জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
ساکھ بن رہی ہے
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
ساکھ بن رہی ہے
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
Sports ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমস ২০২৬-এর স্কোয়াশ প্রতিযোগিতায় পুরুষ একক বিভাগের ফাইনালে রবিবার সোনা জয়ের লড়াইয়ে নামছেন ভারতের অভয় সিং। মর্যাদাপূর্ণ এই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাঁর মুখোমুখি হবেন মালয়েশিয়ার তারকা স্কোয়াশ খেলোয়াড় এন ইয়ো এনগ।রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ফাইনাল ম্যাচটিকে ঘিরে ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এশিয়ান গেমসে সেরা পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক নিজেদের ঝুলিতে তোলার লক্ষ্যে দুই প্রতিযোগীই এই ম্যাচে তাঁদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি…
Sports ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর স্কোয়াশ প্রতিযোগিতায় পুরুষ একক বিভাগের ফাইনালে রবিবার সোনা জয়ের লড়াইয়ে নামছেন ভারতের অভয় সিং। মর্যাদাপূর্ণ এই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাঁর মুখোমুখি হবেন মালয়েশিয়ার তারকা স্কোয়াশ খেলোয়াড় এন ইয়ো এনগ।
রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ফাইনাল ম্যাচটিকে ঘিরে ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এশিয়ান গেমসে সেরা পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক নিজেদের ঝুলিতে তোলার লক্ষ্যে দুই প্রতিযোগীই এই ম্যাচে তাঁদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবেন।
Sports ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন২০২৬ এশিয়ান গেমসের অষ্টম দিনে স্কোয়াশ ইভেন্টে ভারতের পদক জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। পুরুষ ও নারী এককের ফাইনালে স্বর্ণপদকের লক্ষ্যে মাঠে নামছেন দুই ভারতীয় তারকা অভয় সিংহ এবং অনাহত সিংহ।প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্ম বজায় রেখে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন তারা। পুরুষদের একক বিভাগে অভয় সিংহ তার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে স্বর্ণপদকের লড়াই নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে, নারী একক বিভাগে উদীয়মান তারকা অনাহত সিংহ নিজের…
Sports ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
২০২৬ এশিয়ান গেমসের অষ্টম দিনে স্কোয়াশ ইভেন্টে ভারতের পদক জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। পুরুষ ও নারী এককের ফাইনালে স্বর্ণপদকের লক্ষ্যে মাঠে নামছেন দুই ভারতীয় তারকা অভয় সিংহ এবং অনাহত সিংহ।
প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্ম বজায় রেখে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন তারা। পুরুষদের একক বিভাগে অভয় সিংহ তার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে স্বর্ণপদকের লড়াই নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে, নারী একক বিভাগে উদীয়মান তারকা অনাহত সিংহ নিজের সেরাটা দিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটেন।
এশিয়ান গেমসের অষ্টম দিনে দুই ভারতীয় স্কোয়াশ তারকার এই গুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচগুলোর দিকেই নজর রাখছে দল ও ক্রীড়াপ্রেমীরা। আশা করা হচ্ছে, ফাইনালে সাফল্য পেয়ে তারা ভারতের ঝুলিতে আরও স্বর্ণপদক যুক্ত করতে সমর্থ হবেন।
Sports ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নচলমান এশিয়ান গেমসে কুরাশ ইভেন্টে ভারতের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক একটি দিন কেটেছে। রবিবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দেশের চারজন অ্যাথলেটের সবাই নিজ নিজ লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছেন।রোববার অনুষ্ঠিত কুরাশের বিভিন্ন বাউটে ভারতীয় অ্যাথলেটরা প্রতিপক্ষদের সামনে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন। এর ফলে চারজন প্রতিনিধিকেই হার মেনে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যেতে হয়।এশিয়ান গেমসের মতো বড় মঞ্চে কুরাশ থেকে পদক জয়ের যে আশা ভারতের ছিল, চার অ্যাথলেটের…
