জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
ব্যবসা ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নশৈশবের পারিবারিক পরিবেশ এবং প্রতিপালন কীভাবে পরবর্তী জীবনে একজন মানুষের অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে অভিজ্ঞতা ও মতামত আহ্বান করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। শৈশবের অভিজ্ঞতা কিভাবে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে ব্যক্তিগত অর্থ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ভূমিকা রাখছে, তা বিশদভাবে জানতে চাচ্ছে গণমাধ্যমটি।গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে পাঠকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, শৈশবের ঘটনাগুলো কি তাদের নগদ অর্থ ও আর্থিক লেনদেনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে দিয়েছে?…
ব্যবসা ডেস্ক: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
শৈশবের পারিবারিক পরিবেশ এবং প্রতিপালন কীভাবে পরবর্তী জীবনে একজন মানুষের অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে অভিজ্ঞতা ও মতামত আহ্বান করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। শৈশবের অভিজ্ঞতা কিভাবে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে ব্যক্তিগত অর্থ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ভূমিকা রাখছে, তা বিশদভাবে জানতে চাচ্ছে গণমাধ্যমটি।
গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে পাঠকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, শৈশবের ঘটনাগুলো কি তাদের নগদ অর্থ ও আর্থিক লেনদেনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে দিয়েছে? পরিবারে শৈশবে অর্থ নিয়ে কি খোলামেলা আলোচনা হতো, নাকি বিষয়টি একটি স্পর্শকাতর ও নিষিদ্ধ বিষয় হিসেবে দেখা হতো? এই ধরনের পারিবারিক চর্চা বর্তমানে তাদের ব্যক্তিগত অর্থ পরিচালনায় কী প্রভাব ফেলছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
যাদের শৈশবে পরিবারে অর্থের টানাটানি বা অনিশ্চয়তা ছিল, সেই অভিজ্ঞতা তাদের বর্তমান জীবনের আর্থিক সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করছে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া ছোটবেলায় বাবা-মা সঞ্চয়ের কোনো অভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন কি না এবং তা প্রাপ্তবয়স্ক জীবনেও অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও অভিজ্ঞতার বিবরণ চাওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি পাঠকদের যথাসম্ভব বিস্তারিত তথ্য দিয়ে তাদের নির্দিষ্ট ফর্মের মাধ্যমে মতামত পাঠাতে অনুরোধ করেছে। পাঠকরা চাইলে তাদের ফর্মে ফাইল যুক্ত করে পাঠাতে পারবেন, যার সর্বোচ্চ আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.৭ মেগাবাইট।
গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যোগাযোগের জন্য পাঠকদের প্রদান করা ব্যক্তিগত তথ্য কেবল তাদের নিজস্ব দলের কাছেই সংরক্ষিত থাকবে। তবে ফর্মে অন্য কোনো ব্যক্তির নাম বা তথ্যের উল্লেখ থাকলে, পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: The Guardian - Business
বিনোদন ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্নব্রিটিশ হেভি মেটাল সংগীতে লোকজ হরর এবং অন্ধকার রূপকথার পুনর্জাগরণ ঘটেছে। গ্রিন লাং ও ড্রুইডেসের মতো উদীয়মান ব্যান্ডগুলো তাদের গানে আশির দশকের উইচফাইন্ডার জেনারেল এবং প্যানগ্যান অলটারের মতো ব্যান্ডের ধারায় পরিবেশ ও লোকগাথা ফুটিয়ে তুলছে।গ্রিন লাং ব্যান্ডের ভোকাল টম টেম্পলার জানান, সাম্প্রতিক দশকগুলোতে হেভি মেটাল এক ধরনের লোকসংগীতে পরিণত হয়েছে। উভয় ধারাই নির্দিষ্ট রিফ-ভিত্তিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে পুনরায় নতুন রূপ পায়। লন্ডনের সাম্প্রতিক ডেজার্টফেস্ট…
বিনোদন ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রিটিশ হেভি মেটাল সংগীতে লোকজ হরর এবং অন্ধকার রূপকথার পুনর্জাগরণ ঘটেছে। গ্রিন লাং ও ড্রুইডেসের মতো উদীয়মান ব্যান্ডগুলো তাদের গানে আশির দশকের উইচফাইন্ডার জেনারেল এবং প্যানগ্যান অলটারের মতো ব্যান্ডের ধারায় পরিবেশ ও লোকগাথা ফুটিয়ে তুলছে।
