জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
प्रतिष्ठा बन रही है
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
प्रतिष्ठा बन रही है
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
ছবিতে মেঝেতে নিথর হয়ে পড়ে থাকা অবোধ শিশুটিকে দেখতে পাচ্ছেন—তার নাম ছিল আলী। গতকাল এই নিষ্ঠুর পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া ‘আবদুল্লাহ’ নামক শিশুটির জীবন-ইতিহাসও আলীর চেয়ে বিন্দুমাত্র আলাদা ছিল না। প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মানোর অপরাধে চার বছর আগে আলীর বাবা-মা তাকে মিরপুরের সুলতানুল আউলিয়া হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে ফেলে রেখে নীরবে কেটে পড়ে। সেখান থেকে তাকে কুড়িয়ে নেয় আরেকজন অসহায় নারী। তবে তা ভালোবাসার টানে নয়, বরং অভিভাবকত্বের…
ছবিতে মেঝেতে নিথর হয়ে পড়ে থাকা অবোধ শিশুটিকে দেখতে পাচ্ছেন—তার নাম ছিল আলী। গতকাল এই নিষ্ঠুর পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া ‘আবদুল্লাহ’ নামক শিশুটির জীবন-ইতিহাসও আলীর চেয়ে বিন্দুমাত্র আলাদা ছিল না।
প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মানোর অপরাধে চার বছর আগে আলীর বাবা-মা তাকে মিরপুরের সুলতানুল আউলিয়া হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে ফেলে রেখে নীরবে কেটে পড়ে। সেখান থেকে তাকে কুড়িয়ে নেয় আরেকজন অসহায় নারী। তবে তা ভালোবাসার টানে নয়, বরং অভিভাবকত্বের ছদ্মবেশে শুরু হয় অমানবিক শোষণ। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন আলী না পারতো হাঁটতে, না পারতো কথা বলতে। আর এই অসহায়ত্বকেই পুঁজি করে টানা চার বছর তাকে দিয়ে মাজার প্রাঙ্গণে ভিক্ষাবৃত্তি করানো হয়।
রোদ, ঝড়, বৃষ্টি, ধুলাবালি আর মশা-মাছির কামড় সহ্য করে মাজারের মেঝেতেই কেটেছে অবুঝ শিশুটির জীবনের প্রতিটি দিন। প্রচণ্ড কনকনে শীতে শীতবস্ত্র ছাড়াই মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে একদিন আলীর পরনের শীতবস্ত্রটি তাকে উপহার দিয়েছিলাম।
তথাকথিত সেই অভিভাবক আলীকে ব্যবহার করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করলেও, শিশুর ন্যূনতম যত্ন নেয়নি। ছেঁড়া ও নোংরা পোশাক পরা থাকলে মানুষের সহানুভূতি বেশি পাওয়া যাবে এবং দান-খয়রাত বেশি মিলবে—এই হীন মানসিকতায় শিশুটিকে পরিচ্ছন্ন একটি পোশাক এমনকি শীতের পোশাক পর্যন্ত পরানো হতো না।
আবদুল্লাহ জীবনযুদ্ধে লড়াই করেছিল দুই বছর, আর আলী এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে টিকে ছিল চার বছর। চার বছর আগের তথাকথিত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের দয়ার দৃষ্টি যেমন আলীর ওপর পড়েনি, তেমনি গত দুই বছরেও আবদুল্লাহর জন্য কারো মন গলেনি।
আসলে অসহায় মজলুমদের প্রতি দয়া কোনো কালেই হয়নি।
যে পথের মাঝখানে আলী এবং আবদুল্লাহ বছরের পর বছর খোলা আকাশের নিচে পড়ে ছিল, সেই পথ ধরেই প্রতিদিন হাজারো মানুষ খোদার দরবারে নামাজ পড়তে মসজিদে গেছেন, হাজারো মানুষ মাজার জিয়ারত করেছেন। কিন্তু পরম সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে অসহায় সৃষ্টি দুটোকে দেখে কারো হৃদয়ে বিন্দুমাত্র করুণা জাগেনি।
সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি যখন চোখের সামনে রাস্তায় পড়ে কষ্ট পায়, তাকে পেছনে ফেলে ধর্মালয়ে গিয়ে স্রষ্টাকে খোঁজার মধ্যে আদৌ কি কোনো সার্থকতা আছে? মানবতাহীন এই এবাদত কি সত্যিই আমাদের মুক্তি দিতে পারবে?
