জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার ইতিহাস হলো শিক্ষা ও সংস্কৃতির ইতিহাস
Lifestyle ডেস্ক: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্নসাম্প্রতিক সময়ে 'জি কিউ' (GQ) এবং 'ভোগ' (Vogue) সাময়িকীর প্রচ্ছদে দুই জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা টম ক্রুজ ও মাইকেল বি জর্ডানের ছবি প্রকাশের পর পুরুষত্ব বা মাস্কুলিনিটি নিয়ে নতুন করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বক্স অফিসে ঝড় তোলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য দুজনই পরিচিত হলেও, প্রচ্ছদে তাদের উপস্থিতি ও পরিবেশনায় রয়েছে স্পষ্ট বৈপরীত্য।৬৪ বছর বয়সী টম ক্রুজ দীর্ঘ ২০ বছর পর…
Lifestyle ডেস্ক: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
সাম্প্রতিক সময়ে 'জি কিউ' (GQ) এবং 'ভোগ' (Vogue) সাময়িকীর প্রচ্ছদে দুই জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা টম ক্রুজ ও মাইকেল বি জর্ডানের ছবি প্রকাশের পর পুরুষত্ব বা মাস্কুলিনিটি নিয়ে নতুন করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বক্স অফিসে ঝড় তোলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য দুজনই পরিচিত হলেও, প্রচ্ছদে তাদের উপস্থিতি ও পরিবেশনায় রয়েছে স্পষ্ট বৈপরীত্য।
৬৪ বছর বয়সী টম ক্রুজ দীর্ঘ ২০ বছর পর জি কিউ সাময়িকীর প্রচ্ছদে হাজির হয়েছেন। প্রচ্ছদে তাকে দেখা যায় বোতাম খোলা শার্টে, এলোমেলো চুলে হাত বুলাতে বুলাতে বেল্টের বাকল ধরে আছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী, তার এই দৃশ্য নেটিজেনদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়নি। অনেকেই মন্তব্য বাক্সে এটিকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং তাকে ইন্টারনেট পরিভাষায় 'আঙ্ক' (unc) বা আধুনিক সময়ের সাথে সম্পর্কহীন বলে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, ৩৯ বছর বয়সী মাইকেল বি জর্ডান ষষ্ঠ পুরুষ হিসেবে এককভাবে 'ভোগ' সাময়িকীর প্রচ্ছদে জায়গা করে নিয়েছেন। ফুল বিছানো বিছানায় শুয়ে হাসি মুখে থাকা জর্ডানের পরনে ছিল কোট বা ব্লেজার, যার বোতাম খোলা অবস্থায় তার শারীরিক গঠন স্পষ্ট দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই রূপ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং পাঠকদের ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।
কার্ডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির পুরুষত্ববিষয়ক গবেষক ড. অ্যাশলি মরগান মন্তব্য করেছেন যে, সমাজে পুরুষত্বের বিবিধ রূপ থাকলেও মানুষ প্রায়ই শ্বেতাঙ্গ পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর জোর দেয়। ক্রুজের প্রচ্ছদে সেই ঐতিহ্যবাহী ধারাই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। বিপরীতপক্ষে, জর্ডান কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষত্বের পাশাপাশি একটি আধুনিক ও সর্বজনীন আকর্ষণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টমিনস্টারের জ্যৈষ্ঠ ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ অ্যান্ড্রু গ্রোভস জানান, ক্রুজের ছবিতে পুরনো জিন্স ও পুরনো ধাঁচের শার্ট ব্যবহার করে একটি ঐতিহ্যগত কাজের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে, যা যৌন আবেদন তৈরিতে কিছুটা ব্যর্থ। অন্যদিকে, জর্ডানের ছবিতে ফ্যাশন, অলঙ্কার ও কোমলতার ছোঁয়া রয়েছে, যা পুরুষত্বের একটি ভিন্ন ও বিস্তৃত সংজ্ঞাকে তুলে ধরে।
