জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
प्रतिष्ठा बन रही है
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
प्रतिष्ठा बन रही है
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
ুািাি
ুািাৃু
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: “দুজনের পরিবারের মানুষ বুঝলো না, আহারে কষ্ট”—ভালোবাসার মানুষকে না পাওয়ার যন্ত্রণায় হৃদয়ভাঙা এ কথাগুলো লিখে জীবনকে বিদায় জানালেন ফয়সাল আহমেদ (২৫)। বুধবার (২ জুলাই) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার পূর্ব মেড্ডায় নিজ শোবার ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফয়সাল পূর্ব মেড্ডা এলাকার মৃত শেখ মোহাম্মদ এমদাদের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। কিন্তু পরিবার থেকে সম্পর্কের অনুমতি না পাওয়ায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: “দুজনের পরিবারের মানুষ বুঝলো না, আহারে কষ্ট”—ভালোবাসার মানুষকে না পাওয়ার যন্ত্রণায় হৃদয়ভাঙা এ কথাগুলো লিখে জীবনকে বিদায় জানালেন ফয়সাল আহমেদ (২৫)। বুধবার (২ জুলাই) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার পূর্ব মেড্ডায় নিজ শোবার ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ফয়সাল পূর্ব মেড্ডা এলাকার মৃত শেখ মোহাম্মদ এমদাদের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। কিন্তু পরিবার থেকে সম্পর্কের অনুমতি না পাওয়ায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।
ঘটনার দিন রাতে, মৃত্যুর কিছু সময় আগে নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন ফয়সাল। সেখানে লেখেন,
“আমি আমার রবের কাছে একটাই চাওয়া সেটা হল তুমি। এই দুনিয়াতে একসাথে থাকার ইচ্ছাটা অনেক দুজনের। কিন্তু দুজনের পরিবারের মানুষগুলা বুঝলো না, আহারে কষ্ট। তুমি আমার মুক্তা। অগোছানো ছেলেটা।”
স্ট্যাটাসটি পোস্ট করার পর থেকেই তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমঘটিত হতাশা থেকেই আত্মহত্যা করেছেন ফয়সাল। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিঠিও উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে প্রেমিকার প্রতি আবেগময় কিছু কথা লেখা রয়েছে।”
ফয়সালের পরিবার জানায়, এক তরুণীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু পারিবারিক অসম্মতির কারণে শেষ পর্যন্ত সম্পর্কটি বিয়েতে রূপ নেয়নি। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় 'স্বপ্নধরা ব্লাড ফাউন্ডেশন' নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যে ২ হাজার ৬০০ জন রোগীকে বিনামূল্যে রক্তদান করে অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ইতিমধ্যে সারাদেশে সংগঠনটির ৫ হাজার ১০০ জন ব্লাড ডোনার স্বেচ্ছায় এই রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার আলীয়াবাদে স্বপ্নধরা ব্লাড ফাউন্ডেশন' এর প্রধান কার্যালয় উদ্বোধনকালে আয়োজকেরা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। এ উপলক্ষে স্বপ্নধরা'র প্রধান…
নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় 'স্বপ্নধরা ব্লাড ফাউন্ডেশন' নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যে ২ হাজার ৬০০ জন রোগীকে বিনামূল্যে রক্তদান করে অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ইতিমধ্যে সারাদেশে সংগঠনটির ৫ হাজার ১০০ জন ব্লাড ডোনার স্বেচ্ছায় এই রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার আলীয়াবাদে স্বপ্নধরা ব্লাড ফাউন্ডেশন' এর প্রধান কার্যালয় উদ্বোধনকালে আয়োজকেরা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
এ উপলক্ষে স্বপ্নধরা'র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি স্বচ্ছ সাহা।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাজীব চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি, সিনিয়র সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু, সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ কলেজের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, নবীনগর থানার সাব ইন্সপেক্টর বখতিয়ার আলম,
খন্দকার আইটির কর্ণধার খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন, স্বপধারা ব্লাড ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইফরান আহমেদ রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার শুদ্ধ প্রমুখ।
স্থানীয় হোপের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আসাদুজ্জামান কল্লোল পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বপ্নধরা ব্লাড ফাউন্ডেশনের বিগত দিনের কার্যক্রম নিয়ে একটি ডকুমেন্টরী প্রদর্শন করা হয়।
নরসিংদী ও নবীনগরে থাকা সংগঠনটির দুটো শাখায় ১১০ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন বলে জানান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইফরান আহমেদ রাব্বি।
লিটন হোসাইন জিহাদ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর হাসপাতালের নিঃসঙ্গ এক করিডোরে নিথর পড়ে ছিল এক পিতার মরদেহ। ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইব্রাহিম—একজন মানুষ, যিনি জীবনভর চড়াই-উতরাই পার করে হয়তো একটু ভালোবাসা, একটু স্বীকৃতির আশায় বেঁচে ছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে তার প্রাপ্তি শুধু নিঃসঙ্গতা আর প্রত্যাখ্যান। সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণে প্রকাশ করলেন অনিচ্ছা। এক পিতার জন্য এর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে? মৃত ইব্রাহিমের জীবনের গল্পটি যেন একটি চলমান…
লিটন হোসাইন জিহাদ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর হাসপাতালের নিঃসঙ্গ এক করিডোরে নিথর পড়ে ছিল এক পিতার মরদেহ। ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইব্রাহিম—একজন মানুষ, যিনি জীবনভর চড়াই-উতরাই পার করে হয়তো একটু ভালোবাসা, একটু স্বীকৃতির আশায় বেঁচে ছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে তার প্রাপ্তি শুধু নিঃসঙ্গতা আর প্রত্যাখ্যান। সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণে প্রকাশ করলেন অনিচ্ছা। এক পিতার জন্য এর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে?