গ্যাস দিবে বলে দেয়নি,ক্ষুদার্থ অনেক পরিবার,ঘোষনা দিয়ে সময় মতো গ্যাস না দেয়ায় এ ভুগান্তিতে পড়তে হয়েছে গোটা শহরের মানুষ,কাল সকালে গ্যাসফিল্ডের ডিজিএম এর কার্যালয় ঘেরাও করা দরকার। নাই গ্যাস নাই বিদ্যুৎ। তামাশা পাইছো মিয়া।
পথিকটিভি আপনার কাছে কতোটুকু ব্যবহারে আরাম দায়ক জানান
Journalism is no longer limited to collecting, writing, and publishing news. With the rapid development of digital technology, the nature of journalistic work has changed significantly. At the same time, there is a growing need for an integrated platform where journalists can communicate with one another, exchange information, improve their skills, explore job opportunities, create content, and build professional networks. Keeping this reality in mind, PothikTV.com has developed an integrated…
Journalism is no longer limited to collecting, writing, and publishing news. With the rapid development of digital technology, the nature of journalistic work has changed significantly. At the same time, there is a growing need for an integrated platform where journalists can communicate with one another, exchange information, improve their skills, explore job opportunities, create content, and build professional networks.
Keeping this reality in mind, PothikTV.com has developed an integrated digital community platform specifically for journalists. According to the organization, it is Bangladesh’s first journalist community platform to bring together various features of journalism and digital community engagement under a single platform.
Alongside news and multimedia content, the PothikTV website provides information and initiatives related to journalism, digital storytelling, technology, and professional skill development. The primary objective of the platform is to build an active, collaborative, and mutually supportive digital network for media professionals.
More Than a News Portal: A Community for Journalists
One of the key features of the PothikTV Community Platform is that it goes beyond the traditional concept of a news portal and creates a dedicated space for social and professional interaction among journalists.
Journalists will be able to create their own profiles and connect with other media professionals. Through the Community Feed, users can publish and share their news reports, articles, opinions, photographs, videos, and other forms of content.
At the same time, journalists can exchange professional experiences and information about their work with others. In this way, the platform can serve both as a communication network and as a digital space for building professional relationships.
Job Search for Career Opportunities
Finding suitable employment opportunities is one of the major challenges faced by newcomers and professionals in journalism. Recognizing this need, the platform includes a Job Search feature.
Media organizations, newspapers, television channels, online news portals, and other relevant institutions can publish job opportunities through the platform. Journalists and job seekers, on the other hand, can search for opportunities based on their qualifications, experience, and professional interests.
This creates the potential for a specialized digital employment network for journalists and media professionals.
E-Learning for Professional Development
Digital journalism requires continuous learning and adaptation to new technologies and skills. Mobile journalism, video storytelling, social media, digital marketing, content writing, SEO, and artificial intelligence are now closely connected with modern journalism.
The PothikTV Community Platform includes an E-Learning facility designed to provide journalists and students with opportunities to develop new skills through online educational content.
This means a user can communicate with fellow journalists while also accessing learning resources to improve professional knowledge and digital skills, all within the same platform.
Content Writing and Content Creation Opportunities
In the digital media era, content is one of the most important strengths of any platform. From news reports and feature stories to opinion pieces, blogs, video scripts, and social media content, there is an increasing demand for skilled writers and content creators.
PothikTV has incorporated Content Writing into its community ecosystem. This provides journalists, writers, and content creators with an opportunity to showcase their creativity while developing professional opportunities in content production.
Messaging and Direct Communication
Fast and effective communication is essential in journalism. Whether it involves gathering news, verifying information, conducting interviews, exchanging photographs or videos, or coordinating professional activities, journalists often need to communicate quickly.
To address this need, the platform includes a Messaging feature that allows community members to communicate directly and exchange information with one another.
Creating Communities and Groups
Another important feature of PothikTV is the ability for users to create their own Communities and Groups according to their professional needs and interests.
Separate groups can be created for journalists from a particular district, newspaper, television channel, online news portal, journalists’ organization, or specific reporting beat.
For example, dedicated communities can be created for crime reporting, sports journalism, photojournalism, technology journalism, or journalists working in a particular district.
Such communities can create greater opportunities for regular communication, experience sharing, collaboration, and professional networking among people working in the same field or sharing similar interests.
E-Commerce Facilities
Alongside the journalist community, the platform also incorporates E-Commerce functionality. This creates an opportunity to connect digital community activities with online commercial services.
In the future, this section could evolve into a dedicated marketplace for digital services, products, professional tools, and other online activities relevant to journalists and content creators.
Bringing Journalism, Technology, Education, Communication, and Employment Together
The core philosophy behind PothikTV’s community initiative is to bring journalism, technology, education, communication, and employment together on a single digital platform.
