জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
प्रतिष्ठा बन रही है
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
प्रतिष्ठा बन रही है
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
আরব উপদ্বীপের ইতিহাস শুধু একটি রাজবংশের উত্থান-পতনের ইতিহাস নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাস, মক্কা-মদিনার মর্যাদা, ইয়েমেন ও নজদের রাজনৈতিক-সামাজিক ইতিহাস, উসমানি সাম্রাজ্য, ব্রিটিশ কূটনীতি এবং আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রব্যবস্থা। সৌদি আরবের বর্তমান রাষ্ট্র কীভাবে গড়ে উঠল, নজদ ও মুহাম্মদ ইবন আবদুল ওয়াহহাবের আন্দোলনের ভূমিকা কী ছিল, ব্রিটিশদের সঙ্গে আল-সৌদদের সম্পর্ক কতটা ছিল, ইয়েমেন সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ কী বলেছেন এবং সৌদি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধর্মীয়ভাবে কী বলা যায়—এসব বিষয়…
আরব উপদ্বীপের ইতিহাস শুধু একটি রাজবংশের উত্থান-পতনের ইতিহাস নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাস, মক্কা-মদিনার মর্যাদা, ইয়েমেন ও নজদের রাজনৈতিক-সামাজিক ইতিহাস, উসমানি সাম্রাজ্য, ব্রিটিশ কূটনীতি এবং আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রব্যবস্থা।
সৌদি আরবের বর্তমান রাষ্ট্র কীভাবে গড়ে উঠল, নজদ ও মুহাম্মদ ইবন আবদুল ওয়াহহাবের আন্দোলনের ভূমিকা কী ছিল, ব্রিটিশদের সঙ্গে আল-সৌদদের সম্পর্ক কতটা ছিল, ইয়েমেন সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ কী বলেছেন এবং সৌদি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধর্মীয়ভাবে কী বলা যায়—এসব বিষয় আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
১. ‘জাজিরাতুল আরব’ ও ‘সৌদি আরব’—দুটি একই ধরনের নাম নয়
‘জাজিরাতুল আরব’ বা আরব উপদ্বীপ একটি ঐতিহাসিক-ভৌগোলিক নাম। ইসলামের প্রাথমিক যুগে আরব উপদ্বীপকে বোঝাতে বিভিন্ন আরবি পরিভাষা ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যদিকে ‘সৌদি আরব’ একটি আধুনিক রাষ্ট্রের নাম। ১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আবদুলআজিজ ইবন আবদুর রহমান আল-সৌদের অধীনে বিভিন্ন অঞ্চল একত্রিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া’ বা ‘সৌদি আরব রাজ্য’ নাম গ্রহণ করা হয়। সৌদি সরকারের নিজস্ব ইতিহাসেও এই তারিখটিই আধুনিক সৌদি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই ‘রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর দেওয়া জাজিরাতুল আরব নাম পরিবর্তন করে আল-সৌদরা সৌদি আরব রেখেছে’—এ কথাটি ঐতিহাসিকভাবে সরলীকৃত। ‘জাজিরাতুল আরব’ একটি ভৌগোলিক পরিভাষা; ১৯৩২ সালে ‘সৌদি আরব’ নামে যে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়, সেটি সেই বৃহত্তর উপদ্বীপের একটি রাষ্ট্র।
২. প্রথম সৌদি রাষ্ট্রের সূচনা: ১৭২৭
সৌদি রাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম পর্যায় শুরু হয় দিরিয়াহকে কেন্দ্র করে। সৌদি সরকারি ইতিহাস অনুযায়ী, ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ১৭২৭ সালে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিরিয়াহকে রাজধানী করেন। এই রাষ্ট্র ১৮১৮ সালে উসমানি-সমর্থিত মিশরীয় বাহিনীর অভিযানে পতিত হয়।
অর্থাৎ ১৭২৭ সালকে আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠার সাল বলা ঠিক নয়। এটি ছিল **প্রথম সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সাল**। আধুনিক ‘কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৩২ সালে।
৩. মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব ও আল-সৌদদের রাজনৈতিক জোট
১৮ শতকে নজদ অঞ্চলে মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাবের ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের উত্থান ঘটে। তাঁর আন্দোলন তাওহিদ, শিরক ও বিদআতের বিরোধিতা এবং ইসলামের প্রাথমিক যুগের অনুশীলনে প্রত্যাবর্তনের ওপর জোর দেয়।
১৭৪৪ সালের দিকে মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব ও মুহাম্মদ বিন সৌদের মধ্যে রাজনৈতিক-ধর্মীয় জোট গড়ে ওঠে। এর ফলে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তির জন্ম হয়। ব্রিটানিকা এই আন্দোলনকে ১৮ শতকের নজদে প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্মীয় আন্দোলন হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং বলেছে যে ১৭৪৪ সালে এটি সৌদি পরিবারের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত হয়।
তবে ‘ওহাবি মতবাদ মানেই ইসলাম বিকৃত করা’—এটি একটি ধর্মতাত্ত্বিক মূল্যায়ন; ইতিহাসের নিরপেক্ষ বর্ণনা নয়। একইভাবে ‘ওহাবি মতবাদই একমাত্র প্রকৃত ইসলাম’—এ দাবিও সর্বসম্মত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নয়। এ বিষয়ে মুসলিম আলেমদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতভেদ রয়েছে।
৪. প্রথম সৌদি রাষ্ট্র কীভাবে বিস্তৃত হয়েছিল?
