জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
ساکھ بن رہی ہے
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
ساکھ بن رہی ہے
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
Lifestyle ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্নদক্ষিণ ফ্রান্সের ওত-প্রোভেন্স অঞ্চলে পাহাড় আর প্রকৃতির বুক চিরে গড়ে তোলা হয়েছে এক অসাধারণ পদব্রজে ভ্রমণের পথ। প্রখ্যাত ল্যান্ড আর্ট শিল্পী অ্যান্ডি গোল্ডসওয়ার্দি ও স্থানীয় দলের প্রচেষ্টায় এই দুর্গম পাহাড়ি পথে পরিত্যক্ত রাখালদের কুঁড়েঘর, খামারবাড়ি, চ্যাপেল ও পাথরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে পুনর্নির্মাণ করে একেকটি শিল্পকর্মে রূপ দেওয়া হয়েছে। এই দীর্ঘ ট্রেকিং রুটে ভ্রমণের পাশাপাশি শিল্পের সান্নিধ্যে রাত কাটানোর সুযোগ রয়েছে।উনেস্কো জিওপার্কের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ডিগনে-লে-বায়েঁ শহর থেকে…
Lifestyle ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ন
দক্ষিণ ফ্রান্সের ওত-প্রোভেন্স অঞ্চলে পাহাড় আর প্রকৃতির বুক চিরে গড়ে তোলা হয়েছে এক অসাধারণ পদব্রজে ভ্রমণের পথ। প্রখ্যাত ল্যান্ড আর্ট শিল্পী অ্যান্ডি গোল্ডসওয়ার্দি ও স্থানীয় দলের প্রচেষ্টায় এই দুর্গম পাহাড়ি পথে পরিত্যক্ত রাখালদের কুঁড়েঘর, খামারবাড়ি, চ্যাপেল ও পাথরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে পুনর্নির্মাণ করে একেকটি শিল্পকর্মে রূপ দেওয়া হয়েছে। এই দীর্ঘ ট্রেকিং রুটে ভ্রমণের পাশাপাশি শিল্পের সান্নিধ্যে রাত কাটানোর সুযোগ রয়েছে।
উনেস্কো জিওপার্কের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ডিগনে-লে-বায়েঁ শহর থেকে শুরু হওয়া এই ট্রেকিং রুটটির মোট দৈর্ঘ্য ১৫০ কিলোমিটার। এটি ১০ দিনের একটি দীর্ঘ পথ, যেখানে সংরক্ষিত তবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য সাতটি অফ-গ্রিড থাকার আশ্রয়কেন্দ্র বা 'রিফিউজ' রয়েছে। সম্প্রতি চারজনের একটি দল চার দিনে ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এমনই তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে তাদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন।
ভ্রমণটি শুরু হয় ডিগনে-লে-বায়েঁর মেসঁ আলেক্সান্দা ডেভিড-নেল জাদুঘর থেকে। ১৯২৪ সালে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে তিব্বতের রহস্যময় শহর লাসায় প্রবেশকারী প্রথম পশ্চিমা নারী ছিলেন আলেক্সান্দা। এই জাদুঘর থেকেই পাহাড়ি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর চাবি সংগ্রহ করতে হয়, যা ভ্রমণকারীদের মধ্যে এক ধরনের অ্যাডভেঞ্চারের সূচনা করে।
যাত্রার প্রথম দিনেই দেখা মেলে ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু ডিম্বাকৃতির পাথরের তৈরি স্তূপের, যাকে বলা হয় 'সেন্টিনেল'। কোনো প্রকার সিমেন্ট বা চুনকাম ছাড়া কেবল সঠিক ওজনের পাথর নিখুঁতভাবে সাজিয়ে এই ভাস্কর্যগুলো নির্মাণ করেছেন গোল্ডসওয়ার্দি। ফরাসি সরকার কর্তৃক প্রত্যয়িত 'গ্রঁদে রঁদোনে' চিহ্নিত পাহাড়ি পথ ধরে এগোনোর সময় পথের চারপাশের বিচিত্র বুনো ফুল এবং প্রাকৃতিক ভূতাত্ত্বিক গঠন ভ্রমণকারীদের অভিভূত করে।
সূর্যাস্তের সময় ভ্রমণকারীরা তাদের প্রথম আশ্রয়কেন্দ্র 'লা ফরেস্ট'-এ পৌঁছান। সেখানে এক অন্ধকাচ্ছন্ন কক্ষে প্রাকৃতিকভাবে আলোকিত একটি নলাকার পাথরের ভাস্কর্য রয়েছে। পাথর দিয়ে নির্মিত এই কাঠামোটির ওপরের ছিদ্র দিয়ে আকাশ দেখা যায় এবং দিনের আলো, আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এর ভেতরের দৃশ্যও পরিবর্তিত হয়। শিল্পকর্মটি যেন প্রকৃতির সাথে জীবন্ত হয়ে ওঠে।
পরদিন ভ্রমণকারীরা নদীর তীরে বিশ্রাম শেষে দ্বিতীয় আশ্রয়কেন্দ্র 'ল্য ভিয়েই এসক্লাঁগঁ'-এর দিকে যাত্রা করেন। এটি পাহাড়ের চূড়ার এক সবুজ প্রান্তরে অবস্থিত। এর দোতলার কক্ষে মেঝೆಯಿಂದ ছাদ পর্যন্ত বিস্তৃত শুকানো কাদা দিয়ে তৈরি একটি দীর্ঘ আঁকাবাঁকা ভাস্কর্য রয়েছে, যা নদীর প্রবহমানতার কথা মনে করিয়ে দেয়। ঘরের ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বালালে আগুনের আলোয় ভাস্কর্যটি এক নতুন রূপ ধারণ করে।
