Srabanti Akter
🛡️ MemberReporter Bio & Statement
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
About Srabanti Akter
Professional biodata and personal details shared by this member.
Bio & Professional Identity
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
- Role
- Writer
Personal Details
- Privacy
- No personal details are public.
Links & Contact
- Links
- No links added yet.
মেঘলা আকাশের এ রূপটা আমার খুব পছন্দের।
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রাম আদালতে ১ বছরে ২৪৫৩ মামলা নিস্পত্তি ১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়
স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রাম আদালতে ১ বছরে ২৪৫৩ মামলা নিস্পত্তি হয়েছে। এ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ ৭৫ হাজার ৫শত টাকা। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত এসব মামলা নিস্পত্তি হয়। এ সময়ে মামলা হয়েছিলো ২৫৫৩টি।গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরীতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সাথে হওয়া সমন্বয় সভায় এই তথ্য জানানো হয়।বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং জেলার…
স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রাম আদালতে ১ বছরে ২৪৫৩ মামলা নিস্পত্তি হয়েছে। এ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ ৭৫ হাজার ৫শত টাকা। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত এসব মামলা নিস্পত্তি হয়। এ সময়ে মামলা হয়েছিলো ২৫৫৩টি।
গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরীতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সাথে হওয়া সমন্বয় সভায় এই তথ্য জানানো হয়।
বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং জেলার ১০০ ইউনিয়নের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসন আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবুসাঈদ ।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ মোঃ গাওছাল আজম, সমাজসেবা অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল কাইয়ুম,পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ইফতেখার আহমদ চৌধুরী, যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আল-আমিন শাহিন প্রমুখ।
সভা সঞ্চালনা করেন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ মেরাজুল ইসলাম।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ আবুসাঈদ বলেন, গ্রাম আদালতের বিষয়ে বেশী প্রচার-প্রচারনা করা হলে মানুষ আরো সচেতন হবে। এতে আদালতের কার্যক্রম ফলপ্রসু হবে।
গরু বাঁচাতে গিয়ে ট্রাক উল্টে নিহত ১, আহত ২
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-রাধিকা মহাসড়কের ধনাশী এলাকায় গরু বাঁচাতে গিয়ে কোমলপানীয় বোঝাই একটি পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে এক গরু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও সহকারী গুরুতর আহত হয়েছেন।বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কোমলপানীয় বোঝাই একটি ট্রাক দ্রুতগতিতে নবীনগরের দিকে যাচ্ছিল। পথে ধনাশী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি গরু সড়কের মাঝখানে চলে আসে। গরুটিকে বাঁচাতে চালক দ্রুত ব্রেক করলে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের ওপর উল্টে যায়।দুর্ঘটনায় ট্রাকটির…
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-রাধিকা মহাসড়কের ধনাশী এলাকায় গরু বাঁচাতে গিয়ে কোমলপানীয় বোঝাই একটি পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে এক গরু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও সহকারী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কোমলপানীয় বোঝাই একটি ট্রাক দ্রুতগতিতে নবীনগরের দিকে যাচ্ছিল। পথে ধনাশী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি গরু সড়কের মাঝখানে চলে আসে। গরুটিকে বাঁচাতে চালক দ্রুত ব্রেক করলে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের ওপর উল্টে যায়।
দুর্ঘটনায় ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই গরুটি মারা যায়। এছাড়া ট্রাকের ভেতরে আটকা পড়েন চালক ও তার সহকারী। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকে থাকা কোমলপানীয়ের শত শত কার্টন ও বোতল সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও ছড়িয়ে থাকা মালামাল সরানোর কাজ শুরু করেন।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার সময় সড়কে জ্বালানি তেল ছড়িয়ে পড়ায় পরবর্তী দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতার সঙ্গে যান চলাচল করতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
বেদখল ও জলাবদ্ধতায় অস্তিত্ব সংকটে সরাইলের ঐতিহ্যবাহী খাল:সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:দীর্ঘদিন ধরে বেদখল, অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত দখলের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সদর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ৫৫ ফিট প্রশস্ত খালটি এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষা মৌসুম এলেই এলাকার বিভিন্ন বাড়িঘর পানিবন্দী হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর খালটি দখল ও ভরাট হতে থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় সামান্য…