জি কিউ সাময়িকীর নতুন সম্পাদক অ্যাডাম বাইদাওয়ি দায়িত্ব নেওয়ার পর সাময়িকীটিকে পুরুষদের মূল দিকনির্দেশক হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন। এর আগে ২০১৯ সালে সাময়িকীটির 'দ্য নিউ মাস্কুলিনিটি' সংস্করণে ফারেল উইলিয়ামসকে একটি গাউন সদৃশ কোট পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। ২০২০ সালে হ্যারি স্টাইলস 'ভোগ'-এর প্রচ্ছদে পোশাক পরে হাজির হয়েছিলেন। তবে বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ঐতিহ্যবাহী পুরুষতান্ত্রিক ধারার পুনরুত্থান দেখা যাচ্ছে।
লন্ডনের বার্বিকানে পুরুষত্ব বিষয়ক প্রদর্শনীর কিউরেটর আলোনা পার্দো এই দুই প্রচ্ছদ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করে বলেন, গণমাধ্যম যেভাবে পুরুষত্বের প্রথাগত আদর্শকে বজায় রাখার চেষ্টা করে, তা এই ছবিগুলোর মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট হয়েছে। বয়সকে না মেনে ক্রুজের এই শারীরিক শক্তিমত্তা প্রদর্শন পুরুষের মূল্যায়নের প্রথাগত ধারণাকেই প্রাধান্য দেয়। অন্যদিকে, 'হোয়াটস রং উইথ ম্যান' বইয়ের লেখক জেসিকা ক্রিসপিন মনে করেন, ক্রুজের এই ছবি হলিউডে তার অভিজ্ঞ ও অভিভাবকতুল্য ভূমিকার প্রতিফলন, আর জর্ডানের প্রচ্ছদটি চেনা ভঙ্গির হলেও তাতে কিছুটা রসবোধ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ট্রাফিক সিগন্যালে বসানো গাড়ি ও পথচারী পর্যবেক্ষণকারী স্ক্যানার বা সেন্সর কেটে ফেলার এবং ধ্বংস করার বেশ কিছু ঘটনা সামনে এসেছে। নিজেদের ‘ব্লেড রানার্স’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া একটি দলের অনুসারী ও ষড়যন্ত্রতত্ত্ববিদরা এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক চিত্রে দেখা গেছে, বয়স্ক নাগরিকরাও মই বেয়ে উঠে এসব স্ক্যানারের তার কেটে দিচ্ছেন। গত ২৮ আগস্ট ডেভনের ইলফ্রেকম শহরের একটি শান্ত রাস্তায় ষাটোর্ধ্ব এক নারী ও সত্তোরোর্ধ্ব…
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ট্রাফিক সিগন্যালে বসানো গাড়ি ও পথচারী পর্যবেক্ষণকারী স্ক্যানার বা সেন্সর কেটে ফেলার এবং ধ্বংস করার বেশ কিছু ঘটনা সামনে এসেছে। নিজেদের ‘ব্লেড রানার্স’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া একটি দলের অনুসারী ও ষড়যন্ত্রতত্ত্ববিদরা এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক চিত্রে দেখা গেছে, বয়স্ক নাগরিকরাও মই বেয়ে উঠে এসব স্ক্যানারের তার কেটে দিচ্ছেন।
গত ২৮ আগস্ট ডেভনের ইলফ্রেকম শহরের একটি শান্ত রাস্তায় ষাটোর্ধ্ব এক নারী ও সত্তোরোর্ধ্ব এক পুরুষকে ট্রাফিক লাইটের উপরের সেন্সর কাটতে দেখা যায়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ক্ষতিসাধন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের ঝুঁকিতে ফেলার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তবে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব বিশ্বাসী সমর্থকদের কাছে তারা প্রশংসিত হচ্ছেন।
ইলফ্রেকম ছাড়াও ক্যামব্রিজ, স্লীফোর্ড এবং কাউন্টি ডারহামের মতো এলাকাগুলোতে একইভাবে প্রায় ২০০টির মতো ট্রাফিক ডিটেক্টর ইউনিট ধ্বংস করা হয়েছে। এসব ঘটনার পেছনে যুক্ত ব্যক্তিরা ট্রাফিক স্ক্যানারগুলোকে "ফেজড অ্যারেই ইলেকট্রনিক অ্যাসল্ট ওয়েপন" বা মারাত্মক অস্ত্র হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে। তাদের দাবি, এগুলো দিয়ে গণ-নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং ক্যান্সার, ডিমেনশিয়া বা হঠাৎ মৃত্যুর মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করা হচ্ছে।
এর আগেও প্রযুক্তিবিরোধী এবং নজরদারির আতঙ্কে থাকা এই ধরনের কর্মীরা লন্ডনের আল্ট্রা লো এমিশন জোন (ইউলেজ) ক্যামেরা ধ্বংস করেছিল। এমনকি ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্কের টাওয়ারগুলো করোনা ভাইরাস ছড়ায়—এমন ষড়যন্ত্রতত্ত্বে বিশ্বাসী হয়ে তারা সেগুলোতে হামলা চালিয়েছিল।
