জাজিরাতুল আরব থেকে সৌদি আরব: ইতিহাস, নজদ, ইয়েমেন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচলিত দাবির বাস্তবতা ↗
PothikTV
September 17, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
声誉建设中
daily sokaler somay, bangladesher khabor, sobuj bangla, songbad
BSS, LLB, post graduate journalism
声誉建设中
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
PothikTV
September 1, 2026
PothikTV
June 8, 2026
PothikTV
May 23, 2026
PothikTV
May 23, 2026
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
PothikTV
September 17, 2026
PothikTV
September 16, 2026
PothikTV
September 14, 2026
PothikTV
September 3, 2026
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের…
ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। ফেরাও হবে না আর। পাহাড়ের ওপারে পড়ে থাক তোমার কুৎসিত ভাবনার সেই বিবর্ণ নগর, তার বিষণ্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ুক অভিশাপের অন্ধকার; বিষাক্ত হাওয়ার মতো তা স্পর্শ করুক সেইসব হৃদয়কে, যারা ভালোবাসার পবিত্রতাকে চিনতে শেখেনি।
ুািাি
ুািাৃু
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। আমার ডাইনে অসুখ। বাঁয়ে অসুখ। সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে…
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ।
আমার ডাইনে অসুখ।
বাঁয়ে অসুখ।
সামনে গেলে অসুখ দাঁড়িয়ে থাকে দরজার মতো, পেছনে ফিরলে দেখি সে-ই আমার পদচিহ্ন হয়ে আমাকে অনুসরণ করছে।
সুখের মধ্যেও এখন অসুখের গন্ধ পাই। হাসির নিচে দেখি ভাঙা কাচের স্তর, উৎসবের আলোয় আবিষ্কার করি মৃত জোনাকিদের সংসার। কেউ যখন বলে, “ভালো আছো?”, তখন আমার ভেতরে সহস্র বছর পুরোনো কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে ধুলো উড়ে আসে। উত্তর দিতে গিয়ে দেখি ভাষা নেই, কেবল কয়েকটি নির্বাসিত শব্দ আমার কণ্ঠনালির কাছে এসে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
রাত হলে এই অসুখ আরও নিঃশব্দ হয়।
আর নিঃশব্দ হলেই সে আরও ভয়ংকর।
তখন ঘড়ির কাঁটাগুলো সময় মাপে না, আমার অনুপস্থিতি মাপে। দেয়ালের ছায়া লম্বা হতে হতে একসময় আমার শয্যার পাশে বসে পড়ে। জানালার বাইরে চাঁদকে মনে হয় বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মুখ, যে ফিরে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু পৃথিবীর ঠিকানা ভুলে গেছে।
ভোর হয়।
লোকেরা তাকে নতুন দিন বলে।
আমার কাছে ভোর হলো রাতের ক্ষতের ওপর সামান্য আলো রেখে দেওয়া। সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে, রাস্তা জেগে ওঠে, চায়ের দোকানে কথাবার্তা জমে, মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনের দিকে ছুটে যায়। অথচ আমার ভেতরে তখনও রাতের একটি কালো পাখি ডানা মেলে বসে থাকে। তার ঠোঁটে কোনো গান নেই, আছে কেবল এক অনিবার্য বিষণ্নতার বীজ।
সকাল আমাকে গিলে খায়।
দুপুর আমাকে গিলে খায়।
বিকেল এসে আমার স্মৃতির দরজায় কড়া নাড়ে।
আর সন্ধ্যা যেন অদৃশ্য কোনো পুরোহিত, প্রতিদিন আমার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোর শ্রাদ্ধ করে যায়।
ঋতুও আমাকে রক্ষা করতে পারে না।
বসন্ত এলে পৃথিবী যখন পলাশের আগুনে রঙিন হয়, আমার ভিতরে তখন পাতা ঝরে। শীতের কুয়াশা নামলে অন্যেরা উষ্ণতার কাছে ফেরে, আমি আরও দূরে সরে যাই নিজের কাছ থেকে। বর্ষায় আকাশ কাঁদলে আমার মনে হয়, সে আমার ভাষা চুরি করেছে। শরৎ তার নির্মল নীল নিয়ে আসে, অথচ আমার আকাশে তখনও জমে থাকে বহু জন্মের অমীমাংসিত মেঘ।
এই অসুখ আমাকে গিলে গিলে খায়।
একবারে নয়।
একটু একটু করে।
প্রথমে সে আমার ঘুম খায়, তারপর স্বপ্ন। তারপর অপেক্ষা। তারপর কোনো এক অসতর্ক দুপুরে এসে আমার বিশ্বাসের একটি অংশ ছিঁড়ে নিয়ে যায়। একদিন দেখি, যে মানুষটি আয়নায় দাঁড়িয়ে আছে সে দেখতে ঠিক আমার মতো, কিন্তু তার চোখে আমার বাস নেই।
আমি তখন নিজের নাম ধরে নিজেকেই ডাকি।
কেউ উত্তর দেয় না।
আমার মনে হয়, আমি বুঝি বহুদিন আগে মারা গেছি, এখন কেবল আমার অভ্যাসগুলো বেঁচে আছে। তারা সকালে উঠে, মুখ ধোয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, প্রয়োজনমতো হাসে, রাস্তায় হাঁটে, কাজ করে, ফিরে আসে। আর আসল আমি কোনো পরিত্যক্ত রেলস্টেশনে বসে আছি, যেখানে কোনো ট্রেন থামে না, শুধু দূর থেকে হুইসেলের শব্দ আসে।
সেই স্টেশনের নাম হয়তো বিষণ্নতা।
অথবা স্মৃতি।
অথবা এমন কোনো ভালোবাসা, যার মৃতদেহ কেউ কখনও খুঁজে পায়নি।
কখনও মনে হয়, আমার বুকের মধ্যে একটি প্রাচীন নগর ডুবে আছে। সেখানে ভাঙা মিনার, নিভে যাওয়া প্রদীপ, বন্ধ জানালা, জনশূন্য অলিগলি। মাঝরাতে সেখানে কারা যেন হাঁটে। হয়তো তারা আমার অপূর্ণ ইচ্ছেরা। হয়তো যে কথাগুলো কখনও বলা হয়নি, তারা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।
তারা আমার দরজায় দাঁড়িয়ে বলে,
“আমাদের কবর দিলে না কেন?”
আমি কীভাবে বোঝাই, আমার ভেতরে কবর দেওয়ার মতো মাটিও আর অবশিষ্ট নেই?
সবটাই এখন ধ্বংসাবশেষ।
তবু আশ্চর্য, এই অনন্ত মন খারাপের মধ্যেও কোথাও একটি ক্ষীণ স্পন্দন থেকে যায়। সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাওয়ার পরও যেমন মহাশূন্য সম্পূর্ণ অন্ধকার হয় না, তেমনি আমার সমস্ত ভাঙনের নিচে অতি ক্ষুদ্র একটি আলো শ্বাস নেয়।
হয়তো তার নাম বেঁচে থাকা।
হয়তো তার নাম কবিতা।
হয়তো মানুষের সমস্ত দুঃখের শেষ গোপন বিদ্রোহই হলো, এতকিছুর পরও সে একদিন জানালা খুলে দেয়।
আমি জানি না এই অসুখ কোনোদিন যাবে কি না।
হয়তো যাবে না।
হয়তো একদিন আমি আর সে একই শরীরের দুই বাসিন্দা হয়ে যাব। সে আমার পাশে বসে থাকবে, আমি তাকে চা দেব। আমরা দুজন মিলে পুরোনো দিনের কথা বলব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করব,
“এতকাল আমাকে কেন ছাড়োনি?”
সে হয়তো মৃদু হেসে বলবে,
“তোমার ভেতরে যে এত আলো ছিল, তার ঠিকানা জানতাম না। তাই অন্ধকার হয়ে তোমাকে খুঁজেছি।”
সেদিন হয়তো প্রথমবার বুঝব, মন খারাপ সবসময় ধ্বংসের নাম নয়।
কিছু কিছু মন খারাপ মানুষকে গভীর করে।
কিছু কিছু শূন্যতা মানুষকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কিছু কিছু অন্ধকারই শেখায়, আলো আসলে কতখানি অলৌকিক।
তবু আজও বলি,
মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।
মেঘ-কালো এই অসুখ আমার চোখে, বুকে, ডাইনে, বাঁয়ে, সকাল-দুপুর-বিকেল, বসন্ত-শীত, স্বপ্ন ও জাগরণে ঘুরে বেড়ায়।
কিন্তু এখন আর তাকে শুধু অসুখ বলে ডাকি না।
আমি তার আরেকটি নাম দিয়েছি।
অতল থেকে ফিরে আসার দীর্ঘতম পথের সাথি “আতুর্গালী”।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। বাবার সঙ্গে যেন আর কোনো অন্যায় না হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ভালোভাবে ফিরে আসেন—এই প্রত্যাশায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাবাকে তিন মাসের জন্য বিদায় জানায় ছোট্ট তুবা।
"প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব সৌন্দর্য।"
@pothiktv1 · Journalist · Brahmanbaria
A quick introduction for the PothikTV community.