Sports ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
চলমান এশিয়ান গেমসে কুরাশ ইভেন্টে ভারতের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক একটি দিন কেটেছে। রবিবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দেশের চারজন অ্যাথলেটের সবাই নিজ নিজ লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছেন।
রোববার অনুষ্ঠিত কুরাশের বিভিন্ন বাউটে ভারতীয় অ্যাথলেটরা প্রতিপক্ষদের সামনে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন। এর ফলে চারজন প্রতিনিধিকেই হার মেনে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যেতে হয়।
এশিয়ান গেমসের মতো বড় মঞ্চে কুরাশ থেকে পদক জয়ের যে আশা ভারতের ছিল, চার অ্যাথলেটের পরাজয়ে সেই প্রত্যাশায় বড় ধরনের ধাক্কা লাগল। ক্রীড়াবিদদের এই হার চলতি আসরে ভারতের সামগ্রিক পারফরম্যান্সেও একটি হতাশাজনক অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো।
Education ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৮ পূর্বাহ্নইংল্যান্ডের যেসব শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন নেই, তারা বাসের সস্তা টিকিট বা ছাড়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বছরে শত শত পাউন্ড অতিরিক্ত বাস ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছে। কমানো মূল্যের বাস পাস ও ডিসকাউন্ট সুবিধা কেবল মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চালুর কারণে এ ধরনের বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও আন্দোলনকারীরা।সমালোচকদের মতে, ছাড়ের সুবিধা কেবল অ্যাপে সীমাবদ্ধ রাখার ফলে ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে স্মার্টফোনের ব্যবহার…
Education ডেস্ক: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৮ পূর্বাহ্ন
ইংল্যান্ডের যেসব শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন নেই, তারা বাসের সস্তা টিকিট বা ছাড়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বছরে শত শত পাউন্ড অতিরিক্ত বাস ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছে। কমানো মূল্যের বাস পাস ও ডিসকাউন্ট সুবিধা কেবল মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চালুর কারণে এ ধরনের বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও আন্দোলনকারীরা।
সমালোচকদের মতে, ছাড়ের সুবিধা কেবল অ্যাপে সীমাবদ্ধ রাখার ফলে ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে স্মার্টফোনের ব্যবহার কমানোর যে সরকারি নির্দেশনা বা প্রচেষ্টা রয়েছে, তা সরাসরি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের স্মার্টফোনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখতে বাটন ফোন বা সাধারণ ফোন কিনে দিলেও বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে।
ডার্বিশায়ারের বাসিন্দা অ্যাডেল নাইটলি জানান, তার ১১ বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে যাতায়াতে বছরে অতিরিক্ত ৫৪৬ পাউন্ড (প্রায় আশি হাজার টাকার বেশি) বাড়তি বাস ভাড়া গুনতে হচ্ছে। ডার্বিশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল ১৮ বছর বা তার কম বয়সীদের জন্য ‘বি-লাইন’ কার্ডের মাধ্যমে বাসের একমুখী ভাড়া সর্বোচ্চ ১.৫০ পাউন্ড নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু বাস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ট্রেন্টবার্টন সুবিধাটি পেতে একটি স্মার্টফোন অ্যাপে সেই কার্ড নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে।
নাইটলি বলেন, "আমার মেয়ে চলতি মাসে মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হলে আমরা তাকে স্মার্টফোন না দিয়ে একটি সাধারণ ফোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু ট্রেন্টবার্টনের এই বয়সভিত্তিক ছাড় পেতে হলে শিক্ষার্থীর কার্ডটি অ্যাপের সাথে যুক্ত করতে হয়। ড্রাইভারকে একই ছাত্রকার্ড দেখিয়ে নগদ টাকা বা কার্ডে মূল মূল্য পরিশোধ করলে সেই ডিসকাউন্ট পাওয়া যায় না।"