ইউনিভার্সিটি অব লিডসের ইন্সটিটিউট ফর ট্রান্সপোর্ট স্টাডিজের প্রযুক্তি ও ইনফরমেটিক্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সুসান গ্রান্ট-মুলার এই বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ১৯৭০-এর দশকের শেষদিক থেকেই এই প্রযুক্তির প্রাথমিক রূপ ব্যবহার হয়ে আসছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কর্মীরা মূল লাল, হলুদ বা সবুজ সিগন্যাল লাইট ধ্বংস করে না, বরং লাইটের ওপরে থাকা বাড়তি সেন্সরগুলো কেটে দেয়।
অধ্যাপক গ্রান্ট-মুলার আরও জানান, এই ট্রাফিক ক্যামেরাগুলো কোনো ব্যক্তিগত তথ্য, মানুষের মুখ বা গাড়ির কোনো বিবরণ রেকর্ড করে না। এগুলো কেবল কোনো নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ি বা মানুষের উপস্থিতি এবং তাদের অপেক্ষার সময় নির্ধারণ করে, যাতে ট্রাফিক প্রবাহ সহজ রাখা যায়। সাধারণত যানজট বেশি থাকা সংযোগস্থলগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুরোধেই এসব স্ক্যানার বসানো হয়ে থাকে।
কিংসে কলেজ লন্ডনের সমসাময়িক সংস্কৃতির অধ্যাপক ক্লার বার্চাল বলেন, এই ধরনের বিশ্বাসগুলো মূলত "দ্য গ্রেট রিসেট" বা একটি বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রচার করা হয়। মানুষ যখন প্রযুক্তিগত নজরদারি ও নিজেদের তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে একধরনের অনিশ্চয়তায় ভোগে, তখন তারা পরিস্থিতি বোঝাপড়ার জন্য এই ধরণের নিজস্ব বয়ান তৈরি করে নেয়।
ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টলের কগনিটিভ সাইকোলজির অধ্যাপক স্টিফেন লেওয়ান্ডোস্কি ব্যাখ্যা করেছেন যে, যেকোনো ভীতিকর বা অনিয়ন্ত্রিত ঘটনার মুখোমুখি হলে কিছু মানুষ মনস্তাত্ত্বিক শান্তির জন্য ষড়যন্ত্রতত্ত্বে আশ্রয় নেয়। তাদের কাছে মনে হয়, অনিয়ন্ত্রিত কোনো ঘটনার চেয়ে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধী গোষ্ঠীকে দায়ী করতে পারাটা মানসিকভাবে স্বস্তিদায়ক।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ওপর বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে চীনের অগ্রগতি নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাত। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও আমোদেইসহ সিলিকন ভ্যালির প্রভাবশালী নেতারা আশঙ্কা করছেন, অতি-উন্নত বা সুপার-ইন্টেলিজেন্ট এআই তৈরিতে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেলে তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এই আশঙ্কার ওপর ভিত্তি করেই মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারণে বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। চলতি সপ্তাহে সাবেক…
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ওপর বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে চীনের অগ্রগতি নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাত। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও আমোদেইসহ সিলিকন ভ্যালির প্রভাবশালী নেতারা আশঙ্কা করছেন, অতি-উন্নত বা সুপার-ইন্টেলিজেন্ট এআই তৈরিতে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেলে তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এই আশঙ্কার ওপর ভিত্তি করেই মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারণে বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে।