While conventional social media platforms primarily focus on personal communication and general content sharing, a journalist-focused community platform can create a specialized digital environment centered around the professional needs of journalists.
Here, a journalist can manage a professional profile, publish news and other content, communicate with fellow journalists, join groups and communities, search for job opportunities, access online education, and build professional networks.
Although Bangladesh has various journalists’ organizations, professional networks, and social media platforms, there are still limited examples of integrated digital platforms that bring multiple professional needs of journalists together in one place.
In this context, PothikTV’s Journalist Community Platform has emerged as a new digital initiative. Such a platform could be particularly valuable for journalists working at district and local levels by providing greater opportunities for professional communication, networking, and skills development.
Future Possibilities
According to PothikTV’s plans, the community platform has significant potential for further technological development. Future integration of artificial intelligence, digital news production, fact-checking, multimedia storytelling, and professional training could make the platform an even more comprehensive ecosystem for journalists.
The integration of these technologies could help journalists adapt to the rapidly changing digital media landscape while improving their professional capabilities and access to resources.
A Digital Ecosystem for Journalists
Overall, PothikTV.com’s Journalist Community Platform is a technology-driven initiative that aims to bring professional communication, skill development, employment opportunities, content creation, and networking together under one digital umbrella, alongside news publishing.
According to PothikTV, as Bangladesh’s first journalist community platform, its vision is not limited to operating a media outlet. Rather, the broader goal is to build a connected, skilled, collaborative, and technology-driven digital community for journalists across the country.
ঠিক আছে
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের সরকারি চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়শ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এখানে। কিন্তু চিকিৎসক ও জনবল সংকট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, প্রয়োজনীয় সেবার সীমাবদ্ধতা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগের কারণে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করছেন রোগী ও স্বজনরা। সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি…
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের সরকারি চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়শ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এখানে। কিন্তু চিকিৎসক ও জনবল সংকট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, প্রয়োজনীয় সেবার সীমাবদ্ধতা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগের কারণে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করছেন রোগী ও স্বজনরা।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য আদায়, সরকারি কাজে বহিরাগত ব্যক্তির সম্পৃক্ততা, হাসপাতালে ওষুধ থাকার পরও রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বলার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আধুনিক অপারেশন থিয়েটার থাকলেও সেটির ব্যবহার সীমিত বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অচল থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগী ও স্বজনদের পড়তে হয় বাড়তি দুর্ভোগে।
৫০ শয্যার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম শ্রেণির ৩০টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১৬ জন। তবে এই ১৬ জনের মধ্যে পাঁচজন চিকিৎসক ডেপুটেশনে অন্যত্র কর্মরত রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আরও দুইজন চিকিৎসককে সরাইলে পদায়ন করা হলেও তারা এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি।
ফলে কাগজে চিকিৎসকের সংখ্যা ১৬ জন দেখালেও বাস্তবে নিয়মিত চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কম।
অন্যদিকে হাসপাতালে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে সার্জারি, মেডিসিন, শিশু, চক্ষু ও ইএনটি বিভাগের পদ থাকলেও বর্তমানে এসব বিভাগে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্মরত নেই বলে জানা গেছে।
এর ফলে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের বাধ্য হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
সরাইল সদর এলাকার নাথপাড়ার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়া (৫০) বলেন,
“চিকিৎসক কম থাকায় আমরা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছি না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখাতে এসে জানতে পারলাম এখানে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ নেই। তাই বাধ্য হয়ে জেলা শহরে যেতে হচ্ছে।”
দেওড়া গ্রামের রোকেয়া বেগমও একই ধরনের অভিযোগ করেন।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে আসা এক রোগী বলেন,
“আমার মেয়ে অসুস্থ। সরকারি হাসপাতালে এসেও জানতে পারলাম মেডিসিন বিশেষজ্ঞ নেই। সাধারণ মানুষ তাহলে কোথায় যাবে?”
হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর তুলনায় চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সহায়ক জনবল কম হওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
তৃতীয় শ্রেণির ৮০ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ১৯ জন কর্মরত থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল পর্যাপ্ত নয় বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন,
“প্রতিদিন হাসপাতালে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। সীমিত জনবল দিয়েই আমরা আন্তরিকভাবে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় চাপ সামলাতে কষ্ট হয়।”
তিনি জানান, শূন্য পদগুলোতে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও স্থানীয়রা।
সরেজমিনে হাসপাতালের ওষুধ বিতরণকেন্দ্রে সরকারি কর্মকর্তার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে একজন বহিরাগত ব্যক্তিকে বসে কাজ করতে দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি কার্যক্রমে ওই ব্যক্তি কীভাবে এবং কোন অনুমোদনের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি জানেন বলে জানান। তার দাবি, ওই ব্যক্তি শিক্ষিত এবং কাজটি করায় আপাতত কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
তবে সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পরিবর্তে একজন বহিরাগত ব্যক্তিকে দিয়ে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে কোনো লিখিত অনুমোদন রয়েছে কি না, সে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে বহিরাগত ব্যক্তির সম্পৃক্ততার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
হাসপাতালের বহির্বিভাগের টিকিট নিয়েও রোগীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।
কয়েকজন রোগীর অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ৩ টাকার টিকিটের জন্য তাদের কাছ থেকে ৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হলেও অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে ওষুধ বিতরণ নিয়ে।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক ওষুধ লেখা থাকলেও হাসপাতালের কাউন্টার থেকে সব ওষুধ দেওয়া হয় না। অনেক সময় এক বা দুই ধরনের কমদামি ওষুধ দিয়ে বাকি ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে বলা হয়।
এক রোগী আক্ষেপ করে বলেন,
“আমরা দরিদ্র মানুষ। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য নেই বলেই সরকারি হাসপাতালে আসি। এখানে এসে যদি প্রেসক্রিপশনের ওষুধও বাইরে থেকে কিনতে হয়, তাহলে সরকারি হাসপাতালের সুবিধা কী?”
তিনি আরও বলেন, প্রায় ৬০ টাকা গাড়িভাড়া খরচ করে হাসপাতালে এসে তিনি মাত্র ১০ টাকা মূল্যের একটি অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট পেয়েছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ হাসপাতালে মজুত রয়েছে।
এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে গ্যাসের ওষুধ পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে প্রেসক্রিপশনে থাকা অন্যান্য ওষুধ রোগীদের কেন দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতালের ওষুধের মজুত, বিতরণ এবং রোগীদের কাছে সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে যাচাই করা উচিত।
হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময়ে অবকাঠামো ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উন্নয়ন করা হলেও অভিযোগ রয়েছে, অনেক সুবিধার পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে আধুনিক অপারেশন থিয়েটারের ব্যবস্থা থাকলেও সেটি বেশিরভাগ সময় কার্যকর থাকে না। বছরে সীমিতসংখ্যক সিজারিয়ান অপারেশন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও কেন নিয়মিতভাবে এসব সুবিধা ব্যবহার করা যাচ্ছে না?
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যাখ্যা এবং অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে।
হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জেনারেটর থাকলেও সেটি দীর্ঘদিন ধরে অচল বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রায় দুই বছর ধরে জেনারেটরটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের চলাচল এবং জরুরি সেবায় সমস্যা সৃষ্টি হয়।
প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসা একটি সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অচল থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৫ সালে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০১২ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।
কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও জনবল নিশ্চিত না হওয়ায় হাসপাতালের অবকাঠামো ও চিকিৎসা সুবিধার পূর্ণ সুফল পাচ্ছেন না উপজেলার মানুষ, এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, দুইজন চিকিৎসককে পদায়ন করা হলেও তারা এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ করা সম্ভব হলে রোগীদের আরও ভালো সেবা দেওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য আদায়, সরকারি কাজে বহিরাগত ব্যক্তির সম্পৃক্ততা, ওষুধ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, সীমিত অপারেশন থিয়েটার কার্যক্রম এবং দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অচল থাকার বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাদের প্রশ্ন, প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়শ রোগীর সেবা দেওয়া একটি সরকারি হাসপাতালে যদি প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকে, প্রয়োজনীয় জনবল না থাকে, বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালু না হয় এবং রোগীদের ওষুধের জন্য বাইরে ছুটতে হয়, তাহলে প্রান্তিক মানুষের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবার কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত হবে কীভাবে?
সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ।
চলবে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমিনপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্দিষ্ট স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমে থাকায় এলাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গত ৫ জুন আমিনপুরে প্রতিবাদী সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। আন্দোলনের পর বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় যোগাযোগ করা হলে বর্জ্য ফেলার স্থানটির চারপাশে দেয়াল নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমিনপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্দিষ্ট স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমে থাকায় এলাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গত ৫ জুন আমিনপুরে প্রতিবাদী সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। আন্দোলনের পর বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় যোগাযোগ করা হলে বর্জ্য ফেলার স্থানটির চারপাশে দেয়াল নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই দেয়াল নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সমস্যার সমাধানে পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দেন এলাকাবাসী। কিন্তু এরপরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি বলে দাবি তাদের।
সর্বশেষ জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় আমিনপুরের বর্জ্য সমস্যার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবারই মিলেছে আশ্বাস। কিন্তু বাস্তবে এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তাদের প্রশ্ন, “আর কতদিন আশ্বাসের অপেক্ষায় থাকতে হবে?”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক ও স্থায়ী ব্যবস্থা করবে এবং আমিনপুরবাসীকে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেবে।
আশ্বাস নয়, এবার বাস্তবায়ন চান আমিনপুরবাসী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৬ জুন ২০২৬:তরুণদের মধ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সচেতনতা এবং নিরাপদ ডিজিটাল নাগরিকত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে "ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি (স্বাধীনতা)" প্রকল্পের হাফ-ডে অরিয়েন্টেশন।ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এ আয়োজন বাস্তবায়িত হয়।অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৩০ জন যুব প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। অরিয়েন্টেশন…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৬ জুন ২০২৬:তরুণদের মধ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সচেতনতা এবং নিরাপদ ডিজিটাল নাগরিকত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে "ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি (স্বাধীনতা)" প্রকল্পের হাফ-ডে অরিয়েন্টেশন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এ আয়োজন বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৩০ জন যুব প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। অরিয়েন্টেশন সেশন পরিচালনা করেন প্রত্যাশীর সিএসও পুষ্প রানী বৈদ্য এবং এইচআর প্রতিনিধি শেখ সামিউল ইসলাম।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিং, ডিজিটাল নিরাপত্তা, সাইবার সেফটি এবং প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) প্রতিরোধ বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক ও ব্যবহারিক সেশন পরিচালনা করা হয়।
আয়োজকরা জানান, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তরুণদের সচেতন, দায়িত্বশীল এবং নিরাপদ ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণ ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরতে চান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান তিনি। সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহকারী এবং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক আওয়ামী নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবরটি জানিয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশ।দলীয় প্রধানের দেশে ফেরা উপলক্ষে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যেও বলা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে…
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরতে চান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান তিনি। সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহকারী এবং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক আওয়ামী নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবরটি জানিয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশ।দলীয় প্রধানের দেশে ফেরা উপলক্ষে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যেও বলা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে যাই বলছেন না কেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিষয়টিকে স্ট্যান্টবাজি হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এটি দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার কৌশল মাত্র। আসলে তিনি বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরবেন না।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ও গণহত্যা মামলায় ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির রায় দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে দ্রুত সময়ে ফিরতে চান। সেজন্য যেসব প্রক্রিয়া গ্রহণ করা দরকার, তা আমরা করছি। তিনি যেভাবে ভারতে গিয়েছেন সেভাবেই বীরদর্পে দেশে ফিরবেন।’
এ ধরনের বক্তব্যের আসলে বাস্তবতা আছে, নাকি কর্মীদের চাঙা করার কৌশল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একটু অপেক্ষা করুন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা উপলক্ষ্যে বিপুল জনসমাগম করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে দলের অসহায় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতেই দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা।সম্প্রতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের এক নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে টাইমসকে তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান। তার এই মনোভাবের কথা ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে। এমনকি তিনি আগামী ১৫ আগস্টের আগেই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে ট্রাভেল পাসও চাইতে পারেন।’
সম্প্রতি দলের নেতাদের সঙ্গে টেলিগ্রামের একটি গ্রুপ কলে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তার এখন যে বয়স, তাতে আর সর্বোচ্চ কয়েক বছর বাঁচতে পারেন। দেশে এসে গণতন্ত্রের জন্য যদি তাকে ফাঁসির মঞ্চেও যেতে হয়, তাতেও তার কোনো কষ্ট থাকবে না’, বলেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের ওই নেতা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর থেকেই আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। বহু নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।
মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ২৭ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করে। পরে চলতি বছরের এপ্রিলে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করলে আরও চাপে পড়ে আওয়ামী লীগ।তৃণমূল নেতাকর্মীদের বড় অংশ এখন মামলা, গ্রেপ্তার আতঙ্ক ও আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমন প্রেক্ষাপটে আসলেই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্য কী শুধু বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ নাকি দলটির এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করেছে টাইমস।দলটির কয়েক ধাপের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করলেও সেখানে তিনি নিয়মিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভারত সরকার তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক করারও সুযোগ করে দিচ্ছে। সেখানে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন।
দলীয় প্রধানের এমন দৃঢ় মনোভাবের পর দলের মাঠের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত করতে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সারা দেশে এখন নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন।
ভোটের দিন মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মোট ৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (আজ) সকালে সদর উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে জামায়াতের ছয়জন কর্মী-সমর্থক আহত হন বলে…
ভোটের দিন মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মোট ৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (আজ) সকালে সদর উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।
গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে জামায়াতের ছয়জন কর্মী-সমর্থক আহত হন বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আহতরা হলেন—তবারক হোসেন (৫০), মিনাজুল ইসলাম (৩৫), সম্রাট আলী (৩২), রিপন মিয়া (৩৫), আনারুল ইসলাম (৫৪) ও আলহাজ বিশ্বাস (৫২)। তাঁদের স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভাটপাড়া এলাকায় জামায়াত-সমর্থিত কয়েকজন ভোটার কেন্দ্রে আসার পথে বিএনপির সমর্থক কয়েকজন যুবক তাঁদের গতিরোধ করেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। লাঠিসোঁটার আঘাতে জামায়াতের ছয়জন কর্মী আহত হন।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে আমাদের ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। ভাটপাড়ায় পরিকল্পিতভাবে আমাদের ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন বলেন, ‘এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। প্রতিবেশীদের মধ্যে রেষারেষির কারণে এমনটি হয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।’
খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, ‘ভাটপাড়া কেন্দ্রে সামান্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোট গ্রহণ স্বাভাবিকভাবে চলছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, সদর উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকাতেও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন আহত হন। আহতরা হলেন শিবপুর গ্রামের সুমন, মামুন ও মাহাবুবুল। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ওই কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে ফেরার পথে সুমন ও তাঁর পরিবারের ওপর একদল যুবক হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে শিবপুর গ্রামের সাবদার আলীর ছেলে শাহাবুদ্দিনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক শাহাবুদ্দিন বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দ এনামুল কবির। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ স্বাভাবিক গতিতেই চলছে।’
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ ঘটনাকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করা হয়েছে।বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরের দিকে…
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ ঘটনাকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরের দিকে তাকে আটক করে মুরাদনগর থানায় নেওয়া হয়। আটক হাবিবুর রহমান হেলালী ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির এবং ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তিনি ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। পরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ১ হাজার টাকার দুটি বান্ডিলে থাকা মোট ২ লাখ টাকা উদ্ধার করে এবং হাবিবুর রহমান হেলালীকে থানায় নিয়ে যায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান হেলালী দাবি করেন, তার কাছে এত টাকা ছিল না। তিনি বলেন, নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত জামায়াতে ইসলামীর এজেন্টদের খাবারের খরচের জন্য অল্প কিছু টাকা সঙ্গে ছিল। বিএনপির লোকজন ষড়যন্ত্র করে তার গাড়িতে জোর করে ওই টাকা রেখে তাকে ফাঁসিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
একই দাবি করেছেন মুরাদনগর উপজেলা জামায়াতের আমির আ ন ম ইলিয়াস। তিনি বলেন, ওই ইউনিয়নে দলের তেমন দায়িত্বশীল কেউ না থাকায় হাবিবুর রহমান হেলালীকে সেখানে পাঠানো হয়েছিল। তার দাবি, স্থানীয় লোকজনের নামে মূলত বিএনপির কর্মীরাই তাকে আটক করে এবং পরে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বাজারের ব্যাগে করে ২ লাখ টাকা তার গাড়ির পেছনের মালামাল রাখার জায়গায় রেখে দেয়। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয় বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, কুমিল্লা-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত এভাবে টাকা বিতরণ করে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তার দাবি, আজ সকালে টাকা বিতরণের সময় তাদের একজনকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেছে।
মুরাদনগর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান জানান, টাকা বিতরণের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। যেহেতু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে সরাসরি হাতেনাতে ধরতে পারেননি, তাই বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়েছে। তিনি এসে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে এবারের নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, যিনি আসনটির পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। অপরদিকে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইউসুফ সোহেল।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের ব্যাগে পাওয়া গেছে ৭৪ লাখ টাকা। আটক করার পর দীর্ঘ সময় ধরে টাকা গণনা শেষে এই অঙ্ক নিশ্চিত করা হয়। তবে আটকের পর প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বেলাল উদ্দিন প্রধান দাবি করেছিলেন, তার কাছে থাকা টাকার পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মধ্যে এবং সেটি তার ব্যবসার অর্থ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে ঠাকুরগাঁও জেলার সালন্দর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক হিসেবে পরিচয়…