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:দীর্ঘদিন ধরে বেদখল, অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত দখলের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সদর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ৫৫ ফিট প্রশস্ত খালটি এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষা মৌসুম এলেই এলাকার বিভিন্ন বাড়িঘর পানিবন্দী হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর খালটি দখল ও ভরাট হতে থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি।
এ পরিস্থিতিতে সরেজমিনে খালের অবস্থা পরিদর্শনে মাঠে নেমেছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম। তিনি খালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগের কথাও শোনেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও সাইফুল ইসলাম বলেন, “এই খাল উদ্ধার করতে যা যা করণীয়, তা অবশ্যই করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ইউএনও’র এমন উদ্যোগে স্থানীয়দের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, প্রশাসনের আন্তরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে খালটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হলে জলাবদ্ধতা কমবে, পরিবেশের ভারসাম্য ফিরে আসবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, প্রতিবাদে ছাত্রদলের থানা ঘেরাও
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হঠাৎ এ ধরনের কর্মসূচি পালনের ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে জেলা শহরের পূর্ব মেড্ডার কোকিল টেক্সটাইল এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়ে সমাজসেবা অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। কয়েক মিনিট স্থায়ী এ মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লিমন আল স্বাধীনের নেতৃত্বে…
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হঠাৎ এ ধরনের কর্মসূচি পালনের ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে জেলা শহরের পূর্ব মেড্ডার কোকিল টেক্সটাইল এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়ে সমাজসেবা অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। কয়েক মিনিট স্থায়ী এ মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লিমন আল স্বাধীনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী আকস্মিকভাবে এ মিছিল বের করেন। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মিছিলটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিনুর রহমান শাহিনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন। পরে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, “কয়েকজন টোকাই ও মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ চোরাগোপ্তা মিছিল করে পালিয়ে গেছে। আমরা মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে সারা শহর তল্লাশি করেও ছাত্রলীগের কাউকে খুঁজে পাইনি। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই নিষিদ্ধ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা এ ধরনের তৎপরতা চালানোর সুযোগ পেয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আগে থেকে আমাদের জানা ছিল না। কোনো গোয়েন্দা সংস্থাও এ বিষয়ে অবগত করেনি। মিছিলের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের শনাক্তে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং অভিযান চালানো হচ্ছে।”
বেনামাজিদের হত্যা নিয়ে বিতর্ক: মোজাফফর বিন মহসিন–এর বক্তব্যে তীব্র সমালোচনা
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী বক্তা মোজাফফর বিন মহসিন–এর একটি বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। একটি ভিডিওতে তিনি বেনামাজিদের “মুরতাদ” আখ্যা দিয়ে তাদের হত্যা করার কথা বলেন, যা দ্রুতই জনমনে উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।কী বলা হয়েছিল ভিডিওতেগত ১ মে তার ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশিত প্রায় ১২ মিনিটের ওই ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, যারা নামাজ পড়েন না তাদের হত্যা করা উচিত এবং এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে নাকি কোনো মতভেদ…
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী বক্তা মোজাফফর বিন মহসিন–এর একটি বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। একটি ভিডিওতে তিনি বেনামাজিদের “মুরতাদ” আখ্যা দিয়ে তাদের হত্যা করার কথা বলেন, যা দ্রুতই জনমনে উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
কী বলা হয়েছিল ভিডিওতে
গত ১ মে তার ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশিত প্রায় ১২ মিনিটের ওই ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, যারা নামাজ পড়েন না তাদের হত্যা করা উচিত এবং এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে নাকি কোনো মতভেদ নেই। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বেনামাজিদের জানাজা পড়া যাবে না, এমনকি তারা আত্মীয়স্বজন হলেও তাদের স্পর্শ করা হারাম।