মৃত ইব্রাহিমের জীবনের গল্পটি যেন একটি চলমান ট্র্যাজেডির রূপরেখা। ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরের ফইল্লাতলি বাজারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন একটি হিন্দু পরিবারে। পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তার নাম রাখেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম। ধর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়তো ছিল আত্মিক উপলব্ধি থেকে, কিন্তু এই পরিবর্তন তাকে সমাজে করে তোলে আরো একা।
[caption id="attachment_1361" align="alignleft" width="300"]
বাবার মরদেহ গ্রহণ করেননি ছেলে[/caption]
যুবক বয়সে চট্টগ্রাম ছেড়ে দেন ইব্রাহিম। ঘুরেছেন নানা এলাকা, খুঁজেছেন জীবিকার পথ। এক সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কাদেরপুল, মহিষকার এলাকায় গড়ে তোলেন সংসার। জন্ম হয় এক পুত্র সন্তানের। কিন্তু সেই সংসারও ছিল স্বস্তির নয়। স্ত্রী তাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করেন। সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ে, সন্তানও হয় দূরবর্তী, শেষ পর্যন্ত পৌঁছায় এমন নির্মম পরিণতিতে—যেখানে পিতা মারা যাওয়ার পরেও সন্তান বলছে, “আমি মরদেহ গ্রহণ করবো না।”
এই হৃদয়বিদারক ঘটনার শেষ পরিণতি ছিল আরেক মানবিক উদাহরণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’-এর প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আজহার উদ্দিন এগিয়ে আসেন। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেলে তার দাফন সম্পন্ন করেন তারা। এক নিঃস্ব পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দায়িত্ব পালন করেন সম্পূর্ণ অচেনা কিছু মানুষ — সমাজের সেই বাতিঘরেরা, যাদের উপস্থিতি আজও প্রমাণ করে, মানবতা মরে যায়নি সম্পূর্ণ।
এই ঘটনা কেবল ইব্রাহিমের একক জীবনের গল্প নয়, এটি আমাদের সময়ের এক নির্মম আয়না। যেখানে ধর্মান্তরিত হওয়া, ভিন্নপথে হাঁটা কিংবা সামাজিক নিঃসঙ্গতা একটি মানুষকে জীবদ্দশায় শুধু নয়, মৃত্যুর পরেও একাকী করে তোলে। সন্তান যখন মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন প্রশ্ন জাগে — রক্তের সম্পর্ক কি এতটাই ঠুনকো?
[caption id="attachment_1362" align="alignright" width="300"]
বাবার মরদেহ গ্রহণ করেননি ছেলে[/caption]
একজন মানুষের জীবনের শেষ সময়ে এমন পরিত্যাগ, এমন অবহেলা শুধু একটি পরিবার নয়, সমগ্র সমাজের বিবেককে নাড়া দেয়। মৃত্যুর পর সম্মান পাওয়ার অধিকার কি তারও থাকে না, যিনি জীবনে সব হারিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন একটু ভালোবাসার আশায়?
আজ ইব্রাহিম আমাদের সামনে রেখে গেলেন এক প্রশ্নচিহ্ন — আমরা কী সত্যিই এতটাই ব্যস্ত, এতটাই আত্মকেন্দ্রিক, যে নিজের পিতা-মাতার মরদেহকেও অস্বীকার করতে পারি?
‘বাতিঘর’ নামক সংগঠনের নীরব এই কর্মযজ্ঞ আমাদের চোখে জল এনে দেয়, আবার অন্তরে আশা জাগায় — এখনো কিছু মানুষ আছেন, যারা পরের শবযাত্রাতেও শামিল হন নিঃস্বার্থ ভালোবাসায়।
International Desk:The UK High Court has upheld the government’s decision to export components of the F-35 fighter jet to Israel, despite concerns that such exports might contribute to violations of international humanitarian law. The court stated that decisions of this nature fall under the jurisdiction of policymakers, not the judiciary. The case was brought forward by several human rights and peace organizations, who argued that Israel is violating international humanitarian…
International Desk:
The UK High Court has upheld the government’s decision to export components of the F-35 fighter jet to Israel, despite concerns that such exports might contribute to violations of international humanitarian law. The court stated that decisions of this nature fall under the jurisdiction of policymakers, not the judiciary.
The case was brought forward by several human rights and peace organizations, who argued that Israel is violating international humanitarian law in Gaza, and that the UK, by supplying parts, could be indirectly complicit.
The judges remarked:
“Policy assessments in this regard are a matter for the government. The government has access to intelligence and diplomatic information which the court does not. Therefore, our judgment is limited to legal interpretation—not moral or strategic matters.”
The verdict further stated that:
“There must be clear evidence that the exported components were directly used in the commission of war crimes, which has not been proven in this case.”
Amnesty International and the Palestine Solidarity Campaign condemned the ruling, stating:
“The UK government is washing its hands of responsibility. This ruling will embolden Israel’s repressive actions.”
The UK government maintained that its military assistance to Israel is "lawful and in line with international commitments," and insisted the exports are "strictly defensive and part of specific military agreements."
The F-35 is one of the most advanced fighter jets in the world, developed by the United States and exported only to select partner nations. The UK is a project partner and manufactures many of the aircraft’s components.
International media reports have confirmed the use of F-35s in Israel’s ongoing airstrikes in Gaza.
This verdict has raised serious diplomatic questions about the UK’s global stance. On one hand, it promotes peace talks; on the other, it supplies military aid to a party engaged in active conflict—a contradiction drawing global criticism.