ট্রেন্টবার্টন বাস কোম্পানির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের বাসগুলোতে থাকা টিকিট ট্র্যাকিং মেশিনগুলো সরাসরি কাউন্টি কাউন্সিলের ইস্যু করা প্লাস্টিক কার্ড রিড করতে পারে না। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ যাত্রীদের সস্তা ভাড়া দিতে দ্রুত একটি নতুন ফিজিক্যাল কার্ড তৈরির কাজ চলছে। তারা দাবি করে, নতুন কার্ড না আসা পর্যন্ত বিকল্প বিভিন্ন মূল্যছাড় চালু রয়েছে।
ইস্ট মিডল্যান্ডস কম্বাইন্ড কাউন্টি অথরিটি জানিয়েছে, তারা যেসব অভিভাবক সন্তানদের স্মার্টফোন দিতে চান না, তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। পুরো অঞ্চলের টিকিটিং ব্যবস্থা ও ভাড়ার কৌশল পর্যালোচনার সময় এই বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
যুক্তরাজ্যের সামাজিক সংগঠন 'স্মার্টফোন ফ্রি চাইল্ডহুড'-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডেইজি গ্রিনওয়েল বলেন, অতিরিক্ত ডিজিটাল নির্ভরতার ফলে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। একইসঙ্গে এটি শিশুদের স্ক্রিন টাইম বা মোবাইল দেখার সময় কমানোর উদ্যোগকেও ব্যাহত করছে। সারা দেশে হাজার হাজার অভিভাবক যখন সন্তানদের হাতে ১৪ বছরের আগে স্মার্টফোন না দেওয়ার আন্দোলন করছেন, তখন নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবাগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে যেন ধরে নেওয়া হচ্ছে সব শিশুর কাছেই স্মার্টফোন রয়েছে।
অন্যান্য একাধিক আঞ্চলিক বাস অপারেটর, যেমন স্টেজকোচ এবং কম্পাস—উভয়েই সেরা ডিসকাউন্ট সুবিধা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন থাকা বাধ্যতামূলক করেছে। এর ফলে যেসব পরিবার শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় স্মার্টফোন দেওয়া থেকে বিরত থাকছে, তারা বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মতো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত জুন মাসে যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলোতে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ সংক্রান্ত নিয়ম কার্যকর হয় এবং অনেক স্কুল চত্বরে স্মার্টফোন আনাই পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। তবে শিক্ষা দপ্তর (ডিফই) জানিয়েছে, এই আইনটি কেবল স্কুল প্রাঙ্গণের জন্য প্রযোজ্য এবং স্কুলে যাওয়ার পথের গণপরিবহনের ক্ষেত্রে ভাড়ার ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বাস অপারেটরদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। আন্দোলনকারীদের মতে, কম ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগ থেকে যেন কোনো শিক্ষার্থী বঞ্চিত না হয়, সেজন্য সরকার ও বাস কোম্পানিগুলোর দ্রুত একটি সমন্বিত বিকল্প আনা উচিত।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্নউয়েফা নেশনস লিগে শুক্রবার রাতে ১০ জনের তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়ে নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের অধীনে শুভসূচনা করেছে ফ্রান্স। তবে এই জয়ের রাতে বড় ধাক্কা খেয়েছে ফরাসিরা। জয়সূচক একমাত্র গোলটি করার পরপরই বাঁ হাঁটুর চোটে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন দলের তারকা ফরোয়ার্ড ও অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মাইকেল অলিসের তৈরি করে দেওয়া সুযোগ থেকে নিচু শটে ফ্রান্সের হয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ন
উয়েফা নেশনস লিগে শুক্রবার রাতে ১০ জনের তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়ে নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের অধীনে শুভসূচনা করেছে ফ্রান্স। তবে এই জয়ের রাতে বড় ধাক্কা খেয়েছে ফরাসিরা। জয়সূচক একমাত্র গোলটি করার পরপরই বাঁ হাঁটুর চোটে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন দলের তারকা ফরোয়ার্ড ও অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মাইকেল অলিসের তৈরি করে দেওয়া সুযোগ থেকে নিচু শটে ফ্রান্সের হয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা এমবাপ্পে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল ফরাসি ফরোয়ার্ডের রেকর্ড বাড়ানো ৬৭তম গোল। তবে গোল উদযাপনের পরপরই তিনি মাঠে বসে পড়েন এবং বাঁ হাঁটুতে হাত দিয়ে তীব্র যন্ত্রণা প্রকাশ করেন।
