About me
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
प्रतिष्ठा बन रही है
पेशेवर विवरण अभी उपलब्ध नहीं।
पेशेवर विवरण अभी उपलब्ध नहीं।
प्रतिष्ठा बन रही है
प्रकाशित काम उपलब्ध नहीं।
@alamgirmonder · Member
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
ইয়াছিন চৌধুরী (নিবিড়): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুন্ডা ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রকিব মিয়া ও তার পরিবার। একইসঙ্গে মামলা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানান তারা। শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টায় নাসিরনগর সদরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রকিব মিয়া অভিযোগ করেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কুন্ডা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সামছু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর চাঁদার দাবিতে ভয়ভীতি ও নির্যাতন চালিয়ে…
ইয়াছিন চৌধুরী (নিবিড়): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুন্ডা ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রকিব মিয়া ও তার পরিবার। একইসঙ্গে মামলা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানান তারা।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টায় নাসিরনগর সদরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রকিব মিয়া অভিযোগ করেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কুন্ডা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সামছু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর চাঁদার দাবিতে ভয়ভীতি ও নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি জমি কেনাকে কেন্দ্র করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে সামছু মিয়া। টাকা না দেওয়ায় গত ১৭ জুলাই রাত ১০টার দিকে সামছুর নেতৃত্বে রইছ মিয়া, শামদানী, এখলাছ, জুনায়েদসহ কয়েকজন সশস্ত্রভাবে তার ও পরিবারের ওপর হামলা চালায়। হামলায় রকিব মিয়ার হাত ভেঙে যায় এবং তার মা ও ভাইরাও আহত হন।
তিনি আরও বলেন, হামলার পর উল্টো তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করা হয় এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে ও বিএনপিকে বিতর্কিত করতে একপক্ষীয় সংবাদ পরিবেশন করানো হয়েছে। তিনি এই মামলার দ্রুত প্রত্যাহার এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মামলার বাদী রইছ মিয়া জানান, রকিব মিয়া তার ছেলের কাছে টাকা দাবি করেছিলেন এবং না দেওয়ায় হুমকি দেন। একপর্যায়ে তার ছেলেকে মারধর করে আহত করা হয়, যার ফলে তিনি বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেন। বর্তমানে তার ছেলে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান বলেন, “আমি বিষয়টি শুনেছি ও খোঁজ নিয়ে জেনেছি এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ থেকে সৃষ্ট ঘটনা। এখানে চাঁদাবাজির কোনো প্রমাণ পাইনি। এটি দলীয় কোনো বিষয় নয়।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা
মোশারফ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলাধীন কিন্ডারগার্টেন ভিত্তিক সংগঠন "বিজয়নগর কিন্ডারগার্টেন ফোরাম" এর নব-নির্বাচিত ১৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। গত সপ্তাহে দাউদপুর পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে (স্থানে: আলাদাউদপুর, আমতলী বাজার, চান্দুরা, বিজয়নগর) আয়োজিত সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়। সাধারণ সভাটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন—নাজির মিয়া কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক জনাব মো: জহুর আহম্মেদ।সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন—দাউদপুর পাবলিক…
মোশারফ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলাধীন কিন্ডারগার্টেন ভিত্তিক সংগঠন "বিজয়নগর কিন্ডারগার্টেন ফোরাম" এর নব-নির্বাচিত ১৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। গত সপ্তাহে দাউদপুর পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে (স্থানে: আলাদাউদপুর, আমতলী বাজার, চান্দুরা, বিজয়নগর) আয়োজিত সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়।
