শাওমি পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০ ১৬৫ ওয়াট: ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন চার্জের শক্তিশালী সমাধান ↗
PothikTV
October 5, 2026
general
মূল পরিচিতিAn active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
পেশাগত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
পেশাগত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
পেশাগত পরিচিতি গড়ে উঠছে
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
October 4, 2026
PothikTV
October 4, 2026
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
PothikTV
October 5, 2026
Technology ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্নপ্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি বাজারে এনেছে নতুন ‘শাওমি পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০ ১৬৫ ওয়াট’। সাধারণ ফোনের ব্যবহারের বাইরে যেসব ব্যবহারকারী ভারী ডিভাইসের জন্য শক্তিশালী পাওয়ার ব্যাংক খুঁজছেন, মূলত তাদের লক্ষ্য করেই ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে ২০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার (এমএএইচ) ধারণক্ষমতার ব্যাটারি।এই পাওয়ার ব্যাংকটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর সর্বোচ্চ ১৬৫ ওয়াট সম্মিলিত আউটপুট সুবিধা। ল্যাপটপ চার্জিং সাপোর্ট থাকায় এটি ভ্রমণ কিংবা দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে…
Technology ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি বাজারে এনেছে নতুন ‘শাওমি পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০ ১৬৫ ওয়াট’। সাধারণ ফোনের ব্যবহারের বাইরে যেসব ব্যবহারকারী ভারী ডিভাইসের জন্য শক্তিশালী পাওয়ার ব্যাংক খুঁজছেন, মূলত তাদের লক্ষ্য করেই ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে ২০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার (এমএএইচ) ধারণক্ষমতার ব্যাটারি।
এই পাওয়ার ব্যাংকটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর সর্বোচ্চ ১৬৫ ওয়াট সম্মিলিত আউটপুট সুবিধা। ল্যাপটপ চার্জিং সাপোর্ট থাকায় এটি ভ্রমণ কিংবা দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর একটি অনুষঙ্গ হতে পারে। যারা কাজের প্রয়োজনে সবসময় বাইরে থাকেন, তাদের ডিভাইস সচল রাখতে ডিভাইসটি সাহায্য করবে।
ডিভাইসটির ডিজাইনে যুক্ত করা হয়েছে একটি শক্তপোক্ত ব্রেইডেড ইউএসবি টাইপ-সি (USB-C) ক্যাবল। আলাদা করে ক্যাবল বহন করার ঝামেলা না থাকায় এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক। যেকোনো জরুরি মুহূর্তে ক্যাবল খোঁজার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া এই পাওয়ার ব্যাংকে একটি রঙিন ডিসপ্লে স্ক্রিন রয়েছে। ডিসপ্লেটির মাধ্যমে পাওয়ার ব্যাংকের বর্তমান ব্যাটারি লাইফ এবং চার্জিং সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজেই এক নজরে দেখে নেওয়া যায়। এর ফলে কতটুকু চার্জ অবশিষ্ট রয়েছে তা জানতে অনুমান করার প্রয়োজন পড়ে না।
ভারতীয় বাজারে ডিভাইসটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৪৯৯ রুপি। যারা কেবল স্মার্টফোন চার্জ করার জন্য পাওয়ার ব্যাংক খুঁজছেন, তাদের জন্য এই শক্তিশালী ও বহুমুখী পাওয়ার ব্যাংকটি কিছুটা অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। তবে একাধিক ডিভাইস ও ল্যাপটপ চার্জ করার ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকর।
Sports ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্নইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোতে থাকা সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তরুণ ফুটবলারদের নির্বাচন করে নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। 'নেক্সট জেনারেশন ২০২৬' শীর্ষক এই বিশেষ তালিকায় প্রিমিয়ার লিগের প্রত্যেকটি ক্লাব থেকে একজন করে সেরা উদীয়মান ফুটবলারকে স্থান দেওয়া হয়েছে।প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মূলত ১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে ৩১ আগস্ট ২০১০ তারিখের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের এই তালিকার জন্য বিবেচনা করা হয়েছে। ফুটবল ক্লাবগুলোর একাডেমিতে এই নির্দিষ্ট…
Sports ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোতে থাকা সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তরুণ ফুটবলারদের নির্বাচন করে নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। 'নেক্সট জেনারেশন ২০২৬' শীর্ষক এই বিশেষ তালিকায় প্রিমিয়ার লিগের প্রত্যেকটি ক্লাব থেকে একজন করে সেরা উদীয়মান ফুটবলারকে স্থান দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মূলত ১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে ৩১ আগস্ট ২০১০ তারিখের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের এই তালিকার জন্য বিবেচনা করা হয়েছে। ফুটবল ক্লাবগুলোর একাডেমিতে এই নির্দিষ্ট বয়সভিত্তিক খেলোয়াড়দের 'ফার্স্ট- ইয়ার স্কলার' বা প্রথম বর্ষের প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
গার্ডিয়ান বিগত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বিশ্ব ফুটবলের এবং বিশেষ করে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের উদীয়মান তারকাদের নিয়ে এমন বার্ষিক তালিকা প্রকাশ করে আসছে। ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত উদীয়মান প্রতিভাদের দিকে নজর রেখে আসছে।
সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফুটবলপ্রেমীরা তাদের পূর্ববর্তী বিভিন্ন বছরের তালিকাগুলোর প্রতিভাদের অগ্রগতি ও বর্তমান অবস্থাও পর্যালোচনা করতে পারবেন। এর আগে ২০২৫, ২০২৪, ২০২৩ এবং তারও আগে নির্বাচিত তরুণরা বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও পেশাদার ফুটবলে কেমন করছেন, তা পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নতুন এই তালিকায় স্থান পাওয়া তরুণরা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর অ্যাকাডেমি ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তারা ফুটবলের ভবিষ্যৎ তারকা হয়ে ওঠার পথে নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
Uncategorized ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্নচট্টগ্রামের বালুছড়ায় অবস্থিত লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথমা প্রকাশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী বই উৎসব। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের টিফিনের বিরতিতে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে উৎসব মুখর হয়ে ওঠে বইয়ের স্টল প্রাঙ্গণ। ক্যানটিনে না গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠে বই দেখার ও কেনার আনন্দে। কেউ রহস্যের বই, কেউ কিশোর উপন্যাস, আবার কেউ পছন্দের লেখকের গল্প বা কমিকসের বই কিনে বাড়ি ফিরছে।বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইসা…
Uncategorized ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
চট্টগ্রামের বালুছড়ায় অবস্থিত লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথমা প্রকাশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী বই উৎসব। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের টিফিনের বিরতিতে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে উৎসব মুখর হয়ে ওঠে বইয়ের স্টল প্রাঙ্গণ। ক্যানটিনে না গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠে বই দেখার ও কেনার আনন্দে। কেউ রহস্যের বই, কেউ কিশোর উপন্যাস, আবার কেউ পছন্দের লেখকের গল্প বা কমিকসের বই কিনে বাড়ি ফিরছে।
বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইসা ভূতের গল্পের ভক্ত। প্রথমার এই বই মেলায় এসে একনজরেই সে কিনে নেয় প্রিয় লেখক রকিব হাসানের ‘হাতকাটা ভূত’ বইটি। কেনার আগে সহপাঠী বান্ধবীকে ডেকে এনে বইটি উল্টেপাল্টে দেখায় সে। মাইসা জানায়, রকিব হাসান তার প্রিয় গল্পকার। বইটির প্রেক্ষাপট এক পিয়ানো টিচার ও তার মিউজিক স্কুলকে ঘিরে, যেখানে শিখতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা আর ফিরে আসে না। গল্পটির বাকি অংশ সে বাসায় গিয়ে গভীর আগ্রহ নিয়ে পড়বে।
বই উৎসবের মলাট দেখে দ্রুত বই কেনা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সঠিক বইটি বেছে নেওয়ার তাগিদ দেখা গেছে ছোটদের মধ্যে। মেলা প্রাঙ্গণের একমাত্র স্টলটিতে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল বিজ্ঞান, গণিত, কিশোর উপন্যাস, গল্প ও রহস্যের নানা ধরনের বই। স্টলে আরও রাখা ছিল কিশোর আলো ও বিজ্ঞানচিন্তা। শিক্ষার্থীদের প্রথম প্রশ্নই ছিল—কোন বইয়ের দাম কত? হাতে থাকা টাকা গুনে পছন্দের বই কেনার হিসাব মেলাতেও দেখা যায় অনেককে।
মেলার অন্য প্রান্তে গণিত ও বিজ্ঞানের বই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিল পঞ্চম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী সাদিদ ও আবির। নিজেদের জন্য কোন গণিত বইটি বেশি কাজে লাগবে এবং কঠিন প্রশ্ন সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করবে—তা নিয়ে আলোচনায় মত্ত ছিল তারা। গল্প-উপন্যাসের প্রতি আগ্রহ থাকলেও বিজ্ঞান ও গণিতের প্রতি তাদের টান ছিল বেশি। এরই মধ্যে তারা দুজনে মিলে কিনে ফেলেছে বিজ্ঞানচিন্তার চলতি সংখ্যার দুটি কপি।