চলতি সপ্তাহে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল—সাইবার নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা এবং মানবজাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে এআই উন্নয়ন ধীরগতির করার আহ্বান তিনি সমর্থন করেন কি না। জবাবে ট্রাম্প না সূচক উত্তর দেন এবং যুক্তি হিসেবে চীনের নাম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এআই প্রযুক্তিতে চীনের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে এবং দেশের এই শীর্ষস্থান তিনি ধরে রাখতে চান। ট্রাম্পের এই বক্তব্য আসলে এআই খাতের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর দীর্ঘদিনের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি।
অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআই-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তি দিয়ে আসছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের সঙ্গে এক তীব্র প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন কোনো কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা মার্কিন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও আমোদেই এআই খাতের ফ্রন্টিয়ার মডেলগুলোর গতি নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানালেও স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ততটুকুই ধীরগতি অবলম্বন করতে পারে যতটুকু করলে চীন তাদের ধরে ফেলতে পারবে না। আমোদেই সতর্ক করে বলেন, চীন নীতি ভঙ্গ করলে তারা এমন শক্তিশালী এআই পেয়ে যাবে যা ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য নিশ্চিত করবে।
সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি খাত নিজেদের চীনের বিরুদ্ধে একটি নতুন ‘স্নাযুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার’-এর অগ্রগামী দল হিসেবে তুলে ধরছে। তাদের মতে, মার্কিন আধিপত্য ও গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে আমেরিকার এআই সক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। এই ভাবনায় এআই নিরাপত্তা গবেষক, প্রযুক্তি-সামরিক জোরদারকারী এবং নব্য-সংরক্ষণশীলরা এক ছাতার নিচে এসেছেন। সরকারি কৌশল তৈরি ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বিশ্লেষণের জন্য এআই কোম্পানিগুলো বাইডেন ও ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে নিজস্ব নীতি নির্ধারণী দল গঠন করেছে।
অ্যানথ্রোপিকের ডারিও আমোদেই চীন থেকে আসা এআই হুমকির বিষয়ে অত্যন্ত সোচ্চার। তিনি মনে করেন, অতি-উন্নত এআই প্রযুক্তি যেন কোনো দমনপীড়নকারী শাসনব্যবস্থার হাতে না পড়ে তা নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। তবে অন্য প্রযুক্তি নেতাদের চেয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান বা মেটার মার্ক জাকারবার্গ প্রতিযোগিতাকে করপোরেট ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। অন্যদিকে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং চীনা এআই মডেল ব্যবহারের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফেলো কাইল চ্যান জানান, আমোদেই মূলত কর্তৃত্ববাদী এআই বনাম গণতান্ত্রিক এআইয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্বে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
আমোদেই একাধিক প্রবন্ধে লিখেছেন, চীনের কাছে অতি-ক্ষমতাধর এআই পৌঁছানো মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বিপদ। তাঁর মতে, এআই চালিত কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র লাখ লাখ স্বয়ংক্রিয় ড্রোন স্কোয়াড তৈরি করতে পারে, যা যেকোনো দেশের সামরিক বাহিনীকে পরাস্ত করতে এবং নাগরিকদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাতে সক্ষম। চীনের এই উন্নয়ন ঠেকাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। বিশেষ করে এআই চিপ এবং সেমিকন্ডাক্টর তৈরির সরঞ্জাম চীনে রপ্তানি বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি, যদিও এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং এসব রপ্তানি নিষেধাজ্ঞাকে ব্যর্থ বলে অভিহিত করেছেন।