আল-সৌদ ও ওয়াহহাবি আন্দোলনের রাজনৈতিক-ধর্মীয় জোটের পর নজদের বিস্তীর্ণ অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। ১৮ শতকের শেষভাগে তাদের প্রভাব নজদের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে এবং হিজাজের মক্কা ও মদিনাও তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। ১৮১৮ সালে প্রথম সৌদি রাষ্ট্রের পতন ঘটে।
এরপর দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্রের পর্যায় আসে। সেটিও শেষ পর্যন্ত পতিত হয়। পরবর্তীতে আবদুলআজিজ ইবন সৌদ ১৯০২ সালে রিয়াদ পুনর্দখলের মাধ্যমে তৃতীয় সৌদি রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯০২ সালের রিয়াদ পুনর্দখল আধুনিক সৌদি রাষ্ট্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ছিল।
৫. মক্কা-মদিনা কীভাবে আল-সৌদদের নিয়ন্ত্রণে আসে? এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সংশোধন প্রয়োজন।
১৯২৪–২৫ সালে আবদুলআজিজ ইবন সৌদের বাহিনী হিজাজে অভিযান চালায়। মক্কা, মদিনা ও পরে জেদ্দা সৌদি নিয়ন্ত্রণে আসে। ১৯২৬ সালে আবদুলআজিজ হিজাজের রাজা হিসেবে স্বীকৃত হন এবং ১৯২৭ সালে নজদও তাঁর রাজ্যের অংশ হিসেবে রাজ্য মর্যাদা পায়। পরে ১৯৩২ সালে পুরো রাষ্ট্রের নাম হয় ‘Kingdom of Saudi Arabia’।
তবে ‘ব্রিটিশরা সরাসরি সৌদিদের দিয়ে মক্কা-মদিনা দখল করিয়েছিল’—এই বক্তব্যের পক্ষে সরল ও শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায় না। বাস্তবতা আরও জটিল। ব্রিটিশদের সঙ্গে ইবন সৌদের চুক্তি ও সম্পর্ক ছিল। ১৯১৫ সালের দারিন চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন নজদে ইবন সৌদের অবস্থানকে স্বীকৃতি দেয় এবং অর্থ ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা করেছিল।
কিন্তু হিজাজ দখলের সময় ব্রিটিশরা শরিফ হুসাইনের পক্ষ নিয়ে সামরিক হস্তক্ষেপ করেনি। ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, হুসাইন ব্রিটিশ সহায়তা চাইলেও ব্রিটিশরা ধর্মীয় বিরোধে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
অতএব বলা যায়—**আল-সৌদদের সঙ্গে ব্রিটিশদের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল; কিন্তু ‘ব্রিটিশরা মক্কা-মদিনা দখল করিয়ে দিয়েছে’—এটি অতিরঞ্জিত সরলীকরণ।
৬. ইয়েমেনের মর্যাদা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর বক্তব্য ইয়েমেন সম্পর্কে ইসলামী সূত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হাদিস রয়েছে।
সহিহ মুসলিমে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ ﷺ ইয়েমেনবাসীদের কোমল হৃদয় ও ঈমানের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন এবং বলেছেন:
“ঈমান ইয়েমেনি এবং প্রজ্ঞা ইয়েমেনি।” সহিহ বুখারিতেও ইয়েমেনবাসীদের কোমল হৃদয় এবং ধর্মীয় বোঝাপড়া ও প্রজ্ঞার প্রশংসা এসেছে।
অন্য একটি সহিহ বুখারি হাদিসে রাসুলুল্লাহ ﷺ শাম ও ইয়েমেনের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন। এসব হাদিস থেকে ইয়েমেনের একটি বিশেষ ধর্মীয় মর্যাদা বোঝা যায়। কিন্তু এখান থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না যে **আজকের ইয়েমেনের কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা সামরিক সংগঠনই রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতিশ্রুত সেই ‘প্রকৃত ইসলাম’-এর একমাত্র প্রতিনিধি।**
৭. ‘ইয়েমেনের ৮০ শতাংশ মানুষ হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকায়’—দাবিটির বাস্তবতা এই বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সত্যের কাছাকাছি হলেও ভাষাটি সংশোধন করা দরকার।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, ইয়েমেনের মোট জনসংখ্যার আনুমানিক ৭০–৮০ শতাংশ মানুষ হুথিদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে বসবাস করে—কিন্তু হুথিরা দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ জনসংখ্যা ও ভূখণ্ডের হিসাব এক নয়। এর কারণ হলো ইয়েমেনের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বড় অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে, আর পূর্ব ও দক্ষিণের অনেক বিস্তীর্ণ এলাকা তুলনামূলকভাবে কম জনবসতিপূর্ণ। তাই ‘ইয়েমেনের ৮০ শতাংশ ভূখণ্ড হুথিদের হাতে’ বলা ভুল; বরং **‘ইয়েমেনের প্রায় ৭০–৮০ শতাংশ মানুষ হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বসবাস করে’** বলা অধিকতর সঠিক।
