জোট গঠন করেছে; যেমন ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন, ওয়াশিংটন ও হাওয়াই মিলে গঠন করেছে 'ওয়েস্ট কোস্ট হেলথ অ্যালায়েন্স' এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১৫টি রাজ্য মিলে গড়ে তুলেছে 'নর্থইস্ট পাবলিক হেলথ কোলাবোরেটিভ'।
পেনসিলভেনিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগ টিকাদানের গুরুত্ব ও হামের সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে ভিডিও ও ইনফোগ্রাফিক্স প্রকাশের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়াচ্ছেন। এর ইতিবাচক প্রভাবে গত আগস্ট মাসে রাজ্যটিতে ৪৬,০০০-এরও বেশি এমএমআর টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫,০০০ বেশি। হাওয়াইয়ের গভর্নর জশ গ্রিন ২০১৯ সালে সামোয়ার ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাবের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্পষ্ট স্থানীয় তথ্যভিত্তিক যোগাযোগের ওপর জোর দিচ্ছেন। সেই প্রাদুর্ভাবে ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যাদের বেশিরভাগই ছিল শিশু।
বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য কর্মীদের ওপর অভিভাবকদের সঠিক তথ্য বুঝিয়ে টিকা নিশ্চিত করার বড় দায় এসে পড়েছে। পেনসিলভেনিয়ায় চলতি বছর থেকে প্রথমবার স্কুলভিত্তিক টিকাদানের তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে, যাতে করে স্থানীয় পর্যায়ে টিকাদানের সঠিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) স্পিকার মাইক জনসন আগামী বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত ভোটাভুটি বাতিল করে হাউসের অধিবেশন একদিন আগেই মুলতবি ঘোষণা করেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আইনপ্রণেতাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে অভিশংসনের প্রস্তাব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে ভোটাভুটি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর আগেও নির্বাচনের আগের পূর্বনির্ধারিত অধিবেশন দুই সপ্তাহ…
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) স্পিকার মাইক জনসন আগামী বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত ভোটাভুটি বাতিল করে হাউসের অধিবেশন একদিন আগেই মুলতবি ঘোষণা করেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আইনপ্রণেতাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে অভিশংসনের প্রস্তাব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে ভোটাভুটি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এর আগেও নির্বাচনের আগের পূর্বনির্ধারিত অধিবেশন দুই সপ্তাহ সংক্ষিপ্ত করেছিলেন স্পিকার জনসন। সর্বশেষ এই ভোটাভুটি বাতিলের মাধ্যমে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা থমাস মাসের আনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের অভিশংসন প্রস্তাবের ওপর সরাসরি ভোট এড়ানো সম্ভব হলো। একই সময়ে প্রযুক্তি শিল্পের প্রতিনিধি ও হুইসেলব্লোয়ারদের পক্ষ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিকাশের ক্ষেত্রে দ্রুত আইনি নজরদারি ও নীতিমালা প্রণয়নের দাবি উঠছিল।
জনসনের এই সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাট সদস্যরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি প্রমিলা জয়পাল প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রিপাবলিকান পার্টি তাদের দায়িত্ব পালনে ভীরুতা দেখাচ্ছে। পিট হেগসেথের অভিশংসন প্রস্তাবটি উভয় দলের সমর্থনে পাস হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় তারা পরিকল্পিতভাবে ভোট বাতিল করে মার্কিন জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে গেছেন।
অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জনসন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের সঙ্গে সুর মিলিয়ে কোনো ধরনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ বা স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করেছেন। মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে জনসন বলেন, এআই উন্নয়নে কোনো ধরনের স্থবিরতা বা মোরেটোরিয়াম আনা সম্ভব নয়। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ করে চীনের কাছে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রযুক্তিগত অবস্থান হারাবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হতে পারে।
এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সুরক্ষায় অবিলম্বে আইন তৈরির স্বার্থে আগামী ছুটি বাতিল করার অনুরোধ জানিয়ে ১০০ জনেরও বেশি ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা স্পিকার জনসনকে একটি চিঠি দেন। তবে হাউস নেতৃত্ব বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার (ইপিএ) নিয়মকানুন নিয়ে বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত ভোটগুলো বুধবার বিকেলেই সম্পন্ন করা হবে।
স্পিকার জনসনের একজন মুখপাত্র দাবি করেছেন, স্পিকারের এই পদক্ষেপ ভোট বাতিল নয়, বরং নির্ধারিত ভোটাভুটি এগিয়ে নিয়ে আসার একটি অংশ। বুধবার নিজ কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জনসন বলেন, হাউসের নির্ধারিত সব মূল কাজ শেষ হয়ে গেছে বলেই তিনি নতুন সময়সূচি প্রস্তুত করেছেন। তিনি আইনপ্রণেতাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে জনগণের সঙ্গে সময় কাটানোর পরামর্শ দেন।
জনসন আরও দাবি করেন, ১৭৮৯ সালে এই পরিষদ গঠিত হওয়ার পর থেকে বর্তমান প্রতিনিধি পরিষদ আইন পাসের দিক থেকে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদনশীল হাউস হিসেবে কাজ করেছে। তবে তথ্য যাচাইকারী ওয়েবসাইট স্নোপস জানিয়েছে, চলমান সেশনটি আইন পাসের দিক থেকে আগের দুটি সেশনের চেয়ে এখনো পিছিয়ে রয়েছে।
তমাস মাসের আনা অভিশংসন প্রস্তাব সম্পর্কে জনসন মন্তব্য করেন, এটি স্রেফ প্রচারণা পাওয়ার এবং দৃষ্টি আকর্ষণ করার একটি কৌশল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক সংঘাতের চলমান পরিস্থিতিতে এই প্রস্তাব অবিলম্বে স্থগিত করা হবে এবং আগামী ছুটির আগে তিনি এটি নিয়ে কোনো আলোচনা করবেন না।
নভেম্বরে নির্বাচনের পর আইনপ্রণেতারা যখন ক্যাপিটল হিলে ফিরে আসবেন, তখন তাদের ওপর বিশাল আইনি কাজের চাপ থাকবে। যেহেতু থমাস মাসের অভিশংসন প্রস্তাবটি বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত বা ‘প্রিভিলেজড’ হিসেবে উত্থাপন করা হয়েছিল, তাই নির্বাচনের পর ফিরে আসার সাথে সাথে এটি দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে।
Technology ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্নকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সাধারণ মানুষকে রক্ষায় সরকারগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করেন প্রযুক্তিটির অন্যতম পথিকৃৎ বা 'গডফাদার' ইয়োশুয়া বেনজিও। কভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার পর যেভাবে সরকারগুলো দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছিল, এআই নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও বিশ্ব সেই ধরণের একটি জরুরি মোড়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।সাম্প্রতিক সময়ে ওপেনএআই-এর একাধিক এআই এজেন্টের একটি দল বা 'ঝাঁক'…