সাধারণ সভাটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন—নাজির মিয়া কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক জনাব মো: জহুর আহম্মেদ।
সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন—দাউদপুর পাবলিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (শাহেদ)।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন—গাছতলা মধুমিয়া মেমোরিয়াল কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব আব্দুস সাত্তার।
সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে—শিক্ষা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক মানোন্নয়ন, এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ।
আসছে "বিজয়নগর উপজেলা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫"
সংগঠনের নব-নির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করেছে, আগামী ডিসেম্বর মাসেই আয়োজিত হবে "বিজয়নগর উপজেলা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫"।
এ পরীক্ষায় দেশের যেকোনো জেলা বা উপজেলা থেকে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিন্ডারগার্টেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।
এই উদ্যোগকে উপজেলায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে উৎসাহ প্রদানের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খুব শিগগিরই পরীক্ষার সময়সূচি, কেন্দ্রসমূহ ও আবেদনপত্র জমাদানের বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। অনুষ্ঠানটি সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে সংগঠনটি।
বিজয়নগরের শিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে নব-নির্বাচিত এই কমিটি যাত্রা শুরু করল।
সারা দেশে চলমান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘোষিত "জুলাই পদযাত্রা"-র অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও কেন্দ্রীয় সমাবেশ।বেলা ১২টায় শহরের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করে না। এই জেলার মানুষ ফ্যাসিবাদবিরোধী ও মোদীবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এখানকার আলেম সমাজ সবসময় ইনসাফ…
সারা দেশে চলমান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘোষিত "জুলাই পদযাত্রা"-র অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও কেন্দ্রীয় সমাবেশ।
বেলা ১২টায় শহরের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করে না। এই জেলার মানুষ ফ্যাসিবাদবিরোধী ও মোদীবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এখানকার আলেম সমাজ সবসময় ইনসাফ ও ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার থেকেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া কখনো মাথা নত করেনি—প্রয়োজনে জীবন দিয়েছে, কিন্তু আপোষ করেনি।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনীম জারা এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহ্দী জানান, কেন্দ্রীয় নেতারা গতকাল বুধবার রাতে কুমিল্লায় পদযাত্রা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবেশ করেন।
আজ সকাল ১০টায় তাঁরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর সকাল ১১টায় শহরের কাউতলি এলাকায় জমায়েত হয়ে পদযাত্রা শুরু হয়।
পদযাত্রাটি টি.এ রোড, মসজিদ রোড, সড়ক বাজার, পুরাতন সিনেমা হল, কুমারশীল মোড়, রামকানাই মোড়, লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) ও সদর হাসপাতাল রোড অতিক্রম করে পৌর মুক্ত মঞ্চে এসে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা গণতন্ত্র, ন্যায়ের পক্ষে এবং দেশজুড়ে চলমান নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, “জনগণের অধিকার আদায়ে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: কালজয়ী কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্রখ্যাত কবি মহিবুর রহিম স্মরণে শোকসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান। জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম স্মরণীয় এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের খ্যাতিমান কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বগণ। আলোচনায় অংশ নেন কবি আবদুল মান্নান সরকার, কবি জয়দুল হোসেন, কবি শাহ মুহাম্মদ সানাউল হক, প্রাবন্ধিক মানবর্দ্ধন পাল, একে এম শিবলী, কবি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, কথাশিল্পী পরিমল ভৌমিক,…