গ্রিন লাং ব্যান্ডের ভোকাল টম টেম্পলার জানান, সাম্প্রতিক দশকগুলোতে হেভি মেটাল এক ধরনের লোকসংগীতে পরিণত হয়েছে। উভয় ধারাই নির্দিষ্ট রিফ-ভিত্তিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে পুনরায় নতুন রূপ পায়। লন্ডনের সাম্প্রতিক ডেজার্টফেস্ট কনসার্টে ব্যান্ডটির টি-শার্ট উপস্থিত শ্রোতাদের অন্যতম প্রধান পোশাকে পরিণত হতে দেখা যায়।
একই ধরনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন নিউক্যাসলের ব্যান্ড ড্রুইডেসের ভোকাল শোমা ব্রাউন। তাঁর মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের যুগে মানুষ প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে চাচ্ছে। ব্যান্ড দুটির সংগীতে হ্যামার হররের চেয়ে ১৯৭০-এর দশকের ডিপ পার্পল ও ব্ল্যাক সাবাথের মতো অর্গাননির্ভর ধারার প্রভাব স্পষ্ট।
এই ক্ষুদ্র ধারার মূল উৎস অনুসন্ধান করলে দেখা যায় ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে স্টোরব্রিজভিত্তিক ব্যান্ড উইচফাইন্ডার জেনারেল এবং দক্ষিণ লন্ডনের প্যাগান অলটার। ১৯৬৮ সালের ভিনসেন্ট প্রাইস অভিনীত সিনেমার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয় উইচফাইন্ডার জেনারেল ব্যান্ডের নাম ও গান। ব্যান্ডের গিটারিস্ট ফিল কোপ জানান, দ্রুতগতির গানের যুগে তারা মন্থর ও ভারী সংগীত বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
অন্যদিকে, প্যাগান অলটার ব্যান্ডের প্রাথমিক ট্র্যাকগুলো পরবর্তী সময়ে মিথিক্যাল অ্যান্ড ম্যাজিক্যাল অ্যালবামে মুক্তি পায়। ব্রকলিতে তাদের স্টুডিও তৈরির স্থান এবং অন্যান্য লোকগাথা ব্যান্ডটির আবেদন বাড়িয়ে তোলে। গিটারিস্ট অ্যালান জোন্স জানান, তাঁর বাবা এবং ব্যান্ডের ভোকাল টেরি জোন্সের হাত ধরে গানগুলোতে আধিভৌতিক থিম প্রবেশ করে।
হেভি মেটালে লোকগাথার ব্যবহারের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির উপস্থিতি নাকচ করেছেন শিল্পীরা। গ্রিন লাং ব্যান্ডের টম টেম্পলার স্পষ্ট করেন যে, তাদের এই চর্চা কোনো রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়, বরং গ্রামীণ ঐতিহ্য ও রূপকথার প্রতি ভালোলাগা থেকে উদ্ভূত।
গ্রিন লাং ব্যান্ডের নতুন চতুর্থ অ্যালবাম 'নেক্রোপলিটান' নিউক্লিয়ার ব্লাস্টের মাধ্যমে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। লন্ডনের ঊনবিংশ শতাব্দীর ঐতিহাসিক কবরস্থান ও নেক্রোপলিস রেলপথ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে অ্যালবামটি তৈরি করা হয়েছে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্নইনডোর প্ল্যান্ট বা ঘরের গাছের বংশবৃদ্ধি বা প্রোপাগেশন পদ্ধতি অনেকের কাছেই বেশ আনন্দের। তবে নতুন একটি কাটিং বা ডাল থেকে নতুন শিকড় গজানোর জন্য অনেক সময় বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করতে হয়। এই শিকড় গজানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য বিনামূল্যে করা যায় এমন যেকোনো কৌশল বা হ্যাক ইনডোর প্ল্যান্টপ্রেমীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়।বাগানপ্রেমীদের মধ্যে বেশ প্রচলিত একটি ধারণা বা হ্যাক হলো, অন্য গাছের কাটিংয়ের…
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
ইনডোর প্ল্যান্ট বা ঘরের গাছের বংশবৃদ্ধি বা প্রোপাগেশন পদ্ধতি অনেকের কাছেই বেশ আনন্দের। তবে নতুন একটি কাটিং বা ডাল থেকে নতুন শিকড় গজানোর জন্য অনেক সময় বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করতে হয়। এই শিকড় গজানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য বিনামূল্যে করা যায় এমন যেকোনো কৌশল বা হ্যাক ইনডোর প্ল্যান্টপ্রেমীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়।