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের ব্যাগে পাওয়া গেছে ৭৪ লাখ টাকা। আটক করার পর দীর্ঘ সময় ধরে টাকা গণনা শেষে এই অঙ্ক নিশ্চিত করা হয়। তবে আটকের পর প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বেলাল উদ্দিন প্রধান দাবি করেছিলেন, তার কাছে থাকা টাকার পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মধ্যে এবং সেটি তার ব্যবসার অর্থ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে ঠাকুরগাঁও জেলার সালন্দর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার লাগেজে থাকা এই অর্থ গার্মেন্টস ব্যবসার কাজে ব্যবহারের জন্য বহন করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, এই অর্থ তার ব্যবসার এবং পুরো ঘটনাটি একটি ‘সাজানো নাটক’।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়, আটক হওয়া এই নেতার কাছে টাকার বৈধ উৎসের প্রমাণ চাইছে তারা। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা বা কাগজপত্র দেখাতে না পারলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত তল্লাশির সময় তার কাছে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে টাকার বিষয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে মান্নান নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় বেলাল উদ্দিন প্রধান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ২২ ধরনের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তর এ নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের করণীয় ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।নির্দেশনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রার্থী বা তাদের সমর্থকের সঙ্গে ছবি তোলা, উপহার গ্রহণ, রাজনৈতিক পছন্দ প্রকাশ, ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ,…
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ২২ ধরনের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তর এ নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের করণীয় ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্দেশনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রার্থী বা তাদের সমর্থকের সঙ্গে ছবি তোলা, উপহার গ্রহণ, রাজনৈতিক পছন্দ প্রকাশ, ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ, রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট বা মন্তব্য, দায়িত্বকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার, অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি, জনসমাগম স্থলে অযথা অবস্থান এবং অশোভন পোশাক পরিধান থেকে বিরত থাকা।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যরা প্রার্থী, এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে কোনো ধরনের খাবার, উপঢৌকন বা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। রাজনৈতিক মিছিলে অংশগ্রহণ, কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা বা কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য প্রকাশও নিষিদ্ধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিনে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষিদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আচরণ বা অসদাচরণ, সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ, ভোটের ফলাফল বা সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী সম্পর্কে পূর্বানুমান করা, স্পর্শকাতর ঘটনার ছবি বা ভিডিও কারও কাছে পাঠানো, একত্রে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি—all এসব থেকে পুলিশ সদস্যদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, জনসমাগম স্থল বা খোলা জায়গায় খাবার খাওয়া, ফুটপাত বা টং দোকানে বসা, বাদাম, ভাপা পিঠা, চানাচুর, জিলাপি, বিস্কুট, কলা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার গ্রহণ, অশোভন পোশাক পরিধান এবং অপেশাদার আচরণও নিষিদ্ধ।
পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনার লক্ষ্য হলো নির্বাচনী পরিবেশকে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশজুড়ে এখন ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভোটারদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ভোট দিতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে রাখা কি বাধ্যতামূলক?নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে না থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব। অনেকের ধারণা, এনআইডি ছাড়া ভোট দেওয়া যায় না, এটি সঠিক নয়। মূল বিষয় হলো,…
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশজুড়ে এখন ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভোটারদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ভোট দিতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে রাখা কি বাধ্যতামূলক?
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে না থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব। অনেকের ধারণা, এনআইডি ছাড়া ভোট দেওয়া যায় না, এটি সঠিক নয়। মূল বিষয় হলো, ভোটারের নাম সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকায় থাকতে হবে। পোলিং অফিসার ভোটার তালিকায় থাকা নাম ও ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলেই ব্যালট পেপার প্রদান করবেন।
তবে ভোট প্রক্রিয়া দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করার জন্য ভোটারদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর আগে থেকে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র ও ক্রমিক নম্বর জানা যাবে নিম্নোক্ত মাধ্যমে:
ভোটদানের সময় সনাতন পদ্ধতিতে কাগজের ব্যালট এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। ভোট বাতিল এড়াতে কিছু নিয়ম মানা জরুরি:
১. ব্যালট পেপারের পেছনে প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর ও সিল আছে কি না যাচাই করে গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে।
২. সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি ভাঁজ করতে হবে যাতে সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না পড়ে।
