জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কার্যক্রম নিয়ে আপনি কতটুকু সন্তুষ্ট?
লজ্জাহীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, বৃষ্টি হলে রাস্তা হয়ে যায় খাল, ভুগান্তিতে শহরের মানুষ। চোখে কালো চশমা পড়ে হাটে জনপ্রতিনিধিরা।
একদম ঠিক বলছেন
খেলাধুলা ডেস্ক: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ন বিশ্ব গলফ অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা এলআইভি গলফ যুক্তরাষ্ট্রে দেউলিয়া সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছে। বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ করে শীর্ষ তারকাদের দলে ভিড়িয়ে পিজিএ ট্যুরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করা এই বিদ্রোহী গলফ ট্যুরটি নিউজার্সির একটি আদালতে এই আবেদন জমা দিয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে মূল অর্থায়নকারী সৌদি বিনিয়োগকারীদের সমর্থন হারানোর পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, এলআইভি গলফ নিজেদের…
খেলাধুলা ডেস্ক: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ন
বিশ্ব গলফ অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা এলআইভি গলফ যুক্তরাষ্ট্রে দেউলিয়া সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছে। বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ করে শীর্ষ তারকাদের দলে ভিড়িয়ে পিজিএ ট্যুরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করা এই বিদ্রোহী গলফ ট্যুরটি নিউজার্সির একটি আদালতে এই আবেদন জমা দিয়েছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে মূল অর্থায়নকারী সৌদি বিনিয়োগকারীদের সমর্থন হারানোর পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, এলআইভি গলফ নিজেদের পুনর্গঠন করে নতুন কোনো রূপে আবার গলফ সার্কিটে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
তবে আদালতের নথিতে দেখা গেছে, সংস্থাটির আনুমানিক ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি ডলারের দায় বা দেনা রয়েছে। এর বিপরীতে অন্তত এক হাজার পাওনাদার রয়েছেন, যাদের মধ্যে ব্রাইসন ডিচ্যাম্বো, জন রাহম এবং ক্যাম স্মিথের মতো বিশ্বখ্যাত গলফ তারকাদের নামও রয়েছে।
সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড বা পিআইএফ এই ট্যুরে আনুমানিক ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় করার পর চলতি বছর হুট করেই অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়। এই কারণে চলতি মাসের শুরুতেই নিজেদের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করতে বাধ্য হয় সংস্থাটি।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী স্কট ও'নিল জানান, এই দেউলিয়া সুরক্ষা প্রক্রিয়া তাদের একটি নতুন মাইলফলক চুক্তি সম্পাদন এবং এলআইভি গলফের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও কাঠামো প্রদান করবে।
এলআইভি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী বছর তারা নতুন বিন্যাসে ফিরতে পারবে। যেখানে ভক্তদের প্রাধান্য দেওয়ার পাশাপাশি একটি উদ্ভাবনী ও খেলোয়াড়-বান্ধব মালিকানা মডেল তৈরি করা হবে এবং বৈশ্বিক গলফ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তারা কাজ করবে।
তবে ২০২৭ সালের সময়সূচি বা নির্দিষ্ট কোনো ইভেন্টের বিষয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। আন্তর্জাতিক পরিসরে থাকা সম্পদ ও কার্যক্রম সুরক্ষার জন্য ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেও এই মার্কিন দেউলিয়া আবেদনের স্বীকৃতি চাইছে সংস্থাটি।
এলআইভি কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নতুন বিনিয়োগকারীদের অধীনে আগামী মৌসুমে '২.০' সংস্করণ হিসেবে ট্যুরটি আবার চালু হবে। তবে নতুন সংস্করণে ইভেন্টের সংখ্যা ও প্রাইজমানির পরিমাণ আগের চেয়ে কম থাকবে।