৮. ‘নজদ’ সম্পর্কে হাদিসের ব্যাখ্যা এখানে সবচেয়ে বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। সহিহ বুখারি ৭০৯৪-এ ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ ﷺ শাম ও ইয়েমেনের জন্য বরকতের দোয়া করেন। সাহাবিরা নজদের জন্যও দোয়া চাইলে তিনি বলেন, সেখানে ভূমিকম্প ও ফিতনা হবে এবং সেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে।
এই হাদিস সহিহ। কিন্তু ‘এখানে নজদ বলতে নিশ্চিতভাবে বর্তমান সৌদি আরবের নজদ অঞ্চল এবং এর মাধ্যমে পরবর্তী ওয়াহহাবি আন্দোলনকে বোঝানো হয়েছে’—এটি হাদিসের সরাসরি বক্তব্য নয়; এটি পরবর্তী ব্যাখ্যার একটি বিষয়। কারণ ‘নজদ’ শব্দটি আরবি ভাষায় একটি উচ্চভূমি বা উঁচু ভূখণ্ড বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়েছে এবং হাদিসের ভৌগোলিক ব্যাখ্যা নিয়ে ঐতিহাসিক আলেমদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
সুতরাং হাদিসটি উল্লেখ করা যাবে, কিন্তু সেটিকে সরাসরি ১৮ শতকের ওয়াহহাবি আন্দোলনের ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে ঘোষণা করা গবেষণাগতভাবে সতর্ক অবস্থান নয়।
৯. ‘আল-সৌদদের জন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর লানত রয়েছে’—এ দাবির প্রমাণ কী? এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন। সহিহ হাদিসে আল-সৌদ রাজবংশের নাম উল্লেখ করে তাদের ওপর রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর লানতের কোনো নির্ভরযোগ্য বর্ণনা পাওয়া যায় না। নজদ সম্পর্কিত সহিহ বুখারি হাদিস আছে; ইয়েমেনের প্রশংসা সম্পর্কিত সহিহ হাদিসও আছে। কিন্তু এগুলোকে একত্র করে ‘আল-সৌদ রাজবংশের ওপর রাসুলুল্লাহ ﷺ লানত করেছেন’ —এ সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোটা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নবী ﷺ-এর নামে এমন বক্তব্য প্রচার করার আগে নির্ভরযোগ্য সনদ ও মূল আরবি বর্ণনা যাচাই করা জরুরি।
১০. ৭৩ দলে বিভক্তির হাদিস মুসলিম উম্মাহ ৭৩ দলে বিভক্ত হওয়ার বর্ণনা ইসলামী সাহিত্যে পরিচিত। তবে এর বিভিন্ন সনদ, বর্ণনার শব্দ এবং বিশেষ করে ‘৭২ দল জাহান্নামে, একটি নাজাতপ্রাপ্ত’—এই অতিরিক্ত অংশের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। মিসরের দারুল ইফতা উল্লেখ করেছে যে এ বিষয়ে বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে এবং কিছু মুহাদ্দিস বর্ণনার কিছু অংশকে দুর্বল বলেছেন। অন্যদিকে কিছু সুন্নি আলেম বিভিন্ন সনদ বিবেচনায় হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য বা সহিহ বলেছেন। অতএব ‘আজ মুসলমানরা ঠিক ৭৩টি দলে বিভক্ত হয়ে গেছে’—এভাবে বর্তমান রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দলগুলোর ওপর সংখ্যাটি সরাসরি প্রয়োগ করা যথাযথ নয়।
১১. সৌদি রাজবংশের পতন কি আসন্ন? এটি ইতিহাসের তথ্য নয়; এটি একটি ভবিষ্যদ্বাণীমূলক রাজনৈতিক দাবি। বর্তমানে কেউ যদি বলেন—‘সৌদি রাজবংশের পতন নিশ্চিত’, ‘অমুক সময়ে মক্কায় রক্তের স্রোত বইবে’, ‘মদিনা পরিত্যক্ত হবে’ অথবা ‘ফিলিস্তিন বিশ্বের রাজধানী হবে’—তাহলে এসব বক্তব্যের জন্য নির্ভরযোগ্য কুরআন-হাদিসের দলিল দেখানো প্রয়োজন। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী ভবিষ্যতের বহু ঘটনা সম্পর্কে হাদিসে আলোচনা রয়েছে, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট আধুনিক রাষ্ট্রের পতন, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের উত্থান বা নির্দিষ্ট শহরে আসন্ন রক্তপাতকে নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে ঘোষণা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে মক্কা-মদিনা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ রক্তপাতের কথা বলে আতঙ্ক ছড়ানো এবং সেটিকে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
১২. তাহলে ইতিহাস আমাদের কী শিক্ষা দেয়? সৌদি আরবের ইতিহাসকে তিনটি পর্যায়ে বোঝা সহজ:
প্রথম পর্যায় — ১৭২৭–১৮১৮:
দিরিয়াহকে কেন্দ্র করে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র এবং নজদে ধর্মীয়-রাজনৈতিক জোটের উত্থান।
দ্বিতীয় পর্যায় — ১৯০২–১৯২৭:
আবদুলআজিজ ইবন সৌদের রিয়াদ পুনর্দখল, বিভিন্ন অঞ্চল একীভূত করা এবং শেষ পর্যন্ত হিজাজ ও নজদকে এক রাজনৈতিক কাঠামোর অধীনে আনা।
তৃতীয় পর্যায় — ১৯৩২ থেকে বর্তমান:
২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ ‘Kingdom of Saudi Arabia’ নামে আধুনিক রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা।
অন্যদিকে ইয়েমেনের রয়েছে ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই বিশেষ ধর্মীয় ঐতিহ্য। ইয়েমেনবাসীদের ঈমান, কোমল হৃদয় ও প্রজ্ঞার প্রশংসা সহিহ হাদিসে এসেছে।
আরব উপদ্বীপের ইতিহাসকে শুধু ‘সৌদি বনাম ইয়েমেন’ বা ‘ওয়াহাবি বনাম প্রকৃত ইসলাম’—এই দুই ভাগে দেখলে ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাদ পড়ে যায়।
নিশ্চিতভাবে বলা যায়—
প্রথম সৌদি রাষ্ট্র ১৭২৭ সালে দিরিয়াহকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাবের ধর্মীয় আন্দোলন এবং আল-সৌদ পরিবারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক জোট হয়েছিল।
সৌদি শক্তি ১৯২০-এর দশকে হিজাজ দখল করে মক্কা-মদিনার ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৯৩২ সালে ‘সৌদি আরব’ নামে আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
ইয়েমেন সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রশংসাসূচক ও বরকতের হাদিস সহিহ সূত্রে রয়েছে।
নজদ সম্পর্কিত ফিতনার হাদিসও সহিহ সূত্রে রয়েছে।
কিন্তু আল-সৌদ রাজবংশের ওপর রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সরাসরি লানতের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না।
‘ব্রিটিশরা সরাসরি মক্কা-মদিনা দখল করিয়ে দিয়েছিল’—এ বক্তব্য অতিরঞ্জিত; ব্রিটিশ-সৌদি সম্পর্ক ছিল, কিন্তু হিজাজ দখলের ঘটনাটি আরও জটিল রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ।
সৌদি রাজবংশের ‘আসন্ন পতন’, মক্কায় ‘রক্তের স্রোত’, মদিনা পরিত্যক্ত হওয়া বা ফিলিস্তিনকে বিশ্বের রাজধানী হওয়ার মতো দাবিকে নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে উপস্থাপন করার মতো নির্ভরযোগ্য দলিল নেই।
ইসলামের ইতিহাস নিয়ে আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নামে কোনো কথা বলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো **সহিহ সূত্র, নির্ভরযোগ্য সনদ এবং ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রাখা**। কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে সমর্থন বা বিরোধিতা করার জন্য নবী ﷺ-এর বক্তব্যকে নিজের মতের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা উচিত নয়। আল্লাহ আমাদের সত্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করার এবং মিথ্যা ও অতিরঞ্জন থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দিন।
ব্রিজের সব পাইল সোজা থাকে না। কিছু পাইল সোজা, আবার কিছু পাইল একটু কাত করে বসানো হয়। সোজা পাইল ব্রিজের ওপরের ভার নিচের শক্ত মাটিতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। আর তির্যক পাইল পাশ থেকে আসা চাপ, যেমন পানির স্রোত, বাতাস বা ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করে। তবে কোন ধরনের পাইল ব্যবহার করা হবে, তা ঠিক করা হয় মাটির অবস্থা, সেতুর নকশা এবং কী ধরনের চাপ কাজ করবে এসব বিবেচনা করে। #পদ্মাসেতু…
ব্রিজের সব পাইল সোজা থাকে না। কিছু পাইল সোজা, আবার কিছু পাইল একটু কাত করে বসানো হয়।
সোজা পাইল ব্রিজের ওপরের ভার নিচের শক্ত মাটিতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। আর তির্যক পাইল পাশ থেকে আসা চাপ, যেমন পানির স্রোত, বাতাস বা ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করে।
তবে কোন ধরনের পাইল ব্যবহার করা হবে, তা ঠিক করা হয় মাটির অবস্থা, সেতুর নকশা এবং কী ধরনের চাপ কাজ করবে এসব বিবেচনা করে।
#পদ্মাসেতু #PileFoundation #Construction #BridgeEngineering
#Engineering #CivilEngineering #BanglaFacts #EducationalContent #sciencebee #TheLogicLens
একজন গরীব অসহায় বাচ্চার জন্য স্কুলের বই খাতা প্রয়োজন কেউ কি সহযোগিতা করতে পারবেন?
