PothikTV: One Account for Identity, Publishing, Learning, Work and New Opportunities ↗
PothikTV
October 4, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
声誉建设中
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
声誉建设中
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
September 27, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform. In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We…
A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users can build their identity, publish news and creative work, connect with communities, develop skills, explore professional opportunities and strengthen their professional credibility. Developed as an initiative from Bangladesh, PothikTV aims to bring these possibilities together within one integrated platform.
In today’s digital world, our identities are often scattered across multiple platforms. We use one platform for social networking, another for writing, a different one for finding jobs, separate services for online learning, and yet another website to showcase a professional portfolio.
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের
যৌ নপল্লির নরকযাত্রার আরেক নাম বানিশান্তা ।। ১৯৫৪ সাল থেকে ২০২১ ।। Inside a legal brothel pothiktv
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে? শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি,…
রাত একটা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নিজের শব্দ নিজেই গিলে খাচ্ছে। ঘরের ভেতর বাতাস স্থির, অথচ বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য আগুন নড়াচড়া করছে। এই দহন কার, কোথা থেকে তার আগমন, তার কি কোনো ইতিহাস আছে? নাকি এই শূন্যতা জন্মেছে ঠিক এই মুহূর্তে, আমার নিঃশ্বাসের ভাঁজে?
শূন্যতা, তার কি শরীর নেই? সে কি কেবল অনুপস্থিতির নাম? যে এসে বসে থাকে বুকের মাঝখানে, গোপন এক সিংহাসনে। না পাওয়ার আক্ষেপ তার রাজদণ্ড। যা পাইনি, যা হতে পারিনি, যে নাম উচ্চারণ করতে পারিনি শেষবার, যে হাত ছুঁয়ে বলতে পারিনি থেকো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সংসার গড়ে ওঠে ভেতরে। সেখানে আলো নেই, তবু অন্ধকারও অসম্পূর্ণ। এক আধো আলো, আধো অন্ধকারে আমি নিজেকেই চিনতে পারি না।
দীর্ঘদিনের চিঠি না পাওয়ার অভ্যাসে আমরা যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রতিরাতে দরজার নিচ দিয়ে খাম ঢুকে পড়ার শব্দ কল্পনা করি তেমনি বেঁচে থাকাও এখনকেবল অভ্যাসে পরিণিত হয়েছে। এই যে দহন, তা নিছক যন্ত্রণা নয়; এ এক স্থায়ী সহবাস। আগুনকে দূরে সরাতে গেলে সে আরও ঘনিষ্ঠ হয়। তাই তাকে নিয়ে চলাই কি শ্রেয় নয়? আগুনকে বুকের মধ্যে একটি প্রদীপ ভেবে নেওয়া যায় কি? যে পোড়ায়, সে-ই তো আলোকিতও করে।
উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে আমি জানি, কোনো মহাকাব্যিক মুক্তি নেই। প্রভুর কাছে প্রার্থনাও এখন আর একরৈখিক নয়। আমি যখন বলি “তুমি তো জানো”, তখন আসলে কাকে বলি? ঈশ্বরকে, নাকি নিজের ভেতরের সেই নীরব সত্তাকে, যে সব জানে অথচ উচ্চারণ করে না? হয়তো প্রভু এক প্রতীক, হয়তো তিনি ভাষার ভেতরকার এক শূন্য স্থান, যেখানে আমি আমার অক্ষমতা জমা রাখি।
পথ তো সবসময় পায়ের নিচে। তবু এ অনন্তের পথ হাটি এক কদম, তারপর আরেক কদম। দহন নিয়েই হাঁটা যায়। কারণ আগুনও এক ধরনের শক্তি। তাকে যদি শত্রু ভাবি, সে আমাকে গ্রাস করবে। তাকে যদি স্বীকার করি, সে হয়তো আমার রাত্রিকে অর্থ দেবে।
রাত একটা পেরিয়ে যায়। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, আমিও এগোই। শূন্যতা তখনও আছে, আক্ষেপও। কিন্তু তাদের নাম দিতে পারার মধ্যেই এক ধরনের মুক্তি আছে। ভাষা, শব্দ, উপমা—এসব দিয়ে আমরা আগুনকে স্পর্শ করি, তাকে রূপ দিই। আর রূপ পেলেই যন্ত্রণা আর কেবল যন্ত্রণা থাকে না; সে হয়ে ওঠে সাহিত্য, হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার আরেকটি কৌশল।