At least 38 Palestinians were killed on Monday (June 30) in ongoing Israeli military operations in the Gaza Strip, according to The Guardian. While there are indications that potential ceasefire talks are beginning under the mediation of the United States, Qatar, and Egypt, Israeli air and ground assaults have intensified. Eyewitnesses reported that Israeli airstrikes and tank fire devastated homes in the Deir al-Balah and Jabalia refugee camp areas of…
At least 38 Palestinians were killed on Monday (June 30) in ongoing Israeli military operations in the Gaza Strip, according to The Guardian. While there are indications that potential ceasefire talks are beginning under the mediation of the United States, Qatar, and Egypt, Israeli air and ground assaults have intensified.
Eyewitnesses reported that Israeli airstrikes and tank fire devastated homes in the Deir al-Balah and Jabalia refugee camp areas of Gaza. Rescue workers have retrieved the bodies of women and children from the rubble.
The Israeli military claims it is targeting Hamas and Islamic Jihad strongholds and weapons depots. However, the increasing civilian casualties and infrastructure destruction have sparked widespread international criticism.
Meanwhile, reports from Washington, D.C. suggest that U.S., Qatari, and Israeli diplomats have initiated discussions over a "step-by-step" ceasefire draft proposal. The primary goal of the talks is to first secure a temporary truce, with the aim of achieving a permanent ceasefire later.
The United Nations and human rights organizations have expressed concern that continued attacks during the initial phase of peace talks could undermine the credibility of the negotiations.
Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu stated, “Operations against terrorists will continue until they are completely eliminated.” On the other hand, Palestinian President Mahmoud Abbas condemned the attacks as “crimes against humanity” and called for urgent international intervention.
🔴 Key Points:
👉 Analysis:
The situation reflects a contradiction: while diplomatic pathways are opening, warfare on the ground persists. The success of peace efforts will depend on effective compromise from both sides and sustained international pressure.
Source: The Guardian
Liton Hossain Jihad: “Getting rich overnight”—the phrase rings like magic to many ears. Amid economic uncertainty, rising living costs, and dreams of financial freedom, countless people long for a shortcut to wealth. But here lies a crucial question: is it possible, or merely a fantasy driven by desperation and digital illusions? Experts say the desire to get rich quickly is not new, but today's internet-driven world—with viral stories, influencer lifestyles,…
Liton Hossain Jihad: “Getting rich overnight”—the phrase rings like magic to many ears. Amid economic uncertainty, rising living costs, and dreams of financial freedom, countless people long for a shortcut to wealth. But here lies a crucial question: is it possible, or merely a fantasy driven by desperation and digital illusions?
Experts say the desire to get rich quickly is not new, but today's internet-driven world—with viral stories, influencer lifestyles, and speculative trends—has made the idea more tempting than ever. Especially among youth, there's a growing belief that one smart move—an app, a video, a coin—could change their lives forever.
From lottery tickets to crypto investments, viral content to online gambling—there’s no shortage of supposed “shortcuts” to wealth. Indeed, some individuals have seemingly achieved overnight success. Their stories are widely circulated, fueling hope in millions.
But the reality?
According to a global financial behavior study, more than 85% of people who pursue high-risk, fast-income schemes suffer significant financial losses. Psychologists call this obsession the “get-rich-quick syndrome”—a condition that clouds judgment and leads to impulsive decision-making.
Worldwide, the lottery industry is a multi-billion-dollar machine, built on hope. In Bangladesh too, many people try their luck in various legal and illegal lottery systems.
But statistically, the chances of hitting a major jackpot are one in tens of millions. And what's more alarming—numerous reports show that lottery winners often lose their wealth within a few years, falling into debt, depression, or social isolation.
Platforms like TikTok, YouTube, and Instagram have created a new breed of digital millionaires. It's true that some creators, even in Bangladesh, have made a fortune through viral content or influencer marketing.
Yet, the success rate is under 5%, and for every viral success, there are thousands who struggle in silence. Content creation is not just about creativity—it’s a game of algorithms, timing, trends, and luck.
One of the most dangerous modern trends is the rise of online scams posing as “investment opportunities.” Fake crypto projects, Ponzi schemes, or shady forex deals lure people in with promises of 10x returns in days.
The Bangladesh Bank recently reported over 70 digital financial scams operating in the last 3 years, all targeting people with the “overnight wealth” mindset. Many victims lost their life savings.
While there's no magic formula, experts suggest several legitimate paths that can lead to financial stability—and even wealth—more quickly than traditional 9-to-5 jobs.
Digital skills such as graphic design, video editing, programming, content writing, or digital marketing can be learned within months. Platforms like Upwork, Fiverr, and Freelancer offer opportunities for consistent income.
Starting a small online business—selling fashion, food, or handmade products—via Facebook or Instagram is now more accessible than ever. Many successful brands began as side hustles.
Blogging, affiliate marketing, YouTube monetization, and online course creation can generate income over time with sustained effort.
Our brains are wired to crave instant rewards. The idea of effortless gain triggers dopamine—the same pleasure hormone linked to addiction. As a result, we may chase high-risk paths, ignoring logic.
Dr. Farhana Islam, a psychology professor at the University of Dhaka, says:
“The dream of getting rich overnight creates unrealistic expectations. When reality doesn’t meet these expectations, it leads to frustration, anxiety, and sometimes even social withdrawal.”
True wealth is not only measured in money. Health, mental peace, relationships, and social contribution are equally important. Seeking quick cash at the expense of peace often leads to long-term regret.
Overnight riches are rare exceptions—not the rule. Most wealthy individuals reached their position through years of discipline, learning from failure, and building over time.
As financial advisor Rezaul Karim puts it:
“If you want to get rich, don’t try to jump—learn how to climb, quickly but steadily.”
So today, instead of buying into the dream of instant success, start developing a skill, build a smart income source, and invest your energy wisely.
Let us remember—
The goal is not just to be rich fast, but to stay rich forever.
