জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
ساکھ بن رہی ہے
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
ساکھ بن رہی ہے
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
বিজয়নগর প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১নং বুধন্তি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানকে বহিষ্কার করেছে জেলা যুবদল। ২ জুন ২০২৫, সোমবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি শামীম মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মাহমুদের নির্দেশক্রমে সংগঠনের শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে মিজানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. আল-আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো…
বিজয়নগর প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১নং বুধন্তি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানকে বহিষ্কার করেছে জেলা যুবদল।
২ জুন ২০২৫, সোমবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি শামীম মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মাহমুদের নির্দেশক্রমে সংগঠনের শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে মিজানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. আল-আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
উল্লেখ্য যে গত ১৫ মে ২০২৫, বৃহস্পতিবার রাতে বুধন্তি বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মোদির দোকানে এ ঘটনাটি ঘটে। দোকানটির সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিজয়নগর থানার এসআই সুমন অভিযান চালিয়ে ওই দোকান থেকে বুধন্তি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মেম্বারকে আটক করার চেষ্টা করেন। ঠিক সেই সময় যুবদল নেতা মিজান হঠাৎ উপস্থিত হয়ে এসআই সুমনকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দেন এবং সোহাগ মেম্বারকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন।
এ ঘটনায় যুবদল নেতা মিজানের আচরণকে সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী উল্লেখ করে জেলা যুবদল তাকে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের একাধিক নেতৃবৃন্দ জানান, সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত অপরাধকে দল কখনোই প্রশ্রয় দেবে না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুণ্যভূমি মাছিয়াতা দরবার শরীফে অত্যন্ত আধ্যাত্মিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, আউলাদে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উজ্জ্বল নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ছাইয়্যেদুল আউলিয়া হযরত মাওলানা শাহ্ ছৈয়দ ইয়াকুব আলী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর ১০২তম পবিত্র ওরশ শরীফ। ২২ মে ২০২৫ খ্রিঃ বৃহস্পতিবার থেকে এই পবিত্র ওরশ শরীফ শুরু হয় এবং শুক্রবার ৯ই জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত আধ্যাত্মিকতা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মাজার শরীফে পবিত্র কুরআন শরীফ খতমের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুণ্যভূমি মাছিয়াতা দরবার শরীফে অত্যন্ত আধ্যাত্মিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, আউলাদে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উজ্জ্বল নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ছাইয়্যেদুল আউলিয়া হযরত মাওলানা শাহ্ ছৈয়দ ইয়াকুব আলী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর ১০২তম পবিত্র ওরশ শরীফ।
২২ মে ২০২৫ খ্রিঃ বৃহস্পতিবার থেকে এই পবিত্র ওরশ শরীফ শুরু হয় এবং শুক্রবার ৯ই জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত আধ্যাত্মিকতা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মাজার শরীফে পবিত্র কুরআন শরীফ খতমের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয় মিলাদ শরীফ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল, যেখানে হাজারো আশেক-ভক্তের দরুদ-সালামের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে দরবার প্রাঙ্গণ।
বাদ মাগরিব অনুষ্ঠিত হয় জিকির-আজকার এবং বাদ এশা ওয়াজ ও নছিয়তের মাহফিল, যেখানে দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম হৃদয়ছোঁয়া আলোচনার মাধ্যমে আলোর বার্তা ছড়িয়ে দেন উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে।
পরদিন শুক্রবার ফজরের নামাজের পর থেকে চলে বিশেষ জিকির ও তালিমের আসর। সবশেষে আখেরী মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও হেদায়েত কামনা করা হয় এবং তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে ওরশের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটে।
