জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
ব্যবসা ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নইংলিশ ফুটবল ক্লাব চেলসি বিক্রির পর যুক্তরাজ্যের ব্যাংকে জমা থাকা অর্থ থেকে অন্তত ১৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড সুদ অর্জিত হয়েছে। রাশিয়ান বিলিয়নিয়ার রোমান আব্রামোভিচের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক অ্যাকাউন্টস ফাইল বা আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে থাকায় অর্জিত এই বিপুল সুদের কারণে এক ফুটবল অর্থায়ন বিশ্লেষক চেলসি বিক্রির অর্থ রাখা প্রতিষ্ঠানটিকে কৌতুক করে বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ফুটবল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান…
ব্যবসা ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
ইংলিশ ফুটবল ক্লাব চেলসি বিক্রির পর যুক্তরাজ্যের ব্যাংকে জমা থাকা অর্থ থেকে অন্তত ১৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড সুদ অর্জিত হয়েছে। রাশিয়ান বিলিয়নিয়ার রোমান আব্রামোভিচের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক অ্যাকাউন্টস ফাইল বা আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে থাকায় অর্জিত এই বিপুল সুদের কারণে এক ফুটবল অর্থায়ন বিশ্লেষক চেলসি বিক্রির অর্থ রাখা প্রতিষ্ঠানটিকে কৌতুক করে বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ফুটবল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
রোমান আব্রামোভিচ যে কোম্পানির মাধ্যমে চেলসির মালিক ছিলেন, সেই ফোর্ডস্ট্যামের আর্থিক বিবরণীতে দেখা গেছে, ২০২২ সালের মে মাসে সম্পন্ন হওয়া বিক্রির অর্থ ২.৩ বিলিয়ন পাউন্ড থেকে বেড়ে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে। তৎকালীন সময়ে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েন আব্রামোভিচ। সে সময় তিনি চেলসি বিক্রির অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধের শিকার ব্যক্তিদের দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে সেই অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের সাথে চলমান আইনি বিরোধের কারণে তা এখনো তহবিল হিসেবে মুক্তি পায়নি।
তহবিলটি অবরুদ্ধ থাকায় বার্কলেস ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রাখা আসল ২.৩৫ বিলিয়ন পাউন্ডের ওপর দ্রুত সুদ জমতে থাকে। প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সংস্থাটি প্রায় ৬৩ মিলিয়ন পাউন্ড এবং ২০২৪ সালে ১১৪ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সুদ উপার্জন করেছে। ২০২৪ সালের জুন মাসের পর আরও সময় পার হওয়ায় মোট সুদের পরিমাণ এখন আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইন সংস্থা ম্যাককার্থি ডেনিং-এর স্পোর্টস বিভাগের প্রধান ও ফুটবল অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ স্টেফান বোর্সন মন্তব্য করেছেন, অর্জিত সুদের কারণে এটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ফুটবল সম্পর্কিত ব্যবসা বলে মনে হচ্ছে। তবে এই অর্থ থেকে শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কখন বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিতরণ করা হবে, সে বিষয়ে নতুন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলেনি।