June 30 is being observed globally as Social Media Day. The day was first celebrated in 2010 by the American news platform Mashable, with the goal of recognizing the impact and relevance of internet-based social platforms. In 2025, this day is no longer just about celebration—it also raises a critical question: Are we truly connecting, or are we becoming addicted? The Rise of Social Media: A New Era of Connection…
June 30 is being observed globally as Social Media Day. The day was first celebrated in 2010 by the American news platform Mashable, with the goal of recognizing the impact and relevance of internet-based social platforms. In 2025, this day is no longer just about celebration—it also raises a critical question: Are we truly connecting, or are we becoming addicted?
Social media has brought the world to our fingertips. Platforms like Facebook, Twitter (now X), Instagram, YouTube, TikTok, LinkedIn, and WhatsApp have not only made global communication easier but have also revolutionized information sharing, free speech, business, journalism, and activism. During the COVID-19 pandemic, these platforms became even more vital, keeping people connected while physically isolated.
On average, people now spend about 2 hours and 30 minutes on social media daily—this number is even higher in South Asian countries. In Bangladesh, for example, the average time surpasses 3 hours. This time isn’t just spent communicating; social media now plays a central role in entertainment, news, learning, and even shopping.

However, amid this connectivity arises a concerning question—are we controlling technology, or is technology controlling us? Numerous studies have shown that excessive use of social media can lead to stress, lack of self-esteem, depression, sleep disorders, reduced productivity, and strained relationships.
Experts describe this pattern as the dopamine loop—a new notification, like, or share triggers the brain’s reward system, prompting us to keep checking again and again. Over time, what starts as a social habit slowly transforms into an addiction.
The World Health Organization (WHO) has already issued warnings about "digital addiction." Individuals between the ages of 18 to 35 are the most vulnerable, often facing distractions at work, academic decline, and weakened family bonds.
Social media allows information to spread instantly—but the problem is that much of it is false or unverified. A 2020 study revealed that fake news spreads six times faster than the truth on social media. This misinformation can lead to confusion, panic, and even violence.
Another significant concern is privacy. Users, often unknowingly, share a large amount of personal data with these platforms, which is then sold to advertisers. User preferences, movements, and even conversations are analyzed to show targeted content. This not only violates privacy but also makes it easier to manipulate people’s behavior.
It is now more important than ever to focus on digital health और digital hygiene. Digital health means using social media and technology in a way that enriches—rather than harms—our mental, social, and physical well-being.
Experts recommend a few strategies:

Social media is now an inseparable part of life. It cannot—and need not—be abandoned. What we need instead is mindful and balanced usage. Let technology empower us, not overpower us. Let us use these platforms to understand others, express our thoughts, and build a better society.
On this Social Media Day, let’s not just celebrate these platforms but also reflect on how we use them. Connection is powerful—but when it starts disconnecting us from real life, it becomes addiction.
So, in 2025, the question still stands:
Are we using social media, or is social media using us?
Technology is never the enemy—if we know how to use it right. So, let’s take a pledge this Social Media Day:
Let’s stay connected, but with control.
Liton Hossian Jihad: One of the most alarming and widely discussed social maladies of our time is the unrestrained use of social media, and the growing tendency to commercialize personal life for public consumption.Once, social platforms were spaces for the exchange of ideas, creativity, and free expression. Today, they have become arenas of unhealthy competition—for views, likes, and viral fame. Nowadays, it is common to witness personal disputes—between husbands and…
Liton Hossian Jihad: One of the most alarming and widely discussed social maladies of our time is the unrestrained use of social media, and the growing tendency to commercialize personal life for public consumption.
Once, social platforms were spaces for the exchange of ideas, creativity, and free expression. Today, they have become arenas of unhealthy competition—for views, likes, and viral fame.
Nowadays, it is common to witness personal disputes—between husbands and wives, lovers, or even within families—being broadcast live on Facebook or uploaded to YouTube. Some people, astonishingly, record even the most private, domestic conflicts and package them as "content." The sole objective? To gain more views, earn money, and go viral.
A recent and horrifying example from Muradnagar in Comilla has once again pointed to the reality of the society we live in. A woman was brutally assaulted, stripped, and the entire act was recorded and shared on social media. In this society, human dignity, pain, or safety takes a backseat—what matters is the content potential of such inhumane incidents.
No one seems concerned about who is watching or sharing these videos. Some justify it by saying, “She was having an affair,” or “Someone broke in to assault her.” Regardless of the truth, one thing is undeniable—recording and distributing a video of a helpless woman being stripped and beaten has somehow become normalized.
This mindset is terrifying. It doesn't just threaten individual dignity or safety—it is putting the very moral backbone of society at risk. Today it’s Karim’s story that goes viral, tomorrow it’ll be Rahim’s. Privacy has become a toy, and human beings have been reduced to mere “content.”
To stop this growing trend, we must act simultaneously on three fronts—social, familial, and legal.
First, digital literacy must be promoted so that people learn what is appropriate to share and what is not.
Second, strict enforcement of the law is essential, especially to ensure that victims aren’t blamed and that those who record and distribute such content are punished swiftly.
Third, value-based education must be revived within families and communities, so that children grow up learning to respect privacy and dignity as essential human responsibilities.
If we fail to address this moral disease at its root, we are heading toward a society where trust will be extinct. Bengali culture, relationships, and humanity itself will become nothing more than material for dramatic exposure and viral trends.
We must remember—social media may have given us the freedom to think and create, but it has also opened the door to a moral abyss.
If we do not awaken now, we will leave behind a future society that is stripped of compassion, sensitivity, and ethics.
And perhaps, in that world, we will all go viral—but no one will remember us as human beings.