নিজের অবস্থান শক্ত করতে আমোদেই জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি বাইডেন প্রশাসনের সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল কর্মকর্তা তরুণ ছাবড়াকে অ্যানথ্রোপিকের জাতীয় নিরাপত্তা নীতি প্রধান হিসেবে যুক্ত করেছেন। ছাবড়া চীনা কমিউনিস্ট পার্টির এআই অগ্রগতি রুখতে মার্কিন সরকারের পূর্ণমাত্রার পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া আমোদেই সাবেক ট্রাম্প প্রশাসনের চীন নীতির রূপকার ম্যাট পটিনজারের সঙ্গে যৌথ নিবন্ধ লিখে চিপ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের এআই সম্পর্কিত আলোচনার প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো, বেইজিং এআই সুরক্ষার বিষয়টিকে আমেরিকান চক্রান্ত হিসেবে দেখছে। আটলান্টিক কাউন্সিলের ডিজিটাল ফরেনসিক রিসার্চ ল্যাবের সিনিয়র ফেলো কেনটন থিবো বলেন, বেইজিং মনে করে নিরাপত্তার বাহানায় চীনকে থামিয়ে রাখার চক্রান্ত চলছে। মার্কিন রাজনীতিবিদরা অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন চাপ ও আসন্ন নির্বাচনের কারণে এআই নিয়ন্ত্রণের দিকে ঝুঁকতে পারেন, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বা সাইবার হামলার মতো ঝুঁকি এড়াতে উভয় দেশের জন্যই সমঝোতায় আসা প্রয়োজন।
Technology ডেস্ক: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্নআগামী মাস থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল বৃদ্ধির খবরের মধ্যে বাসাবাড়িতে কম খরচে পানি গরম ও ঘর উষ্ণ রাখার ক্ষেত্রে এক অভিনব প্রযুক্তির ব্যবহার সামনে এসেছে। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা জাইলস গিবসন তার চার বেডরুমের বাড়ির ওয়াটার ট্যাঙ্কের সঙ্গে একটি ক্ষুদ্রাকার ডেটাসেন্টার সার্ভার যুক্ত করে গরম পানির সুবিধা পাচ্ছেন। কম্পিউটিং কাজ চলার সময় সার্ভার থেকে যে তাপ নির্গত হয়, তা নষ্ট হতে না দিয়ে…
Technology ডেস্ক: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ন
আগামী মাস থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল বৃদ্ধির খবরের মধ্যে বাসাবাড়িতে কম খরচে পানি গরম ও ঘর উষ্ণ রাখার ক্ষেত্রে এক অভিনব প্রযুক্তির ব্যবহার সামনে এসেছে। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা জাইলস গিবসন তার চার বেডরুমের বাড়ির ওয়াটার ট্যাঙ্কের সঙ্গে একটি ক্ষুদ্রাকার ডেটাসেন্টার সার্ভার যুক্ত করে গরম পানির সুবিধা পাচ্ছেন। কম্পিউটিং কাজ চলার সময় সার্ভার থেকে যে তাপ নির্গত হয়, তা নষ্ট হতে না দিয়ে সরাসরি পানি গরম করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
গিবসন জানান, গত বছর এই ব্যবস্থা বা সিস্টেমটি বসানোর পর থেকে তার বাসায় পানি গরম করার মাসিক বিল গড়ে ১০ থেকে ১৫ পাউন্ড পর্যন্ত কমেছে। লন্ডনের সারে-ভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'হিটা' (heata) এই সিস্টেমটি সরবরাহ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবসার অংশ হিসেবে তাদের গ্রাহকদের ডেটা প্রসেসিংয়ের কাজগুলো বিভিন্ন বাসাবাড়িতে রাখা সার্ভারে পাঠিয়ে থাকে। এই ছোট ডিভাইসগুলোর কাজের ক্ষমতা প্রায় আটটি ল্যাপটপের সমান।