দেশের তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা তৈরি করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে এলো 'উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি— উদ্যোগ (UDYOG)'। দেশের প্রতিটি প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত অর্থায়ন ও সহায়তা প্রদানই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। আবেদন সংক্রান্ত তথ্য: * আবেদন গ্রহণ শুরু: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ * আবেদন দাখিলের শেষ সময়: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ বি.দ্র: এছাড়াও অন্যান্য সকল জেলার…
দেশের তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা তৈরি করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে এলো 'উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি— উদ্যোগ (UDYOG)'।
দেশের প্রতিটি প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত অর্থায়ন ও সহায়তা প্রদানই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
আবেদন সংক্রান্ত তথ্য:
* আবেদন গ্রহণ শুরু: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
* আবেদন দাখিলের শেষ সময়: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বি.দ্র: এছাড়াও অন্যান্য সকল জেলার অন্তর্ভুক্ত সকল উপজেলার উদ্যোক্তারা আবেদন করতে পারবেন ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।
আবেদন ফর্ম ও বিস্তারিত তথ্য:
বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.bb.org.bd), এসএমই পোর্টাল এবং দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরমটি সরাসরি ডাউনলোড করা যাবে।
আজই আপনার উদ্যোগের পরিকল্পনা নিয়ে প্রস্তুত হন এবং দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের সহযাত্রী হোন!
বিস্তারিত সার্কুলারের লিংক কমেন্ট বক্সে ও এখানে দেওয়া হলো-
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল,কারেন্টহীন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
: ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎ সংকট ও তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসক, নার্স, রোগী ও তাঁদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাসপাতালে ৬০০ থেকে ৭০০ রোগী ভর্তি থাকলেও নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগেও বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে অক্সিজেন সরবরাহ ও নেবুলাইজেশনসহ অন্যান্য জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর থাকলেও পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে সেটি সারাক্ষণ চালানো সম্ভব…
: ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎ সংকট ও তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসক, নার্স, রোগী ও তাঁদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
প্রতিদিন হাসপাতালে ৬০০ থেকে ৭০০ রোগী ভর্তি থাকলেও নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগেও বিদ্যুৎ থাকছে না।
এতে অক্সিজেন সরবরাহ ও নেবুলাইজেশনসহ অন্যান্য জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর থাকলেও পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে সেটি সারাক্ষণ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। শুধু ওয়ার্ডই নয়, হাসপাতালের রান্নাঘর ও পুলিশ বক্সেও বিদ্যুৎহীন অবস্থা বিরাজ করছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসক ও নার্সরা বাধ্য হয়ে মোবাইলের টর্চ লাইট জ্বালিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তীব্র গরম ও অন্ধকারে ওয়ার্ড এবং বারান্দায় থাকা রোগীরা হাতপাখা ও মোবাইলের আলোর ওপর ভরসা করে কাতরাচ্ছেন।
এদিকে লোডশেডিংয়ের প্রভাবে হাসপাতালের মর্গে লাশ ময়নাতদন্ত করা ব্যাহত হচ্ছে। সেখানকার হিমাগারের চারটি ফ্রিজে রাখা অজ্ঞাত ও অন্যান্য মরদেহ বিদ্যুৎ না থাকায় পচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সারাদেশে বিদ্যুৎ সংকট থাকলেও মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের শেষ ভরসাস্থল এই সরকারি হাসপাতালকে সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের আওতাভুক্ত রাখার জোর দাবি উঠেছে।
বর্তমান ভোগান্তি নিরসনে এবং ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামলাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালটিকে দ্রুত ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই মানবিক সংকটের পাশাপাশি এলাকায় গ্যাস সরবরাহে চরম বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গ্যাস না থাকায় গৃহস্থালির রান্না বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি হোটেলগুলোতেও খাবার সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষকে চরম খাদ্যাভাব ও ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
লিটন হোসাইন জিহাদ
ভোটের দিন মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মোট ৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (আজ) সকালে সদর উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে জামায়াতের ছয়জন কর্মী-সমর্থক আহত হন বলে…