হয়তো এভাবেই পারি দেওয়া যায় অনন্তের পথ। দহন বুকে নিয়েই। আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত, তবু অব্যাহত যাত্রায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ
আমি তোমাদের সাথে যুক্ত হয়েছি বন্ধুরা।
Entertainment ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নক্যালিফোর্নিয়ার লং বিচের এক ব্যক্তি ১৩ বছরের এক নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে উপস্থিত হন। কিন্তু সেখানে ঢোকার পর তার মুখোমুখি হন সাংবাদিক ক্রিস হ্যানসেন। ধরা পড়ে যাওয়ার পর হ্যানসেন যখন তাকে জিজ্ঞেস করেন তার কী পরিণতি হওয়া উচিত, তখন লোকটি উত্তর দেন, "ইলেকট্রিক চেয়ার?" হ্যানসেন সোজাসুজি উত্তর দেন, "না, ডেটলাইন এনবিসি।" রবার্ট প্যাটিনসন অভিনীত এবং ল্যান্স ওপেনহাইম পরিচালিত নতুন মার্কিন…
Entertainment ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
ক্যালিফোর্নিয়ার লং বিচের এক ব্যক্তি ১৩ বছরের এক নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে উপস্থিত হন। কিন্তু সেখানে ঢোকার পর তার মুখোমুখি হন সাংবাদিক ক্রিস হ্যানসেন। ধরা পড়ে যাওয়ার পর হ্যানসেন যখন তাকে জিজ্ঞেস করেন তার কী পরিণতি হওয়া উচিত, তখন লোকটি উত্তর দেন, "ইলেকট্রিক চেয়ার?" হ্যানসেন সোজাসুজি উত্তর দেন, "না, ডেটলাইন এনবিসি।" রবার্ট প্যাটিনসন অভিনীত এবং ল্যান্স ওপেনহাইম পরিচালিত নতুন মার্কিন চলচ্চিত্র 'প্রাইমটাইম'-এর সূচনা দৃশ্য এটি। এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি যুক্তরাজ্যে মুক্তি পাবে ৩০ অক্টোবর।
২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উত্থানের আগে আমেরিকান টেলিভিশন রেটিংয়ের লড়াইয়ে 'ডেটলাইন এনবিসি'-র শো 'টু ক্যাচ আ প্রেডেটর' ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। এতে ইন্টারনেটে নাবালিকাদের যৌন শোষণের চেষ্টা করা পুরুষদের ফাঁদে ফেলা হতো। 'পারভার্টেড জাস্টিস' নামক একটি নাগরিক নজরদারি সংস্থার সেচ্ছাসেবকরা ভুয়া পরিচয় দিয়ে চ্যাটরুমে প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং ভুয়া বাড়িতে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করত। সেখানে পে পৌঁছানো মাত্রই হ্যানসেন ক্যামেরার সামনে তাদের মুখোমুখি হতেন এবং বাইরে ওত পেতে থাকা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করত। ২০০৬-০৭ মৌসুমে এই শোর প্রতিটি পর্ব গড়ে প্রায় ৭০ লাখ দর্শক দেখত এবং ক্রিস হ্যানসেন তারকা বনে যান।
চলচ্চিত্রটিতে সাংবাদিক ক্রিস হ্যানসেনের চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলেছেন দ্য ব্যাটম্যান খ্যাত অভিনেতা রবার্ট প্যাটিনসন। ছবিতে প্যাটিনসনের একটি সংলাপ পুরো কাহিনির মূল বক্তব্যকে তুলে ধরে: "একসময় প্রতিটি গ্রামেই শাস্তিদণ্ড দেওয়ার মঞ্চ থাকত। আর এখন প্রতিটি বসার ঘরে টেলিভিশন রয়েছে।" তবে বর্তমানে ৬৭ বছর বয়সী আসল ক্রিস হ্যানসেন ছবিটি না দেখেই এটিকে তার ওপর এক ধরনের "অপমান" এবং "পরিচয় চুরি" বলে মন্তব্য করেছেন।
চলচ্চিত্রটিকে কেন্দ্র করে বিতর্কের ঝড় আরও তীব্র হয়েছে 'পারভার্টেড জাস্টিস'-এর প্রতিষ্ঠাতা জাভিয়ার ভন এরকের প্রতিক্রিয়ায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, চলচ্চিত্রটিতে তার সংস্থা এবং তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য দৃশ্য দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাদের সরবরাহ করা প্রমাণের ভিত্তিতে হওয়া দণ্ডাদেশ কোনো আদালতেই খারিজ হয়নি এবং তারা শতভাগ আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে কাজ করেছেন। ছবিটিতে তার নাম এবং চরিত্র ব্যবহারে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