এই মহতী আয়োজনে অংশ নিতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজারো আশেক-ভক্ত মাছিয়াতা দরবারে ছুটে আসেন। মাছিয়াতা দরবার শরীফ পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়। পুরো দরবার এলাকা পরিণত হয় আধ্যাত্মিক এক নূরের বাগানে, যেখানে মিশে থাকে ভালোবাসা, ভক্তি ও শান্তির সুবাতাস।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাছিয়াতা দরবার শরীফের ইতিহাস প্রায় তিন শতাধিক বছরের। এটি আউলাদে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গৌরবময় শাজরার একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা, যার উজ্জ্বল নেতৃত্বে ছিলেন সিপাহসালার ছৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহঃ)।
এই দরবারের মহান অলিদের মধ্যে রয়েছেন ছাইয়্যেদুল উলামা আলা হযরত মাওলানা শাহ ছৈয়দ কুতুবুর রহমান (রহঃ) ও ছাইয়্যেদুল আছফিয়া আ'লা হযরত মাওলানা শাহ ছৈয়্যদ আবু ছালেহ (রঃ)। তাঁদের নাতি, বর্তমান সময়ের প্রখ্যাত মোহাদ্দিস ও আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ, আল্লামা শাহ্ সূফী ছৈয়্যদ জাফরুল কুদ্দুছ গালেব সাহেব এই পবিত্র ওরশ শরীফে দরবারের আশেকানদের সঙ্গে সরাসরি সময় দিয়ে তাঁদের অন্তরের খোরাক জুগিয়েছেন।
মাছিয়াতা দরবার শরীফের এই ওরশ শরীফ কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ছিল আধ্যাত্মিক উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধের চর্চা এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহলে বায়তের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রকাশের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। এই ঐতিহাসিক ওরশের মাহাত্ম্য শুধু সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা চিরকাল ভক্ত-আশেকদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।
রাত্রির অন্ধকার কাটিয়ে ভোরের আলো ধীরে ধীরে গ্রামটাকে জাগিয়ে তুলছিল। চারপাশে একরাশ কুয়াশা, যেন প্রকৃতি নিজের শরীর জড়িয়ে রেখেছে শুভ্র চাদরে। বটগাছের পাতায় শিশিরের ঝিকিমিকি, পাখিরা ডানা মেলছে নতুন দিনের গান গাওয়ার আশায়। এমন ভোরে শহরফেরা নির্ময় হাঁটছে ধানক্ষেতের আল ধরে। সে এসেছে এখানে তার দাদাবাড়িতে, বহু বছর পর। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে ছুটি নিয়ে, নিজের হারিয়ে যাওয়া সত্তাকে খুঁজতে। কবিতা আর নিঃসঙ্গতার এক কাব্যিক যাত্রী সে। জীবনে অনেক কিছু…
রাত্রির অন্ধকার কাটিয়ে ভোরের আলো ধীরে ধীরে গ্রামটাকে জাগিয়ে তুলছিল। চারপাশে একরাশ কুয়াশা, যেন প্রকৃতি নিজের শরীর জড়িয়ে রেখেছে শুভ্র চাদরে। বটগাছের পাতায় শিশিরের ঝিকিমিকি, পাখিরা ডানা মেলছে নতুন দিনের গান গাওয়ার আশায়। এমন ভোরে শহরফেরা নির্ময় হাঁটছে ধানক্ষেতের আল ধরে।
সে এসেছে এখানে তার দাদাবাড়িতে, বহু বছর পর। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে ছুটি নিয়ে, নিজের হারিয়ে যাওয়া সত্তাকে খুঁজতে। কবিতা আর নিঃসঙ্গতার এক কাব্যিক যাত্রী সে। জীবনে অনেক কিছু পেয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা... সে এখনো অধরা।
নদীর পাশের সেই ছোট্ট বাঁকের কাছেই নির্ময় প্রথম দেখে তাকে।
সে – অর্ণা।
সাদা শাড়িতে, কাঁধে একটি ছোট ঝুড়ি। চুল খোলা, চোখে অদ্ভুত এক দীপ্তি। সে ঝুঁকে ফুল তুলছে ঘাসের মধ্যে থেকে, যেন প্রকৃতিই তার হাতে ধরা দিচ্ছে। নির্ময়ের পা হঠাৎ থেমে যায়। সে যেন কোনো চিত্রকরের ক্যানভাসে আটকে গেছে।
অর্ণা হঠাৎ পেছনে ঘুরে তাকায়।
দৃষ্টি বিনিময় হয়। এক মুহূর্তে সময় যেন থমকে দাঁড়ায়।
— “আপনি কি আমার দিকে এতক্ষণ তাকিয়ে আছেন?”
— “হ্যাঁ, প্রকৃতিকে দেখছিলাম, আপনি তো তারই একটা অংশ।”
অর্ণা হেসে ওঠে। সে হাসি ছিলো না মানুষের, যেন পাখির হাসি। নির্ময় জীবনে এত স্বচ্ছ, মুক্ত হাসি কখনো শোনেনি।
— “আপনি শহরের মানুষ, না?”
— “হ্যাঁ, কিন্তু নিজেকে প্রকৃতির মানুষ ভাবতেই ভালো লাগে। এখানে এসেছি একটু নিঃশ্বাস নিতে।”
— “তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন,” বলে সে, আরেকটা ফুল তার ঝুড়িতে রাখে।
কিছুক্ষণ তারা হাঁটে। অর্ণা ফুল চিনিয়ে দেয় — চামেলি, গাঁদা, শিউলি। নির্ময় শুনতে শুনতে ভুলে যায় সকাল হয়ে গেছে। পাখিদের ডাক, দিগন্তে ওঠা সূর্য, আর পাশে হেঁটে চলা এই মেয়ে — সবকিছু মিলিয়ে যেন কবিতার এক পঙ্ক্তির মতো হয়ে উঠছে এই সকাল।
— “আপনার নাম?”
— “নির্ময়। আপনার?”
— “অর্ণা। আমি এই নদীর মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই এর স্রোতের সঙ্গে বড় হয়েছি।”
নির্ময়ের মনে হলো, এই নদী, এই আলো, এই হাওয়া — সবই যেন অর্ণাকে গড়ে তুলেছে। সে তার দিকে তাকিয়ে ভাবল, “এত সুন্দর করে কেউ হেঁটে যেতে পারে?”