Liton Hossain Jihad is a Bangladeshi journalist, poet, writer, and digital media entrepreneur based in Brahmanbaria. He has been active in journalism for more than a decade and is associated with PothikTV and PothikNews, where he works across journalism, publishing, and digital media development. Alongside journalism, he is known for his literary work, particularly poetry and essays. His published works include poetry collections such as *Somay Akhon Jagaroner*, while a number of his poems have appeared on Bengali literary platforms. His work focuses on journalism, literature, digital communication, community media, and the development of technology-driven platforms for journalists and creative professionals in Bangladesh.
Professional experience, education and languages.
Goals, milestones and personal values.
নদীর ধারে আজকের বিকেলটি এক অদ্ভুত নীরব স্বপ্নের মতো লাগছে। পশ্চিম আকাশে সূর্য ধীরে ধীরে ঢলে পড়ছে, তার সোনালি রশ্মি নদীর জলে প্রতিফলিত হয়ে চারপাশে ছড়িয়ে দিয়েছে কোমল আলো। বাতাসে হালকা নোনা ঘ্রাণ, ঢেউ এসে আলতো ছুঁয়ে দিচ্ছে বালুচর—সব মিলিয়ে প্রকৃতি এক নিঃশব্দ সঙ্গীত হৃদয়ের কুড়িডোরে সুর তুলছে আমি একেই নদীর কুল ঘেষে হাঁটছি। বিকেল হলে শহরের মানুষজন বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার জন্যই এখানে জড়ো হয়। নদীর কাছে আসলেই আমার…
নদীর ধারে আজকের বিকেলটি এক অদ্ভুত নীরব স্বপ্নের মতো লাগছে। পশ্চিম আকাশে সূর্য ধীরে ধীরে ঢলে পড়ছে, তার সোনালি রশ্মি নদীর জলে প্রতিফলিত হয়ে চারপাশে ছড়িয়ে দিয়েছে কোমল আলো। বাতাসে হালকা নোনা ঘ্রাণ, ঢেউ এসে আলতো ছুঁয়ে দিচ্ছে বালুচর—সব মিলিয়ে প্রকৃতি
এক নিঃশব্দ সঙ্গীত হৃদয়ের কুড়িডোরে সুর তুলছে
আমি
একেই নদীর কুল ঘেষে হাঁটছি। বিকেল হলে শহরের মানুষজন
বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার জন্যই এখানে জড়ো হয়। নদীর কাছে আসলেই আমার মনে জাগে অজানা কৌতূহল, এক ধরনের অদ্ভুত
প্রত্যাশা। জীবনের সকল উদাসিনতা উড়ে যায় ঢেউয়ের শিওরে।
জীবনের সকল কোলাহল এই
নদীতীরে এসে থমকে দাঁড়ায়। ভাবনার গভীরে যখন ভাবনার
জন্ম হচ্ছে-
ঠিক
তখনই রায়হানা এসে দাঁড়াল আমার সামনে। চোখে তার চিরচেনা খেয়ালী হাসি।
— “পথিক,
তোমাকে একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই। সে রাজুতি।”
আমি
তাকালাম।নদীর কূলে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি যেন প্রকৃতিরই অংশ। লাল পাড়ের শাড়ি হাওয়ায় দুলছে, চুলের মসৃণ রেখা কাঁধ ছুঁয়ে নেমে এসেছে। শ্যামলা মুখে এক মৃদু হাসি,
চোখে কাজলের গভীরতা—সব মিলিয়ে সে
যেন এক জীবন্ত কবিতা।
আমি
ধীরে বললাম, — “কেমন আছেন আপনি”
সে
তাকিয়ে হালকা হাসল, — “শুভ বিকেল। সাংবাদিকতার খোঁজে এসেছেন?”
তার
কণ্ঠে ছিল স্বাভাবিকতা, অথচ কোথাও এক অদৃশ্য টান।
রায়হানা
মুচকি হেসে বলল,
— “চল,
একটু হাঁটি। কফিও খাওয়া যাবে। আলাপটা জমে উঠুক।”
আমরা
তিনজন নদীর কূল ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। কিছুক্ষণ পর কথোপকথন আপনাতেই
গভীর হয়ে উঠল। শহর, সংবাদ, সাহিত্য—সবকিছু নিয়েই কথা হচ্ছিল, কিন্তু রাজুতির কথায় ছিল আলাদা এক সংবেদনশীলতা। সে
শুধু তথ্য বলছিল না, প্রতিটি কথার ভেতরে ছিল অনুভবের স্পর্শ।
তার
হাঁটার ছন্দ, কথা বলার ভঙ্গি, মাঝে মাঝে থেমে নদীর দিকে তাকানো—সবকিছু যেন পরিবেশের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যাচ্ছিল।
সেই
দিন থেকেই শুরু হলো আমাদের আরেক জগতের সংযোগ—ফেসবুক মেসেঞ্জারে।
ছোট ছোট বার্তা, অল্প কথার হাসি, মাঝেমধ্যে গভীর কিছু ভাবনা—অদেখা এক বন্ধন ধীরে
ধীরে তৈরি হতে লাগল।
একদিন
আমরা ঠিক করলাম—শহরের বাইরে, নদীর ধারে একটা বিকেল কাটাবো।
রিকশা
থেকে নেমে যখন আমরা হাঁটছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল সময় যেন একটু ধীরে বয়ে যাচ্ছে। নরম বালুচরে পায়ের শব্দ, দূরের পাখির ডাক, আর নদীর স্রোতের
সুর—সব মিলিয়ে এক
অদ্ভুত প্রশান্তি।
রাজুতি
সেই দিনও লাল শাড়িতে। বাতাসে তার চুল উড়ছিল, নদীর ধারে বাতাসটা তখন একটু ঠাণ্ডা হয়ে এসেছে। সূর্যের আলো নরম হয়ে নদীর জলে লালচে ছায়া ফেলছে। আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম, কিন্তু কথার চেয়ে নীরবতাই যেন বেশি কথা বলছিল।
রাজুতি হঠাৎ থেমে নদীর দিকে তাকাল। কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,
— “পথিক, তুমি কি কখনো খেয়াল
করেছ… নদী থামে না, কিন্তু তার ভেতরে কত কিছু জমে
থাকে?”
তার কণ্ঠে এমন এক শান্ত গাম্ভীর্য
ছিল, যা আমাকে একটু
থামিয়ে দিল।
আমি হালকা হেসে বললাম,
— “মানুষও তো তাই… বাইরে
চলতে থাকে, ভেতরে অনেক কিছু জমে যায়।”
সে মাথা নাড়ল।
চোখ তখনও নদীর দিকে।
— “হ্যাঁ… কিছু কথা বললে শেষ হয়ে যায়, কিন্তু না বললে থেকে
যায়… ঠিক এই স্রোতের মতো।”
আমি তার দিকে তাকালাম। মনে হলো, সে শুধু কথা
বলছে না—কিছু অনুভব
করাচ্ছে।
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
— “তুমি কি এমন কিছু
জমিয়ে রেখেছ?”
সে একটু হাসল,
কিন্তু সেই হাসিতে যেন পুরো আলো ছিল না।
— “সবাই রাখে, পথিক। কেউ ভুলে যেতে চায়, কেউ মনে রাখতে বাধ্য হয়।”
বাতাসে তার চুল উড়ে এসে মুখে পড়ছিল। সে ধীরে হাত
দিয়ে সরাল।
আমি বললাম,
— “তোমার কথাগুলো শুনে মনে হয়, তুমি অনেক কিছু দেখেছ।”
সে একটু চুপ
করে রইল। তারপর ধীরে বলল,
— “সবকিছু দেখা যায় না… কিছু জিনিস শুধু ভেতরে থেকে যায়। আর সেগুলো মানুষকে
বদলে দেয়।”
তার কথাগুলো সহজ, কিন্তু কোথাও যেন একটা চাপা ভার ছিল।
আমরা আবার হাঁটতে শুরু করলাম। কিছু দূর গিয়ে সে হালকা গলায়
বলল,
— “তুমি জানো, মানুষ আসলে কী চায়?”