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: কালজয়ী কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্রখ্যাত কবি মহিবুর রহিম স্মরণে শোকসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান। জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম স্মরণীয় এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের খ্যাতিমান কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বগণ।
আলোচনায় অংশ নেন কবি আবদুল মান্নান সরকার, কবি জয়দুল হোসেন, কবি শাহ মুহাম্মদ সানাউল হক, প্রাবন্ধিক মানবর্দ্ধন পাল, একে এম শিবলী, কবি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, কথাশিল্পী পরিমল ভৌমিক, অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম স্বপন, কবি আমির হোসেন, কবি শাদমান শাহিদ, কবি এম এ হানিফ, কবি মোসলেম উদ্দিন সাগর, কবি আবদুর রহিম, কবি মানিক রতন শর্মা, কবি মিযান আজিজ, অ্যাডভোকেট এম এ সাহিদ, কবি আবুল বাশার খাদেম, কবি শিরিন আক্তার, কবি শারমিন সুলতানা, কবি এসএম শাহনুর, কবি সৌমিক সাত্তার, কবি রুদ্র মুহম্মদ ইদ্রিস, কবি রিপন দেবনাথ, কবি গোলাম মোহাম্মদ মোস্তফা, কবি সৈম আকবর, কবি লিটন হোসাইন জিহাদ, কবি জাবেদ হোসাইন, কবি এসএম ইউনুস, কবি মাশরেকি সিপার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, কবি মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, কবি কুহিনুর আখতারসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে কবির বড় সন্তান মাহমুদ শাহ তামিম আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা উদীচীর সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, খ্যাতিমান চিকিৎসক ডা. জহিরুল হক, জেলা উদীচীর সহসভাপতি ফারুক উদ্দিন ভূইয়া, অধ্যাপক আবদুল হক আল আজাদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আমির ফারুক, সংগীতশিল্পী শাহাব উদ্দিন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সেলিম চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন ভূইয়া লিটন, স্কুল শিক্ষিকা সিরাজুম মনিরা, মাওলানা আবুল ফায়েজ, ব্যবসায়ী আফজালুর রহমান, সাংবাদিক ও “চেতনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া” সম্পাদক হারুন আল রশিদ, সাংবাদিক সোলাইমান আহমেদ
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, কবি মহিবুর রহিম ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্যচর্চার এক অনন্য মুখ। তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ ও সাহিত্যকর্ম আজও পাঠকদের অনুপ্রেরণা দেয়। তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা অপূরণীয়। তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে সাহিত্য ও মানবিকতার বাতিঘর হিসেবে আখ্যায়িত করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল কবির স্মৃতিতে এক মিনিট নীরবতা ও দোয়া মাহফিল। উপস্থিত সকলেই কবির আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর সাহিত্যচর্চা নিয়ে গবেষণার আহ্বান জানান।
রুয়ান্ডার গীতারামা কারাগার ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর ও অমানবিক দৃষ্টান্ত। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষকে সাজা দেওয়ার আড়ালে তাদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হতো। একটি রাষ্ট্র যখন তার বিচার ও বন্দিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তখন সেই সমাজ কেমন ভয়াল রূপ নিতে পারে, তার এক নির্মম উদাহরণ এই কারাগার। আফ্রিকার ছোট্ট দেশ রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল ভয়াবহ গণহত্যা, যেখানে প্রায় আট থেকে দশ লাখ মানুষ নিহত হয়…
