দুই ভিন্ন মেরুর কৃষকের বৈরিতা থেকে বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে আসছে প্রামাণ্যচিত্র ডেরেক ভার্সাস ডেরেক

Editorial Transparency & Correction Notice
This report is published through the PothikTV editorial workflow. Sources, evidence, revisions and material corrections are documented where available.
No material correction has been recorded for this story.যুক্তরাজ্যের ডেবন কাউন্টির দুই প্রতিবেশী কৃষকের নামই ডেরেক। তবে তাদের কাজের ধারা সম্পূর্ণ বিপরীত। ডেরেক গাউ একজন সোচ্চার পরিবেশকর্মী ও প্রকৃতি পুনরুজ্জীবনকারী (রিওয়াইল্ডার), যিনি নিজের ভেড়ার খামারকে বন্য প্রকৃতিতে রূপান্তর করছেন। অন্যদিকে তার ঠিক পাশের জমির মালিক ডেরেক ব্যানবারি, যিনি টানা ৫০ বছর ধরে নিবিড় নিবিড় গবাদিপশু ও দুগ্ধ খামার পরিচালনা করছেন। দুই প্রতিবেশীর এই মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের বিবর্তন নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে প্রামাণ্যচিত্র ‘ডেরেক ভার্সাস ডেরেক’।
চলচ্চিত্র নির্মাতাজেমস ডসন টানা তিন বছর ধরে এই দুই কৃষকের জীবন ও কার্যকলাপ ধারণ করেছেন। শুরুতে গাউ যখন তার ভেড়া বিক্রি করে জমিতে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন, তখন থেকেই চিত্রগ্রহণের কাজ শুরু হয়। তবে পাশের খামারি ব্যানবারির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলাপের পর নির্মাতা পুরো প্রামাণ্যচিত্রের পটভূমি নতুন করে সাজান। প্রামাণ্যচিত্রটি ২ অক্টোবর থেকে যুক্তরাজ্যে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে।
গাছের বেড়া কাটা থেকে শুরু করে জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের পক্ষে ব্যানবারি। অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য ফেরাতে বিভার, বুনো শুয়োর, সারস ও বুনো বিড়াল প্রজনন ও উন্মুক্ত করার পক্ষে গাউ। বুনো শুয়োর ব্যানবারির জমিতে ঢুকে পড়া কিংবা বিভারের কারণে জলাভূমি তৈরি হওয়া নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বিভিন্ন সময় উত্তেজনা তৈরি হয়। এসব ভিন্নতা সত্ত্বেও ধীরে ধীরে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে তৈরি হয় পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া।
সম্প্রতি ব্যানবারির খামারের বড় একটি শস্যগোলায় তিন শতাধিক স্থানীয় কৃষক ও প্রতিবেশীর জন্য চলচ্চিত্রটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থাও ছিল। এর আগে গ্রিসের থেসালোনিকি ও যুক্তরাজ্যের শেফিল্ডের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হয় এবং দর্শকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা পায়।
ব্যানবারি জানান, নিবিড় চাষাবাদের কারণে বিগত দশকগুলোতে প্রকৃতিতে পোকা-মাকড় ও পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন। অন্যদিকে গাউ মনে করেন, কৃষকরা তাদের জমির অন্তত ১০ শতাংশ বন্যপ্রাণীর জন্য ছেড়ে দিলে প্রকৃতি ধ্বংসের সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। প্রামাণ্যচিত্রটি দেখার পর উপস্থিত কোনো কৃষক প্রকৃতি সুরক্ষার এই প্রয়োজনের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরেননি।
নির্মাতারা আশা করছেন, প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন খামারে ছবিটির প্রদর্শনী কৃষক ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে আলোচনার নতুন পথ খুলে দেবে। বিপরীতমুখী দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও দুই ডেরেক এখন একে অপরের বেশ ভালো বন্ধু এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সম্পর্কিত সংবাদ
এই বিভাগের উল্লেখযোগ্য সংবাদ
Entertainment →Corroborating Sources & Evidence
Corrections & Audit Trail
Material changes and newsroom transparency notes associated with this report.
SEO & Schema.org
- Schema type
- NewsArticle
- Canonical URL
- https://pothiktv.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%88/
- Slug
- %e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%88