তৃতীয় আশ্রয়কেন্দ্র 'লা ফার্ম বেলন'-এ পৌঁছানোর পর নিচের তলায় দেখা যায় পাথরের তৈরি বিশাল কয়েকটি তোরণ বা আর্চ, যা মাটির ভেতর দিয়ে ড্রাগনের ভেসে যাওয়ার মতো মনে হয়। সেখানে রাত কাটানোর পরিকল্পনা থাকলেও ওপরের তলায় বাদুরের বসতি থাকায় ভ্রমণকারীরা কাছের এক বি অ্যান্ড বি-তে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। ভ্রমণ শেষে পুনরায় ডিগনে-লে-বায়েঁ শহরে ফিরে তারা আশ্রয়কেন্দ্রের চাবি ফেরত দেন এবং গরম পানির ঝরনায় ক্লান্তি দূর করেন।
শিল্পী অ্যান্ডি গোল্ডসওয়ার্দির মতে, জাদুঘরে কয়েক মিনিটের জন্য কোনো শিল্পকর্ম দেখা আর সেটির ভেতরে কিছুদিন বসবাস বা ঘুমানোর মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। কোনো শিল্পকর্মের ভেতরে ঘুমানো এক চমৎকার অনুভূতি। প্রকৃতি আর শিল্পের এই যুগলবন্দী হাইকারদের শারীরিক পরিশ্রমের কষ্ট ভুলিয়ে এক নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা দেয়।
Technology ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্নপ্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল আগামী অক্টোবর মাসে তাদের আরেকটি বিশেষ ইভেন্টের আয়োজন করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানটিতে বেশ কয়েকটি নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি পণ্য উন্মোচন করতে পারে কুপার্টিনোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। নতুন ডিভাইসগুলোর মধ্যে গ্রাহকদের নজর থাকবে আইপ্যাড মিনি ও নতুন আইম্যাকের দিকে।প্রতিবেদন অনুসারে, অ্যাপল আগামী ইভেন্টে তাদের নতুন ‘আইপ্যাড মিনি (২০২৬)’ মডেল বাজারে নিয়ে আসতে পারে। এই নতুন ট্যাবলেটটিতে অ্যাপলের এ২০ প্রো…
Technology ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্ন
প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল আগামী অক্টোবর মাসে তাদের আরেকটি বিশেষ ইভেন্টের আয়োজন করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানটিতে বেশ কয়েকটি নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি পণ্য উন্মোচন করতে পারে কুপার্টিনোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। নতুন ডিভাইসগুলোর মধ্যে গ্রাহকদের নজর থাকবে আইপ্যাড মিনি ও নতুন আইম্যাকের দিকে।
প্রতিবেদন অনুসারে, অ্যাপল আগামী ইভেন্টে তাদের নতুন ‘আইপ্যাড মিনি (২০২৬)’ মডেল বাজারে নিয়ে আসতে পারে। এই নতুন ট্যাবলেটটিতে অ্যাপলের এ২০ প্রো অথবা এ১৯ প্রো চিপসেট ব্যবহার করা হতে পারে, যা এর কার্যক্ষমতা অনেক গুণে বাড়িয়ে দেবে।
নতুন এই আইপ্যাড মিনি মডেলের অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে পারে এর ডিসপ্লে প্রযুক্তি। সাধারণ প্যানেলের পরিবর্তে এতে আইফোন মডেলগুলোর মতো উন্নত ওলেড (OLED) ডিসপ্লে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা আরও স্পষ্ট ও নিখুঁত ভিউয়িং অভিজ্ঞতা পাবেন।
নকশার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে পারে অ্যাপল। জানা গেছে, ডিভাইসটিতে ছিদ্রবিহীন একটি নতুন ধরনের স্পিকার সিস্টেম থাকবে। এর পাশাপাশি এটিকে পানি নিরোধক বা ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট ডিজাইনে তৈরি করা হতে পারে, যা আইপ্যাডকে আরও টেকসই করে তুলবে।
একই অনুষ্ঠানে অ্যাপল তাদের নতুন ‘আইম্যাক (২০২৬)’ ডেস্কটপ কম্পিউটার উন্মোচন করতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এই অল-ইন-ওয়ান পিসিতে অ্যাপলের নতুন ও শক্তিশালী এমসিক্স (M6) প্রসেসর ব্যবহার করা হতে পারে, যা ভারী কাজ ও গ্রাফিক্সের কাজে আরও বেশি গতি সরবরাহ করবে।