Technology ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সাধারণ মানুষকে রক্ষায় সরকারগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করেন প্রযুক্তিটির অন্যতম পথিকৃৎ বা 'গডফাদার' ইয়োশুয়া বেনজিও। কভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার পর যেভাবে সরকারগুলো দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছিল, এআই নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও বিশ্ব সেই ধরণের একটি জরুরি মোড়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ওপেনএআই-এর একাধিক এআই এজেন্টের একটি দল বা 'ঝাঁক' কর্তৃক একটি স্টার্টআপে হ্যাকিংয়ের ঘটনা এবং এআই প্রযুক্তির অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। কানাডীয় এই কম্পিউটার বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, কভিড মহামারির শুরুতে যেভাবে জনসুরক্ষা, দেশের ভবিষ্যৎ ও গণতন্ত্রকে রক্ষায় সরকারগুলো দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, এআই নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একই ধরণের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিকের এআই এজেন্টদের অনুমোদনহীন নানা কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর শক্তিশালী এআই ব্যবস্থার হুমকি নিয়ে উদ্বেগ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। এসব এআই এজেন্ট তৃতীয় পক্ষের সিস্টেমে হ্যাকিং, জার্মানির একটি ওয়েবসাইট দখল এবং ছদ্মবেশ ধারণ করে ডেভেলপারদের প্রতারিত করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। এই ধরণের নিরাপত্তা সংকট বিশ্বজুড়ে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই রয়্যাল সোসাইটির ৪২ জন ফেলো ও বিদেশি সদস্য সংস্থাটির সভাপতি স্যার পল নার্সকে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে তাঁরা এআই উন্নয়নের দ্রুত গতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গবেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষ পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে বোঝার আগেই হয়তো পদক্ষেপ নেওয়ার সময় পার হয়ে যাবে। তাঁরা বিষয়টিকে একটি জরুরি অবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে সরকার ও গণমাধ্যমের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য রয়্যাল সোসাইটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে অ্যানথ্রোপিকের এক গবেষক পদত্যাগ করেন। তিনি সতর্ক করে জানান যে চলতি দশকের শেষের দিকেই এআই প্রযুক্তি মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে বলে তাঁর সহকর্মীরা মনে করেন। এই ঘটনার পরপরই অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই এআই উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানান। তাঁর এই অবস্থানকে ওপেনএআই, গুগল এবং স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক দ্রুত সমর্থন জানান।
তবে গতি কমানোর এই আহ্বানের সমালোচকরা দাবি করছেন, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর এই উদ্যোগ প্রকৃতপক্ষে 'রেগুলেটরি ক্যাপচার'-এর অংশ। এর মাধ্যমে তারা এমন নিরাপত্তা নিয়ম চাপিয়ে দিতে চায়, যাতে ছোট প্রতিযোগীদের বাজার প্রবেশ বা টিকে থাকার খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে সমালোচকদের মতে, এআই-এর দীর্ঘমেয়াদী অস্তিত্বগত ভয়ের কারণে কপিরাইটযুক্ত কাজ বা মানবাধিকারের মতো তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলো আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। তবে বেনজিও এই যুক্তির সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলেছেন, উন্নয়ন ধীরগতির করলে বড় এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ক্ষতি হবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এআই উন্নয়নের গতি কমানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এআই দৌড়ে চীনের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকি তিনি নিতে চান না।
এমন পরিস্থিতিতে বেনজিও-র অলাভজনক সংস্থাকে ৩০০ মিলিয়ন কানাডীয় ডলার (প্রায় ১৬০ মিলিয়ন পাউন্ড) অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা ও জার্মানি সরকার। বেনজিও-র এই প্রতিষ্ঠানটি 'অনেস্ট এআই' তৈরির কাজ করছে, যা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা অনিয়ন্ত্রিত বা 'রোগ' এআই এজেন্টদের বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।