যেদিকে সে চলে যায়, যেন বাতাসও পিছনে পিছনে চলে।
অর্ণা বিদায় জানিয়ে চলে যায় বাঁশঝাড়ের পথে। নির্ময় তার চলার দৃষ্টিপথে তাকিয়ে থাকে অনেকক্ষণ। কুয়াশা আস্তে আস্তে গায়েব হয়, কিন্তু নির্ময়ের চোখে জমে থাকে এক নতুন রঙের আলো।
সে জানে না, এই মেয়েটি তার জীবনে কী নিয়ে আসবে — প্রেম, না ব্যথা। কিন্তু সে এটুকু জানে — এই সকালে সে ভালোবেসে ফেলেছে একজনকে, যার নাম অর্ণা।
পর্ব: ২
সকালের সেই পরিচয়ের পর থেকে অর্ণা ও নির্ময়ের দেখা প্রায় প্রতিদিনই হতে লাগল। কখনো পুকুরপাড়ে, কখনো ধানক্ষেতের আলে, আবার কখনো গোধূলি বেলায় নদীর পাড়ে। তাদের আলাপ যেন গাছের পাতার মতো ধীরে ধীরে খুলে যাচ্ছিল—একেকটা প্রশ্ন, একেকটা হাসি, একেকটা কবিতা… একেকটা পাতা।
এক দুপুরে, চৈত্রের খর রোদ মাথায় নিয়ে অর্ণা বলল—
— “আজ তোমায় আমার প্রিয় জায়গাটা দেখাব।”
নির্ময় হাঁসলো।
— “তুমি বললেই যাই। রোদ যেমনই থাক, পাশে তুমি থাকলেই সব ঠাণ্ডা লাগে।”
তারা হাঁটতে লাগল বাঁশঝাড়ের ভেতর দিয়ে। পাখিরা ডাকছিল দূরে, কোথাও একঝাঁক প্রজাপতি ওড়ার শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল হাওয়ার মাঝে। তারা এক সময় গিয়ে দাঁড়াল এক ঢালু মাঠে, যেখান থেকে দিগন্ত দেখা যায়।
— “এই জায়গায় এসে আমি প্রতিদিন বসি। ছায়ায় বসে হাওয়া শুনি, মাটির গন্ধ নিই। এখানেই আমার সবচেয়ে নিজের মতো লাগে।”
নির্ময়ও বসে পড়ে। বাতাসে তার চুল উড়ে যাচ্ছে, অর্ণার চোখে সেই দৃশ্যের প্রতিফলন পড়ে।
— “তুমি কি সবকিছুকে এত গভীরভাবে দেখো?”
— “আমি কবি, অর্ণা। আমার দেখা মানেই শুধু চোখ দিয়ে নয়। আমি অনুভব করি।”
অর্ণা হেসে উঠে পাশে বসে। গলায় ওড়না পড়ে গেছে খোলা ঘাসে। নির্ময় সেটা তুলে দেয়। তাদের আঙুল ছুঁয়ে যায় এক মুহূর্তের জন্য। স্পর্শটা ছোট, কিন্তু যেন একটা রেশ রেখে যায় হৃদয়ের গহীনে।
নির্ময়ের চোখ পড়ে অর্ণার কাঁধে—এক পুরনো দাগ।
সে কিছু জিজ্ঞেস করে না, কিন্তু অর্ণা নিজেই বলে ওঠে—
— “ছোটবেলায় একবার আগুন লেগেছিল ঘরে। আমি বোনকে বাঁচাতে গিয়ে পুড়ে যাই। মা সেই আগুনেই... হারিয়ে যান।”
নির্ময়ের বুক কেঁপে ওঠে।
— “তোমার ভেতর এত আলো, অথচ কতো অন্ধকার পেরিয়ে এসেছো!”
— “আলো না থাকলে তো আঁধার এত স্পষ্ট হতো না,” অর্ণা ধীরে বলে।
এই কথায় নির্ময় আরও আকৃষ্ট হয়। সে অনুভব করে, সে কেবল অর্ণার রূপে নয়, তার গভীরতায় ভালোবেসে ফেলেছে।
এক দুপুর তারা হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যায়। মেঘ ছিল না, কিন্তু এক ঝাপসা, হঠাৎ আসা বর্ষা নামে মাঠে। অর্ণা দু’হাত ছড়িয়ে দাঁড়ায়, হেসে বলে—
— “এই বৃষ্টি আমাকে মনে করায়, জীবনে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হয়। সুখ আসবে হঠাৎ করে, ঠিক এই বৃষ্টির মতো।”
নির্ময় তাকিয়ে থাকে—একজন নারী, যাকে বৃষ্টি ভিজিয়ে দিচ্ছে, যার চোখে আনন্দ, শরীরে রূপ, আর মনের গভীরে একটা অতল প্রেম।
সে হঠাৎ করে বলে ফেলে—
— “অর্ণা, আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
অর্ণা একটু থামে, তাকায়।
তার চোখে ভয়, বিস্ময়, আর এক চিলতে আনন্দ।
— “তুমি জানো না, নির্ময়… আমার জীবনে ভালোবাসা মানে জটিলতা। আমি মুক্ত আকাশের পাখি, আর তুমি... তুমি আমার গাছের শিকড়ের মতো। তুমি চাও আমাকে ধরে রাখতে, আর আমি... উড়তে চাই। তুমি পারবে?”
