এইচএসসিতে ইংরেজি ও আইসিটিতেই ফেল ৩ লাখ ৮২ হাজার পরীক্ষার্থী
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুধু ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়েই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী।

Education ডেস্ক: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ন
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে বড় একটি অংশই আটকে গেছেন ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে। প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই দুটি বিষয়েই অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন পরীক্ষার্থী।
শিক্ষা বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইংরেজি বিষয়েই ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বা আইসিটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন পরীক্ষার্থী। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল বিশ্লেষণ প্রকাশ করা হয়।
এ বছর সারা দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে পাস করতে সক্ষম হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। এ বছর গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
এবারের পাসের হার বিগত ২১ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর আগে ২০০৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ২০০৪ সালের পর থেকে আর কখনো পাসের হার এতটা নিচে নামেনি বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যে উঠে এসেছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এক আয়োজনের মাধ্যমে এই ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সংবাদ সম্মেলনে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, যে শিক্ষার্থী যতটি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাঁকে কেবল সেই নির্দিষ্ট বিষয় বা বিষয়গুলোতেই পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের পুরো বছরের পড়াশোনা নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।