ছোটদের টিফিন শেষে যখন তারা ক্লাসে ফিরে যায়, তখন শুরু হয় মাধ্যমিক পর্যায়ের বড় শিক্ষার্থীদের টিফিনের বিরতি। এবার প্রাঙ্গণে নতুন করে শিক্ষার্থীদের ভিড় জমে। বড় শিক্ষার্থীদের বেশি আগ্রহ দেখা গেছে থ্রিলার, উপন্যাস ও জনপ্রিয় লেখকদের বইয়ের প্রতি। তারা স্টলে এসে প্রিয় লেখকের নতুন কোনো বই এসেছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিল।
ছুটির পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত হন অভিভাবকেরাও। সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে পছন্দের বই বেছে দিতে তারা মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমান। সন্তানের বই পড়ার আগ্রহ দেখে অভিভাবকেরাও নিজেদের পছন্দের বইয়ের পাশাপাশি শিশুদের উপযোগী বই কেনেন। তেমনই এক অভিভাবক তানজিবা হাসান মেয়েকে নিতে এসে বিশ্বজিৎ চৌধুরীর ‘ফুটো’ বইটি নেড়েচেড়ে দেখছিলেন। লেখকের আগের লেখা পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে মেয়ের বইয়ের সঙ্গে নিজের জন্য পছন্দের কয়েকটি বই কেনার পরিকল্পনা করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান ও রহস্যের বই পড়ার অভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতেই এই যৌথ আয়োজন করেছে লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। তারা মনে করেন, বিভিন্ন ধরনের বইয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করা তাদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল (অব.) আবু নাসের মো. তোহা জানান, বই মানুষকে ন্যায়-অন্যায় ও ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝাতে শেখায়। এটি জ্ঞান অর্জনের মূল উৎস যা অতীতকে জানানো ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাতে শেখায়। অধ্যক্ষ আরও যোগ করেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতার সমন্বয়ে ভালো মানুষ তৈরি করা, যার মূল ভিত্তি বই। এ ধরনের বই উৎসব আয়োজনের জন্য তিনি প্রথমাকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আশা প্রকাশ করেন।
অনুসন্ধান ও বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন আপাতদৃষ্টে অত্যন্ত সরল হিসেবে পরিচিত স্লাইম মোল্ডের মতো অণুজীবদের ‘বুদ্ধিমান’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এক তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক সামান্থ সুব্রহ্মণ্যমের লেখা এক প্রতিবেদনে প্রাকৃতিক জগতে বুদ্ধিমত্তার প্রকৃত সংজ্ঞা নিয়ে এই বৈজ্ঞানিক মতভেদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের একটি দল মনে করছেন, কেবল মস্তিষ্ক বা জটিল স্নায়ুতন্ত্র থাকলেই কোনো জীবকে বুদ্ধিমান বলা যাবে—এমন…
অনুসন্ধান ও বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
আপাতদৃষ্টে অত্যন্ত সরল হিসেবে পরিচিত স্লাইম মোল্ডের মতো অণুজীবদের ‘বুদ্ধিমান’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এক তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক সামান্থ সুব্রহ্মণ্যমের লেখা এক প্রতিবেদনে প্রাকৃতিক জগতে বুদ্ধিমত্তার প্রকৃত সংজ্ঞা নিয়ে এই বৈজ্ঞানিক মতভেদের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
বিজ্ঞানীদের একটি দল মনে করছেন, কেবল মস্তিষ্ক বা জটিল স্নায়ুতন্ত্র থাকলেই কোনো জীবকে বুদ্ধিমান বলা যাবে—এমন ধারণা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। স্লাইম মোল্ডের মতো এককোষী জীবগুলো মস্তিষ্কহীন হওয়া সত্ত্বেও নানা জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।
এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মানুষের সনাতন দৃষ্টিভঙ্গিকে পুনর্বিবেচনা করা। বিজ্ঞানীরা দেখার চেষ্টা করছেন, কোনো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ছাড়াই কীভাবে এই অণুজীবগুলো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয় এবং খাবার খোঁজার ক্ষেত্রে কৌশলগত আচরণ প্রদর্শন করে।
অন্যদিকে, বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের একটি অংশ এই ধরনের জীবকে ‘বুদ্ধিমান’ বলতে নারাজ। তাঁদের মতে, কোনো জীবের অভিযোজনক্ষমতা বা স্বয়ংক্রিয় আচরণকে বুদ্ধিমত্তা হিসেবে আখ্যা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি বুদ্ধিমত্তার মূল বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞাকে হালকা করে দিতে পারে।
এই বিতর্কের ফলাফল কেবল অণুজীব গবেষণাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি পুরো প্রাকৃতিক জগৎ সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়া এবং সেই জগতে মানুষের নিজস্ব অবস্থান ও শ্রেষ্ঠত্বের ধারণাকে নতুন করে রূপ দিতে পারে।
বিজ্ঞানের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে তৈরি বিশেষ অডিও পডকাস্টে মূল প্রতিবেদনটি পাঠ করেছেন নিখিল সেন। প্রাকৃতিক জগতের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের এই বিরোধ ভবিষ্যতে প্রাণবিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
Technology ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্নওয়াই-ফাই প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতির সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও কার্যকর হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন প্রজন্মের ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি চালু থাকলেও ওয়াই-ফাই ৫ এবং ওয়াই-ফাই ৬-এর মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ওয়াই-ফাই ৫ স্ট্যান্ডার্ডটি ২০১৩ সালে ওয়াই-ফাই Alliance দ্বারা প্রথমবারের মতো পরিচিতি পেয়েছিল। এটি প্রযুক্তিগতভাবে ৮০২.১১এসি (802.11ac) নামে পরিচিত। কারিগরি দিক থেকে দেখতে গেলে এই স্ট্যান্ডার্ডটি বেশ পুরোনো হলেও এখনো…
Technology ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতির সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও কার্যকর হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন প্রজন্মের ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি চালু থাকলেও ওয়াই-ফাই ৫ এবং ওয়াই-ফাই ৬-এর মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়াই-ফাই ৫ স্ট্যান্ডার্ডটি ২০১৩ সালে ওয়াই-ফাই Alliance দ্বারা প্রথমবারের মতো পরিচিতি পেয়েছিল। এটি প্রযুক্তিগতভাবে ৮০২.১১এসি (802.11ac) নামে পরিচিত। কারিগরি দিক থেকে দেখতে গেলে এই স্ট্যান্ডার্ডটি বেশ পুরোনো হলেও এখনো অনেক নতুন ডিভাইসে ওয়াই-ফাই ৫-এর সাপোর্ট বা সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, ওয়াই-ফাই ৬ হলো অপেক্ষাকৃত একটি নতুন এবং উন্নত প্রযুক্তি। ওয়াই-ফাই Alliance ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওয়াই-ফাই ৬ স্ট্যান্ডার্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে। এই প্রযুক্তিটির প্রাতিষ্ঠানিক নাম ৮০২.১১এএক্স (802.11ax)। বর্তমানে বাজারে থাকা বেশিরভাগ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে ওয়াই-ফাই ৬-এর সুবিধা সংযুক্ত করা হচ্ছে।
প্রযুক্তির এই আধুনিক সংস্করণে হাই-ব্যান্ডউইথের কাজগুলো খুব সহজে পরিচালনা করা সম্ভব। ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তিতে তাত্ত্বিকভাবে সর্বোচ্চ ৯.৬ জিবিপিএস (9.6Gbps) পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব। যদিও ব্যবহারিক বা বাস্তব ক্ষেত্রে ডিভাইসের কার্যক্ষমতার ওপর নির্ভর করে ইন্টারনেটের এই গতি কিছুটা কম হতে পারে।
তা সত্ত্বেও, ওয়াই-ফাই ৫-এর তুলনায় ওয়াই-ফাই ৬ অনেক বেশি কার্যকরী ও শক্তিশালী। অনলাইনে কমপিটিটিভ গেম খেলা, উচ্চমানের হাই-ডেফিনিশন (HD) কনটেন্ট বা ভিডিও দেখা এবং একই সাথে একাধিক বড় ফাইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই ৬ অত্যন্ত চমৎকার পারফরম্যান্স প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, ওয়াই-ফাই ৬-এর পর আরও একটি নতুন ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি বাজারে এসেছে। ২০২৪ সালে ওয়াই-ফাই ৭ স্ট্যান্ডার্ড চালু করা হয়েছে, যা বর্তমানে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির সবচেয়ে উন্নত সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখনো ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তির ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।
Sports ডেস্ক: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্নউয়েফা নেশন্স লিগে নিজেদের ঘরের মাঠে এক বিধ্বংসী জয়ের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবার প্রতিপক্ষের মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হ্যারি কেন ও বুকায়ো সাকার অসাধারণ নৈপুণ্যে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা।পুরো ম্যাচ জুড়েই নিজেদের একক আধিপত্য বজায় রাখে সফরকারী ইংল্যান্ড। ক্রোয়েশিয়া দলের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে তাদের দিশেহারা করে তোলে দলটির ফরোয়ার্ডরা। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল…