নির্ময় চুপ করে। সে বোঝে, এই প্রেম সহজ হবে না। কিন্তু তার হৃদয় বলে—
— “যদি তুমি উড়ো, আমি আকাশ হবো। যদি তুমি হারিয়ে যাও, আমি অপেক্ষা করবো নদীর তীরে। শুধু কথা দাও, কখনো একেবারে চলে যেও না।”
অর্ণা কিছু বলে না। কেবল হেঁটে চলে যায় কুয়াশা ভেজা বৃষ্টির মধ্যে, গাছের পাতার ফাঁকে রোদ আর জলের খেলা যেমন হয়।
নির্ময় দাঁড়িয়ে থাকে।
এই প্রেম—সে জানে—কবিতার মতোই হবে। হয়তো পাওয়া হবে না, তবুও রচতে হবে তাকে, প্রতিদিন।
পর্ব-৩
গোধূলি নেমে এসেছে। সূর্য একদিকে নেমে যাচ্ছে, অন্যদিকে আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে কমলা আর হালকা বেগুনি আলো। পাখিরা নীড়ে ফিরছে, বাতাসে একটা বিষণ্ণ সুর।
নির্ময় দাঁড়িয়ে আছে সেই পুরোনো বাঁশঝাড়ের নিচে। তার চোখ পেরিয়ে যাচ্ছে নদীর ওপারে, যেখানে অর্ণা হেঁটে আসছে ধীরে ধীরে। সাদা জামা, নীল ওড়না—এক ধরনের শান্ত সৌন্দর্য, যেন সে প্রকৃতিরই পাঠশালা থেকে বেরিয়ে এসেছে।
— “তুমি তো বলেছিলে একদিন, যদি আমি উড়ি, তুমি আকাশ হবে।”
অর্ণা বলে।
— “হ্যাঁ, আজও বলি,” নির্ময়ের কণ্ঠ স্থির।
অর্ণা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। তারপর বলে—
— “তবে আজ আমি বলবো—আমি তোমাকে ভালোবাসি। পুরোটা মন দিয়ে। তবে তোমার ভালোবাসায় আমি ভয় পাই।”
নির্ময় বিস্মিত হয়।
— “ভয় কেন?”
— “কারণ তুমি চাও আমাকে আগাগোড়া। আর আমি জানি, আমার কিছু অংশ আজও অন্য কোথাও আটকে আছে—আমার অতীতে, সমাজের ভয়ে… আমি সবটুকু হয়ে উঠিনি আজও।”
নির্ময় চুপ। চোখে জল এসে পড়ে। সে এগিয়ে গিয়ে অর্ণার কাঁধে হাত রাখে।
— “ভালোবাসা কোনো বাঁধা নয়, অর্ণা। এটা আশ্রয়।”
অর্ণা হেসে ফেলে, কিন্তু সেই হাসিতে বিষাদ মেশানো।
— “তুমি কবিতা লেখো, নির্ময়। তাই ভালোবাসাকে এত সহজ করে বলো। কিন্তু বাস্তবতা জানে না কবিতা।”
এক পলক চুপচাপ বসে থাকে তারা। দূরে বাঁশপাতা নড়ে, জোনাকির আলো ফুটি ফুটি করে জ্বলতে শুরু করেছে।
অর্ণা ধীরে বলে—
— “আমার এক আপনজনের হার্টের অপারেশন। শহরে যেতে হবে। থাকতে হবে কিছুদিন। আমি ঠিক জানি না কবে ফিরবো। বা আদৌ ফিরবো কিনা।”
নির্ময়ের বুকের ভিতর কেঁপে ওঠে। সে বহুদিন ধরে যা ভয় পাচ্ছিল, তা যেন আজ সত্যি হলো।
— “তোমার চলে যাওয়া মানে আমার হেরে যাওয়া। তুমি যদি না থাকো, কবিতার ভাষা শুকিয়ে যাবে আমার।”
অর্ণা চোখে চোখ রাখে।
— “তোমার কবিতা আমাকেই ধরে রাখুক। তুমি লিখো আমার জন্য, নির্ময়। যদি তোমার কলম আমার নাম ভুলে না যায়, আমি একদিন ফিরবো। যদি প্রকৃতি আমাকে ফিরিয়ে আনে।”
অর্ণা চলে যায়। নির্ময় দাঁড়িয়ে থাকে বৃষ্টির মতো নীরব সন্ধ্যায়। ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকছে, নদী বইছে, আকাশে চাঁদ উঠেছে—কিন্তু তার বুকের ভিতর এক বিষণ্ন নীরবতা।
তার জীবনের সবচেয়ে আলো ঝলমলে সন্ধ্যাটি শেষ হয়ে গেল এক অন্ধকার বার্তার মধ্যে।
সেই রাতে সে লিখে—
"তুমি চলে যাও, আমি তোমার পায়ের শব্দ শুনে
নদীর ওপারে দাঁড়িয়ে থাকবো।
তুমি ফিরলে, বাতাস বলবে আমায়,
আর আমি কবিতা হয়ে বসে থাকবো তোমার অপেক্ষায়।"
পর্ব- ৪
রাত গভীর হয়। চারপাশে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। বটগাছের পাতা আর নড়ে না, কুয়াশা নদীর ওপার ঢেকে রাখে। জোনাকির আলো ফুরিয়ে গেছে।
নির্ময় এখন একা।
অর্ণা চলে যাওয়ার পর সে আর কারো সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলে না। গ্রামের মানুষ ভাবে, শহরের ছেলে হয়তো মন কষেছে গ্রামীণ জীবনের একঘেয়েমিতে। কেউ জানে না, তার ভেতর প্রতিদিন জ্বলছে এক নিঃশব্দ আগুন—অর্ণার স্মৃতি।
তার ঘরজুড়ে ছড়িয়ে অর্ণার ছোঁয়া—একটা শুকনো ফুল, অর্ধেক লেখা কবিতা, নদীর পাড়ে পাওয়া পাথর। প্রতিটি বস্তু একেকটি পেইনটিং-এর মতো মনে করিয়ে দেয় তার অনুপস্থিতি।
প্রতিদিন সন্ধ্যায় সে যায় সেই ঢালু মাঠে। চুপ করে বসে। তার পকেটে থাকে ডায়েরি, কলম।
সে লিখে,
"তুমি কি সুখে আছো অর্ণা?
