মারপিট ও লাখ টাকার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ
মারপিট ও লাখ টাকার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বসতবাড়িতে ঢুকে এক যুবক ও তার মাকে মারধর এবং গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে পূর্ব মেড্ডা পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন কালি মন্দির এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী […]

মারপিট ও লাখ টাকার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বসতবাড়িতে ঢুকে এক যুবক ও তার মাকে মারধর এবং গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে পূর্ব মেড্ডা পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন কালি মন্দির এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী স্বপন আচার্য্য বাদী হয়ে গত ৩১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে পূর্ব মেড্ডা পৌর কলেজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা ফাহিম (৩০) এবং পোদ্দার বাড়ী সংলগ্ন পুকুরের দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দা মো. শাহ আলম (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে ১নং আসামি ফাহিম ও তার সহযোগীরা অন্যায়ভাবে স্বপন আচার্য্যের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। তারা তার ছেলে অনন্ত আচার্য্যকে ঘর থেকে ডেকে বের করে এনে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। অনন্তর চিৎকার শুনে তার মা আল্পনা আচার্য্য তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে আসামিরা তাকেও কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। একপর্যায়ে আসামিরা আল্পনা আচার্য্যের গলা চিপে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে এবং ১নং আসামি ফাহিম তার গলা থেকে ১ লক্ষ টাকা মূল্যের ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করেন। আহত আল্পনা আচার্য্যকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বাদী স্বপন আচার্য্য অভিযোগে উল্লেখ করেন, এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা মামলা-মোকদ্দমা না করার জন্য পরিবারটিকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে, যার ফলে বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এছাড়া পুরো ঘটনাটি স্থানীয় সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড রয়েছে এবং পুলিশ সুষ্ঠু তদন্ত করলেই সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।
