Srabanti Akter
🛡️ MemberReporter Bio & Statement
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
About Srabanti Akter
Professional biodata and personal details shared by this member.
Bio & Professional Identity
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
- Role
- Writer
Personal Details
- Privacy
- No personal details are public.
Links & Contact
- Links
- No links added yet.
মেঘলা আকাশের এ রূপটা আমার খুব পছন্দের।
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
রক্ত ঝরে বরফের বুকে – ব্লাড ফলসের রহস্য
দূর দক্ষিণে, পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বিশাল সাদা বরফের সাম্রাজ্য—অ্যান্টার্কটিকা। চারদিকে তুষার, নিঃসঙ্গতা আর তীব্র শীতলতা। এই সাদা পৃথিবীর বুকে হঠাৎ যদি দেখা যায় এক ধারা লাল রঙের রক্ত ঝরছে, তখন সেটা নিশ্চয়ই কল্পনার মতো শোনায়। কিন্তু বাস্তবেই অ্যান্টার্কটিকার বুকেই আছে এমন এক অদ্ভুত প্রাকৃতিক দৃশ্য—যেটির নাম ব্লাড ফলস বা “রক্ত ঝর্ণা”। এই রহস্যময় ঝর্ণাটি অবস্থিত টেইলর গ্লেসিয়ার-এ, অ্যান্টার্কটিকার ম্যাকমার্ডো ড্রাই ভ্যালি অঞ্চলে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বরফের…
দূর দক্ষিণে, পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বিশাল সাদা বরফের সাম্রাজ্য—অ্যান্টার্কটিকা। চারদিকে তুষার, নিঃসঙ্গতা আর তীব্র শীতলতা। এই সাদা পৃথিবীর বুকে হঠাৎ যদি দেখা যায় এক ধারা লাল রঙের রক্ত ঝরছে, তখন সেটা নিশ্চয়ই কল্পনার মতো শোনায়। কিন্তু বাস্তবেই অ্যান্টার্কটিকার বুকেই আছে এমন এক অদ্ভুত প্রাকৃতিক দৃশ্য—যেটির নাম ব্লাড ফলস বা “রক্ত ঝর্ণা”।
এই রহস্যময় ঝর্ণাটি অবস্থিত টেইলর গ্লেসিয়ার-এ, অ্যান্টার্কটিকার ম্যাকমার্ডো ড্রাই ভ্যালি অঞ্চলে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বরফের শরীর চিরে যেন রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। লাল রঙের সেই তরল ধারা যেন এক চুপচাপ আতঙ্ক, আবার এক প্রাকৃতিক বিস্ময়।
লাল রঙের উৎস
ব্লাড ফলসের লাল রঙ আসলে রক্ত নয়—এটি এক ধরণের আয়রনসমৃদ্ধ লবণাক্ত পানি। এই পানির উৎস একটি প্রাচীন হ্রদ, যা প্রায় ২০ লাখ বছর ধরে বরফের গভীরে আটকে আছে। ওই হ্রদের পানিতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ আয়রন। যখন এই আয়রনসমৃদ্ধ পানি বরফ চিরে উপরে উঠে আসে এবং বাতাসের সংস্পর্শে পড়ে, তখন এর মধ্যে থাকা ফেরাস আয়রন (Fe²⁺) অক্সিজেনের সাথে প্রতিক্রিয়া করে হয়ে যায় ফেরিক আয়রন (Fe³⁺)। এর ফলে গঠিত হয় আয়রন অক্সাইড, যেটি দেখতে অনেকটা জংধরা লোহা কিংবা রক্তের মতো লালচে।
এই প্রক্রিয়াটাই ব্লাড ফলসকে দেয় তার রহস্যময় রক্তরঙা চেহারা।
আলোহীন হ্রদে প্রাণের সন্ধান
বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে ব্লাড ফলসের নিচের হ্রদে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ব্যাকটেরিয়াদের অস্তিত্ব। এই হ্রদে নেই কোনো সূর্যালোক, নেই অক্সিজেন—তবুও সেখানে প্রাণ আছে! এই ব্যাকটেরিয়ারা হাজার হাজার বছর ধরে লবণাক্ত, অন্ধকার, বদ্ধ পরিবেশে বেঁচে আছে। তারা সূর্যের আলো ব্যবহার না করে আয়রন ও সালফেটের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। একে বলে chemosynthesis—এমন এক প্রক্রিয়া যা আমাদের পরিচিত জীবনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে।
পৃথিবীর বাইরের জীবনের ইঙ্গিত?