বাগানপ্রেমীদের মধ্যে বেশ প্রচলিত একটি ধারণা বা হ্যাক হলো, অন্য গাছের কাটিংয়ের সঙ্গে একই পাত্রের জলে যদি একটি পোথোস বা মানিপ্ল্যান্টের কাটিং রাখা হয়, তবে নাকি দ্রুত শিকড় গজায়। এই হ্যাকের পেছনে যে যুক্তি দেওয়া হয় তা হলো, পোথোস জলজ মাধ্যমে 'অক্সিন' নামক উদ্ভিদ হরমোন নিসৃত করে, যা শিকড় বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা পালন করে।
এই পদ্ধতিটি ব্যবহারের জন্য একটি সুস্থ পোথোস গাছের এক বা দুটি নোড বা পর্বসহ ডাল কেটে নেওয়া হয়। এরপর যে গাছের কাটিং থেকে শিকড় গজানো প্রয়োজন, সেটির সঙ্গে পোথোসের ডালটি একই জলের পাত্রে রাখা হয়। পাত্রটি উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ সূর্যের আলোতে রেখে নিয়মিত জল পরিবর্তন করার নিয়ম পালন করা হয়।
কৌতুহলবশত পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একা রাখা কাটিংয়ের চেয়ে পোথোসের সঙ্গে একই জলের জারে রাখা কাটিংগুলোতে দ্রুত মূল বা শিকড় গজাচ্ছে বলে মনে হয়। তবে এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণনির্ভর হলেও এর পেছনে থাকা তত্ত্বটি সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়।
এখন পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়নি যে, পোথোস বা অন্য কোনো উদ্ভিদ জলের মাধ্যমে অন্য গাছে তাদের অক্সিন হরমোন স্থানান্তর করতে পারে। বিজ্ঞানীদের একাংশ এই তত্ত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন, কারণ বাণিজ্যিক যে রুটিন হরমোনগুলো বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলোও জলে দ্রুত ভেঙে যায় এবং কাজ করার ক্ষমতা হারায়।
বাস্তবে পোথোসের সঙ্গে রাখলে কাটিং দ্রুত রুট করে এমন অভিজ্ঞতা অনেকের হলেও, অনুকূল পরিবেশে পোথোস ছাড়াই সাধারণ কাটিংগুলো খুব সহজেই মূল ছাড়তে পারে। ফলে এই হ্যাকটি সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক না হলেও এটি প্রয়োগ করে দেখতে বাধা নেই।
গাছপ্রেমীদের জন্য স্বস্তির বিষয় হলো, এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে কাটিং বা উদ্ভিদের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। যদি এই হ্যাক কিছুটা কাজ করে তবে তা লাভজনক, আর যদি কাজ না-ও করে, তবুও বিনামূল্যে আরেকটি নতুন পোথোস উদ্ভিদ পাওয়ার সুযোগ থেকে যায়।
বিনোদন ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্নপ্রথম শতকে রোমান শাসনের বিরুদ্ধে ইহুদি বিদ্রোহ এবং জেরুজালেমের ঘটনাবলি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘লেজেন্ড অব ডিস্ট্রাকশন’। দীর্ঘ আট বছরের নির্মাণযজ্ঞ শেষে সিনেমাটি ২০২১ সালে সম্পূর্ণ হলেও এতদিন তা অনেকটাই আড়ালে ছিল। অবশেষে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সিনেমাটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে।পরিচালক গিলি দার এবং শুলি র্যান্ড যৌথভাবে সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন। ঐতিহাসিক ফ্লেভিয়াস জোসেফাসের সংকলিত ‘দ্য জুইশ ওয়ার’ এবং তালমুদের ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর…
বিনোদন ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
প্রথম শতকে রোমান শাসনের বিরুদ্ধে ইহুদি বিদ্রোহ এবং জেরুজালেমের ঘটনাবলি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘লেজেন্ড অব ডিস্ট্রাকশন’। দীর্ঘ আট বছরের নির্মাণযজ্ঞ শেষে সিনেমাটি ২০২১ সালে সম্পূর্ণ হলেও এতদিন তা অনেকটাই আড়ালে ছিল। অবশেষে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সিনেমাটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে।
পরিচালক গিলি দার এবং শুলি র্যান্ড যৌথভাবে সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন। ঐতিহাসিক ফ্লেভিয়াস জোসেফাসের সংকলিত ‘দ্য জুইশ ওয়ার’ এবং তালমুদের ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এর কাহিনি গড়ে উঠেছে। খ্রিস্টের জন্মের ৬৬ বছর পর তৎকালীন জুদিয়া ও জেরুজালেমে রোমান শাসক এবং স্থানীয় ইহুদি অভিজাতদের অতিরিক্ত কর আদায়ের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা-ই এতে তুলে ধরা হয়েছে।