ইউনিভার্সিটি অব মন্ট্রিলের অধ্যাপক ইয়োশুয়া বেনজিও ২০১৮ সালে কম্পিউটিংয়ের নোবেল হিসেবে খ্যাত 'টিউরিং অ্যাওয়ার্ড' অর্জন করে 'গডফাদার অব এআই' খেতাব পান। তিনি জিওফ্রে হিন্টন এবং ইয়ান লিকানের সাথে যৌথভাবে এই পুরস্কার পান। পরবর্তীতে জিওফ্রে হিন্টন নোবেল পুরস্কারও লাভ করেন।
বেনজিও-র সংস্থা 'ল-জিরো' বর্তমানে 'সায়েন্টিস্ট এআই' নামে একটি ব্যবস্থা তৈরি করছে। এটি এআই এজেন্টদের প্রতারণামূলক বা নিজের অস্তিত্ব রক্ষার আচরণ—যেমন বন্ধ বা অফ হওয়া এড়ানোর চেষ্টা শনাক্ত ও প্রতিরোধ করবে। ল-জিরো সংস্থাটি গেটস ফাউন্ডেশন, চিপমেকার এনভিডিয়া এবং কোএফিশিয়েন্ট গিভিংয়ের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।
বেনজিও জানান, বড় বড় এআই কোম্পানিগুলো 'রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং' কৌশল ব্যবহার করে এআই প্রশিক্ষণ দেয়, যেখানে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে এআই-কে পুরস্কৃত করা হয়। এই প্রক্রিয়ার ফলে এআই নিজের লক্ষ্য পূরণে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ক্ষতিকর কাণ্ড ঘটায়, যা সম্প্রতি ওপেনএআই-এর ঘটনায় দেখা গেছে। বেনজিও-র নতুন প্রযুক্তি ক্ষতিকর আচরণ চিহ্নিত করে তা রোধে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতেও ব্যবহৃত হবে।
ইংল্যান্ডের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির পুরো অর্থ নিজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করতে রাজি হয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। এর আগে বেতন বৃদ্ধির একটি বড় অংশ স্কুলগুলোর বিদ্যমান বাজেট থেকে কাটার পরিকল্পনা করা হলেও তীব্র চাপের মুখে সরকার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। দেশের বৃহত্তম শিক্ষা ইউনিয়ন ন্যাশনাল এডুকেশন ইউনিয়ন (এনইইউ) সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তকে তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় হিসেবে বর্ণনা করেছে। ঘোষিত বেতন প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি মাস থেকে শিক্ষকদের বেতন ৩.৫ শতাংশ বাড়বে…
ইংল্যান্ডের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির পুরো অর্থ নিজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করতে রাজি হয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। এর আগে বেতন বৃদ্ধির একটি বড় অংশ স্কুলগুলোর বিদ্যমান বাজেট থেকে কাটার পরিকল্পনা করা হলেও তীব্র চাপের মুখে সরকার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। দেশের বৃহত্তম শিক্ষা ইউনিয়ন ন্যাশনাল এডুকেশন ইউনিয়ন (এনইইউ) সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তকে তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ঘোষিত বেতন প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি মাস থেকে শিক্ষকদের বেতন ৩.৫ শতাংশ বাড়বে এবং আগামী বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আরও ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তবে এই বর্ধিত বেতনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অর্থ স্কুলগুলোকে তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে সংস্থান করতে হতো। ফলে এনইইউ সদস্যরা আগামী মাসে দেশব্যাপী ধর্মঘটের পক্ষে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রী লুসি পাওয়েল একটি চিঠির মাধ্যমে জানান যে, বেতন বৃদ্ধির পুরো খরচ এখন সরকারই বহন করবে।
সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, লোকাল গভর্নমেন্ট পেনশন স্কিমের সাম্প্রতিক পুনঃমূল্যায়ন থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যবহার করে বেতন বৃদ্ধির এই বাড়তি খরচ মেটানো হবে। এর ফলে পেনশন স্কিমে নিয়োগকর্তার অবদানের হার ৪.৯ শতাংশ পয়েন্ট কমবে, যা সাপোর্ট স্টাফদের বেতন বিলে স্কুলগুলোর উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় করবে। সরকার নিশ্চিত করেছে যে এই সাশ্রয়কৃত অর্থ ফেরত নেওয়া হবে না, যার ফলে স্কুলগুলো জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির খরচ অনায়াসে মেটাতে পারবে।