এদিকে চেলসি বিক্রির এই অর্থের ব্যবহার নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আব্রামোভিচের টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা চায় এই অর্থ কেবল ইউক্রেনের মানবিক সহায়তায় ব্যবহৃত হোক। কিন্তু কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আব্রামোভিচ কেবল ইউক্রেনে সীমাবদ্ধ না থেকে তুলনামূলক বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির কোনো ফাউন্ডেশনকে এই অর্থ দিতে চান। ২০২৬ সালের মার্চের সময়সীমার মধ্যে অর্থ হস্তান্তরে ব্যর্থ হওয়ায় আব্রামোভিচের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার।
যুক্তরাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, চেলসি ফুটবল ক্লাব বিক্রির অর্থ অবশ্যই ইউক্রেনের মানবিক কাজে ব্যবহার করার জন্য তাদের অবস্থান স্পষ্ট। আব্রামোভিচ বিক্রির সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ করেননি। সরকার এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মধ্যে প্রয়োজনে সম্ভাব্য আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে জার্সি দ্বীপে চেলসি বিক্রির তহবিলের মূল উৎস নিয়ে শুরু হওয়া একটি পৃথক অপরাধমূলক তদন্তের কারণে। সেখানে আব্রামোভিচের সাবেক তেল ও গ্যাস কোম্পানি সিবনেফ্ট বিক্রির ২০০৫ সালের ১৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিসহ অন্যান্য সম্পদের উৎসে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন কৌঁসুলিরা। একইসঙ্গে আব্রামোভিচের অফশোর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চেলসিতে দেওয়া ১.৪ বিলিয়ন পাউন্ডের ঋণ ফেরত দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত এই অর্থ আব্রামোভিচকে ফেরত দেওয়া যেমন আইনিভাবে কঠিন, তেমনি এই অর্থ দান তহবিল থেকে বাদ যাবে কি না তা নিয়েও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।
সূত্র: The Guardian - Business
ফিচার ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নপ্রতি এক দশকে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত গণমাধ্যম দ্য ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (বিবিসি) অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য দেশটির সরকারের সঙ্গে কয়েক বছর মেয়াদী জটিল এবং বিশদ আলোচনায় বসতে হয়। রেডিং শহরের উপকণ্ঠে একটি তাপমাত্রা-নিয়ন্ত্রিত ঘরে রাখা বাছুরের চামড়ায় তৈরি বিশেষ নথির মাধ্যমে এর আইনি রূপ দেওয়া হয়। রাজকীয় সনদ বা 'রয়্যাল চার্টার'-এর মাধ্যমে ১৯২০-এর দশকে রেডিও প্রযুক্তি চালু হওয়ার সময় থেকেই মেয়াদভিত্তিক সনদ নিয়ে পথ চলছে…
ফিচার ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
প্রতি এক দশকে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত গণমাধ্যম দ্য ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (বিবিসি) অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য দেশটির সরকারের সঙ্গে কয়েক বছর মেয়াদী জটিল এবং বিশদ আলোচনায় বসতে হয়। রেডিং শহরের উপকণ্ঠে একটি তাপমাত্রা-নিয়ন্ত্রিত ঘরে রাখা বাছুরের চামড়ায় তৈরি বিশেষ নথির মাধ্যমে এর আইনি রূপ দেওয়া হয়। রাজকীয় সনদ বা 'রয়্যাল চার্টার'-এর মাধ্যমে ১৯২০-এর দশকে রেডিও প্রযুক্তি চালু হওয়ার সময় থেকেই মেয়াদভিত্তিক সনদ নিয়ে পথ চলছে বিবিসি।
বর্তমান সনদের মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। কোনো কারণে যদি সময়মতো চার্টার নবায়ন না হয়, তবে বিটিভি বা বিবিসির মতো আইনি সত্তার বিলুপ্তি ঘটবে। ফলে এটি আর কর্মী নিয়োগ, সম্প্রচার বা প্রকাশের সুযোগ পাবে না এবং এর সমস্ত সম্পদ রাষ্ট্রের অধীনে চলে যাবে। তাই ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী মেয়াদের নীতি নির্ধারণে এখন থেকেই শুরু হয়েছে তদবির, বিতর্ক ও দর কষাকষি।