রুয়ান্ডার গীতারামা কারাগার ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর ও অমানবিক দৃষ্টান্ত। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষকে সাজা দেওয়ার আড়ালে তাদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হতো। একটি রাষ্ট্র যখন তার বিচার ও বন্দিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তখন সেই সমাজ কেমন ভয়াল রূপ নিতে পারে, তার এক নির্মম উদাহরণ এই কারাগার। আফ্রিকার ছোট্ট দেশ রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল ভয়াবহ গণহত্যা, যেখানে প্রায় আট থেকে দশ লাখ মানুষ নিহত হয় মাত্র কয়েক মাসে। এই ভয়াল ঘটনার পর সরকার বিরোধীদের দমন করতে গিয়ে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করে জেলখানায় পুরে দেয়, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিল নিরপরাধ।
গীতারামা কারাগার মূলত ৪০০ বন্দির ধারণক্ষমতার একটি কারাগার ছিল। কিন্তু গণহত্যা-পরবর্তী সময়ে এখানে গাদাগাদি করে রাখা হয় প্রায় ৭,০০০ বন্দিকে। চারপাশে কেবল মানুষ, নড়ার জায়গা নেই, বসার সুযোগ নেই, শোয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। বন্দিরা দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হতো। দীর্ঘসময় একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে তাদের পায়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেত এবং পচন ধরত। অনেকের পা গ্যাংগ্রিনে আক্রান্ত হয়ে মাংস পচে যেতে থাকে। এইসব পঁচে যাওয়া পা অনেক সময় কেটে ফেলা হতো, কিন্তু চিকিৎসাসেবা না থাকায় আক্রান্ত কয়েদির মৃত্যু ঘটে যেত খুব শিগগিরই। এভাবে প্রতিদিন গীতারামা কারাগারে মানুষ মারা যেত, আর মৃতদেহগুলো দীর্ঘসময় পড়ে থাকত, সেগুলো সঠিকভাবে দাফন করার সুযোগও মিলত না।
খাবারের অভাব ছিল ভয়াবহ। দিনে মাত্র একবার খাবার দেওয়া হতো, যা সংখ্যার তুলনায় ছিল নগণ্য। বন্দিরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিন কাটাত, এবং দুর্বলতা ও অপুষ্টিতে অসংখ্য মানুষ মৃত্যুবরণ করত। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠে যে, বেঁচে থাকার তাগিদে কিছু কয়েদি মৃতদেহের মাংস খাওয়া শুরু করে। কেউ কেউ জীবিত সহবন্দির শরীর থেকেও মাংস কেটে খেয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এটি ইতিহাসের এক অন্ধকারতম ও বিভীষিকাময় চিত্র, যেখানে সভ্য সমাজের চেহারা আর পশুত্বের মাঝে কোনো ফারাক থাকেনি।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা প্রথম বিশ্ববাসীর সামনে আসে ১৯৯৫ সালে, যখন এক ফরাসি চিত্রসাংবাদিক গোপনে গীতারামার ভেতরের ছবি তোলেন। সেই ছবি ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। Amnesty International, Human Rights Watch, Red Cross—সবাই একে বিশ্বের সবচেয়ে অমানবিক ও ভয়ানক কারাগার হিসেবে চিহ্নিত করে। জাতিসংঘও রুয়ান্ডা সরকারকে চাপ দেয় এই কারাগারের পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য।
পরে রুয়ান্ডা সরকার কারা সংস্কারে উদ্যোগ নেয় এবং গীতারামা কারাগারের নাম বদলে রাখা হয় ‘Muhanga Prison’। নতুন করে কারাগার সংস্কার, অতিরিক্ত বন্দিদের স্থানান্তর এবং বিচার ব্যবস্থায় গতি আনার মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করা হয়। তবে ইতিহাসে গীতারামার সেই অন্ধকার অধ্যায় মুছে যায়নি। এটি আজও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের সাক্ষ্য হয়ে রয়েছে।
গীতারামা কারাগার আমাদের মনে করিয়ে দেয়—বিচারহীনতা, অব্যবস্থা ও যুদ্ধোত্তর প্রতিশোধ মানুষকে কোথায় নামিয়ে দিতে পারে। এটি শুধুই একটি কারাগারের গল্প নয়, এটি এক জাতির ব্যর্থতার দলিল। রাষ্ট্র যখন তার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, যখন ন্যায়বিচার প্রতিহিংসার কাছে পরাজিত হয়, তখন গীতারামার মতো একেকটি মৃত্যুর কূপ তৈরি হয় সমাজের ভেতরে। এই ভয়াল ইতিহাস আমাদের সতর্ক করে দেয়—মানবতা যেন কোনো দিন আর এমন নির্লজ্জ পরিণতির মুখোমুখি না হয়।
দূর দক্ষিণে, পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বিশাল সাদা বরফের সাম্রাজ্য—অ্যান্টার্কটিকা। চারদিকে তুষার, নিঃসঙ্গতা আর তীব্র শীতলতা। এই সাদা পৃথিবীর বুকে হঠাৎ যদি দেখা যায় এক ধারা লাল রঙের রক্ত ঝরছে, তখন সেটা নিশ্চয়ই কল্পনার মতো শোনায়। কিন্তু বাস্তবেই অ্যান্টার্কটিকার বুকেই আছে এমন এক অদ্ভুত প্রাকৃতিক দৃশ্য—যেটির নাম ব্লাড ফলস বা “রক্ত ঝর্ণা”। এই রহস্যময় ঝর্ণাটি অবস্থিত টেইলর গ্লেসিয়ার-এ, অ্যান্টার্কটিকার ম্যাকমার্ডো ড্রাই ভ্যালি অঞ্চলে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বরফের…