সিনেমাটিতে কোনো প্রথাগত অ্যানিমেশন বা চলচ্ছবিলের ব্যবহার করা হয়নি। চিত্রশিল্পী ডেভিড পোলোনস্কি এবং মাইকেল ফাউস্টের আঁকা ডিজিটাল স্থিরচিত্রের মাধ্যমে পুরো গল্পটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এসব ছবি কখনো তৈলচিত্র আবার কখনো প্যাসটেল আর্টের মতো মনে হয়, যা স্থির হওয়া সত্ত্বেও বেশ গতিশীল অনুভূতি তৈরি করে। শেষাংশে এসে বার্তা পৌঁছে দিতে সামান্য অ্যানিমেশনের ছোঁয়া দেওয়া হয়েছে।
সিনেমাটির ইংরেজি সংস্করণে কণ্ঠ দিয়েছেন হলিউডের বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা অভিনেতা। মূল চরিত্র ও কথক ‘বেন বাতিচ’ চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন অস্কার আইজাক। সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে শুরু করলেও মায়ের আকুলতা এবং রাব্বি চাচা ইউহানান বেন জাকাইয়ের সহনশীলতার আবেদন উপেক্ষা করে একপর্যায়ে বাতিচ বিদ্রোহের অন্যতম নেতা হয়ে ওঠেন। সিভিলিয়ার রানি বেরেনিস চরিত্রে এভানজেলিন লিলি এবং রাব্বি ইউহানান বেন জাকাই চরিত্রে ইলিয়ট গুল্ড কণ্ঠ দিয়েছেন।
রোমানদের বিরুদ্ধে প্রথম দিকের রাজপথের লড়াইয়ে বিদ্রোহীরা জয় পেলেও পরবর্তীতে নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সাইমন বার গিওরার (কণ্ঠ দিয়েছেন বিলি জেন) নেতৃত্বাধীন প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য একটি বিপ্লবী দলের সঙ্গে বেন বাতিচ ও তার অনুসারীদের বিরোধ তৈরি হয়। অভ্যন্তরীণ এই বিভাজনের চূড়ান্ত পরিণতিতে জেরুজালেমের বিখ্যাত ‘সেকেন্ড টেম্পল’ বা দ্বিতীয় মন্দির ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ভস্মীভূত হয়।
কাহিনির শেষ পরিণতিতে দেখা যায় জেরুজালেমে মারাত্মক খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ নেমে এসেছে। বেন বাতিচ ও তার পরিবার চরম অনাহারে দিন কাটাতে বাধ্য হয়। অন্যদিকে রোমে শাসক সম্রাট নিরো নিহত হন এবং সেখানকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠলেও রোমানরা আবারও এই অঞ্চলে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি নেয়।
চলচ্চিত্রটিতে সে সময়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে সুনির্দিষ্টভাবে বজায় রাখা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে খ্রিস্টধর্মের প্রচার প্রাথমিক পর্যায়ে অত্যন্ত সীমিত থাকায় এতে তার কোনো উল্লেখ রাখা হয়নি। পরিচালক গিলি দারের এই ভিন্নধর্মী ও দুঃসাহসী ভিজ্যুয়াল স্টাইলকে মোশন পিকচারের ক্ষেত্রে এক অনন্য উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্নভিডিও গেমের জগতে অন্যতম জনপ্রিয় এবং স্বতন্ত্র ব্রিটিশ অ্যাকশন আরপিজি (রোল প্লেয়িং গেম) সিরিজ 'ফেবল' দীর্ঘ এক দশকের বিরতি ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবারো ফিরে আসছে। জনপ্রিয় রেসিং গেম 'ফোরজা হরাইজন' খ্যাত ব্রিটিশ ডেভেলপার স্টুডিও প্লেগ্রাউন্ড গেমস দীর্ঘ ১০ বছরের প্রচেষ্টায় গেমটিকে নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করছে। ২০০৪ সালে লায়নহেড স্টুডিওস কর্তৃক প্রথম এক্সবক্স কনসোলের জন্য তৈরি এই গেমটি তার কৌতুকপূর্ণ মেজাজ এবং খেলোয়াড়দের স্বাধীন সিদ্ধান্তের…
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
ভিডিও গেমের জগতে অন্যতম জনপ্রিয় এবং স্বতন্ত্র ব্রিটিশ অ্যাকশন আরপিজি (রোল প্লেয়িং গেম) সিরিজ 'ফেবল' দীর্ঘ এক দশকের বিরতি ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবারো ফিরে আসছে। জনপ্রিয় রেসিং গেম 'ফোরজা হরাইজন' খ্যাত ব্রিটিশ ডেভেলপার স্টুডিও প্লেগ্রাউন্ড গেমস দীর্ঘ ১০ বছরের প্রচেষ্টায় গেমটিকে নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করছে। ২০০৪ সালে লায়নহেড স্টুডিওস কর্তৃক প্রথম এক্সবক্স কনসোলের জন্য তৈরি এই গেমটি তার কৌতুকপূর্ণ মেজাজ এবং খেলোয়াড়দের স্বাধীন সিদ্ধান্তের অভিজ্ঞতার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