ব্লাড ফলস শুধু অ্যান্টার্কটিকার একটি দৃশ্য নয়—এটি বৈজ্ঞানিকদের কাছে একটি জীবনের সম্ভাবনার জানালা। অনেক গবেষক মনে করেন, যেহেতু পৃথিবীর এমন প্রতিকূল পরিবেশেও জীবন আছে, তাই হয়তো মঙ্গল গ্রহ বা বৃহস্পতির বরফাবৃত উপগ্রহ ইউরোপা-তেও জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।
এই ব্যাকটেরিয়ারা যেভাবে আলো ও অক্সিজেন ছাড়াই টিকে আছে, সেভাবে হয়তো আমাদের অজানা কোনো গ্রহেও এমন প্রাণ লুকিয়ে আছে বরফের নিচে।
আবিষ্কার ও গবেষণা
ব্লাড ফলস প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯১১ সালে, জিওলজিস্ট গ্রিফিথ টেইলর-এর অভিযানের সময়। এরপর থেকেই এটি গবেষকদের কাছে ছিল এক রহস্য। বর্তমানে NASA, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক গবেষকরা এখানে কাজ করছেন, সাবগ্লেসিয়াল হ্রদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন, রোবট পাঠাচ্ছেন, আর খুঁজে ফিরছেন জীবনের সূক্ষ্মতম ইঙ্গিত।
ব্লাড ফলস আমাদের শেখায়, প্রকৃতি কখনোই সাধারণ নয়। তার বুকের ভাঁজে লুকিয়ে আছে হাজারো রহস্য, অজানা গল্প। কখনো বরফের নিচে ঘুমিয়ে থাকা লাল হ্রদে, আবার কখনো আলোহীন জগতের ব্যাকটেরিয়ার প্রাণে। এই ঝর্ণা আমাদের চোখ খুলে দেয়—জীবন আসলে কত বিস্ময়কর, আর কতটা বৈচিত্র্যময়।
প্রকৃতির প্রতিটি বিন্দু এক একটি গল্প। ব্লাড ফলস সেইসব গল্পের একটি—যেখানে বিজ্ঞান, বিস্ময় ও সৌন্দর্য একসাথে মিশে আছে।
সাগরে চলছে গ্রিসের নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘কিমন’-এর পরীক্ষা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রিসের নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘কিমন’ বর্তমানে ফ্রান্সের উপকূলে সমুদ্র পরীক্ষায় রয়েছে। এটি গ্রিসের প্রথম FDI HN মাল্টি-মিশন ফ্রিগেট, যা প্রযুক্তির দিক থেকে অত্যাধুনিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত। এই জাহাজটি যুদ্ধের পাশাপাশি নজরদারি, সুরক্ষা ও সমুদ্র প্রতিরক্ষা কাজেও ব্যবহৃত হবে। জাহাজটি ১২২ মিটার লম্বা এবং ওজন ৪,৫০০ টন। ফ্রান্সের ব্রিটানি উপকূলে জুলাই মাসে এর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে তিন সপ্তাহ। এর আগে জুনে একদিনের প্রথম ধাপের…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রিসের নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘কিমন’ বর্তমানে ফ্রান্সের উপকূলে সমুদ্র পরীক্ষায় রয়েছে। এটি গ্রিসের প্রথম FDI HN মাল্টি-মিশন ফ্রিগেট, যা প্রযুক্তির দিক থেকে অত্যাধুনিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত। এই জাহাজটি যুদ্ধের পাশাপাশি নজরদারি, সুরক্ষা ও সমুদ্র প্রতিরক্ষা কাজেও ব্যবহৃত হবে।
জাহাজটি ১২২ মিটার লম্বা এবং ওজন ৪,৫০০ টন। ফ্রান্সের ব্রিটানি উপকূলে জুলাই মাসে এর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে তিন সপ্তাহ। এর আগে জুনে একদিনের প্রথম ধাপের পরীক্ষা শেষ হয়।
এই পরীক্ষায় রাডার, কমিউনিকেশন, নেভিগেশন, যুদ্ধ সরঞ্জামসহ সবকিছু ভালোভাবে কাজ করছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। পরীক্ষায় গ্রিক নৌবাহিনীর সদস্য, ফরাসি প্রযুক্তিবিদ এবং জাহাজ নির্মাতা কোম্পানির লোকজন অংশ নিচ্ছেন।
বর্তমানে জাহাজে ৪৮ জন কাজ করছেন, তবে সেপ্টেম্বর থেকে এটি ১২৮ জনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। ডিসেম্বর মাসে জাহাজটি ফ্রান্সের ব্রেস্ট বন্দরে যাবে অস্ত্র সংযোজনের জন্য। এরপর ২০২৫ সালের শেষ দিকে এটি গ্রিসের নৌঘাঁটি সালামিস-এ পাঠানো হবে।
এই পরীক্ষার ফলাফল দেখে গ্রিসের আরও দুইটি যুদ্ধজাহাজ—‘নিয়ারকোস’ ও ‘ফোরমিয়ন’-এর উন্নয়ন কাজ সহজ হবে। এই নতুন ফ্রিগেটগুলো গ্রিক নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে
ভারতে ২৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার
ভারতে হিজড়ার বেশ ধারণ করে দীর্ঘ ২৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল কালাম। তিনি ভোপালে ‘নেহা কুমারী’ নামে পরিচিত ছিলেন। অনুপ্রবেশকারীদের সন্ধানে গত কয়েক দিন ধরে অভিযান চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। ওই অভিযানেই ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে ধরা পড়েন নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী।’ জানা যায়, ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী’-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকে রূপান্তরিত…
ভারতে হিজড়ার বেশ ধারণ করে দীর্ঘ ২৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল কালাম। তিনি ভোপালে ‘নেহা কুমারী’ নামে পরিচিত ছিলেন।
অনুপ্রবেশকারীদের সন্ধানে গত কয়েক দিন ধরে অভিযান চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ।
ওই অভিযানেই ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে ধরা পড়েন নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী।’
জানা যায়, ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী’-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকে রূপান্তরিত বলা হলেও পুলিশের দাবি, তিনি রূপান্তরিত নন, তিনি চিকিৎসার মাধ্যমে লিঙ্গও পরিবর্তন করেননি। তিনি পুরুষ ছিলেন, পুরুষই আছেন।
তবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে নিজেকে আড়ালের জন্য রূপান্তরিত নারীর বেশ ধরে বসবাস করছিলেন।
ভারতীয় পুলিশ জানায়, আব্দুল কালাম ১০ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। তিনি মুম্বাইতে প্রায় ২০ বছর অবস্থান করেন। এরপর চলে যান মধ্যপ্রদেশের ভোপালে।
সেখানে গত আট বছর ধরে নারী সেজে স্থানীয়দের মধ্যে ‘নেহা’ নামে পরিচিতি পান। সন্দেহ এড়াতে তিনি নিজেকে একজন হিজড়া বলে পরিচয় দিতেন।
নিজের পরিচয় আড়ালের জন্য ভুয়া আধার কার্ড, ভোটার আইডি এবং পাসপোর্টসহ একাধিক জাল কাগজপত্র তৈরি করেন তিনি। এসব নথি ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার বাংলাদেশে যাতায়াত করেছেন বলেও জানায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি তালাইয়া থানায় ৩০ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন
তিনি কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ভোপাল পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তা শালিনী দীক্ষিত বলেন, ‘আব্দুল কালামের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই পুরো অভিযানের বিষয়ে কড়া গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়।’
সূত্র : আনন্দবাজার
ভাত দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে বলাৎকার, প্রাণ গেল কিশোরের।
একদিন অনাহারে থাকার পর কমলাপুর রেলস্টেশনে বাড়ি যাওয়ার চিন্তা করছিল ১২ বছর বয়সী এক কিশোর। দুরুদুরু বুকে স্টেশনে থাকা অন্য ২ যাত্রীর কাছে জানতে চায়, ‘বরিশালের ট্রেন কখন ছাড়বে?’ তারা জানাল, বরিশালে কোনো ট্রেন যায় না। এরপর এক কথায়, দুই কথায় বাকি ২ যাত্রীর সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে উঠে। একপর্যায়ে কিশোরটি জানায়, সে অনাহারে। এ কথা শুনে অপর দুই যাত্রী তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যায়। এরপর রাজধানীর যাত্রাবাড়ির একটি আবাসিক…
একদিন অনাহারে থাকার পর কমলাপুর রেলস্টেশনে বাড়ি যাওয়ার চিন্তা করছিল ১২ বছর বয়সী এক কিশোর। দুরুদুরু বুকে স্টেশনে থাকা অন্য ২ যাত্রীর কাছে জানতে চায়, ‘বরিশালের ট্রেন কখন ছাড়বে?’ তারা জানাল, বরিশালে কোনো ট্রেন যায় না। এরপর এক কথায়, দুই কথায় বাকি ২ যাত্রীর সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে উঠে। একপর্যায়ে কিশোরটি জানায়, সে অনাহারে। এ কথা শুনে অপর দুই যাত্রী তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যায়। এরপর রাজধানীর যাত্রাবাড়ির একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