তোমার আঙুলে কি অন্য কারো হাত জড়িয়ে আছে এখন?
তোমার চোখে কি আমি একফোঁটা আবছা ছায়া হয়েও রইলাম?"
প্রতিটা দিন সে ভাবে, অর্ণা একদিন ফিরে আসবে। কিন্তু সময় যায়, মৌসুম বদলায়। গ্রীষ্ম আসে, বর্ষা আসে, শিউলি ঝরে পড়ে।
তবুও সে অপেক্ষা করে।
একদিন নদীর পাড়ে সে শোনে গ্রামের রথেশ কাকা বলছে—
— “ও অর্ণা? শুনেছি শহরে আবার বিয়ে করেছে। এক ডাক্তার সাহেব নাকি। ভালোই আছে সে।
নির্ময়ের বুকের ভিতর হাহাকার ওঠে। সে চুপ থাকে। কথা বলে না, প্রশ্ন করে না। শুধু নদীর দিকে তাকিয়ে থাকে, যেন জলের ঢেউ কিছু উত্তর দেবে তাকে।
সেই রাতে সে বসে কবিতা লেখে না। সে চুপ করে আকাশের দিকে তাকায়।
তার মনে পড়ে, অর্ণা বলেছিল—
“ভালোবাসা মানে মুক্তি, না বন্ধন?”
সেই প্রশ্নের উত্তর আজও তার কাছে নেই। কিন্তু সে জানে—
ভালোবাসা তার ভেতর থেকে যায়, চিরকাল। না পাওয়া ভালোবাসা সবচেয়ে বেশি স্থায়ী।
সে ভাবে,
“যদি অর্ণা আজ সত্যিই অন্য কারো হাত ধরে থাকে, তবুও আমি তাকে দোষ দিই না।
সে যেভাবে ভালোবেসেছিল, ততটা পায়নি কোনোদিন হয়তো। আমি শুধু কবিতায় তাকে বাঁচিয়ে রাখলাম।”
রাত আরও গভীর হয়।
নির্ময় তার বিছানায় শুয়ে পড়ে। চোখের কোণে জল জমে। ঘরের বাতাসে এখনও হালকা চামেলি ফুলের গন্ধ—যেটা অর্ণা দিয়েছিল এক দুপুরে।
শেষবার সে ডায়েরি খুলে লেখে—
“আমি অপেক্ষা করি না আর।
আমি এখন শুধু লিখি,
কারণ তুমি আমার জীবনে প্রেম ছিলে,
আর আমি তোমার জীবনে বিরহ।”
বাইরে পূর্ণিমা চাঁদ উঠেছে।
হৃদয়ে প্রেম এসেছিল ধীরে, কুয়াশার মতো। সে জমেছিল দুপুরের উত্তাপে, ভিজেছিল বৃষ্টিতে, এবং হারিয়ে গিয়েছিল সন্ধ্যার আলোছায়ায়। কিন্তু প্রেমের স্মৃতি, প্রেমের কবিতা—এরা কখনো হারায় না। তারা বেঁচে থাকে… ঠিক নির্ময়ের মতো।
নয়াদিল্লি/ইসলামাবাদ, ১০ মে:ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বহুদিনের চিরশত্রুতা ফের ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ৯ মে রাত থেকে সীমান্তে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বিমান ও ড্রোন হামলা। ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে একটি গোপন অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি। এর জবাবে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে অন্তত ২৬টি স্থানে ড্রোন ও কামান হামলা চালিয়েছে। এতে…
নয়াদিল্লি/ইসলামাবাদ, ১০ মে:
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বহুদিনের চিরশত্রুতা ফের ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ৯ মে রাত থেকে সীমান্তে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বিমান ও ড্রোন হামলা। ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে একটি গোপন অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি।
এর জবাবে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে অন্তত ২৬টি স্থানে ড্রোন ও কামান হামলা চালিয়েছে। এতে ১২ জনের প্রাণহানি ও বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুদ্ধবিমান ও স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পাশে যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
এই অবস্থায়, ভারতে অন্তত ২৫টি বিমানবন্দর এবং পাকিস্তানে ১৩টি বেসামরিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১০০টির বেশি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এধরনের সংঘর্ষ শুধু দুই দেশের নিরাপত্তার জন্যই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র:
Wikipedia: 2025 India–Pakistan strikes
Aviation A2Z: India-Pakistan Tensions Affects Flights
বর্তমান যুগে অনলাইন মিডিয়া শুধু তথ্য পাওয়ার উৎস নয়, বরং মতামত প্রকাশ, অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সংযোগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ঠিক এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে www.pothiktv.com — একটি আধুনিক ও ইন্টার্যাকটিভ নিউজ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সাধারণ পাঠকরাও হতে পারেন তথ্যযোদ্ধা। পথিকটিভি তাদের ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত একাউন্ট তৈরির সুবিধা চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত ও কাস্টমাইজড অভিজ্ঞতা দেয়। 🔑 কিভাবে একাউন্ট তৈরি করবেন? পথিকটিভির ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করতে নিচের…