ফ্রান্সের নতুন প্রধান কোচ জিনেদিন জিদান এমবাপ্পেকে তুলে নিয়ে দেসিরে দুয়েকে মাঠে নামান। এমবাপ্পে নিজে পায়ে হেঁটে মাঠ ছাড়লেও চোটের ধরণ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। ম্যাচ শেষে ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম টিএফ১-কে জিদান জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদে ফিরে যাচ্ছেন। কোচ বলেন, "শট নেওয়ার সময় ওর হাঁটুতে চাপ পড়েছে। অবস্থা খুব একটা সুবিধাজনক নয়। আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না, তাই তাকে চিকিৎসকদের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।"
ম্যাচে তুরস্কে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার আগে জুলস কুন্দে ফ্রান্সের হয়ে পোস্টে শট মারেন। ফরাসি ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা গোলপোস্টের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় ডি-বক্সের বাইরে বল হাত দিয়ে স্পর্শ করায় তুরস্কের গোলরক্ষক উগুরকান চাকিরকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
এদিকে লিগ এ-২ এর অন্য ম্যাচে ঘরের মাঠে চরম হতাশাজনক হারের মুখ দেখেছে ইতালি। কোচ হিসেবে রবার্তো মানচিনির দ্বিতীয় মেয়াদের অভিষেক ম্যাচটি ২-০ গোলে হেরেছে আজ্জুরিরা। বেলজিয়ামের হয়ে ম্যাচের ২০তম মিনিটে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করে সফরকারীদের এগিয়ে দেন মিকা গডটস। এরপর ৬৯তম মিনিটে জোরালো শটে ব্যবধান ২-০ করেন দোদি লুকেবাকিও। ঘরের মাঠে এই হারে ক্ষুব্ধ ইতালিয়ান সমর্থকরা দুয়ো ধ্বনি দিয়ে দল ও কোচকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য করেন।
ইতালির সমর্থকদের অসন্তোষ মেনে নিয়ে মানচিনি বলেন, "যখন শীর্ষে থাকা যায়, পরিস্থিতি ভিন্ন হয়। কিন্তু হেরে গেলে সমর্থকরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হবে, এটাই স্বাভাবিক এবং ফুটবলের অংশ।" তবে বেলজিয়ামের নতুন কোচ মার্ক ভ্যান বোমেল তার দলের এই জয়ে অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগামী সোমবার বেলজিয়াম মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের এবং ইতালি সফর করবে তুরস্ক।
গ্রুপ বি-২ এর ম্যাচে এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জর্জিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে উত্তর আয়ারল্যান্ড। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে জর্জিয়ার তারকা খভিচা কাভারাৎসখেলিয়ার নেওয়া দুর্বল পেনাল্টি কিক ঠেকিয়ে দেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের গোলরক্ষক পিয়ার্স চার্লস। যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে (৯৯তম মিনিট) ট্রাই হিউমের ক্রস থেকে গোল করে দলকে নাটকীয় জয় এনে দেন পিয়ার্সের ভাই শিয়া চার্লস। নেশনস লিগের ইতিহাসে এটি উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রথম অ্যাওয়ে জয়।
একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে বুদাপেস্টে দ্যানিলো সিকানের একমাত্র গোলে হাঙ্গেরিকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইউক্রেন। বি-৪ গ্রুপে সুইডেন ঘরের মাঠে ২-১ গোলে হারিয়েছে রোমানিয়াকে। বিজয়ী দলের হয়ে গোল করেন আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গ্যোকেরেস। ওয়ারশতে অনুষ্ঠিত এই গ্রুপের অপর ম্যাচে পোল্যান্ড ও বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার মধ্যকার লড়াইটি গোলশূন্য ড্র হয়।
