জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
प्रतिष्ठा बन रही है
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
प्रतिष्ठा बन रही है
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
Education ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্নপ্রযুক্তির ভিড়ে বই পড়ার অভ্যাসে যে চরম মন্দা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে তুলতে এক অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। নাগরিকদের বই পড়ার দিকে আবার ফিরিয়ে আনতে সরাসরি নগদ টাকা দেওয়ার একটি সরকারি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে নাগরিকেরা একটি সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেদের বই পড়ার সময় নথিভুক্ত বা লগইন করে নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ অর্থ পুরস্কার হিসেবে উপার্জন করতে পারবেন।সিঙ্গাপুরের এই প্রকল্পের আওতায়…
Education ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
প্রযুক্তির ভিড়ে বই পড়ার অভ্যাসে যে চরম মন্দা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে তুলতে এক অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। নাগরিকদের বই পড়ার দিকে আবার ফিরিয়ে আনতে সরাসরি নগদ টাকা দেওয়ার একটি সরকারি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে নাগরিকেরা একটি সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেদের বই পড়ার সময় নথিভুক্ত বা লগইন করে নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ অর্থ পুরস্কার হিসেবে উপার্জন করতে পারবেন।
সিঙ্গাপুরের এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ১৫ মিনিটের অন্তত ৫০টি সেশন বই পড়ে লগইন করলে একজন নাগরিক ১ সিঙ্গাপুরি ডলার (যা প্রায় ০.৫৯ ব্রিটিশ পাউন্ডের সমপরিমাণ) পাবেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি দিনে কেবল একটি পড়ার সেশনই নথিভুক্ত করার সুযোগ পাবেন। উপার্জনের হিসাবটি খুব বড় অঙ্কের না হলেও পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আচরণ বিজ্ঞানীরা।
প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে লেখা 'দ্য অ্যানশাস জেনারেশন' বইয়ের লেখক জোনাথন হাইট জানান, শিশুরা পুরস্কারের প্রতি বেশ সংবেদনশীল এবং অনেকে অর্থের বিনিময়ে প্রেষণা পায়। তাই এই ধরনের উদ্যোগ তরুণদের মাঝে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যদি পাঠকেরা বই পড়ার মূল আনন্দটি খুঁজে পান, তবে নগদ টাকা দেওয়া বন্ধ হয়ে গেলেও তাদের এই অভ্যাস স্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির সহযোগী অধ্যাপক লোরি বারিল এ বিষয়ে বলেন, যেকোনো কাজ ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়। তবে অর্থের বিনিময়ে পড়তে গেলে অনেকের মনে হতে পারে তারা কেবল বাহ্যিক পুরস্কারের জন্যই পড়ছেন। সেক্ষেত্রে অর্থের প্রণোদনা বন্ধ হলে পড়াও বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আসল দেখার বিষয় হলো, আর্থিক পুরস্কার উঠে যাওয়ার পরও মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বজায় থাকে কি না।
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের আচরণগত মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক আইভো ভ্লায়েভ উল্লেখ করেন, আচরণ বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো প্রণোদনা সবসময় কেবল আর্থিক মূল্যের ওপর নির্ভর করে কাজ করে না। মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর পর এক ডলার পাওয়া কোনো বড় অর্থ নয়, তাই এটিকে প্রচলিত আয়ের দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখলে চলবে না। এটি মূলত একটি উদ্দীপক বা ট্রিগার হিসেবে কাজ করে।
