জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
声誉建设中
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
声誉建设中
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
ুািাি
ুািাৃু
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
My journey has been shaped by a deep passion for literature, journalism, creativity, and the belief that meaningful work can create lasting change.
From an early age, I was drawn to writing, poetry, and the world of ideas. Literature became one of the strongest influences in my life, and over time, writing developed from a personal passion into an important part of my identity. My first published book, **_Tumihina Bondha Shomoy_**, marked the beginning of my journey as an author and gave me the confidence to continue exploring poetry, stories, songs, essays, and other forms of creative writing.
Alongside literature, journalism became another major part of my life. For more than a decade, I have been involved in journalism and media, working with newspapers, IPTV, online news platforms, and different forms of digital communication. Journalism taught me to observe society closely, listen to people, ask difficult questions, and understand the importance of truth, responsibility, and public trust.
Over the years, I have received several awards, honours, and recognitions for my contributions to journalism, literature, media, and cultural activities. Every recognition has been meaningful to me, but I have always believed that the real value of achievement lies in continuing to create, contribute, and move forward.
My professional and creative journey eventually led me to a larger dream: building a modern digital media ecosystem where journalism, literature, education, technology, creativity, and professional opportunities could exist together.
That dream became the foundation of **PothikTV**.
Through PothikTV and the wider Pothik ecosystem, I have been working to create a platform where journalists, writers, students, educators, creators, freelancers, and young professionals can connect, publish their work, learn new skills, build portfolios, find opportunities, and establish their own digital identities.
For me, PothikTV is more than a media platform. It represents a vision of an independent, technology-driven, community-focused digital future. I want it to become a place where local voices can reach wider audiences, where creativity is respected, where responsible journalism can grow, and where technology can help people build meaningful careers.
My journey has not been without challenges. Like every long journey, it has included uncertainty, setbacks, difficult decisions, and periods of struggle. But each challenge has taught me something valuable. It has strengthened my determination to continue learning, building, writing, and creating.
I believe that a meaningful life is not defined only by personal success. It is defined by what we create, what we contribute, and how many people can move forward because of the work we leave behind.
My journey is still continuing.
I continue to write.
I continue to work in journalism.
I continue to build new ideas.
And I continue to dream of creating a globally recognized Bangladeshi digital plat
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A personal introduction and life story.
My journey has been shaped by a deep passion for literature, journalism, creativity, and the belief that meaningful work can create lasting change.
From an early age, I was drawn to writing, poetry, and the world of ideas. Literature became one of the strongest influences in my life, and over time, writing developed from a personal passion into an important part of my identity. My first published book, **_Tumihina Bondha Shomoy_**, marked the beginning of my journey as an author and gave me the confidence to continue exploring poetry, stories, songs, essays, and other forms of creative writing.
Alongside literature, journalism became another major part of my life. For more than a decade, I have been involved in journalism and media, working with newspapers, IPTV, online news platforms, and different forms of digital communication. Journalism taught me to observe society closely, listen to people, ask difficult questions, and understand the importance of truth, responsibility, and public trust.
Over the years, I have received several awards, honours, and recognitions for my contributions to journalism, literature, media, and cultural activities. Every recognition has been meaningful to me, but I have always believed that the real value of achievement lies in continuing to create, contribute, and move forward.
My professional and creative journey eventually led me to a larger dream: building a modern digital media ecosystem where journalism, literature, education, technology, creativity, and professional opportunities could exist together.
That dream became the foundation of **PothikTV**.
Through PothikTV and the wider Pothik ecosystem, I have been working to create a platform where journalists, writers, students, educators, creators, freelancers, and young professionals can connect, publish their work, learn new skills, build portfolios, find opportunities, and establish their own digital identities.
For me, PothikTV is more than a media platform. It represents a vision of an independent, technology-driven, community-focused digital future. I want it to become a place where local voices can reach wider audiences, where creativity is respected, where responsible journalism can grow, and where technology can help people build meaningful careers.
My journey has not been without challenges. Like every long journey, it has included uncertainty, setbacks, difficult decisions, and periods of struggle. But each challenge has taught me something valuable. It has strengthened my determination to continue learning, building, writing, and creating.
I believe that a meaningful life is not defined only by personal success. It is defined by what we create, what we contribute, and how many people can move forward because of the work we leave behind.
My journey is still continuing.
I continue to write.
I continue to work in journalism.
I continue to build new ideas.
And I continue to dream of creating a globally recognized Bangladeshi digital plat
Work, education and experience.