এ ধরনের বক্তব্যে তিনি মৃত ব্যক্তির দাফন নিয়েও অবমাননাকর তুলনা করেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়।
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এর বিরোধিতা করেন। অনেকেই মন্তব্য করেন, এ ধরনের উগ্র বক্তব্য ইসলাম ধর্মের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং সহিংসতাকে উসকে দিতে পারে। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের বক্তব্যের জন্য কেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
আলেমদের প্রতিক্রিয়া
দেশের বিভিন্ন আলেম এই বক্তব্যকে স্পষ্টভাবে ভুল, ভিত্তিহীন এবং আপত্তিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন।
আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, “নামাজ না পড়লে কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় না। কাউকে মুরতাদ বলার জন্য স্পষ্টভাবে ইসলাম অস্বীকার করতে হয়। তাই এ ধরনের ঢালাও মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।”
জনপ্রিয় বক্তা মুফতি রেজাউল করিম আবরার মন্তব্য করেন, “এই বক্তব্য শতভাগ ভুল। ইসলামে কোথাও বলা হয়নি যে নামাজ না পড়লে তাকে হত্যা করতে হবে। এটি চরম বিভ্রান্তিকর এবং খারেজি চিন্তাধারার প্রতিফলন।”
অন্যদিকে ড. আব্দুল্লাহ আল-মারুফ বলেন, “বেনামাজী গোনাহগার হতে পারে, কিন্তু তাকে কাফের বা মুরতাদ বলা সঠিক নয়। বরং এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ফতোয়া সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে।”
অতীত বিতর্ক
এটাই প্রথম নয়—এর আগেও মোজাফফর বিন মহসিন বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হয়েছেন। ২০১৪ সালে ইসলামী বক্তা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যাকাণ্ডের সময়ও তাকে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
পরে তদন্তে উঠে আসে, ওই হত্যাকাণ্ডটি মতাদর্শিক দ্বন্দ্বের জেরে সংঘটিত হয়েছিল, যেখানে জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)–এর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বশীল বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—বিশেষ করে এমন সমাজে যেখানে ধর্মীয় অনুভূতি গভীরভাবে প্রোথিত। আলেমদের মতে, কোনো ব্যক্তি নামাজ না পড়লে তা অবশ্যই গোনাহের বিষয়, কিন্তু তাকে হত্যা করা বা সামাজিকভাবে বর্জন করার মতো চরম সিদ্ধান্ত ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে—ধর্মীয় বক্তব্যের নামে উসকানিমূলক বা সহিংসতার ইঙ্গিতবাহী বক্তব্যের বিরুদ্ধে কী ধরনের সামাজিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
কৃষকের সংকট ও নীতিনির্ধারণের নীরবতা: এখনই সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ জরুরি
লিটন হোসাইন জিহাদ: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ইস্যুতে সরব আলোচনা—পরিচয়ের বিতর্ক, নীতির পরিবর্তন, অবকাঠামোগত পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সংস্কার। কিন্তু এই তর্ক-বিতর্কের ভিড়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন ক্রমেই আড়ালে সরে যাচ্ছে: দেশের কৃষক কতটা নিরাপদ, এবং তাদের টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কতটা দৃশ্যমান?বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি এখনও কৃষি। জাতীয় আয়, খাদ্য নিরাপত্তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় কৃষকের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ বাস্তবতা হলো, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পুনরাবৃত্ত আঘাতে এই খাত ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সাম্প্রতিক টানা…
লিটন হোসাইন জিহাদ: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ইস্যুতে সরব আলোচনা—পরিচয়ের বিতর্ক, নীতির পরিবর্তন, অবকাঠামোগত পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সংস্কার। কিন্তু এই তর্ক-বিতর্কের ভিড়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন ক্রমেই আড়ালে সরে যাচ্ছে: দেশের কৃষক কতটা নিরাপদ, এবং তাদের টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কতটা দৃশ্যমান?
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি এখনও কৃষি। জাতীয় আয়, খাদ্য নিরাপত্তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় কৃষকের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ বাস্তবতা হলো, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পুনরাবৃত্ত আঘাতে এই খাত ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাকা বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। মাঠপর্যায়ের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক কৃষক ফসল কাটার আগেই সম্পূর্ণ ক্ষতির মুখে পড়েছেন—যা শুধু একটি মৌসুম নয়, পুরো বছরের অর্থনৈতিক ভারসাম্যকে ভেঙে দিচ্ছে।
একজন কৃষকের জন্য এই ক্ষতি কেবল উৎপাদনের ব্যর্থতা নয়; এটি ঋণ পরিশোধে অক্ষমতা, পারিবারিক ব্যয় নির্বাহে সংকট এবং ভবিষ্যৎ আবাদে অনিশ্চয়তার প্রতীক। অধিকাংশ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ইতোমধ্যেই উচ্চমূল্যের বীজ, সার ও কীটনাশকের চাপে ন্যুব্জ। এর সঙ্গে যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যুক্ত হয়, তখন তাদের সামনে টিকে থাকার পথ কার্যত সংকুচিত হয়ে পড়ে।