এই নবায়ন প্রক্রিয়ায় নীতি নির্ধারণের পাশাপাশি ভবিষ্যতের সংবাদ ও মিডিয়ার রূপরেখা কেমন হবে তা নির্ধারণ করতে হয়। অতীতে চার্টার নবায়নের সময়ই বিবিসি যুক্তরাজ্যের টেলিভিশন অবকাঠামো তৈরি, ওয়েবসাইট চালু এবং স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম 'আইপ্লেয়ার' তৈরি করে। বিবিসির প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসবিদ জেন সিটনের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এখন পর্যন্ত হওয়া চার্টার নবায়নগুলোর মধ্যে বর্তমান প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।
২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংস্কৃতি মন্ত্রী লিবি নান্দি একটি ৩৮ হাজার শব্দের গ্রিন পেপার প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু করেন। সেখানে ডিসইনফরমেশন বা ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে লড়া এবং লন্ডন কেন্দ্রিক কাজ কমিয়ে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও মিডিয়া সংশ্লিষ্টদের মূল নজর ছিল এর অর্থায়ন ব্যবস্থার দিকে।
বর্তমানে বিবিসির প্রাতিষ্ঠানিক আয়ের প্রায় ৬৫ শতাংশ আসে সরাসরি বার্ষিক ১৮০ পাউন্ডের লাইসেন্স ফি থেকে, যা লাইভ টিভি দেখা প্রতিটি পরিবার পরিশোধ করে। তবে নতুন বিবিসি মহাপরিচালক ম্যাট ব্রিটিন স্পষ্ট করেছেন যে এই মডেলটি এখন সংকটে। ২০১৭ সাল থেকে লাইসেন্স ফি বাবদ আয় বাস্তব অর্থে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন পাউন্ড কমে গেছে, যার ফলে সংস্থায় ব্যাপক বাজেট ছাঁটাই চলছে। গ্রিন পেপারে সরাসরি কর বা জার্মানির মতো গৃহস্থালি কর বাদ দেওয়ায় বিজ্ঞাপনী মডেল, সাবস্ক্রিপশন কিংবা পুনর্গঠিত লাইসেন্স ফি-ই ভরসা।
গ্রিন পেপারে উত্থাপিত ৩২টি প্রশ্নের উত্তর সংগ্রেহের কাজ শুরু হলে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার প্রতিক্রিয়া জমা পড়ে। পারফর্মিং আর্টস ইউনিয়ন 'ইকুইটি' এই পরামর্শ প্রক্রিয়া বর্জন করে একে সীমিত বলে আখ্যা দেয় এবং মিডিয়া রিফর্ম কোয়ালিশন একটি বিকল্প গ্রিন পেপার সামনে আনে। অন্যদিকে বিবিসি সাবস্ক্রিপশন ও বিজ্ঞাপনী মডেল প্রত্যাখ্যান করে ২০১৪ সালের আগের মতো ওয়ার্ল্ড সার্ভিস তহবিলের পুরো দায়িত্ব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নেওয়ার অনুরোধ করেছে।
সংস্কৃতি সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সামনে নীতি নির্ধারক ও প্রযুক্তি খাতের ব্যক্তিত্বরা বিভিন্ন পরামর্শ দেন। তরুণ দর্শকদের আকৃষ্ট করতে ইউটিউবভিত্তিক আলোচিত গোষ্ঠী 'সাইডমেন'-এর ব্যবস্থাপক জর্ডান সোয়ার্জেনবার্গ যুক্তি দেন যে তরুণরা আরও বাস্তবধর্মী বিষয়বস্তু চায়। অন্যদিকে নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাবলিক সার্ভিস মিডিয়ার স্থান ধরে রাখতে ইউটিউব ও এআই প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারি প্রভাব কিংবা নিজস্ব অ্যালগরিদম তৈরির বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাইরে থেকে দেখতে পাবলিক কনসালটেশন বা ব্যাপক জনসম্পৃক্ততার প্রক্রিয়া মনে হলেও ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মতে চার্টারের চূড়ান্ত রূপ দেয় কেবল হাতেগোনা কয়েকজন লোক। মিডিয়া গবেষক টম চিলভার্স মনে করেন, প্রাথমিক জনসচেতনতামূলক আলোচনাগুলো আড়ালে চলে যায় এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন সংস্কৃতি মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী নিজেই।