PothikTV: One Account for Identity, Publishing, Learning, Work and New Opportunities ↗
PothikTV
October 4, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
September 27, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্নম্যানচেস্টার সিটির সাম্প্রতিক সাফল্য ও অর্জনের নেপথ্যে এক দীর্ঘ ও জটিল আর্থিক বিতর্কের ইতিহাস রয়েছে। ২০০৮ সালে আবু ধাবির রাজপরিবার ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কিন্তু একসময় পেছাতে থাকা এই ক্লাবটি অধিগ্রহণ করে। এর পর থেকে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্লাবটিকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। পেপ গার্দিওলার অধীনে ম্যানচেস্টার সিটি একের পর এক প্রিমিয়ার লিগ শিরোনাম এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেছে। তবে একই সময়ে ক্লাবের…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ন
ম্যানচেস্টার সিটির সাম্প্রতিক সাফল্য ও অর্জনের নেপথ্যে এক দীর্ঘ ও জটিল আর্থিক বিতর্কের ইতিহাস রয়েছে। ২০০৮ সালে আবু ধাবির রাজপরিবার ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কিন্তু একসময় পেছাতে থাকা এই ক্লাবটি অধিগ্রহণ করে। এর পর থেকে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্লাবটিকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। পেপ গার্দিওলার অধীনে ম্যানচেস্টার সিটি একের পর এক প্রিমিয়ার লিগ শিরোনাম এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেছে। তবে একই সময়ে ক্লাবের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক তদন্তও পরিচালিত হয়েছে।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে এই তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। প্রায় ছয় বছর ধরে চলা দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি লড়াইয়ের পর একটি স্বাধীন কমিশন সিটির বিরুদ্ধে শতটিরও বেশি আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ সত্য বলে চিহ্নিত করেছে। অভিযোগ রয়েছে যে ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত সিটি তাদের সঠিক আর্থিক তথ্য প্রিমিয়ার লিগের কাছে উপস্থাপন করেনি।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সিটি ক্লাবের ম্যানেজার রবার্তো মানচিনির চুক্তি এবং ২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুম পর্যন্ত খেলোয়াড়দের চুক্তির পুরো আর্থিক বিবরণ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ ছাড়া ক্লাবটি ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত উয়েফার 'ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে' (এফএফপি) এবং প্রিমিয়ার লিগের মুনাফা ও স্থায়িত্ব সংক্রান্ত নিয়মকানুন ভঙ্গ করেছে। পুরো তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গে অসহযোগিতা করার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।
এই পুরো বিতর্কের সূত্রপাত ঘটেছিল ২০১৮ সালের নভেম্বরে, যখন জার্মানির সাময়িকী 'দের স্পিগেল' ম্যানচেস্টার সিটির ভেতরের ইমেল ও কিছু নথি প্রকাশ করে দেয়। এক হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে এসব ইমেল ফাঁস হয়েছিল। প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ক্লাবের মূল মালিক শেখ মনসুরের গ্রুপ তাদের মালিকানাধীন উড়োজাহাজ সংস্থা ইত্তিহাদের স্পন্সরশিপের অধিকাংশ অর্থ নিজেদের তহবিল থেকে সরবরাহ করছিল, যা উয়েফার এফএফপি নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন।
