নাসিরনগরে অটোরিকশাচালক হত্যা: প্রধান আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পিবিআই
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অটোরিকশাচালক আরজান মিয়া ওরফে আবদুল্লাহ (মারজান) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে প্রধান আসামি তানভির আহম্মেদ তুহিনকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নাসিরনগর সরকারি কলেজসংলগ্ন কাশবনে এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর আগে কসবা সীমান্ত এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি তুহিনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। […]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অটোরিকশাচালক আরজান মিয়া ওরফে আবদুল্লাহ (মারজান) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে প্রধান আসামি তানভির আহম্মেদ তুহিনকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নাসিরনগর সরকারি কলেজসংলগ্ন কাশবনে এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এর আগে কসবা সীমান্ত এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি তুহিনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তিনি হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সদর এলাকার বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে আসামির দেখানো মতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পিবিআই সদস্যরা।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন চালক আরজান মিয়া। পরে নাসিরনগর সরকারি কলেজসংলগ্ন কাশবন থেকে হাত-পায়ে কসটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আব্দুল আউয়াল বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, এ মামলায় মোট তিনজন আসামির মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রধান আসামি তুহিনকে কসবা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছিলেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ছেলের হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় পিবিআইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নিহতের বাবা আব্দুল আউয়াল। একই সঙ্গে ছেলের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের খুনিদের ফাঁসি দেখে মরতে চাই।’