শনিবার (১২ জুলাই) রেলস্টেশন থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার একদিন পর সেই কিশোরের অর্ধনগ্ন মরদেহ উদ্ধার হয়। তার পশ্চাদেশ, মুখের ঠোঁটের অংশ ও ডান চোখ আঘাতের কারণে অস্বাভাবিকভাবে ফোলা ছিল। যদিও এই কিশোরের নাম-পরিচয় কিছু জানা যায়নি। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মর্মান্তিক এই মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করেছে। ধরতে পেরেছে হত্যায় যুক্ত সন্দেহে আল আমিন নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) টঙ্গী রেলস্টেশন থেকে পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হন আল আমিন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।
স্বীকারোক্তির তথ্যানুসারে, এই ঘটনায় সাদ্দাম নামে আরও একজন জড়িত। সে বর্তমানে পলাতক।
আল আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, আল আমিন (৩৪) ও সাদ্দাম মাদকাসক্ত। তারা কমলাপুর রেলস্টেশনে থাকত। গত ১২ জুলাই সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে অজ্ঞাতনামা ভুক্তভোগী কিশোরের সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই কিশোর আল আমিন ও সাদ্দামের কাছে জানতে চায়, বরিশালের ট্রেন কখন ছাড়বে। তারা জানায়, বরিশালে ট্রেন যায় না। একপর্যায়ে সেই কিশোর বলে, ‘একদিন ধরে কিছুই খায় নাই।’ তখন আল আমিন তাকে রেলস্টেশনের পাশ থেকে খাবার ও জুতা কিনে দেয়। কিশোরকে সারাদিন তাদের সঙ্গে রাখে। পরে সন্ধ্যার পরে তাকে নিয়ে প্রথমে আল আমিন যাত্রাবাড়ির একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। তখন হোটেলের বিদ্যুৎ ছিল না। কিছুক্ষণ পরে সাদ্দাম হোটেলে যায় এবং দুজন পালাক্রমে বলাৎকার করে। এতে সেই কিশোর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় নির্যাতন সইতে না পেরে ঘাতকদের কাছে বারবার মুক্তি চায়। এরপরও মন গলেনি আল আমিন ও সাদ্দামের।
বিপিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, সেখানে দুজন পর্যায়ক্রমে অস্বাভাবিক উপায়ে সেই কিশোরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরের দিন সকালে ফের একই কাজ করতে চাইলে কিশোর নিষেধ করে এবং নিজে অসুস্থ বলে জানায়। এরপর আল আমিন ও সাদ্দাম তাকে একাধিকবার নির্যাতন করে এবং বলাৎকার করতে চান। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে তাকে শারীরিক নির্যাতন করতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রাণ যায় কিশোরের।
এই ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পিবিআই ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের একটি দল। দলটির নেতৃত্বে থাকা উপপরিদর্শক মো. কবির হোসেন কালবেলাকে বলেন, ‘দু-মুঠো ভাতের জন্য একটা মানুষের এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এমন জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অপরজনকে গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। তবে ভুক্তভোগী কিশোরের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার বাড়ি বরিশাল জেলায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে ভিকটিমের ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে এবং পিবিআই বরিশাল জেলা শাখার সহায়তায় অনুসন্ধান চলছে
দুই ভাইয়ের এক বউ! পুরোনো প্রথার বিয়ে নিয়ে চাঞ্চল্য
ভারতের হিমাচল প্রদেশের একটি বিয়ে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযাগমাধ্যমে। এক তরুণীকে বিয়ে করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন দুই ভাই। যদিও বর-কনের দাবি, এটি তাদের সম্প্রদায়ের পুরোনো একটি প্রথা। আর সেই প্রথা মেনেই বিয়ে করছেন বলে দাবি দুই যুবকের। ঘটনা হিমাচলের সিরমৌর জেলার শিলাই গ্রামের। গত ১২ জুলাই কয়েকশো গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ওই তিনজনের বিয়ে হয়। যদিও ভারতে বহুবিবাহের বিষয়টি আইনত স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। তাই হিমাচলের এই…
ভারতের হিমাচল প্রদেশের একটি বিয়ে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযাগমাধ্যমে। এক তরুণীকে বিয়ে করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন দুই ভাই। যদিও বর-কনের দাবি, এটি তাদের সম্প্রদায়ের পুরোনো একটি প্রথা। আর সেই প্রথা মেনেই বিয়ে করছেন বলে দাবি দুই যুবকের।