ভোটের দিন মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মোট ৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (আজ) সকালে সদর উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।
গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে জামায়াতের ছয়জন কর্মী-সমর্থক আহত হন বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আহতরা হলেন—তবারক হোসেন (৫০), মিনাজুল ইসলাম (৩৫), সম্রাট আলী (৩২), রিপন মিয়া (৩৫), আনারুল ইসলাম (৫৪) ও আলহাজ বিশ্বাস (৫২)। তাঁদের স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভাটপাড়া এলাকায় জামায়াত-সমর্থিত কয়েকজন ভোটার কেন্দ্রে আসার পথে বিএনপির সমর্থক কয়েকজন যুবক তাঁদের গতিরোধ করেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। লাঠিসোঁটার আঘাতে জামায়াতের ছয়জন কর্মী আহত হন।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে আমাদের ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। ভাটপাড়ায় পরিকল্পিতভাবে আমাদের ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন বলেন, ‘এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। প্রতিবেশীদের মধ্যে রেষারেষির কারণে এমনটি হয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।’
খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, ‘ভাটপাড়া কেন্দ্রে সামান্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোট গ্রহণ স্বাভাবিকভাবে চলছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, সদর উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকাতেও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন আহত হন। আহতরা হলেন শিবপুর গ্রামের সুমন, মামুন ও মাহাবুবুল। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ওই কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে ফেরার পথে সুমন ও তাঁর পরিবারের ওপর একদল যুবক হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে শিবপুর গ্রামের সাবদার আলীর ছেলে শাহাবুদ্দিনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক শাহাবুদ্দিন বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দ এনামুল কবির। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ স্বাভাবিক গতিতেই চলছে।’
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ ঘটনাকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করা হয়েছে।বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরের দিকে…
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ ঘটনাকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরের দিকে তাকে আটক করে মুরাদনগর থানায় নেওয়া হয়। আটক হাবিবুর রহমান হেলালী ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির এবং ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তিনি ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। পরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ১ হাজার টাকার দুটি বান্ডিলে থাকা মোট ২ লাখ টাকা উদ্ধার করে এবং হাবিবুর রহমান হেলালীকে থানায় নিয়ে যায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান হেলালী দাবি করেন, তার কাছে এত টাকা ছিল না। তিনি বলেন, নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত জামায়াতে ইসলামীর এজেন্টদের খাবারের খরচের জন্য অল্প কিছু টাকা সঙ্গে ছিল। বিএনপির লোকজন ষড়যন্ত্র করে তার গাড়িতে জোর করে ওই টাকা রেখে তাকে ফাঁসিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
একই দাবি করেছেন মুরাদনগর উপজেলা জামায়াতের আমির আ ন ম ইলিয়াস। তিনি বলেন, ওই ইউনিয়নে দলের তেমন দায়িত্বশীল কেউ না থাকায় হাবিবুর রহমান হেলালীকে সেখানে পাঠানো হয়েছিল। তার দাবি, স্থানীয় লোকজনের নামে মূলত বিএনপির কর্মীরাই তাকে আটক করে এবং পরে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বাজারের ব্যাগে করে ২ লাখ টাকা তার গাড়ির পেছনের মালামাল রাখার জায়গায় রেখে দেয়। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয় বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, কুমিল্লা-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত এভাবে টাকা বিতরণ করে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তার দাবি, আজ সকালে টাকা বিতরণের সময় তাদের একজনকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেছে।
মুরাদনগর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান জানান, টাকা বিতরণের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। যেহেতু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে সরাসরি হাতেনাতে ধরতে পারেননি, তাই বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়েছে। তিনি এসে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে এবারের নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, যিনি আসনটির পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। অপরদিকে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইউসুফ সোহেল।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের ব্যাগে পাওয়া গেছে ৭৪ লাখ টাকা। আটক করার পর দীর্ঘ সময় ধরে টাকা গণনা শেষে এই অঙ্ক নিশ্চিত করা হয়। তবে আটকের পর প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বেলাল উদ্দিন প্রধান দাবি করেছিলেন, তার কাছে থাকা টাকার পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মধ্যে এবং সেটি তার ব্যবসার অর্থ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে ঠাকুরগাঁও জেলার সালন্দর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক হিসেবে পরিচয়…