এই উদ্যোগের সফলতা মূলত বড় তারকা গলফাররা সঙ্গে থাকেন কি না তার ওপর নির্ভর করছে। এলআইভি জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষায় এবং তাদের জন্য একটি মালিকানা কাঠামো তৈরিতে তারকা খেলোয়াড়দের সঙ্গে অগ্রগতির আলোচনা চলছে।
সৌদি সমর্থন হারানোর পর এলআইভির জনপ্রিয় তারকা খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তারা কি নতুন বিন্যাসের সঙ্গে থাকবেন, নাকি বকেয়া কোটি কোটি ডলার পুনরুদ্ধারে আদালতের পথ বেছে নেবেন—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে বেশ কিছু তারকা গলফার আবার পিজিএ ট্যুরসহ অন্যান্য সার্কিটে ফিরে যেতে পারেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পিজিএ ট্যুর স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এলআইভি খেলোয়াড়দের ফেরত নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আপাতত তাদের নেই।
সূত্র: The Guardian - Sport
ফুল থাকে দাও যে ফুল যত্নে রাখতে পারে
সুন্দর ও রাইট কথা
ধন্যবাদ 🥰
আপনাকেও ধন্যবাদ এতো সুন্দর পোষ্ট দেয়ার জন্য
চমৎকার বানী
ধন্যবাদ
শিক্ষা ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্নআন্তর্জাতিক পর্যায়ের নানামুখী শিক্ষাগত মন্দা ও নিম্নগতির বিপরীতে গিয়ে ইংল্যান্ডের বিদ্যালয়গুলো এক অসাধারণ সাফল্য উপহার দিয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কর্মসূচি বা ‘পিISA’ (Pisa)-র সাম্প্রতিক ফলাফলে বিশ্বজুড়ে ৯০টি দেশের সঙ্গে তুলনায় ১৫ বছর বয়সী ইংলিশ শিক্ষার্থীদের পাঠপ্রবণতা, গণিত ও বিজ্ঞানের মেধা সন্তোষজনকভাবে বজায় থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে।অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) ২০২২ সালে তাদের শেষ মূল্যায়ন প্রকাশ করার পর থেকে এবারও সক্ষমতায় কোনো…
শিক্ষা ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ন
আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নানামুখী শিক্ষাগত মন্দা ও নিম্নগতির বিপরীতে গিয়ে ইংল্যান্ডের বিদ্যালয়গুলো এক অসাধারণ সাফল্য উপহার দিয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কর্মসূচি বা ‘পিISA’ (Pisa)-র সাম্প্রতিক ফলাফলে বিশ্বজুড়ে ৯০টি দেশের সঙ্গে তুলনায় ১৫ বছর বয়সী ইংলিশ শিক্ষার্থীদের পাঠপ্রবণতা, গণিত ও বিজ্ঞানের মেধা সন্তোষজনকভাবে বজায় থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে।
অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) ২০২২ সালে তাদের শেষ মূল্যায়ন প্রকাশ করার পর থেকে এবারও সক্ষমতায় কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাথ (স্টেম) শিক্ষার ওপর সরকারের বাড়তি গুরুত্ব আরোপের সুফল এখন দৃশ্যমান হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
যদিও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের চারটি অঞ্চলই ভালো ফলাফল করেছে, তবে পাঠপ্রবণতা ও গণিতে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড ইংল্যান্ডের সমকক্ষ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি। তা সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য জুড়ে বিজ্ঞান শিক্ষার শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।
অবশ্য এই ইতিবাচক ফলাফলের মানে এই নয় যে শিক্ষা ব্যবস্থার সব সমস্যা এক রাতেই মিটে গেছে। শিক্ষাবিদদের মতে, ‘স্টেম’ শিক্ষার ওপর অতিরিক্ত মনোযোগ দিতে গিয়ে শিল্প ও কলাভিত্তিক বা আর্টস বিষয়গুলোকে অবহেলা করা হয়েছিল। পূর্ববর্তী কনজারভেটিভ সরকারের প্রবর্তিত ‘ইব্যাক’ (Ebacc) কাঠামোর আওতায় আর্টস বিষয়গুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা ভুল পদক্ষেপ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রফেসর বেকি ফ্র্যান্সিসের সুপারিশের ভিত্তিতে বর্তমান লেবার সরকার এই ব্যাক কাঠামো বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের জিসিএসই (GCSE) পরীক্ষা পুনরায় দেওয়ার নীতি শিক্ষার্থীদের ওপর যে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে, তা দূর করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী লুসি পাওয়েল এই কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং নতুন জিসিএসই সংস্করণের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