এফএফপি বা ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নিয়মের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্লাবগুলোর অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় এবং বিশাল অঙ্কের লোকসান প্রতিরোধ করা। নিয়ম অনুযায়ী, ক্লাবগুলোকে কেবল টিকিট বিক্রি, টিভি স্বত্ব ও বাণিজ্যিক স্পন্সরশিপের মতো নিজস্ব আয় থেকে অর্থ ব্যয় করতে হয়। কিন্তু সিটির ক্ষেত্রে স্পন্সরদের মাধ্যমে মালিকপক্ষের সরাসরি বাড়তি অর্থ জোগানোর কৌশল অবলম্বন করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উয়েফা সিটিকে দুই বছরের জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে নিষিদ্ধ করে এবং জরিমানা আরোপ করে। তবে ম্যানচেস্টার সিটি স্পোর্টস আরবিট্রেশন কোর্টে (সিএএস) আপিল করলে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। যদিও তদন্তে অসহযোগিতার কারণে সিটিকে ১ কোটি ইউরো জরিমানা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
উয়েফার মামলার অবসান ঘটলেও প্রিমিয়ার লিগ নিজস্ব তদন্ত চালিয়ে যায়। লিগ কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, তারা সিটির কাছে তথ্য ও কাগজপত্র চাইলে সিটি আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই নথিপত্র প্রদান প্রতিহত করার চেষ্টা করে। ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের আদালতের এক রায়ে ফাঁস হয় যে সিটি লিগের তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চালিয়েছিল।
অবশেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রিমিয়ার লিগ আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে শতাধিক অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু সেই অভিযোগের বিচারকাজ চলাকালীন সময়েও সিটির মাঠের সাফল্য থেমে থাকেনি। ক্লাবটি টানা চারবার প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জয় করে এবং ইস্তাম্বুলে চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে।
বর্তমানে স্বাধীন কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং ক্লাবের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর সুনির্দিষ্ট রায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে ফুটবল বিশ্ব। সিটির শিরোপা কেড়ে নেওয়া হবে নাকি অন্য কোনো কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে। তবে সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে এবং তারা চাইলে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।
লেভার কাপের উদ্বোধনী দিনে টিম ওয়ার্ল্ডের বিরুদ্ধে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টিম ইউরোপ। লন্ডনের ওটু অ্যারেনায় টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে দলগতভাবে দাপট দেখানোর পাশাপাশি নজর কেড়েছেন স্প্যানিশ তারকা কার্লোস আলকারাজ। সতীর্থদের উৎসাহ দেওয়া, কৌশলগত পরামর্শ দেওয়া এবং দ্বৈত ম্যাচে জয় নিয়ে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন সাতবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী এই তারকা। দিনের অন্যতম আকর্ষণীয় একক ম্যাচে নরওয়ের ক্যাসপার রুড মুখোমুখি হন ফ্রান্সিসকো সেরুন্দোলোর। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ৬-৭ (৪), ৬-৪, ১০-৮…
লেভার কাপের উদ্বোধনী দিনে টিম ওয়ার্ল্ডের বিরুদ্ধে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টিম ইউরোপ। লন্ডনের ওটু অ্যারেনায় টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে দলগতভাবে দাপট দেখানোর পাশাপাশি নজর কেড়েছেন স্প্যানিশ তারকা কার্লোস আলকারাজ। সতীর্থদের উৎসাহ দেওয়া, কৌশলগত পরামর্শ দেওয়া এবং দ্বৈত ম্যাচে জয় নিয়ে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন সাতবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী এই তারকা।
দিনের অন্যতম আকর্ষণীয় একক ম্যাচে নরওয়ের ক্যাসপার রুড মুখোমুখি হন ফ্রান্সিসকো সেরুন্দোলোর। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ৬-৭ (৪), ৬-৪, ১০-৮ গেমে জয় তুলে নেন রুড। সাইডলাইনে বসে এই ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে চিৎকার করে রুডকে উৎসাহ যোগান আলকারাজ। ম্যাচের শেষ পয়েন্ট অর্জনের পর উল্লাসে চেয়ার থেকে নিচে গড়িয়ে পড়েন তিনি। ম্যাচে রুডকে ব্যাকহ্যান্ড ডাউন-দ্য-লাইন ও ড্রপ শট খেলার কৌশলগত পরামর্শও দেন তিনি।