এই বাস্তবতায় নীতিনির্ধারকদের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন অনিবার্য হয়ে উঠছে—
প্রথমত, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির নির্ভুল ও দ্রুত জরিপ কি সম্পন্ন হচ্ছে? মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের ধীরগতি ও অসামঞ্জস্য প্রায়ই সহায়তা কার্যক্রম বিলম্বিত করে, যা ক্ষতিকে আরও গভীর করে তোলে।
দ্বিতীয়ত, ঘোষিত প্রণোদনা ও ভর্তুকি বাস্তবে কতটা কৃষকের হাতে পৌঁছাচ্ছে? প্রশাসনিক জটিলতা, স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে এই সহায়তাকে সীমিত করে দেয়।
তৃতীয়ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে? জলাবদ্ধতা নিরসন, আধুনিক সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির বিস্তার ছাড়া এই সংকটের পুনরাবৃত্তি রোধ সম্ভব নয়।
চতুর্থত, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর? উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্য না পেলে কৃষক ক্রমেই নিরুৎসাহিত হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য উৎপাদনকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
এই পরিস্থিতিতে কিছু জরুরি পদক্ষেপ এখনই গ্রহণ করা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য দ্রুত ও সরাসরি আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা, সহজ শর্তে পুনঃঋণ সুবিধা প্রদান, ভর্তুকিমূল্যে বা বিনামূল্যে বীজ ও সার সরবরাহ, এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে কার্যকর মনিটরিং জোরদার করা—এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতি কঠিন। পাশাপাশি কৃষি বীমার বিস্তার, ডিজিটাল তথ্যভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, এবং জলবায়ু উপযোগী ফসলের সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।
নীতিনির্ধারণে কৃষিকে প্রান্তিক নয়, কেন্দ্রীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। কারণ কৃষক কেবল একটি পেশাজীবী গোষ্ঠী নয়; তারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। তাদের সংকট উপেক্ষা করা মানে জাতীয় স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়া।
এখন প্রশ্ন একটাই—রাষ্ট্র কি সময় থাকতে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, নাকি আলোচনার ভিড়ে কৃষকের এই নীরব সংকট আরও গভীর হবে? সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনই।
শ্রমিক দিবস: অধিকার ও বাস্তবতার মুখোমুখি
লিটন হোসাইন জিহাদ: আজ International Workers' Day—শ্রমিকের অধিকার, মর্যাদা ও সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক প্রতীক। উনিশ শতকের শেষভাগে শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী বিশ্বে শ্রমের শোষণ যখন চরমে পৌঁছায়, তখনই শ্রমঘণ্টা কমানো, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হতে শুরু করেন। এই সংগ্রামের এক মাইলফলক হয়ে ওঠে ১৮৮৬ সালের Haymarket affair, যেখানে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস প্রতিষ্ঠার দাবিতে রক্ত ঝরে। সেই আন্দোলনের উত্তরাধিকারেই আজকের শ্রমিক দিবস, যা কেবল একটি স্মরণদিবস নয়, বরং চলমান…
লিটন হোসাইন জিহাদ: আজ International Workers' Day—শ্রমিকের অধিকার, মর্যাদা ও সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক প্রতীক। উনিশ শতকের শেষভাগে শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী বিশ্বে শ্রমের শোষণ যখন চরমে পৌঁছায়, তখনই শ্রমঘণ্টা কমানো, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হতে শুরু করেন। এই সংগ্রামের এক মাইলফলক হয়ে ওঠে ১৮৮৬ সালের Haymarket affair, যেখানে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস প্রতিষ্ঠার দাবিতে রক্ত ঝরে। সেই আন্দোলনের উত্তরাধিকারেই আজকের শ্রমিক দিবস, যা কেবল একটি স্মরণদিবস নয়, বরং চলমান সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি।
সময়ের সাথে সাথে বিশ্ব অর্থনীতি বদলেছে, উৎপাদন ব্যবস্থার ধরন পাল্টেছে, প্রযুক্তি শ্রমবাজারে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। কিন্তু শ্রমিকের জীবনের মৌলিক চ্যালেঞ্জগুলো—ন্যায্য মজুরি, নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা—অনেক ক্ষেত্রেই অপরিবর্তিত থেকে গেছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রেক্ষাপটে এই বৈপরীত্য আরও স্পষ্ট।