তৃতীয় স্তরের সি-২ গ্রুপে সাইপ্রাসের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে মন্টেনিগ্রো। এছাড়া দিনের শুরুতে লাটভিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে আর্মেনিয়া।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্নপ্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দায়ে ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফুটবল বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তবে ক্লাবের এই কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজেদের অর্জিত সাফল্যের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক মিডফিল্ডার রদ্রি। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, খেলোয়াড় ও ক্লাবের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পাওয়া সাফল্য কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি এখনো তার সাবেক ক্লাবের নির্দোষিতার…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ন
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দায়ে ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফুটবল বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তবে ক্লাবের এই কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজেদের অর্জিত সাফল্যের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক মিডফিল্ডার রদ্রি। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, খেলোয়াড় ও ক্লাবের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পাওয়া সাফল্য কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি এখনো তার সাবেক ক্লাবের নির্দোষিতার ওপর আস্থা রাখছেন।
শুক্রবার বিকেলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃক আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবগুলোতে সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে ম্যানচেস্টার সিটি শুরু থেকেই এসব অভিযোগ শক্তভাবে অস্বীকার করে আসছে। ক্লাবের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ’ এখনো শেষ হওয়া বাকি রয়েছে।
চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ইতিহাদ স্টেডিয়াম ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া রদ্রি শুক্রবার স্পেনের আসন্ন নেশনস লিগের ম্যাচ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। বর্তমানে বার্সেলোনায় খেলা এই মিডফিল্ডার ২০২০ সালের একটি ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন, যখন উয়েফা সিটিকে দুই বছরের জন্য ইউরোপীয় ফুটবলে নিষিদ্ধ করেছিল। পরবর্তীতে স্পোর্টস আরবিট্রেশন কোর্টে (সিএএস) আপিল করে সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করতে সক্ষম হয়েছিল ক্লাবটি।
ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের রাতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রদ্রি বলেন, "আমরা ২০২০ সালেও একই ধরনের বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছিলাম। সেটি ভিন্ন অভিযোগ ছিল কিন্তু প্রক্রিয়াটি ছিল একই। সেখানেও প্রথম দৃষ্টান্তে আমাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, কিন্তু আমরা ক্লাব এবং তাদের দাবি করা নির্দোষিতার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা খালাস পেয়েছিলাম। তাই আমি বিচার ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস করি এবং ক্লাবের নির্দোষিতার ওপর আস্থা রাখি।"
যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য শাস্তির মাত্রা বেশ কঠোর হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা তাদের গত কয়েক বছরের ট্রফি ও অর্জনগুলোর ওপর প্রশ্ন তুলছে। তবে সিটির হয়ে মাঠ কাঁপানো রদ্রি এসব ট্রফি ও অর্জন নিয়ে কোনো সংশয় দেখছেন না।
সিটির হয়ে এত সাফল্য অর্জনের পর এমন আলোচনা কি তাদের কষ্ট দেয়—এমন প্রশ্নের জবাবে রদ্রি বলেন, "খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা। আমি সব ধরনের মতামত বুঝতে পারি এবং এটি এখন একটি বড় বিষয়। তবে আমরা সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করার চেষ্টা করেছি। যখন আপনি প্রতিদিন সেই ক্লাবে থাকবেন এবং দেখতে পাবেন যে এত বছরের সাফল্যের পেছনে মানুষগুলো কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছে, তখন বিষয়টি অন্যভাবে অনুধাবন করবেন।"
