ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি মহিবুর রহিম স্মরণে সাহিত্যিকদের মিলনমেলা
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: কালজয়ী কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্রখ্যাত কবি মহিবুর রহিম স্মরণে শোকসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান। জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম স্মরণীয় এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের খ্যাতিমান কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বগণ।
আলোচনায় অংশ নেন কবি আবদুল মান্নান সরকার, কবি জয়দুল হোসেন, কবি শাহ মুহাম্মদ সানাউল হক, প্রাবন্ধিক মানবর্দ্ধন পাল, একে এম শিবলী, কবি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, কথাশিল্পী পরিমল ভৌমিক, অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম স্বপন, কবি আমির হোসেন, কবি শাদমান শাহিদ, কবি এম এ হানিফ, কবি মোসলেম উদ্দিন সাগর, কবি আবদুর রহিম, কবি মানিক রতন শর্মা, কবি মিযান আজিজ, অ্যাডভোকেট এম এ সাহিদ, কবি আবুল বাশার খাদেম, কবি শিরিন আক্তার, কবি শারমিন সুলতানা, কবি এসএম শাহনুর, কবি সৌমিক সাত্তার, কবি রুদ্র মুহম্মদ ইদ্রিস, কবি রিপন দেবনাথ, কবি গোলাম মোহাম্মদ মোস্তফা, কবি সৈম আকবর, কবি লিটন হোসাইন জিহাদ, কবি জাবেদ হোসাইন, কবি এসএম ইউনুস, কবি মাশরেকি সিপার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, কবি মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, কবি কুহিনুর আখতারসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে কবির বড় সন্তান মাহমুদ শাহ তামিম আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা উদীচীর সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, খ্যাতিমান চিকিৎসক ডা. জহিরুল হক, জেলা উদীচীর সহসভাপতি ফারুক উদ্দিন ভূইয়া, অধ্যাপক আবদুল হক আল আজাদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আমির ফারুক, সংগীতশিল্পী শাহাব উদ্দিন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সেলিম চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন ভূইয়া লিটন, স্কুল শিক্ষিকা সিরাজুম মনিরা, মাওলানা আবুল ফায়েজ, ব্যবসায়ী আফজালুর রহমান, সাংবাদিক ও “চেতনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া” সম্পাদক হারুন আল রশিদ, সাংবাদিক সোলাইমান আহমেদ
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, কবি মহিবুর রহিম ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্যচর্চার এক অনন্য মুখ। তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ ও সাহিত্যকর্ম আজও পাঠকদের অনুপ্রেরণা দেয়। তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা অপূরণীয়। তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে সাহিত্য ও মানবিকতার বাতিঘর হিসেবে আখ্যায়িত করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল কবির স্মৃতিতে এক মিনিট নীরবতা ও দোয়া মাহফিল। উপস্থিত সকলেই কবির আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর সাহিত্যচর্চা নিয়ে গবেষণার আহ্বান জানান।

Responses