এছাড়া বিশেষ শিক্ষাগত চাহিদাসম্পন্ন (SEN) শিক্ষার্থীদের অধিকার সম্পর্কিত আইন ও নীতিগত সংস্কার এখন সরকারের অন্যতম প্রধান মনোযোগের বিষয় হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক তথ্যানুসারে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সহায়তার আবেদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় কাউন্সিলগুলোর ওপর বাড়তি দায়িত্ব ও চাপ তৈরি করছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে ফলাফলের বৈষম্য কমানোও সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
আন্তর্জাতিক স্তরে সামগ্রিক ফলাফলের পতনের পেছনে প্রযুক্তি ও স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ওইসিডির শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক আন্দ্রেয়াস শ্লাইখার। স্কুলে অত্যাধিক স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন। তবে ইংল্যান্ডের কিশোর-কিশোরীরাও স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও কীভাবে তারা ভালো ফল ধরে রেখেছে, তা গবেষণার দাবি রাখে।
প্রফেসর বেকি ফ্র্যান্সিস উল্লেখ করেছেন যে, এই ফল প্রমাণ করে انگل্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থা বেশ কিছু জায়গায় সঠিক পথে রয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কর্মভার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে নতুন সরকার তড়িঘড়ি করে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনবে না বলেই আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
সূত্র: The Guardian - Education
শিক্ষা ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নমধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন বায়ো ট্যাপেস্ট্রি (Bayeux Tapestry) দেখার জন্য ব্রিটেনের লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ মিউজিয়ামে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত সাময়িকভাবে এই মিউজিয়ামে প্রদর্শনীটি চলবে। ঐতিহাসিক এই শিল্পকর্মটি ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সম্পর্ক এবং নরম্যান বিজয়ের মধ্য দিয়ে হ্যাস্টিংসের যুদ্ধের ইতিহাসকে জীবন্তভাবে তুলে ধরে।অনলাইনে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরপরই টিকিট কেনার জন্য দর্শনার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা গেছে। টেক্সাসের বাসিন্দা…
শিক্ষা ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
মধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন বায়ো ট্যাপেস্ট্রি (Bayeux Tapestry) দেখার জন্য ব্রিটেনের লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ মিউজিয়ামে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত সাময়িকভাবে এই মিউজিয়ামে প্রদর্শনীটি চলবে। ঐতিহাসিক এই শিল্পকর্মটি ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সম্পর্ক এবং নরম্যান বিজয়ের মধ্য দিয়ে হ্যাস্টিংসের যুদ্ধের ইতিহাসকে জীবন্তভাবে তুলে ধরে।
অনলাইনে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরপরই টিকিট কেনার জন্য দর্শনার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা গেছে। টেক্সাসের বাসিন্দা সিডনি জানান, উদ্বোধনী দিনের টিকিট নিশ্চিত করতে তাকে স্থানীয় সময় রাত ৩টায় ঘুম থেকে উঠে দেড় ঘণ্টা অনলাইন লাইনে অপেক্ষা করতে হয়েছে। ইংল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের ইতিহাসের এই সূচনা দেখার সুযোগ পাওয়াকে তিনি একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ব্রিটিশ মিউজিয়ামের প্রাথমিক সময়সূচী অনুযায়ী টিকিট সংগ্রহের জন্য বহু দর্শনার্থী বিশেষ সদস্যপদ গ্রহণ করেছিলেন। প্রাঙ্গণে উপস্থিত দর্শনার্থী অ্যাড্রিয়ান হ্যারিস জানান, ৬৮ মিটার দীর্ঘ এই ট্যাপেস্ট্রিটি দেখে তিনি অত্যন্ত আপ্লুত। তবে ৪টি মিটারের বেশি দীর্ঘ এই বিশাল শিল্পকর্মটি দেখার জন্য মাত্র ৪০ মিনিটের সময়সীমা নির্ধারণ করা নিয়ে কয়েকজন কিছুটা সীমাবদ্ধতা অনুভব করেছেন।
