POTHIKTV

পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপন কাল, কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপন কাল, কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর

Bangladesh ডেস্ক: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ন

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। একই সঙ্গে তিনি আন্দোলন পরিহার করে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। এর আগে শুক্রবার পোশাকশ্রমিক নেতাদের সঙ্গে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বৈঠক ও আলোচনা করে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে শ্রমমন্ত্রী বলেন, নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ছিল শ্রমিকদের অন্যতম প্রধান দাবি এবং সরকার সেই দাবি মেনে নিয়েছে। শ্রমিক প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে বোর্ডে তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের নাম জমা দিয়েছেন। রোববারের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পর পর মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। তবে এবার শ্রমিকদের স্বার্থ বিবেচনা করে তিন বছরের ব্যবধানেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠনে সম্মত হয়েছেন কারখানার মালিকেরা। মালিকপক্ষও ইতিমধ্যে বোর্ডে নিজেদের প্রতিনিধিদের নাম চূড়ান্ত করেছে।

যেসব কারখানায় শ্রমিকদের বেতন ও অন্যান্য পাওনা বকেয়া রয়েছে, তা দ্রুত পরিশোধের জন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, পাওনা আদায়ের নামে ভাঙচুর চালানো কিংবা কারখানা বন্ধ রাখা তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

মন্ত্রী কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিতে এবং অসাধু কোনো মহলের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার না হতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। মিরপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে সাম্প্রতিক সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, সাধারণ পোশাকশ্রমিকেরা এসব বিশৃঙ্খলায় জড়িত নন।

তিনি অভিযোগ করেন, বহিরাগত কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ডে ইন্ধন দিচ্ছে। সরকার সংঘাতের পথ এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার গণতান্ত্রিক সমাধান চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে শিল্প খাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান এবং বিজিএমইএর সহসভাপতি মিজানুর রহমান ও রেজওয়ান সেলিমসহ দুই মালিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: সমকাল

0
0 comments·0 shares

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের উল্লেখযোগ্য সংবাদ

Bangladesh →