একক ম্যাচের পর দ্বৈত লড়াইয়ে নামেন আলকারাজ ও ইয়াকুব মেনসিক। আলেকজান্ডার বুবলিক ও টেলর ফ্রিটজ জুটিকে ৬-৪, ৬-৪ গেমে পরাজিত করে টিম ইউরোপের জয় সুনিশ্চিত করেন তারা। ডান হাতের কবজির চোটের কারণে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত সাড়ে চার মাস কোর্টের বাইরে থাকার পর এটি ছিল আলকারাজের পুনর্বাসনের দ্বিতীয় প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউএস ওপেনে চোট কাটিয়ে ফেরার পর এটি আলকারাজের দ্বিতীয় আসর। দীর্ঘ ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরে নিজের সেরা ফর্ম খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। বছর শেষের ইন্ডোর মৌসুমটি এখনো আলকারাজের ক্যারিয়ারে অন্যতম চ্যালেঞ্জিং হিসেবে বিবেচিত হলেও বর্তমানে শারীরিক ও মানসিকভাবে ফ্রেশ থাকায় বাকি টুর্নামেন্টগুলোতে ভালো করার আশা ব্যক্ত করেছেন এই তারকা।
দিনের অন্যান্য ম্যাচের মধ্যে টিম ওয়ার্ল্ডের ব্র্যান্ডন নাকাশিমা ৬-১, ৩-৬, ১০-৭ গেমে হারিয়ে দেন টিম ইউরোপের ইয়াকুব মেনসিককে। তবে দিনের শেষভাগে একক ম্যাচে সবাইকে চমকে দেন ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ উদীয়মান তারকা রাফায়েল জোদার।
ওটু অ্যারেনায় নিজের অভিষেক ম্যাচে দুর্দান্ত সার্ভিস ও দুর্দান্ত শটের মাধ্যমে আলেকজান্ডার বুবলিককে ৬-২, ৬-৩ গেমে হারিয়ে দেন জোদার। তার এই পারফরম্যান্স ডাগআউটে থাকা দুই দলের খেলোয়াড়দেরই বিস্মিত করে। ইয়ানিক সিনারের চোটজনিত অনুপস্থিতির মধ্যে এই তরুণ স্প্যানিশ টেনিস তারকার উত্থানকে চলতি মৌসুমের অন্যতম ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম দিন শেষে ৩-১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে টিম ইউরোপ টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। টিম ইউরোপের অধিনায়ক ইয়ানিক নোয়া ও টিম হেনম্যানের পাশে আলকারাজের এই নেতৃত্বের মানসিকতা এবং তরুণ জোদারের জয় ইউরোপীয় দলকে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন২০২৭ সালের পুরুষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল। আগামী ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়েই বিশ্বকাপের এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শুরু হচ্ছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার দলের খেলোয়াড়দের প্রতি উচ্চমানের পারফরম্যান্স বজায় রাখার আহ্বান জানান মর্কেল। তিনি বলেন, দলের ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উচ্চ চাপযুক্ত পরিস্থিতিগুলোর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে এবং চাপের মুখেও সেরা খেলাটা…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
২০২৭ সালের পুরুষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল। আগামী ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়েই বিশ্বকাপের এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শুরু হচ্ছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার দলের খেলোয়াড়দের প্রতি উচ্চমানের পারফরম্যান্স বজায় রাখার আহ্বান জানান মর্কেল। তিনি বলেন, দলের ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উচ্চ চাপযুক্ত পরিস্থিতিগুলোর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে এবং চাপের মুখেও সেরা খেলাটা উপহার দিতে হবে।
মর্কেল মনে করেন, বড় টুর্নামেন্টের আগে প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজই ক্রিকেটারদের দক্ষতা প্রমাণের একটি বড় সুযোগ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে বা অ্যাওয়ে সিরিজে খেলোয়াড়দের আত্মতুষ্টিতে না ভুগে নিজেদের মান বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় দলের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্রিকেটারদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানো এবং বোলিং আক্রমণের গভীরতা পরীক্ষা করা হবে। বিশ্বমঞ্চে সাফল্য পেতে হলে দীর্ঘমেয়াদী এই ভাবনার কোনো বিকল্প নেই।