আমি তাকিয়ে বললাম,
— “কি?”
সে মৃদু হেসে
বলল,
— “একটা জায়গা… যেখানে কিছু লুকাতে হবে না।”
আমি একটু ভেবে বললাম,
— “তুমি কি এমন জায়গা
পেয়েছ?”
সে সরাসরি উত্তর
দিল না। আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,
— “হয়তো পেয়েছিলাম… কিন্তু সবকিছু সবসময় থাকে না।”
তার এই কথাটা খুব
সাধারণ শোনালেও, কোথাও যেন একটু থেমে গেল।
আমি বললাম,
— “তাহলে এখন?”
সে আমার দিকে
তাকিয়ে হালকা হাসল,
— “এখন শিখছি… যেখানে ভালো লাগে, সেখানেই কিছুক্ষণ থামতে।”
তার সেই হাসিটা শান্ত ছিল, কিন্তু পুরোপুরি নির্ভার না।
আমরা নদীর ধারে বাশের মাছা করে একটি ছোট টং দোকান,
বাশ কেটে সুন্দর করে বসার একটা জাযগা করা আছে আমি আর সেজুতি সেখানে বসে দুটো চার অর্ডার
করলাম। চারপাশে নরম
আলো, হালকা বাতাস। সাথে টং দোকানে বসে চার অনুভুতি
পৃথিবীর সেরা কিছু প্রাপ্তির তৃপ্তি এনে দিয়েছিল ঐদিন।
সে কাপটা হাতে নিয়ে বলল,
— “কিছু মুহূর্ত থাকে, যেগুলোকে বেশি ভাবা উচিত না… শুধু অনুভব করা উচিত।”
আমি বললাম,
— “আজকের মতো?”
সে মাথা নেড়ে
বলল,
— “হ্যাঁ… আজকের মতো।”
কিছুক্ষণ আমরা চুপ করে থাকলাম। সেই নীরবতায়ও অদ্ভুত একটা স্বস্তি ছিল।
হঠাৎ সে আবার বলল,
— “পথিক, তুমি কি বিশ্বাস করো—সব মানুষ ঠিক
সময়েই একে অপরের জীবনে আসে?”
আমি বললাম,
— “হয়তো… না হলে দেখা
হতো না।”
সে একটু ধীরে
বলল,
— “হয়তো ঠিক সময়েই আসে… কিন্তু সবাই থাকার জন্য আসে না।”
তার কথাটা শুনে আমি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলাম। কেন জানি না, কিন্তু কথাটা মনে রয়ে গেল।
তারপর সে হেসে বলল,
— “আমি না, একটু বেশি ভাবি।”
আমি হেসে বললাম,
— “ভালোই তো… তোমার কথা শুনলে মনে হয়, একটা গল্পের ভেতরে আছি।”
সে তাকিয়ে রইল
কিছুক্ষণ, তারপর খুব আস্তে বলল,
— “গল্পের ভেতরে থাকাই ভালো… বাস্তব কখনো কখনো কঠিন হয়ে যায়।”
সেই
বিকেলটি শেষ হয়েছিল, কিন্তু তার রেশ থেকে গিয়েছিল আমাদের ভেতরে।
নদীর ঢেউ, লাল শাড়ির দুলন, আর কিছু অব্যক্ত
অনুভূতি—সব মিলিয়ে সেটি
হয়ে উঠেছিল এক নিঃশব্দ কবিতা।
সন্ধ্যার আলো নরম হয়ে নামতে নামতে শহরটা যেন একটু থেমে যায়। নদীর ধারের বিকেলটাকে পেছনে ফেলে বাসায় ফিরলাম—চারপাশে সবই আগের মতো: দেয়াল, টেবিল, বই, আলো। তবু ভেতরে কোথাও এক অদ্ভুত শূন্যতা
রয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, বিকেলের কিছু কথা, কিছু নীরবতা এখনো আমার সঙ্গেই হাঁটছে।
মোবাইলটা টেবিলে পড়ে ছিল। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে তুলে নিলাম।
ফেসবুক মেসেঞ্জারে একটা নতুন নোটিফিকেশন।
রাজুতি।
ছোট্ট একটা বার্তা—
— “পৌঁছেছ, পথিক?”
আমি লিখলাম,
— “হ্যাঁ, একটু আগে। তুমি?”
— “আমিও… কিন্তু মনে হচ্ছে এখনো যেন ফিরিনি।”
তার কথাটা পড়ে থমকে গেলাম। মনে হলো, বিকেলটা শেষ হয়নি—শুধু জায়গা বদলেছে।
আমি লিখলাম,
— “কিছু কিছু বিকেল এমনই হয়… শেষ হয় না।”
কিছুক্ষণ পর উত্তর এল—
— “আজকেরটা একটু অন্যরকম ছিল।”
— “কেন?”
ওপাশে সামান্য বিরতি। তারপর—
— “কারণ আজ আমি নিজেকে
একটু কম লুকিয়েছি।”
লাইনটা পড়তে পড়তে মনে হলো, সে যেন আমার
সামনেই বসে আছে।
— “তুমি কি সবসময় নিজেকে
লুকিয়ে রাখো?”—আমি জিজ্ঞেস করলাম।
কয়েক সেকেন্ড নীরবতা। তারপর—
— “সবাই রাখে, সখা।”
আমি থেমে গেলাম।
শব্দটা নতুন, অথচ অদ্ভুতভাবে কাছের।
— “সখা?”
— “হ্যাঁ… এমন কাউকে বলা যায়, যার সঙ্গে কথা বললে মনে হয়—নিজেকে একটু
কম লুকাতে হয়।”
শব্দটার ভেতরে এক ধরনের নীরব
উষ্ণতা ছিল। বুঝতে পারলাম, আমাদের কথার ভেতর দিয়ে অচেনা কিছু ধীরে ধীরে পরিচিত হয়ে উঠছে।
আমি লিখলাম,
— “তাহলে আমি ভাগ্যবান।”
সে সঙ্গে সঙ্গে
উত্তর দিল না। একটু পর লিখল—
— “ভাগ্য… সবসময় একরকম থাকে না, পথিক।”
এই কথার ভেতরে
হালকা একটা ভাঙন টের পেলাম।
— “কিছু হয়েছে?”
অনেকক্ষণ কোনো উত্তর নেই। শুধু ‘typing…’ আসে, মিলিয়ে যায়।
শেষমেশ সে লিখল—
— “তুমি কি কখনো এমন
কাউকে বিশ্বাস করেছ, যাকে মনে হয়েছিল—সে কখনো বদলাবে
না?”
আমি থেমে লিখলাম,
— “হয়তো… কেন বলছ?”
তার উত্তর এল ধীরে, ভাঙা
লাইনে—
— “কারণ আমি করেছিলাম।”
— “অনেকটা সময়… অনেকটা বিশ্বাস…”
— “তারপর একদিন বুঝলাম—সবকিছু আসলে আমার একারই ছিল।”
শব্দগুলো খুব সাধারণ, কিন্তু তাদের ভেতরে জমে থাকা নীরব ব্যথা স্পষ্ট।
সে আবার লিখল—
— “নিরব… নামটা হয়তো তেমন কিছু না, কিন্তু আমার কাছে একসময় পুরো পৃথিবী ছিল।”
আমি ধীরে জিজ্ঞেস করলাম—
— “সে কি… তোমাকে
কষ্ট দিয়েছে?”
কিছুক্ষণ চুপ থেকে সে লিখল—
— “কষ্টটা দিলে হয়তো সহজ হতো… সে শুধু বদলে
গেল।”
— “আর আমি বুঝলাম,
আমি যাকে চিনতাম—সে আসলে ছিলই
না।”
এইবার কথাগুলোতে অভিযোগ নেই, শুধু ক্লান্তি।
আমি লিখলাম,
— “তুমি কি এখনো তাকে
ভাবো?”
— “ভাবি না… কিন্তু কিছু স্মৃতি নিজে থেকেই ফিরে আসে।”
— “তখন মনে হয়, আমি হয়তো ভুল ছিলাম… মানুষটা না।”
আমি একটু থামলাম। তারপর প্রসঙ্গটা নরমভাবে ঘুরিয়ে দিলাম—
— “আজ যে নীরবতার
কথা বলছিলে… সেটা কি তখন থেকেই?”