নতুন এই আইম্যাক মডেলে আগের মতোই ২৪ ইঞ্চির ডিসপ্লে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের নতুনত্ব দিতে ডিভাইসটি বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় নতুন রঙে বাজারে আনা হতে পারে। অক্টোবর ইভেন্ট সংক্রান্ত অন্যান্য বিবরণ পরবর্তীতে অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে পারে।
Technology ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্নচীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উইভোর নতুন ওয়াই-সিরিজের স্মার্টফোন 'উইভো ওয়াই৬০০আই' খুব শিগগিরই বাজারে আসতে পারে। চায়না টেলিকমের ডেটাবেসে ডিভাইসটির সম্ভাব্য রেন্ডার বা ছবি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন বা ফিচার তালিকাভুক্ত হতে দেখা গেছে।ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী দিনে বাজারে আসার অপেক্ষায় থাকা উইভো ওয়াই৬০০আই মডেলটিতে থাকছে বিশাল ৬.৮৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে। এতে দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার জন্য শক্তিশালী ৮,০০০ এমএএইচ ক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত করা…
Technology ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্ন
চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উইভোর নতুন ওয়াই-সিরিজের স্মার্টফোন 'উইভো ওয়াই৬০০আই' খুব শিগগিরই বাজারে আসতে পারে। চায়না টেলিকমের ডেটাবেসে ডিভাইসটির সম্ভাব্য রেন্ডার বা ছবি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন বা ফিচার তালিকাভুক্ত হতে দেখা গেছে।
ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী দিনে বাজারে আসার অপেক্ষায় থাকা উইভো ওয়াই৬০০আই মডেলটিতে থাকছে বিশাল ৬.৮৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে। এতে দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার জন্য শক্তিশালী ৮,০০০ এমএএইচ ক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত করা হতে পারে।
স্মার্টফোনটির প্রসেসর বিভাগে স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ২ চিপসেট ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শক্তিশালী এই প্রসেসরের কারণে ফোনটির কার্যক্ষমতা ও গতি বেশ ভালো হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
চায়না টেলিকমের তালিকা অনুযায়ী, উইভো ওয়াই৬০০আই মোট তিনটি আকর্ষণীয় রঙের অপশনে পাওয়া যাবে। এছাড়া ডিভাইসটি দুটি আলাদা র্যাম ও ইন্টারনাল স্টোরেজ কনফিগারেশনে বাজারে লঞ্চ হতে পারে।
যদিও চায়না টেলিকমের তালিকাতে ফোনটির ছবি ও বিভিন্ন স্পেসিফিকেশনের তথ্য পাওয়া গেছে, তবে উইভোর পক্ষ থেকে এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের তারিখ বা মূল্যের বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আগামী দিনগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির তরফ থেকে বিস্তারিত জানতে পারা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Entertainment ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্নঅস্ট্রেলীয় জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘নেবারস’-এর চার্লিন চরিত্র থেকে বিশ্বমঞ্চের অন্যতম পপ সুপারস্টার হয়ে ওঠার পেছনে কাইলি মিনোগের ফ্যাশন সচেতনতা একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর এই দীর্ঘ ও চমকপ্রদ সফরকে কেন্দ্র করে মাইকেল ক্র্যাগের লেখা নতুন বই ‘ক্যান্ট গেট ইউ আউট অফ মাই হেড: ইন সার্চ অফ কাইলি’ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ফাইবার থেকে প্রকাশিতব্য এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে কাইলি…
Entertainment ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