প্রথাগত ফ্যান্টাসি গেমের বাঁধাধরা নিয়ম ও সংলাপের বাইরে গিয়ে ব্রিটিশ কমেডি এবং আধুনিক ভাষার সংমিশ্রণে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে ফেবল-কে। ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট এর মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লায়নহেড স্টুডিও বন্ধ করে দেওয়ায় এবং মাল্টিপ্লেয়ার ভিত্তিক গেম 'ফেবল লেজেন্ডস' বাতিল হওয়ায় পুরো সিরিজটি অনিশ্চয়তায় পড়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে প্লেগ্রাউন্ড গেমস মাইক্রোসফটের সাথে চুক্তি করে এবং অ্যালবিয়ন নামের কল্পিত জগতে গেমের গল্প ও বিশাল ওপেন ওয়ার্ল্ড গড়ে তোলার বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করে।
প্লেগ্রাউন্ড গেমসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও গেম ডিরেক্টর রাফ ফুলটন জানান, ঐতিহ্যবাহী ফ্যান্টাসি থিমের পুরনো প্রথা থেকে বেরিয়ে আসাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। গেমটির চরিত্রগুলোতে অভিনয় ও কণ্ঠ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় কমেডি তারকারা। 'পিপ শো' খ্যাত ম্যাট কিং এতে 'হামফ্রে' চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন, যিনি খেলোয়াড়দের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া রিচার্ড আইওয়েডি এবং নাতাসিয়া ডেমেট্রিউয়ের মতো তারকারা এতে যুক্ত আছেন, যাদের হাস্যরসাত্মক ও বাস্তবসম্মত সংলাপ পরিবেশন গেমটিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জার্মানির 'গেমসকম' প্রদর্শনীতে সম্প্রতি গেমটির পরীক্ষামূলক সংস্করণ প্রদর্শন করা হয়। গেমটিতে তলোয়ার, ধনুক ও জাদুটোনার মাধ্যমে কঙ্কাল সৈন্য ও আত্মাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা পাবেন খেলোয়াড়রা। শত্রুকে মুরগিতে রূপান্তর করার মতো মজার জাদুর পাশাপাশি ব্রিটিশ ধাঁচের রসাত্মক সংলাপ ও চিঠি গেমটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
গেম ডিরেক্টর ফুলটনের মতে, গল্পের মূল উপাদানে খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা পুরোপুরি রাখা হয়েছে। অ্যালবিয়নের জগতে খেলোয়াড়রা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এবং গেমের শেষ পর্যায়ে এমন একটি নৈতিক সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হবে, যা তাদের নিজস্ব পছন্দ ও ব্যক্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ করবে। দীর্ঘ বিকাশ পর্ব, বৈশ্বিক মহামারী এবং মূল প্রতিষ্ঠান এক্সবক্সে ছাঁটাইয়ের মতো প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ফেবল-কে গেমিং শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেছে প্লেগ্রাউন্ড গেমস।
ব্যবসা ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্নলন্ডন ফ্যাশন উইক শুরু হওয়ার প্রাক্কালে যুক্তরাজ্যের পোশাক শিল্প ও উৎপাদন খাত সুরক্ষায় এক ব্যতিক্রমী দাবি তুলে ধরেছে ফ্যাশন বিষয়ক গবেষণা সংস্থা 'ফ্যাশন রাউন্ডটেবিল'। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) কর্মীদের ব্যবহারের পোশাক দেশের ভেতরেই প্রস্তুত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।চলতি বুধবার বিকেলে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি হস্তান্তর করবে সংস্থাটি। চিঠিতে…
ব্যবসা ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
লন্ডন ফ্যাশন উইক শুরু হওয়ার প্রাক্কালে যুক্তরাজ্যের পোশাক শিল্প ও উৎপাদন খাত সুরক্ষায় এক ব্যতিক্রমী দাবি তুলে ধরেছে ফ্যাশন বিষয়ক গবেষণা সংস্থা 'ফ্যাশন রাউন্ডটেবিল'। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) কর্মীদের ব্যবহারের পোশাক দেশের ভেতরেই প্রস্তুত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
চলতি বুধবার বিকেলে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি হস্তান্তর করবে সংস্থাটি। চিঠিতে অ্যাডভেঞ্চারার বেন ফোগল এবং 'দ্য গ্রেট ব্রিটিশ সেউয়িং বি'-এর উপস্থাপক প্যাট্রিক গ্রান্টসহ ১,২০০-এরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষর রয়েছে। তারা মনে করেন, সরকারি এই ক্রয়াদেশ স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের প্রদান করা হলে তা যুক্তরাজ্যের নিজস্ব শিল্প খাত পুনরুজ্জীবিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