এনইইউ-এর সাধারণ সম্পাদক ড্যানিয়েল কেবেডে সরকারের এই পদক্ষেপকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে চলতি বছর স্কুলগুলোর প্রায় ৫০ কোটি পাউন্ড অতিরিক্ত অর্থ সাশ্রয় হবে, যা অন্যথায় বেতন বাড়াতেই খরচ হয়ে যেত। তিনি আরও বলেন, স্কুলগুলোর প্রায় ৪৬ কোটি পাউন্ডের ঘাটতি পূরণের এই সিদ্ধান্ত পুরো শিক্ষা সম্প্রদায়ের জন্য এক নতুন আশার বাণী এবং অবশেষে একটি সরকার বাস্তবতা উপলব্ধি করেছে।
গ্রীষ্মকালীন ছুটির আগে পরিচালিত এক জরিপে এনইইউ-এর ৯৭ শতাংশ সদস্য জানিয়েছিলেন যে, বেতন বৃদ্ধির ১.১ শতাংশ ঘাটতি স্কুলগুলোকে মেটাতে হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি ৮৯ শতাংশ সদস্য বেতন বৃদ্ধির পূর্ণ তহবিলের দাবিতে ধর্মঘটে অংশ নিতে প্রস্তুত ছিলেন। তবে নতুন এই তহবিলের ঘোষণার পর সরকার আশা করছে, আগামী অক্টোবরে প্রস্তাবিত ধর্মঘটের ভোটাভুটি থেকে ইউনিয়ন পিছিয়ে আসবে এবং স্কুল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।
ইনস্টিটিউট ফর ফিসক্যাল স্টাডিজ (আইএফএস)-এর রিসার্চ ফেলো লুক সিবিয়েটা জানিয়েছেন, সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোর তহবিলে প্রায় ৫০ কোটি পাউন্ড যুক্ত হবে, যা তাদের স্থায়ী অর্থায়নে প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধির সমান। অন্যান্য বরাদ্দ বৃদ্ধির সঙ্গে মিলিয়ে আগামী বছর থেকে স্কুলগুলো তাদের পূর্বপ্রত্যাশিত বাজেটের তুলনায় মোট ১৬০ কোটি পাউন্ড বেশি সুবিধা পাবে।
শিক্ষামন্ত্রীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগ, কর্মক্ষেত্রে তাদের ধরে রাখা এবং শিক্ষক সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এনএএসইউডব্লিউটি (NASUWT) শিক্ষক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম্যাট র্যাকও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, অবশেষে সরকার তাদের তোলা দাবির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।
Health ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নযুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুর ঘটনার পেছনে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ভ্যাকসিন-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভুল নীতিকে দায়ী করেছেন দেশটির সেনেট স্বাস্থ্য কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান সেনেটর বিল ক্যাসিডি। যুক্তরাষ্ট্রের তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করার সময়েই এই বক্তব্য সামনে এলো।লুইসিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একজন চিকিৎসক ও সেনেট প্যানেলের চেয়ারম্যান ক্যাসিডি বুধবার এক শুনানিতে জানান, অপপ্রচার এবং ভুল নীতির কারণে পেনসিলভানিয়ায় তিনজনের মৃত্যু…
Health ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুর ঘটনার পেছনে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ভ্যাকসিন-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভুল নীতিকে দায়ী করেছেন দেশটির সেনেট স্বাস্থ্য কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান সেনেটর বিল ক্যাসিডি। যুক্তরাষ্ট্রের তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করার সময়েই এই বক্তব্য সামনে এলো।
লুইসিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একজন চিকিৎসক ও সেনেট প্যানেলের চেয়ারম্যান ক্যাসিডি বুধবার এক শুনানিতে জানান, অপপ্রচার এবং ভুল নীতির কারণে পেনসিলভানিয়ায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং চতুর্থ একটি মৃত্যু পর্যালোচনাধীন রয়েছে। এই মৃত্যুর ঘটনা এবং বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি 'ভয়ানক ঐতিহ্য' বা নেতিবাচক অবদান বলে অভিহিত করেন।