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে মূলত তিনটি ভাবধারা কাজ করছে। প্রথম দল বা 'কাস্টোডিয়ান'রা চায় বিবিসির সার্বজনীনতা ও বর্তমান রূপ বজায় থাকুক। দ্বিতীয় দল বা 'শ্রিঙ্কার'রা মনে করে বিবিসির কারণে বেসরকারি বাণিজ্যিক মিডিয়াগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে, তাই কেবল সরকারি সংবাদ ও শিশুতোষ অনুষ্ঠানে বিবিসির কাজ সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। তৃতীয় দলটি প্রযুক্তিগত পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন অ্যালগরিদম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গঠনের পক্ষে। গোপনীয় এই দর কষাকষির মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত হবে শতবর্ষী এই সম্প্রচারমাধ্যমের আগামী দিনের ভাগ্য।
সূত্র: The Guardian - The Long Read
যুক্তরাজ্যের উত্তর সাগরের বিতর্কিত জ্যাকড' গ্যাসক্ষেত্র অনুমোদনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চলতি শরতের শেষ নাগাদ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৮ অক্টোবর হলবোর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনে হতে যাওয়া হাই-প্রোফাইল উপ-নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সমালোচনা এড়াতে লেবার পার্টি তাদের অবস্থান গোপন করছে বলে অভিযোগ করেছে গ্রিন পার্টি। অ্যাবারডিনের উপকূলবর্তী জ্যাকড' ক্ষেত্রটি অনুমোদনের বিষয়ে আগামী সপ্তাহে নিজের সুপারিশ দেওয়ার কথা ছিল জ্বালানি সচিব মিয়াতা ফাহনবুল্লেহের। তবে হোয়াইটহলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার…
যুক্তরাজ্যের উত্তর সাগরের বিতর্কিত জ্যাকড' গ্যাসক্ষেত্র অনুমোদনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চলতি শরতের শেষ নাগাদ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৮ অক্টোবর হলবোর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনে হতে যাওয়া হাই-প্রোফাইল উপ-নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সমালোচনা এড়াতে লেবার পার্টি তাদের অবস্থান গোপন করছে বলে অভিযোগ করেছে গ্রিন পার্টি।
অ্যাবারডিনের উপকূলবর্তী জ্যাকড' ক্ষেত্রটি অনুমোদনের বিষয়ে আগামী সপ্তাহে নিজের সুপারিশ দেওয়ার কথা ছিল জ্বালানি সচিব মিয়াতা ফাহনবুল্লেহের। তবে হোয়াইটহলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার দলীয় সম্মেলন মৌসুমের জন্য হাউস অফ কমন্স স্থগিত হওয়ার আগে এই সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা নেই। ফলে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই সংক্রান্ত কোনো ঘোষণা আসছে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
হলবোর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনটি দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের সাবেক সংসদীয় এলাকা। সেখানে লেবার পার্টির প্রার্থী সগল আবদি-ওয়ালির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি। জলবায়ু সংকটের মধ্যেও জ্যাকড' প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার সরকারি ইঙ্গিতের তীব্র সমালোচনা করেছেন পোলানস্কি।
মনোনীত হওয়ার পর পোলানস্কি অভিযোগ করেন, লেবার পার্টি উত্তর সাগরে নতুন ড্রিলিংয়ের অনুমতি দিতে যাচ্ছে, তবে উপ-নির্বাচনের সময় এটি গোপন রাখতে চায়। তিনি বলেন, জনগণ যেখানে জলবায়ু নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ চায়, সেখানে লেবার পার্টি জীবাশ্ম জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে দলটি ভোটারদের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের আচরণ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিদ্ধান্ত বিলম্বিত হওয়ার কারণে চলতি মাসের শেষে লিভারপুলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া লেবার পার্টির সম্মেলনে জ্যাকড' বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই বিলম্বের সমালোচনা করেছেন কনজারভেটিভ পার্টির ছায়া জ্বালানি সচিব অ্যান্ড্রিউ বোউই। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, সিদ্ধান্তের বিলম্ব যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধিতে আরও সময় নেবে। তিনি দাবি করেন, লেবার পার্টি দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