ফ্যাশন রাউন্ডটেবিলের অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, এনএইচএস এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মিলে পোশাক তৈরিতে বছরে প্রায় ১২ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে। বর্তমানে এসব ইউনিফর্মের প্রায় ৫৫ শতাংশই বিদেশে তৈরি হয়ে থাকে। সংস্থাটি বলছে, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি অভ্যন্তরীণ টেক্সটাইল তৈরি প্রতিষ্ঠানে প্রদান করা হলে তা দেশের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান ধরে রাখতে সবচেয়ে বড় সহায়কের কাজ করবে।
দেশীয় উৎপাদনের সুফল ইতিপূর্বেও দেখা গেছে। কোভিড মহামারীর সময় পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) কেনার ক্ষেত্রে প্রায় ১,০০০ কোটি পাউন্ড অপচয় হয়েছিল, যার বেশিরভাগই চীন থেকে আমদানি করা হয়েছিল। এর বিপরীতে স্কটল্যান্ড ২০২১ সালে তাদের ১০ কোটি ২৭ লাখ পাউন্ড মূল্যের পিপিই চাহিদার ৮৮ শতাংশই দেশীয়ভাবে তৈরি করে, যা অতিরিক্ত ৬ কোটি ৬৭ লাখ পাউন্ড অর্থনৈতিক মূল্য যুক্ত করার পাশাপাশি ১,৪০০ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল।
উৎপাদনকারী সংগঠন 'মেক ইট ব্রিটিশ'-এর প্রতিষ্ঠাতা কেট হিলস জানিয়েছেন, এ ধরণের সরকারি চুক্তি দেশীয় কারখানাগুলোকে স্বস্তি দেবে। ফলে তারা প্রতিদিন বেঁচে থাকার লড়াইয়ের বদলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও অধিক লোক নিয়োগে সাহস পাবে। যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৪১ সালে পাস হওয়া 'বেরি সংশোধনীর' কারণে সামরিক বাহিনীর ইউনিফর্ম দেশের ভেতরেই উৎপাদন করা বাধ্যতামূলক, যা ২০২৫ সালে প্রায় ১৬২ কোটি ডলারের বাজারে পরিণত হয়েছে।
কেট হিলস আরও আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের ব্যক্তিগত পছন্দও যুক্তরাজ্যের তৈরি পোশাকের পক্ষে। লেবার পার্টির এই নেতা ইতোপূর্বে যুক্তি দিয়েছিলেন যে, কম খরচের বিদেশি পণ্যের বদলে সরকারি ক্রয়ে দেশীয় প্রস্তুতকারকদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত। ম্যানচেস্টার ভিত্তিক ব্র্যান্ড 'প্রাইভেট হোয়াইট ভিসি' থেকে স্যুট কেনার উদাহরণ টেনে কেট বলেন, হয়তো তিনি সেই প্রধানমন্ত্রী যিনি দেশীয় পণ্যের সঠিক মূল্যায়ন করবেন।
অন্যদিকে ব্ল্যাকবার্ন ভিত্তিক সামরিক পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থা 'কুকসন অ্যান্ড ক্লেগ'-এর বিনিয়োগকারী প্যাট্রিক গ্রান্ট জানান, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর জন্য ২০০৯ সালের পর থেকে তাদের পোশাক তৈরির চুক্তি বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, টেক্সটাইল শিল্প টিকিয়ে রাখতে দীর্ঘমেয়াদী চাহিদার স্থিতিশীল ব্যবসা প্রয়োজন, যা সরকারি চুক্তিই দিতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে চুক্তি পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল, যা ছোট প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পরিচালনা করা কঠিন।
যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনীর পোশাক চীনে তৈরি হওয়া নিয়েও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জুলাই মাসে কনজারভেটিভ নেতা ইয়ান ডানকান স্মিথ এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। প্যাট্রিক গ্রান্টও সতর্ক করে বলেন, অস্থিতিশীল সম্পর্কের দেশে সামরিক পোশাক তৈরি হলে ভবিষ্যতে কোনো সংকট দেখা দিলে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এখনই এ ধরণের দূরদর্শী পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন।
প্রযুক্তি ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্নকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং এর সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর আইনি তদারকি ও বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এআই এবং ডেটা সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই সুরকে একটি ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করেন, এআইয়ের একমাত্র নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা হতে পারে একজন শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান প্রেসিডেন্ট।প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ…