ঘটনা হিমাচলের সিরমৌর জেলার শিলাই গ্রামের। গত ১২ জুলাই কয়েকশো গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ওই তিনজনের বিয়ে হয়। যদিও ভারতে বহুবিবাহের বিষয়টি আইনত স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। তাই হিমাচলের এই বিয়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
জানা গেছে, দুই ভাইয়ের একজন হলেন প্রদীপ নেগি, অন্যজন কপিল নেগি ও সুনীতা চৌহান। প্রদীপ সরকারি চাকরি করেন। আর কপিল বিদেশে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুলাই তাদের বিয়ে হয় কুনহাট গ্রামের তরুণী সুনীতার সঙ্গে। বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল ট্রান্স-গিরি এলাকায়। সেখানে কয়েকশো গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে সুনীতার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন প্রদীপ ও কপিল।
তিনদিন ধরে চলে এই বিয়ের অনুষ্ঠান। আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও গ্রামের বাসিন্দারা এই বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠান ঐতিহ্যবাহী ট্রান্স-গিরি খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। পাহাড়ি গানে মেতেছিল গোটা বিয়েবাড়ি। ঐতিহ্যবাহী রীতিগুলিও ছিল নজরকাড়া। দিনভর নাচগান, হুল্লোড়ে মেতেছিলেন সকলে। আনন্দে মেতেছিলেন নবদম্পতিও।
প্রদীপ ও কপিল স্থানীয় হাট্টি সম্প্রদায়ের। আর তাদের সম্প্রদায়ে একসময় বহুবিবাহের প্রচলন ছিল। আর এই প্রথার নাম, হট্টি পলিয়ান্দ্রি। হিমাচলের এই রীতি অনুযায়ী, এক পাত্রীকে দুই ভাই বিয়ের করেন। যা ঘিরে সাধারণ বিয়ের মতোই উদযাপনে মেতে ওঠে গোটা পরিবার। এমনকি, স্ত্রীকে নিয়েও দুই ভাইয়ের মধ্যে কোনো ঝগড়া, অশান্তি হয় না। দুই স্বামীর সঙ্গে মিলেই সংসার করেন কনে।
প্রসঙ্গত, বছর তিনেক আগে হাট্টি সম্প্রদায়কে তফসিলি জনজাতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সম্প্রদায়টি হিমাচল-উত্তরাখণ্ডের সীমানায় থাকে। গত ছয় বছরে শুধু বাধানা গ্রামেই এ রকম পাঁচটি বিয়ে হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। ফলে ওই সম্প্রদায়ের একটি অংশ বলছে, এই ঘটনা সাম্প্রতিক অতীতে খুব একটা নতুন বিষয় নয়।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে প্রদীপ বলেন, আমরা সামাজিকভাবে এই বিয়ে করেছি। আর এর জন্য গর্বিত। অন্যদিকে, আরেক ভাই কপিল বলেন, আমার তিনজনেই এই বিয়েতে রাজি হয়েছি। পরস্পরকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি একটি পরিবার হিসাবেই থাকব আমরা।
নববধূ সুনীতা বলেন, অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন যে, চাপের কাছে নতিস্বীকার করেছি। সেটা ভাবলে ভুল হবে। আমি নিজের সিদ্ধান্তে এই বিয়েতে রাজি হয়েছি। আমাদের তিনজনের মধ্যে যে বন্ধন, সেটিকে সম্মান জানিয়ে এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী।
সূত্র: এনডিটিভি
বৃদ্ধের মাথায় গজালো শয়তানের শিং! চিকিৎসায় মিললো অদ্ভুত সত্য
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক চাঞ্চল্যকর ও বিরল চিকিৎসা-ঘটনা সামনে এসেছে। ৭৪ বছর বয়সী শ্যাম লাল যাদব নামের এক বৃদ্ধের মাথায় ধীরে ধীরে গজিয়ে উঠেছিল একটি শক্ত ও শিংয়ের মতো গঠন, যেটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরিচিত ‘কিউটেনিয়াস হর্ন’ (Cutaneous Horn) নামে। অনেকেই একে ডাকেন ‘ডেভিল’স হর্ন’ বা ‘শয়তানের শিং’। প্রায় এক দশক আগে, ২০১৪ সালে একবার মাথায় আঘাত পান শ্যাম লাল যাদব। এরপর তার খুলি থেকে অদ্ভুতভাবে বেরোতে থাকে শক্ত এক…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক চাঞ্চল্যকর ও বিরল চিকিৎসা-ঘটনা সামনে এসেছে। ৭৪ বছর বয়সী শ্যাম লাল যাদব নামের এক বৃদ্ধের মাথায় ধীরে ধীরে গজিয়ে উঠেছিল একটি শক্ত ও শিংয়ের মতো গঠন, যেটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরিচিত ‘কিউটেনিয়াস হর্ন’ (Cutaneous Horn) নামে। অনেকেই একে ডাকেন ‘ডেভিল’স হর্ন’ বা ‘শয়তানের শিং’।