Sports ডেস্ক: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ন
উয়েফা নেশন্স লিগে নিজেদের ঘরের মাঠে এক বিধ্বংসী জয়ের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবার প্রতিপক্ষের মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হ্যারি কেন ও বুকায়ো সাকার অসাধারণ নৈপুণ্যে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা।
পুরো ম্যাচ জুড়েই নিজেদের একক আধিপত্য বজায় রাখে সফরকারী ইংল্যান্ড। ক্রোয়েশিয়া দলের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে তাদের দিশেহারা করে তোলে দলটির ফরোয়ার্ডরা। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল তারা।
ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেন এবং উইঙ্গার বুকায়ো সাকা দুইজনেই ছিলেন অনন্য ফর্মে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে তাঁরা উভয়ই জোড়া গোল নিশ্চিত করেন, যা ইংল্যান্ডকে এক বিশাল জয়ের দিকে নিয়ে যায়।
ক্রোয়েশিয়ার জন্য ঘরের মাঠের এই হার ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক। সফরকারীদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে তারা পুরো ম্যাচেই কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। অন্যদিকে ইংল্যান্ড পুরো তিন পয়েন্ট অর্জনের পাশাপাশি বড় ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
Technology ডেস্ক: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্নভারতে শুরু হতে যাচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভ্যাল সেল ২০২৬ এবং ফ্লিপকার্ট বিগ বিলিয়ন ডেজ সেল ২০২৬। এই উৎসবকালীন সেল চলাকালে ক্রেতারা ৯০ হাজার ভারতীয় রুপির মধ্যে চমৎকার সব ল্যাপটপ কেনার সুযোগ পাবেন।গেমিং ও সাধারণ কাজের জন্য নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক কার্ডের ডিসকাউন্ট এবং সেল চলাকালীন অফার কাজে লাগিয়ে ৯০ হাজার রুপির চেয়ে কিছুটা বেশি দামের মডেলগুলোও…
Technology ডেস্ক: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
ভারতে শুরু হতে যাচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভ্যাল সেল ২০২৬ এবং ফ্লিপকার্ট বিগ বিলিয়ন ডেজ সেল ২০২৬। এই উৎসবকালীন সেল চলাকালে ক্রেতারা ৯০ হাজার ভারতীয় রুপির মধ্যে চমৎকার সব ল্যাপটপ কেনার সুযোগ পাবেন।
গেমিং ও সাধারণ কাজের জন্য নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক কার্ডের ডিসকাউন্ট এবং সেল চলাকালীন অফার কাজে লাগিয়ে ৯০ হাজার রুপির চেয়ে কিছুটা বেশি দামের মডেলগুলোও এই বাজেটে কেনা সম্ভব হবে।
গেমিং প্রেমীদের জন্য এই বাজেটে অন্যতম পছন্দ হতে পারে এসার অ্যাসপায়ার ৭ (২০২৬)। এটি ৯০ হাজার রুপির মধ্যে সেরা গেমিং ল্যাপটপগুলোর একটি। বর্তমানে ডিভাইসটি কিছুটা বেশি দামে তালিকাভুক্ত থাকলেও অফার ও কার্ড ডিসকাউন্ট যুক্ত করে এটি নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যেই নেওয়া যাবে।
উৎপাদনশীলতা বা পেশাদারি কাজের ওপর জোর দিতে চাইলে রয়েছে আসুস ভিভোবুক ১৬ (২০২৬)। আসুসের পক্ষ থেকে বাজারজাত করা নতুন এই ল্যাপটপটি মূলত প্রডাক্টিভিটি-কেন্দ্রিক কাজের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
পাশাপাশি তালিকায় রয়েছে এইচপি ১৫ (২০২৫)। গত বছর ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া এই মডেলটি টেক জায়ান্ট এইচপির বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় নম্বরড লাইনআপের একটি নতুন সংস্করণ।
অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টের এই বিগ সেলে ক্রেতারা এসব ডিভাইসের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়, ক্যাশব্যাক সুবিধা এবং নো-কস্ট ইএমআই সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্নইউরোপের সরকারি বন্ড বাজারে তীব্র অস্থিরতার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ১৫ বছর আগের ইউরো অঞ্চলের ঋণ সংকটের স্মৃতি ফিরে আসছে। তবে এবার সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউরো অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ফ্রান্স। প্যারিসের রাজকোষীয় অবস্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের গভীর উদ্বেগের কারণে ফরাসি সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক বন্ড বিক্রির ঝড়ের মধ্যে ফ্রান্স ও জার্মানির ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের আয়ের ব্যবধান ২০১২ সালের পর সর্বোচ্চ…
Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
ইউরোপের সরকারি বন্ড বাজারে তীব্র অস্থিরতার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ১৫ বছর আগের ইউরো অঞ্চলের ঋণ সংকটের স্মৃতি ফিরে আসছে। তবে এবার সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউরো অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ফ্রান্স। প্যারিসের রাজকোষীয় অবস্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের গভীর উদ্বেগের কারণে ফরাসি সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক বন্ড বিক্রির ঝড়ের মধ্যে ফ্রান্স ও জার্মানির ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের আয়ের ব্যবধান ২০১২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া এই শঙ্কার কারণে সম্প্রতি ফ্রান্সের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের (ওএটি) মুনাফার হার বা ইয়েল্ড ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে লাফিয়ে ওঠে। যদিও পরবর্তীতে বিক্রি কমায় এই হার কিছুটা নেমে আসে। ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দেশটির রেকর্ড পরিমাণ পাবলিক ডেট বা সরকারি ঋণের কারণে বিনিয়োগকারীরা ফরাসি বন্ড থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ডয়চে ব্যাংকের কৌশলবিদ জিম রিড জানান, ফ্রান্স ও জার্মানির ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের ব্যবধান এক দিনে ১৩.৯ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে, যা ২০২০ সালের মার্চে কোভিড মহামারীর পর এক দিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।
বাজারের এই তীব্র অস্থিরতা কাটাতে ফরাসি সরকার আগামী বছরের বাজেটে ৪,৩০০ কোটি (৪৩ বিলিয়ন) ইউরো সমপরিমাণ ব্যয় হ্রাস এবং কর বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। এই প্রস্তাবিত পরিকল্পনার অধীনে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানো, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও পেনশনের সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে ব্যয় গতি কমানো হবে, পাশাপাশি করের বোঝা বাড়ানো হবে। ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী রোল্যান্ড লেসকিউর জানান, ঘাটতি কমানোর পথে দেশকে ফেরানো অত্যন্ত জরুরি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিকল্পনা সত্ত্বেও আগামী বছর ফ্রান্সের বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশে বজায় থাকবে। আইএনজি-র বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে এই ঘাটতি জিডিপির ১১৯ শতাংশে পৌঁছানো জাতীয় ঋণকে স্থিতিশীল করতে সক্ষম হবে না, ফলে ফরাসি বন্ডের ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।
প্যারিসের এই সংকট ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোর বিনিময় মূল্য এবং পুরো ইউরো অঞ্চলেও। আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে ইউরোর মান কমে ১৭ মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে এবং এক পর্যায়ে তা ১.১২১৪ ডলারে গিয়ে ঠেকে। সুইসকোটের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ইপেক ওজকারদেসকায়া জানান, ফ্রান্সের ঋণের প্রতি বাজারের অনীহা পুরো ইউরো অঞ্চলের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। অন্যান্য ঋণে জর্জরিত দেশগুলোরও ঋণ নেওয়ার খরচ বেড়ে যেতে পারে, যা আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করবে।
একই সাথে যুক্তরাজ্যেও সরকারি বন্ডের আয়ের হার কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছানোর ফলে সরকারের বাজেটে যে রাজকোষীয় সুরক্ষা বা 'ফিসকাল বাফার' ছিল তা অর্ধেকের মতো কমে যেতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা ধারণা করছেন। তবে অর্থনীতিবিদ লর্ড ও'নিল মন্তব্য করেছেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার মধ্যে তড়িঘড়ি কর না বাড়িয়ে সাময়িকভাবে ছোট বাজেট বাফার মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০১.১৯ ডলারে নামায় বৈশ্বিক বন্ড বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ইউবিএস গ্লোবাল ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা মার্ক হায়েফেল মনে করেন, বন্ড বাজারের এই পতন নির্দিষ্ট কিছু উচ্চমানের বন্ডে নতুন বিনিয়োগের আকর্ষণীয় সুযোগ তৈরি করছে। এদিকে ইউরো অঞ্চলের সেপ্টেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ কর্মসংস্থান রিপোর্টের দিকে এখন নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা, যা মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
@pothiktv · Member
A quick introduction for the PothikTV community.