বাংলাদেশের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শ্রমনির্ভর খাতসমূহ। তৈরি পোশাক শিল্প, যা Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association-এর নেতৃত্বে পরিচালিত, দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ যোগান দেয়। এই খাতে প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিক কাজ করেন, যাদের অধিকাংশই নারী। তাদের নিরলস পরিশ্রম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টিকিয়ে রেখেছে, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ নিশ্চিত করেছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তবে এই অর্জনের পেছনের বাস্তবতা সবসময় আশাব্যঞ্জক নয়। ২০১৩ সালের Rana Plaza collapse গোটা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছিল। কয়েক হাজার শ্রমিকের প্রাণহানি ও আহত হওয়ার এই মর্মান্তিক ঘটনা শিল্প নিরাপত্তার ভয়াবহ ঘাটতিকে সামনে এনে দেয়। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পরবর্তীতে কারখানা পরিদর্শন, অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। International Labour Organization-এর সহায়তায় বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমও চালু হয়। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই সংস্কার কতটা টেকসই? বাস্তবতার মাটিতে এখনো বহু কারখানায় নিরাপত্তা মানদণ্ড পুরোপুরি অনুসৃত হয় না।
মজুরি কাঠামোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের বৈপরীত্য দেখা যায়। সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি সময়ে সময় বৃদ্ধি করা হলেও, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে তার সামঞ্জস্য প্রায়ই থাকে না। ফলে প্রকৃত আয়ের সক্ষমতা কমে যায়। শ্রমিকদের একটি বড় অংশ অতিরিক্ত সময় কাজ করতে বাধ্য হন, যেখানে ওভারটাইমের যথাযথ পারিশ্রমিক বা বিশ্রামের সুযোগ সবসময় নিশ্চিত হয় না। শ্রম আইন অনুযায়ী সাপ্তাহিক ছুটি, মাতৃত্বকালীন সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে এগুলোর প্রয়োগ খণ্ডিত।
বাংলাদেশের শ্রমবাজারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত, যেখানে কর্মরত শ্রমিকদের সংখ্যা মোট শ্রমশক্তির বড় অংশ। নির্মাণশ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, গৃহকর্মী—এই বিশাল জনগোষ্ঠী এখনও পূর্ণাঙ্গ আইনি সুরক্ষার আওতার বাইরে। বিশেষ করে গৃহকর্মীরা প্রায়ই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, কম মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে কাজ করেন। তাদের কাজের স্বীকৃতি ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য পৃথক নীতিমালা থাকলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
সমসাময়িক বিশ্বে শ্রমের একটি নতুন রূপ হলো গিগ অর্থনীতি। রাইড-শেয়ারিং, ডেলিভারি সার্ভিস, অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং—এসব প্ল্যাটফর্মভিত্তিক কাজ তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এতে কাজের সময়ের নমনীয়তা ও স্বাধীনতা থাকলেও, এই খাতে কর্মরতদের জন্য নেই স্থায়ী চাকরির নিশ্চয়তা, সামাজিক নিরাপত্তা বা পেনশন সুবিধা। স্বাস্থ্যবিমা, দুর্ঘটনা সুরক্ষা বা অসুস্থতাজনিত ছুটি—এসব সুবিধা প্রায় অনুপস্থিত। ফলে শ্রমের নতুন কাঠামো তৈরি হলেও, অধিকার নিশ্চিত করার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এখনো পর্যাপ্ত নয়।
লিটন হোসাইন জিহাদ
ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতাও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যদিও আইনগতভাবে সংগঠিত হওয়ার অধিকার স্বীকৃত, বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। কর্মস্থলে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ সীমিত থাকায় শ্রমিকদের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।
এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। International Labour Organization শ্রমিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে সংগঠনের স্বাধীনতা, জোরপূর্বক শ্রমের অবসান, শিশুশ্রম নির্মূল এবং বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলেছে। বাংলাদেশ এই মানদণ্ডগুলোর অনেকগুলোর সঙ্গে একমত হলেও, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এখনও উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
শ্রমিক অধিকার প্রশ্নে শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; এর কার্যকর প্রয়োগ, স্বচ্ছ নজরদারি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। রাষ্ট্র, মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক—এই তিন পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। একইসঙ্গে নাগরিক সমাজ ও ভোক্তাদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যে পণ্য ব্যবহার করি, তার পেছনের শ্রমিকের জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের উন্নয়ন কাহিনিতে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। অবকাঠামো নির্মাণ থেকে শুরু করে শিল্প উৎপাদন, কৃষি থেকে সেবা খাত—সব জায়গাতেই তাদের ঘাম ও শ্রম জড়িয়ে আছে। কিন্তু উন্নয়নের সুফল বণ্টনের ক্ষেত্রে এই শ্রমিকরা কতটা অংশীদার—এই প্রশ্নটি এখনও প্রাসঙ্গিক।
কাব্যিকভাবে বলা যায়, শ্রমিকের হাতেই গড়ে ওঠে নগরসভ্যতা, কিন্তু সেই হাত অনেক সময়ই শূন্য থেকে যায়। তাদের ঘামে অর্থনীতির চাকা ঘোরে, কিন্তু সেই ঘামের ন্যায্য মূল্য সবসময় প্রতিফলিত হয় না। এই বৈপরীত্যই শ্রমিক দিবসের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে।
শ্রমিক দিবস তাই কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এটি হওয়া উচিত আত্মসমালোচনার একটি উপলক্ষ, যেখানে রাষ্ট্র ও সমাজ নিজেদের দায়বদ্ধতা পর্যালোচনা করবে। প্রশ্নটি সরল কিন্তু গভীর—আমরা কি শ্রমিককে কেবল একদিন স্মরণ করবো, নাকি প্রতিদিন তার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবো?