সে লিখল—
— “হয়তো… তখন থেকেই শিখেছি, শব্দ সবসময় সত্যি বলে না।”
— “তাই এখন শব্দের চেয়ে অনুভূতিতে বেশি বিশ্বাস করি।”
আমি লিখলাম—
— “তাই তোমার কথা শুনলে মনে হয়, তুমি শুধু বলো না—অনুভব করাও।”
সে হালকা সুরে
উত্তর দিল—
— “তুমি বুঝতে পারো… এটাই আশ্চর্য।”
— “হয়তো আমাদের ভাবনাগুলো কাছাকাছি।”
— “শুধু ভাবনা না… তুমি লেখো, তাই না?”
আমি একটু হেসে লিখলাম—
— “হ্যাঁ, চেষ্টা করি।”
— “বোঝা যায়,” সে লিখল,
— “তোমার কথার ভেতরে একটা ছন্দ আছে… জোর করে না, নিজে থেকেই আসে।”
— “তুমি কি সাহিত্য পড়ো?”
— “পড়ি না বললে ভুল
হবে… বাঁচার জন্য পড়ি।”
— “কিছু লেখা আছে, যেগুলো মানুষকে ভাঙে না—ধরে রাখে।”
— “তুমি নিজেও লিখতে পারো।”
সে একটু থেমে
লিখল—
— “লিখি মাঝে মাঝে… কিন্তু কাউকে দেখাই না।”
— “সব লেখা সবার
জন্য না, সখা।”
আবার সেই শব্দ—“সখা”।
এবার আর অচেনা লাগল
না।
কথা ঘুরতে ঘুরতে আমরা যেন আরেক জগতে ঢুকে গেলাম—
সাহিত্য, অনুভূতি, মানুষ, ভাঙন, আবার উঠে দাঁড়ানো—সব মিলিয়ে দুই
আলাদা পথ থেকে এসে
একই জায়গায় দাঁড়ানোর মতো।
আমি বুঝতে পারছিলাম, সে ধীরে ধীরে
তার ভেতরের দরজাগুলো খুলছে—পুরোটাই নয়, কিন্তু অল্প অল্প করে।
রাত বাড়ছিল।
শেষে সে লিখল—
— “আজকের বিকেলটা… মনে থাকবে।”
আমি লিখলাম—
— “আমারও।”
সে আবার লিখল—
— “সব স্মৃতি ভারী
হয় না… কিছু স্মৃতি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।”
আমি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
মনে হলো, এই কথাগুলোর ভেতরেই
কোথাও আমাদের সম্পর্কের শুরুটা নীরবে গড়ে উঠছে।
আমি লিখলাম—
— “তাহলে আজকেরটা তেমনই থাক।”
সে শুধু লিখল—
— “হ্যাঁ, সখা।”
চ্যাট শেষ হলো।
কিন্তু কথাগুলো থেকে গেল।
ঘরের আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়লাম।
মনে হচ্ছিল, এই পরিচয়টা সাধারণ
না—
কিছু একটা শুরু হয়েছে। নীরবে, ধীরে, গভীরভাবে।
আর অদ্ভুতভাবে আমি
বুঝতে পারছিলাম—
আমি তার জন্য একটা নাম ভেবে ফেলেছি।
কিন্তু সেটার সময় এখনো আসেনি।
সৃষ্টি যখন প্রথম আলো জ্বালিয়েছিল অন্ধকারের বুক চিরে, তখন কেউ ছিলনা ডাকার জন্য, কেউ ছিলনা সাড়া দেওয়ার। তখন শব্দ ছিল না, ছিল না ভাষা। সময় তখনো নিজেকে চিনতে শেখেনি। স্থান ছিলো না, গতি ছিলো না, কিছুই ছিলো না Ñশুধু ছিল এক নিঃশব্দ প্রেম, যা আত্মার গভীরতম স্তর থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছিল। সেই প্রেম কার প্রতি ছিল? কিসের প্রতি ছিল? সে কি স্রষ্টার নিজেরই ভেতরের এক তীব্র আকুলতা? হয়তো তিনি একা ছিলেন…
সৃষ্টি যখন প্রথম আলো জ্বালিয়েছিল অন্ধকারের বুক চিরে, তখন কেউ ছিলনা ডাকার জন্য, কেউ ছিলনা সাড়া দেওয়ার। তখন শব্দ ছিল না, ছিল না ভাষা। সময় তখনো নিজেকে চিনতে শেখেনি। স্থান ছিলো না, গতি ছিলো না, কিছুই ছিলো না Ñশুধু ছিল এক নিঃশব্দ প্রেম, যা আত্মার গভীরতম স্তর থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছিল।
সেই প্রেম কার প্রতি ছিল? কিসের প্রতি ছিল? সে কি স্রষ্টার নিজেরই ভেতরের এক তীব্র আকুলতা? হয়তো তিনি একা ছিলেন না, কারণ যিনি প্রেম ধারণ করেন, তিনি কখনো একা হন না। তিনি নিজের প্রেমেই পূর্ণ ছিলেন। সেই প্রেমই ছিল আদিম স্রষ্টার নিঃশব্দ উচ্চারণÑ "হও", আর সেই হওয়া থেকেই জন্ম নিয়েছিল আকাশ, ধরণী, নক্ষত্র, নদী, এবং মানুষ।
মানুষÑ এই রহস্যময় প্রাণ, যার হৃদয়ে এক অতল প্রেমের বীজ রোপিত করে দিয়েছিল স্রষ্টা। সে প্রেম শুধু কারো প্রতি আকর্ষণ নয়, বরং নিজের আত্মার এক বিস্ময়কর অন্বেষণ। সেই প্রেমে রয়েছে স্রষ্টার সন্ধান, রয়েছে ভাঙনের ভিতরে গড়ার আহ্বান, রয়েছে হারানোর মাঝেও এক চিরন্তন প্রাপ্তি।
প্রেম কোনো রূপ বা শরীরের কাছে বাঁধা নয়। এটি এক ধ্রুব জ্যোতি, যা অন্তরের দৃষ্টিতে দেখা যায়, হৃদয়ের কান দিয়ে শোনা যায়। যেখানে প্রেম এবং প্রার্থনা এক হয়ে যায়Ñ সেখানে সৃষ্টি আর স্রষ্টার ব্যবধান বিলীন হয়ে যায়।
মানুষ যখন প্রেম করে, সত্যিকারভাবে, তখন সে আসলে সৃষ্টি রহস্যের গভীরে প্রবেশ করেÑ যেখানে প্রতিটি স্পর্শ, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি নীরবতা একেকটি মহাজাগতিক ভাষ্য। সেই প্রেম আত্মাকে পবিত্র করে, যেমন নদী ধুয়ে দেয় পাথরের ধুলো।
জগৎ সৃষ্টি হয়নি আকস্মিকতায়। জগৎ সৃষ্টি হয়েছে ভালোবাসার প্রবল আকর্ষণে। প্রেমই স্রষ্টাকে বলেছিল, “তুমি নিজেকে প্রকাশ করো। তোমার নিখুঁত সৌন্দর্য আর কাঁপনজাগানো করুণা যেনো রূপ লাভ করে।” তখন তিনি বলেননি কোনো শব্দ, উচ্চারণ করেননি কোনো নির্দেশÑ তিনি শুধু প্রেমের সাগরে নিজেকে ঢেলে দিলেন। আর সেই ঢেলে দেওয়া থেকেই জন্ম নিলো প্রথম আলো।
আলো আসার আগে, প্রেমই ছিল প্রথম সৃষ্টি। আলো প্রেমের ভাষা হতে চেয়েছিল, নক্ষত্রেরা প্রেমের চোখ, আর সময় হয়েছিল তার দিগন্ত। এক গভীর, অথচ নীরব বিস্ফোরণÑ যেখানে শব্দ ছিল না, ছিল কেবল এক মরমি সাড়া। সেই সাড়ায় জন্ম নিলো “কুন”Ñ স্রষ্টার সেই অনন্ত ইচ্ছা, যা এক মহাসৃষ্টির সূত্রপাত করেছিল।
আর সেই সৃষ্টিÑ মানব আত্মাÑ যার হৃদয়েই তিনি প্রেমের পূর্ণ রূপ রাখলেন। মানুষ হলো প্রেমের অভিপ্রায়, প্রেমের বাহক, প্রেমের অন্বেষণকারী।
এই অধ্যায়ে যখন আমরা ফিরে তাকাইÑ আলোকের পূর্বের সেই নিস্তব্ধতায়Ñতখন আমরা দেখতে পাই, প্রেম কোনো মানসিক অনুভূতি নয়, এটি এক অস্তিত্বগত সত্য। প্রেম কোনো ঘটনা নয়, প্রেম হলো সত্তা। একমাত্র প্রেমই এমন কিছু, যা সৃষ্টি হওয়ার আগেও ছিল, থাকবে সৃষ্টির অন্তেও।
তাই যিনি সত্য প্রেম খোঁজেন, তিনি আলোর বাইরে যেতে শেখেন। তিনি শব্দের বাইরে ভাবেন। তিনি সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে যান। তিনি অনুভব করেন সেই প্রেমÑ যা একসময় নিজেরই প্রেমে পড়ে সৃষ্টি করেছিল আমাদের।
A drone strike targeted a weapons depot at the headquarters of an Iranian Kurdish armed group in the city of Dekala in Iraq’s semi-autonomous Kurdistan region. Two fighters were injured in the attack, according to security sources. Al Jazeera reported the development.Iran has long accused the authorities in Iraq’s Kurdish region of providing shelter to armed groups involved in attacks against the Iranian government. The country’s powerful force, the Islamic…
A drone strike targeted a weapons depot at the headquarters of an Iranian Kurdish armed group in the city of Dekala in Iraq’s semi-autonomous Kurdistan region. Two fighters were injured in the attack, according to security sources. Al Jazeera reported the development.