An active member of the Pothik Network. News, opinions, articles, and community updates appear here.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুণ্যভূমি মাছিয়াতা দরবার শরীফে অত্যন্ত আধ্যাত্মিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, আউলাদে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উজ্জ্বল নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ছাইয়্যেদুল আউলিয়া হযরত মাওলানা শাহ্ ছৈয়দ ইয়াকুব আলী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর ১০২তম পবিত্র ওরশ শরীফ। ২২ মে ২০২৫ খ্রিঃ বৃহস্পতিবার থেকে এই পবিত্র ওরশ শরীফ শুরু হয় এবং শুক্রবার ৯ই জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত আধ্যাত্মিকতা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মাজার শরীফে পবিত্র কুরআন শরীফ খতমের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুণ্যভূমি মাছিয়াতা দরবার শরীফে অত্যন্ত আধ্যাত্মিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, আউলাদে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উজ্জ্বল নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ছাইয়্যেদুল আউলিয়া হযরত মাওলানা শাহ্ ছৈয়দ ইয়াকুব আলী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর ১০২তম পবিত্র ওরশ শরীফ।
২২ মে ২০২৫ খ্রিঃ বৃহস্পতিবার থেকে এই পবিত্র ওরশ শরীফ শুরু হয় এবং শুক্রবার ৯ই জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত আধ্যাত্মিকতা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মাজার শরীফে পবিত্র কুরআন শরীফ খতমের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয় মিলাদ শরীফ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল, যেখানে হাজারো আশেক-ভক্তের দরুদ-সালামের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে দরবার প্রাঙ্গণ।
বাদ মাগরিব অনুষ্ঠিত হয় জিকির-আজকার এবং বাদ এশা ওয়াজ ও নছিয়তের মাহফিল, যেখানে দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম হৃদয়ছোঁয়া আলোচনার মাধ্যমে আলোর বার্তা ছড়িয়ে দেন উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে।
পরদিন শুক্রবার ফজরের নামাজের পর থেকে চলে বিশেষ জিকির ও তালিমের আসর। সবশেষে আখেরী মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও হেদায়েত কামনা করা হয় এবং তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে ওরশের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটে।
এই মহতী আয়োজনে অংশ নিতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজারো আশেক-ভক্ত মাছিয়াতা দরবারে ছুটে আসেন। মাছিয়াতা দরবার শরীফ পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়। পুরো দরবার এলাকা পরিণত হয় আধ্যাত্মিক এক নূরের বাগানে, যেখানে মিশে থাকে ভালোবাসা, ভক্তি ও শান্তির সুবাতাস।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাছিয়াতা দরবার শরীফের ইতিহাস প্রায় তিন শতাধিক বছরের। এটি আউলাদে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গৌরবময় শাজরার একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা, যার উজ্জ্বল নেতৃত্বে ছিলেন সিপাহসালার ছৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহঃ)।
এই দরবারের মহান অলিদের মধ্যে রয়েছেন ছাইয়্যেদুল উলামা আলা হযরত মাওলানা শাহ ছৈয়দ কুতুবুর রহমান (রহঃ) ও ছাইয়্যেদুল আছফিয়া আ'লা হযরত মাওলানা শাহ ছৈয়্যদ আবু ছালেহ (রঃ)। তাঁদের নাতি, বর্তমান সময়ের প্রখ্যাত মোহাদ্দিস ও আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ, আল্লামা শাহ্ সূফী ছৈয়্যদ জাফরুল কুদ্দুছ গালেব সাহেব এই পবিত্র ওরশ শরীফে দরবারের আশেকানদের সঙ্গে সরাসরি সময় দিয়ে তাঁদের অন্তরের খোরাক জুগিয়েছেন।
মাছিয়াতা দরবার শরীফের এই ওরশ শরীফ কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ছিল আধ্যাত্মিক উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধের চর্চা এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহলে বায়তের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রকাশের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। এই ঐতিহাসিক ওরশের মাহাত্ম্য শুধু সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা চিরকাল ভক্ত-আশেকদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।
রাত্রির অন্ধকার কাটিয়ে ভোরের আলো ধীরে ধীরে গ্রামটাকে জাগিয়ে তুলছিল। চারপাশে একরাশ কুয়াশা, যেন প্রকৃতি নিজের শরীর জড়িয়ে রেখেছে শুভ্র চাদরে। বটগাছের পাতায় শিশিরের ঝিকিমিকি, পাখিরা ডানা মেলছে নতুন দিনের গান গাওয়ার আশায়। এমন ভোরে শহরফেরা নির্ময় হাঁটছে ধানক্ষেতের আল ধরে। সে এসেছে এখানে তার দাদাবাড়িতে, বহু বছর পর। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে ছুটি নিয়ে, নিজের হারিয়ে যাওয়া সত্তাকে খুঁজতে। কবিতা আর নিঃসঙ্গতার এক কাব্যিক যাত্রী সে। জীবনে অনেক কিছু…
রাত্রির অন্ধকার কাটিয়ে ভোরের আলো ধীরে ধীরে গ্রামটাকে জাগিয়ে তুলছিল। চারপাশে একরাশ কুয়াশা, যেন প্রকৃতি নিজের শরীর জড়িয়ে রেখেছে শুভ্র চাদরে। বটগাছের পাতায় শিশিরের ঝিকিমিকি, পাখিরা ডানা মেলছে নতুন দিনের গান গাওয়ার আশায়। এমন ভোরে শহরফেরা নির্ময় হাঁটছে ধানক্ষেতের আল ধরে।
সে এসেছে এখানে তার দাদাবাড়িতে, বহু বছর পর। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে ছুটি নিয়ে, নিজের হারিয়ে যাওয়া সত্তাকে খুঁজতে। কবিতা আর নিঃসঙ্গতার এক কাব্যিক যাত্রী সে। জীবনে অনেক কিছু পেয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা... সে এখনো অধরা।
নদীর পাশের সেই ছোট্ট বাঁকের কাছেই নির্ময় প্রথম দেখে তাকে।
সে – অর্ণা।
সাদা শাড়িতে, কাঁধে একটি ছোট ঝুড়ি। চুল খোলা, চোখে অদ্ভুত এক দীপ্তি। সে ঝুঁকে ফুল তুলছে ঘাসের মধ্যে থেকে, যেন প্রকৃতিই তার হাতে ধরা দিচ্ছে। নির্ময়ের পা হঠাৎ থেমে যায়। সে যেন কোনো চিত্রকরের ক্যানভাসে আটকে গেছে।
অর্ণা হঠাৎ পেছনে ঘুরে তাকায়।
দৃষ্টি বিনিময় হয়। এক মুহূর্তে সময় যেন থমকে দাঁড়ায়।
— “আপনি কি আমার দিকে এতক্ষণ তাকিয়ে আছেন?”
— “হ্যাঁ, প্রকৃতিকে দেখছিলাম, আপনি তো তারই একটা অংশ।”
অর্ণা হেসে ওঠে। সে হাসি ছিলো না মানুষের, যেন পাখির হাসি। নির্ময় জীবনে এত স্বচ্ছ, মুক্ত হাসি কখনো শোনেনি।
— “আপনি শহরের মানুষ, না?”