অনুসন্ধান ও বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্নওসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান গাজীর মৃত্যুর পর সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়। ওসমানের দ্বিতীয় স্ত্রী বালা হাতুনের সন্তান আলাউদ্দিন বে ছিলেন জ্ঞানচর্চা ও জনহিতকর কাজে নিয়োজিত এক ব্যক্তিত্ব। তিনি কোনিয়াতে দ্বীনি শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার জ্ঞান অর্জন করেন। জীবনের একটি বড় সময় ১৩ শতাব্দীর বিখ্যাত দরবেশ শাইখ এদেবালির সাহচর্যে কাটানোর কারণে সুফি-দরবেশ ও আলেমদের সঙ্গে…
অনুসন্ধান ও বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
ওসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান গাজীর মৃত্যুর পর সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়। ওসমানের দ্বিতীয় স্ত্রী বালা হাতুনের সন্তান আলাউদ্দিন বে ছিলেন জ্ঞানচর্চা ও জনহিতকর কাজে নিয়োজিত এক ব্যক্তিত্ব। তিনি কোনিয়াতে দ্বীনি শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার জ্ঞান অর্জন করেন। জীবনের একটি বড় সময় ১৩ শতাব্দীর বিখ্যাত দরবেশ শাইখ এদেবালির সাহচর্যে কাটানোর কারণে সুফি-দরবেশ ও আলেমদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্যদিকে ওরহান গাজী ছিলেন যুদ্ধ ও সামরিক অভিযানে অত্যন্ত দক্ষ।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রের মতে, ওসমান বে তাঁর বিভিন্ন অভিযান চলাকালে নিজের সিংহাসন, গোত্র ও রাজধানীর দায়িত্ব আলাউদ্দিনের কাছে আমানত হিসেবে রেখে যেতেন এবং আলাউদ্দিনও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করতেন। ওসমানের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও শতবর্ষী বিখ্যাত যোদ্ধা তুরগুত বে, আবদুর রহমান গাজী, কোসে মিহাল, কনুর আল্প, তুরহান, সামসা চাভুস এবং ওসমানের ভাতিজা আকতেমুর বে ও সুলেইমান বেসহ অধিকাংশ বে ওরহানের পক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি বাবার অসিয়ত ও অধিকাংশ বের সমর্থনে ওরহান সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় শাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আলাউদ্দিনও বাবার এক সাম্রাজ্য ও এক শাসক নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে ওরহানকে পূর্ণ সমর্থন জানান এবং সাম্রাজ্য দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
ক্ষমতায় বসে ওরহান গাজী সাম্রাজ্যে উজির পদের সৃষ্টি করেন এবং তাঁর ভাই আলাউদ্দিন বে-কে প্রথম উজির হিসেবে নিয়োগ দেন। সাম্রাজ্যের প্রধান বে ও নেতৃস্থানীয়দের পরামর্শে ওরহান 'সুলতান' উপাধি লাভ করেন, যা তাঁকে ওসমানীয়দের প্রথম সুলতান হিসেবে মর্যাদা দেয়। তবে তিনি বাবার মতো সুলতান হিসেবে ডাকার চেয়ে সাম্রাজ্যের প্রধান 'বে' হিসেবেই প্রজা সেবায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।
সাম্রাজ্যকে সুসংগঠিত করতে উজির আলাউদ্দিন পাশা ওরহানকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রস্তাব দেন। সেগুলো হলো— সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য নিজস্ব স্থায়ী মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট ওসমানীয় পোশাক বা ইউনিফর্ম নির্ধারণ করা এবং একটি নিয়মিত সেনাবাহিনী গঠন করা।
ওরহান গাজী এই পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন করেন। ১৩২৮ ও ১৩২৯ সালে ওরহানের নামাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা চালুর মাধ্যমে সাম্রাজ্যের নিজস্ব মুদ্রাব্যবস্থা শুরু হয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বে-দের পোশাকে আনা হয় পরিবর্তন। পূর্বে কায়ী গোত্রের ঐতিহ্য অনুযায়ী আল্প বা সিপাহিরা অনিয়মিত বাহিনী হিসেবে কাজ করত এবং যুদ্ধ ছাড়া অন্য সময়ে কৃষিকাজ ও বসতি পাহারায় যুক্ত থাকত। ওরহান গাজী প্রথম একটি নিয়মিত সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের স্থায়ী বেতনভাতার ব্যবস্থা করেন, যা ওসমানীয় সাম্রাজ্যকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে ভূমিকা রাখে।
Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্নমূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটিয়ে আটকে থাকা বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষ সুযোগ এনেছে সরকার। অর্থ আইন, ২০২৬–এর মাধ্যমে ভ্যাট আইনে নতুন ‘১৩৭ক’ ধারা যুক্ত করে এই ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে নির্ধারিত সময় পার হতে চললেও এই সুবিধার বাস্তব প্রতিফলন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।নতুন এই বিধানের মাধ্যমে ১৯৯১ সালের পুরোনো ভ্যাট আইন অথবা ২০১২ সালের…
Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটিয়ে আটকে থাকা বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষ সুযোগ এনেছে সরকার। অর্থ আইন, ২০২৬–এর মাধ্যমে ভ্যাট আইনে নতুন ‘১৩৭ক’ ধারা যুক্ত করে এই ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে নির্ধারিত সময় পার হতে চললেও এই সুবিধার বাস্তব প্রতিফলন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
নতুন এই বিধানের মাধ্যমে ১৯৯১ সালের পুরোনো ভ্যাট আইন অথবা ২০১২ সালের বর্তমান ভ্যাট আইনের আওতায় আটকে থাকা বকেয়া কর, উৎসে কর্তিত কর, জরিমানা কিংবা অন্য যেকোনো পাওনা সহজে পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের মধ্যে মাসিক ২ শতাংশ হারে মোট ২৪ মাসের সরল সুদ পরিশোধ করলেই পুরোনো করদায়ের চ্যাপ্টার থেকে চূড়ান্ত মুক্তি পাওয়া যাবে।
বাস্তবতা হলো, নির্ধারিত ছয় মাস সময়সীমার মধ্যে ইতিমধ্যে তিন মাস পেরিয়ে গেছে এবং হাতে রয়েছে আর মাত্র তিন মাস। অথচ মাঠপর্যায়ে সাধারণ করদাতা বা ভ্যাট কর্মকর্তা—কাউকেই স্পষ্ট করা হয়নি ঠিক কীভাবে বা কোন নিয়মে এই সুবিধা কার্যকর করা হবে। ফলে একটি ভালো উদ্যোগ সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আইনে বকেয়া পরিশোধের বিধান থাকলেও কয়েকটি বিষয়ে বড় ধরনের ধোঁয়াশা থেকে গেছে। এর মধ্যে ভ্যাট আপিল কমিশনারেট, আপিলাত ট্রাইব্যুনাল বা উচ্চ আদালতে ঝুলে থাকা অসংখ্য মামলার প্রত্যাহার বা নিষ্পত্তি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট রূপরেখা নেই। এছাড়া হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা মামলা বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে (এডিআর) চলমান প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কর জমা দেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি লাগবে কি না, তা অনুচ্চারিত রয়ে গেছে।
অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠানে মূল কর পরিশোধ হলেও কেবল সুদ বা আনুষঙ্গিক পাওনা বকেয়া রয়েছে, তারা এই বিশেষ স্কিমের আওতায় কীভাবে সুরাহা পাবেন তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে কিন্তু চূড়ান্ত দাবিনামা জারি হয়নি, তাদের সুবিধা নেওয়ার নিয়মও আইনে উল্লেখ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আইনে একটি ধারা যোগ করলেই রাজস্ব আদায় সম্ভব নয়। ৩১ ডিসেম্বরের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে করদাতারা কখন, কোথায়, কীভাবে আবেদন করবেন এবং কোন কোডে অর্থ জমা দেবেন, তা পরিষ্কার করে আদেশ জারি করা ও গণমাধ্যমে তা ব্যাপকভাবে প্রচার করা জরুরি।
একইসঙ্গে প্রতিটি ভ্যাট কমিশনারেটে ঝুলে থাকা পুরোনো ফাইল ও মামলা দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভ্যাট অফিসগুলোতে বিশেষ সহায়তা সেল বা হেল্প ডেস্ক চালু করার পাশাপাশি স্পষ্ট নিয়ম ও আস্থার পরিবেশ তৈরির জোর দাবি উঠেছে। এতে করে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দূর হওয়ার পাশাপাশি সরকারের কোষাগারে হাজার কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব জমা হওয়া সম্ভব হবে।
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ভারতের মহিলা রিকার্ভ তিরন্দাজি দল। নাগানোয় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১০ বারের অলিম্পিক বিজয়ী তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে তারা।শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন ভারতীয় তিরন্দাজরা। বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার তিরন্দাজদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও, পুরো ম্যাচে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে মহিলা রিকার্ভ ইভেন্টে এটি ভারতের…
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ভারতের মহিলা রিকার্ভ তিরন্দাজি দল। নাগানোয় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১০ বারের অলিম্পিক বিজয়ী তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে তারা।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন ভারতীয় তিরন্দাজরা। বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার তিরন্দাজদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও, পুরো ম্যাচে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে মহিলা রিকার্ভ ইভেন্টে এটি ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক জয়। শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এই সাফল্য লাভ ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করল।
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমস ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ১৩তম দিনে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে রিংয়ে নামছেন ভারতীয় বক্সাররা। প্রতিযোগিতা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, পদক তালিকার লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভারতীয় সমর্থকদের চোখ থাকবে দলের তারকা বক্সারদের পারফরম্যান্সের দিকে।ভারতের বক্সিং স্কোয়াডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার লাভলিনা বোরগোহাইন এবং প্রতিশ্রুতিশীল তারকা পারভীন হুডা। নিজ নিজ ওজন শ্রেণীতে সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য পদক…
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ১৩তম দিনে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে রিংয়ে নামছেন ভারতীয় বক্সাররা। প্রতিযোগিতা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, পদক তালিকার লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভারতীয় সমর্থকদের চোখ থাকবে দলের তারকা বক্সারদের পারফরম্যান্সের দিকে।
ভারতের বক্সিং স্কোয়াডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার লাভলিনা বোরগোহাইন এবং প্রতিশ্রুতিশীল তারকা পারভীন হুডা। নিজ নিজ ওজন শ্রেণীতে সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য পদক নিশ্চিত করতে মুখিয়ে আছেন এই দুই অ্যাথলেট। তাদের ম্যাচগুলোকে ঘিরে ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
চলতি এশিয়ান গেমসে ভারতের শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও বক্সিং ইভেন্টে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার বড় সুযোগ আসছে এই দিনে। লাভলিনা ও পারভীন অতীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক সাফল্য অর্জন করেছেন, ফলে তাদের ওপর প্রত্যাশার চাপও বেশ বেশি।
দর্শকরা টেলিভিশন সম্প্রচার ও লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি এই ম্যাচগুলোর ওপর চোখ রাখতে পারবেন। ম্যাচের সময়সূচী অনুযায়ী দিনের শুরু থেকেই ভারতীয় বক্সিং ভক্তরা টিভির পর্দা এবং ডিজিটাল ডিভাইসে চোখ রাখবেন তাদের প্রিয় তারকাদের লড়াই দেখতে।
১৩তম দিনে কেবল বক্সিং নয়, আরও কয়েকটি ইভেন্টেও ভারতীয় অ্যাথলেটরা অংশ নেবেন। তবে বক্সিং রিংয়ে লাভলিনা ও পারভীনের উপস্থিতি দিনটিকে ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তাদের সাফল্য ভারতের সার্বিক পদক সংখ্যা বাড়াতে বড় অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Education ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থায়ন ও গবেষণায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ (MI5)। চিনের একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ গবেষকদের কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য ও প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে সংস্থাটি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কটে থাকা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চীনের একাডেমিক সহযোগিতার সম্পর্কে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমআইফাইভ দেশটির গবেষক ও একাডেমিকদের…