অধ্যাপক ভ্লায়েভ আরও জানান, পড়ার সময় লগইন করার পর পয়েন্ট জমা হতে দেখলে পাঠকেরা তাৎক্ষণিক একটি স্বীকৃতি অনুভব করেন। এতে লক্ষ্য অর্জনের তাগিদ তৈরি হয়। আর একবার পড়া শুরু করার পর বইয়ের ভেতরের নিজস্ব আনন্দ বা স্বাতন্ত্র্য পাঠককে ধরে রাখে। মূলত সোশ্যাল মিডিয়ার তাৎক্ষণিক ডোপামিন পাওয়ার প্রবণতাকে টেক্কা দিতেই এই তাৎক্ষণিক মেথড ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিহেভিয়ারাল ইনসাইটস টিমের শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক প্যাট্রিক টেলর এই উদ্যোগের গেমিফাইড বা পয়েন্টভিত্তিক পদ্ধতির প্রশংসা করেছেন। দিনে মাত্র ১৫ মিনিটের সহজ লক্ষ্য, যা যাতায়াত বা ঘুমানোর আগের সময়ের সাথে মিলিয়ে করা সম্ভব, মানুষকে অভ্যাসে ধরে রাখতে বেশি সাহায্য করবে বলে তিনি মনে করেন। পেন্সিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্টন বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক ক্যাটি মিলকম্যান এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই উদ্যোগগুলোকে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালনা করে দেখা উচিত কোনো পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে।
Health ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্নযুক্তরাজ্যে স্কুলের খাবারের মান নির্ধারণে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। দীর্ঘ এক দশক পর বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তবভিত্তিক নতুন এই মানদণ্ড প্রকাশ করা হলো। এই উদ্যোগকে শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিখ্যাত ব্রিটিশ শেফ এবং খাদ্য সংস্কার আন্দোলনের প্রচারক জ্যামি অলিভার।জ্যামি অলিভার জানান, ২০ বছরেরও বেশি সময় আগে যখন তিনি 'স্কুল ডিনারস' নামের প্রচারণা ও টেলিভিশন ধারাবাহিক শুরু…
Health ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
যুক্তরাজ্যে স্কুলের খাবারের মান নির্ধারণে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। দীর্ঘ এক দশক পর বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তবভিত্তিক নতুন এই মানদণ্ড প্রকাশ করা হলো। এই উদ্যোগকে শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিখ্যাত ব্রিটিশ শেফ এবং খাদ্য সংস্কার আন্দোলনের প্রচারক জ্যামি অলিভার।
জ্যামি অলিভার জানান, ২০ বছরেরও বেশি সময় আগে যখন তিনি 'স্কুল ডিনারস' নামের প্রচারণা ও টেলিভিশন ধারাবাহিক শুরু করেছিলেন, তখন কুকুরের খাবারের মান নির্ধারিত থাকলেও শিশুদের স্কুলের খাবারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড ছিল না। নতুন এই নীতিমালার ফলে ইংল্যান্ডের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে আরও বেশি শাকসবজি, ফলমূল, আঁশযুক্ত প্রোটিন এবং হোল গ্রেইন বা পূর্ণ শস্যভিত্তিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সুযোগ পাবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় খাতের শিক্ষার্থীরা বছরে প্রায় ১৯০ দিন স্কুলে সময় কাটায়। সেখানে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার খেলে তাদের দৈনিক গৃহীত খাদ্যের বড় অংশই নির্ভর করে স্কুলের ওপর। বর্তমানে শিশুরা সুপারিশকৃত পরিমাণের চেয়ে অর্ধেকেরও কম শাকসবজি ও ফলমূল খায়, কিন্তু দ্বিগুণ পরিমাণ চিনি গ্রহণ করে। ফলে স্কুলে পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা হলে শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।
শিক্ষকদের তথ্যানুযায়ী, দুপুরের খাবার ও বিরতির সময়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অশান্ত আচরণ করতে পারে বলে ৮০ শতাংশ শিক্ষক একমত প্রকাশ করেছেন। এছাড়া ৮৫ শতাংশ শিক্ষক মনে করেন, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতার ওপর খাদ্যাভ্যাসের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। পুষ্টিকর খাবার খেলে শিশুদের মেজাজ ভালো থাকে, শক্তি বাড়ে এবং অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতি কমে আসে।