হিটা-র বাণিজ্যিক পরিচালক চার্লি বেহারেল জানান, তাদের লক্ষ্য হলো একটি বাড়ির ওয়াটার সিলিন্ডারের প্রয়োজনীয় গরম পানির প্রায় ৮০ শতাংশ তাপ এই সার্ভার থেকে নিশ্চিত করা। বাকি তাপের জন্য সাময়িকভাবে গ্যাস বয়লার ব্যবহার করতে হতে পারে। তবে প্রাথমিক সিস্টেম হিসেবে এটি ব্যবহারের ফলে মূল বয়লারের ওপর চাপ অনেক কমে যায়। এই প্রযুক্তিটি ব্যবহারের উপযোগী করতে বাড়িতে একটি ভেেন্টেড বা আনপ্রেসারাইজড ওয়াটার সিলিন্ডার থাকতে হয় এবং এর সঙ্গে ফাইবার ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রয়োজন।
প্রযুক্তিটি স্থাপনের জন্য কোনো বাড়তি খরচ নেওয়া হয় না এবং এতে কোনো প্লাম্বিং বা পাইপলাইনের জটিলতা নেই। ইঞ্জিনিয়াররা পানির ট্যাঙ্কের বাইরে তাপ পরিবাহী পেস্টের সাহায্যে সার্ভারটি যুক্ত করে দেন। সার্ভার চালানোর জন্য যে বিদ্যুৎ খরচ হয় তা হিটা কর্তৃপক্ষ বহন করে, আর বাড়িওয়ালা কেবল ব্রডব্যান্ড সংযোগের খরচ প্রদান করেন। বর্তমানে ১০০টি বাড়িতে এই সিস্টেম সচল রয়েছে এবং আরও তিন হাজার পরিবার এটি পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী বছর এমন আরও শত শত ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, এসেক্সে থার্মিফাই (thermify) নামের ওয়েলস-ভিত্তিক আরেকটি প্রতিষ্ঠান ভিন্ন পদ্ধতিতে তাপ পুনর্ব্যবহারের পরীক্ষা চালাচ্ছে। তারা 'হিটহাব' নামে একটি বিশেষ ডিভাইস তৈরি করেছে, যার মধ্যে প্রায় ৪৮০টি ছোট রাস্পবেরি পাই কম্পিউটার রয়েছে। এই ছোট ডেটাসেন্টার সার্ভারগুলো প্রসেসিংয়ের সময় যে তাপ তৈরি করে, তা চারপাশের মিনারেল অয়েল বা খনিজ তেলকে উত্তপ্ত করে। পরে তা হিট এক্সচেঞ্জারের মাধ্যমে রেডিয়েটরে পানি সরবরাহ করে ঘর গরম রাখতে সাহায্য করে।
থার্মিফাই-এর প্রধান নির্বাহী ট্র্যাভিস থিউন জানান, তারা বিভিন্ন আকারের বাড়ির জন্য আলাদা ধরনের হিটহাব ইউনিট তৈরির পরিকল্পনা করছেন। যেমন তিন থেকে চার বেডরুমের বাড়ির জন্য ওয়াশিং মেশিনের আকারের এবং ফ্ল্যাটের জন্য মাইক্রোওভেনের আকারের ডিভাইস প্রস্তুত করা হবে। গড়ে মাসিক ৯০ পাউন্ড খরচে ১০ বছরের চুক্তিতে এটি লিজ, ইনস্টলেশন ও মেরামতের সুবিধাসহ পাওয়া যাবে। ১৫ বছরের হিসেবে গ্যাস বয়লারের তুলনায় এতে ১৪ শতাংশ এবং হিট পাম্পের তুলনায় ৩৪ শতাংশ পর্যন্ত খরচ কমতে পারে বলে দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন খাতের চরম আর্থিক সংকটের কারণে আবাসন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ডান্ডি শহরের প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী। চলতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই আবাসন প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দ্রুত বিকল্প বাসস্থান খুঁজতে হচ্ছে এবং তাদের মালামাল সরিয়ে নিতে হচ্ছে। ডান্ডি শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ১১৬ কক্ষের মার্কেটগেট অ্যাপার্টমেন্টস নামে পরিচিত একটি আবাসন ব্লকের মালিক কোম্পানিটি গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে প্রশাসনিক দেউলিয়াত্বের জন্য আবেদন করে। সে সময়…
যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন খাতের চরম আর্থিক সংকটের কারণে আবাসন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ডান্ডি শহরের প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী। চলতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই আবাসন প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দ্রুত বিকল্প বাসস্থান খুঁজতে হচ্ছে এবং তাদের মালামাল সরিয়ে নিতে হচ্ছে।