শিল্পকর্ম সংরক্ষণের স্বার্থে ফরাসি মালিকদের নির্দেশনা অনুযায়ী আলোর ব্যবহারে কঠোর নিয়ম মেনে চলা হচ্ছে। অতিরিক্ত সময় দর্শনার্থীরা যাতে ভিড় না জমান, সে জন্য মিউজিয়ামের কর্মচারীরা নিয়মিত তাদের পথ নির্দেশ করছেন। রিচার্ড ও মেডেলিন আব্রামসন নামের দুই দর্শনার্থী জানান, নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলেও এই প্রদর্শনী দেখার অনুভূতি সত্যিই চমৎকার। ইতিহাস এবং চলচ্চিত্রের মতো গল্পের ধারাবাহিকতা এতে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
প্রদর্শনীতে যুক্ত নারী সূচিকর্মশিল্পীদের কাজ ও ঐতিহাসিক ১০৬৬ সালের হ্যাস্টিংসের যুদ্ধ সম্পর্কিত স্মৃতি বিভিন্ন বয়সের মানুষকে আকর্ষণ করেছে। হ্যাম্পশায়ার থেকে আসা ভিভিয়ান ও কারেন জানান, ছোটবেলায় স্কুলে শেখা সেই ইতিহাস চোখের সামনে দেখতে পাওয়ার সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চাননি। একজন সূচিকর্মশিল্পী হিসেবে ভিভিয়ান এর সূক্ষ্ম বুনন কাছ থেকে দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন।
পিক-টাইমে প্রতিটি টিকিটের মূল্য ৩৩ পাউন্ড নির্ধারণ করা নিয়ে কিছু সমালোচনা হলেও দর্শনার্থীদের বড় অংশ এটিকে একটি বিরল ও মূল্যবান সুযোগ বলে বিবেচনা করছেন। লন্ডনের ব্লাক ক্যাব হেরিটেজ ট্যুরের পরিচালক ও ট্যাক্সি চালক জন ডেভিসের জন্মদিনে তার স্ত্রী ডেনিস ডেভিস দুটি টিকিট উপহার হিসেবে কিনে দেন। তিনি মন্তব্য করেন, এমন বিশেষ ঐতিহাসিক জিনিস দেখার সুযোগ বারবার আসে না, তাই মূল্যের চেয়ে অভিজ্ঞতার গুরুত্বই তাদের কাছে মুখ্য।
সূত্র: The Guardian - Education
প্রযুক্তি ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ভয়াবহ ঝুঁকি ও এর সম্ভাব্য বিপর্যয় নিয়ে এআই স্টার্টআপ কোম্পানি অ্যানথ্রোপিকের গবেষক ও কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তীব্র হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এক গবেষকের সাম্প্রতিক পদত্যাগের পর একাধিক বর্তমান গবেষক প্রকাশ্যে এই প্রযুক্তির চরম ঝুঁকি এবং মানবজাতির সম্ভাব্য বিলুপ্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে এসব আশঙ্কাকে ষড়যন্ত্র বা সাজানো নাটক ('সাইঅপ') বলে অভিহিত করেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কসহ বেশ কয়েকজন কট্টরপন্থী ব্যক্তিত্ব।ঘটনার সূত্রপাত…
প্রযুক্তি ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ভয়াবহ ঝুঁকি ও এর সম্ভাব্য বিপর্যয় নিয়ে এআই স্টার্টআপ কোম্পানি অ্যানথ্রোপিকের গবেষক ও কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তীব্র হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এক গবেষকের সাম্প্রতিক পদত্যাগের পর একাধিক বর্তমান গবেষক প্রকাশ্যে এই প্রযুক্তির চরম ঝুঁকি এবং মানবজাতির সম্ভাব্য বিলুপ্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে এসব আশঙ্কাকে ষড়যন্ত্র বা সাজানো নাটক ('সাইঅপ') বলে অভিহিত করেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কসহ বেশ কয়েকজন কট্টরপন্থী ব্যক্তিত্ব।
ঘটনার সূত্রপাত হয় অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনের একটি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে। কক্সন গত বুধবার প্রতিষ্ঠানটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে জানান, তার সাবেক প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক কিংবা এর প্রতিযোগী ওপেনএআই—কোনোটিই দায়িত্বশীলভাবে এআই মডেল তৈরি করছে না। তারা মানুষের জীবন নিয়ে এক ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ খেলায় মেতেছে। এরপরই অ্যানথ্রোপিকের অন্যান্য গবেষকরা তার বক্তব্যের সমর্থনে মুখ খুলতে শুরু করেন।