৩. ব্যালট বাক্সে ভাঁজ করা ব্যালট পেপার নির্ধারিত স্বচ্ছ বাক্সে ফেলা হবে। ভোট দেওয়ার পর অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সচেতনতা ও নিয়ম মেনে ভোটদানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। ভোটাধিকার প্রয়োগে আগ্রহী প্রত্যেক নাগরিককে নির্ধারিত নিয়ম মেনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মোঃ আল আমিন মল্লিক : বরগুনা-২ আসনের বেতাগী উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেতাগী উপজেলার ৪২ টি কেন্দ্রের ১২ টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী নির্বাচনী অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রভিত্তিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে।ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ভোট কেন্দ্র বেতাগী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ,…
মোঃ আল
আমিন
মল্লিক
: বরগুনা-২ আসনের বেতাগী
উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেতাগী
উপজেলার ৪২ টি কেন্দ্রের
১২ টি ভোট কেন্দ্র
ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী নির্বাচনী অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রভিত্তিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ
কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ভোট
কেন্দ্র বেতাগী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, বিবিচিনি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ভোট
কেন্দ্র তালগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতাগী ইউনিয়নের ১১ নম্বর কেন্দ্র
পূর্বরানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২ কেন্দ্র কেন্দ্র
খোন্তাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫ নম্বর ঝোপখালী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোসনাবাদ ইউনিয়নের ১৭ নম্বর উত্তর
হোসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০ নম্বর দক্ষিন
ঝোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোকামিয়া ইউনিয়নের ২৪ নম্বর জোয়ার
করুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের ২৮ নম্বর পশ্চিম
করুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজীর হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। কাজিরাবাদ
ইউনিয়নের ৩৬ নম্বর কেন্দ্র
পূর্ব কাজিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ৪০ নম্বর কেন্দ্র
ভোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৪২ সরিষামুড়ি সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এসব
কেন্দ্রে অতীতে সংঘর্ষ, ভোটার উপস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা, কিংবা প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও সহিংসতার ঘটনা
ঘটেছিল বলে সংশ্লিষ্টরা এলাকার ভোট ভোটারদের কাছে জানা গেছে।
স্থানীয়
ভোটারদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র
প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অনেকে মনে করেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
আয়োজন করতে প্রশাসনের আগাম প্রস্তুতি ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া হয়েছে ।
বেতাগী
থানার অফিসার ইনচার্জন(ওসি) মো. জুয়েল ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোবাইল টিম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
তৎপরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বেতাগী
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং
কর্মকর্তা মুহ: সাদ্দাম হোসেন বলেন,’ ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্রেগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য
মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নৌবাহিনী ও বিজিবি টহল
জোরদার করা হয়েছে।
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি : আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার প্রতিটি নির্বাচনী আসনে এখন উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বিরাজ করছে ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল থেকেই জেলা নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধার নির্ধারিত সকল ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ নিরাপত্তা দল প্রতিটি কেন্দ্রের…
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার
প্রতিটি নির্বাচনী আসনে এখন উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বিরাজ করছে ব্যাপক প্রশাসনিক
তৎপরতা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল থেকেই জেলা নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধার নির্ধারিত সকল ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স,
ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা।
পুলিশ, আনসার
ও ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ নিরাপত্তা দল প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্ব বুঝে
নিয়েছেন এবং বিশেষ করে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলগুলোর কেন্দ্রগুলোতে
নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জেলাজুড়ে যেকোনো
ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি র্যাব ও বিজিবির স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক
টহল দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন যে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন
অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি
কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেখানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে
যাতে আগামীকাল সকাল থেকেই সাধারণ ভোটাররা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। গাইবান্ধার এই কর্মব্যস্ত নির্বাচনী আবহে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও তৎপরতা সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে।
কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোর ৬টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী রহমতের বিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে নুরুল আমিন (৩২), রহমতের বিল গ্রামের আহমেদের ছেলে জানে আলম (৩৫) এবং কক্সবাজার সদর পৌরসভার শফিক আহমদের ছেলে সোহেল রানা (২৬)।অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি…
কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তিনজনকে
আটক করা হয়েছে।
বুধবার ভোর ৬টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী রহমতের বিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা
করা হয়।
আটক
ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে নুরুল আমিন (৩২), রহমতের বিল গ্রামের আহমেদের ছেলে জানে আলম (৩৫) এবং কক্সবাজার সদর পৌরসভার শফিক আহমদের ছেলে সোহেল রানা (২৬)।
অভিযানকালে
তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি একনালা বন্দুক, একটি ওয়ান শুটার, একটি হ্যামার, দুটি চাপাতি, দুটি ওয়াকিটকি সেট, চারটি পিস্তলের গুলি, ৬৯টি একে-২১-এর গুলি,
তিনটি কার্তুজ এবং ১৩টি রাইফেলের গুলি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ এলাকার
নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অভিযান শেষে আটক তিনজনকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