দলের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে মর্কেলের বার্তা ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার। প্রতিটি ম্যাচকেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখতে হবে এবং দলের সেটআপে যে মান নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটিকে প্রতিনিয়ত বজায় রাখতে হবে।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নতরুণ অলরাউন্ডার নীতিশ কুমার রেড্ডিকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে ভারতীয় ক্রিকেট টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের পেস-বোলিং অলরাউন্ডারের শূন্যতা পূরণে তাকে অত্যন্ত যত্নসহকারে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।ভারতের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল সম্প্রতি নীতিশ কুমার রেড্ডির সম্ভাবনা এবং সঠিক পরিচর্যার গুরুত্ব নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। মর্কেল জানান, তরুণ এই পেস-বোলিং অলরাউন্ডারের মধ্যে খেলায় অসাধারণ পারফর্ম করার মতো সব ধরনের গুণাবলী বিদ্যমান।মর্কেল আরও মনে করেন,…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
তরুণ অলরাউন্ডার নীতিশ কুমার রেড্ডিকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে ভারতীয় ক্রিকেট টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের পেস-বোলিং অলরাউন্ডারের শূন্যতা পূরণে তাকে অত্যন্ত যত্নসহকারে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
ভারতের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল সম্প্রতি নীতিশ কুমার রেড্ডির সম্ভাবনা এবং সঠিক পরিচর্যার গুরুত্ব নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। মর্কেল জানান, তরুণ এই পেস-বোলিং অলরাউন্ডারের মধ্যে খেলায় অসাধারণ পারফর্ম করার মতো সব ধরনের গুণাবলী বিদ্যমান।
মর্কেল আরও মনে করেন, নীতিশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফল করতে হলে তাকে একটি নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিতে হবে। মাঠে তার ভূমিকা কী হবে তা পরিষ্কার করার পাশাপাশি তাকে ধারাবাহিকভাবে খেলার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
কোচ মর্নে মর্কেলের মতে, ক্রিকেট মানচিত্রে একজন নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করার পর্যাপ্ত সুযোগ ও সামর্থ্য নীতিশের রয়েছে। সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে তিনি তিন বিভাগেই দলের বড় সম্পদে পরিণত হতে পারেন।
টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে, নীতিশের মতো তরুণ খেলোয়াড়দের দ্রুত হুট করে না এনে ধাপে ধাপে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। এর ফলে আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও তারা দীর্ঘমেয়াদে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হবেন।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নঅ্যামেরিকান ফুটবলের শীর্ষ লিগ ন্যাশনাল ফুটবল লিগে (এনএফএল) গোল বা টাচডাউনের পর নানা ধরনের অভিনব উদ্যাপন নতুন কিছু নয়। তবে ডালাস কাউবয়েজের টাইট এন্ড জেক ফার্গুসনের একটি উদ্যাপন তাকে আর্থিক শাস্তির মুখে ফেলেছে। ম্যাচ চলাকালীন মাঠে বিয়ার পানের ভঙ্গি করে উদ্যাপন করায় এনএফএল কর্তৃপক্ষ তাকে ১৩,৬১১ ডলার জরিমানা করেছে।ওয়াশিংটন কমান্ডার্স-এর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হওয়া ওই ম্যাচে একটি গুরুত্বপূর্ণ টাচডাউন করেন জেক ফার্গুসন। পয়েন্ট অর্জনের পর…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
অ্যামেরিকান ফুটবলের শীর্ষ লিগ ন্যাশনাল ফুটবল লিগে (এনএফএল) গোল বা টাচডাউনের পর নানা ধরনের অভিনব উদ্যাপন নতুন কিছু নয়। তবে ডালাস কাউবয়েজের টাইট এন্ড জেক ফার্গুসনের একটি উদ্যাপন তাকে আর্থিক শাস্তির মুখে ফেলেছে। ম্যাচ চলাকালীন মাঠে বিয়ার পানের ভঙ্গি করে উদ্যাপন করায় এনএফএল কর্তৃপক্ষ তাকে ১৩,৬১১ ডলার জরিমানা করেছে।