শোটির অতীতের বিতর্কও আবারও সামনে এসেছে। ২০০৬ সালে টেক্সাসের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি বিল কনরাডট পেডোফাইল স্টিং অপারেশনের মুখে পড়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার পর চ্যানেলটির বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালে শোটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ডকুমেন্টারি নির্মাতা ডেভিড ওসিটের মতে, এই শোটির সফলতা মানুষের এক ধরনের দেখার মানসিকতা বা ভয়ারিজমের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছিল। সুরক্ষিত স্থানে বসে অন্যের জীবনের সবচেয়ে বাজে মুহূর্তটি দেখার যে মানসিক প্রবণতা, তাতেই বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছিল এই ধরনের ভিলিজ্যান্ট ইনভেস্টিগেশন। তবে এর পেছনে সামাজিক দায়িত্ব ও নৈতিক সীমানা লঙ্ঘনের বিষয়টি আজও বিতর্কিত।
Entertainment ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন সিএস লিউইসের বিখ্যাত নার্নিয়া সিরিজের অন্যতম উপন্যাস 'দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ'-এর নতুন চলচ্চিত্র সংস্করণে 'আসলান' চরিত্রের কণ্ঠ দেওয়ার জন্য হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপকে নির্বাচন করেছেন পরিচালক গ্রেটা গারউইগ। নার্নিয়ার এই যিশু-প্রতিম সিংহ চরিত্রটিতে একজন নারীর কণ্ঠ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থী খ্রিস্টান বা ইভানজেলিক্যাল আলোচকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাময়িকী 'এম্পায়ার'-এ এই চলচ্চিত্রের প্রথম ঝলক এবং পরিচালক গারউইগের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত…
Entertainment ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
সিএস লিউইসের বিখ্যাত নার্নিয়া সিরিজের অন্যতম উপন্যাস 'দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ'-এর নতুন চলচ্চিত্র সংস্করণে 'আসলান' চরিত্রের কণ্ঠ দেওয়ার জন্য হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপকে নির্বাচন করেছেন পরিচালক গ্রেটা গারউইগ। নার্নিয়ার এই যিশু-প্রতিম সিংহ চরিত্রটিতে একজন নারীর কণ্ঠ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থী খ্রিস্টান বা ইভানজেলিক্যাল আলোচকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সাময়িকী 'এম্পায়ার'-এ এই চলচ্চিত্রের প্রথম ঝলক এবং পরিচালক গারউইগের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হওয়ার পর সমালোচনা নতুন করে চাঙ্গা হয়। সাক্ষাৎকারে 'বার্বি' খ্যাত পরিচালক গারউইগ মেরিল স্ট্রিপকে কাস্টিং করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং নিজের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, বিতর্ক উসকে দেওয়ার জন্য নয়, বরং এমন একজন সত্তোরোর্ধ্ব অভিনয়শিল্পীকে তাঁর প্রয়োজন ছিল যিনি একই সঙ্গে গভীর প্রজ্ঞা ও শিশুর মতো বিস্ময় ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।
গারউইগ বলেন, "আমি এমন কাউকে চেয়েছিলাম যিনি প্রজ্ঞাবান কিন্তু আত্মম্ভরী নন; যার মধ্যে গাম্ভীর্য রয়েছে তবে তা বিষাদগ্রস্ত স্ব-গাম্ভীর্য নয়।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে সেরা অভিনয়শিল্পীদের তালিকা মোটেও দীর্ঘ নয় এবং স্ট্রিপ সেই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। তবে পরিচালক আসলান চরিত্রটিকে এই সংস্করণে নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু নিশ্চিত করেননি।
এই ঘোষণার পর আমেরিকান কনজারভেটিভ ও কট্টরপন্থী খ্রিস্টান প্রতিনিধিরা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। রেডিও উপস্থাপক জেনা এলিস অভিযোগ করেন যে, গারউইগ "ঐশ্বরিক নারীত্ব দিয়ে খ্রিষ্টকে অপবিত্র করছেন।" অন্যদিকে টেক্সাসের প্রচারক ডেভিড ফেয়ারচাইল্ড এই নির্বাচনকে "সৃজনশীল বর্বরতা" বলে অভিহিত করেছেন।
কনজারভেটিভ মাধ্যম 'দ্য ডেইলি ওয়ার'-এর ইসাবেল ব্রাউন স্ট্রিপকে কাস্টিং করার সিদ্ধান্তকে আপত্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, সিএস লিউইস নার্নিয়ার জগতে আসলানকে মূলত খ্রিষ্টের অবতার রূপেই উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। 'দ্য ভয়েজ অব দ্য ডন ট্রিডার' উপন্যাসের সমাপ্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে আসলান বাকি চরিত্রদের জানিয়েছিল যে তারা তাদের নিজেদের পৃথিবীতে তাকে অন্য নামে চিনবে। ব্রাউনের মতে, স্ট্রিপকে এই চরিত্রে নেওয়া খ্রিস্টধর্মের প্রতি এক ধরনের পরিকল্পিত উপহাস।