একটি টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হলে শ্রমিকের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা—এসব অধিকার নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্তও বটে।
যেদিন একজন শ্রমিক তার শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাবে, কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অসুস্থ হলে চিকিৎসা পাবে এবং বার্ধক্যে সামাজিক সুরক্ষা পাবে—সেদিনই শ্রমিক দিবস ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ থেকে বাস্তব জীবনের প্রতিদিনের সত্যে পরিণত হবে। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি এবং সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতা—যেখানে শ্রমিক কেবল উৎপাদনের একটি উপাদান নয়, বরং একজন মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
জেমসের গানে মাতবে লিসবন : ২৬ জুলাই বাংলা লাইভ কনসার্ট
সাইফুল ইসলাম, পুর্তগাল (লিসবন) : পর্তুগালে প্রথমবারের মতো হচ্ছে সর্ববৃহৎ বাংলা কনসার্ট। " লিসবন বাংলা লাইভ কনসার্ট-২০২৬ " গাইবেন নগরবাউল জেমস।আগামী ২৬ জুলাই ২০২৬, বিকেল ৫টায় লিসবনের ‘Lisboa Ao Vivo’ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে মেগা এই ইভেন্ট। কাজা দো বাংলাদেশ ও নোটিসিয়াস বাংলা-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হবে এ কনসার্ট।কনসার্ট উপলক্ষে আয়োজনদের পক্ষ থেকে রোববার (লিসবন) পুর্তগাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এভিনিউ রোমার ‘লিটন’স টার্কিশ গ্রিল’-এ সংবাদ সম্মেলন ও ডিনার নাইট আয়োজন…
সাইফুল ইসলাম, পুর্তগাল (লিসবন) : পর্তুগালে প্রথমবারের মতো হচ্ছে সর্ববৃহৎ বাংলা কনসার্ট। " লিসবন বাংলা লাইভ কনসার্ট-২০২৬ " গাইবেন নগরবাউল জেমস।
আগামী ২৬ জুলাই ২০২৬, বিকেল ৫টায় লিসবনের ‘Lisboa Ao Vivo’ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে মেগা এই ইভেন্ট। কাজা দো বাংলাদেশ ও নোটিসিয়াস বাংলা-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হবে এ কনসার্ট।
কনসার্ট উপলক্ষে আয়োজনদের পক্ষ থেকে রোববার (লিসবন) পুর্তগাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এভিনিউ রোমার ‘লিটন’স টার্কিশ গ্রিল’-এ সংবাদ সম্মেলন ও ডিনার নাইট আয়োজন করা হয়।
এতে গণমাধ্যমকর্মী, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা বলেন , পর্তুগালের মাটিতে এটাই হবে সবচেয়ে বড় বাংলা কনসার্ট। জেমসের উপস্থিতি প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলবে। কনসার্টটি ঘিরে প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
তারা আরো জানায়, কনসার্টে টিকিট তিন ক্যাটাগরি ক্লাসিক্যাল ২০ ইউরো, গোল্ডেন সার্কেল ৫০ ইউরো ও ভিআইপি ১০০ ইউরো করা হয়েছে, আয়োজকদের কাছ থেকে কনসার্ট কমিটির সদস্যদের থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
News
Published newsroom dispatches by Srabanti Akter.
Photos & Video
Visual work published by this member.
Portfolio
Selected published work from this profile.
Skills
Skills stored in this member's professional account.
Achievements
Achievements and accolades stored for this member.