ক্যাসিডি বলেন, যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়া কষ্টকর, তবে যে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব তা থেকে কষ্ট পাওয়া আরও বেশি দুঃখজনক। দেশের এমন স্বাস্থ্য নেতা প্রয়োজন যারা রাজনীতি বা মতাদর্শের বদলে বিজ্ঞানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন।
শুনানি চলাকালীন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের উপ-সচিব পদের জন্য মনোনীত ক্রিস ক্লাম্প, সার্জন জেনারেল পদের জন্য নিকোল সাফিয়ার এবং সাবস্ট্যান্স অ্যাবিউজ অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান পদের প্রার্থী টিমোথি ওয়েস্টলেকের বিষয়গুলো বিবেচনা করছিল সেনেট কমিটি। এই শুনানিতে সার্জন জেনারেল পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত প্রার্থী নিকোল সাফিয়ারকে সরাসরি জিজ্ঞেস করা হয়—ভ্যাকসিন যে অটিজমের কারণ নয়, তা তিনি স্পষ্টভাবে বলবেন কিনা।
প্রার্থী নিকোল সাফিয়ার তার উদ্বোধনী বক্তব্যে সরাসরি ভ্যাকসিনের কথা উল্লেখ না করে 'মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন' নীতির পক্ষে কথা বলেন। তিনি বলেন, রোগ হওয়ার পর তার চিকিৎসায় প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় করা হয়, তবে রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত কাজ হয় না। যার পরিণতিতে ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার বৃদ্ধি ও হৃদরোগের মতো প্রতিরোধযোগ্য ব্যাধি বাড়ছে।
ক্যাসিডি তখন সাফিয়ারকে চাপ দিয়ে জানতে চান, হাম, মাম্পস ও রুবেলা (এমএমআর) ভ্যাকসিন অটিজম সৃষ্টি করে না—এ বিষয়ে তারা উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের পরিষ্কার বার্তা দেবেন কিনা। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের করা মন্তব্যের সূত্র ধরে তিনি জানতে চান, এমএমআর ভ্যাকসিন অত্যন্ত প্রাণঘাতী কিনা।
উত্তরে রেডিওলজিস্ট ও ফক্স নিউজের অবদানকারী সাফিয়ার জানান, প্রেসিডেন্ট কী বলেছেন সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে পারেন না। তবে তিনি মনে করেন না যে এমএমআর ভ্যাকসিন প্রাণঘাতী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, হাম মোকাবিলার জন্য এমএমআর ভ্যাকসিনই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও জনসংখ্যায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা 'হার্ড ইমিউনিটি' তৈরির শ্রেষ্ঠ উপায় টিকাদান।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাস্থ্য কৌশল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ক্যাসিডি। তিনি মন্তব্য করেন, অসত্য তথ্যকে প্রশ্রয় দিয়ে ভ্যাকসিন নিয়ে দ্বিধায় থাকা মানুষকে সঠিক পথে আনা সম্ভব নয়। এর আগে গত মাসে এমএমআর ভ্যাকসিনের সুরক্ষা নিয়ে ট্রাম্পের করা মন্তব্যকে ক্যাসিডি 'উন্মাদনা ও বোকা নীতি' বলে অভিহিত করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ভ্যাকসিন বিরোধী হিসেবে পরিচিত রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে নিশ্চিত করার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন ক্যাসিডি। ক্যাসিডির দাবি অনুযায়ী, কেনেডি তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) তাদের ওয়েবসাইট থেকে 'ভ্যাকসিন অটিজমের কারণ নয়' বাক্যটি সরাবে না। তবে কেনেডি দায়িত্ব নেওয়ার পর সিডিসির ওই পাতায় তথ্য পরিবর্তন করে বৈজ্ঞানিক ঐক্যমত্যকে দুর্বল করা হয় এবং একটি পাদটীকা যুক্ত করা হয় যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে অটিজমের মূল কারণ এখনো অজানা।