অপুষ্টি ও স্থূলতাজনিত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে প্রতি বছর প্রায় ১২৬ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ হয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বোর্নমাথের শেফ রাসের উদাহরণ টেনে অলিভার জানান, একটি ছোট রান্নাঘর থেকেও খাবারের মান বদলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের খাবার গ্রহণের হার ২৮ শতাংশ থেকে ৯৮ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।
নতুন মানদণ্ডগুলো যাতে কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য যথাযথ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি 'স্কুল ফুড প্রজেক্ট'-এর আওতায় বাইট ব্যাক, শেফস ইন স্কুলস, স্কুল ফুড ম্যাটার্স এবং ফুড ফাউন্ডেশনের মতো সংস্থাসমূহ একত্রে কাজ করছে। তবে শুধু ভালো খাবার পরিবেশনই যথেষ্ট নয়, শিশুদের রান্নার মৌলিক কৌশল শেখানোও অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন অলিভার, যা তাদের সারা জীবনের জন্য সুস্থ থাকার দক্ষতা জোগাবে।
Education ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ননিজের অটিস্টিক সন্তানদের সঠিক মূল্যায়ন ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত লড়াইয়ের পর নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুদের সহায়তায় যুক্তরাজ্যের কেন্টে একটি বিশেষায়িত সেন্টার চালু করেছেন জনপ্রিয় র্যাপার গিগস। ৪৫ বছর বয়সী লন্ডনের এই সংগীতশিল্পী ওএমজি ফাউন্ডেশন নামে একটি শিক্ষাবিষয়ক দাতব্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কেন্টের গ্রেভসেন্ডে ‘সেন্ট জেমস হাউস’ নামের এই সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করেন।প্রতিষ্ঠানটি মূলত বিশেষ শিক্ষাগত চাহিদা ও প্রতিবন্ধকতা (সেন্ড) থাকা শিক্ষার্থী এবং বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন এমন…
Education ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ন
নিজের অটিস্টিক সন্তানদের সঠিক মূল্যায়ন ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত লড়াইয়ের পর নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুদের সহায়তায় যুক্তরাজ্যের কেন্টে একটি বিশেষায়িত সেন্টার চালু করেছেন জনপ্রিয় র্যাপার গিগস। ৪৫ বছর বয়সী লন্ডনের এই সংগীতশিল্পী ওএমজি ফাউন্ডেশন নামে একটি শিক্ষাবিষয়ক দাতব্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কেন্টের গ্রেভসেন্ডে ‘সেন্ট জেমস হাউস’ নামের এই সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠানটি মূলত বিশেষ শিক্ষাগত চাহিদা ও প্রতিবন্ধকতা (সেন্ড) থাকা শিক্ষার্থী এবং বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন এমন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সেবা দেবে। সম্প্রতি গিগস এবং তার বাগদত্তা ভ্যালেরির ঘরে কন্যাশিশু নোয়ার জন্ম হয়। ওই নিউ জার্সি হাসপাতালের প্রসূতি কক্ষ থেকেই তিনি এই প্রজেক্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সরাসরি লাইভস্ট্রিমে যুক্ত হন। এর পরপরই তিনি যুক্তরাজ্যে ফিরে টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়ামে জে-জি-র সঙ্গে পারফর্ম করার পাশাপাশি নতুন এই সেন্টারের কার্যক্রম দেখতে যান।
গিগসের চার সন্তানের মধ্যে বড় তিন সন্তানই অটিস্টিক। তার সাত বছর বয়সী ছেলে ইসরায়েলের সঠিক রোগ নির্ণয় এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘ ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এই জটিলতা ও অব্যবস্থাপনা দেখে তিনি নিজে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। বড় ছেলে র্যাপার এমএল তরুণ বয়সে অটিজম চিহ্নিত হওয়ার পর, গিগস নিজেও নিজের অটিজম সম্পর্কে জানতে পারেন। পরবর্তীতে সন্তানদের এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড কেয়ার প্ল্যান (ইএইচসিপি) ও অন্যান্য মূল্যায়নের জন্য তাকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়।