প্রায় এক দশক আগে, ২০১৪ সালে একবার মাথায় আঘাত পান শ্যাম লাল যাদব। এরপর তার খুলি থেকে অদ্ভুতভাবে বেরোতে থাকে শক্ত এক ধরনের গঠন। প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি নিজেই মাঝে মাঝে সেটি ছেঁটে দিতেন। এমনকি স্থানীয় নাপিতের কাছেও নিয়ে যেতেন ছাঁটতে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি এতটাই বড় ও কঠিন হয়ে ওঠে যে আর সামাল দেওয়া যাচ্ছিল না।
অবশেষে সমস্যার জটিলতা বাড়লে যাদব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। মধ্যপ্রদেশের একটি হাসপাতালে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখতে পান, এটি একটি Cutaneous Horn, যার মূল অংশটি ত্বকের উপরিভাগেই অবস্থান করছিল। তাই জটিলতা ছাড়াই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটি সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়।
চিকিৎসকদের মতে, Cutaneous Horn মূলত গঠিত হয় কেরাটিন দিয়ে, যেটি আমাদের চুল, নখ ও ত্বকের বাইরের স্তরের প্রধান উপাদান। এটি দেখতে অনেকটা শিংয়ের মতো এবং সাধারণত এটি ত্বকের একটি ছোট ক্ষতস্থান, আঁচড় বা আঘাতপ্রাপ্ত স্থান থেকেই গজাতে শুরু করে। যদিও অনেক সময় এটি নিরীহ হয়, তবুও এটি ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো অস্বাভাবিক গঠন বা বৃদ্ধিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। শ্যাম লাল যাদবের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভাগ্যক্রমে গুরুতর পর্যায়ে না গেলেও, অনেক ক্ষেত্রেই এমন হর্নের নিচে স্কিন ক্যানসার লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই ত্বকে এমন কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
🔍 তথ্যসূত্র: বিবিসি, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, মেডিক্যাল জার্নালস
সুজন বহিষ্কার হল কিন্তু তার সাথে নাটের গুরু কারা ছিল?
নিজস্ব সংবাদদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুৎফা মাহবুবা রুবি (৫৫) নামক এক নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও তার অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা বিএনপির নেতা সুজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু উক্ত নারীর আত্মহত্যা ও তার অর্থ আত্মসাতের সাথে কয়েকজন রাঘববোয়াল জড়িত আছে বলে জানা যাচ্ছে। মামলার এজহার অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় প্রতারণায় সাজেদুল কিবরিয়া সুজনকে সহযোগিতা করেছেন প্রভাবশালী আরও তিন ব্যক্তি।এলাকাবাসীরা জানান, প্রতারক সুজনের সাথে উক্ত সম্পত্তির তিনজন ক্রেতা এই প্রতারণার সাথে সরাসরি…
নিজস্ব সংবাদদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুৎফা মাহবুবা রুবি (৫৫) নামক এক নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও তার অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা বিএনপির নেতা সুজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু উক্ত নারীর আত্মহত্যা ও তার অর্থ আত্মসাতের সাথে কয়েকজন রাঘববোয়াল জড়িত আছে বলে জানা যাচ্ছে। মামলার এজহার অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় প্রতারণায় সাজেদুল কিবরিয়া সুজনকে সহযোগিতা করেছেন প্রভাবশালী আরও তিন ব্যক্তি।
এলাকাবাসীরা জানান, প্রতারক সুজনের সাথে উক্ত সম্পত্তির তিনজন ক্রেতা এই প্রতারণার সাথে সরাসরি যুক্ত আছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সুজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই পুরো প্রতারণার বিষয়টি সামনে এসে যাবে।
এদিকে সুজনের বহিস্কারাদেশটি জেলা কমিটি থেকে সাময়িক করা হয়েছে। কিন্তু বিএনপি'র গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্র ছাড়া কেউ জেলা কমিটির কাউকে বহিষ্কার করতে পারে না। গণমাধ্যমে এসব প্রতারণার খবর চলে আসায় বিষয়টি দ্রুত হালকা তরে ধামাচাপা দেয়ার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সভাপতি ও সেক্রেটারির স্বাক্ষর করা এই বহিষ্কারাদেশটি দ্রুত অনুমোদন করা হয়। যার প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল রাঘববোয়ালদের আড়াল করে শুধুমাত্র সুজনের বহিষ্কারাদেশ প্রদান করা। সেই সাথে সুজন কান্ডের বিষয়টি কেন্দ্র বিমুখ করাও এই বহিষ্কারাদেশের উদ্দেশ্য ছিল।