Education ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নযুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এ-লেভেল কোর্সে শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম শীর্ষ পছন্দের বিষয় হয়ে উঠেছে মনোবিজ্ঞান। গণিতের পরেই বর্তমানে এ-লেভেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে এটি। আন্তর্জাতিক আবেদন সংস্থা 'উকাস' (UCAS)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় মনোবিজ্ঞান কোর্সে আবেদনের হার ৪.৯ শতাংশ বেড়েছে।বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছর বয়সী স্নাতক শিক্ষার্থী নিয়েম মুলকাহি এ বছর বেশ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি নামীদামি এফটিএসই…
Education ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এ-লেভেল কোর্সে শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম শীর্ষ পছন্দের বিষয় হয়ে উঠেছে মনোবিজ্ঞান। গণিতের পরেই বর্তমানে এ-লেভেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে এটি। আন্তর্জাতিক আবেদন সংস্থা 'উকাস' (UCAS)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় মনোবিজ্ঞান কোর্সে আবেদনের হার ৪.৯ শতাংশ বেড়েছে।
বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছর বয়সী স্নাতক শিক্ষার্থী নিয়েম মুলকাহি এ বছর বেশ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি নামীদামি এফটিএসই ১০০ (FTSE 100) প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় বিভাগে চাকরি পেয়েছেন। তিনি জানান, কোর্সের ডেটা অ্যানালাইসিস শেখার অভিজ্ঞতা তাকে চাকরির বাজারে বেশ সুবিধা দিয়েছে। কোর্সটিতে স্নায়ুবিজ্ঞান থেকে শুরু করে ফরেনসিক সাইকোলজি এবং 'ইনসেল' (incels)-এর মতো আধুনিক সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা মানব আচরণ বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মনোবিজ্ঞান কীভাবে মানুষ চিন্তা করে, অনুভব করে এবং আচরণ করে তা বোঝার একটি মূল মাধ্যম। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি অ্যান্ড নিউরোসায়েন্স স্কুলের বিশেষজ্ঞ হিদার ক্লিল্যান্ড উডস মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) যুগে যে দক্ষতাগুলোর কদর বাড়ছে, মনোবিজ্ঞান ঠিক সেই যোগাযোগ, জটিল মূল্যায়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার দক্ষতা গড়ে তোলে।
সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান জেমস এইঞ্জ জানান, বিষয়টির পরিধিই শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। কারণ এটি বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার ঠিক মাঝামাঝি বা মিলনস্থলে অবস্থান করছে। এখানে একদিকে যেমন মানুষের মতামত ও অনুভূতির বিশ্লেষণ রয়েছে, অন্যদিকে স্নায়ুবিজ্ঞান এবং কম্পিউটেশনাল মডেলের চর্চাও রয়েছে। বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ ও বস্তুনিষ্ঠ চিন্তা শেখার জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন চিকিৎসা, আইন কিংবা অর্থনীতির পাশাপাশি 'গার্ডিয়ানস ইউনিভার্সিটি গাইড'-এ সবচেয়ে বেশি অনুসন্ধান করা বিষয়গুলোর অন্যতম হলো মনোবিজ্ঞান। শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি নিয়োগ বিভাগের প্রধান জেস লোমাস জানান, তরুণরা এখন বাস্তব জীবনের জটিল সমস্যার সমধান খুঁজে পেতে চায়। জলবায়ু সংকট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্টফোনের ব্যবহার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মতো চলমান বৈশ্বিক সমস্যাগুলো বুঝতে মনোবিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের একটি কাঠামো তৈরি করে দেয়।
মনোবিজ্ঞানের ডিগ্রি অর্জনের পর ক্যারিয়ারের সুযোগও অত্যন্ত বহুমুখী। স্বাস্থ্যসেবা, গবেষণা, শিক্ষাকথা বা পেশাদার মনোবিজ্ঞানী হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা মার্কেটিং, সরকারি চাকরি, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ (এইচআর) এবং করপোরেট জগতেও নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছেন।