What inspires this journey.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
ুািাি
ুািাৃু
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ভারতের মহিলা রিকার্ভ তিরন্দাজি দল। নাগানোয় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১০ বারের অলিম্পিক বিজয়ী তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে তারা।শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন ভারতীয় তিরন্দাজরা। বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার তিরন্দাজদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও, পুরো ম্যাচে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে মহিলা রিকার্ভ ইভেন্টে এটি ভারতের…
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ভারতের মহিলা রিকার্ভ তিরন্দাজি দল। নাগানোয় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১০ বারের অলিম্পিক বিজয়ী তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে তারা।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন ভারতীয় তিরন্দাজরা। বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার তিরন্দাজদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও, পুরো ম্যাচে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে মহিলা রিকার্ভ ইভেন্টে এটি ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক জয়। শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এই সাফল্য লাভ ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করল।
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমস ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ১৩তম দিনে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে রিংয়ে নামছেন ভারতীয় বক্সাররা। প্রতিযোগিতা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, পদক তালিকার লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভারতীয় সমর্থকদের চোখ থাকবে দলের তারকা বক্সারদের পারফরম্যান্সের দিকে।ভারতের বক্সিং স্কোয়াডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার লাভলিনা বোরগোহাইন এবং প্রতিশ্রুতিশীল তারকা পারভীন হুডা। নিজ নিজ ওজন শ্রেণীতে সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য পদক…
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ১৩তম দিনে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে রিংয়ে নামছেন ভারতীয় বক্সাররা। প্রতিযোগিতা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, পদক তালিকার লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভারতীয় সমর্থকদের চোখ থাকবে দলের তারকা বক্সারদের পারফরম্যান্সের দিকে।
ভারতের বক্সিং স্কোয়াডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার লাভলিনা বোরগোহাইন এবং প্রতিশ্রুতিশীল তারকা পারভীন হুডা। নিজ নিজ ওজন শ্রেণীতে সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য পদক নিশ্চিত করতে মুখিয়ে আছেন এই দুই অ্যাথলেট। তাদের ম্যাচগুলোকে ঘিরে ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
চলতি এশিয়ান গেমসে ভারতের শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও বক্সিং ইভেন্টে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার বড় সুযোগ আসছে এই দিনে। লাভলিনা ও পারভীন অতীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক সাফল্য অর্জন করেছেন, ফলে তাদের ওপর প্রত্যাশার চাপও বেশ বেশি।
দর্শকরা টেলিভিশন সম্প্রচার ও লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি এই ম্যাচগুলোর ওপর চোখ রাখতে পারবেন। ম্যাচের সময়সূচী অনুযায়ী দিনের শুরু থেকেই ভারতীয় বক্সিং ভক্তরা টিভির পর্দা এবং ডিজিটাল ডিভাইসে চোখ রাখবেন তাদের প্রিয় তারকাদের লড়াই দেখতে।
১৩তম দিনে কেবল বক্সিং নয়, আরও কয়েকটি ইভেন্টেও ভারতীয় অ্যাথলেটরা অংশ নেবেন। তবে বক্সিং রিংয়ে লাভলিনা ও পারভীনের উপস্থিতি দিনটিকে ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তাদের সাফল্য ভারতের সার্বিক পদক সংখ্যা বাড়াতে বড় অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Education ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থায়ন ও গবেষণায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ (MI5)। চিনের একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ গবেষকদের কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য ও প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে সংস্থাটি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কটে থাকা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চীনের একাডেমিক সহযোগিতার সম্পর্কে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমআইফাইভ দেশটির গবেষক ও একাডেমিকদের…