— “হ্যাঁ, কিন্তু নিজেকে প্রকৃতির মানুষ ভাবতেই ভালো লাগে। এখানে এসেছি একটু নিঃশ্বাস নিতে।”
— “তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন,” বলে সে, আরেকটা ফুল তার ঝুড়িতে রাখে।
কিছুক্ষণ তারা হাঁটে। অর্ণা ফুল চিনিয়ে দেয় — চামেলি, গাঁদা, শিউলি। নির্ময় শুনতে শুনতে ভুলে যায় সকাল হয়ে গেছে। পাখিদের ডাক, দিগন্তে ওঠা সূর্য, আর পাশে হেঁটে চলা এই মেয়ে — সবকিছু মিলিয়ে যেন কবিতার এক পঙ্ক্তির মতো হয়ে উঠছে এই সকাল।
— “আপনার নাম?”
— “নির্ময়। আপনার?”
— “অর্ণা। আমি এই নদীর মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই এর স্রোতের সঙ্গে বড় হয়েছি।”
নির্ময়ের মনে হলো, এই নদী, এই আলো, এই হাওয়া — সবই যেন অর্ণাকে গড়ে তুলেছে। সে তার দিকে তাকিয়ে ভাবল, “এত সুন্দর করে কেউ হেঁটে যেতে পারে?”
যেদিকে সে চলে যায়, যেন বাতাসও পিছনে পিছনে চলে।
অর্ণা বিদায় জানিয়ে চলে যায় বাঁশঝাড়ের পথে। নির্ময় তার চলার দৃষ্টিপথে তাকিয়ে থাকে অনেকক্ষণ। কুয়াশা আস্তে আস্তে গায়েব হয়, কিন্তু নির্ময়ের চোখে জমে থাকে এক নতুন রঙের আলো।
সে জানে না, এই মেয়েটি তার জীবনে কী নিয়ে আসবে — প্রেম, না ব্যথা। কিন্তু সে এটুকু জানে — এই সকালে সে ভালোবেসে ফেলেছে একজনকে, যার নাম অর্ণা।
পর্ব: ২
সকালের সেই পরিচয়ের পর থেকে অর্ণা ও নির্ময়ের দেখা প্রায় প্রতিদিনই হতে লাগল। কখনো পুকুরপাড়ে, কখনো ধানক্ষেতের আলে, আবার কখনো গোধূলি বেলায় নদীর পাড়ে। তাদের আলাপ যেন গাছের পাতার মতো ধীরে ধীরে খুলে যাচ্ছিল—একেকটা প্রশ্ন, একেকটা হাসি, একেকটা কবিতা… একেকটা পাতা।
এক দুপুরে, চৈত্রের খর রোদ মাথায় নিয়ে অর্ণা বলল—
— “আজ তোমায় আমার প্রিয় জায়গাটা দেখাব।”
নির্ময় হাঁসলো।
— “তুমি বললেই যাই। রোদ যেমনই থাক, পাশে তুমি থাকলেই সব ঠাণ্ডা লাগে।”
তারা হাঁটতে লাগল বাঁশঝাড়ের ভেতর দিয়ে। পাখিরা ডাকছিল দূরে, কোথাও একঝাঁক প্রজাপতি ওড়ার শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল হাওয়ার মাঝে। তারা এক সময় গিয়ে দাঁড়াল এক ঢালু মাঠে, যেখান থেকে দিগন্ত দেখা যায়।
— “এই জায়গায় এসে আমি প্রতিদিন বসি। ছায়ায় বসে হাওয়া শুনি, মাটির গন্ধ নিই। এখানেই আমার সবচেয়ে নিজের মতো লাগে।”
নির্ময়ও বসে পড়ে। বাতাসে তার চুল উড়ে যাচ্ছে, অর্ণার চোখে সেই দৃশ্যের প্রতিফলন পড়ে।
— “তুমি কি সবকিছুকে এত গভীরভাবে দেখো?”
— “আমি কবি, অর্ণা। আমার দেখা মানেই শুধু চোখ দিয়ে নয়। আমি অনুভব করি।”
অর্ণা হেসে উঠে পাশে বসে। গলায় ওড়না পড়ে গেছে খোলা ঘাসে। নির্ময় সেটা তুলে দেয়। তাদের আঙুল ছুঁয়ে যায় এক মুহূর্তের জন্য। স্পর্শটা ছোট, কিন্তু যেন একটা রেশ রেখে যায় হৃদয়ের গহীনে।
নির্ময়ের চোখ পড়ে অর্ণার কাঁধে—এক পুরনো দাগ।
সে কিছু জিজ্ঞেস করে না, কিন্তু অর্ণা নিজেই বলে ওঠে—
— “ছোটবেলায় একবার আগুন লেগেছিল ঘরে। আমি বোনকে বাঁচাতে গিয়ে পুড়ে যাই। মা সেই আগুনেই... হারিয়ে যান।”
নির্ময়ের বুক কেঁপে ওঠে।
— “তোমার ভেতর এত আলো, অথচ কতো অন্ধকার পেরিয়ে এসেছো!”
— “আলো না থাকলে তো আঁধার এত স্পষ্ট হতো না,” অর্ণা ধীরে বলে।
এই কথায় নির্ময় আরও আকৃষ্ট হয়। সে অনুভব করে, সে কেবল অর্ণার রূপে নয়, তার গভীরতায় ভালোবেসে ফেলেছে।
এক দুপুর তারা হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যায়। মেঘ ছিল না, কিন্তু এক ঝাপসা, হঠাৎ আসা বর্ষা নামে মাঠে। অর্ণা দু’হাত ছড়িয়ে দাঁড়ায়, হেসে বলে—
— “এই বৃষ্টি আমাকে মনে করায়, জীবনে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হয়। সুখ আসবে হঠাৎ করে, ঠিক এই বৃষ্টির মতো।”
নির্ময় তাকিয়ে থাকে—একজন নারী, যাকে বৃষ্টি ভিজিয়ে দিচ্ছে, যার চোখে আনন্দ, শরীরে রূপ, আর মনের গভীরে একটা অতল প্রেম।
সে হঠাৎ করে বলে ফেলে—
— “অর্ণা, আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
অর্ণা একটু থামে, তাকায়।
তার চোখে ভয়, বিস্ময়, আর এক চিলতে আনন্দ।
— “তুমি জানো না, নির্ময়… আমার জীবনে ভালোবাসা মানে জটিলতা। আমি মুক্ত আকাশের পাখি, আর তুমি... তুমি আমার গাছের শিকড়ের মতো। তুমি চাও আমাকে ধরে রাখতে, আর আমি... উড়তে চাই। তুমি পারবে?”
নির্ময় চুপ করে। সে বোঝে, এই প্রেম সহজ হবে না। কিন্তু তার হৃদয় বলে—
— “যদি তুমি উড়ো, আমি আকাশ হবো। যদি তুমি হারিয়ে যাও, আমি অপেক্ষা করবো নদীর তীরে। শুধু কথা দাও, কখনো একেবারে চলে যেও না।”
অর্ণা কিছু বলে না। কেবল হেঁটে চলে যায় কুয়াশা ভেজা বৃষ্টির মধ্যে, গাছের পাতার ফাঁকে রোদ আর জলের খেলা যেমন হয়।
নির্ময় দাঁড়িয়ে থাকে।
এই প্রেম—সে জানে—কবিতার মতোই হবে। হয়তো পাওয়া হবে না, তবুও রচতে হবে তাকে, প্রতিদিন।
পর্ব-৩
গোধূলি নেমে এসেছে। সূর্য একদিকে নেমে যাচ্ছে, অন্যদিকে আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে কমলা আর হালকা বেগুনি আলো। পাখিরা নীড়ে ফিরছে, বাতাসে একটা বিষণ্ণ সুর।
নির্ময় দাঁড়িয়ে আছে সেই পুরোনো বাঁশঝাড়ের নিচে। তার চোখ পেরিয়ে যাচ্ছে নদীর ওপারে, যেখানে অর্ণা হেঁটে আসছে ধীরে ধীরে। সাদা জামা, নীল ওড়না—এক ধরনের শান্ত সৌন্দর্য, যেন সে প্রকৃতিরই পাঠশালা থেকে বেরিয়ে এসেছে।
— “তুমি তো বলেছিলে একদিন, যদি আমি উড়ি, তুমি আকাশ হবে।”
অর্ণা বলে।
— “হ্যাঁ, আজও বলি,” নির্ময়ের কণ্ঠ স্থির।
অর্ণা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। তারপর বলে—
— “তবে আজ আমি বলবো—আমি তোমাকে ভালোবাসি। পুরোটা মন দিয়ে। তবে তোমার ভালোবাসায় আমি ভয় পাই।”
নির্ময় বিস্মিত হয়।
— “ভয় কেন?”