তবে সবাই এই সমালোচনার সঙ্গে একমত নন। খ্রিস্টান লেখিকা মেরি পেজুলো কট্টরপন্থীদের এই ক্ষোভের দ্বিমুখী আচরণের সমালোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেকে যিশুকে এক হিংস্র পশু হিসেবে উপস্থাপন করতে আপত্তি জানান না, কিন্তু একজন নারীর কণ্ঠ দিলেই তা তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে। তিনি লিখেছেন, খ্রিষ্টকে সিংহ বা শিকারি পশু হিসেবে দেখানোকে যদি পবিত্র শিল্প মনে করা হয়, তবে একজন নারী তাঁর কণ্ঠ দিলে তাকে অশুভ ভাবা এক ধরনের আয়রনি।
নতুন এই চলচ্চিত্রটিতে ফ্যান্টাসি জগতকে একটি রক অপেরা প্রিজমের মধ্য দিয়ে নতুনভাবে রূপদানের পরিকল্পনা করেছেন গারউইগ। সিনেমার প্রচারণামূলক ছবিতে আসলানের চোখ তৈরি করা হয়েছে ডেভিড বোয়ির মতো দুটি ভিন্ন রঙের চোখের আদলে। মূল চরিত্রের রহস্যময় জাদুকরের ভূমিকায় অভিনয় করছেন ড্যানিয়েল ক্রেইগ এবং হোয়াইট উইচ বা 'জাডিস' চরিত্রে অভিনয় করছেন এমা ম্যাকি।
'দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ' গল্পে দুটি শিশু অন্যান্য জগতের সন্ধান পায় এবং দুর্ঘটনাক্রমে লন্ডনে এক রানীকে নিয়ে আসে। যদিও চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করা মেরিল স্ট্রিপের কণ্ঠ এখনো কেউ শোনেননি, তবুও তিনি ইতিমধ্যেই মূল খল চরিত্র হোয়াইট উইচকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন।
Entertainment ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন আয়ারল্যান্ডের কাউন্টি গলওয়ের টুয়ামে ক্যাথলিক নানদের পরিচালিত একটি মাদার অ্যান্ড বেবি হোমে প্রায় ৮০০ শিশুর মৃত্যু ও তাদের অচিহ্নিত গণকবরের করুণ ইতিহাস এবার রুপালি পর্দায় উঠে এসেছে। 'দ্য লস্ট চিলড্রেন অব টুয়াম' নামের এই ফিচার চলচ্চিত্রটির প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন হলিউড অভিনেতা লিয়াম নিসন। চলতি সপ্তাহে আয়ারল্যান্ডে এবং আগামী মাসে যুক্তরাজ্যে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। ২০১৭ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ড্যান বেরির…
Entertainment ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
আয়ারল্যান্ডের কাউন্টি গলওয়ের টুয়ামে ক্যাথলিক নানদের পরিচালিত একটি মাদার অ্যান্ড বেবি হোমে প্রায় ৮০০ শিশুর মৃত্যু ও তাদের অচিহ্নিত গণকবরের করুণ ইতিহাস এবার রুপালি পর্দায় উঠে এসেছে। 'দ্য লস্ট চিলড্রেন অব টুয়াম' নামের এই ফিচার চলচ্চিত্রটির প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন হলিউড অভিনেতা লিয়াম নিসন। চলতি সপ্তাহে আয়ারল্যান্ডে এবং আগামী মাসে যুক্তরাজ্যে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।
২০১৭ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ড্যান বেরির একটি প্রতিবেদন পড়ে এই ট্র্যাজেডির বিষয়ে জানতে পারেন ক্যাথরিন করলিস নামের এক স্থানীয় অপেশাদার ইতিহাসবিদ। ক্যাথরিন নিজের অনুসন্ধানের মাধ্যমে উন্মোচন করেন যে, কীভাবে প্রশাসনিক ও ধর্মীয় অবহেলার কারণে শত শত শিশুর প্রাণ গিয়েছিল এবং তাদের লাশ গণকবরে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরটি পড়ে গভীরভাবে মর্মাহত হন অভিনেতা লিয়াম নিসন।
ক্যাথলিক পরিবারে বেড়ে ওঠা নিসন নিজেই একসময় গির্জার অলটার বয় ছিলেন। এই ঘটনা জানার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, সত্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে এবং নিহত শিশুদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পে তার প্রভাব ব্যবহার করবেন। এরপর তিনি প্রথমবারের মতো প্রযোজকের ভূমিকা গ্রহণ করেন, প্রতিবেদনের স্বত্ব কেনেন এবং ক্যাথরিন করলিসের সঙ্গে দেখা করে চলচ্চিত্র তৈরির কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ নয় বছরের প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে এই চলচ্চিত্র।