Iran has long accused the authorities in Iraq’s Kurdish region of providing shelter to armed groups involved in attacks against the Iranian government. The country’s powerful force, the Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC), has previously carried out multiple strikes targeting the bases of these groups.
In a report published this week, Reuters stated that in recent days Iranian Kurdish militias had consulted with the United States about whether to launch attacks against Iranian security forces in western Iran and, if so, how to carry them out.
Desk Reporter: Iran has claimed that it shot down a U.S. F-15 fighter jet. The information was reported by Iran’s semi-official news agency Tasnim News Agency, citing a related source. According to the source, Iran’s air defense forces brought down the American F-15 aircraft. Earlier, the Khatam al-Anbiya Central Headquarters, the military operations branch of Iran’s Islamic Revolutionary Guard Corps, announced on Monday that Iran’s indigenous air defense system had…
Desk Reporter: Iran has claimed that it shot down a U.S. F-15 fighter jet. The information was reported by Iran’s semi-official news agency Tasnim News Agency, citing a related source.
According to the source, Iran’s air defense forces brought down the American F-15 aircraft.
Earlier, the Khatam al-Anbiya Central Headquarters, the military operations branch of Iran’s Islamic Revolutionary Guard Corps, announced on Monday that Iran’s indigenous air defense system had shot down three U.S. warplanes.
Since then, various images have circulated showing U.S. military aircraft being downed. In the images, pilots were seen descending to the ground using parachutes.
However, the United States and Kuwait later stated that the aircraft were brought down in Kuwait due to “friendly fire,” meaning they were mistakenly hit by missiles fired by their own side. The pilots were reportedly able to land safely.
Desk Report: Iran’s Islamic Revolutionary Guard Corps (Islamic Revolutionary Guard Corps) has stated that the country maintains “full control” over the Strait of Hormuz, a sea route that is critically important for global trade. Earlier, U.S. President Donald Trump said he was preparing to deploy the U.S. Navy to escort tankers passing through the strategic waterway. Following that statement, the IRGC declared that it holds “complete control” over the Strait…
Desk Report: Iran’s Islamic Revolutionary Guard Corps (Islamic Revolutionary Guard Corps) has stated that the country maintains “full control” over the Strait of Hormuz, a sea route that is critically important for global trade.
Earlier, U.S. President Donald Trump said he was preparing to deploy the U.S. Navy to escort tankers passing through the strategic waterway. Following that statement, the IRGC declared that it holds “complete control” over the Strait of Hormuz.
In a statement issued on Wednesday, Mohammad Akbarzadeh, an official from the IRGC Navy, said, “At this moment, the naval forces of the Islamic Republic have full control over the Strait of Hormuz.”
The statement was reported by Iran’s Fars News Agency.
Source: Al Jazeera
সুরেশ চন্দ্র রায়, স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীরের সমর্থনে ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঘিওর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে একটি বিশাল মোটরসাইকেল মিছিলের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে হাজারো নেতাকর্মী মোটরসাইকেল মিছিল…
সুরেশ চন্দ্র রায়, স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীরের সমর্থনে ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঘিওর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে একটি বিশাল মোটরসাইকেল মিছিলের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে হাজারো নেতাকর্মী মোটরসাইকেল মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। ধানের শীষের পক্ষে স্লোগানে-স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা বালিয়াখোড়া ইউনিয়ন। মিছিলটি বালিয়াখোড়া থেকে বের হয়ে পুরো ইউনিয়ন ঘুরে গোবিন্দী মোড়ে (পুরান গ্রাম) এসে শেষ হয়।নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সভাস্থল কানায়-কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে।
সভায় বক্তারা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। তাই, মানুষ ভোট দেয়ার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে আছেন। আজকের এই মিছিলে হাজারো মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দিয়েছে সত্যিই মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র ঘাটি। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে জয়যুক্ত করে বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান বক্তারা।
ঘিওর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর শরিফুল আলম টিটুর সভাপতিত্বে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বালিয়াখোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি খন্দকার মাসুদুর রহমান প্রিন্স, সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন নিলু, বালিয়াখোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শিকদার, বালিয়াখোড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সুমন দেওয়ান সাকিব, সদস্যসচিব শরিফ বিশ্বাস, ঘিওর উপজেলা বিএনপির সদস্য সাজেদুল ইসলাম মণ্টু, ঘিওর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বিপ্লব প্রধান প্রমুখ।
এসময় ঘিওর উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ হাজারো জনতা নির্বাচনী মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, আমরা যখন ইউনিফর্মে থাকব, তখন কোনো পক্ষপাতিত্ব করতে পারবো না। কারো ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত থাকতেই পারে। কিন্তু সেটা যেন কোনোভাবেই প্রকাশ না পায়।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিএএফ ঘাঁটি বাশার, ঢাকা সেনানিবাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বিমানবাহিনী সদস্যদের ব্রিফিং-এ তিনি এসব কথা বলেন।হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, আসন্ন নির্বাচন নিরবিচ্ছিন্ন, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দায়িত্ব পালন করছে বিমান বাহিনী। নির্বাচনের…
বিমানবাহিনীর
প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, আমরা যখন ইউনিফর্মে থাকব, তখন কোনো পক্ষপাতিত্ব করতে পারবো না। কারো ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত থাকতেই পারে। কিন্তু সেটা যেন কোনোভাবেই প্রকাশ না পায়।
বৃহস্পতিবার
(৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিএএফ ঘাঁটি বাশার, ঢাকা সেনানিবাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে
বিমানবাহিনী সদস্যদের ব্রিফিং-এ তিনি এসব
কথা বলেন।
হাসান
মাহমুদ খাঁন বলেন, আসন্ন নির্বাচন নিরবিচ্ছিন্ন, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে
দায়িত্ব পালন করছে বিমান বাহিনী। নির্বাচনের দিন যেকোনো পরিস্থিতিতে বিমানবাহিনীর সদস্যদের দৃশ্যমান থাকতে হবে। ঘাটিতে অবস্থানরতদের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ঘাঁটিতেই থাকতে হবে।
তিনি বলেন,
এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে বিমানবাহিনী। নির্বাচনে বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭শ
৩০ জন সদস্য দায়িত্ব
পালন করবেন।
সূত্র:দেশরুপান্তর
এখানে যা আছে সব খারিজ হবে, কোনো কথা নাই। তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি।’ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ আদায়ের এমন কথোপকথনের একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে।‘সব খারিজ হবে, তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি’, ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরালএর আগে শনিবার নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল-রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘুষ আদায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ঘটনায় গতকাল রোববার…
এখানে
যা আছে সব খারিজ হবে,
কোনো কথা নাই। তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি।’ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ আদায়ের এমন কথোপকথনের একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত
ভূমি কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে।
‘সব খারিজ হবে, তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি’, ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল
এর