জ্যাকড' ছাড়াও রোজব্যাংক তেলক্ষেত্র প্রকল্পের বিষয়ে পৃথক আরেকটি সিদ্ধান্ত পেন্ডিং রয়েছে। পরিবেশবাদীরা দুটি প্রকল্পই বাতিল করার দাবি জানালেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকল্পগুলো চালু করার তাগিদ দিয়েছেন। রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক এমন চাপের মধ্যে লেবার সরকার কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
নির্বাচনী ইশতেহারে লেবার পার্টি উত্তর সাগরে নতুন ড্রিলিং লাইসেন্স না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে জ্যাকড' ও রোজব্যাংক প্রকল্পের পেছনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিদ্যমান লাইসেন্সের অনুকূলে পরিবেশগত অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। ফলে এই পারমিট মঞ্জুর করা হলে তা ইশতেহারের সরাসরি লঙ্ঘন হবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, যদিও দলটির অনেক এমপি পুরো প্রকল্পেরই বিরোধিতা করছেন।
প্রক্রিয়া অনুযায়ী, জ্বালানি সচিব তার সুপারিশ নর্থ সি ট্রানজিশন অথরিটির কাছে পাঠাবেন, যারা পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেবে। শিল্প খাতের দাবি অনুযায়ী, পিক টাইমে এই দুটি ক্ষেত্র যুক্তরাজ্যের তেল ও গ্যাসের মোট চাহিদার ১০ শতাংশ মেটাতে সক্ষম। গত মাসে এই সংক্রান্ত পরামর্শ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং জ্বালানি সচিব বর্তমানে বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
অন্যদিকে পরিবেশবাদীদের দাবি, এই তেল ও গ্যাস থেকে নির্গত কার্বনের ফলে অর্থনীতিতে প্রায় ৩৩৬ বিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষতি হতে পারে। সেল (Shell) এবং নরওয়ের প্রতিষ্ঠান ইকুইনোর (Equinor) পরিচালিত এই ক্ষেত্রগুলোর কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার লাইসেন্স থাকলেও আদালতের এক রায়ের পর পরিবেশগত অনুমোদন বাতিল করা হয়েছিল। রায়ে বলা হয়েছিল, তেল-গ্যাস ব্যবহারের ফলে তৈরি কার্বন নির্গমনের হিসাব দেওয়া বাধ্যতামূলক।
সূত্র: The Guardian - Business
প্রযুক্তি ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্নসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের দেখা ফিড বা কন্টেন্ট মূলত অ্যালগরিদমের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের একটি অভ্যন্তরীণ ফিচারের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এই অ্যালগরিদম ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রেখে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে পুরনো দিনের মতো সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কেমন হতে পারে।সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলো যখন শুরু হয়েছিল, তখন ব্যবহারকারীদের ফিডে মূলত তাদের পরিচিতদের পোস্টগুলোই ক্রমানুসারে দেখা যেত। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যালগরিদমের…
প্রযুক্তি ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের দেখা ফিড বা কন্টেন্ট মূলত অ্যালগরিদমের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের একটি অভ্যন্তরীণ ফিচারের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এই অ্যালগরিদম ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রেখে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে পুরনো দিনের মতো সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কেমন হতে পারে।
সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলো যখন শুরু হয়েছিল, তখন ব্যবহারকারীদের ফিডে মূলত তাদের পরিচিতদের পোস্টগুলোই ক্রমানুসারে দেখা যেত। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যালগরিদমের কারণে ফিড ভরে থাকে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন, ভাইরাল ভিডিও এবং কাস্টমাইজড কন্টেন্টে। ইনস্টাগ্রামের হোম স্ক্রিনের লোগোতে ট্যাপ করে ব্যবহারকারীরা চাইলে কেবল তাদের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টগুলোর পোস্ট ক্রমানুসারে দেখার অপশন বেছে নিতে পারেন।
২৪ ঘণ্টার এই পরীক্ষায় অংশ হিসেবে কেবল বাস্তবে পরিচিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, সংবাদ মাধ্যম বা সেলিব্রিটি অ্যাকাউন্টগুলোকে আনফলো করা হয়। এর ফলে দেখা যায়, মাত্র ১০ মিনিট স্ক্রোল করার পরই ফিডের সমস্ত নতুন কন্টেন্ট শেষ হয়ে যায় এবং প্ল্যাটফর্ম থেকে জানানো হয় যে বিগত ৩০ দিনের মধ্যে অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টগুলোর আর কোনো নতুন পোস্ট নেই।
অ্যালগরিদম ছাড়া ফিড ব্যবহারের সময় দেখা গেছে, পুরনো দিনের মতো বন্ধু বা পরিবারের সদস্যরা নিজেদের ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেওয়ার চেয়ে অনেকেই প্রচারণামূলক কাজে বা ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে পোস্ট করছেন। ফলে কন্টেন্ট সীমিত হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কন্টেন্টের ধরনও কিছুটা একঘেয়ে মনে হতে পারে।
অ্যালগরিদম বন্ধ রাখার এই পরীক্ষার মূল কারণ ছিল সামাজিক মাধ্যমে ক্ষতিকর এবং বিভ্রান্তিকর কন্টেন্টের বিস্তার রোধের বিষয়টি অনুধাবন করা। বিশ্বজুড়ে উগ্রপন্থী বা ক্ষতিকর নানা বিষয় অ্যালগরিদমের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সামনে বারবার চলে আসার বিষয়ে নানা উদ্বেগ রয়েছে। তবে ব্যক্তিগত পছন্দ অনুসারে অ্যালগরিদম মানুষকে বিনোদন দিলেও এটি সময়ের অপচয় ঘটায় এবং মানুষের চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলে।
২৪ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা শেষে দেখা যায়, নিয়মিত অ্যালগরিদম নির্ভর কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকা মানুষকে বাস্তবে চারপাশের পরিবেশের প্রতি এবং বই পড়ার মতো কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। অ্যালগরিদম বন্ধ রাখা বা এর ব্যবহার সীমিত করা ব্যবহারকারীদের মানসিক প্রশান্তি এবং সময়ের সঠিক ব্যবহারের জন্য একটি কার্যকর পথ হতে পারে।
সূত্র: The Guardian - Technology
ফিচার ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নসুদানে বেসামরিক জনগণ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও বেশি সংকটময় হয়ে উঠেছে। বেসামরিক মানুষ এখন এমন একটি প্রাণঘাতী ক্ষমতার লড়াইয়ের মাঝখানে আটকা পড়েছেন, যা তৈরি হয়েছে দুই প্রাক্তন সামরিক মিত্রের মধ্যকার তীব্র বৈরী সম্পর্কের ফলে।ন্যাসরিন মালিকের পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, কীভাবে দেশের আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান বা একসময়ের ‘আউটসাইডার’…
ফিচার ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
সুদানে বেসামরিক জনগণ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও বেশি সংকটময় হয়ে উঠেছে। বেসামরিক মানুষ এখন এমন একটি প্রাণঘাতী ক্ষমতার লড়াইয়ের মাঝখানে আটকা পড়েছেন, যা তৈরি হয়েছে দুই প্রাক্তন সামরিক মিত্রের মধ্যকার তীব্র বৈরী সম্পর্কের ফলে।