ওয়াশিংটন কমান্ডার্স-এর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হওয়া ওই ম্যাচে একটি গুরুত্বপূর্ণ টাচডাউন করেন জেক ফার্গুসন। পয়েন্ট অর্জনের পর আনন্দের আতিশয্যে তিনি গ্যালারি থেকে সমর্থকদের ছুঁড়ে দেওয়া বিয়ারের ক্যান হাতে তুলে নেওয়ার মতো বা তা পানের ভঙ্গি করে উদ্যাপন করেন। এই ধরনের উদ্যাপনকে এনএফএল-এর নিয়মকানুনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
এনএফএল কর্তাদের মতে, খেলার মাঠে এমন কোনো আচরণ বা উদ্যাপন করা যাবে না যা অনুচিত বার্তা দেয় বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে। ফার্গুসনের এই আচরণকে অখেলোয়াড়সুলভ হিসেবে চিহ্নিত করে কর্তৃপক্ষ তার ওপর নির্ধারিত অঙ্কের আর্থিক জরিমানা আরোপ করে।
তবে নির্ধারিত এই জরিমানার পরিমাণ ও শাস্তির সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি ফার্গুসন। ইতোমধ্যে তিনি এই ১৩,৬১১ ডলার জরিমানার আদেশের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল করেছেন। আপিল আবেদনে তিনি শাস্তির পুনর্বিবেচনা অথবা জরিমানার পরিমাণ কমানোর দাবি জানিয়েছেন।
খেলোয়াড়দের উদ্যাপনের মাত্রা এবং এনএফএল-এর কঠোর বিধিনিষেধ নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে প্রায়ই আলোচনা-সমালোচনা হয়। এখন দেখার বিষয়, আপিল শুনানির পর এনএফএল কর্তৃপক্ষ তাদের জারি করা জরিমানা বহাল রাখে নাকি তা কমায় বা বাতিল করে।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ননর্থওয়েস্টার্নের বিপক্ষে ম্যাচে তরুণ কোয়ার্টারব্যাক জুলিয়ান লুইস এবং কলোরাডো বাফেলোজের অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু বড় সমস্যা প্রকাশ্যে আসার পর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ ডিয়ন স্যান্ডার্স। মাঠের খেলায় লুইসের নেতৃত্বের ঘাটতি ও দলের সামগ্রিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে তিনি কলোরাডোর সাবেক দুই কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের শরণাপন্ন হয়েছেন।সাম্প্রতিক এই ম্যাচে নর্থওয়েস্টার্নের শক্ত কৌশলের সামনে বাফেলোজদের বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিশেষ করে লুইসের ওপর যে নেতৃত্বের দায়িত্ব ছিল,…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
নর্থওয়েস্টার্নের বিপক্ষে ম্যাচে তরুণ কোয়ার্টারব্যাক জুলিয়ান লুইস এবং কলোরাডো বাফেলোজের অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু বড় সমস্যা প্রকাশ্যে আসার পর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ ডিয়ন স্যান্ডার্স। মাঠের খেলায় লুইসের নেতৃত্বের ঘাটতি ও দলের সামগ্রিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে তিনি কলোরাডোর সাবেক দুই কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের শরণাপন্ন হয়েছেন।
সাম্প্রতিক এই ম্যাচে নর্থওয়েস্টার্নের শক্ত কৌশলের সামনে বাফেলোজদের বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিশেষ করে লুইসের ওপর যে নেতৃত্বের দায়িত্ব ছিল, সেখানে তিনি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন। তরুণ এই খেলোয়াড়ের দল পরিচালনার দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর ডিয়ন স্যান্ডার্স অভিজ্ঞদের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
বাফেলোজদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এবং লুইসকে নেতৃত্বের কঠিন বাস্তবতা শেখাতে তিনি দলের দুই সাবেক তারকা অ্যালফ্রেড উইলিয়ামস এবং চার্লস জনসনকে ডেকেছেন। এই দুই খেলোয়াড় অতীতে কলোরাডোর ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং মাঠের ভেতরের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে।
স্যান্ডার্স আশা করছেন, উইলিয়ামস ও জনসনের মতো কলোরাডো কিংবদন্তিদের উপস্থিতি ও পরামর্শ তরুণ কোয়ার্টারব্যাক লুইসের জন্য একটি বড় শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হবে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া দিকনির্দেশনা লুইসকে নিজের ভুল শুধরে নিতে এবং সামনের ম্যাচগুলোতে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।