Education ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থায়ন ও গবেষণায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ (MI5)। চিনের একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ গবেষকদের কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য ও প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে সংস্থাটি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কটে থাকা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চীনের একাডেমিক সহযোগিতার সম্পর্কে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এমআইফাইভ দেশটির গবেষক ও একাডেমিকদের ‘চায়না একাডেমি অফ জেনারেল টেকনোলজি’ (CAGT) নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ না করার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ব্রিটিশ নিরাপত্তার জন্য ‘উল্লেখযোগ্য হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সিএজিটি মূলত ‘চায়না জেনারেল টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামেও পরিচিত। সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সাইবার নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কর্মরত ব্রিটিশ গবেষকদের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে চীনের মূল গোয়েন্দা সংস্থা ‘মিনিস্ট্রি অফ স্টেট সিকিউরিটি’র (MSS) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করছে।
এমআইফাইভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ১০০ জন যুক্তরাজ্য-সংলগ্ন গবেষক ও একাডেমিক এমএসএস দ্বারা অর্থায়িত এই প্রকল্পে কাজ করেছেন। গবেষকদের অজান্তেই অথবা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বিশাল অঙ্কের তথ্য সংগ্রহ করা চীনের গোয়েন্দা কৌশলের একটি অংশ। এর আগে ২০২৩ সালের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তা করা যুক্তরাজ্যের আইনে মারাত্মক অপরাধ।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাত দীর্ঘদিন ধরেই চীনের অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে আসছে। দেশটির অ-ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চীনা শিক্ষার্থীরাই বৃহত্তম গোষ্ঠী, যা প্রতি বছর ব্রিটিশ শিক্ষায় প্রায় ৬০ কোটি পাউন্ড অর্থ জোগায়। এছাড়া, সম্প্রতি চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২১-এর বেশি নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে, যার পঞ্চমংশের বেশি অংশীদারই যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এমন পরিস্থিতিতে এমআইফাইভের সতর্কতা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। গবেষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রযুক্তি বা গবেষণাগুলোতে চিনের সাথে সহযোগিতা করা যাবে এবং কোনগুলোতে করা যাবে না—তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব রয়েছে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো চার্লস পার্টন এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের মিয়া নাউয়েন্সের মতে, শুধু নির্দিষ্ট কোম্পানির নাম ঘোষণা করে বা সাধারণ সতর্কতা জারি করে এই ঝুঁকি ঠেকানো সম্ভব নয়। কারণ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মূলত তাদের কমিউনিস্ট পার্টির নিয়ন্ত্রণ থাকে। তাই কোন ক্ষেত্রগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তা পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করে গবেষকদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা জরুরি।
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্নই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের আসন্ন 'বিগ বিলিয়ন ডেজ' সেলে বেশ কয়েকটি মডেলের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পোকো। সি, এম এবং এক্স সিরিজের অন্তর্ভুক্ত পোকো ডিভাইসে এই মূল্যছাড় প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও ক্যাশব্যাক অফার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা অতিরিক্ত সঞ্চয়ের সুযোগও পাবেন।এই মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে পোকো এক্স৮ প্রো ম্যাক্স ৫জি, যা দুটি আলাদা কনফিগারেশনে বাজারে উপলব্ধ হবে। এছাড়া কোম্পানি নিশ্চিত করেছে…
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের আসন্ন 'বিগ বিলিয়ন ডেজ' সেলে বেশ কয়েকটি মডেলের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পোকো। সি, এম এবং এক্স সিরিজের অন্তর্ভুক্ত পোকো ডিভাইসে এই মূল্যছাড় প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও ক্যাশব্যাক অফার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা অতিরিক্ত সঞ্চয়ের সুযোগও পাবেন।
এই মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে পোকো এক্স৮ প্রো ম্যাক্স ৫জি, যা দুটি আলাদা কনফিগারেশনে বাজারে উপলব্ধ হবে। এছাড়া কোম্পানি নিশ্চিত করেছে যে পোকো এক্স৮ প্রো এবং পোকো এক্স৮ পাওয়ার মডেল দুটির দামও এই সেল চলাকালীন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হবে।
ফ্লিপকার্টের বার্ষিক এই বিগ বিলিয়ন ডেজ সেল সব সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আগামী ৯ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। তবে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সুবিধাভোগী সদস্য এবং নির্দিষ্ট ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডধারীরা একদিন আগেই অর্থাৎ ৮ অক্টোবর থেকে অফারগুলো পাওয়ার আগাম সুবিধা পাবেন।
ফ্লিপকার্ট তাদের এই কেনাকাটার উৎসবে ব্যাংক অফারের আওতায় তাৎক্ষণিক মূল্যছাড়ের সুযোগ দিচ্ছে। গ্রাহকরা এই সেল চলাকালীন নির্ধারিত পোকো স্মার্টফোনগুলো তাদের বাজেটের মধ্যে সহজে কিনে নিতে পারবেন।