প্রচলিত সেন্ড ব্যবস্থার নানা ত্রুটি নিয়ে সোচ্চার হওয়ার পর গিগসের ছেলে ইএইচসিপি সুবিধা পায়। তবে বেশিরভাগ সাধারণ অভিভাবকের পক্ষে এই জটিল ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। এমনকি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে এই সেন্ড ব্যবস্থাটি একপ্রকার ভেঙে পড়েছে এবং এতে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।
ওএমজি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী জামাল মিয়া এবং গিগস দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। গ্রেভসেন্ড এলাকায় সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সুবিধার্থে তারা এই উদ্যোগ নেন। গিগসের বিশেষ অনুরোধে এই স্কুলের সঙ্গে একটি অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার যুক্ত করা হয়েছে, যাতে অভিভাবকরা সহজে সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ইএইচসিপি মূল্যায়ন পেতে পারেন।
সেন্ট জেমস হাউসের এই মূল্যায়ন সেন্টারটি চলতি মাসেই চালু হয়েছে। এখানে শিক্ষাবিষয়ক মনস্তত্ত্ববিদ, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট এবং স্পিচ-অ্যান্ড-ল্যাঙ্গুয়েজ বিশেষজ্ঞরা নিয়োজিত থাকবেন। অন্যদিকে মূল স্কুলটি আগামী জানুয়ারিতে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সেন্টারের নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিউরোডাইভারজেন্ট শিক্ষার বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেস আকিন্ডে।
সেন্টারটির কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় ৯ লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড তহবিলের সিংহভাগই ইতোমধ্যেই সংগৃহীত হয়েছে। এর পেছনে ড্যামিয়েন হার্স্ট, স্টিফেন ফ্রাই, এড শিরান, রবি উইলিয়ামস এবং জাদুকর ডায়নামোর মতো তারকারা দাতব্য নিলামে সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। গিগসের আশা, এই স্কুলের মাধ্যমে অটিস্টিক ও এডিএইচডি আক্রান্ত শিশুরা নিজেদের মেধা ও সুপ্ত প্রতিভা বুঝতে পারবে।
Lifestyle ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্নঅস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব কুইন্সল্যান্ডের কারুম্বিন সৈকত আবারও পরিণত হয়েছে এক বিশাল উন্মুক্ত শিল্প গ্যালারিতে। প্রতি বছরের মতো এবারও সেখানে আয়োজিত হয়েছে 'সোয়েল ভাস্কর্য উৎসব ২০২৬'। এই আয়োজনের মাধ্যমে পুরো সৈকত এলাকা জুড়ে ভাস্কর্য ও শিল্পকর্মের এক অনন্য প্রদর্শনী গড়ে উঠেছে।চলতি বছর এই জনপ্রিয় আউটডোর প্রদর্শনীটি ২৪তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এই মুক্তাঙ্গন প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক…
Lifestyle ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব কুইন্সল্যান্ডের কারুম্বিন সৈকত আবারও পরিণত হয়েছে এক বিশাল উন্মুক্ত শিল্প গ্যালারিতে। প্রতি বছরের মতো এবারও সেখানে আয়োজিত হয়েছে 'সোয়েল ভাস্কর্য উৎসব ২০২৬'। এই আয়োজনের মাধ্যমে পুরো সৈকত এলাকা জুড়ে ভাস্কর্য ও শিল্পকর্মের এক অনন্য প্রদর্শনী গড়ে উঠেছে।
চলতি বছর এই জনপ্রিয় আউটডোর প্রদর্শনীটি ২৪তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এই মুক্তাঙ্গন প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক শিল্পীদের বৈচিত্র্যময় সৃষ্টি দেখতে সৈকতে ভিড় জমাচ্ছেন অসংখ্য শিল্পপ্রেমী।
এবারের প্রদর্শনীতে প্রায় ১০০টি বিশাল আকারের ভাস্কর্য ও শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মিল রেখে তৈরি এসব শিল্পকর্ম দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন থিম ও সামাজিক বার্তা নিয়ে নির্মিত এসব ভাস্কর্য প্রদর্শনীর মূল আকর্ষণ।
উৎসবে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন খ্যাতনামা শিল্পী পেট্রিসিয়া পিচ্চিনিনি। তার তৈরি একটি ব্রোঞ্জ ভাস্কর্য 'স্যালুট টু দ্য সান' প্রদর্শনীতে নজর কাড়ছে। এই অনন্য ভাস্কর্যটিতে হরিণ, গাছ, ছত্রাক, মানুষ এবং মোটরসাইকেলের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ ও রূপান্তর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যের মধ্যে রয়েছে সাগরের বুকে ভাসমান অসংখ্য হাতের অবয়ব, বিশালাকার 'লাইফসেভার-সরাস' এবং গলে যাওয়া রোবটের ভাস্কর্য। প্রতিটি শিল্পকর্মই সমুদ্রের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