— “কারণ তুমি চাও আমাকে আগাগোড়া। আর আমি জানি, আমার কিছু অংশ আজও অন্য কোথাও আটকে আছে—আমার অতীতে, সমাজের ভয়ে… আমি সবটুকু হয়ে উঠিনি আজও।”
নির্ময় চুপ। চোখে জল এসে পড়ে। সে এগিয়ে গিয়ে অর্ণার কাঁধে হাত রাখে।
— “ভালোবাসা কোনো বাঁধা নয়, অর্ণা। এটা আশ্রয়।”
অর্ণা হেসে ফেলে, কিন্তু সেই হাসিতে বিষাদ মেশানো।
— “তুমি কবিতা লেখো, নির্ময়। তাই ভালোবাসাকে এত সহজ করে বলো। কিন্তু বাস্তবতা জানে না কবিতা।”
এক পলক চুপচাপ বসে থাকে তারা। দূরে বাঁশপাতা নড়ে, জোনাকির আলো ফুটি ফুটি করে জ্বলতে শুরু করেছে।
অর্ণা ধীরে বলে—
— “আমার এক আপনজনের হার্টের অপারেশন। শহরে যেতে হবে। থাকতে হবে কিছুদিন। আমি ঠিক জানি না কবে ফিরবো। বা আদৌ ফিরবো কিনা।”
নির্ময়ের বুকের ভিতর কেঁপে ওঠে। সে বহুদিন ধরে যা ভয় পাচ্ছিল, তা যেন আজ সত্যি হলো।
— “তোমার চলে যাওয়া মানে আমার হেরে যাওয়া। তুমি যদি না থাকো, কবিতার ভাষা শুকিয়ে যাবে আমার।”
অর্ণা চোখে চোখ রাখে।
— “তোমার কবিতা আমাকেই ধরে রাখুক। তুমি লিখো আমার জন্য, নির্ময়। যদি তোমার কলম আমার নাম ভুলে না যায়, আমি একদিন ফিরবো। যদি প্রকৃতি আমাকে ফিরিয়ে আনে।”
অর্ণা চলে যায়। নির্ময় দাঁড়িয়ে থাকে বৃষ্টির মতো নীরব সন্ধ্যায়। ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকছে, নদী বইছে, আকাশে চাঁদ উঠেছে—কিন্তু তার বুকের ভিতর এক বিষণ্ন নীরবতা।
তার জীবনের সবচেয়ে আলো ঝলমলে সন্ধ্যাটি শেষ হয়ে গেল এক অন্ধকার বার্তার মধ্যে।
সেই রাতে সে লিখে—
"তুমি চলে যাও, আমি তোমার পায়ের শব্দ শুনে
নদীর ওপারে দাঁড়িয়ে থাকবো।
তুমি ফিরলে, বাতাস বলবে আমায়,
আর আমি কবিতা হয়ে বসে থাকবো তোমার অপেক্ষায়।"
পর্ব- ৪
রাত গভীর হয়। চারপাশে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। বটগাছের পাতা আর নড়ে না, কুয়াশা নদীর ওপার ঢেকে রাখে। জোনাকির আলো ফুরিয়ে গেছে।
নির্ময় এখন একা।
অর্ণা চলে যাওয়ার পর সে আর কারো সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলে না। গ্রামের মানুষ ভাবে, শহরের ছেলে হয়তো মন কষেছে গ্রামীণ জীবনের একঘেয়েমিতে। কেউ জানে না, তার ভেতর প্রতিদিন জ্বলছে এক নিঃশব্দ আগুন—অর্ণার স্মৃতি।
তার ঘরজুড়ে ছড়িয়ে অর্ণার ছোঁয়া—একটা শুকনো ফুল, অর্ধেক লেখা কবিতা, নদীর পাড়ে পাওয়া পাথর। প্রতিটি বস্তু একেকটি পেইনটিং-এর মতো মনে করিয়ে দেয় তার অনুপস্থিতি।
প্রতিদিন সন্ধ্যায় সে যায় সেই ঢালু মাঠে। চুপ করে বসে। তার পকেটে থাকে ডায়েরি, কলম।
সে লিখে,
"তুমি কি সুখে আছো অর্ণা?
তোমার আঙুলে কি অন্য কারো হাত জড়িয়ে আছে এখন?
তোমার চোখে কি আমি একফোঁটা আবছা ছায়া হয়েও রইলাম?"
প্রতিটা দিন সে ভাবে, অর্ণা একদিন ফিরে আসবে। কিন্তু সময় যায়, মৌসুম বদলায়। গ্রীষ্ম আসে, বর্ষা আসে, শিউলি ঝরে পড়ে।
তবুও সে অপেক্ষা করে।
একদিন নদীর পাড়ে সে শোনে গ্রামের রথেশ কাকা বলছে—
— “ও অর্ণা? শুনেছি শহরে আবার বিয়ে করেছে। এক ডাক্তার সাহেব নাকি। ভালোই আছে সে।
নির্ময়ের বুকের ভিতর হাহাকার ওঠে। সে চুপ থাকে। কথা বলে না, প্রশ্ন করে না। শুধু নদীর দিকে তাকিয়ে থাকে, যেন জলের ঢেউ কিছু উত্তর দেবে তাকে।
সেই রাতে সে বসে কবিতা লেখে না। সে চুপ করে আকাশের দিকে তাকায়।
তার মনে পড়ে, অর্ণা বলেছিল—
“ভালোবাসা মানে মুক্তি, না বন্ধন?”
সেই প্রশ্নের উত্তর আজও তার কাছে নেই। কিন্তু সে জানে—
ভালোবাসা তার ভেতর থেকে যায়, চিরকাল। না পাওয়া ভালোবাসা সবচেয়ে বেশি স্থায়ী।
সে ভাবে,
“যদি অর্ণা আজ সত্যিই অন্য কারো হাত ধরে থাকে, তবুও আমি তাকে দোষ দিই না।
সে যেভাবে ভালোবেসেছিল, ততটা পায়নি কোনোদিন হয়তো। আমি শুধু কবিতায় তাকে বাঁচিয়ে রাখলাম।”
রাত আরও গভীর হয়।
নির্ময় তার বিছানায় শুয়ে পড়ে। চোখের কোণে জল জমে। ঘরের বাতাসে এখনও হালকা চামেলি ফুলের গন্ধ—যেটা অর্ণা দিয়েছিল এক দুপুরে।
শেষবার সে ডায়েরি খুলে লেখে—
“আমি অপেক্ষা করি না আর।
আমি এখন শুধু লিখি,
কারণ তুমি আমার জীবনে প্রেম ছিলে,
আর আমি তোমার জীবনে বিরহ।”
বাইরে পূর্ণিমা চাঁদ উঠেছে।
হৃদয়ে প্রেম এসেছিল ধীরে, কুয়াশার মতো। সে জমেছিল দুপুরের উত্তাপে, ভিজেছিল বৃষ্টিতে, এবং হারিয়ে গিয়েছিল সন্ধ্যার আলোছায়ায়। কিন্তু প্রেমের স্মৃতি, প্রেমের কবিতা—এরা কখনো হারায় না। তারা বেঁচে থাকে… ঠিক নির্ময়ের মতো।
নয়াদিল্লি/ইসলামাবাদ, ১০ মে:ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বহুদিনের চিরশত্রুতা ফের ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ৯ মে রাত থেকে সীমান্তে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বিমান ও ড্রোন হামলা। ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে একটি গোপন অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি। এর জবাবে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে অন্তত ২৬টি স্থানে ড্রোন ও কামান হামলা চালিয়েছে। এতে…
নয়াদিল্লি/ইসলামাবাদ, ১০ মে:
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বহুদিনের চিরশত্রুতা ফের ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ৯ মে রাত থেকে সীমান্তে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বিমান ও ড্রোন হামলা। ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে একটি গোপন অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি।
এর জবাবে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে অন্তত ২৬টি স্থানে ড্রোন ও কামান হামলা চালিয়েছে। এতে ১২ জনের প্রাণহানি ও বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুদ্ধবিমান ও স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পাশে যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
এই অবস্থায়, ভারতে অন্তত ২৫টি বিমানবন্দর এবং পাকিস্তানে ১৩টি বেসামরিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১০০টির বেশি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এধরনের সংঘর্ষ শুধু দুই দেশের নিরাপত্তার জন্যই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র:
Wikipedia: 2025 India–Pakistan strikes
Aviation A2Z: India-Pakistan Tensions Affects Flights
বর্তমান যুগে অনলাইন মিডিয়া শুধু তথ্য পাওয়ার উৎস নয়, বরং মতামত প্রকাশ, অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সংযোগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ঠিক এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে www.pothiktv.com — একটি আধুনিক ও ইন্টার্যাকটিভ নিউজ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সাধারণ পাঠকরাও হতে পারেন তথ্যযোদ্ধা। পথিকটিভি তাদের ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত একাউন্ট তৈরির সুবিধা চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত ও কাস্টমাইজড অভিজ্ঞতা দেয়। 🔑 কিভাবে একাউন্ট তৈরি করবেন? পথিকটিভির ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করতে নিচের…
বর্তমান যুগে অনলাইন মিডিয়া শুধু তথ্য পাওয়ার উৎস নয়, বরং মতামত প্রকাশ, অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সংযোগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ঠিক এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে www.pothiktv.com — একটি আধুনিক ও ইন্টার্যাকটিভ নিউজ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সাধারণ পাঠকরাও হতে পারেন তথ্যযোদ্ধা।
পথিকটিভি তাদের ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত একাউন্ট তৈরির সুবিধা চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত ও কাস্টমাইজড অভিজ্ঞতা দেয়।
পথিকটিভির ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
ব্রাউজারে যান এবং টাইপ করুন www.pothiktv.com।
হোমপেজের উপরে ডান পাশে "Sign Up" বা "Register" নামের একটি অপশন পাবেন।
নাম
ইমেইল অ্যাড্রেস
পাসওয়ার্ড