ডান্ডি শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ১১৬ কক্ষের মার্কেটগেট অ্যাপার্টমেন্টস নামে পরিচিত একটি আবাসন ব্লকের মালিক কোম্পানিটি গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে প্রশাসনিক দেউলিয়াত্বের জন্য আবেদন করে। সে সময় ভবনটির ৬৮টি কক্ষ ভাড়া দেওয়া ছিল। অথচ এর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় অনলাইন প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দ্রুত এসব কক্ষ বুকিং দেওয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছিল আবাসন পরিচালনাকারী সংস্থা প্রেস্টেজ স্টুডেন্ট লিভিং।
শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাজ্যজুড়ে শিক্ষার্থী আবাসন খাতে চলমান গভীর সংকটের এটি অন্যতম নতুন উদাহরণ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা টানা তিন বছর ধরে হ্রাস পাওয়া, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ ও নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আবাসন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছে। ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতিও পুরোনো ভবনগুলোর আধুনিকায়ন ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
যদিও যুক্তরাজ্যে স্থানীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, তবে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে তাদের একটি বড় অংশ এখন বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে। অন্যদিকে কভেন্ট্রি, লিডস এবং নটিংহামের মতো শহরগুলোতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অতিরিক্ত আবাসন ব্লক নির্মাণের ফলে চাহিদার চেয়ে যোগান বেশি হয়ে গেছে। তবে গ্লাসগো, ব্রিস্টল এবং লন্ডনে এখনও সাশ্রয়ী মূল্যের ঘরের সংকট রয়ে গেছে।
মার্কেটগেট অ্যাপার্টমেন্টসের ক্ষেত্রে এর মালিকানাধীন জার্সি-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ৫.৭ মিলিয়ন পাউন্ডের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক নিয়োগ করা হয়। ভবনটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় চরম আর্থিক লোকসান হয় এবং ফায়ার সেফটি বা অগ্নিনির্বাপণ সুরক্ষার জরুরি সংস্কার কাজ পরিচালনার অর্থ সংকট দেখা দেয়। বর্তমানে এটি নতুন মালিক এটি কে প্রপার্টির অধীনে বন্ধ রয়েছে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ চলছে।
ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করা ২১ বছর বয়সী জেমস এলিয়ট জানান, মার্কেটগেটে থাকা অনেক শিক্ষার্থীকে মাত্র এক মাসের নোটিশে ঘর ছাড়তে বলা হয়েছিল। গ্রীষ্মের ছুটিতে যেসব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নিজ দেশে ছিলেন, তারা নিজেরা এসে মালামাল সরাতে না পারায় বিকল্প প্রতিষ্ঠানে ফি দিয়ে জিনিসপত্র সংরক্ষণে রাখতে বাধ্য হন।
প্রেস্টেজ স্টুডেন্ট লিভিংয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেউলিয়া হওয়ার এই সিদ্ধান্তটি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। তবে তারা শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি অবহিত করেছেন, তাদের সমস্ত ফেরতযোগ্য অর্থ ফেরত দিয়েছেন এবং ডান্ডিতে বিকল্প বাসস্থান খুঁজে পেতে সহায়তা করেছেন।
যুক্তরাজ্যজুড়ে শিক্ষার্থী আবাসনের এই সংকট দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বার্মিংহামের একটি ৬৪ কক্ষের আবাসন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আম্যারে স্টুডেন্টস দেউলিয়া হয়ে যায়। এ ছাড়া বেলফাস্টের ৩৯৩ কক্ষের আলমা প্লেসও আর্থিক সংকটে পড়ে বিক্রি হয়ে গেছে। দেশের বৃহত্তম শিক্ষার্থী আবাসন ডেভেলপার প্রোপার্টি 'ইউনাইট গ্রুপ' প্রথম অর্ধে ৪১৮ মিলিয়ন পাউন্ড লোকসানের পর প্রায় ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ শয্যা বিক্রির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।