আগে শনিবার নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল-রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘুষ আদায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ঘটনায় গতকাল
রোববার তাকে শোকজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নালিতাবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান।
৪৮
সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি-সংক্রান্ত একটি কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ
থেকে ৯ হাজার টাকা
ঘুষ নিয়ে ব্যাগে রাখছেন সেলিনা পারভীন। ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে উদ্দেশ
করে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে যা আছে সব
খারিজ হবে, কোনো কথা নাই। তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি।’
স্থানীয়দের
অভিযোগ, ভূমি-সংক্রান্ত সেবা পেতে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও নানা অনিয়মের
শিকার হচ্ছে। ঘুষ আদায়ের ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
নয়াবিল
গ্রামের এক ভুক্তভোগী পরিচয়
গোপন রাখার শর্তে জানান, ২০ শতাংশ জমির
নামজারি (খারিজ) করতে গেলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তাঁর কাছে ৮ হাজার টাকা
দাবি করেন। অথচ সরকারি ফি মাত্র ১
হাজার ৭০ টাকা। অতিরিক্ত
টাকা চাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুধু সরকারি ফি দিয়ে কাজ
হয় না, ওপরে দিতেও খরচ আছে।’ টাকা দিলে কাজ ‘সুন্দর করে’ করে দেওয়া হয় বলেও জানান
তিনি।
অভিযোগের
ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের মোবাইল নম্বরে কল দিয়ে যোগাযোগের
চেষ্টা করলেও রিসিভি করেননি।
উপজেলা
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমানের ভাষ্য, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। রোববার সকালে তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সুত্র: সমকাল
অনুসন্ধান ও বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্নওসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান গাজীর মৃত্যুর পর সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়। ওসমানের দ্বিতীয় স্ত্রী বালা হাতুনের সন্তান আলাউদ্দিন বে ছিলেন জ্ঞানচর্চা ও জনহিতকর কাজে নিয়োজিত এক ব্যক্তিত্ব। তিনি কোনিয়াতে দ্বীনি শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার জ্ঞান অর্জন করেন। জীবনের একটি বড় সময় ১৩ শতাব্দীর বিখ্যাত দরবেশ শাইখ এদেবালির সাহচর্যে কাটানোর কারণে সুফি-দরবেশ ও আলেমদের সঙ্গে…
অনুসন্ধান ও বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
ওসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান গাজীর মৃত্যুর পর সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়। ওসমানের দ্বিতীয় স্ত্রী বালা হাতুনের সন্তান আলাউদ্দিন বে ছিলেন জ্ঞানচর্চা ও জনহিতকর কাজে নিয়োজিত এক ব্যক্তিত্ব। তিনি কোনিয়াতে দ্বীনি শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার জ্ঞান অর্জন করেন। জীবনের একটি বড় সময় ১৩ শতাব্দীর বিখ্যাত দরবেশ শাইখ এদেবালির সাহচর্যে কাটানোর কারণে সুফি-দরবেশ ও আলেমদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্যদিকে ওরহান গাজী ছিলেন যুদ্ধ ও সামরিক অভিযানে অত্যন্ত দক্ষ।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রের মতে, ওসমান বে তাঁর বিভিন্ন অভিযান চলাকালে নিজের সিংহাসন, গোত্র ও রাজধানীর দায়িত্ব আলাউদ্দিনের কাছে আমানত হিসেবে রেখে যেতেন এবং আলাউদ্দিনও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করতেন। ওসমানের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও শতবর্ষী বিখ্যাত যোদ্ধা তুরগুত বে, আবদুর রহমান গাজী, কোসে মিহাল, কনুর আল্প, তুরহান, সামসা চাভুস এবং ওসমানের ভাতিজা আকতেমুর বে ও সুলেইমান বেসহ অধিকাংশ বে ওরহানের পক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি বাবার অসিয়ত ও অধিকাংশ বের সমর্থনে ওরহান সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় শাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আলাউদ্দিনও বাবার এক সাম্রাজ্য ও এক শাসক নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে ওরহানকে পূর্ণ সমর্থন জানান এবং সাম্রাজ্য দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
ক্ষমতায় বসে ওরহান গাজী সাম্রাজ্যে উজির পদের সৃষ্টি করেন এবং তাঁর ভাই আলাউদ্দিন বে-কে প্রথম উজির হিসেবে নিয়োগ দেন। সাম্রাজ্যের প্রধান বে ও নেতৃস্থানীয়দের পরামর্শে ওরহান 'সুলতান' উপাধি লাভ করেন, যা তাঁকে ওসমানীয়দের প্রথম সুলতান হিসেবে মর্যাদা দেয়। তবে তিনি বাবার মতো সুলতান হিসেবে ডাকার চেয়ে সাম্রাজ্যের প্রধান 'বে' হিসেবেই প্রজা সেবায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।
সাম্রাজ্যকে সুসংগঠিত করতে উজির আলাউদ্দিন পাশা ওরহানকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রস্তাব দেন। সেগুলো হলো— সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য নিজস্ব স্থায়ী মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট ওসমানীয় পোশাক বা ইউনিফর্ম নির্ধারণ করা এবং একটি নিয়মিত সেনাবাহিনী গঠন করা।
ওরহান গাজী এই পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন করেন। ১৩২৮ ও ১৩২৯ সালে ওরহানের নামাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা চালুর মাধ্যমে সাম্রাজ্যের নিজস্ব মুদ্রাব্যবস্থা শুরু হয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বে-দের পোশাকে আনা হয় পরিবর্তন। পূর্বে কায়ী গোত্রের ঐতিহ্য অনুযায়ী আল্প বা সিপাহিরা অনিয়মিত বাহিনী হিসেবে কাজ করত এবং যুদ্ধ ছাড়া অন্য সময়ে কৃষিকাজ ও বসতি পাহারায় যুক্ত থাকত। ওরহান গাজী প্রথম একটি নিয়মিত সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের স্থায়ী বেতনভাতার ব্যবস্থা করেন, যা ওসমানীয় সাম্রাজ্যকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে ভূমিকা রাখে।
Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্নমূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটিয়ে আটকে থাকা বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষ সুযোগ এনেছে সরকার। অর্থ আইন, ২০২৬–এর মাধ্যমে ভ্যাট আইনে নতুন ‘১৩৭ক’ ধারা যুক্ত করে এই ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে নির্ধারিত সময় পার হতে চললেও এই সুবিধার বাস্তব প্রতিফলন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।নতুন এই বিধানের মাধ্যমে ১৯৯১ সালের পুরোনো ভ্যাট আইন অথবা ২০১২ সালের…
Business ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটিয়ে আটকে থাকা বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষ সুযোগ এনেছে সরকার। অর্থ আইন, ২০২৬–এর মাধ্যমে ভ্যাট আইনে নতুন ‘১৩৭ক’ ধারা যুক্ত করে এই ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে নির্ধারিত সময় পার হতে চললেও এই সুবিধার বাস্তব প্রতিফলন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
নতুন এই বিধানের মাধ্যমে ১৯৯১ সালের পুরোনো ভ্যাট আইন অথবা ২০১২ সালের বর্তমান ভ্যাট আইনের আওতায় আটকে থাকা বকেয়া কর, উৎসে কর্তিত কর, জরিমানা কিংবা অন্য যেকোনো পাওনা সহজে পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের মধ্যে মাসিক ২ শতাংশ হারে মোট ২৪ মাসের সরল সুদ পরিশোধ করলেই পুরোনো করদায়ের চ্যাপ্টার থেকে চূড়ান্ত মুক্তি পাওয়া যাবে।
বাস্তবতা হলো, নির্ধারিত ছয় মাস সময়সীমার মধ্যে ইতিমধ্যে তিন মাস পেরিয়ে গেছে এবং হাতে রয়েছে আর মাত্র তিন মাস। অথচ মাঠপর্যায়ে সাধারণ করদাতা বা ভ্যাট কর্মকর্তা—কাউকেই স্পষ্ট করা হয়নি ঠিক কীভাবে বা কোন নিয়মে এই সুবিধা কার্যকর করা হবে। ফলে একটি ভালো উদ্যোগ সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আইনে বকেয়া পরিশোধের বিধান থাকলেও কয়েকটি বিষয়ে বড় ধরনের ধোঁয়াশা থেকে গেছে। এর মধ্যে ভ্যাট আপিল কমিশনারেট, আপিলাত ট্রাইব্যুনাল বা উচ্চ আদালতে ঝুলে থাকা অসংখ্য মামলার প্রত্যাহার বা নিষ্পত্তি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট রূপরেখা নেই। এছাড়া হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা মামলা বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে (এডিআর) চলমান প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কর জমা দেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি লাগবে কি না, তা অনুচ্চারিত রয়ে গেছে।
অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠানে মূল কর পরিশোধ হলেও কেবল সুদ বা আনুষঙ্গিক পাওনা বকেয়া রয়েছে, তারা এই বিশেষ স্কিমের আওতায় কীভাবে সুরাহা পাবেন তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে কিন্তু চূড়ান্ত দাবিনামা জারি হয়নি, তাদের সুবিধা নেওয়ার নিয়মও আইনে উল্লেখ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আইনে একটি ধারা যোগ করলেই রাজস্ব আদায় সম্ভব নয়। ৩১ ডিসেম্বরের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে করদাতারা কখন, কোথায়, কীভাবে আবেদন করবেন এবং কোন কোডে অর্থ জমা দেবেন, তা পরিষ্কার করে আদেশ জারি করা ও গণমাধ্যমে তা ব্যাপকভাবে প্রচার করা জরুরি।