ন্যাসরিন মালিকের পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, কীভাবে দেশের আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান বা একসময়ের ‘আউটসাইডার’ সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করে পুরো দেশকে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। পূর্বের মিত্রতা কীভাবে রাতারাতি শত্রুতা ও সংঘাতের দিকে মোড় নেয়, তা সুদানের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সুদানের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে একটি স্থায়ী বেসামরিক সরকারের জন্য আন্দোলন করে আসছিলেন। কিন্তু সশস্ত্র দুই গ্রুপের প্রধানদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশের স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি বিনষ্ট করেছে। ফলে দুই সশস্ত্র বাহিনীর মুখোমুখি অবস্থান পুরো দেশকে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আধাসামরিক বাহিনীর এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সংঘাত সুদানের রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। দুই ক্ষমতাধর নেতার মধ্যে গড়ে ওঠা এই চরম বৈরিতা ও সামরিক সংঘাত দেশের বেসামরিক নাগরিকদের জীবনকে পুরোপুরি বিপন্ন ও বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
সূত্র: The Guardian - The Long Read
আসসালামু আলাইকুম আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আমাদের ওয়েবসাইটে পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। পাঠক বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি নতুন একটি পোস্ট। আমাদের আজকের পোস্টটি হচ্ছে মেয়েদের পিক ডাউনলোড সম্পর্কিত একটি পোষ্ট। আমরা আজকে আপনাদের মাঝে মেয়েদের পিক ডাউনলোড করার উপায় গুলো তুলে ধরবো। আমরা আমাদের আজকের এই পোস্টে আপনাদের সকলের জন্য অনেক সুন্দর ও আকর্ষণীয় মেয়েদের পিক গুলো প্রকাশ করবো। আমাদের আজকের এই পোস্ট থেকে আপনারা সাধারণ…
আসসালামু আলাইকুম আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আমাদের ওয়েবসাইটে পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। পাঠক বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি নতুন একটি পোস্ট। আমাদের আজকের পোস্টটি হচ্ছে মেয়েদের পিক ডাউনলোড সম্পর্কিত একটি পোষ্ট। আমরা আজকে আপনাদের মাঝে মেয়েদের পিক ডাউনলোড করার উপায় গুলো তুলে ধরবো। আমরা আমাদের আজকের এই পোস্টে আপনাদের সকলের জন্য অনেক সুন্দর ও আকর্ষণীয় মেয়েদের পিক গুলো প্রকাশ করবো। আমাদের আজকের এই পোস্ট থেকে আপনারা সাধারণ থেকে শুরু করে মর্ডান ও স্টাইলিশ মেয়েদের পিক গুলো খুজে পাবেন। আশা করি আমাদের আজকের এই মেয়েদের পিক ডাউনলোড সম্পর্কিত পোস্ট টি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এই জরিপে আপনি অংশগ্রহন করুন।
ব্যবসা ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নঅতিরিক্ত মৎস্য শিকারের কারণে বাজারে ট্র্যাডিশনাল বা আসল ম্যাকারেল মাছের সরবরাহ কমে গেছে। এই সংকট দূর করতে অনেক বিখ্যাত ব্র্যান্ড ও সুপারমার্কেট আসল ম্যাকারেলের কৌটায় বিকল্প হিসেবে 'জ্যাক ম্যাকারেল' নামক ভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি শুরু করেছে। তবে ক্রেতা সুরক্ষা সংস্থা 'উইচ?' (Which?) এই সিদ্ধান্তকে 'স্কিম্পফ্লেশন' হিসেবে বর্ণনা করে সমালোচনা করেছে।গত এক বছরে প্রিন্সেস (Princes)-এর মতো বড় ব্র্যান্ড এবং কিছু সুপারমার্কেট তাদের কৌটাজাত ম্যাকারেল ফিলেটে…