প্রযুক্তি ডেস্ক: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং এর সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর আইনি তদারকি ও বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এআই এবং ডেটা সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই সুরকে একটি ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করেন, এআইয়ের একমাত্র নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা হতে পারে একজন শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান প্রেসিডেন্ট।
প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক বিবৃতিতে এআই উন্নয়নের গতি ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরির সুযোগ দিতে এই সময়টুকু প্রয়োজন। এআই সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজারেও প্রভাব পড়েছে।
এআই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত বিকাশ মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে—এমন শঙ্কা থেকে ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এক মঞ্চে আসছেন। ডেমোক্রেটিক সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং রক্ষণশীল পডকাস্টার স্টিভ ব্যানন যৌথভাবে এআই ব্যবস্থার ওপর বিধিনিষেধের পক্ষে সওয়াল করার কথা জানিয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র ব্যানন প্রযুক্তি খাতের নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের অনিচ্ছার সমালোচনা করে মন্তব্য করেছেন, মার্কিন জনগণ এই প্রযুক্তি অলিপর্বতের অধীনস্থ হয়ে থাকবে না।
এআই গবেষণাপ্রতিষ্ঠান 'অ্যানথ্রোপিক'-এর গবেষক জ্যাকব কক্সন সম্প্রতি পদত্যাগ করার পর জনমনে উদ্বেগ আরও বাড়ে। কক্সনের মতে, যারা এই এআই প্রযুক্তি তৈরি করছেন তারা সত্যি বিশ্বাস করেন যে এটি এই দশকের শেষের মধ্যেই মানবজাতির জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এ ধরনের সতর্কবার্তা ও প্রযুক্তি প্রধানদের উদ্বেগের পর বিশ্বব্যাপী এআই সংক্রান্ত শেয়ারের দরপতন ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারাও ট্রাম্পের অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন। ডেমোক্রেটিক প্রতিনিধি ডন বেয়ার বলেন, ইতিহাস ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে দেখবে এবং ট্রাম্প এক্ষেত্রে সঠিক পরামর্শ গ্রহণ করছেন না। অন্যদিকে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ ডেমোক্র্যাট এবং ৭৯ শতাংশ রিপাবলিকান ভোটার এআই তদারকির জন্য একটি নতুন কেন্দ্রীয় সংস্থা গঠনের পক্ষে।
Technology ডেস্ক: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংস্থাসমূহকে অস্ট্রেলীয় শিল্পীদের তৈরি কনটেন্ট ব্যবহারে সুযোগ করে দিতে কপিরাইট সুরক্ষায় ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটির অ্যালবানিজি সরকার। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এক সমঝোতায় পৌঁছাতে সরকার এই পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বলে ফাঁশ হওয়া নথিতে দেখা গেছে। এ নিয়ে কড়া সমালোচনা করে স্বতন্ত্র সিনেটর ডেভিড পোকক অভিযোগ করেছেন, ডেটাসেন্টার অর্থায়নের লোভে সরকার স্থানীয় সৃষ্টিকর্তা ও কপিরাইট মালিকদের স্বার্থ বলির পাঁঠা বানাচ্ছে।সম্প্রতি…
Technology ডেস্ক: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংস্থাসমূহকে অস্ট্রেলীয় শিল্পীদের তৈরি কনটেন্ট ব্যবহারে সুযোগ করে দিতে কপিরাইট সুরক্ষায় ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটির অ্যালবানিজি সরকার। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এক সমঝোতায় পৌঁছাতে সরকার এই পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বলে ফাঁশ হওয়া নথিতে দেখা গেছে। এ নিয়ে কড়া সমালোচনা করে স্বতন্ত্র সিনেটর ডেভিড পোকক অভিযোগ করেছেন, ডেটাসেন্টার অর্থায়নের লোভে সরকার স্থানীয় সৃষ্টিকর্তা ও কপিরাইট মালিকদের স্বার্থ বলির পাঁঠা বানাচ্ছে।