English Word & Phrase — Deep sorrow — ডিপ সরো — গভীর দুঃখ Deep grief — ডিপ গ্রিফ — গভীর শোক Deep sadness — ডিপ স্যাডনেস — গভীর দুঃখ Great sadness — গ্রেট স্যাডনেস — গভীর দুঃখ Extreme grief — এক্সট্রিম গ্রিফ — চরম শোক Emotional pain — ইমোশনাল পেইন — মানসিক কষ্ট Emotional suffering — ইমোশনাল সাফারিং — মানসিক যন্ত্রণা Mental anguish — মেন্টাল অ্যাংগুইশ — মানসিক যন্ত্রণা Deeply…
English Word & Phrase —
Deep sorrow — ডিপ সরো — গভীর দুঃখ
Deep grief — ডিপ গ্রিফ — গভীর শোক
Deep sadness — ডিপ স্যাডনেস — গভীর দুঃখ
Great sadness — গ্রেট স্যাডনেস — গভীর দুঃখ
Extreme grief — এক্সট্রিম গ্রিফ — চরম শোক
Emotional pain — ইমোশনাল পেইন — মানসিক কষ্ট
Emotional suffering — ইমোশনাল সাফারিং — মানসিক যন্ত্রণা
Mental anguish — মেন্টাল অ্যাংগুইশ — মানসিক যন্ত্রণা
Deeply hurt — ডিপলি হার্ট — গভীরভাবে কষ্ট পাওয়া
I’m deeply hurt. — আইম ডিপলি হার্ট — আমি গভীরভাবে কষ্ট পেয়েছি।
I’m badly hurt. — আইম ব্যাডলি হার্ট — আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি।
I’m emotionally hurt. — আইম ইমোশনালি হার্ট — আমি মানসিকভাবে কষ্ট পেয়েছি।
I’m feeling low. — আইম ফিলিং লো — আমার মনটা খুব খারাপ।
I’m feeling down. — আইম ফিলিং ডাউন — আমার মনটা খারাপ।
I’m not feeling okay. — আইম নট ফিলিং ওকে — আমার ভালো লাগছে না।
I’m not myself today. — আইম নট মাইসেল্ফ টুডে — আজ নিজেকে স্বাভাবিক লাগছে না।
I’m having a hard time. — আইম হ্যাভিং আ হার্ড টাইম — আমি কঠিন সময় পার করছি।
I’m going through a lot. — আইম গোয়িং থ্রু আ লট — আমি অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
চমৎকার এগিয়ে যাও
Entertainment ডেস্ক: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নজার্মানির মিউনিখে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিয়ার উৎসব অক্টোবরফেস্ট। উৎসবের ১৯১তম এই আসরকে কেন্দ্র করে সেখানে সমবেত হয়েছেন হাজার হাজার দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষ।উৎসবের সূচনা পর্বে ঐতিহ্যবাহী লেডারহোসেন পোশাক পরিহিত মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই সঙ্গে পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী বিয়ার ও সোরক্রাউটের মতো স্থানীয় পরিচিত খাবার।অক্টোবরফেস্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মূল আকর্ষণ ছিল বিয়ারের প্রথম পিপা বা ব্যারেল ফুটো করা। এই প্রথাগত…
Entertainment ডেস্ক: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
জার্মানির মিউনিখে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিয়ার উৎসব অক্টোবরফেস্ট। উৎসবের ১৯১তম এই আসরকে কেন্দ্র করে সেখানে সমবেত হয়েছেন হাজার হাজার দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষ।
উৎসবের সূচনা পর্বে ঐতিহ্যবাহী লেডারহোসেন পোশাক পরিহিত মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই সঙ্গে পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী বিয়ার ও সোরক্রাউটের মতো স্থানীয় পরিচিত খাবার।
অক্টোবরফেস্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মূল আকর্ষণ ছিল বিয়ারের প্রথম পিপা বা ব্যারেল ফুটো করা। এই প্রথাগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়।
বিশ্বখ্যাত এই উৎসব দেখতে এবং এতে অংশ নিতে মিউনিখে দেশি-বিদেশি বহু পর্যটক ও দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছেন। বিয়ারপ্রেমী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