ঘটনার বিস্তারিত:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের পূর্ব মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মেডিনোভা ভবনটি তৎসংলগ্ন জমিসহ বিক্রির টাকা আত্মসাতের ঘটনার প্রতারণার শিকার হয়ে লুৎফা মাহবুবা রুবি (৫৫) নামক এক নারীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
উক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির নেতা সাজেদুল কিবরিয়া সুজনকে অভিযুক্ত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন নিহত লুৎফা মাহবুবা রুবির মা মোমেনা শরিফা বেগম (৭৮) নামের বয়োবৃদ্ধা এক নারী।
নিহতের মা মোমেনা বেগম এজাহারে অভিযোগ করেন, সুজন ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে জমির প্রকৃত মূল্য গোপন করে এবং নানা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের থেকে চুক্তি স্বাক্ষর করিয়ে নেন। যখন তারা সুজনের কাছে বাকী টাকা দাবি করেন, তখন তিনি নিজেকে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন।
নিহত লুৎফা মাহবুবা রুবি (৫৫)
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি জানতে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মেডিনোভা হাসপাতালটি ৯.৩৭ শতাংশ জমির উপর অবস্থিত। জমির মালিক ছিলেন রুবির বাবা ডা. এ রসূল। তার নেতৃত্বে ভবনটিতে মেডিনোভা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। তার মৃত্যুর পর স্থাবর সম্পদটি দেখাশুনা করতেন তার স্ত্রী মোমেনা শরিফা বেগম ও মেয়ে লুৎফা মাহবুবা রুবি। পরে তারা স্থাবর সম্পত্তিটি বিক্রির চেষ্টা করছিলেন বহুদিন ধরে।
মেডিনোভা ভবনটির সামনে কিছু দোকান আছে। যা পূর্বে মোমেনা বেগম কতিপয় ব্যক্তির নিকট বিক্রি করেন। মূলত এই দোকানগুলোর ক্রেতারাই তাদেরকে এই জমি ও ভবনটি বিক্রির ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে বাধা দিয়ে আসছিলেন। এইজন্য আওয়ামী লীগের সময় কয়েক দফা বিক্রির প্রচেষ্টা চালিয়ে তারা ব্যর্থ হয়েছেন।
৫ ই আগস্টের পর মা-মেয়ে আবারো সম্পত্তিটি বিক্রির জন্য নতুন উদ্দ্যোম শুরু করেন। তখন তারা সাজেদুল কিবরিয়া সুজন নামক প্রতারকের খপ্পরে পড়েন। স্থাবর সম্পত্তিটির সহজাত বাজার মূল্য ৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার উপরে হলেও সুজনের সিন্ডিকেটের কারসাজিতে মাত্র ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরে সেখানে তাদের সাথে আরও প্রতারণা করা হয়। বয়োবৃদ্ধ মা ও তার মেয়েকে ব্ল্যাকমেইল করে সুজন গংরা। বিভিন্ন কারসাজিতে মাত্র ১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকায় রেজিস্ট্রি করে নেয় সুজন ও তার অজ্ঞাত সহযোগীরা। বাকী ২ কোটি টাকা মৌখিক বাকি রেখে পরে দেয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়। সরল বিশ্বাসে স্থাপর সম্পত্তি মালিক মা ও মেয়ে সুজনের কথা বিশ্বাস করে নেয়। এ ছাড়া পরিশোধকৃত সেই টাকা থেকে আবার ২০ লক্ষ টাকা সুজন ধার হিসাবে জোরপূর্বক রেখে দেয়। যা পরবর্তীতে আর ফেরত দেয়নি সুজন। ধার হিসেবে রেখে দেওয়া ২০ লক্ষ টাকা ও বাকী দুই কোটি টাকা আদায়ে নিহত লুৎফা মাহবুবা রুবি প্রতারক সাজেদুল কিবরিয়া সুজনকে বারবার তাগাদা দিচ্ছিল।
টাকা আদায়ে কোনরূপ সাড়া না পেয়ে রুবি ৭ জুলাই সন্ধ্যায় সুজনের বাড়ীতে যান। এ সময় সুজন পাওনা টাকা পরিশোধ না করে উল্টো রুবির সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে, তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং জোরপূর্বক তার বাড়ি থেকে বের করে দেয়। উক্ত স্পটেই রুবি অসুস্থ হয়ে যান এবং সুজন কর্তৃক অর্থ আত্মসাৎ ও উদ্ভূত অপমান সইতে না পেরে নিজকে বিষপানে আত্মহত্যার কথা প্রকাশ্যে জানান। এ সময় সুজন তাকে আরও গালিগালাজ করে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করেন ও নিজের বিএনপি দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহার করেন।