আগামী রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য এই উৎসব ও ভাস্কর্য প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে। আয়োজকরা আশা করছেন, শেষ দিনগুলোতে আরও বিপুল সংখ্যক দর্শক কারুম্বিনের এই মুক্ত শিল্প গ্যালারি উপভোগ করতে আসবেন।
Entertainment ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্নপ্রখ্যাত সুরকার উলফগ্যাং আমাদিউস মোজার্টের সুর কেন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শ্রোতাদের কাছে এতটা আলাদা ও আকর্ষণীয়, তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী মার্কিন শিক্ষার্থী লাইনেস চেন-প্লটকিন। তিনি ডেটা বা উপাত্ত ও গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে মোজার্টের সুরের গতিবিধি অন্য যেকোনো সুরকারের চেয়ে কম অনুমানযোগ্য।ফিলাদেলফিয়ার এই শিক্ষার্থী হেইডন, বিথোভেন ও শুবার্টের মতো অন্যান্য বিখ্যাত সুরকারদের সুরের সাথে মোজার্টের সংগীতের তুলনা করেছেন। গবেষণার…
Entertainment ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
প্রখ্যাত সুরকার উলফগ্যাং আমাদিউস মোজার্টের সুর কেন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শ্রোতাদের কাছে এতটা আলাদা ও আকর্ষণীয়, তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী মার্কিন শিক্ষার্থী লাইনেস চেন-প্লটকিন। তিনি ডেটা বা উপাত্ত ও গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে মোজার্টের সুরের গতিবিধি অন্য যেকোনো সুরকারের চেয়ে কম অনুমানযোগ্য।
ফিলাদেলফিয়ার এই শিক্ষার্থী হেইডন, বিথোভেন ও শুবার্টের মতো অন্যান্য বিখ্যাত সুরকারদের সুরের সাথে মোজার্টের সংগীতের তুলনা করেছেন। গবেষণার জন্য তিনি এই চার সুরকারের পিয়ানো সোনাটা ও স্ট্রিং কোয়ার্টেটের ৬০০টি মুভমেন্ট বিশ্লেষণ করেন। এই বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তিনি নিজের তৈরি বিশেষ সফটওয়্যার, মারকভ চেইন এবং বিভিন্ন পরিসংখ্যানগত ও গাণিতিক টুল ব্যবহার করেছেন।
গবেষণার উপাত্ত থেকে দেখা যায়, মোজার্টের সুরের "স্মৃতি" অন্যান্য সুরকারদের তুলনায় তুলনামূলকভাবে ছোট। এর অর্থ হলো তাঁর সুরের প্রতিটি ধাপ কীভাবে এগোবে, তা আগে থেকে অনুমান করা বেশ কঠিন। মোজার্ট তাঁর মেলোডিতে প্রত্যাশার একটি প্যাটার্ন তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত তা অন্যভাবে ঘুরিয়ে দিতেন, যা শ্রোতাকে চমকে দেয়।
তাঁর 'ই ফ্লাট মেজর কোয়ার্টেট (K428)' এবং 'ডিসোনেন্স কোয়ার্টেট (K465)'-এর মতো সুরগুলোতেও এই অপ্রত্যাশিত মোড় ও মেলোডির বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। সংগীত বিশারদরা মোজার্টের সুরের এই অবিশ্বাস্য রূপান্তর নিয়ে এতদিন যে তথ্য দিয়ে এসেছিলেন, চেন-প্লটকিনের পরিসংখ্যানভিত্তিক গবেষণা সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে।
তবে চেন-প্লটকিন স্পষ্ট করেছেন যে গণিত কখনো সংগীতের নন্দনতত্ত্বের বিকল্প হতে পারে না। শিল্প তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা জেনারেটিভ এআই ব্যবহারের বিরোধী এই তরুণ কেবল দেখাতে চেয়েছেন কীভাবে পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ মানুষের সৃজনশীলতার পেছনের প্যাটার্ন বুঝতে সাহায্য করতে পারে। আগামী শরতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাওয়া এই শিক্ষার্থী এরই মধ্যে চৌসারের সাহিত্যকর্মের ওপর কম্পিউটেশনাল বিশ্লেষণ শুরু করেছেন।