নর্থওয়েস্টার্নের বিপক্ষে পরাজয় থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা কাজে লাগিয়ে কলোরাডো বাফেলোজ আগামী ম্যাচগুলোতে কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায় এবং লুইস এই অভিজ্ঞতা থেকে নিজেকে কতটা সামলে নিতে পারেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নপ্রখ্যাত স্পোর্টস ব্রডকাস্টার জো বাক ১০৮ মিলিয়ন ডলারের একটি বড় অঙ্কের চুক্তি নবায়ন করলেও ইএসপিএনে ট্রয় আইকম্যানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে। ফুটবল বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার আইকম্যানের চুক্তি সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত এখনই আসছে না বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সুপার বোল LXI সম্পন্ন হওয়ার আগে ট্রয় আইকম্যানের ইএসপিএনে থাকার বিষয়টি অমীমাংসিতই থাকতে পারে। সহকর্মী জো বাকের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হলেও আইকম্যানের চুক্তি নবায়ন…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
প্রখ্যাত স্পোর্টস ব্রডকাস্টার জো বাক ১০৮ মিলিয়ন ডলারের একটি বড় অঙ্কের চুক্তি নবায়ন করলেও ইএসপিএনে ট্রয় আইকম্যানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে। ফুটবল বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার আইকম্যানের চুক্তি সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত এখনই আসছে না বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সুপার বোল LXI সম্পন্ন হওয়ার আগে ট্রয় আইকম্যানের ইএসপিএনে থাকার বিষয়টি অমীমাংসিতই থাকতে পারে। সহকর্মী জো বাকের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হলেও আইকম্যানের চুক্তি নবায়ন বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
আমেরিকান ব্রডকাস্টিং জগতে এই জুটির ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তবে জো বাক বড় অঙ্কের চুক্তিতে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করলেও আইকম্যানের সঙ্গে নেটওয়ার্কটির আলোচনা কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন২০২৬ এশিয়ান গেমসে অ্যাথলেটিক্সের মঞ্চে ভারতের পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করতে মাঠে নামছেন দুই ভারতীয় অ্যাথলেট। নারীদের শট পুট ইভেন্টের ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দেশের মনপ্রীত কৌর এবং কৃষ্ণ জয়শঙ্কর মেনন।প্রতিযোগিতার শট পুট ফাইনালে শুরু থেকেই নজর থাকবে মনপ্রীত ও কৃষ্ণের ওপর। তারা দুজনই ভারতকে একাধিক পদক এনে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরতে মুখিয়ে আছেন।এশিয়ান গেমসের মতো বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে এ জাতীয়…
Sports ডেস্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
২০২৬ এশিয়ান গেমসে অ্যাথলেটিক্সের মঞ্চে ভারতের পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করতে মাঠে নামছেন দুই ভারতীয় অ্যাথলেট। নারীদের শট পুট ইভেন্টের ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দেশের মনপ্রীত কৌর এবং কৃষ্ণ জয়শঙ্কর মেনন।
প্রতিযোগিতার শট পুট ফাইনালে শুরু থেকেই নজর থাকবে মনপ্রীত ও কৃষ্ণের ওপর। তারা দুজনই ভারতকে একাধিক পদক এনে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরতে মুখিয়ে আছেন।
এশিয়ান গেমসের মতো বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে এ জাতীয় পদক ইভেন্টগুলো ভারতের সামগ্রিক পদক তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অ্যাথলেটিক্সে দেশের সাম্প্রতিক উন্নতির ধারা ধরে রাখতে দুই প্রতিযোগীর পারফরম্যান্সের দিকে তাকিয়ে রয়েছে পুরো দল।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