একইসঙ্গে প্রতিটি ভ্যাট কমিশনারেটে ঝুলে থাকা পুরোনো ফাইল ও মামলা দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভ্যাট অফিসগুলোতে বিশেষ সহায়তা সেল বা হেল্প ডেস্ক চালু করার পাশাপাশি স্পষ্ট নিয়ম ও আস্থার পরিবেশ তৈরির জোর দাবি উঠেছে। এতে করে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দূর হওয়ার পাশাপাশি সরকারের কোষাগারে হাজার কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব জমা হওয়া সম্ভব হবে।
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ভারতের মহিলা রিকার্ভ তিরন্দাজি দল। নাগানোয় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১০ বারের অলিম্পিক বিজয়ী তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে তারা।শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন ভারতীয় তিরন্দাজরা। বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার তিরন্দাজদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও, পুরো ম্যাচে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে মহিলা রিকার্ভ ইভেন্টে এটি ভারতের…
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ভারতের মহিলা রিকার্ভ তিরন্দাজি দল। নাগানোয় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১০ বারের অলিম্পিক বিজয়ী তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে তারা।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন ভারতীয় তিরন্দাজরা। বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার তিরন্দাজদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও, পুরো ম্যাচে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে মহিলা রিকার্ভ ইভেন্টে এটি ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক জয়। শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এই সাফল্য লাভ ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করল।
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নএশিয়ান গেমস ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ১৩তম দিনে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে রিংয়ে নামছেন ভারতীয় বক্সাররা। প্রতিযোগিতা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, পদক তালিকার লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভারতীয় সমর্থকদের চোখ থাকবে দলের তারকা বক্সারদের পারফরম্যান্সের দিকে।ভারতের বক্সিং স্কোয়াডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার লাভলিনা বোরগোহাইন এবং প্রতিশ্রুতিশীল তারকা পারভীন হুডা। নিজ নিজ ওজন শ্রেণীতে সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য পদক…
Sports ডেস্ক: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ১৩তম দিনে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে রিংয়ে নামছেন ভারতীয় বক্সাররা। প্রতিযোগিতা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, পদক তালিকার লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভারতীয় সমর্থকদের চোখ থাকবে দলের তারকা বক্সারদের পারফরম্যান্সের দিকে।
ভারতের বক্সিং স্কোয়াডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার লাভলিনা বোরগোহাইন এবং প্রতিশ্রুতিশীল তারকা পারভীন হুডা। নিজ নিজ ওজন শ্রেণীতে সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য পদক নিশ্চিত করতে মুখিয়ে আছেন এই দুই অ্যাথলেট। তাদের ম্যাচগুলোকে ঘিরে ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
চলতি এশিয়ান গেমসে ভারতের শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও বক্সিং ইভেন্টে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার বড় সুযোগ আসছে এই দিনে। লাভলিনা ও পারভীন অতীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক সাফল্য অর্জন করেছেন, ফলে তাদের ওপর প্রত্যাশার চাপও বেশ বেশি।
দর্শকরা টেলিভিশন সম্প্রচার ও লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি এই ম্যাচগুলোর ওপর চোখ রাখতে পারবেন। ম্যাচের সময়সূচী অনুযায়ী দিনের শুরু থেকেই ভারতীয় বক্সিং ভক্তরা টিভির পর্দা এবং ডিজিটাল ডিভাইসে চোখ রাখবেন তাদের প্রিয় তারকাদের লড়াই দেখতে।
১৩তম দিনে কেবল বক্সিং নয়, আরও কয়েকটি ইভেন্টেও ভারতীয় অ্যাথলেটরা অংশ নেবেন। তবে বক্সিং রিংয়ে লাভলিনা ও পারভীনের উপস্থিতি দিনটিকে ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তাদের সাফল্য ভারতের সার্বিক পদক সংখ্যা বাড়াতে বড় অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Education ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থায়ন ও গবেষণায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ (MI5)। চিনের একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ গবেষকদের কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য ও প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে সংস্থাটি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কটে থাকা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চীনের একাডেমিক সহযোগিতার সম্পর্কে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমআইফাইভ দেশটির গবেষক ও একাডেমিকদের…
Education ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থায়ন ও গবেষণায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ (MI5)। চিনের একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ গবেষকদের কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য ও প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে সংস্থাটি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কটে থাকা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চীনের একাডেমিক সহযোগিতার সম্পর্কে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এমআইফাইভ দেশটির গবেষক ও একাডেমিকদের ‘চায়না একাডেমি অফ জেনারেল টেকনোলজি’ (CAGT) নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ না করার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ব্রিটিশ নিরাপত্তার জন্য ‘উল্লেখযোগ্য হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সিএজিটি মূলত ‘চায়না জেনারেল টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামেও পরিচিত। সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সাইবার নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কর্মরত ব্রিটিশ গবেষকদের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে চীনের মূল গোয়েন্দা সংস্থা ‘মিনিস্ট্রি অফ স্টেট সিকিউরিটি’র (MSS) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করছে।
এমআইফাইভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ১০০ জন যুক্তরাজ্য-সংলগ্ন গবেষক ও একাডেমিক এমএসএস দ্বারা অর্থায়িত এই প্রকল্পে কাজ করেছেন। গবেষকদের অজান্তেই অথবা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বিশাল অঙ্কের তথ্য সংগ্রহ করা চীনের গোয়েন্দা কৌশলের একটি অংশ। এর আগে ২০২৩ সালের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তা করা যুক্তরাজ্যের আইনে মারাত্মক অপরাধ।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাত দীর্ঘদিন ধরেই চীনের অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে আসছে। দেশটির অ-ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চীনা শিক্ষার্থীরাই বৃহত্তম গোষ্ঠী, যা প্রতি বছর ব্রিটিশ শিক্ষায় প্রায় ৬০ কোটি পাউন্ড অর্থ জোগায়। এছাড়া, সম্প্রতি চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২১-এর বেশি নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে, যার পঞ্চমংশের বেশি অংশীদারই যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এমন পরিস্থিতিতে এমআইফাইভের সতর্কতা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। গবেষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রযুক্তি বা গবেষণাগুলোতে চিনের সাথে সহযোগিতা করা যাবে এবং কোনগুলোতে করা যাবে না—তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব রয়েছে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো চার্লস পার্টন এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের মিয়া নাউয়েন্সের মতে, শুধু নির্দিষ্ট কোম্পানির নাম ঘোষণা করে বা সাধারণ সতর্কতা জারি করে এই ঝুঁকি ঠেকানো সম্ভব নয়। কারণ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মূলত তাদের কমিউনিস্ট পার্টির নিয়ন্ত্রণ থাকে। তাই কোন ক্ষেত্রগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তা পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করে গবেষকদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা জরুরি।
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্নই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের আসন্ন 'বিগ বিলিয়ন ডেজ' সেলে বেশ কয়েকটি মডেলের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পোকো। সি, এম এবং এক্স সিরিজের অন্তর্ভুক্ত পোকো ডিভাইসে এই মূল্যছাড় প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও ক্যাশব্যাক অফার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা অতিরিক্ত সঞ্চয়ের সুযোগও পাবেন।এই মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে পোকো এক্স৮ প্রো ম্যাক্স ৫জি, যা দুটি আলাদা কনফিগারেশনে বাজারে উপলব্ধ হবে। এছাড়া কোম্পানি নিশ্চিত করেছে…