বর্তমান যুগে অনলাইন মিডিয়া শুধু তথ্য পাওয়ার উৎস নয়, বরং মতামত প্রকাশ, অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সংযোগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ঠিক এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে www.pothiktv.com — একটি আধুনিক ও ইন্টার্যাকটিভ নিউজ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সাধারণ পাঠকরাও হতে পারেন তথ্যযোদ্ধা।
পথিকটিভি তাদের ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত একাউন্ট তৈরির সুবিধা চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত ও কাস্টমাইজড অভিজ্ঞতা দেয়।
পথিকটিভির ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
ব্রাউজারে যান এবং টাইপ করুন www.pothiktv.com।
হোমপেজের উপরে ডান পাশে "Sign Up" বা "Register" নামের একটি অপশন পাবেন।
নাম
ইমেইল অ্যাড্রেস
পাসওয়ার্ড
মোবাইল নম্বর (ঐচ্ছিক)
প্রোফাইল ছবি (ঐচ্ছিক)
ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক বা মোবাইলে ওটিপি আসবে, তা কনফার্ম করলেই একাউন্ট তৈরি সম্পন্ন।
সাইন আপ শেষে আপনি “Login” করে নিজস্ব ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবেন।
আপনি আপনার আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করলে আপনার নিউজ ফিডে সেই বিষয়ের কনটেন্ট বেশি দেখাবে। এটি ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী নিউজ পড়ার অভিজ্ঞতা দেয়।
রেজিস্টার্ড ইউজাররা প্রতিবেদন বা ভিডিওর নিচে মন্তব্য করতে পারবেন এবং অন্যান্য পাঠকের মতামতের উত্তরও দিতে পারবেন। এটি একটি ইন্টার্যাকটিভ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।
পছন্দের সংবাদ বা ভিডিও আপনি সেভ করে রাখতে পারবেন “Bookmark” অপশনে, যা পরে পড়ার জন্য উপযোগী।
শেয়ার বাটনের মাধ্যমে ফেসবুক, টুইটার বা হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি পাঠাতে পারবেন।
আপনি চাইলে “Submit Your News” ফিচারের মাধ্যমে নিজের এলাকার খবর, ফটো বা ভিডিও সংবাদ আকারে জমা দিতে পারবেন। পথিকটিভি টিম যাচাই করে তা প্রকাশ করতে পারে।
নতুন সংবাদ, জরুরি আপডেট বা আপনার আগ্রহের টপিকের নোটিফিকেশন আপনি তাৎক্ষণিকভাবে পুশ নোটিফিকেশন বা ইমেইলের মাধ্যমে পেতে পারেন।
অনেক প্ল্যাটফর্মের মতোই পথিকটিভি হয়তো ব্যবহারকারীদের একটিভিটির উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট বা রিওয়ার্ড দেবে—যেমন বেশি শেয়ার, মন্তব্য বা রিপোর্ট পাঠানোয় বিশেষ পুরস্কার।
আপনার পাসওয়ার্ডটি জটিল ও ইউনিক রাখুন।
সন্দেহজনক ইমেইল বা লিংকে ক্লিক করবেন না।
"Two-factor authentication" থাকলে তা সক্রিয় করুন।
পথিকটিভি শুধুমাত্র সংবাদ পড়ার জায়গা নয়, বরং এটি হয়ে উঠছে একটি সক্রিয় নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। এখানে একাউন্ট খুলে আপনি কেবল তথ্যগ্রহীতা নন, বরং তথ্যপ্রদানকারী ও মতপ্রকাশকারী একজন সক্রিয় অংশীদার হয়ে উঠতে পারেন।
তাই এখনই রেজিস্টার করে যুক্ত হোন পথিকটিভি’র সঙ্গে, এবং সত্য ও সমাজ পরিবর্তনের পথে হোন একজন ডিজিটাল পথিক।
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল টুল আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি এর অসচেতন ও অবাধ ব্যবহার বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তি যে উপকার করে, সেই প্রযুক্তিই অজ্ঞান ও অযথা ব্যবহারে হয়ে উঠছে ধ্বংসের কারণ। যুব সমাজের উপর প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব ১. আসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যহানি ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব ও গেমিং-এর…
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল টুল আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি এর অসচেতন ও অবাধ ব্যবহার বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তি যে উপকার করে, সেই প্রযুক্তিই অজ্ঞান ও অযথা ব্যবহারে হয়ে উঠছে ধ্বংসের কারণ।
ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব ও গেমিং-এর প্রতি অতিমাত্রায় আসক্তি তরুণদের মধ্যে ঘুমের সমস্যা, একাকীত্ব, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা বাড়িয়ে তুলছে। এটি পড়ালেখা ও কাজের প্রতি মনোযোগ কমিয়ে দেয়।
প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা, অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দেখা বা গেম খেলা সময়ের এক ভয়ংকর অপচয়। এটি তাদের উৎপাদনশীলতা নষ্ট করে দেয় এবং লক্ষ্যহীন করে তোলে।
তরুণরা যখন প্রযুক্তির ব্যবহারে সচেতন নয়, তখন তারা সহজেই গুজব, মিথ্যা তথ্য বা চক্রান্তমূলক কনটেন্টে বিশ্বাস করে ফেলতে পারে। এটি সমাজে বিভ্রান্তি ও বিদ্বেষ ছড়ায়।