তিনি আরও যোগ করেন, "শুধুমাত্র কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা বা খেলোয়াড়রা নন, ক্লাবের মালিক থেকে শুরু করে প্রতিদিন যারা কাজ করেছেন, সবার অবদান রয়েছে। আমরা যা অর্জন করেছি, তা কেউ আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না। এটি অর্থ দিয়ে কেনা যায় না; এটি প্রচেষ্টা, অংশীদারিত্ব এবং প্রতিদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার ফসল। ওয়েম্বলিতে এবং বিগত বছরগুলোতে আমরা অনেক সাফল্য পেয়েছি। আমি বলতে পারি যে এই সবকিছুই আমাদের প্রাপ্য ছিল এবং ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম সেরা যুগে বাঁচতে পেরে আমি আনন্দিত।"
শুক্রবার প্রকাশিত সংবাদের পরও রদ্রিকে বেশ শান্ত দেখায় এবং তিনি সিটি কর্তৃপক্ষের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস বজায় রেখেছেন। তিনি জানান, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ সবসময়ই শান্ত ছিল এবং খেলোয়াড়রা কখনোই এসব নিয়ে নার্ভাস ছিলেন না।
সিটি কর্তৃপক্ষের আত্মবিশ্বাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "তারা সবসময় আমাদের তাদের নির্দোষিতার কথা বলেছে। আপনি যখন কারও চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন, তখন তা অনুভব করতে পারবেন। ২০২০ সালের উদাহরণ আমাদের সামনে রয়েছে, যেখানে একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। আমরা এই বিষয়ে খুবই শান্ত ছিলাম।"
আধুনিক ফুটবলের বর্তমান বাস্তবতার কথা তুলে ধরে এই স্প্যানিশ তারকা বলেন, "আজকাল এমন পরিস্থিতি অনেক দলের ক্ষেত্রেই ঘটে এবং এটি বর্তমান ফুটবলের অংশ। সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে, এবং আমার মতে সেটি দারুণ বিষয়। তবে ক্লাবের কর্মকর্তারা সবসময় আমাদের বলেছেন যে তারা কোনো ভুল করেননি এবং আমরা তা বিশ্বাস করি। যতক্ষণ না তারা দোষী প্রমাণিত হচ্ছেন, আমরা ক্লাবে বিশ্বাস রাখব। আমি সেখানে ছিলাম, আমি জানি তারা কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে সহযোগিতা করে।"
Lifestyle ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্নযুক্তরাজ্যে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে কেবল জীবনযাত্রার পরিবর্তনই আসে না, বরং যুক্ত হয় নানা আইনি অধিকার, ভাতা, ছাড় ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি জন্মদিন উদযাপিত হয়। তবে বয়স কেবল উদযাপনের বিষয় নয়; নির্দিষ্ট বয়সের মাইলফলক ছোঁয়ার মাধ্যমে ব্রিটেনে প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক নাগরিকদের জন্য তৈরি হয় সরকারি ও বেসরকারি নানা সুবিধার পথ।বয়স ১৪ হলে যুক্তরাজ্যের…
Lifestyle ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাজ্যে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে কেবল জীবনযাত্রার পরিবর্তনই আসে না, বরং যুক্ত হয় নানা আইনি অধিকার, ভাতা, ছাড় ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি জন্মদিন উদযাপিত হয়। তবে বয়স কেবল উদযাপনের বিষয় নয়; নির্দিষ্ট বয়সের মাইলফলক ছোঁয়ার মাধ্যমে ব্রিটেনে প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক নাগরিকদের জন্য তৈরি হয় সরকারি ও বেসরকারি নানা সুবিধার পথ।
বয়স ১৪ হলে যুক্তরাজ্যের কিশোর-কিশোরীরা পার্টটাইম বা খণ্ডকালীন কাজ করার আইনি অধিকার পায়। তবে মডেলিং বা অভিনয়ের ক্ষেত্রে আরও কম বয়স থেকেই কাজ করার সুযোগ থাকে। আবার কিছু কিছু লোকাল কাউন্সিল ১৩ বছর বয়স থেকেই নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য কাজের অনুমতি দেয়। আর ১৬ বছর বয়সে পৌঁছে তারা ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স নম্বর এবং কার্ড পায়। সপ্তাহে ২৪২ পাউন্ডের বেশি আয় হলে নিয়োগকর্তা এ কর কেটে নেন। এ বয়সে প্রতি ঘণ্টায় সর্বনিম্ন ৮ পাউন্ড আয়ের অধিকার তৈরি হয়। পাশাপাশি চাইল্ড ট্রাস্ট ফান্ড নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি হলেও নগদ অর্থ তোলার জন্য ১৮ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