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের ব্যাগে পাওয়া গেছে ৭৪ লাখ টাকা। আটক করার পর দীর্ঘ সময় ধরে টাকা গণনা শেষে এই অঙ্ক নিশ্চিত করা হয়। তবে আটকের পর প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বেলাল উদ্দিন প্রধান দাবি করেছিলেন, তার কাছে থাকা টাকার পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মধ্যে এবং সেটি তার ব্যবসার অর্থ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে ঠাকুরগাঁও জেলার সালন্দর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার লাগেজে থাকা এই অর্থ গার্মেন্টস ব্যবসার কাজে ব্যবহারের জন্য বহন করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, এই অর্থ তার ব্যবসার এবং পুরো ঘটনাটি একটি ‘সাজানো নাটক’।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়, আটক হওয়া এই নেতার কাছে টাকার বৈধ উৎসের প্রমাণ চাইছে তারা। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা বা কাগজপত্র দেখাতে না পারলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত তল্লাশির সময় তার কাছে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে টাকার বিষয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে মান্নান নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় বেলাল উদ্দিন প্রধান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ২২ ধরনের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তর এ নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের করণীয় ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।নির্দেশনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রার্থী বা তাদের সমর্থকের সঙ্গে ছবি তোলা, উপহার গ্রহণ, রাজনৈতিক পছন্দ প্রকাশ, ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ,…
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ২২ ধরনের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তর এ নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের করণীয় ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্দেশনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রার্থী বা তাদের সমর্থকের সঙ্গে ছবি তোলা, উপহার গ্রহণ, রাজনৈতিক পছন্দ প্রকাশ, ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ, রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট বা মন্তব্য, দায়িত্বকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার, অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি, জনসমাগম স্থলে অযথা অবস্থান এবং অশোভন পোশাক পরিধান থেকে বিরত থাকা।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যরা প্রার্থী, এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে কোনো ধরনের খাবার, উপঢৌকন বা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। রাজনৈতিক মিছিলে অংশগ্রহণ, কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা বা কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য প্রকাশও নিষিদ্ধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিনে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষিদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আচরণ বা অসদাচরণ, সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ, ভোটের ফলাফল বা সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী সম্পর্কে পূর্বানুমান করা, স্পর্শকাতর ঘটনার ছবি বা ভিডিও কারও কাছে পাঠানো, একত্রে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি—all এসব থেকে পুলিশ সদস্যদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, জনসমাগম স্থল বা খোলা জায়গায় খাবার খাওয়া, ফুটপাত বা টং দোকানে বসা, বাদাম, ভাপা পিঠা, চানাচুর, জিলাপি, বিস্কুট, কলা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার গ্রহণ, অশোভন পোশাক পরিধান এবং অপেশাদার আচরণও নিষিদ্ধ।
পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনার লক্ষ্য হলো নির্বাচনী পরিবেশকে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশজুড়ে এখন ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভোটারদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ভোট দিতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে রাখা কি বাধ্যতামূলক?নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে না থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব। অনেকের ধারণা, এনআইডি ছাড়া ভোট দেওয়া যায় না, এটি সঠিক নয়। মূল বিষয় হলো,…
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশজুড়ে এখন ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভোটারদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ভোট দিতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে রাখা কি বাধ্যতামূলক?