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্নপ্রযুক্তি ব্র্যান্ড ভিভো ভারতীয় বাজারে তাদের দুটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন—ভিভো টি৫ লাইট ৫জি এবং ভিভো টি৫ প্রো ৫জি-এর নতুন র্যাম ও স্টোরেজ কনফিগারেশন উন্মোচন করেছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।ফ্লিপকার্টের তালিকায় ফোনগুলোর জন্য 'কামিং সুন' বা 'শীঘ্রই আসছে' ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব দ্রুতই ক্রেতারা নতুন এই স্টোরেজ অপশনগুলো কেনার সুযোগ…
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ভিভো ভারতীয় বাজারে তাদের দুটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন—ভিভো টি৫ লাইট ৫জি এবং ভিভো টি৫ প্রো ৫জি-এর নতুন র্যাম ও স্টোরেজ কনফিগারেশন উন্মোচন করেছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
ফ্লিপকার্টের তালিকায় ফোনগুলোর জন্য 'কামিং সুন' বা 'শীঘ্রই আসছে' ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব দ্রুতই ক্রেতারা নতুন এই স্টোরেজ অপশনগুলো কেনার সুযোগ পাবেন।
নতুন তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ভিভো টি৫ লাইট ৫জি ফোনটি এখন ৪ জিবি র্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যাবে। যারা সাশ্রয়ী মূল্যে ফাইভ-জি ফোন খুঁজছেন, তাদের লক্ষ্য করেই এই ভ্যারিয়েন্টটি আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভিভো টি৫ প্রো ৫জি মডেলটিতে নতুন ৬ জিবি র্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশন যুক্ত করা হয়েছে। মধ্যম বাজেটে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এই মডেলটিকে সাজানো হয়েছে।
প্রসেসরের দিক থেকে, ভিভো টি৫ লাইট ৫জি মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৩০০ চিপসেট। এটি দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং সাধারণ গেমিংয়ের জন্য ভালো পারফরম্যান্স প্রদান করবে।
ভিভো টি৫ প্রো ৫জি স্মার্টফোনটি চালিত হয় শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন ৪ চিপসেট দিয়ে। এই প্রসেসরটি মাল্টিটাস্কিং এবং ভারী অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দ্রুত গতি নিশ্চিত করবে।
নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলোর যুক্ত হওয়ার ফলে ক্রেতারা তাদের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী আরও নতুন বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত হলেও এগুলোর সঠিক দাম ও বিক্রির তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
Uncategorized ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নআজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কফি উদ্যাপন, প্রতি কাপ কফির নেপথ্য কারিগরদের শ্রদ্ধা’। কফি চাষ এবং এর প্রক্রিয়াজাতকরণে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম ও অবদান রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মান জানাতেই এই দিবসে তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে।একসময় বাংলাদেশে কফি পানের অভ্যাস মূলত অভিজাত ক্যাফে ও বাসাবাড়ির ড্রয়িংরুমের শৌখিনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের আবর্তে দেশের কফি-সংস্কৃতিতে এসেছে এক বড়…
Uncategorized ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কফি উদ্যাপন, প্রতি কাপ কফির নেপথ্য কারিগরদের শ্রদ্ধা’। কফি চাষ এবং এর প্রক্রিয়াজাতকরণে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম ও অবদান রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মান জানাতেই এই দিবসে তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে।
একসময় বাংলাদেশে কফি পানের অভ্যাস মূলত অভিজাত ক্যাফে ও বাসাবাড়ির ড্রয়িংরুমের শৌখিনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের আবর্তে দেশের কফি-সংস্কৃতিতে এসেছে এক বড় ধরনের পরিবর্তন। বর্তমানে কফি আর কেবল আভিজাত্য বা বিলাসী পানীয়ে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি বাসা, অফিস, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস ও ভ্রমণের নিত্যদিনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে জেন-জি ও জেন আলফা প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা এখন চায়ের বিকল্প হিসেবে কফিকেই তাঁদের দৈনন্দিন প্রধান পানীয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। দ্রুত নগরায়ণ, বৈশ্বিক জীবনযাত্রার প্রভাব এবং রাতে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করা কিংবা ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজে জেগে থাকার অভ্যাসের কারণে তরুণদের কাছে কফি একটি জরুরি অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে।