১৭ বছর বয়স হলো যুক্তরাজ্যে গাড়ি চালানোর বৈধ বয়স। তবে গ্রেট ব্রিটেনে ১৫ বছর ৯ মাস বয়স থেকেই প্রভিশনাল লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়, আর উত্তর আয়ারল্যান্ডে ১৭ বছর পূর্ণ হওয়ার দুই মাস আগে আবেদন করতে হয়। এ বয়সে অনলাইন বা ডাকযোগে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে হয়। অন্যদিকে, ১৮ বছর বয়সে পৌঁছালে চাইল্ড ট্রাস্ট ফান্ড বা জুনিয়র আইএসএ থেকে টাকা তোলার সুযোগ পাওয়া যায় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলো অ্যাডাল্ট অ্যাকাউন্টে রূপান্তরিত হয়। ১৮ বছর বয়সে পূর্ণাঙ্গ অ্যাডাল্ট আইএসএ খোলা সম্ভব। এ ছাড়া কম আয়ের ক্ষেত্রে ইউনিভার্সাল ক্রেডিটের মতো সরকারি সুবিধার আবেদন করা যায় এবং সর্বনিম্ন মজুরি বৃদ্ধি পেয়ে ঘণ্টায় ১০.৮৫ পাউন্ড হয়।
২১ বছর বয়সে পৌঁছে একজন নাগরিক পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন মজুরি পাওয়ার যোগ্য হন, যা বর্তমানে ঘণ্টায় ১২.৭১ পাউন্ড। বয়স ২৬ পূর্ণ হলে ইয়ং পারসনস রেলকার্ডের মেয়াদ শেষ হলেও ভ্রমণ ছাড় শেষ হয় না। ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের জন্য তৈরি রেলকার্ডের মাধ্যমে রেল ভ্রমণে এক-তৃতীয়াংশ ছাড় পাওয়া যায়, যার বার্ষিক ফি ৩৫ পাউন্ড। গাড়ি ভাড়া প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও ২৬ বছর বয়সে তরুণের স্বীকৃতি শেষ হয় এবং অধিকাংশ কোম্পানি তাদের অতিরিক্ত তরুণ চালক ফি প্রত্যাহার করে।
৪০ বছর বয়স হলো লাইফটাইম আইএসএ বা করমুক্ত সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করার শেষ সুযোগ। ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীরা প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৪,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত এ অ্যাকাউন্টে জমা করতে পারেন, যার ওপর সরকার ২৫ শতাংশ বোনাস দেয়। ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত এতে অর্থ রাখা যায় এবং বাড়ি কেনা বা ৬০ বছর বয়সের পর এ টাকা তোলা যায়। এ ছাড়া ৪০ বছর বয়সে যাদের পরিবারে গ্লুকোমার ইতিহাস আছে, তারা ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে বিনামূল্যে চোখের পরীক্ষা করাতে পারেন।
৫০ বছর বয়স পূর্ণ হলে সাগা ক্লাবের মতো প্রবীণদের জন্য বিশেষায়িত বীমা ও ভ্রমণ সংক্রান্ত সুবিধার দুয়ার খোলে। বেশ কিছু ট্রেন কোম্পানি যেমন স্কটরেল ও গ্রেটার অ্যাংলিয়া ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকিটে ২০ শতাংশ ছাড় দেয়। অন্যদিকে ৫৫ বছর বয়সে পৌঁছালে সাধারণত নিজস্ব বা কর্মক্ষেত্রের পেনশন থেকে টাকা তোলার সুযোগ তৈরি হয়। তবে ২০২৮ সালের এপ্রিল থেকে এ বয়স সীমা বেড়ে ৫৭ বছর হবে। কিছু সিনেমা হল ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য হ্রাসকৃত মূল্যে টিকিটের ব্যবস্থা করে।
৬০ বছর বয়স থেকে যুক্তরাজ্যে নাগরিকদের জন্য নানা বড় আর্থিক ছাড় পাওয়া যায়। ইংল্যান্ডে এনএইচএস প্রেসক্রিপশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মেলে, যা প্রতি আইটেমে ৯.৯০ পাউন্ড সাশ্রয় করে। সিনিয়র রেলকার্ডের মাধ্যমে রেল ভ্রমণে এক-তৃতীয়াংশ ছাড় পাওয়া যায়। লন্ডনে ৬০ বছরের বেশি বয়সীরা ফ্রিতে বাস ও টিউব রেলে যাতায়াতের সুযোগ পান। এ ছাড়া ওয়েলসেও বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা রয়েছে। খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান যেমন আইসল্যান্ড প্রতি মঙ্গলবারে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ১০ শতাংশ ছাড় দেয় এবং প্যাটিসেরি ভ্যালারিও একই ছাড় প্রদান করে।
৬৫ বছর বয়সে বেশ কিছু থিয়েটার ও হোটেলে ছাড় পাওয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে এনএইচএস ফ্লু নেওয়ার সুযোগ মেলে। ৬৬ বছর বয়সে বর্তমানে রাষ্ট্রীয় পেনশনের বয়সসীমা নির্ধারিত রয়েছে, যা ২০২৮ সালের এপ্রিলে বেড়ে ৬৭ বছর হবে। বর্তমানে নতুন স্টেট পেনশনের আওতায় সপ্তাহে ২৪১.৩০ পাউন্ড পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি পেনশন ক্রেডিট পাওয়া ব্যক্তিরা বিনামূল্যে টিভি লাইসেন্স পান এবং শীতকালীন জ্বালানি খরচের জন্য নির্দিষ্ট শর্তে সরকারি ভাতা পান। আর বয়স যখন ৮০ পেরিয়ে ১০০-তে পৌঁছায়, তখন পাওয়া যায় রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে বিশেষ জন্মদিনের বার্তা।
বাঞ্ছারামপুরে জুনায়েদ শাকি
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