মোবাইল নম্বর (ঐচ্ছিক)
প্রোফাইল ছবি (ঐচ্ছিক)
ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক বা মোবাইলে ওটিপি আসবে, তা কনফার্ম করলেই একাউন্ট তৈরি সম্পন্ন।
সাইন আপ শেষে আপনি “Login” করে নিজস্ব ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবেন।
আপনি আপনার আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করলে আপনার নিউজ ফিডে সেই বিষয়ের কনটেন্ট বেশি দেখাবে। এটি ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী নিউজ পড়ার অভিজ্ঞতা দেয়।
রেজিস্টার্ড ইউজাররা প্রতিবেদন বা ভিডিওর নিচে মন্তব্য করতে পারবেন এবং অন্যান্য পাঠকের মতামতের উত্তরও দিতে পারবেন। এটি একটি ইন্টার্যাকটিভ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।
পছন্দের সংবাদ বা ভিডিও আপনি সেভ করে রাখতে পারবেন “Bookmark” অপশনে, যা পরে পড়ার জন্য উপযোগী।
শেয়ার বাটনের মাধ্যমে ফেসবুক, টুইটার বা হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি পাঠাতে পারবেন।
আপনি চাইলে “Submit Your News” ফিচারের মাধ্যমে নিজের এলাকার খবর, ফটো বা ভিডিও সংবাদ আকারে জমা দিতে পারবেন। পথিকটিভি টিম যাচাই করে তা প্রকাশ করতে পারে।
নতুন সংবাদ, জরুরি আপডেট বা আপনার আগ্রহের টপিকের নোটিফিকেশন আপনি তাৎক্ষণিকভাবে পুশ নোটিফিকেশন বা ইমেইলের মাধ্যমে পেতে পারেন।
অনেক প্ল্যাটফর্মের মতোই পথিকটিভি হয়তো ব্যবহারকারীদের একটিভিটির উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট বা রিওয়ার্ড দেবে—যেমন বেশি শেয়ার, মন্তব্য বা রিপোর্ট পাঠানোয় বিশেষ পুরস্কার।
আপনার পাসওয়ার্ডটি জটিল ও ইউনিক রাখুন।
সন্দেহজনক ইমেইল বা লিংকে ক্লিক করবেন না।
"Two-factor authentication" থাকলে তা সক্রিয় করুন।
পথিকটিভি শুধুমাত্র সংবাদ পড়ার জায়গা নয়, বরং এটি হয়ে উঠছে একটি সক্রিয় নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। এখানে একাউন্ট খুলে আপনি কেবল তথ্যগ্রহীতা নন, বরং তথ্যপ্রদানকারী ও মতপ্রকাশকারী একজন সক্রিয় অংশীদার হয়ে উঠতে পারেন।
তাই এখনই রেজিস্টার করে যুক্ত হোন পথিকটিভি’র সঙ্গে, এবং সত্য ও সমাজ পরিবর্তনের পথে হোন একজন ডিজিটাল পথিক।
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল টুল আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি এর অসচেতন ও অবাধ ব্যবহার বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তি যে উপকার করে, সেই প্রযুক্তিই অজ্ঞান ও অযথা ব্যবহারে হয়ে উঠছে ধ্বংসের কারণ। যুব সমাজের উপর প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব ১. আসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যহানি ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব ও গেমিং-এর…
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল টুল আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি এর অসচেতন ও অবাধ ব্যবহার বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তি যে উপকার করে, সেই প্রযুক্তিই অজ্ঞান ও অযথা ব্যবহারে হয়ে উঠছে ধ্বংসের কারণ।
ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব ও গেমিং-এর প্রতি অতিমাত্রায় আসক্তি তরুণদের মধ্যে ঘুমের সমস্যা, একাকীত্ব, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা বাড়িয়ে তুলছে। এটি পড়ালেখা ও কাজের প্রতি মনোযোগ কমিয়ে দেয়।
প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা, অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দেখা বা গেম খেলা সময়ের এক ভয়ংকর অপচয়। এটি তাদের উৎপাদনশীলতা নষ্ট করে দেয় এবং লক্ষ্যহীন করে তোলে।
তরুণরা যখন প্রযুক্তির ব্যবহারে সচেতন নয়, তখন তারা সহজেই গুজব, মিথ্যা তথ্য বা চক্রান্তমূলক কনটেন্টে বিশ্বাস করে ফেলতে পারে। এটি সমাজে বিভ্রান্তি ও বিদ্বেষ ছড়ায়।
ইন্টারনেটে সহজলভ্য পর্নোগ্রাফি, সহিংসতা বা উগ্রবাদী কনটেন্ট তরুণদের মধ্যে নৈতিক অবক্ষয় ঘটায়। কিছু যুবক সাইবার বুলিং, হ্যাকিং বা প্রতারণার মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়ে।
ঘনঘন স্ক্রিন দেখা, অস্বাস্থ্যকর বসার ভঙ্গি, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া ও একটানা মোবাইল ব্যবহারের ফলে চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, ঘাড় ও মেরুদণ্ডের ব্যথা তৈরি হয়।
তরুণদের প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখাতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ডিজিটাল লিটারেসি কোর্স চালু করা দরকার। কিভাবে গুগল থেকে তথ্য যাচাই করতে হয়, কোন অ্যাপে কতটা সময় ব্যয় করা নিরাপদ—এসব জানতে হবে।
অভিভাবকরা যেন শুধুমাত্র বকাবকি না করে, বরং প্রযুক্তি ব্যবহারে গাইড করেন। সময় নির্ধারণ, অনলাইন অ্যাক্টিভিটির উপর নজরদারি এবং অফলাইনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোতে উৎসাহ দিতে হবে।
ডিজিটাল ওয়েলবিং অ্যাপ, স্ক্রিন টাইম কন্ট্রোলার, নির্দিষ্ট সময় পর নোটিফিকেশন বন্ধ করার মতো অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
তরুণরা যেন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভিডিও এডিটিং, কোডিং, ডিজাইন, লেখালেখি বা অনলাইন শেখার কাজে যুক্ত হয়। ইউটিউব বা ফেসবুকের কনজিউমার না হয়ে তারা যেন ক্রিয়েটর হয়।
ইন্টারনেটে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায়, ব্যক্তিগত তথ্য কিভাবে গোপন রাখতে হয়—এসব বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সরকারের উদ্যোগে ও বিভিন্ন এনজিও-র মাধ্যমে নিয়মিত কর্মশালার আয়োজন জরুরি।
প্রযুক্তি একটি নিরপেক্ষ মাধ্যম—এটি আমাদের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে আবার অভিশাপও। এর ব্যবহার নির্ভর করে ব্যবহারকারীর সচেতনতার উপর। যুব সমাজকে যদি সময়মতো প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখানো যায়, তবে তারা হবে ভবিষ্যতের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং সমাজের অগ্রপথিক। তাই এখনই সময় — সতর্ক হই, সচেতন হই, প্রযুক্তিকে হোক প্রগতির হাতিয়ার।
বর্তমান বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবতায় সাংবাদিকতা একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে এসে এখন ব্যক্তি সাংবাদিকরাও হয়ে উঠছেন নিজস্ব ব্র্যান্ড। ঠিক এই জায়গা থেকেই নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে আসে। কেন সাংবাদিকদের জন্য নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম দরকার? ১. তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতা সাংবাদিকরা যখন ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করেন, তখন তারা আসলে সেই প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগোরিদম, নীতিমালা ও সেন্সরশিপের অধীন…
বর্তমান বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবতায় সাংবাদিকতা একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে এসে এখন ব্যক্তি সাংবাদিকরাও হয়ে উঠছেন নিজস্ব ব্র্যান্ড। ঠিক এই জায়গা থেকেই নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে আসে।
সাংবাদিকরা যখন ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করেন, তখন তারা আসলে সেই প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগোরিদম, নীতিমালা ও সেন্সরশিপের অধীন হয়ে যান। এক্ষেত্রে নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থাকলে তারা নিজের মত করে কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারেন — বিনা বাধায় ও স্বাধীনভাবে।
নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম একটি সাংবাদিকের পরিচয় ও গ্রহণযোগ্যতাকে প্রতিষ্ঠিত করে। একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে সংবাদ প্রকাশ করলে তা পাঠকের কাছে পেশাদার ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