দূর দক্ষিণে, পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বিশাল সাদা বরফের সাম্রাজ্য—অ্যান্টার্কটিকা। চারদিকে তুষার, নিঃসঙ্গতা আর তীব্র শীতলতা। এই সাদা পৃথিবীর বুকে হঠাৎ যদি দেখা যায় এক ধারা লাল রঙের রক্ত ঝরছে, তখন সেটা নিশ্চয়ই কল্পনার মতো শোনায়। কিন্তু বাস্তবেই অ্যান্টার্কটিকার বুকেই আছে এমন এক অদ্ভুত প্রাকৃতিক দৃশ্য—যেটির নাম ব্লাড ফলস বা “রক্ত ঝর্ণা”।
এই রহস্যময় ঝর্ণাটি অবস্থিত টেইলর গ্লেসিয়ার-এ, অ্যান্টার্কটিকার ম্যাকমার্ডো ড্রাই ভ্যালি অঞ্চলে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বরফের শরীর চিরে যেন রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। লাল রঙের সেই তরল ধারা যেন এক চুপচাপ আতঙ্ক, আবার এক প্রাকৃতিক বিস্ময়।
ব্লাড ফলসের লাল রঙ আসলে রক্ত নয়—এটি এক ধরণের আয়রনসমৃদ্ধ লবণাক্ত পানি। এই পানির উৎস একটি প্রাচীন হ্রদ, যা প্রায় ২০ লাখ বছর ধরে বরফের গভীরে আটকে আছে। ওই হ্রদের পানিতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ আয়রন। যখন এই আয়রনসমৃদ্ধ পানি বরফ চিরে উপরে উঠে আসে এবং বাতাসের সংস্পর্শে পড়ে, তখন এর মধ্যে থাকা ফেরাস আয়রন (Fe²⁺) অক্সিজেনের সাথে প্রতিক্রিয়া করে হয়ে যায় ফেরিক আয়রন (Fe³⁺)। এর ফলে গঠিত হয় আয়রন অক্সাইড, যেটি দেখতে অনেকটা জংধরা লোহা কিংবা রক্তের মতো লালচে।
এই প্রক্রিয়াটাই ব্লাড ফলসকে দেয় তার রহস্যময় রক্তরঙা চেহারা।
বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে ব্লাড ফলসের নিচের হ্রদে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ব্যাকটেরিয়াদের অস্তিত্ব। এই হ্রদে নেই কোনো সূর্যালোক, নেই অক্সিজেন—তবুও সেখানে প্রাণ আছে! এই ব্যাকটেরিয়ারা হাজার হাজার বছর ধরে লবণাক্ত, অন্ধকার, বদ্ধ পরিবেশে বেঁচে আছে। তারা সূর্যের আলো ব্যবহার না করে আয়রন ও সালফেটের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। একে বলে chemosynthesis—এমন এক প্রক্রিয়া যা আমাদের পরিচিত জীবনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে।
ব্লাড ফলস শুধু অ্যান্টার্কটিকার একটি দৃশ্য নয়—এটি বৈজ্ঞানিকদের কাছে একটি জীবনের সম্ভাবনার জানালা। অনেক গবেষক মনে করেন, যেহেতু পৃথিবীর এমন প্রতিকূল পরিবেশেও জীবন আছে, তাই হয়তো মঙ্গল গ্রহ বা বৃহস্পতির বরফাবৃত উপগ্রহ ইউরোপা-তেও জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।
এই ব্যাকটেরিয়ারা যেভাবে আলো ও অক্সিজেন ছাড়াই টিকে আছে, সেভাবে হয়তো আমাদের অজানা কোনো গ্রহেও এমন প্রাণ লুকিয়ে আছে বরফের নিচে।
ব্লাড ফলস প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯১১ সালে, জিওলজিস্ট গ্রিফিথ টেইলর-এর অভিযানের সময়। এরপর থেকেই এটি গবেষকদের কাছে ছিল এক রহস্য। বর্তমানে NASA, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক গবেষকরা এখানে কাজ করছেন, সাবগ্লেসিয়াল হ্রদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন, রোবট পাঠাচ্ছেন, আর খুঁজে ফিরছেন জীবনের সূক্ষ্মতম ইঙ্গিত।
ব্লাড ফলস আমাদের শেখায়, প্রকৃতি কখনোই সাধারণ নয়। তার বুকের ভাঁজে লুকিয়ে আছে হাজারো রহস্য, অজানা গল্প। কখনো বরফের নিচে ঘুমিয়ে থাকা লাল হ্রদে, আবার কখনো আলোহীন জগতের ব্যাকটেরিয়ার প্রাণে। এই ঝর্ণা আমাদের চোখ খুলে দেয়—জীবন আসলে কত বিস্ময়কর, আর কতটা বৈচিত্র্যময়।
প্রকৃতির প্রতিটি বিন্দু এক একটি গল্প। ব্লাড ফলস সেইসব গল্পের একটি—যেখানে বিজ্ঞান, বিস্ময় ও সৌন্দর্য একসাথে মিশে আছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রিসের নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘কিমন’ বর্তমানে ফ্রান্সের উপকূলে সমুদ্র পরীক্ষায় রয়েছে। এটি গ্রিসের প্রথম FDI HN মাল্টি-মিশন ফ্রিগেট, যা প্রযুক্তির দিক থেকে অত্যাধুনিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত। এই জাহাজটি যুদ্ধের পাশাপাশি নজরদারি, সুরক্ষা ও সমুদ্র প্রতিরক্ষা কাজেও ব্যবহৃত হবে। জাহাজটি ১২২ মিটার লম্বা এবং ওজন ৪,৫০০ টন। ফ্রান্সের ব্রিটানি উপকূলে জুলাই মাসে এর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে তিন সপ্তাহ। এর আগে জুনে একদিনের প্রথম ধাপের…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রিসের নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘কিমন’ বর্তমানে ফ্রান্সের উপকূলে সমুদ্র পরীক্ষায় রয়েছে। এটি গ্রিসের প্রথম FDI HN মাল্টি-মিশন ফ্রিগেট, যা প্রযুক্তির দিক থেকে অত্যাধুনিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত। এই জাহাজটি যুদ্ধের পাশাপাশি নজরদারি, সুরক্ষা ও সমুদ্র প্রতিরক্ষা কাজেও ব্যবহৃত হবে।