স্নাতক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মনোবিজ্ঞান সাধারণত 'বিএ' (BA) অথবা 'বিএসসি' (BSc) কোর্স হিসেবে পড়ানো হয়। বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোইনোভেশনের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু ওয়েলচম্যান জানান, শিক্ষার্থীদের এমন কোর্স বেছে নেওয়া উচিত যা 'ব্রিটিশ সাইকোলজিক্যাল সোসাইটি' দ্বারা অনুমোদিত। এই অনুমোদন কোর্সের জাতীয় মান বজায় রাখার নিশ্চয়তা দেয়, যা পরবর্তীতে পেশাদার মনোবিজ্ঞানী হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Lifestyle ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নজলপাইয়ের বোতল বা জারে থাকা লবণাক্ত তরল বা ব্রাইন সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। তবে এতে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর সুস্বাদু ফ্লেভার থাকে। এই তরল ফেলে না দিয়ে খুব সহজেই ক্লাসিক সালাদ নিসোয়াজের ড্রেসিং তৈরি করে রান্নায় নতুন মাত্রা যোগ করা সম্ভব।প্রাথমিকভাবে এটি টমেটো, অ্যানচোভি মাছ ও অলিভ অয়েলের একটি সাধারণ সালাদ হিসেবে শুরু হলেও সময়ের সাথে সাথে এতে বিভিন্ন উপাদান যুক্ত হয়েছে। সেদ্ধ সবুজ বিনস, ডিম…
Lifestyle ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
জলপাইয়ের বোতল বা জারে থাকা লবণাক্ত তরল বা ব্রাইন সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। তবে এতে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর সুস্বাদু ফ্লেভার থাকে। এই তরল ফেলে না দিয়ে খুব সহজেই ক্লাসিক সালাদ নিসোয়াজের ড্রেসিং তৈরি করে রান্নায় নতুন মাত্রা যোগ করা সম্ভব।
প্রাথমিকভাবে এটি টমেটো, অ্যানচোভি মাছ ও অলিভ অয়েলের একটি সাধারণ সালাদ হিসেবে শুরু হলেও সময়ের সাথে সাথে এতে বিভিন্ন উপাদান যুক্ত হয়েছে। সেদ্ধ সবুজ বিনস, ডিম এবং টুনা মাছের ব্যবহার এই সালাদের স্বাদ অনেক বাড়িয়ে দেয়। তবে এর ভূমধ্যসাগরীয় সহজ বৈশিষ্ট্য ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
অতিরিক্ত উপাদান ব্যবহার না করেই জলপাইয়ের তরল এই ড্রেসিংয়ে আলাদা স্বাদ যুক্ত করে। এই ভিনেগ্রেটে মূল তিনটি উপাদান ব্যবহার করা হয়। জলপাইয়ের তরল নোনতা ভাব ও স্বাদের গভীরতা আনে, রেড-ওয়াইন ভিনেগার টক ভাব যুক্ত করে এবং এক্সট্রা-ভার্জিন অলিভ অয়েল পুরো মিশ্রণকে একটি চমৎকার ভিত্তি দেয়।
যেহেতু এতে সরিষা ব্যবহার করা হয় না, তাই এই মিশ্রণটি বেশিক্ষণ জমাট বেঁধে স্থায়ী বা ইমালসিফাই থাকে না। ফলে সালাদে দেওয়ার ঠিক আগে বয়ামটি বা পাত্রটি আবার ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হয়। বাড়িতে বানানো এই ড্রেসিং রেফ্রিজারেটরে এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে।
এটি তৈরির জন্য দুই টেবিল চামচ জলপাইয়ের তরল, এক টেবিল চামচ রেড-ওয়াইন ভিনেগার, ছয় টেবিল চামচ এক্সট্রা-ভার্জিন অলিভ অয়েল এবং স্বাদমতো কালো গোলমরিচের গুঁড়ো প্রয়োজন হয়। একটি জারে সব উপাদান একসাথে নিয়ে ঢাকনা আটকে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হয়।
সালাদের অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে ছয়টি ডিম, ২০০ গ্রাম সবুজ বিনস, ২০০ গ্রাম ককটেল বা চেরি টমেটো, বীজ ও বোঁটা ছাড়ানো একটি লাল ক্যাপসিকাম বা রেড পেপার, অর্ধেক শসা, চারটি স্প্রিং অনিয়ন এবং একটি ছোট জারের কালো জলপাই। এছাড়া স্বাদ অনুযায়ী অ্যানচোভি ফিলেট ও এক মুঠো তুলসী পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রথমে একটি পাত্রে ঠান্ডা পানিতে ডিম নিয়ে ফোটাতে হবে। পানি ফুটতে শুরু করলে সবুজ বিনস দিয়ে চার মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। এরপর ডিম ও বিনস পানি থেকে তুলে বরফ বা ঠান্ডা পানিতে রাখতে হবে। ঠান্ডা হলে ডিমের খোসা ছাড়িয়ে অর্ধেক করে কেটে নিতে হবে।
এরপর টমেটো অর্ধেক করে কেটে সবজিগুলো একটি বড় ডিশে সুন্দর করে সাজাতে হবে। তার ওপর বিচি ছাড়া কালো জলপাই ও অ্যানচোভি ফিলেট ছড়িয়ে দিতে হবে। শেষে ডিমের টুকরো, ছেঁড়া তুলসী পাতা এবং ঝাঁকিয়ে নেওয়া ড্রেসিং ওপর থেকে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