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে না থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব। অনেকের ধারণা, এনআইডি ছাড়া ভোট দেওয়া যায় না, এটি সঠিক নয়। মূল বিষয় হলো, ভোটারের নাম সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকায় থাকতে হবে। পোলিং অফিসার ভোটার তালিকায় থাকা নাম ও ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলেই ব্যালট পেপার প্রদান করবেন।
তবে ভোট প্রক্রিয়া দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করার জন্য ভোটারদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর আগে থেকে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র ও ক্রমিক নম্বর জানা যাবে নিম্নোক্ত মাধ্যমে:
ভোটদানের সময় সনাতন পদ্ধতিতে কাগজের ব্যালট এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। ভোট বাতিল এড়াতে কিছু নিয়ম মানা জরুরি:
১. ব্যালট পেপারের পেছনে প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর ও সিল আছে কি না যাচাই করে গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে।
২. সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি ভাঁজ করতে হবে যাতে সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না পড়ে।
৩. ব্যালট বাক্সে ভাঁজ করা ব্যালট পেপার নির্ধারিত স্বচ্ছ বাক্সে ফেলা হবে। ভোট দেওয়ার পর অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সচেতনতা ও নিয়ম মেনে ভোটদানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। ভোটাধিকার প্রয়োগে আগ্রহী প্রত্যেক নাগরিককে নির্ধারিত নিয়ম মেনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মোঃ আল আমিন মল্লিক : বরগুনা-২ আসনের বেতাগী উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেতাগী উপজেলার ৪২ টি কেন্দ্রের ১২ টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী নির্বাচনী অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রভিত্তিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে।ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ভোট কেন্দ্র বেতাগী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ,…
মোঃ আল
আমিন
মল্লিক
: বরগুনা-২ আসনের বেতাগী
উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেতাগী
উপজেলার ৪২ টি কেন্দ্রের
১২ টি ভোট কেন্দ্র
ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী নির্বাচনী অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রভিত্তিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ
কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ভোট
কেন্দ্র বেতাগী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, বিবিচিনি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ভোট
কেন্দ্র তালগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতাগী ইউনিয়নের ১১ নম্বর কেন্দ্র
পূর্বরানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২ কেন্দ্র কেন্দ্র
খোন্তাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫ নম্বর ঝোপখালী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোসনাবাদ ইউনিয়নের ১৭ নম্বর উত্তর
হোসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০ নম্বর দক্ষিন
ঝোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোকামিয়া ইউনিয়নের ২৪ নম্বর জোয়ার
করুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের ২৮ নম্বর পশ্চিম
করুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজীর হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। কাজিরাবাদ
ইউনিয়নের ৩৬ নম্বর কেন্দ্র
পূর্ব কাজিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ৪০ নম্বর কেন্দ্র
ভোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৪২ সরিষামুড়ি সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এসব
কেন্দ্রে অতীতে সংঘর্ষ, ভোটার উপস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা, কিংবা প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও সহিংসতার ঘটনা
ঘটেছিল বলে সংশ্লিষ্টরা এলাকার ভোট ভোটারদের কাছে জানা গেছে।
স্থানীয়
ভোটারদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র
প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অনেকে মনে করেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
আয়োজন করতে প্রশাসনের আগাম প্রস্তুতি ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া হয়েছে ।
বেতাগী
থানার অফিসার ইনচার্জন(ওসি) মো. জুয়েল ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোবাইল টিম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
তৎপরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বেতাগী
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং
কর্মকর্তা মুহ: সাদ্দাম হোসেন বলেন,’ ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্রেগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য
মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নৌবাহিনী ও বিজিবি টহল
জোরদার করা হয়েছে।
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি : আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার প্রতিটি নির্বাচনী আসনে এখন উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বিরাজ করছে ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল থেকেই জেলা নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধার নির্ধারিত সকল ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ নিরাপত্তা দল প্রতিটি কেন্দ্রের…
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার
প্রতিটি নির্বাচনী আসনে এখন উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বিরাজ করছে ব্যাপক প্রশাসনিক
তৎপরতা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল থেকেই জেলা নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধার নির্ধারিত সকল ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স,
ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা।
পুলিশ, আনসার
ও ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ নিরাপত্তা দল প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্ব বুঝে
নিয়েছেন এবং বিশেষ করে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলগুলোর কেন্দ্রগুলোতে
নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জেলাজুড়ে যেকোনো
ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি র্যাব ও বিজিবির স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক
টহল দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন যে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন
অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি
কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেখানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে
যাতে আগামীকাল সকাল থেকেই সাধারণ ভোটাররা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। গাইবান্ধার এই কর্মব্যস্ত নির্বাচনী আবহে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও তৎপরতা সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে।
কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোর ৬টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী রহমতের বিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে নুরুল আমিন (৩২), রহমতের বিল গ্রামের আহমেদের ছেলে জানে আলম (৩৫) এবং কক্সবাজার সদর পৌরসভার শফিক আহমদের ছেলে সোহেল রানা (২৬)।অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি…
কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তিনজনকে
আটক করা হয়েছে।
বুধবার ভোর ৬টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী রহমতের বিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা
করা হয়।
আটক
ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে নুরুল আমিন (৩২), রহমতের বিল গ্রামের আহমেদের ছেলে জানে আলম (৩৫) এবং কক্সবাজার সদর পৌরসভার শফিক আহমদের ছেলে সোহেল রানা (২৬)।
অভিযানকালে
তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি একনালা বন্দুক, একটি ওয়ান শুটার, একটি হ্যামার, দুটি চাপাতি, দুটি ওয়াকিটকি সেট, চারটি পিস্তলের গুলি, ৬৯টি একে-২১-এর গুলি,
তিনটি কার্তুজ এবং ১৩টি রাইফেলের গুলি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ এলাকার
নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অভিযান শেষে আটক তিনজনকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