জাহাজটি ১২২ মিটার লম্বা এবং ওজন ৪,৫০০ টন। ফ্রান্সের ব্রিটানি উপকূলে জুলাই মাসে এর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে তিন সপ্তাহ। এর আগে জুনে একদিনের প্রথম ধাপের পরীক্ষা শেষ হয়।
এই পরীক্ষায় রাডার, কমিউনিকেশন, নেভিগেশন, যুদ্ধ সরঞ্জামসহ সবকিছু ভালোভাবে কাজ করছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। পরীক্ষায় গ্রিক নৌবাহিনীর সদস্য, ফরাসি প্রযুক্তিবিদ এবং জাহাজ নির্মাতা কোম্পানির লোকজন অংশ নিচ্ছেন।
বর্তমানে জাহাজে ৪৮ জন কাজ করছেন, তবে সেপ্টেম্বর থেকে এটি ১২৮ জনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। ডিসেম্বর মাসে জাহাজটি ফ্রান্সের ব্রেস্ট বন্দরে যাবে অস্ত্র সংযোজনের জন্য। এরপর ২০২৫ সালের শেষ দিকে এটি গ্রিসের নৌঘাঁটি সালামিস-এ পাঠানো হবে।
এই পরীক্ষার ফলাফল দেখে গ্রিসের আরও দুইটি যুদ্ধজাহাজ—‘নিয়ারকোস’ ও ‘ফোরমিয়ন’-এর উন্নয়ন কাজ সহজ হবে। এই নতুন ফ্রিগেটগুলো গ্রিক নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে
ভারতে হিজড়ার বেশ ধারণ করে দীর্ঘ ২৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল কালাম। তিনি ভোপালে ‘নেহা কুমারী’ নামে পরিচিত ছিলেন। অনুপ্রবেশকারীদের সন্ধানে গত কয়েক দিন ধরে অভিযান চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। ওই অভিযানেই ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে ধরা পড়েন নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী।’ জানা যায়, ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী’-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকে রূপান্তরিত…
ভারতে হিজড়ার বেশ ধারণ করে দীর্ঘ ২৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল কালাম। তিনি ভোপালে ‘নেহা কুমারী’ নামে পরিচিত ছিলেন।
অনুপ্রবেশকারীদের সন্ধানে গত কয়েক দিন ধরে অভিযান চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ।
ওই অভিযানেই ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে ধরা পড়েন নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী।’
জানা যায়, ভোপালের বুদ্ধওয়ড়া এলাকা থেকে নেহা নামে এক ‘রূপান্তরিত নারী’-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকে রূপান্তরিত বলা হলেও পুলিশের দাবি, তিনি রূপান্তরিত নন, তিনি চিকিৎসার মাধ্যমে লিঙ্গও পরিবর্তন করেননি। তিনি পুরুষ ছিলেন, পুরুষই আছেন।
তবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে নিজেকে আড়ালের জন্য রূপান্তরিত নারীর বেশ ধরে বসবাস করছিলেন।
ভারতীয় পুলিশ জানায়, আব্দুল কালাম ১০ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। তিনি মুম্বাইতে প্রায় ২০ বছর অবস্থান করেন। এরপর চলে যান মধ্যপ্রদেশের ভোপালে।
সেখানে গত আট বছর ধরে নারী সেজে স্থানীয়দের মধ্যে ‘নেহা’ নামে পরিচিতি পান। সন্দেহ এড়াতে তিনি নিজেকে একজন হিজড়া বলে পরিচয় দিতেন।
নিজের পরিচয় আড়ালের জন্য ভুয়া আধার কার্ড, ভোটার আইডি এবং পাসপোর্টসহ একাধিক জাল কাগজপত্র তৈরি করেন তিনি। এসব নথি ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার বাংলাদেশে যাতায়াত করেছেন বলেও জানায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি তালাইয়া থানায় ৩০ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন
তিনি কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ভোপাল পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তা শালিনী দীক্ষিত বলেন, ‘আব্দুল কালামের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই পুরো অভিযানের বিষয়ে কড়া গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়।’
সূত্র : আনন্দবাজার
Published newsroom dispatches by alamgir.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: alamgir
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.