চলচ্চিত্রটির মুক্তি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন পাঁচ হাজার বর্গমিটারের সেই বিতর্কিত স্থানে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল ও ফরেনসিক প্রত্নতাত্ত্বিকরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। ১৯২৫ থেকে ১৯৬লাই সাল পর্যন্ত সেন্ট ম্যারিস মাদার অ্যান্ড বেবি হোমে বোন সেকোর্স অর্ডার নামক ধর্মীয় গোষ্ঠী প্রায় ৭৯৬ জন শিশুর লাশ দাফন করেছিল বলে ধারণা করা হয়। গত বছর থেকে শুরু হওয়া খননকাজে এ পর্যন্ত ৯৯ জন শিশু ও নবজাতকের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে।
ক্যাথরিন করলিস তার অনুসন্ধানের শুরুতে কর্তৃপক্ষ ও বোন সেকোর্স অর্ডারের নানা বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে তিনি দমে যাননি। তার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ও ভেঙে ফেলার আগে সেখানে ৭৯৬ জন শিশু মারা যায়, যাদের দাফনের কোনো সরকারি নথি রাখা হয়নি। ক্যাথরিনের এই অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করেই রেবেকা লেনকিউইচ ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন এবং পরিচালনায় ছিলেন ফ্রাঙ্ক বেরি।
চলচ্চিত্রটিতে ক্যাথরিন করলিসের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী মনিকা ডোলান। ক্যাথরিনের স্বামী এইডানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যান্ড্রু বেনেট। ছবিটি ইতিমধ্যে সমালোচকদের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছে। গত জুলাইয়ে গলওয়ে ফিল্ম ফ্লিতে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ারে এটি সেরা আইরিশ চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে।
ক্যাথরিন করলিস ছবিটির মূল্যায়নে বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাতারা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে এটি নির্মাণ করেছেন। এটি সাধারণ মানুষের দৃঢ়তার এক অসাধারণ উদাহরণ এবং দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করবে। অন্যদিকে পরিচালক ফ্রাঙ্ক বেরি জানান, ছবিটিতে ক্যাথরিনের সততা ও অধ্যবসায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, যা প্রমাণ করে যে একজন সাধারণ মানুষও সত্য উদঘাটনে অসাধারণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন এএফএল গ্র্যান্ড ফাইনাল ২০২৬-এর শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে ফ্রিম্যান্টল ডকার্সকে ৯৬-৮৯ পয়েন্টে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রিমিয়ারশিপ ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে ব্রিসবেন লায়নস। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ম্যাচটি ছিনিয়ে নেয় ব্রিসবেন। চতুর্থ কোয়ার্টারের শেষ মুহূর্তেও ফ্রিম্যান্টল ডকার্স জয়ের খুব কাছাকাছি ছিল। একপর্যায়ে ১৭ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ব্রিসবেনের জয়ের আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। তবে শেষ তিন মিনিটের মধ্যে পর পর চার…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
এএফএল গ্র্যান্ড ফাইনাল ২০২৬-এর শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে ফ্রিম্যান্টল ডকার্সকে ৯৬-৮৯ পয়েন্টে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রিমিয়ারশিপ ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে ব্রিসবেন লায়নস। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ম্যাচটি ছিনিয়ে নেয় ব্রিসবেন।
চতুর্থ কোয়ার্টারের শেষ মুহূর্তেও ফ্রিম্যান্টল ডকার্স জয়ের খুব কাছাকাছি ছিল। একপর্যায়ে ১৭ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ব্রিসবেনের জয়ের আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। তবে শেষ তিন মিনিটের মধ্যে পর পর চার গোল করে ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে দেয় লায়নসরা।
ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ফ্রিম্যান্টল ৮৯-৭৮ পয়েন্টে এগিয়ে থাকলেও ব্রিসবেনের চার্লি ক্যামেরন ও জ্যাক বেইলি দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোল এনে দেন। এরপর লোগান মরিস গোল করে ব্রিসবেনকে এগিয়ে নেন। ম্যাচের শেষ দিকে আবারও লোগান মরিস দলের জয় সুনিশ্চিত করে স্কোরলাইন ১৪.১২ (৯৬) – ১২.১৭ (৮৯) পয়েন্টে নিয়ে যান।