ব্যবসা ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
অতিরিক্ত মৎস্য শিকারের কারণে বাজারে ট্র্যাডিশনাল বা আসল ম্যাকারেল মাছের সরবরাহ কমে গেছে। এই সংকট দূর করতে অনেক বিখ্যাত ব্র্যান্ড ও সুপারমার্কেট আসল ম্যাকারেলের কৌটায় বিকল্প হিসেবে 'জ্যাক ম্যাকারেল' নামক ভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি শুরু করেছে। তবে ক্রেতা সুরক্ষা সংস্থা 'উইচ?' (Which?) এই সিদ্ধান্তকে 'স্কিম্পফ্লেশন' হিসেবে বর্ণনা করে সমালোচনা করেছে।
গত এক বছরে প্রিন্সেস (Princes)-এর মতো বড় ব্র্যান্ড এবং কিছু সুপারমার্কেট তাদের কৌটাজাত ম্যাকারেল ফিলেটে পরিবর্তন এনেছে। নতুন পণ্যের প্যাকেটে স্পষ্ট লেবেল থাকলেও খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্যাক ম্যাকারেল কোনোভাবেই আসল তৈলাক্ত ম্যাকারেলের উপযুক্ত বিকল্প হতে পারে না। এটি স্বাদে, গন্ধে, বুনোটে এবং পুষ্টিগুণে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রজাতি।
আটলান্টিক ট্র্যাডিশনাল ম্যাকারেলের তুলনায় চিলির এই জ্যাক ম্যাকারেলের দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। তা সত্ত্বেও আগের ম্যাকারেলের মতো একই মূল্যে এগুলো বিক্রি করা হচ্ছে। 'উইচ?'-এর ফুড পলিসি প্রধান সু ডেভিস জানান, প্রস্তুতকারকরা সরবরাহ সংকট ও স্থায়িত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও রেসিপি বা উপাদান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছে স্পষ্টভাবে সত্য প্রকাশ করা তাদের দায়িত্ব। অনেক গ্রাহক বাসায় নিয়ে খাবার পরই কেবল বুঝতে পারেন যে পণ্যটি পরিবর্তিত হয়েছে।
কৌটাজাত সামুদ্রিক খাবারের জন্য পরিচিত পর্যালোচক মার্কাস আনসেল সম্প্রতি লিডল (Lidl)-এর পণ্য নিয়ে একটি পর্যালোচনা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি আসল ম্যাকারেল ফিলেটকে ১০-এর মধ্যে ৮ রেটিং দিলেও নতুন জ্যাক ম্যাকারেলকে দিয়েছেন মাত্র ৩.৫ রেটিং। তিনি জানান, জ্যাক ম্যাকারেল গুণমানের দিক থেকে বেশ নিম্নমানের এবং এর স্বাদ ও পুষ্টি উপাদান আসল ম্যাকারেলের মতো নয়।
স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও এতে বড় পার্থক্য রয়েছে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার জন্য সপ্তাহে যে পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়, জ্যাক ম্যাকারেলে আসল ম্যাকারেলের তুলনায় প্রায় অর্ধেক পরিমাণ ওমেগা-৩ থাকে। ফলে স্বাস্থ্য সচেতন অনেক ক্রেতাই এতে হতাশ হচ্ছেন।
যুক্তরাজ্যের পরিবেশ, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক বিভাগ (Defra) গত বছর লেবেলিং নিয়ম সংশোধন করে। আগে এই প্রজাতিটিকে 'হর্স ম্যাকারেল', 'জ্যাক', 'স্ক্যাড' বা 'ট্রেভ্যালি' হিসেবে বিক্রি করতে হতো, তবে নতুন নিয়মে এটিকে 'জ্যাক ম্যাকারেল' নামে বাজারজাত করার অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া মেরিন কনসারভেশন সোসাইটি (MCS) সতর্ক করে বলেছে, অতিরিক্ত মাছ ধরার ফলে উত্তর-পূর্ব আটলান্টিক ম্যাকারেলের স্টক সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং তা এড়িয়ে চলার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।
প্রিন্সেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে মাছ ধরা টেকসই হলে এবং সনদ ফিরে পেলে তারা পুনরায় উত্তর-পূর্ব আটলান্টিক ম্যাকারেল প্রক্রিয়াজাত করার কথা বিবেচনা করবে। অপরদিকে সুপারমার্কেট চেইন ওয়েটরোজ (Waitrose) চলতি বছরের শুরুর দিকে ম্যাকারেল বিক্রি সম্পূর্ণ স্থগিত রেখে গ্রাহকদের হেরিং বা অন্য প্রজাতির মাছ কেনার পরামর্শ দিয়েছে।
সূত্র: The Guardian - Business
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