Lifestyle ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে কিংবা যেকোনো সময়ে বাড়িতে বসেই পছন্দসই আইসক্রিম, ফ্রুট সর্বে বা জেলোটো তৈরি করার জন্য আইসক্রিম মেকারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাজারচলতি প্রক্রিয়াজাত আইসক্রিমে থাকা কৃত্রিম উপাদান, সুইটনার বা প্রিজারভেটিভ এড়াতে অনেকেই এখন ঘরে তৈরি আইসক্রিমকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে বা যারা নির্দিষ্ট ডায়েট মেনে চলেন, তাদের জন্য এসব যন্ত্র বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। বাজারের বিভিন্ন…
Lifestyle ডেস্ক: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে কিংবা যেকোনো সময়ে বাড়িতে বসেই পছন্দসই আইসক্রিম, ফ্রুট সর্বে বা জেলোটো তৈরি করার জন্য আইসক্রিম মেকারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাজারচলতি প্রক্রিয়াজাত আইসক্রিমে থাকা কৃত্রিম উপাদান, সুইটনার বা প্রিজারভেটিভ এড়াতে অনেকেই এখন ঘরে তৈরি আইসক্রিমকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে বা যারা নির্দিষ্ট ডায়েট মেনে চলেন, তাদের জন্য এসব যন্ত্র বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।
বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও প্রযুক্তির আইসক্রিম মেকার নিয়ে করা এক বিস্তারিত পরীক্ষায় ১৪টি বিভিন্ন মডেল যাচাই করা হয়। টেস্টের ক্ষেত্রে ভ্যানিলা আইসক্রিম, লেমন সর্বে এবং স্ট্রবেরি আইসক্রিমের মতো বিভিন্ন রেসিপি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি যন্ত্রগুলোর মন্থন বা চার্নিং গতি, শব্দের মাত্রা (ডেসিবেল মিটার দিয়ে পরিমাপকৃত), গঠন প্রণালী, বরফের ক্রিস্টাল তৈরির প্রবণতা এবং পরিষ্কার করার সহজলভ্যতা মূল্যায়ন করা হয়েছে।
পরীক্ষায় সার্বিকভাবে সেরা মডেল হিসেবে উঠে এসেছে 'কাসো ডিজাইন আইসক্রিমার' (Caso Design IceCreamer)। এটি একটি কমপ্রেসর প্রযুক্তির আইসক্রিম মেকার, যার ধারকক্ষমতা দুই লিটার। এই মডেলে পূর্ব থেকে বাটি জমিয়ে (প্রি-ফ্রিজ) রাখার কোনো প্রয়োজন হয় না। পরীক্ষা চলাকালীন প্রায় ৬০ মিনিটের মধ্যে এটি অত্যন্ত মসৃণ এবং সঠিক টেক্সচারের ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরি করতে সক্ষম হয়। এর শব্দের মাত্রা ছিল ৬৭ ডেসিবেল এবং এতে আইসক্রিম নির্দিষ্ট সময় ঠান্ডা রাখার বিশেষ সেটিংসও রয়েছে।
কম বাজেটের মধ্যে সুবিধাজনক বিকল্প হিসেবে স্থান পেয়েছে 'কুইসিনার্ট সোলো স্কুপস' (Cuisinart Solo Scoops)। ৪৭৫ মিলিলিটার ক্ষমতার এই যন্ত্রটি ছোট রান্নাঘরের জন্য উপযোগী। এটি ব্যবহার করার আগে এর বাটিটি ফ্রিজে অন্তত ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা জমিয়ে রাখতে হয়। ছোট আকারের কারণে খুব দ্রুত কাজ না করলেও প্রায় ৩০ মিনিটে সফট-সার্ভ ঘরানার আইসক্রিম বা সর্বে তৈরিতে এটি বেশ কার্যকর। এর শব্দের মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে ৬৬ ডেসিবেল।
ফ্রিজ-ফার্স্ট ক্যাটাগরিতে জনপ্রিয় মডেল হিসেবে ধরা হয়েছে 'নিনজা ক্রিমি এনসি৩০০' (Ninja Creami NC300)। দুই দিকে দুটি ৪৯৩ মিলিলিটারের টব সমৃদ্ধ এই যন্ত্রটি মাত্র ৩ মিনিটের মধ্যে আইসক্রিম বা সর্বে তৈরি করতে পারে। তবে এটি বেশ কিছুটা শব্দ তৈরি করে (৮১ ডেসিবেল) এবং আকারে কিছুটা লম্বা। অন্যদিকে ছোট ফ্রিজের জন্য উপযোগী 'নিউট্রিবুলেট চিল' (Nutribullet Chill) মডেলটি ৪৭০ মিলিলিটারের দুটি বাটিসহ আসে এবং প্রায় ৫ মিনিটে আইসক্রিম প্রস্তুত করে, যদিও এটি চলার সময় ৯৬ ডেসিবেল পর্যন্ত উচ্চ শব্দ তৈরি করে।
বহুমুখী ব্যবহারের জন্য 'নিনজা ক্রিমি স্কুপ অ্যান্ড স্বার্ল' (Ninja Creami Scoop and Swirl) মডেলটি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এতে সফট-সার্ভ আইসক্রিমের পাশাপাশি কম ক্যালরিযুক্ত ও হাই-প্রোটিন ডেজার্ট তৈরির জন্য ৯টি আলাদা সেটিংস রয়েছে। এছাড়া সফট-সার্ভ ও স্ল্যাশ তৈরির জন্য 'গ্রিনপ্যান ফ্রস্ট' (GreenPan Frost) মডেলটিও পরীক্ষায় ভালো ফলাফল দেখিয়েছে, যা প্রায় ২৫ মিনিটে সফট-সার্ভ তৈরি করতে পারে এবং এতে মিল্কশেক ও স্ল্যাশ বানানোর সুবিধাও যুক্ত রয়েছে।
I am satisfied
Learn English
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