অস্ট্রেলীয় জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘নেবারস’-এর চার্লিন চরিত্র থেকে বিশ্বমঞ্চের অন্যতম পপ সুপারস্টার হয়ে ওঠার পেছনে কাইলি মিনোগের ফ্যাশন সচেতনতা একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর এই দীর্ঘ ও চমকপ্রদ সফরকে কেন্দ্র করে মাইকেল ক্র্যাগের লেখা নতুন বই ‘ক্যান্ট গেট ইউ আউট অফ মাই হেড: ইন সার্চ অফ কাইলি’ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ফাইবার থেকে প্রকাশিতব্য এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে কাইলি নিজের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনকে ফ্যাশনের মাধ্যমে রূপান্তর ও উপস্থাপন করেছেন।
১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর নিজের ‘দ্য ডেলিঙ্কোয়েন্টস’ চলচ্চিত্রের অস্ট্রেলীয় প্রিমিয়ারে প্রথমবার ফ্যাশনের শক্তিকে পুরোপুরি কাজে লাগান কাইলি। সেদিন তিনি অস্ট্রেলীয় ডিজাইনার মরিসি এডমিস্টনের তৈরি সিকুইনযুক্ত একটি পোশাক ও ছোট স্বর্ণালী রঙের উইগ পরে হাজির হন। একই সঙ্গে ইনএক্সএস (INXS) ব্যান্ডের রকার মাইকেল হাচেঞ্চের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খবরও জনসমক্ষে আসে। এর আগে ১৯৮৮ সালে নিজের প্রথম অ্যালবামের প্রচ্ছদে কিংবা ধারাবাহিকের বিয়ের পোশাকে ফ্যাশন ছিল তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া, যার ওপর নিজের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। কিন্তু সেখান থেকেই নিজের চেহারার ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন তিনি।
পপ ক্যারেক্টারের পরিবর্তন ও নতুন রূপ নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেকে সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন কাইলি। এই বিষয়ে ২০১২ সালে প্রকাশিত ‘কাইলি/ফ্যাশন’ ছবির বইটির ভূমিকায় খ্যাতনামা ডিজাইনার জাঁ পল গলতিয়ে লিখেছিলেন, কাইলি প্রতিনিয়ত সময়ের বিবর্তন ও ফ্যাশনের সঙ্গে নিজেকে বদলেছেন, রূপান্তর করেছেন এবং খাপ খাইয়ে নিয়েছেন—তবুও তিনি নিজের মৌলিক সত্তা ধরে রেখেছেন।
১৯৯০-এর দশকের শুরুতে কাইলি তাঁর তথাকথিত ‘স্মাইলি কাইলি’ ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে বড় ধরনের ঝুঁকি নেন। ১৯৯১ সালের ‘লেটস গেট টু ইট’ ট্যুরের জন্য তিনি বেছে নেন ততটা পরিচিত না থাকা ডিজাইনার জন গ্যালিয়ানোকে। সেই সফরের খোলামেলা পোশাক ও কাঁচুলি বেশ বিতর্ক তৈরি করে। ব্রিটিশ সঙ্গীত পত্রিকা এনএমই (NME) তখন তাঁর বিরুদ্ধে তরুণ ভক্তদের কাছে ‘ঝুঁকিপূর্ণ বার্তা’ পাঠানোর অভিযোগ আনে। তবে কাইলি সেই সময় একটি সাক্ষাৎকারে জানান, শরীর ঢেকে রাখার পোশাক তৈরির জন্য তিনি গ্যালিয়ানোকে নিয়োগ দেননি; বরং নিজের পুরোনো ভাবমূর্তি থেকে বেরিয়ে আসাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য।
পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে ‘কাইলি মিনোগ’ অ্যালবামের প্রচ্ছদের জন্য ফ্যাশন স্টাইলিস্ট কেটি গ্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। সেখানে দেখা যায় খালি পায়ে, চোখে চশমা এবং পল স্মিথের স্যুট পরা এক ব্যতিক্রমী কাইলিকে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের পপ ইমেজে এক নতুন ও আকর্ষণীয় মাত্রা যোগ করেন। পরবর্তীতে তাঁর স্টাইলিস্ট উইলিয়াম বাকারের সৌজন্যে তিনি ওভেন গ্যাস্টার, আন্তোনিও বেরার্দি ও ভেরোনিক লেরোয়ার মতো আধুনিক ও স্বতন্ত্র ডিজাইনারদের সঙ্গে কাজ শুরু করেন।
নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে বা ২০০০ সালে দাতব্য দোকান থেকে মাত্র ৫০ পেন্স দিয়ে কেনা গোল্ডেন হট প্যান্ট পরে ‘স্পিনিং অ্যারাউন্ড’ মিউজিক ভিডিওতে হাজির হন কাইলি। এই পোশাকটি পপ সঙ্গীতে তাঁর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের প্রতীক হয়ে ওঠে। পোশাকটির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরবর্তীতে এটি ‘আর্টস সেন্টার মেলবোর্ন’-এ দান করা হয়, যা বর্তমানে কাচের বাক্সে শিল্পকর্ম হিসেবে প্রদর্শিত হয়।