অ্যানথ্রোপিকের আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সেফটি বিভাগে কর্মরত এবং গুগল ডিপমাইন্ডের সাবেক কর্মী অ্যানা ওয়াং বৃহস্পতিবার জানান, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম এআই মডেলগুলোর ঝুঁকি সমাধানের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা নেই। তাই ঝুঁকি কমানোর উপায় বের করতে অনেকেই এই প্রযুক্তির বিকাশের গতি কমানোর পক্ষে। প্রতিষ্ঠানের আরেক কর্মী ড্রেক থমাসও জানান, চরম ঝুঁকিপূর্ণ আর্টিফিশিয়াল সুপারইন্টেলিজেন্সের (এএসআই) ব্যাপারে আমরা কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারিনি এবং বর্তমানে সবকিছু অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে।
অ্যানথ্রোপিকের সেফটি রিসার্চার স্যামুয়েল মার্কস উল্লেখ করেন, এআই ডেভেলপাররা মনে করেন এই প্রযুক্তি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে মানবজাতির বিলুপ্তির কারণ হতে পারে। সাধারণত প্রতিষ্ঠানের কর্মী যত বেশি সিনিয়র, তার উদ্বেগের মাত্রাও তত বেশি। অন্যদিকে, অ্যালাইনমেন্ট ডিভিশনের প্রধান ইভান হাবিনগার স্বীকার করেছেন যে তারা সত্যিই মনে করেন এআই মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আগামী এক দশকের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ১০ শতাংশের বেশি বলে ধারণা করছেন।
তবে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এসব উদ্বেগের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইলন মাস্ক। তিনি এ ধরনের বক্তব্যকে একটি 'সেটআপ' বা সাজানো ঘটনা বলে অভিহিত করেন। এর জবাবে কক্সন নিজের একটি সেলফি পোস্ট করে মাস্ককে উদ্দেশ্য করে লেখেন, তিনি একজন বাস্তব ব্যক্তি এবং এগুলো তার নিজস্ব বিশ্বাস। মাস্ক তার নিজের প্রতিষ্ঠান এক্সএআই (xAI)-এর গবেষকদের কাছেও চাইলে খোঁজ নিতে পারতেন, যদি না তিনি তাদের চাকরিচ্যুত করতেন।
ইলন মাস্ক এবং এআই সমর্থকদের একাংশের মতে, কক্সনের পদত্যাগ ও পরবর্তী পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব প্রভাবিত করার একটি সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। কনজারভেটিভ থিঙ্কট্যাঙ্ক ক্যাপিটাল রিসার্চের গবেষক পার্কার থায়ার দাবি করেন, এটি এআই নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন জোগাড় করার একটি সুঅর্থায়িত জনসংযোগ অভিযান। বিলিয়নিয়ার সিইও বিল অ্যাকম্যানও এই তত্ত্বটিকে 'আকর্ষণীয়' বলে মন্তব্য করেন।
সামগ্রিক বিষয়ে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক বিবৃতিতে অ্যানথ্রোপিকের একজন মুখপাত্র কোম্পানির কৌশল সমর্থন করে জানান, এআই যেমন বিশাল সুবিধা এনে দেবে, তেমনি অভূতপূর্ব ঝুঁকিও তৈরি করবে—এ বিষয়ে তারা সবসময়ই স্বচ্ছ। এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় তারা শিল্পখাতের অন্যতম শক্তিশালী সুরক্ষাবলয়সহ মডেল তৈরি করে যাচ্ছেন।
অবশ্য সব বিশেষজ্ঞ মানব বিলুপ্তির ধারণায় বিশ্বাসী নন। এআই বিশেষজ্ঞ গ্যারি মার্কাস জানান, বিলুপ্তির চেয়েও বর্তমানে এআই-উৎপাদিত রোগজীবাণু, ভুল তথ্যের মাধ্যমে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া কিংবা সাইবার হামলার মাধ্যমে অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ার মতো বাস্তব বিপর্যয়ের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বেশি চিন্তিত। কাকতালীয়ভাবে, একই দিনে অ্যানথ্রোপিক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানায়, তাদের এআই মডেল ব্যবহার করে জৈবিক অস্ত্র তৈরির একটি প্রচেষ্টা তারা সফলভাবে নস্যাৎ করেছে।
সূত্র: The Guardian - Technology
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্নইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের সময় স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বেশ কয়েকজন ভ্রমণকারী। পর্তুগালের সার্দাইন মাছ, স্পেনের সি-ফুড সুপ কিংবা স্লোভেনিয়ার বিখ্যাত ব্লেড কেকের মতো খাবারগুলো তাদের ভ্রমণকে করে তুলেছে আরও স্মরণীয়।পর্তুগালের পোর্তিমায়াও অঞ্চলের সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে গিয়ে জো নামের এক পর্যটক গ্রিল করা সার্দাইন মাছের স্বাদ গ্রহণ করেন। মাত্র ১২ ইউরোতে দুই টুকরো রুটি, রশুন ও অলিভ অয়েলে তৈরি সার্দাইন এবং হালকা…