পরদিন ৮ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে নিজের কক্ষে অপমান সইতে না পেরে বিষপান করেন রুবি। পরে তার পরিবার দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসায় তার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও সন্ধ্যায় হঠাৎ করে অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জানা গেছে এই সাজেদুল কিবরিয়া সুজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির ১৫০ নং সদস্য।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় কমপক্ষে ৩২ জন নিহত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস শহরে একটি মানবিক সহায়তা কেন্দ্রের নিকট ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো গোলাগুলিতে কমপক্ষে ৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০০ জনের বেশি।ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাতে বা শনিবার ভোরে, যখন স্থানীয় বাসিন্দারা খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তার জন্য ভিড় করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গাজার পশ্চিম খান ইউনিসের আল-মাওাসি এলাকায় সহায়তার জন্য জড়ো হওয়া শতাধিক মানুষের ওপর আকস্মিকভাবে গুলি চালায় ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান।স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আল-খালীদি…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস শহরে একটি মানবিক সহায়তা কেন্দ্রের নিকট ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো গোলাগুলিতে কমপক্ষে ৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০০ জনের বেশি।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাতে বা শনিবার ভোরে, যখন স্থানীয় বাসিন্দারা খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তার জন্য ভিড় করেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গাজার পশ্চিম খান ইউনিসের আল-মাওাসি এলাকায় সহায়তার জন্য জড়ো হওয়া শতাধিক মানুষের ওপর আকস্মিকভাবে গুলি চালায় ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আল-খালীদি বলেন:
“আমরা খাদ্য নিতে এসেছিলাম। হঠাৎ করেই গুলির শব্দ শুনি। মানুষ ছোটাছুটি শুরু করে। অনেকেই গুলি খেয়ে মাটিতে পড়ে যান। কেউ সাহায্য করার সুযোগও পাননি।”
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, তাদের বাহিনী সেখানে "অস্ত্রধারীদের অবস্থান ও কার্যক্রম" এর ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছে।
তাদের মতে, ওই সহায়তা কেন্দ্র বন্ধ ছিল এবং আগেই সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল। সেনাবাহিনী বলছে, সেখানে তাদের সৈন্যদের ওপর আগ্রাসন শুরু হলে তারা গুলি চালাতে বাধ্য হয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায়:
- নিহত হয়েছেন: কমপক্ষে ৩২ জন
- আহত হয়েছেন: ১০০+ জন
গাজার বিভিন্ন এলাকায় গত পাঁচ সপ্তাহে সহায়তা গ্রহণের সময় অন্তত ৮৭৫ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছেন।
এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইতিমধ্যে এ ঘটনাকে "মানবিক আইন লঙ্ঘন" বলে উল্লেখ করেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কাতার, তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর গাজায় ভয়াবহ মানবিক সংকট বিরাজ করছে।
এ পর্যন্ত ইসরায়েলি অভিযানে গাজায় প্রায় ৫৮,০০০ জন নিহত হয়েছেন এবং ১ লাখ ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একটি বড় অংশ নারী ও শিশু।
গাজার বর্তমান পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের জন্য এক ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই হামলা শুধুই একটি পরিসংখ্যান নয়—বরং মানবতার বিরুদ্ধে এক গভীর আঘাত।
News
Published newsroom dispatches by Srabanti Akter.
Photos & Video
Visual work published by this member.
Portfolio
Selected published work from this profile.
Skills
Skills stored in this member's professional account.
Achievements
Achievements and accolades stored for this member.