ইন্টারনেটে সহজলভ্য পর্নোগ্রাফি, সহিংসতা বা উগ্রবাদী কনটেন্ট তরুণদের মধ্যে নৈতিক অবক্ষয় ঘটায়। কিছু যুবক সাইবার বুলিং, হ্যাকিং বা প্রতারণার মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়ে।
ঘনঘন স্ক্রিন দেখা, অস্বাস্থ্যকর বসার ভঙ্গি, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া ও একটানা মোবাইল ব্যবহারের ফলে চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, ঘাড় ও মেরুদণ্ডের ব্যথা তৈরি হয়।
তরুণদের প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখাতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ডিজিটাল লিটারেসি কোর্স চালু করা দরকার। কিভাবে গুগল থেকে তথ্য যাচাই করতে হয়, কোন অ্যাপে কতটা সময় ব্যয় করা নিরাপদ—এসব জানতে হবে।
অভিভাবকরা যেন শুধুমাত্র বকাবকি না করে, বরং প্রযুক্তি ব্যবহারে গাইড করেন। সময় নির্ধারণ, অনলাইন অ্যাক্টিভিটির উপর নজরদারি এবং অফলাইনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোতে উৎসাহ দিতে হবে।
ডিজিটাল ওয়েলবিং অ্যাপ, স্ক্রিন টাইম কন্ট্রোলার, নির্দিষ্ট সময় পর নোটিফিকেশন বন্ধ করার মতো অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
তরুণরা যেন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভিডিও এডিটিং, কোডিং, ডিজাইন, লেখালেখি বা অনলাইন শেখার কাজে যুক্ত হয়। ইউটিউব বা ফেসবুকের কনজিউমার না হয়ে তারা যেন ক্রিয়েটর হয়।
ইন্টারনেটে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায়, ব্যক্তিগত তথ্য কিভাবে গোপন রাখতে হয়—এসব বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সরকারের উদ্যোগে ও বিভিন্ন এনজিও-র মাধ্যমে নিয়মিত কর্মশালার আয়োজন জরুরি।
প্রযুক্তি একটি নিরপেক্ষ মাধ্যম—এটি আমাদের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে আবার অভিশাপও। এর ব্যবহার নির্ভর করে ব্যবহারকারীর সচেতনতার উপর। যুব সমাজকে যদি সময়মতো প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখানো যায়, তবে তারা হবে ভবিষ্যতের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং সমাজের অগ্রপথিক। তাই এখনই সময় — সতর্ক হই, সচেতন হই, প্রযুক্তিকে হোক প্রগতির হাতিয়ার।
বর্তমান বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবতায় সাংবাদিকতা একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে এসে এখন ব্যক্তি সাংবাদিকরাও হয়ে উঠছেন নিজস্ব ব্র্যান্ড। ঠিক এই জায়গা থেকেই নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে আসে। কেন সাংবাদিকদের জন্য নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম দরকার? ১. তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতা সাংবাদিকরা যখন ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করেন, তখন তারা আসলে সেই প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগোরিদম, নীতিমালা ও সেন্সরশিপের অধীন…
বর্তমান বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবতায় সাংবাদিকতা একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে এসে এখন ব্যক্তি সাংবাদিকরাও হয়ে উঠছেন নিজস্ব ব্র্যান্ড। ঠিক এই জায়গা থেকেই নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে আসে।
সাংবাদিকরা যখন ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করেন, তখন তারা আসলে সেই প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগোরিদম, নীতিমালা ও সেন্সরশিপের অধীন হয়ে যান। এক্ষেত্রে নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থাকলে তারা নিজের মত করে কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারেন — বিনা বাধায় ও স্বাধীনভাবে।
নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম একটি সাংবাদিকের পরিচয় ও গ্রহণযোগ্যতাকে প্রতিষ্ঠিত করে। একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে সংবাদ প্রকাশ করলে তা পাঠকের কাছে পেশাদার ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
ফেসবুক বা ইউটিউবের মত তৃতীয় পক্ষ প্ল্যাটফর্মে আয়ের অংশ অনেকটাই চলে যায় কোম্পানির কাছে। নিজের প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন, সাবস্ক্রিপশন বা ডোনেশন সিস্টেম চালু করলে আয়ের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে সাংবাদিকের হাতে।
নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকে সাংবাদিকরা জানতে পারেন কোন কনটেন্ট কেমন পারফর্ম করছে, কোন অঞ্চলে পাঠক বেশি, কত সময় পড়ে ইত্যাদি। এগুলো বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ কনটেন্ট আরও কার্যকরভাবে তৈরি করা সম্ভব।
বর্তমান প্রযুক্তি সাংবাদিকদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে সহজ ও সাশ্রয়ী সমাধান দিচ্ছে:
কম খরচে ও কোডিং ছাড়াই নিউজপোর্টাল, ব্লগ বা ম্যাগাজিন সাইট তৈরি করা সম্ভব। মডুলার সিস্টেমে সংবাদ প্রকাশ, সাবস্ক্রিপশন, এবং বিজ্ঞাপন সাপোর্ট পাওয়া যায়।
নিজস্ব সংবাদ অ্যাপ তৈরি করে পাঠকদের মোবাইলে পুশ নোটিফিকেশন পাঠানো যায়। Flutter বা React Native দিয়ে অল্প খরচে অ্যাপ বানানো সম্ভব।
Patreon, Ko-fi, বা নিজস্ব পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টিগ্রেট করে সাংবাদিকরা পাঠকদের কাছ থেকে স্বেচ্ছা অনুদান পেতে পারেন।
প্রতিদিনের কনটেন্ট পরিকল্পনা, শিরোনাম সাজেশন, ভাষা সম্পাদনা বা ভিডিও অটোমেশন — সবকিছুতেই এআই বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন: ChatGPT বা Grammarly-এর ব্যবহার।
নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকে অটোমেটিকভাবে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবে কনটেন্ট শেয়ার করা যায় — যা পাঠক বৃদ্ধিতে সহায়ক।
বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। প্রচারমাধ্যমে স্বাধীনতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে হলে সাংবাদিকদের নিজের ডিজিটাল ঠিকানা থাকা আবশ্যক। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন এই কাজটি আর ব্যয়সাধ্য বা জটিল নয়। বরং এটি একান্ত প্রয়োজন — নিজের কথা নিজে বলার, সত্য তুলে ধরার এবং ভবিষ্যতের সাংবাদিকতার ভিত মজবুত করার জন্য।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ভূমিকায় এসেছে বৈচিত্র্য ও প্রযুক্তিনির্ভরতা। এই পরিবর্তনের ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম হচ্ছে পথিকটিভি—যেটি বাংলাদেশের একটি উদীয়মান অনলাইন সংবাদমাধ্যম। সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও গণমানুষের পক্ষে কথা বলার অঙ্গীকার নিয়ে পথচলা শুরু করে এই প্ল্যাটফর্মটি অল্প সময়েই পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠা ও উদ্দেশ্য পথিকটিভির যাত্রা শুরু হয়েছিল স্বাধীন সাংবাদিকতার স্পৃহা থেকে। প্রচলিত মূলধারার বাইরে গিয়ে প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের বাস্তবতা প্রকাশ করতে ও তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণমূলক সংবাদ…
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ভূমিকায় এসেছে বৈচিত্র্য ও প্রযুক্তিনির্ভরতা। এই পরিবর্তনের ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম হচ্ছে পথিকটিভি—যেটি বাংলাদেশের একটি উদীয়মান অনলাইন সংবাদমাধ্যম। সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও গণমানুষের পক্ষে কথা বলার অঙ্গীকার নিয়ে পথচলা শুরু করে এই প্ল্যাটফর্মটি অল্প সময়েই পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
পথিকটিভির যাত্রা শুরু হয়েছিল স্বাধীন সাংবাদিকতার স্পৃহা থেকে। প্রচলিত মূলধারার বাইরে গিয়ে প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের বাস্তবতা প্রকাশ করতে ও তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণমূলক সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যেই গড়ে উঠেছে এই মিডিয়া।
পথিকটিভি মূলত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, সামাজিক ইস্যু, মানবাধিকার, শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনীতি, এবং তরুণদের উদ্বেগ-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এছাড়াও, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়েও তাৎক্ষণিক আপডেট, ভিডিও প্রতিবেদন ও সাক্ষাৎকার তুলে ধরে।
এই প্ল্যাটফর্মটি ওয়েবসাইট ছাড়াও ফেসবুক, ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়। পথিকটিভির ভিডিও প্রতিবেদন, সরাসরি সম্প্রচার ও ফিচার কনটেন্টগুলো একদিকে যেমন সহজবোধ্য, অন্যদিকে তেমনি প্রভাবশালী ও সাহসী।
পথিকটিভি তার সাহসী অবস্থানের কারণে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে—যেমন রাজনৈতিক চাপ, তথ্য সংগ্রহে প্রতিবন্ধকতা ও কারিগরি বাধা। কিন্তু এ সকল প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে, ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত ও পেশাদার ডিজিটাল নিউজপোর্টাল হয়ে ওঠার অভিপ্রায় তাদের রয়েছে।
সত্যের পথে নির্ভীক যাত্রা চালিয়ে যাওয়া গণমাধ্যমের সংখ্যা যখন কমে যাচ্ছে, তখন পথিকটিভির মতো উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা দেখিয়ে দিচ্ছে, প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কণ্ঠরুদ্ধ সমাজেও আলোর বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