এর পরের বছর অর্থাৎ ২০০১ সালে ‘ক্যান্ট গেট ইউ আউট অফ মাই হেড’ গানের জন্য ডিজাইনার ফি ডোরাণ (মিসেস জোন্স) একটি বিশেষ সাদা হুডেড জাম্পস্যুট তৈরি করেন। পোশাকটি সেই সময় অত্যন্ত প্রশংসিত হয় এবং কাইলির ফিভার অ্যালবামের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যায়। এছাড়া ২০০৩ সালের ‘স্লো’ মিউজিক ভিডিওতে বেলেনসিয়াগার নীল পোশাক এবং ২০০৭ সালে ক্যানসার জয়ের পর পপ সঙ্গীতে ফিরে এসে গ্যালেথ পিউয়ের তৈরি ফিউচারিস্টিক পোশাকে পারফর্ম করেন তিনি।
চার দশকের দীর্ঘ পথচলায় কাইলি মিনোগকে কখনোই কোনো একজন নির্দিষ্ট ডিজাইনার বা স্টাইলিস্ট আটকে রাখতে পারেননি। সঙ্গীত সমন্বয়কদের মতো তিনি ফ্যাশনকেও ব্যবহার করেছেন নিজের বহুমুখী সত্তাকে ফুটিয়ে তোলার হাতিয়ার হিসেবে।
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নশ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। হাতের ইনজুরির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ একদিনের সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন দলের অভিজ্ঞ ও তারকা লেগ স্পিনার আদিল রশিদ।চিকিৎসক ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মূল্যায়ন অনুযায়ী, হাতের ইনজুরির কারণে আদিল রশিদ এই মুহূর্তে বোলিং করার মতো অবস্থায় নেই। ফলে তাকে পুরো ওডিআই সিরিজ থেকেই বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য ইংল্যান্ডের…
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। হাতের ইনজুরির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ একদিনের সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন দলের অভিজ্ঞ ও তারকা লেগ স্পিনার আদিল রশিদ।
চিকিৎসক ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মূল্যায়ন অনুযায়ী, হাতের ইনজুরির কারণে আদিল রশিদ এই মুহূর্তে বোলিং করার মতো অবস্থায় নেই। ফলে তাকে পুরো ওডিআই সিরিজ থেকেই বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য ইংল্যান্ডের স্পিন বিভাগে আদিল রশিদ ছিলেন অন্যতম মূল অস্ত্র। তার ছিটকে যাওয়া দলের অভিজ্ঞতায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তার বদলি খেলোয়াড় সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা শীঘ্রই জানাবে ইসিবি।
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নবৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বড় ধরনের বিপর্যয়ের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। মঙ্গলবার দুই দলের মধ্যকার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে জাপানকে মাত্র ২ রানে হারিয়েছে ভারতীয় দল।জাপানের অসাধারণ লড়াইয়ের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। বৃষ্টি আইনে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয়েছিল। সংক্ষিপ্ত এই খেলায় শেষ পর্যন্ত ২ রানের জয় তুলে নেয় ভারত।জাপানের মতো উদীয়মান ক্রিকেট…
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বড় ধরনের বিপর্যয়ের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। মঙ্গলবার দুই দলের মধ্যকার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে জাপানকে মাত্র ২ রানে হারিয়েছে ভারতীয় দল।
জাপানের অসাধারণ লড়াইয়ের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। বৃষ্টি আইনে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয়েছিল। সংক্ষিপ্ত এই খেলায় শেষ পর্যন্ত ২ রানের জয় তুলে নেয় ভারত।
জাপানের মতো উদীয়মান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে ভারতের এই ম্যাচটি ছিল দুই দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি দ্বৈরথ। জয় পেলেও জাপানের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভারতকে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিল।