Education ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থায়ন ও গবেষণায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ (MI5)। চিনের একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ গবেষকদের কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য ও প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে সংস্থাটি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কটে থাকা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চীনের একাডেমিক সহযোগিতার সম্পর্কে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এমআইফাইভ দেশটির গবেষক ও একাডেমিকদের ‘চায়না একাডেমি অফ জেনারেল টেকনোলজি’ (CAGT) নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ না করার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ব্রিটিশ নিরাপত্তার জন্য ‘উল্লেখযোগ্য হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সিএজিটি মূলত ‘চায়না জেনারেল টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামেও পরিচিত। সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সাইবার নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কর্মরত ব্রিটিশ গবেষকদের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে চীনের মূল গোয়েন্দা সংস্থা ‘মিনিস্ট্রি অফ স্টেট সিকিউরিটি’র (MSS) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করছে।
এমআইফাইভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ১০০ জন যুক্তরাজ্য-সংলগ্ন গবেষক ও একাডেমিক এমএসএস দ্বারা অর্থায়িত এই প্রকল্পে কাজ করেছেন। গবেষকদের অজান্তেই অথবা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বিশাল অঙ্কের তথ্য সংগ্রহ করা চীনের গোয়েন্দা কৌশলের একটি অংশ। এর আগে ২০২৩ সালের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তা করা যুক্তরাজ্যের আইনে মারাত্মক অপরাধ।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাত দীর্ঘদিন ধরেই চীনের অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে আসছে। দেশটির অ-ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চীনা শিক্ষার্থীরাই বৃহত্তম গোষ্ঠী, যা প্রতি বছর ব্রিটিশ শিক্ষায় প্রায় ৬০ কোটি পাউন্ড অর্থ জোগায়। এছাড়া, সম্প্রতি চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২১-এর বেশি নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে, যার পঞ্চমংশের বেশি অংশীদারই যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এমন পরিস্থিতিতে এমআইফাইভের সতর্কতা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। গবেষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রযুক্তি বা গবেষণাগুলোতে চিনের সাথে সহযোগিতা করা যাবে এবং কোনগুলোতে করা যাবে না—তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব রয়েছে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো চার্লস পার্টন এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের মিয়া নাউয়েন্সের মতে, শুধু নির্দিষ্ট কোম্পানির নাম ঘোষণা করে বা সাধারণ সতর্কতা জারি করে এই ঝুঁকি ঠেকানো সম্ভব নয়। কারণ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মূলত তাদের কমিউনিস্ট পার্টির নিয়ন্ত্রণ থাকে। তাই কোন ক্ষেত্রগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তা পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করে গবেষকদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা জরুরি।
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্নই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের আসন্ন 'বিগ বিলিয়ন ডেজ' সেলে বেশ কয়েকটি মডেলের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পোকো। সি, এম এবং এক্স সিরিজের অন্তর্ভুক্ত পোকো ডিভাইসে এই মূল্যছাড় প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও ক্যাশব্যাক অফার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা অতিরিক্ত সঞ্চয়ের সুযোগও পাবেন।এই মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে পোকো এক্স৮ প্রো ম্যাক্স ৫জি, যা দুটি আলাদা কনফিগারেশনে বাজারে উপলব্ধ হবে। এছাড়া কোম্পানি নিশ্চিত করেছে…
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের আসন্ন 'বিগ বিলিয়ন ডেজ' সেলে বেশ কয়েকটি মডেলের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পোকো। সি, এম এবং এক্স সিরিজের অন্তর্ভুক্ত পোকো ডিভাইসে এই মূল্যছাড় প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও ক্যাশব্যাক অফার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা অতিরিক্ত সঞ্চয়ের সুযোগও পাবেন।
এই মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে পোকো এক্স৮ প্রো ম্যাক্স ৫জি, যা দুটি আলাদা কনফিগারেশনে বাজারে উপলব্ধ হবে। এছাড়া কোম্পানি নিশ্চিত করেছে যে পোকো এক্স৮ প্রো এবং পোকো এক্স৮ পাওয়ার মডেল দুটির দামও এই সেল চলাকালীন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হবে।
ফ্লিপকার্টের বার্ষিক এই বিগ বিলিয়ন ডেজ সেল সব সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আগামী ৯ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। তবে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সুবিধাভোগী সদস্য এবং নির্দিষ্ট ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডধারীরা একদিন আগেই অর্থাৎ ৮ অক্টোবর থেকে অফারগুলো পাওয়ার আগাম সুবিধা পাবেন।
ফ্লিপকার্ট তাদের এই কেনাকাটার উৎসবে ব্যাংক অফারের আওতায় তাৎক্ষণিক মূল্যছাড়ের সুযোগ দিচ্ছে। গ্রাহকরা এই সেল চলাকালীন নির্ধারিত পোকো স্মার্টফোনগুলো তাদের বাজেটের মধ্যে সহজে কিনে নিতে পারবেন।