প্রধান কোচ ক্রিস ফাগানের অধীনে ব্রিসবেন লায়নস ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি প্রিমিয়ারশিপ জিতে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছে। এর আগে ক্লাবটি ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
অন্যদিকে ফ্রিম্যান্টল ডকার্সের জন্য এই হার অত্যন্ত বেদনাদায়ক ছিল। পুরো মৌসুমজুড়ে দুর্দান্ত খেলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা সত্ত্বেও ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় তারা। শেষ কোয়ার্টারে কয়েকবার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত দিতে হয়েছে তাদের।
ম্যাচে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ফ্রিম্যান্টলের ক্যালেব সে রং অসাধারণ খেলে ১৩টি ক্লিয়ারেন্স অর্জন করেন। অন্যদিকে ব্রিসবেনের লোগান মরিস, উইল অ্যাশক্রফট এবং ল্যাচি নিল দলের কঠিন সময়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।
ফ্রিম্যান্টলের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল ম্যাচের তৃতীয় কোয়ার্টারে অধিনায়ক অ্যালেক্স পিয়ার্সের ইনজুরি। পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন তিনি এবং পরে তাকে সাহায্য নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। দলের মূল ডিফেন্ডারকে হারিয়ে শেষ দিকে রক্ষণভাগে চাপে পড়ে যায় ডকার্স।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কোচ ক্রিস ফাগান প্রতিপক্ষ ফ্রিম্যান্টলের প্রশংসা করে বলেন, তারা অত্যন্ত কঠিন একটি বছর পার করেছে এবং দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে। তিনি আরও বলেন, তাঁর দলের খেলোয়াড়দের শেষ পর্যন্ত লড়াই করার অসাধারণ মানসিকতা ছিল বলেই টানা তিনটি ট্রফি জয় সম্ভব হয়েছে।
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতের পেস বোলিং আক্রমণের রূপরেখা ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন দলটির বোলিং কোচ মরনে মরকেল। জাতীয় দলের বোলিং লাইনআপের গভীরতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদের পরখ করে নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।মরকেল চান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে প্রসিধ কৃষ্ণা এবং গুরনুর ব্রারের মতো দ্বিতীয় সারির বোলারদের পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ দেওয়া হোক। তাঁর মতে, বড় টুর্নামেন্টের আগে নতুন বোলারদের…
Sports ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতের পেস বোলিং আক্রমণের রূপরেখা ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন দলটির বোলিং কোচ মরনে মরকেল। জাতীয় দলের বোলিং লাইনআপের গভীরতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদের পরখ করে নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।
মরকেল চান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে প্রসিধ কৃষ্ণা এবং গুরনুর ব্রারের মতো দ্বিতীয় সারির বোলারদের পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ দেওয়া হোক। তাঁর মতে, বড় টুর্নামেন্টের আগে নতুন বোলারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।
ভারতের ভবিষ্যৎ পেস আক্রমণ গড়ে তোলার এই প্রক্রিয়ায় নতুন ও ব্যাকআপ বোলারদের প্রস্তুত রাখা প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তাঁদের পারফরম্যান্স দলের পেস বিভাগের শক্তিমত্তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

A digital ecosystem is taking shape for journalists, writers, content creators, students, educators and independent professionals, where users…

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
থাকতে জীবন পাইনি যারে | Thakte Jibon Paini Jare। Tofa Akbar ।। Pothiktv Music -2026
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