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নচলমান এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় চমৎকার পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ নারী টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন ভারতের মারকুটে ওপেনার শেফালি ভার্মা। এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করার পর তিনি র্যাঙ্কিংয়ের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন।এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনীর মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ক্যারিয়ারের প্রথম শতকটি পূর্ণ করেন এই তারকা ব্যাটার। তাঁর এই দারুণ পারফরম্যান্স…
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
চলমান এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় চমৎকার পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ নারী টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন ভারতের মারকুটে ওপেনার শেফালি ভার্মা। এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করার পর তিনি র্যাঙ্কিংয়ের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন।
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনীর মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ক্যারিয়ারের প্রথম শতকটি পূর্ণ করেন এই তারকা ব্যাটার। তাঁর এই দারুণ পারফরম্যান্স বিশ্বমঞ্চে ও র্যাঙ্কিংয়ের টেবিলে তাঁর অবস্থানকে আরও মজবুত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিক ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং উপহার দিয়ে নজর কেড়েছেন শেফালি। এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সেঞ্চুরির পাশাপাশি তাঁর এই র্যাঙ্কিংয়ে অগ্রগতি ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের জন্যও অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্নসোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মিকায়লা ডিমাইটারের সর্বশেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তাঁর অনুরাগী ও ভক্তদের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা নতুন ছবিগুলোতে মিকায়লা ডিমাইটারের লুক ও উপস্থিতির প্রশংসায় মেতে উঠেছেন তাঁর ভক্তরা। অনেকেই মন্তব্য বাক্সে তাঁর রূপ ও পেশাদারী ভঙ্গিমার প্রশংসা করে মন্তব্য করছেন।তবে কেবল ছবির প্রশংসাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি ভক্তদের প্রতিক্রিয়া।…
Sports ডেস্ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ন
সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মিকায়লা ডিমাইটারের সর্বশেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তাঁর অনুরাগী ও ভক্তদের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা নতুন ছবিগুলোতে মিকায়লা ডিমাইটারের লুক ও উপস্থিতির প্রশংসায় মেতে উঠেছেন তাঁর ভক্তরা। অনেকেই মন্তব্য বাক্সে তাঁর রূপ ও পেশাদারী ভঙ্গিমার প্রশংসা করে মন্তব্য করছেন।
তবে কেবল ছবির প্রশংসাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি ভক্তদের প্রতিক্রিয়া। পেশাদার গলফার ব্রাইসন ডেচ্যাম্বিউয়ের সঙ্গে ডিমাইটারের প্রেমের সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা নিয়েও অনুরাগী ও অনুসারীরা নানামুখী মন্তব্য করছেন।
অনেক অনুরাগী রসিকতা করে তাঁদের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি মন্তব্যের ঘরে তুলে আনছেন। সম্প্রতি গলফার ব্রাইসন ডেচ্যাম্বিউয়ের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, এই নতুন পোস্টটি তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ইনস্টাগ্রামে ডিমাইটারের এই পোস্টটি দ্রুতই অনুসারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়। সেখানে ছবির কমেন্ট সেকশনে ভক্তদের হাস্যরসাত্মক ও ইতিবাচক মন্তব্যের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
গলফ তারকা ব্রাইসন ডেচ্যাম্বিউয়ের সঙ্গে মিকায়লা ডিমাইটারের সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ চর্চা চলছে। নতুন এই ছবিগুলো প্রকাশের পর সেই গুঞ্জন ও মনোযোগ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