দেশে বিশেষায়িত কফি শপ এবং বিন কফির বাজার প্রতিনিয়ত বিস্তৃত হলেও এখনো ইনস্ট্যান্ট কফির চাহিদা ও দাপটই সবচেয়ে বেশি। আলাদা কোনো বিশেষ যন্ত্রপাতি ছাড়াই সহজে ও দ্রুত প্রস্তুত করা যায় বলে সাধারণ গ্রাহকদের বাসা ও কর্মস্থলে ইনস্ট্যান্ট কফিই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একই সঙ্গে গলির মোড়ের টংদোকানগুলোতেও কফির সহজলভ্যতা বেড়েছে। মাত্র ১৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে ইনস্ট্যান্ট কিংবা ফেনা তোলা কফি। ফলে রিকশাচালক, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষদের দৈনন্দিন ক্লান্তি দূর করার এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছে টংদোকানের কফি।
অন্যদিকে আভিজাত্য ও আধুনিকতার প্রতীক হিসেবে ক্যাপুচিনো, লাতে, আমেরিকানো কিংবা কোল্ড কফির মতো পানীয়ের জনপ্রিয়তাও সমানভাবে বাড়ছে। দেশের কফি ব্যবহারের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখা গেছে আমদানির তথ্যেও। টানা তিন বছর আমদানি হ্রাসের পর সর্বশেষ অর্থবছরে কফি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
একসময় কেবল শীতকালের শৌখিন পানীয় হিসেবে বিবেচিত কফি এখন বাঙালির বারো মাসের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। সকালের আলস্য ও ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে গভীর রাতের আড্ডা পর্যন্ত—বাঙালির দৈনন্দিন জীবনযাপনে কফি এখন চায়ের মতোই এক চিরচেনা অভ্যাসে রূপ নিয়েছে।
Sports ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নলস অ্যাঞ্জেলেস চার্জার্সের টানা ০-৩ ব্যবধানে মৌসুম শুরুর পর দলের স্টার কোয়ার্টারব্যাক জাস্টিন হার্বার্টকে নিয়ে নতুন করে চাপ ও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।চলতি মৌসুমে দলের টানা হারের কারণে সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে হার্বার্টের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও সামগ্রিক চিত্র কেবল এক ব্যক্তির পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে না।সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার্জার্সের অফেন্সে বেশ কিছু গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে শুধু কোয়ার্টারব্যাককে এর জন্য দায়ী…
Sports ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
লস অ্যাঞ্জেলেস চার্জার্সের টানা ০-৩ ব্যবধানে মৌসুম শুরুর পর দলের স্টার কোয়ার্টারব্যাক জাস্টিন হার্বার্টকে নিয়ে নতুন করে চাপ ও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
চলতি মৌসুমে দলের টানা হারের কারণে সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে হার্বার্টের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও সামগ্রিক চিত্র কেবল এক ব্যক্তির পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে না।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার্জার্সের অফেন্সে বেশ কিছু গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে শুধু কোয়ার্টারব্যাককে এর জন্য দায়ী করা যুক্তিযুক্ত নয় বলে মনে করছেন বিষেশজ্ঞরা।
অফেন্সিভ লাইনের দুর্বলতা এবং কার্যকর পরিকল্পনার অভাবে পুরো দলই আক্রমণের ক্ষেত্রে ছন্দহীনতায় ভুগছে, যা শেষ পর্যন্ত হারের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস চার্জার্স কিভাবে এই বাজে পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠে আবার জয়ের ধারায় ফিরতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় দেখার বিষয়।
Sports ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেট ক্যাটাগরিতে এক হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। বহুল প্রতীক্ষিত এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইটিকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে।তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সেমিফাইনাল ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগেই দেখা দিয়েছে আবহাওয়াজনিত উদ্বেগ। ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আপডেট সামনে এসেছে, যা দু দলের সমর্থক ও আয়োজকদের চিন্তায় ফেলেছে।আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রকাশ পাওয়ায় ম্যাচটি নির্ধারিত…
Sports ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেট ক্যাটাগরিতে এক হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। বহুল প্রতীক্ষিত এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইটিকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সেমিফাইনাল ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগেই দেখা দিয়েছে আবহাওয়াজনিত উদ্বেগ। ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আপডেট সামনে এসেছে, যা দু দলের সমর্থক ও আয়োজকদের চিন্তায় ফেলেছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রকাশ পাওয়ায় ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে পুরোটা সম্পন্ন হওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া বিঘ্ন ঘটালে ম্যাচের ওপর তার কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে নজর রাখছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার এই দ্বৈরথটি এশিয়ান গেমসের ফাইনালের টিকিট নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সব বাধা পেরিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরা।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

ুািাি

ুািাৃু

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