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের সময় স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বেশ কয়েকজন ভ্রমণকারী। পর্তুগালের সার্দাইন মাছ, স্পেনের সি-ফুড সুপ কিংবা স্লোভেনিয়ার বিখ্যাত ব্লেড কেকের মতো খাবারগুলো তাদের ভ্রমণকে করে তুলেছে আরও স্মরণীয়।
পর্তুগালের পোর্তিমায়াও অঞ্চলের সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে গিয়ে জো নামের এক পর্যটক গ্রিল করা সার্দাইন মাছের স্বাদ গ্রহণ করেন। মাত্র ১২ ইউরোতে দুই টুকরো রুটি, রশুন ও অলিভ অয়েলে তৈরি সার্দাইন এবং হালকা বিয়ারের সংমিশ্রণে এই খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। সেখানে প্রতিবছর আয়োজিত সার্দাইন উৎসবে স্থানীয় লোকসংগীত, নাচ এবং মাছ ধরার নৌকার ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী উপভোগ করেন তিনি।
ফারো দ্বীপপুঞ্জে গিয়ে স্থানীয় পরিবারের সঙ্গে খাবার খাওয়ার বিশেষ অভিজ্ঞতা লাভ করেন মাইক ও তার স্ত্রী। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত 'হেইমাবলিদনি' ধারণার অধীনে পর্যটকেরা স্থানীয়দের বাড়িতে ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়ার সুযোগ পান। তারা সেখানে গৃহকর্তার তৈরি করা স্মোকড স্যামন, ভেড়ার মাংস এবং আলু দিয়ে দুপুরের খাবার সম্পন্ন করেন, যা তাদের সেখানকার জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়।
সিসিলিতে ভ্রমণের সময় ভেগান খাবারের দারুণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এথার নামের এক পর্যটক। মোন্তে পেলেগ্রিনো পাহাড়ে হাইকিং শেষে একটি স্থানীয় দোকানে 'পানেলে' নামের ছোলার বেসনে তৈরি মুচমুচে স্ন্যাক্স গ্রহণ করেন তিনি। রাতে পালেরমোর একটি ভেগান রেস্তোরাঁয় কার্বোনারা ও তিরামিসুর ভেগান সংস্করণ উপভোগ করেন।
গ্রিসের ভোলোস শহরে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা জানান বারবারা। সেখানকার 'সিপুরাদিকা' নামের সরাইখানাগুলোতে বিশেষ পানীয় সিপুরোর সঙ্গে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার বা 'মেজে' পরিবেশন করা হয়। প্রতি গ্লাস পানীয়র সঙ্গে গ্রিল করা ক্যাপসিকাম, শুটকি অক্টোপাস, ঝাল পনির কিংবা স্মোকড ম্যাকারেল মাছের ছোট ছোট প্লেট দেওয়া হয়।
লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াসে ক্যাফে ও বারগুলোতে 'কেপ্তা দুয়োনা' নামের একটি জনপ্রিয় স্ন্যাক্সের খোঁজ পান নাটালি। এটি মূলত রশুন ও পনির দিয়ে কড়া করে ভাজা রাই রুটি। অন্যদিকে প্যারিস ভ্রমণে গিয়ে এলিনোর নামের এক পর্যটক 'ল্যান্ড অ্যান্ড মাঙ্কিস' নামের একটি বেকারিতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু ভেগান প্যাস্ট্রি ও ক্রয়েস্যান্টের স্বাদ পান।
ইতালির বোলোনিয়া শহরে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী তোর্লেতিনি পস্তার স্বাদ নেন ক্যাটলিন। সেখানকার রোসারোজ বিস্ত্রোতে গোরগনজোলা পনির ও ক্যারামেল করা নাশপাতি দিয়ে তৈরি বিশেষ তোর্লেতিনি পরিবেশন করা হয়। স্পেনের লেদা শহরে শামুক উৎসবের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন হেলেন। এই উৎসবে ঝাল প্যাপ্রিকা ও ভেষজ উপাদানে রান্না করা শামুকের পদ উপভোগ করেন হাজারো মানুষ।
স্লোভেনিয়ার ব্লেড হ্রদ এলাকায় সাইক্লিং শেষে স্থানীয় ব্লেড কেক খেয়ে তৃপ্তি পান সারা। এটি কাস্টার্ড, মিল-ফয়ে প্যাস্ট্রি এবং হুইপড ক্রিম দিয়ে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। এছাড়া স্পেনের আস্তুরিয়াস অঞ্চলে গিয়ে 'সোপা দে পেসকাদো ই মারিসকো' নামের সি-ফুড সুপ খেয়ে মুগ্ধতার কথা জানান ওকসানা। বিভিন্ন ধরনের সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া দিয়ে এই সুপ তৈরি করা হয়।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