সম্প্রতি ওপেনএআই-এর গ্লোবাল পলিসি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান ও'লিয়ারিসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা লেবার সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা সতর্ক করে জানান যে, অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান কপিরাইট আইনের কারণে সংস্থাটি স্থানীয়ভাবে তাদের এআই মডেল প্রশিক্ষণ দিতে পারছে না। এরপরই মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার সিনেটে 'এআই অন অস্ট্রেলিয়ান টার্মস' শীর্ষক সরকারি পরামর্শ সভার একটি নথি পেশ করেন সিনেটর পোকক।
ফাঁশ হওয়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী, সাধারণ অস্ট্রেলীয়রা যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের কনটেন্ট এআই ব্যবহারে নিষেধ বা প্রত্যাহার (অপ্ট-আউট) না করেন, তবে এআই কোম্পানিগুলো বাই ডিফল্ট বা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেই সব কনটেন্টে প্রবেশাধিকার পেয়ে যাবে। পোকক বলেন, সাধারণ অস্ট্রেলীয়দের নিজস্ব সৃষ্টি ও বিনিয়োগের অধিকার সুরক্ষার দায়িত্ব তাদের নিজেদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একেবারেই অনুচিত।
নথিতে মূল সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইন্টারনেটে হাজার হাজার ছোট ও স্বতন্ত্র সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন, যাদের সবার সঙ্গে আলাদাভাবে স্বেচ্ছাসেবী চুক্তি করা এআই কোম্পানিগুলোর পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এআই প্রশিক্ষণ থেকে নিজেদের কাজ রক্ষা করতে হলে শিল্পীদের ডিজিটাল সুরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা মূল অধিকারধারীদের মতে বাস্তবসম্মত নয়। অন্য একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট খাতের মূল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হলেই সংশ্লিষ্ট খাতের সবার কনটেন্ট ব্যবহারের অধিকার পাবে এআই প্রতিষ্ঠানগুলো।
এর আগে গ্রিনস সিনেটর সারা হ্যানসন-ইয়ং এ ধরনের সমঝোতার প্রস্তাবকে 'জঘন্য' বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক অস্ট্রেলীয়র নিজের কাজের জন্য পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বড় টেক কোম্পানিগুলোকে বিনামূল্যে অস্ট্রেলীয়দের কাজ ব্যবহার করতে দিলে তা তাদের বাণিজ্যিক মুনাফাই বাড়াবে। উল্লেখ্য, এআই কোম্পানিগুলো ৫০ বিলিয়ন ডলারের ডেটাসেন্টার বিনিয়োগের বিনিময়ে কপিরাইট আইন শিথিলের প্রস্তাব দিচ্ছে এমন খবরের পর থেকেই স্থানীয় সংগীতশিল্পী, লেখক ও শিল্পীরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।
অবশ্য সরকারের পক্ষ থেকে শিল্পীদের স্বার্থ সুরক্ষার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লেবার সরকারের শিল্পমন্ত্রী টিম আইরস জানান, নতুন এআই নিয়মে কপিরাইট সুরক্ষা কমানোর কোনো সুযোগ নেই। অ্যাটর্নি জেনারেল মিশেল রোল্যান্ডের এক মুখপাত্র জানান, যেকোনো নতুন কপিরাইট পরিবর্তনে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হবে।
উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লস বলেন, মার্কিন টেক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সীমান্ত প্রযুক্তিতে কাজ করার অর্থনৈতিক সুযোগ অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিশাল। তবে তা অবশ্যই জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে হতে হবে। অন্যদিকে সহকারী প্রযুক্তি মন্ত্রী অ্যান্ড্রু চার্লটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিল্পীদের স্বার্থের বিনিময়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; এমনকি এর ফলে ডেটাসেন্টার বিনিয়োগ হাতছাড়া হলেও সরকার তা মেনে নেবে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