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের আসন্ন 'বিগ বিলিয়ন ডেজ' সেলে বেশ কয়েকটি মডেলের ওপর আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পোকো। সি, এম এবং এক্স সিরিজের অন্তর্ভুক্ত পোকো ডিভাইসে এই মূল্যছাড় প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও ক্যাশব্যাক অফার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা অতিরিক্ত সঞ্চয়ের সুযোগও পাবেন।
এই মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে পোকো এক্স৮ প্রো ম্যাক্স ৫জি, যা দুটি আলাদা কনফিগারেশনে বাজারে উপলব্ধ হবে। এছাড়া কোম্পানি নিশ্চিত করেছে যে পোকো এক্স৮ প্রো এবং পোকো এক্স৮ পাওয়ার মডেল দুটির দামও এই সেল চলাকালীন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হবে।
ফ্লিপকার্টের বার্ষিক এই বিগ বিলিয়ন ডেজ সেল সব সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আগামী ৯ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। তবে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সুবিধাভোগী সদস্য এবং নির্দিষ্ট ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডধারীরা একদিন আগেই অর্থাৎ ৮ অক্টোবর থেকে অফারগুলো পাওয়ার আগাম সুবিধা পাবেন।
ফ্লিপকার্ট তাদের এই কেনাকাটার উৎসবে ব্যাংক অফারের আওতায় তাৎক্ষণিক মূল্যছাড়ের সুযোগ দিচ্ছে। গ্রাহকরা এই সেল চলাকালীন নির্ধারিত পোকো স্মার্টফোনগুলো তাদের বাজেটের মধ্যে সহজে কিনে নিতে পারবেন।
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্নপ্রযুক্তি ব্র্যান্ড ভিভো ভারতীয় বাজারে তাদের দুটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন—ভিভো টি৫ লাইট ৫জি এবং ভিভো টি৫ প্রো ৫জি-এর নতুন র্যাম ও স্টোরেজ কনফিগারেশন উন্মোচন করেছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।ফ্লিপকার্টের তালিকায় ফোনগুলোর জন্য 'কামিং সুন' বা 'শীঘ্রই আসছে' ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব দ্রুতই ক্রেতারা নতুন এই স্টোরেজ অপশনগুলো কেনার সুযোগ…
Technology ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ভিভো ভারতীয় বাজারে তাদের দুটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন—ভিভো টি৫ লাইট ৫জি এবং ভিভো টি৫ প্রো ৫জি-এর নতুন র্যাম ও স্টোরেজ কনফিগারেশন উন্মোচন করেছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
ফ্লিপকার্টের তালিকায় ফোনগুলোর জন্য 'কামিং সুন' বা 'শীঘ্রই আসছে' ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব দ্রুতই ক্রেতারা নতুন এই স্টোরেজ অপশনগুলো কেনার সুযোগ পাবেন।
নতুন তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ভিভো টি৫ লাইট ৫জি ফোনটি এখন ৪ জিবি র্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যাবে। যারা সাশ্রয়ী মূল্যে ফাইভ-জি ফোন খুঁজছেন, তাদের লক্ষ্য করেই এই ভ্যারিয়েন্টটি আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভিভো টি৫ প্রো ৫জি মডেলটিতে নতুন ৬ জিবি র্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশন যুক্ত করা হয়েছে। মধ্যম বাজেটে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এই মডেলটিকে সাজানো হয়েছে।
প্রসেসরের দিক থেকে, ভিভো টি৫ লাইট ৫জি মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৩০০ চিপসেট। এটি দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং সাধারণ গেমিংয়ের জন্য ভালো পারফরম্যান্স প্রদান করবে।
ভিভো টি৫ প্রো ৫জি স্মার্টফোনটি চালিত হয় শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন ৪ চিপসেট দিয়ে। এই প্রসেসরটি মাল্টিটাস্কিং এবং ভারী অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দ্রুত গতি নিশ্চিত করবে।
নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলোর যুক্ত হওয়ার ফলে ক্রেতারা তাদের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী আরও নতুন বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে ফ্লিপকার্টে তালিকাভুক্ত হলেও এগুলোর সঠিক দাম ও বিক্রির তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
Uncategorized ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্নআজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কফি উদ্যাপন, প্রতি কাপ কফির নেপথ্য কারিগরদের শ্রদ্ধা’। কফি চাষ এবং এর প্রক্রিয়াজাতকরণে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম ও অবদান রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মান জানাতেই এই দিবসে তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে।একসময় বাংলাদেশে কফি পানের অভ্যাস মূলত অভিজাত ক্যাফে ও বাসাবাড়ির ড্রয়িংরুমের শৌখিনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের আবর্তে দেশের কফি-সংস্কৃতিতে এসেছে এক বড়…
Uncategorized ডেস্ক: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ন
আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কফি উদ্যাপন, প্রতি কাপ কফির নেপথ্য কারিগরদের শ্রদ্ধা’। কফি চাষ এবং এর প্রক্রিয়াজাতকরণে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম ও অবদান রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মান জানাতেই এই দিবসে তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে।
একসময় বাংলাদেশে কফি পানের অভ্যাস মূলত অভিজাত ক্যাফে ও বাসাবাড়ির ড্রয়িংরুমের শৌখিনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের আবর্তে দেশের কফি-সংস্কৃতিতে এসেছে এক বড় ধরনের পরিবর্তন। বর্তমানে কফি আর কেবল আভিজাত্য বা বিলাসী পানীয়ে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি বাসা, অফিস, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস ও ভ্রমণের নিত্যদিনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে জেন-জি ও জেন আলফা প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা এখন চায়ের বিকল্প হিসেবে কফিকেই তাঁদের দৈনন্দিন প্রধান পানীয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। দ্রুত নগরায়ণ, বৈশ্বিক জীবনযাত্রার প্রভাব এবং রাতে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করা কিংবা ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজে জেগে থাকার অভ্যাসের কারণে তরুণদের কাছে কফি একটি জরুরি অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে।
দেশে বিশেষায়িত কফি শপ এবং বিন কফির বাজার প্রতিনিয়ত বিস্তৃত হলেও এখনো ইনস্ট্যান্ট কফির চাহিদা ও দাপটই সবচেয়ে বেশি। আলাদা কোনো বিশেষ যন্ত্রপাতি ছাড়াই সহজে ও দ্রুত প্রস্তুত করা যায় বলে সাধারণ গ্রাহকদের বাসা ও কর্মস্থলে ইনস্ট্যান্ট কফিই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একই সঙ্গে গলির মোড়ের টংদোকানগুলোতেও কফির সহজলভ্যতা বেড়েছে। মাত্র ১৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে ইনস্ট্যান্ট কিংবা ফেনা তোলা কফি। ফলে রিকশাচালক, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষদের দৈনন্দিন ক্লান্তি দূর করার এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছে টংদোকানের কফি।
অন্যদিকে আভিজাত্য ও আধুনিকতার প্রতীক হিসেবে ক্যাপুচিনো, লাতে, আমেরিকানো কিংবা কোল্ড কফির মতো পানীয়ের জনপ্রিয়তাও সমানভাবে বাড়ছে। দেশের কফি ব্যবহারের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখা গেছে আমদানির তথ্যেও। টানা তিন বছর আমদানি হ্রাসের পর সর্বশেষ অর্থবছরে কফি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
একসময় কেবল শীতকালের শৌখিন পানীয় হিসেবে বিবেচিত কফি এখন বাঙালির বারো মাসের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। সকালের আলস্য ও ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে গভীর রাতের আড্ডা পর্যন্ত—বাঙালির দৈনন্দিন জীবনযাপনে কফি এখন চায়ের মতোই এক চিরচেনা অভ্যাসে রূপ নিয়েছে।
Published newsroom dispatches by Liton Hossain Jihad.
Visual work published by this member.
Selected published work from this profile.

ঘৃণার পাহাড়টি আজ এতটাই দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, তাকে অতিক্রম করে আর তোমার কাছে ফেরার কোনো পথ অবশিষ্ট…

ুািাি

ুািাৃু

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না। সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান।

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’—কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের…

“প্রকৃতি যখন নিজের রঙে সাজায় নিজেকে, তখন শব্দরা থমকে দাঁড়ায়; শুধু চোখ ভরে দেখে যেতে হয় এই নীরব…

এখন আর আগের মতো রেকর্ড করা হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুব আনন্দের

পথিকটিভি স্টোর

ব্রিটেনের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধার সংস্থায় অদ্ভুত এক ফোন আসে একবার। জানানো হয়, একটি কাঠবিড়ালি মাথায় কিছু একটা…

পথিকটি়ভির সংবাদ সেকশন এখন নতুন ভাবে আসছে!
Skills stored in this member's professional account.
Achievements and accolades stored for this member.
To: Liton Hossain Jihad
Private messages are stored by PothikTV. Do not assume end-to-end encryption unless a separate secure channel is configured.
Update, lead, inquiry, event, poll, visual or announcement
In Safari, tap Share, then choose Add to Home Screen.