ফেসবুক বা ইউটিউবের মত তৃতীয় পক্ষ প্ল্যাটফর্মে আয়ের অংশ অনেকটাই চলে যায় কোম্পানির কাছে। নিজের প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন, সাবস্ক্রিপশন বা ডোনেশন সিস্টেম চালু করলে আয়ের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে সাংবাদিকের হাতে।
নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকে সাংবাদিকরা জানতে পারেন কোন কনটেন্ট কেমন পারফর্ম করছে, কোন অঞ্চলে পাঠক বেশি, কত সময় পড়ে ইত্যাদি। এগুলো বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ কনটেন্ট আরও কার্যকরভাবে তৈরি করা সম্ভব।
বর্তমান প্রযুক্তি সাংবাদিকদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে সহজ ও সাশ্রয়ী সমাধান দিচ্ছে:
কম খরচে ও কোডিং ছাড়াই নিউজপোর্টাল, ব্লগ বা ম্যাগাজিন সাইট তৈরি করা সম্ভব। মডুলার সিস্টেমে সংবাদ প্রকাশ, সাবস্ক্রিপশন, এবং বিজ্ঞাপন সাপোর্ট পাওয়া যায়।
নিজস্ব সংবাদ অ্যাপ তৈরি করে পাঠকদের মোবাইলে পুশ নোটিফিকেশন পাঠানো যায়। Flutter বা React Native দিয়ে অল্প খরচে অ্যাপ বানানো সম্ভব।
Patreon, Ko-fi, বা নিজস্ব পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টিগ্রেট করে সাংবাদিকরা পাঠকদের কাছ থেকে স্বেচ্ছা অনুদান পেতে পারেন।
প্রতিদিনের কনটেন্ট পরিকল্পনা, শিরোনাম সাজেশন, ভাষা সম্পাদনা বা ভিডিও অটোমেশন — সবকিছুতেই এআই বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন: ChatGPT বা Grammarly-এর ব্যবহার।
নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকে অটোমেটিকভাবে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবে কনটেন্ট শেয়ার করা যায় — যা পাঠক বৃদ্ধিতে সহায়ক।
বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। প্রচারমাধ্যমে স্বাধীনতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে হলে সাংবাদিকদের নিজের ডিজিটাল ঠিকানা থাকা আবশ্যক। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন এই কাজটি আর ব্যয়সাধ্য বা জটিল নয়। বরং এটি একান্ত প্রয়োজন — নিজের কথা নিজে বলার, সত্য তুলে ধরার এবং ভবিষ্যতের সাংবাদিকতার ভিত মজবুত করার জন্য।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ভূমিকায় এসেছে বৈচিত্র্য ও প্রযুক্তিনির্ভরতা। এই পরিবর্তনের ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম হচ্ছে পথিকটিভি—যেটি বাংলাদেশের একটি উদীয়মান অনলাইন সংবাদমাধ্যম। সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও গণমানুষের পক্ষে কথা বলার অঙ্গীকার নিয়ে পথচলা শুরু করে এই প্ল্যাটফর্মটি অল্প সময়েই পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠা ও উদ্দেশ্য পথিকটিভির যাত্রা শুরু হয়েছিল স্বাধীন সাংবাদিকতার স্পৃহা থেকে। প্রচলিত মূলধারার বাইরে গিয়ে প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের বাস্তবতা প্রকাশ করতে ও তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণমূলক সংবাদ…
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ভূমিকায় এসেছে বৈচিত্র্য ও প্রযুক্তিনির্ভরতা। এই পরিবর্তনের ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম হচ্ছে পথিকটিভি—যেটি বাংলাদেশের একটি উদীয়মান অনলাইন সংবাদমাধ্যম। সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও গণমানুষের পক্ষে কথা বলার অঙ্গীকার নিয়ে পথচলা শুরু করে এই প্ল্যাটফর্মটি অল্প সময়েই পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
পথিকটিভির যাত্রা শুরু হয়েছিল স্বাধীন সাংবাদিকতার স্পৃহা থেকে। প্রচলিত মূলধারার বাইরে গিয়ে প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের বাস্তবতা প্রকাশ করতে ও তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণমূলক সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যেই গড়ে উঠেছে এই মিডিয়া।
পথিকটিভি মূলত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, সামাজিক ইস্যু, মানবাধিকার, শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনীতি, এবং তরুণদের উদ্বেগ-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এছাড়াও, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়েও তাৎক্ষণিক আপডেট, ভিডিও প্রতিবেদন ও সাক্ষাৎকার তুলে ধরে।
এই প্ল্যাটফর্মটি ওয়েবসাইট ছাড়াও ফেসবুক, ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়। পথিকটিভির ভিডিও প্রতিবেদন, সরাসরি সম্প্রচার ও ফিচার কনটেন্টগুলো একদিকে যেমন সহজবোধ্য, অন্যদিকে তেমনি প্রভাবশালী ও সাহসী।
পথিকটিভি তার সাহসী অবস্থানের কারণে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে—যেমন রাজনৈতিক চাপ, তথ্য সংগ্রহে প্রতিবন্ধকতা ও কারিগরি বাধা। কিন্তু এ সকল প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে, ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত ও পেশাদার ডিজিটাল নিউজপোর্টাল হয়ে ওঠার অভিপ্রায় তাদের রয়েছে।
সত্যের পথে নির্ভীক যাত্রা চালিয়ে যাওয়া গণমাধ্যমের সংখ্যা যখন কমে যাচ্ছে, তখন পথিকটিভির মতো উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা দেখিয়ে দিচ্ছে, প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কণ্ঠরুদ্ধ সমাজেও আলোর বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!
Published newsroom dispatches by pothiktv.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

২০,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, সর্বোচ্চ ১৬৫ ওয়াট আউটপুট এবং বিল্ট-ইন ইউএসবি-সি ক্যাবলসহ নতুন পাওয়ার ব্যাংক বাজারে এনেছে শাওমি। ভ্রমণ…

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোতে উঠে আসা নতুন প্রজন্মের সেরা তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে বিশেষ তালিকা প্রকাশ করেছে গার্ডিয়ান।

চট্টগ্রামের বালুছড়ায় লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথমা প্রকাশনের উদ্যোগে আয়োজিত বই উৎসবে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। বই কেনা ও পড়ার…

এককোষী বা আপাতদৃষ্টে সরল জীবকে ‘বুদ্ধিমান’ বলা যায় কি না, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।…

ওয়াই-ফাই Alliance-এর তৈরি ওয়াই-ফাই ৫ ও ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তির মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। নতুন প্রযুক্তির ব্যান্ডউইথ…

নেশন্স লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেন এবং বুকায়ো সাকা উভয়েই…

অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভ্যাল ও ফ্লিপকার্ট বিগ বিলিয়ন ডেজ সেলে ৯০ হাজার রুপির নিচে ল্যাপটপ কেনার সুযোগ মিলছে।

ফ্রান্সের সরকারি ঋণের বোঝা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশটির বন্ড বাজারে তীব্র ধস নেমেছে, যা ১৫ বছর আগের…

উয়েফা নেশনস লিগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ছাড়া মাঠে নেমে ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। অন্যদিকে সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে…

ডাবলিনের অ্যাভিভা স্টেডিয়ামে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের কারণে দুই দফায় ম্যাচ স্থগিত থাকার দিনে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করেছে…

প্রিমিয়ার লিগের শাস্তির খবরের মধ্যেও উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ড্র করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলের পারফরম্যান্সে…

এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর ১৩তম দিনে ভারতের নারীদের রিকার্ভ আর্চারি দল ইতিহাস গড়ার পর এবার মিশ্র দলগত বিভাগে দ্বিতীয়…
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: pothiktv
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.