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্নপ্রযুক্তি ব্র্যান্ড ভিভো ভারতীয় বাজারে তাদের দুটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন—ভিভো টি৫ লাইট ৫জি এবং ভিভো টি৫ প্রো ৫জি-এর নতুন র্যাম ও স্টোরেজ কনফিগারেশন উন্মোচন করেছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।ফ্লিপকার্টের তালিকায় ফোনগুলোর জন্য 'কামিং সুন' বা 'শীঘ্রই আসছে' ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব দ্রুতই ক্রেতারা নতুন এই স্টোরেজ অপশনগুলো কেনার সুযোগ…
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ভিভো ভারতীয় বাজারে তাদের দুটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন—ভিভো টি৫ লাইট ৫জি এবং ভিভো টি৫ প্রো ৫জি-এর নতুন র্যাম ও স্টোরেজ কনফিগারেশন উন্মোচন করেছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
ফ্লিপকার্টের তালিকায় ফোনগুলোর জন্য 'কামিং সুন' বা 'শীঘ্রই আসছে' ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব দ্রুতই ক্রেতারা নতুন এই স্টোরেজ অপশনগুলো কেনার সুযোগ পাবেন।
নতুন তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ভিভো টি৫ লাইট ৫জি ফোনটি এখন ৪ জিবি র্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যাবে। যারা সাশ্রয়ী মূল্যে ফাইভ-জি ফোন খুঁজছেন, তাদের লক্ষ্য করেই এই ভ্যারিয়েন্টটি আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভিভো টি৫ প্রো ৫জি মডেলটিতে নতুন ৬ জিবি র্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশন যুক্ত করা হয়েছে। মধ্যম বাজেটে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এই মডেলটিকে সাজানো হয়েছে।
প্রসেসরের দিক থেকে, ভিভো টি৫ লাইট ৫জি মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৩০০ চিপসেট। এটি দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং সাধারণ গেমিংয়ের জন্য ভালো পারফরম্যান্স প্রদান করবে।
ভিভো টি৫ প্রো ৫জি স্মার্টফোনটি চালিত হয় শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন ৪ চিপসেট দিয়ে। এই প্রসেসরটি মাল্টিটাস্কিং এবং ভারী অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দ্রুত গতি নিশ্চিত করবে।
নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলোর যুক্ত হওয়ার ফলে ক্রেতারা তাদের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী আরও নতুন বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত হলেও এগুলোর সঠিক দাম ও বিক্রির তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
Uncategorized ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নআজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কফি উদ্যাপন, প্রতি কাপ কফির নেপথ্য কারিগরদের শ্রদ্ধা’। কফি চাষ এবং এর প্রক্রিয়াজাতকরণে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম ও অবদান রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মান জানাতেই এই দিবসে তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে।একসময় বাংলাদেশে কফি পানের অভ্যাস মূলত অভিজাত ক্যাফে ও বাসাবাড়ির ড্রয়িংরুমের শৌখিনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের আবর্তে দেশের কফি-সংস্কৃতিতে এসেছে এক বড়…
Uncategorized ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কফি উদ্যাপন, প্রতি কাপ কফির নেপথ্য কারিগরদের শ্রদ্ধা’। কফি চাষ এবং এর প্রক্রিয়াজাতকরণে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম ও অবদান রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মান জানাতেই এই দিবসে তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে।
একসময় বাংলাদেশে কফি পানের অভ্যাস মূলত অভিজাত ক্যাফে ও বাসাবাড়ির ড্রয়িংরুমের শৌখিনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের আবর্তে দেশের কফি-সংস্কৃতিতে এসেছে এক বড় ধরনের পরিবর্তন। বর্তমানে কফি আর কেবল আভিজাত্য বা বিলাসী পানীয়ে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি বাসা, অফিস, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস ও ভ্রমণের নিত্যদিনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে জেন-জি ও জেন আলফা প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা এখন চায়ের বিকল্প হিসেবে কফিকেই তাঁদের দৈনন্দিন প্রধান পানীয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। দ্রুত নগরায়ণ, বৈশ্বিক জীবনযাত্রার প্রভাব এবং রাতে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করা কিংবা ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজে জেগে থাকার অভ্যাসের কারণে তরুণদের কাছে কফি একটি জরুরি অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে।
দেশে বিশেষায়িত কফি শপ এবং বিন কফির বাজার প্রতিনিয়ত বিস্তৃত হলেও এখনো ইনস্ট্যান্ট কফির চাহিদা ও দাপটই সবচেয়ে বেশি। আলাদা কোনো বিশেষ যন্ত্রপাতি ছাড়াই সহজে ও দ্রুত প্রস্তুত করা যায় বলে সাধারণ গ্রাহকদের বাসা ও কর্মস্থলে ইনস্ট্যান্ট কফিই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একই সঙ্গে গলির মোড়ের টংদোকানগুলোতেও কফির সহজলভ্যতা বেড়েছে। মাত্র ১৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে ইনস্ট্যান্ট কিংবা ফেনা তোলা কফি। ফলে রিকশাচালক, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষদের দৈনন্দিন ক্লান্তি দূর করার এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছে টংদোকানের কফি।
অন্যদিকে আভিজাত্য ও আধুনিকতার প্রতীক হিসেবে ক্যাপুচিনো, লাতে, আমেরিকানো কিংবা কোল্ড কফির মতো পানীয়ের জনপ্রিয়তাও সমানভাবে বাড়ছে। দেশের কফি ব্যবহারের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখা গেছে আমদানির তথ্যেও। টানা তিন বছর আমদানি হ্রাসের পর সর্বশেষ অর্থবছরে কফি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
একসময় কেবল শীতকালের শৌখিন পানীয় হিসেবে বিবেচিত কফি এখন বাঙালির বারো মাসের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। সকালের আলস্য ও ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে গভীর রাতের আড্ডা পর্যন্ত—বাঙালির দৈনন্দিন জীবনযাপনে কফি এখন চায়ের মতোই এক চিরচেনা অভ্যাসে রূপ নিয়েছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

ুািাি

ুািাৃু

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






